Satsangee Assam

Satsangee Assam Don't bother yourself wheather you are able or unable good or bad but do perform His commandments out and out.

03/06/2026

কিছুমানে কয় যে তেওঁলোকৰ নাম-ধ্যান নহয়। কিয় নহয়? কাৰণ মনৰ ভিতৰত অসংখ্য অসমাপ্ত কামৰ ভাৰ জমা হৈ থাকে। অমীমাংসিত মনত কেতিয়াও ধ্যান সম্ভৱ নহয়।
শ্ৰীশ্ৰী বড়দাই এবাৰ নামত বহিছিল, কিন্তু একেবাৰে নাম নহৈছিল। কিয়? কাৰণ ঘৰৰ এখন চেয়াৰ নিজৰ ঠাইত নাছিল। তেওঁ উঠি গৈ চেয়াৰখন তাৰ যথাস্থানত ৰাখিলে, তাৰ পিছত পুনৰ যথাৰীতি নাম হ’ল। এখন সৰু চেয়াৰৰ বাবেই যদি তেওঁৰ ধ্যান ব্যাহত হয়, তেন্তে ভাবক সাধাৰণ মানুহৰ জীৱনত কিমানধৰণৰ অসমাপ্ত কাম থাকিব পাৰে! তেনে অৱস্থাত নাম-ধ্যান কেনেকৈ হ’ব?
তেন্তে, যাৰ ধ্যান নহয়, তেওঁ কি কৰিব পাৰে? যিবোৰ কাম তেওঁ কৰিম বুলি কৰা নাছিল, সেইবোৰ মনত পেলাই এখন তালিকা বনাওক আৰু যিমান পাৰি এটাৰ পিছত এটা সমাধান কৰি যাওক।
মানুহে সোধে— “শান্তি কেনেকৈ পাম?” মনৰ অশান্তিৰ যিবোৰ কাৰণ আছে, সেইবোৰ দূৰ কৰিবলৈ যিমানখিনি চেষ্টা কৰিব পাৰি, সিমানখিনি কৰিলে শান্তি লাভ হ’ব।
সুখত থাকিব কেনেকৈ? যিটো তোমাৰ ক্ষমতাৰ বাহিৰত, তাক এৰি দিয়া, যাবলৈ দিয়া। তেতিয়াই সুখত থাকিব পাৰিবা।
সুস্থ থাকিব বিচাৰিছা? তেন্তে শৰীৰৰ চিকিৎসা কৰোৱা, আৰু মনটোক শৰীৰৰ বেদনা-বিচাৰৰ পৰা আঁতৰাই আন কিবা কামত ব্যস্ত ৰাখা। তেতিয়াই সুস্থ হৈ উঠিবা।
কাৰোবাক যদি ভালপোৱা, তেন্তে এনে ধৰণে ভালপোৱা যাতে তেওঁৰ তৃপ্তিৰ কাৰণ হ’ব পাৰা। আৰু, তুমি যে তেওঁক তৃপ্তি দিবলৈ চেষ্টা কৰি আছা— সেইটোৱেই প্ৰেম। যিটোক সম্পূৰ্ণ কৰিবলৈ বিধিসম্মত চেষ্টা অব্যাহত ৰাখিছা— সেইটোৱেই সাধনা।
এইদৰে সহজকৈ জীৱনটোক বুজা আৰু আগবাঢ়ি যোৱা, তেতিয়াই হ’ব।
মইও এইদৰেই বুজোঁ।
“তোমাক যদি ভালপাব লাগে, ঠাকুৰ— ভালপোৱায়েই দিম নহয়! যদি মোৰ নিৰ্বাচনৰ সময় আহে— তোমাকেই নিৰ্বাচন কৰি ল’ম!”
এইটো একেবাৰে সহজ কথা; ইয়াত কোনো জটিলতা নাই। এইদৰেই আপোনালোকে ঠাকুৰক ভালপাব। কেতিয়াও যেন ‘তেওঁৰ’ পৰীক্ষা ল’বলৈ নাযায়। জানিব, স্বয়ং পৰীক্ষকৰ পৰীক্ষা ল’বলৈ গ’লে তেওঁ সদায়েই উত্তীৰ্ণ হ’ব, কাৰণ তেওঁ সকলো প্ৰশ্নৰ উত্তৰ জানে।
আজিৰ এই বিশাল- বিশাল উৎসৱ, এই অসংখ্য মানুহৰ সমাগম— এইবোৰেই শেষ কথা নহয়। আমাৰ এতিয়াও বহুত কাম বাকী আছে, বহুদূৰ আগবাঢ়িব লাগিব।
আপোনালোকে দেখিব— কাহিনীবোৰ সলনি হ’ব। সৎসংগীসকল পথেদি গ’লে মানুহে আহি প্ৰণাম কৰিব। গুৰুভাইসকলৰ কোনো প্ৰয়োজন উপস্থিত হ’লে স্থানীয় মানুহে ক’ব— “আৰে, আপুনি চিন্তা কিয় কৰিছে? আমি সকলো কৰি দিম!”
দেখা যাব— এজন-দুজন নহয়, হাজাৰ-হাজাৰ সাথী মোৰ ঠাকুৰৰ প্ৰেমত থিয় হৈ আছে। আমাক কেৱল সেই ‘এজন’-ৰ লগত যুক্ত হৈ বহুতৰ মাজলৈ বিস্তাৰ লাভ কৰিব লাগিব। তেতিয়াই এইটোৱেই হ’ব আমাৰ জীৱনৰ কাহিনী।
জয় গুৰু!

