Habra Ramkrishna-Vivekananda Ashrama

Habra Ramkrishna-Vivekananda Ashrama Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Habra Ramkrishna-Vivekananda Ashrama, Religious organisation, Habra.

আজ আমাদের হাবড়া রামকৃষ্ণ-- বিবেকানন্দ আশ্রমে *রামকৃষ্ণ মিশন ইনস্টিটিউট অফ কালচার,  গোলপার্ক* এর উদ্যোগে (হাবড়া জোনের)  স...
28/05/2026

আজ আমাদের হাবড়া রামকৃষ্ণ-- বিবেকানন্দ আশ্রমে *রামকৃষ্ণ মিশন ইনস্টিটিউট অফ কালচার, গোলপার্ক* এর উদ্যোগে (হাবড়া জোনের) স্বামী বিবেকানন্দের উপর এক কুইজ কম্পিটিশন অনুষ্ঠিত হলো।
আমাদের আশ্রমের পাঠচক্রের ছেলে ও মেয়েরা এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে।
হাবড়া জোনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি নম্বর পায় আমাদের আশ্রম।

রাজা মহারাজ স্মরণেঃ সবাই বলে, রাজা মহারাজের কথা বলুন। ও কি আর যে-সে কথা! অনেক উচ্চস্তর থেকে বলতে হয়, মনটা অনেক উঠিয়ে শুন...
19/01/2026

রাজা মহারাজ স্মরণেঃ

সবাই বলে, রাজা মহারাজের কথা বলুন। ও কি আর যে-সে কথা! অনেক উচ্চস্তর থেকে বলতে হয়, মনটা অনেক উঠিয়ে শুনতে হয়।
পবিত্র মনে শুনতে হয়, তবে তো বোঝা যায়! ওগুলো ঠিক বিশ্বাস করতে হয়।

রাজা মহারাজের কাছে যেতে সবাই একটা সম্ভ্রম-মিশ্রিত ভয় পেত। তার কারণ, তাঁর একটা spiritual halo ছিল। তাঁর কাছে গেলে সবার মনটাই spiritually অনেক ওপরে উঠে যেত। তাঁর সান্নিধ্যের একটা great influence ছিল। তিনি যা বলতেন তাই শুনতে হত, যা করতেন তাই করতে হত।

( স্বামী নির্বাণানন্দজীর স্মৃতিকথা থেকে)

( ছবিঃ ভুবনেশ্বর রামকৃষ্ণ মঠে ভাবস্থ রাজা মহারাজ-জী)
(রাজা মহারাজের শুভ জন্মতিথিতে আমাদের সশ্রদ্ধ প্রণাম।)

30/12/2025

স্বামী রঙ্গনাথানন্দজী মহারাজের বাণী ~
১-তপস্যা করার জন্য কোথাও যাব এমন ভাবনা আমি কখনও করিনি l আমি একথাই ভাবতে শিখেছি যে , যেদিন থেকে আমি শ্রী রামকৃষ্ণ-সঙ্ঘের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করেছি সেদিন থেকে আমার তপস্যা শুরু হয়েছে এবং আমার সমগ্র জীবন ও কর্মই তপস্যা l

২ - গুরুপ্রদত্ত মন্ত্রের মাধ্যমে ঈশ্বরের নাম করবে বারবার l তুমি একা থাকলে তাঁর নাম উচ্চৈস্বরে করতে পার l সেই শব্দতরঙ্গ দিয়ে তোমার মনকে পরিপূর্ণ করো l ঈশ্বরীয় নামে মহান শক্তি আছে ,তবে তা আমাদের অনেক সময়ই অব্যক্ত থাকে l বারংবার মন্ত্র উচচারণের মাধ্যমে মন্ত্রশক্তি মনের অন্তদেশে প্রবেশ করে দুষ্ট চিন্তার অবসান ঘটায় l

