We love satsang

Call Directions Website Contact the place of worship

We love satsang জয় গুরু 🙏
আমরা গর্বিত যে আমরা সৎসঙ্গী
(3)

কোন্ মাটিকোন্ বীজের পক্ষেপুষ্টি ও সমৃদ্ধিকারক,তা'র সাদৃশ্যকে পরিপোষণ ক'রেশিষ্ট ও সুন্দর ক'রে তোলে,-দেখে-শুনেবুঝে-সুঝেসে-...
05/10/2026

কোন্ মাটি
কোন্ বীজের পক্ষে
পুষ্টি ও সমৃদ্ধিকারক,
তা'র সাদৃশ্যকে পরিপোষণ ক'রে
শিষ্ট ও সুন্দর ক'রে তোলে,-
দেখে-শুনে
বুঝে-সুঝে
সে-বীজের জন্য
সেই-মাটিই সংগ্রহ ক'রো-
যদি সুফল পেতে চাও;
এর ব্যতিক্রম
ফলকে
সঙ্কীর্ণ ও ব্যতিক্রমদুষ্ট ক'রে তোলে। ১১।

~ শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
বিবাহ-বিধায়না 📖
————————————————————
যে বীজের জন্য যে মাটি উপযুক্ত, সেই বীজকে ভালোভাবে বেড়ে উঠতে ও সমৃদ্ধ হতে হলে তার উপযোগী মাটিতেই রোপণ করতে হয়। অর্থাৎ মানুষের ক্ষেত্রেও প্রত্যেক ব্যক্তির স্বভাব, গুণ, প্রকৃতি ও সামর্থ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ পরিবেশ, শিক্ষা ও সঙ্গ নির্বাচন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক পরিবেশ পেলে মানুষের স্বাভাবিক গুণাবলি বিকশিত হয়ে তাকে শিষ্ট, সুন্দর ও উন্নত করে তোলে এবং তার কাছ থেকে কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া যায়। কিন্তু ব্যক্তির প্রকৃতির সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ পরিবেশ বা পরিস্থিতিতে তাকে রাখলে তার বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয় এবং তার ফলাফলও সীমাবদ্ধ ও ত্রুটিপূর্ণ হতে পারে। তাই সুফল লাভ করতে হলে মানুষ বা বস্তুর প্রকৃতি বুঝে তার উপযোগী পরিবেশ নির্বাচন করা উচিত।

Just as every seed needs a particular kind of soil that is suitable for its growth and nourishment, every person also needs an environment that matches their nature, qualities, and potential. If the right environment, education, companionship, and conditions are provided, a person’s natural qualities can develop properly and make them refined, disciplined, and successful. On the other hand, placing someone in an unsuitable environment can hinder their growth and produce limited or undesirable results. Therefore, if we want good results, we should carefully understand a person’s nature and provide them with the environment best suited to their development.

🤗🤗🤗
05/10/2026

🤗🤗🤗

05/10/2026

Finding peace in moments of devotion and togetherness. How do you find your calm during busy days? Share below!

04/10/2026

I got over 3,100 reactions on one of my posts last week! Thanks everyone for your support! 🎉

04/10/2026

04/10/2026
আমার বাবার নাম *অর্কদ্যুতি চক্রবর্তী* , আমার নাম *অবিনেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী* , আমার ভাইয়ের নাম *অর্নদ্যুতি চক্রবর্তী* ।*আ...
04/10/2026

আমার বাবার নাম *অর্কদ্যুতি চক্রবর্তী* , আমার নাম *অবিনেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী* , আমার ভাইয়ের নাম *অর্নদ্যুতি চক্রবর্তী* ।

*আমাদের পরিবারের সবার নাম A এবং C দিয়ে।* গরমের দিনে আমাদের যখন গরম লাগে তখন আমরা AC টা চালিয়ে দিয়ে বসে আরাম করি।

ঠিক তেমনি *আপনাদের জীবনে যখন সমস্যা হবে তখন আমাদের কাছে চলে আসবেন* আমরাও ঠিক AC -র মতো কাজ করবো।✨

-- পরমপূজ্যপাদ শ্রী শ্রী অবিন দাদা।🌼

*স্থিরপ্রতিজ্ঞ হও, গোঁয়ার হ'য়ো না।*     - সত্যানুসরণশ্রীশ্রীবড়দা প্রদত্ত ব্যাখ্যা-প্রশ্ন তুললেন সতীশদা-কেমন হলে স্থিরপ্...
04/10/2026

*স্থিরপ্রতিজ্ঞ হও, গোঁয়ার হ'য়ো না।*

- সত্যানুসরণ

শ্রীশ্রীবড়দা প্রদত্ত ব্যাখ্যা-

প্রশ্ন তুললেন সতীশদা-কেমন হলে স্থিরপ্রতিজ্ঞ হওয়া যায়, আর কেমন হ'লে গোঁয়ার হয়?