৩৩৯তম সৎসংগ ঋত্বিক-সন্মিলন
পৰমপূজ্যপাদ শ্ৰীশ্ৰী আচার্যদেৱৰ আশীৰ্বচন
বৈশাখ, ১৪৪২।

অনুবাদক এবং সংগ্ৰহক-
দিগন্ত গোস্বামী।
গুৱাহাটী।

01/06/2026

🙏এজন দাদাই এজন ঋত্বিকৰ বিৰুদ্ধে অভিযোগ জনালে যে, তেওঁ নিজৰ কিছুমান চৰিত্ৰগত দুৰ্বলতাৰ কথা সেই ঋত্বিকজনক কৈছিল; কিন্তু পিছত তেওঁলোকৰ মাজত মনোমালিন্য হোৱাত ঋত্বিকজনে সেই গোপন কথাবোৰ যাক-তাক কৈ ফুৰিছে, ফলত তেওঁৰ মান-সন্মান ক্ষুণ্ণ হৈছে। ⚪⚪⚪
শ্ৰীশ্ৰীঠাকুৰ — (ক্ষোভেৰে) — যদি সঁচাকৈয়ে এনে হৈছে, তেন্তে ই অতি বেয়া কথা। ইয়াত তোমাৰ যিমান ক্ষতি হওক বা ন'হওক, তেওঁৰ ক্ষতিয়েই বেছি হ'ব। এনে কাম এক প্ৰকাৰৰ বিশ্বাসঘাতকতা। ইয়াৰ ফলত তেওঁ নিজেই ঋত্বিক হিচাপে নিজৰ মৰ্যাদা হেৰুৱাব। মানুহে ৰখা বিশ্বাস নষ্ট কৰিলে চৰিত্ৰৰ কোনো মূল্য নাথাকে।
মই ভাবোঁ—ঋত্বিক হ'ব লাগে মানুহৰ সহায়, সম্পদ আৰু দুৰ্গস্বৰূপ। যদি তেওঁ এনেকুৱা দুৰ্বল স্বভাৱৰ মানুহ হয়, তেন্তে সেয়া ডাঙৰ বিপদৰ কথা। ঋত্বিকেই নহয়, কোনো মানুহৰেই এনে কৰা উচিত নহয়।
অৱশ্যে কিছুমান লোকৰ বুদ্ধি-বিবেচনা যথেষ্ট তীক্ষ্ণ নাথাকে; কোন কথা ক'ত ক'ব লাগে বা নালাগে, সেয়া ঠিকমতে বুজি নাপায়। ফলাফলৰ কথা নাভাবিয়েই কথা কৈ পেলায়। সেয়াও বেয়া, আৰু তাৰ ফলাফলও বেয়া হয়। কিন্তু এনে কথা কোৱাৰ আঁৰত সদায় কু-মতলব নাথাকে।
তুমি যিজনৰ বিষয়ে কৈছা, তেওঁও হয়তো তেনেকৈয়ে কথা কৈছে। মুখামুখি মিলাই চালে আচল ঘটনাটো কি, সেয়া স্পষ্টকৈ বুজা যায়। বহুতে পাৰস্পৰিক শত্রুতা আৰু অমিল বঢ়াবলৈ এজনৰ কথা আনজনৰ ওচৰত অতিৰঞ্জিত আৰু বিকৃত কৰি কয়। এনে কান-কথাৰ ওপৰত নিৰ্ভৰ কৰি বন্ধুত্ব বিচ্ছেদ হ'বলৈ দিব নালাগে।
দুষ্ট লোকৰ কথাত বিভ্ৰান্ত হৈ কাকো ভুল নুবুজিবা আৰু কাৰো ওপৰত অন্যায় নকৰিবা—এই বিষয়ত সদায় সাৱধান থাকিব লাগে। কোনো কথা শুনিয়েই লগে লগে সিদ্ধান্ত লৈ নিদিবা। আগতে সত্যতা নিৰ্ধাৰণ কৰাৰ চেষ্টা কৰিবা। আৰু ভাবিবা, যিজনৰ বিৰুদ্ধে শুনিছা, তেওঁৰ পক্ষত কি কি কথা ভাবিব পাৰি।
(আলোচনা-প্ৰসংগ, পঞ্চম খণ্ড, ১২/৪/১৯৪৪) 🙏