৩- কাজ করো ,কাজের সঙ্গে অবসরও উপভোগ করো ,কাজকে কখনও ক্লান্তিকর করে তুলবে না এবং কাজের পরিধির বাইরে মনকে হাল্কা রাখতে চেষ্টা করতে হবে l যদি হৃদয়ে কর্মের জন্য অনুরাগ থাকে তাহলে কাজও আনন্দময় হয়ে ওঠে ও সব কিছুই সুন্দর হয়ে ওঠে l

৪- মানুষ স্বরূপগত ঐশ্বরিক ও অধ্যাত্মভাবে ভাবাপন্ন -কিন্ত সেই ভাব সুপ্ত থাকে l আমাদের সেই ঐশ্বরিক ভাবকে বিকশিত করতে হবে নিজের নিজের জীবন ও কর্মে ; গড়ে তুলতে হবে নৈতিক দৃঢ়তা ও ইচছাশক্তি l

৫- মানুষের মধ্যে অন্তর্নিহিত দেবত্বকে পুজো করার সঠিক উপায়টি দুটো শব্দের মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে l "দানমানাভ্যাম্ "--দান এবং মানের মাধ্যমে l অসুস্থ ব্যক্তিকে চিকিৎসা-দান করতে হবে l দরিদ্র ব্যক্তিকে অন্নদান বা কর্মদান করতে হবে এবং এই দান-সম্পাদানের ক্ষেত্রে --ঐ ব্যক্তিকে সম্মান অর্থাৎ মান দিতে হবে l নিজেকে বড় বা শ্রেষ্ঠ মনে করে অন্যের প্রতি কৃপা করা চলবে না l

৬- আমরা দূষণ নিয়ে আলোচনা করি--পরিবেশ দূষণ ,জল দূষণ ,ইত্যাদি কিন্ত এই সময়কালে মনের দূষণই সব চাইতে মারাত্মক দূষণ l মন সর্বদাই কলুষিত হচছে l এই জগৎ-সংসার প্রতিনিয়ত মনের কাছে দূষণের তরঙ্গ পাঠিয়ে চলেছে l তাই উপনিষদ আমাদের উপদেশ দিয়ে বলেছেন আমরা যেন মনের ভিতরে পৃথিবী থেকে যা আহরণ করে রাখি ,তা গ্রহন করার আগে শোধন করে নিই l উপনিষদের এই শিক্ষা যথার্থভাবে গ্রহন করলে মন শুদ্ধ থাকবে l আমাদের দেহ-মন উভয়েরই যত্ন নিতে হবে , কিন্ত মানসিক- আহার দৈহিক আহারের তুলনায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ l

৭- সমস্যা যত জটিলই হোক না কেন ,মানুষ করতে পারে না এমন কোন কাজই নেই l মানুষের মধ্যে অসীম সম্ভাবনা নিহিত আছে l এটাই হল স্বামী বিবেকানন্দের "বৈদান্তিক অধ্যাত্মবাদ " l

৮- আমাদের জীবনে কোন কিছু পরিত্যগ করাই কঠিন আর অহংকে পরিত্যগ করা সব চাইতে কঠিন l কিন্ত সত্যকে উপলব্ধি করার জন্য এই ক্ষুদ্র অহংটিকে সর্বাগ্রে পরিত্যাগ করতে হবে l

--স্বামী রঙ্গনাথানন্দজী মহারাজ

আর মায়ের ১৭৩ তম শুভ জন্মতিথি  উপলক্ষে হাবড়া রামকৃষ্ণ -- বিবেকানন্দ আশ্রম এর বিশেষ অনুষ্ঠান।
11/12/2025

আর মায়ের ১৭৩ তম শুভ জন্মতিথি উপলক্ষে হাবড়া রামকৃষ্ণ -- বিবেকানন্দ আশ্রম এর বিশেষ অনুষ্ঠান।

08/12/2025
21/11/2025

জীবনে এমন সময় আসে, যখন মন হঠাৎই ভারী হয়ে যায়। কথা বলতে ইচ্ছা করে না, আশার আলো দেখতে পাওয়া যায় না, মনে হয়—সবকিছু যেন থমকে গেছে। মানুষ তখন ভাবতে থাকে, “এত দুঃখ কেন আসে? কেন মন এত অস্থির হয়?”