শ্রীশ্রীপিতৃদেব বাণীটি রানীকে (মুখার্জী) আলোচনা করতে বললেন।

রানী-আমি স্থির করেছি, এই কাজটা করবই, গুরুজনেরা নিষেধ করছে, তাও করছি। এরকম হ'লে তাকে গোঁয়ার বলে।

শ্রীশ্রীপিতৃদেব-আমি স্থির করেছি করবই, তা করলাম। তাহ'লে তো স্থিরপ্রতিজ্ঞ হ'লাম। গোঁয়ার হলাম কেমন ক'রে?

রানী-গুরুজনের আদেশ মেনে চলা দরকার। যদি কাজটা ভাল হয় তাহ'লে করব। খারাপ হ'লে করব না।

শ্রীশ্রীপিতৃদেব-ভাল কাজই তো করব। খারাপ কাজ করতে যাব কেন?

রানী নিরুত্তর থাকায় শ্রীশ্রীপিতৃদেব এবার প্রতিভাকে (প্রধান) আলোচনা করতে বললেন।

প্রতিভা অন্য উদাহরণ দিয়ে আলোচনা করছিল। শ্রীশ্রীপিতৃদেব বললেন-রানীর উদাহরণ দিয়েই বল। যেমন, এখন তো শীতের সময়। খুব শীত করছে। তুমি কল থেকে জল আনতে যাচ্ছ বালতি নিয়ে। তোমার মা তোমায় বলছে-জল আনতে হবে না, ঠাণ্ডা লাগবে, টনসিল বেড়ে যাবে। অথচ বাড়িতে জলও নেই, আনাও দরকার। সেখানে তুমি কী করবে?

প্রতিভা-এখানে মা-র কথা না শুনে আমি নিয়ে আসবই। মা-র কথা শোনা চলবে না।

শ্রীশ্রীপিতৃদেব-কেন শোনা চলবে না?

প্রতিভা-মা-র কষ্ট হবে, মা যদি জল নিয়ে আসে।

শ্রীশ্রীপিতৃদেব-তুমি মা-র কথা না শুনে জল নিয়ে এলে। তাহ'লে তো স্থিরপ্রতিজ্ঞ, গোঁয়ার দুইই হলে। স্বপ্না বল।

স্বপ্না-মা যদি আনতে নিষেধ করে তাহ'লে আনব না। মা যদি আনতে বলে তাহ'লেই আনব।

শ্রীশ্রীপিতৃদেব-তাহ'লে তো স্থির প্রতিজ্ঞ হ'লে না। তখন কী বলতে হবে জান? তখন মাকে বলবে-আমার কিচ্ছু হবে না মা, তোমার আশীর্বাদে আমার কিছুই হবে না; ঠাণ্ডা না লাগে সেইমত ভাল ক'রে জামাকাপড় পরে নিয়েছি। সকালবেলা মা-কে প্রণাম ক'রে গায়ে ঢাকাঢাকি দিয়ে চলে যাবে জল আনতে।

স্থিরপ্রতিজ্ঞের মধ্যে আছে যুক্তি ও বিচার। আর গোঁয়ার হচ্ছে যুক্তি-বিচার-বিবর্জিত।

[ইষ্ট-প্রসঙ্গে/তাং-২৪/১/৭৬ ইং]

কৃতিদ্যুতি বিশ্বাস আলোচনায় বলে-ঠাকুর বলছেন-দৃঢ় সংকল্প হও।

শ্রীশ্রীপিতৃদেব-কিসে দৃঢ় সংকল্প?

কৃতিদ্যুতি-কোন সৎ কাজ করতে গেলে দৃঢ় সংকল্প হতে হবে।

শ্রীশ্রীপিতৃদেব-গোঁয়ার মানে কি?