অনুবাদক এবং সংগ্ৰহক-
দিগন্ত গোস্বামী।
গুৱাহাটী।

31/05/2026

কোন কাজ করার সময় প্রথমেই মনে হয় বাধার কথা। কেমন করে করব? কিভাবে করা যায়? কি করে করতে পারি? ইত্যাদি নানা প্রশ্নের অবতারণা করে থাকি। আমাদের চরিত্রই এই— প্রথমেই সমস্যাগুলো ভাবি, সমাধান যদি না করতে পারি! সমস্যার ভারে এমনই callous (বিহ্বল) হয়ে যাই, ভয় পাই ।

পুরুষোত্তম মাথায় যার
বাধা দেখে ভয় কি তার?

বাধাকে বাধ্য করে কাজ হাসিল করতে হয়। লেগে থাকতে হয়। যে যত লেগে থাকে সে তত সিদ্ধি লাভ করে। সিদ্ধি লাভ করার এইই পথ। সব বাধাকে বাধ্য করে আগাও। ভয় পেয়ো না। ঠাকুর যদি হৃদয়ে থাকেন ভয় পাওয়ার কী আছে?

~পরমপুজ্যপাদ শ্রীশ্রীদাদা।।
(আলোচনা, বৈশাখ,১৪২৪/মে, ২০১৭)