কিন্তু সত্য হলো—জীবনে দুঃখও আসে মানুষের শক্তি পরীক্ষা করতে, ধৈর্য শেখাতে, আর ঈশ্বরকে আরও গভীরভাবে অনুভব করাতে।

মন খারাপ হলে ঈশ্বরকে মনে করা মানে শুধু প্রার্থনা করা নয়।
এর মানে হলো—নিজেকে স্মরণ করানো যে, আমি একা নই।

কেউ আছেন, যিনি আমাকে দেখছেন, শুনছেন, বুঝছেন, আর ভিতর থেকে শক্তি দিচ্ছেন।

যে ভরসা মানুষকে ভেঙে পড়তে দেয় না—সেই ভরসাই ঈশ্বর।

অস্থিরতার মুহূর্তে ঈশ্বরকে স্মরণ করা মানে নিজের হৃদয়ের দরজা একটু খুলে দেওয়া। সেই আলো ঢুকতেই মন ধীরে ধীরে শান্ত হতে থাকে।
বেশিরভাগ সময় আমরা দুঃখে ছটফট করি, কারণ আমরা ভাবি—সব আমাকেই সামলাতে হবে।

কিন্তু ঈশ্বরকে মনে করা মানে হলো দায়িত্বের ভার নিজের থেকে একটু নামিয়ে রাখা, আর বিশ্বাস করা:

“যা ঘটছে, নিশ্চয়ই কোনো ভালো কারণ আছে। আমার পথ ঠিকই খুলে যাবে।”

এর চেয়ে বড় মানসিক সাহস আর কিছু নেই।

অনেক সময় দেখা যায়, মানুষ দুঃখে থাকে, কারণ তারা নিজেরেই ভুলে যায়—তাদের ভিতরেই ঈশ্বর রয়েছেন।

যখন তুমি তাঁকে মনে করো, তখন তুমি নিজের শক্তিকেই জাগিয়ে তুলো।
মন ভালো হওয়ার প্রথম ধাপ এই আত্মবিশ্বাস—
“ঈশ্বর আছেন, তাই ভয় নেই।”

জীবন যতই কঠিন হোক, এই একটি সত্য যদি ধরতে পারো, তাহলে কোনো অন্ধকার তোমাকে বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারবে না।
কারণ ঈশ্বরকে স্মরণ মানেই আলোকে স্মরণ করা—যেখানে আলো আছে, সেখানে অন্ধকার টিকতে পারে না।

যারা দুঃখে ঈশ্বরের নাম নেয়, তারা কখনো একা পড়ে না।
দুঃখ থাকে, কিন্তু দুঃখ কাটানোর শক্তিও জন্ম নেয়।

কাঁদা আসে, কিন্তু কান্নার পরেও মন নতুন আলো খুঁজে পায়।
কারণ ঈশ্বরের স্মরণ মানুষের মনকে সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী করে।
তাই মন খারাপ হলে ভেঙে পড়ো না—

একটু থামো, চোখ বন্ধ করো, নিঃশ্বাস নাও, আর মনের ভিতর থেকে বলো—
“হে ঈশ্বর, তুমি আছো—এইটুকুই যথেষ্ট।”

তখন দেখবে, যে দুঃখটা তোমাকে ডুবিয়ে দিচ্ছিল, সে আর আগের মতো শক্তিশালী নেই।

ধীরে ধীরে শান্তি নামবে, আর তুমি আবার নিজের পথে চলার শক্তি পাবে।
মন খারাপ হলে ঈশ্বরকে মনে করো—এই একটাই অভ্যাস মানুষকে ভিতর থেকে অটুট করে দেয়।