কৃতিদ্যুতি-ভালই হোক, মন্দই হোক-কাজটা করলাম। ভাল-মন্দ বিবেচনা করলাম না।

গুরুকিংকরদা (পাণ্ডে)-স্থির-প্রতিজ্ঞ হলে, সৎ কাজ হলে চেষ্টা করবেই। আর গোঁয়ার হলে পরেও করবেই, সে ভালই হোক, মন্দই হোক।

শ্রীশ্রীপিতৃদেব-হ্যাঁ। গোঁয়ার ভাল-মন্দ কোন কিছু বিবেচনাই করে না।

[পিতৃদেবের চরণপ্রান্তে/তাং-২৮/৬/৭৯ ইং]

© কো-ফাউন্ডার প্রীতিশ রঞ্জন মৃধা*স্থিরপ্রতিজ্ঞ হও, গোঁয়ার হ'য়ো না।*

- সত্যানুসরণ

শ্রীশ্রীবড়দা প্রদত্ত ব্যাখ্যা-

প্রশ্ন তুললেন সতীশদা-কেমন হলে স্থিরপ্রতিজ্ঞ হওয়া যায়, আর কেমন হ'লে গোঁয়ার হয়?

শ্রীশ্রীপিতৃদেব বাণীটি রানীকে (মুখার্জী) আলোচনা করতে বললেন।

রানী-আমি স্থির করেছি, এই কাজটা করবই, গুরুজনেরা নিষেধ করছে, তাও করছি। এরকম হ'লে তাকে গোঁয়ার বলে।

শ্রীশ্রীপিতৃদেব-আমি স্থির করেছি করবই, তা করলাম। তাহ'লে তো স্থিরপ্রতিজ্ঞ হ'লাম। গোঁয়ার হলাম কেমন ক'রে?

রানী-গুরুজনের আদেশ মেনে চলা দরকার। যদি কাজটা ভাল হয় তাহ'লে করব। খারাপ হ'লে করব না।

শ্রীশ্রীপিতৃদেব-ভাল কাজই তো করব। খারাপ কাজ করতে যাব কেন?

রানী নিরুত্তর থাকায় শ্রীশ্রীপিতৃদেব এবার প্রতিভাকে (প্রধান) আলোচনা করতে বললেন।

প্রতিভা অন্য উদাহরণ দিয়ে আলোচনা করছিল। শ্রীশ্রীপিতৃদেব বললেন-রানীর উদাহরণ দিয়েই বল। যেমন, এখন তো শীতের সময়। খুব শীত করছে। তুমি কল থেকে জল আনতে যাচ্ছ বালতি নিয়ে। তোমার মা তোমায় বলছে-জল আনতে হবে না, ঠাণ্ডা লাগবে, টনসিল বেড়ে যাবে। অথচ বাড়িতে জলও নেই, আনাও দরকার। সেখানে তুমি কী করবে?

প্রতিভা-এখানে মা-র কথা না শুনে আমি নিয়ে আসবই। মা-র কথা শোনা চলবে না।

শ্রীশ্রীপিতৃদেব-কেন শোনা চলবে না?

প্রতিভা-মা-র কষ্ট হবে, মা যদি জল নিয়ে আসে।

শ্রীশ্রীপিতৃদেব-তুমি মা-র কথা না শুনে জল নিয়ে এলে। তাহ'লে তো স্থিরপ্রতিজ্ঞ, গোঁয়ার দুইই হলে। স্বপ্না বল।

স্বপ্না-মা যদি আনতে নিষেধ করে তাহ'লে আনব না। মা যদি আনতে বলে তাহ'লেই আনব।

শ্রীশ্রীপিতৃদেব-তাহ'লে তো স্থির প্রতিজ্ঞ হ'লে না। তখন কী বলতে হবে জান? তখন মাকে বলবে-আমার কিচ্ছু হবে না মা, তোমার আশীর্বাদে আমার কিছুই হবে না; ঠাণ্ডা না লাগে সেইমত ভাল ক'রে জামাকাপড় পরে নিয়েছি। সকালবেলা মা-কে প্রণাম ক'রে গায়ে ঢাকাঢাকি দিয়ে চলে যাবে জল আনতে।

স্থিরপ্রতিজ্ঞের মধ্যে আছে যুক্তি ও বিচার। আর গোঁয়ার হচ্ছে যুক্তি-বিচার-বিবর্জিত।

[ইষ্ট-প্রসঙ্গে/তাং-২৪/১/৭৬ ইং]

কৃতিদ্যুতি বিশ্বাস আলোচনায় বলে-ঠাকুর বলছেন-দৃঢ় সংকল্প হও।

শ্রীশ্রীপিতৃদেব-কিসে দৃঢ় সংকল্প?

কৃতিদ্যুতি-কোন সৎ কাজ করতে গেলে দৃঢ় সংকল্প হতে হবে।

শ্রীশ্রীপিতৃদেব-গোঁয়ার মানে কি?