🙏🙏🙏🙏

02/10/2025

#বিসর্জন_পর্ব
-০২/১০/২০২৫
শ্রীরামকৃষ্ণদেব মথুরকে যা বলেছিলেন,
বিসর্জনের তাৎপর্যার্থে তা স্মরণীয়।
মথুর শ্রীরামকৃষ্ণদেবকে যখন জানালেন- তিনি প্রাণ থাকতে দেবী দুর্গা মাকে বিসর্জন দিতে পারবেন না, তখন শ্রীরামকৃষ্ণদেব হেসে তাঁকে বলেন
"ওঃ! এই তোমার ভয়?
তা মাকে ছেড়ে তোমায় থাকতে হবে কে বললে? আর বিসর্জন দিলেই বা তিনি যাবেন কোথায়?
ছেলেকে ছেড়ে মা কি কখন থাকতে পারে?
এ তিন দিন বাইরে দালানে বসে তোমার পূজা নিয়েছেন, আজ থেকে তোমার আরও নিকটে থেকে- সর্বদা তোমার হৃদয়ে বসে তোমার পূজা নেবেন। মাকে বিসর্জন দেবে কোথায়?
বিসর্জন দেবে নিজের হৃদয়ে।"
জয় ঠাকুর জয় মা
সকলকে রক্ষা করো মাগো 🙏🙏🙏🙏🙏🙏🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺

মা তোমাদের তো রক্ষা করছেনই— তাঁকে ডাক আর নাই ডাক। তবে ডাকলে— আরও আনন্দে বিভোর হবে। দেখ— চন্দ্র সূর্য গ্ৰহনক্ষত্র পৃথিবী ...
01/10/2025

মা তোমাদের তো রক্ষা করছেনই— তাঁকে ডাক আর নাই ডাক। তবে ডাকলে— আরও আনন্দে বিভোর হবে। দেখ— চন্দ্র সূর্য গ্ৰহনক্ষত্র পৃথিবী পর্ব্বত নদনদী বৃক্ষলতা— সকলেই কেমন ধ‍্যানমৌন হয়ে আছে— সকলেই যেন মাকে ডাকছে— তাঁর ধ‍্যান করছে। কেবলমাত্র মানুষ যে— এ সকলের শ্রেষ্ঠ সেই বিষয়েতে মত্ত— মাকে ডাকে না। মাকে কায়মনোবাক্যে ডাকতে পারলে— ভারি আনন্দ। এতে দাদা— কোন সন্দেহ নেই। সন্দেহ-ই তো মহাপাপ। মায়ের সেই আনন্দজ্যোতি তো চারিদিকে ওতপ্রতোভাবে রয়েছে; আশ্চর্যের বিষয়— মানুষ তা উপলব্ধি করতে পারছে না।

_সৎপ্রসঙ্গে স্বামী বিজ্ঞানানন্দ_

🌻 *শ্রীশ্রীমাতৃ আরাধনার পাবন শারদীয় দুর্গোৎসবের নবমীর শুভ দিনের আন্তরিক শুভেচ্ছা*🌻

সেবার পুজোর সময় মা জয়রামবাটীতে আছেন। পূজাবাড়ি থেকে ভেসে আসছে ঢাকের শব্দ। সেখানে মণ্ডপ আলো করে বসে আছেন সপরিবারে মা দুর্গ...
28/09/2025

সেবার পুজোর সময় মা জয়রামবাটীতে আছেন। পূজাবাড়ি থেকে ভেসে আসছে ঢাকের শব্দ। সেখানে মণ্ডপ আলো করে বসে আছেন সপরিবারে মা দুর্গা। অসুস্থ ভানুপিসি ঘরে শুয়ে কাঁদছেন। পূজা বাড়ি পর্যন্ত যাবার ক্ষমতা তাঁর নেই। শ্রীমা এসে ঘরে ঢুকলেন।

ভানুপিসিকে কাঁদতে দেখে মা কান্নার কারণ জেনে বললেন, ''না না তা কেন হবে, মায়ের মুখ তুমি নিশ্চয়ই দেখবে।''

পিসি- ''আমাকে সান্ত্বনা দিচ্ছিস সারু ?''
শ্রীমা- "আমি কি তাই পারি ?" উঠে দাঁড়ালেন মা।

দরজার দিকে গিয়ে পিছন ফিরে দাঁড়ালেন। ভানুপিসি অবাক হয়ে দেখলেন- দশভুজা, সালাঙ্কারা মা দুর্গা সিংহের পিঠে মহিষাসুর সহ বসে আছেন। তারপরই দেখলেন মা এগিয়ে যাচ্ছেন আরও একবার ফিরে দাঁড়ালেন মা, ভানুপিসি আবারও দেখলেন মা দশভুজা দুর্গাকে। পরমুহূর্তে দেখলেন মা বেড়িয়ে গেলেন ঘর থেকে। ঘরে শুয়ে তিনি দর্শন পেলেন মা দুর্গার। তাঁর বিশ্বাস দৃঢ় হল, তাঁর সারুই মা দুর্গা, মা জগদম্বা, মা কালী।
শুভ ষষ্ঠী।

আজ ২১শে সেপ্টেম্বর। আজ সেই বিশেষ দিন, যেদিন ঠাকুরের প্রথম ছবিটি তোলা হয়েছিল৷ আজও যে ছবি অনেকের বাড়িতেই পুজো হয়।এমনিতে ঠা...
21/09/2025

আজ ২১শে সেপ্টেম্বর। আজ সেই বিশেষ দিন, যেদিন ঠাকুরের প্রথম ছবিটি তোলা হয়েছিল৷ আজও যে ছবি অনেকের বাড়িতেই পুজো হয়।এমনিতে ঠাকুর নিজের ছবি তোলা একদমই পছন্দ করতেন না।সেই দিনটা ছিল ২১শে সেপ্টেম্বর, ১৮৭৯। ঠাকুরের অন্যতম ভক্ত ব্রাহ্মনেতা কেশব সেনের গৃহ "কমল কুটির" (বর্তমান ভিক্টোরিয়া ইন্সটিটিউশন, ৭২, আপার সারকুলার রোড, কলকাতা)–এ কীর্তনের আসরে ঠাকুর ভাবাবিষ্ট হন। ঠাকুর সমাধিস্থ হয়ে দাঁড়িয়ে পড়লে তাঁকে পেছন থেকে ধরে রাখেন ভাগ্নে হৃদয়রাম মুখোপাধ্যায়, যেন তিনি পড়ে না যান। এরূপ অবস্থায় ব্রাহ্মভক্ত বেষ্টিত সমাধিস্থ ঠাকুরের এই ফটোটি তোলা হয়।
কিন্তু এই ছবির রহস্য কি! আসলে ঠাকুর দাঁড়িয়ে রয়েছেন মৃগ মুদ্রা তে। ছবিটিতে দেখা যায় ঠাকুরের দুই হাতের এক অনন্য ভঙ্গী। পরে তাঁর শিষ্য স্বামী প্রেমানন্দ এর লেখা থেকে জানা যায়, ঠাকুর এর উর্ধমুখী ডান হাত আসলে বোঝাই পরমাত্মা কে এবং বাম হাত টি বোঝাই এ বিশ্ব সংসার কে। এর অর্থ এ জগতের সব কিছুই ক্ষণস্থায়ী, সবাই পর, সবাইকেই অবশেষে মিলতে হবে পরমাত্মা তে, কেউ এ ব্রহ্মান্ডের কিছুই নিয়ে যেতে পারবেনা।

জয় ঠাকুর।

১৮৯৩ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর আমেরিকায় চিকাগো ধর্মমহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই ধর্মমহাসভায় হিন্দুধর্মের বিজয় কেতন তুল...
11/09/2025

১৮৯৩ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর আমেরিকায় চিকাগো ধর্মমহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই ধর্মমহাসভায় হিন্দুধর্মের বিজয় কেতন তুলে ধরেছিলেন বীর সেনাপতি স্বামী বিবেকানন্দ। আজকের এই মহাপুণ‍্য দিনে স্বামীজির শ্রীচরণে সাষ্টাঙ্গে ভক্তিপূর্ণ প্রণাম জানাই।
🙏🙏

এস দেব এস করুণা নিধান
লহ আজি মম তনু মন প্রাণ
কৃপা করি কর এ আশিষ দান
তব কাজে যেন জীবন যায় ।।
🙏🙏🙏🙏

Address

Habra
743269,743271,743263

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Habra Ramkrishna-Vivekananda Ashrama posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share