কৃতিদ্যুতি-ভালই হোক, মন্দই হোক-কাজটা করলাম। ভাল-মন্দ বিবেচনা করলাম না।

গুরুকিংকরদা (পাণ্ডে)-স্থির-প্রতিজ্ঞ হলে, সৎ কাজ হলে চেষ্টা করবেই। আর গোঁয়ার হলে পরেও করবেই, সে ভালই হোক, মন্দই হোক।

শ্রীশ্রীপিতৃদেব-হ্যাঁ। গোঁয়ার ভাল-মন্দ কোন কিছু বিবেচনাই করে না।

[পিতৃদেবের চরণপ্রান্তে/তাং-২৮/৬/৭৯ ইং]

একটি দাদা এসে জিজ্ঞাসা করলেন-আমি ব্যবসা করতাম। কিন্তু সংসারটাকে কিছুতেই ঠিক করতে পারছি না। বড় অভাব। কী করি?শ্রীশ্রীঠাকুর...
04/10/2026

একটি দাদা এসে জিজ্ঞাসা করলেন-আমি ব্যবসা করতাম। কিন্তু সংসারটাকে কিছুতেই ঠিক করতে পারছি না। বড় অভাব। কী করি?

শ্রীশ্রীঠাকুর-ভাল ক'রে ব্যবসা কর। মূলধনে হাত দিও না।যদি কিছু পার তো মূলধনে সঞ্চয় করবে। লোকের সাথে কথার খেলাপ করো না। সবার সাথে সদব্যবহার ক'রো। আর, বাকী দিও না। বাকী দিলেই মুশকিল হ'য়ে পড়বে। অল্প মূলধন নিয়েই আরম্ভ কর, সাথে-সাথে এই নিয়মগুলি মেনে চলো।

(৪ঠা ডিসেম্বর, ১৯৫৩)

*BELONGINGNESS TO THE ENVIRONMENT, LOVE AND COMPASSION FOR PLANTS AND ANIMALS, ASSURANCE TO SERVE HUMANITY**His Concern ...
04/10/2026

*BELONGINGNESS TO THE ENVIRONMENT, LOVE AND COMPASSION FOR PLANTS AND ANIMALS, ASSURANCE TO SERVE HUMANITY*

*His Concern for Plants*

Sri Sri Thakur deeply loved all creation-plants, animals, and inanimate objects. It was in 1928 that the construction of several new buildings started at the Hemayetpur Satsang Ashram. Due to the summer vacation, the majority of teachers and students from Tapovan Vidyalaya, as well as many Guru brothers and workers of the ashram, joined the effort along with masons and labourers. Thus, it was possible to complete the construction of the two-storied Vishwa Vigyan Kendra within a short time. Sri Sri Thakur did not allow the building of a house for himself as the site would have entailed the felling of many trees. Subsequently, it was built at another location. After a few days, a cyclone blew off a few branches of a babul tree and dropped them on the road to his new residence. They were thorny and caused inconvenience to passers-by. Nafar Ghosh, a disciple, cut off several more branches and cleaned up the entire space. When it came to Sri Sri Thakur's notice, he was in utter shock and asked, "Nafraa, why did you do so, despite knowing everything? Go at once, and re-join the cut-off branches with the remaining tree using a bandage of straw, cow dung, and soil." After this incident, Sri Sri Thakur did not use that road for several days. When the branches grew afresh in the tree, Thakur was relaxed and resumed commuting

on that road. (Satwati, June 2019) In the Deoghar Ashram Sri Sri Thakur desired to build a house at a particular spot, close to Thakur-Bangla. Roof casting wasdone. One evening, he was walking towards the hillside mansion, where a mango tree had been cut beside it. He uttered, "Alas!..who committed such ruthlessness?" Khagen Tapadar, in charge of the construction, remained silent. It was his doing. For the convenience of the roof casting, a branch of that tree had been lopped off. Seeing it, Sri Sri Thakur could not move even a step. Pointing to another disciple, Pyari Mohan, who was accompanying him, he said with compassion, "Pyari, look what has been done to this innocent tree! Treat its wounds at the earliest, use medicines, or any other botanical treatment that is needed, so that new twigs can come up." Saying this, he turned back and walked towards where he usually sat. He avoided using that road for the next 15 days. One day, a devotee attendant informed him that many new twigs had come up on the tree. Elated beyond measure, Sri Sri Thakur went to see them at once. His joy knew no bounds. He resumed strolling to the hillside mansion. (Santosh Joyardar-Kaloda).

Address

Habra
Habra
743263

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when We love satsang posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to We love satsang:

Shortcuts

Share