31/05/2026

. তারিখটারকথা ঠিক মনে না থাকলেও ঘটনাটির কথা মনে আছে । এক স্মরণীয় দিনের মরমী ঘটনার আনন্দঘন স্মৃতি মনের মনিকোঠায় জ্বলজ্বল করছে। প্রকাশভঙ্গি এবং ভাষার দৈন্যের জন্য সহৃদয় পাঠক নিশ্চয়ই ক্ষমা করে দেবেন । ঘটনা হল, সৎসঙ্গের আচার্য্যদেব এসেছেন কৃষ্ণনগর স্বস্তিশিবিরে। খবরটা কেউ জানে না । কাউকে না জানিয়ে হঠাৎ করে এসেছেন। শিবির বলতে তখন সাড়ে নয় বিঘা জমিতে শুধুমাত্র একটা প্রাচীর আর ভাঙাচোরা কয়েকটা ঘর। প্রাচীরের ভিতরে প্রায় সব জায়গাতে নানা রকম চাষ করছে শিবিরবাসীরা।
শ্রীশ্রীবড়দা কলকাতা এসেছেন কয়েকদিন হলো । শিবিরের কয়েকজন তাকে দর্শণের জন্য কলকাতায় গিয়েছে। তাদের কাছে শিবিরের খবরাখবর নিলেন। কয়েকজন আছ, তারা কি করছে, সব শোনার পর তাদের বললেন ----- 'তোরা এখানে বসে থেকে কি করবি ? ওখানে কত কাজ হচ্ছে।'
তাঁর ইচ্ছা বুঝতে পেরে সকলেই শিবিরে ফিরে এসেছে। তার ১/২ দিন পরে হঠাৎ শিবিরের গেটের সামনে একটা সাদা গাড়ি এসে হর্ন বাজাল। সময় তখন সকাল সাড়ে নয়টা - দশটা হবে। তারিখটা মনে না থাকলেও সালটা মনে হচ্ছে ১৯৭৮ হবে। মে মাস। গাড়ীর হর্ন শুনে যে যেখানে ছিল সকলে গেটের দিকে ছুটে এল। শহরের এই প্রান্তভাগে অঞ্চলের লোকজনের যাতায়াই ছিল সামান্য। শিবিরেও তখন লোকজন খুব কমই আসত। গাড়ীর শব্দ শুনে সবাই সচকিত হল। যে যেখানে যে অবস্থায় ছিলো এসে হাজির হতে না হতে সাদা অ্যাম্বাসাডার থেকে নামলেন সৎসঙ্গের প্রধান আচার্যদেব শ্রীশ্রীবড়দা । কে কি করবে ভেবে পাচ্ছে না । কারোর হাতে পায়ে মাটি , খালি গা, অবিন্যস্ত পোশাক। সকলেই হতচকিত হলো । তিনি কিন্তু কাউকেই কোথাও যেতে দিলেন না। সবাইকে কাছে ডাকলেন। তারপর কোথায় কি হচ্ছে, কে কি করছিল , জিজ্ঞাসা করতে লাগলেন। তাঁর সঙ্গে আছেন শ্রীকার্তিক সরকারদা এবং চালক মোহন দাসদা। কোথায় বসতে দেওয়া হবে চিন্তা করছেন সবাই। জায়গা বলতে তো একটা মাত্র ঘর, এবং তার বারান্দা। ঘরে জায়গা নেই, বিছানা এবং প্রয়োজনীয় জিনিসে ভর্তি। তাঁর নিজের ইচ্ছাতেই বারান্দাতে বসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ব্যবস্থা মানে তার বসার কোন আয়োজন এখানে নেই। তিনি যে হঠাৎ করে এমন ভাবে চলে আসতে পারেন তা কি কেউ কখনো ভেবেছেন। এভাবে নীরবে নিভৃতে তিনি আসবেন, তা কি ভাবা যায়! সকালের প্রার্থনার পর হঠাৎ করে কৃষ্ণনগর আসার কথা বলা এবং সঙ্গে সঙ্গে বেড়িয়ে পড়া।
শিবিরে কিছু সেবক আছে, যাদের মা বাবা আত্মীয়স্বজন সব থাকা সত্বেও তারা শিবিরে এসেছে নানা কারণে। ঠাকুরের কাজ করব বলে যারা এসেছেন তাঁদের চেয়ে বাবা মার অবাধ্য হওয়ায় তাদেরই অনুরোধে শ্রীশ্রীবড়দা অনেক ছেলেদের শিবিরে থাকার ব্যবস্থা করেছেন। তিনি শিবিরের সব খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখছেন। শ্রীশ্রীঠাকুরের শিবিরের থেকে ছেলেরা কৃষি শিল্প স্বাস্থ্য নিরাপত্তা বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে অভিজ্ঞ হয়ে উঠবে এবং এইভাবে সমাজের বুকে একটা সুষ্ঠু সমাজ ব্যবস্থা চারিয়ে যাবে এটা ঠাকুরের কথা।
কিন্তু এখন এখানে বসার জন্য পাতার মত কি কি আছে?
কয়েকদিন আগে এখানে সৎসঙ্গ করার জন্য টাউনের দুর্গাদাস দত্তদার কাছ থেকে একটা সতরঞ্চি চেয়ে আনা হয়েছিল। কে যেন বলল ----- নিয়ে আয় সেটা । সতরঞ্চি দেখা মাত্র শ্রীশ্রীবড়দা বললেন -----' পাত ওটা, অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে আছি।'
সতরঞ্চির উপরে পাতার চাদরও নেই। তিনি জানেন সব। তাই আর কিছু দরকার নেই বলেই বসে পড়লেন । সকলে দূর থেকে আভূমি প্রণাম করলো। সংকুচিত সকলকে কাছে ডাকলেন। পাশে বসতে বললেন। কেউ সাহস করছে না। তিনি জনে জনে সবাইকে ডেকে একেবারে কাছে হাতের নাগালের মধ্যে বসালেন। সকলের নাম , পরিচয় , বাড়িতে কে কে আছে , শিবিরে কেন এসেছে , এখানে কেমন লাগছে, কে কি করে ---- একের পর এক জিজ্ঞাসা করতে লাগলেন । অন্তরঙ্গভাবে সকলের কথা শুনলেন। মাঝে মধ্যে হালকা কথা বলে সকলের সংকোচ দূর করার চেষ্টা করলেন।
বললেন ----- 'আমার খুব ইচ্ছা করে তোদের সঙ্গে থেকে একসঙ্গে ঠাকুরের কাজ করতে। কিন্তু সময় সুযোগ পাই না ।তাই হয়েও ওঠেনা। মনের ইচ্ছা মনেই থেকে যায়। তোরা ভাগ্যবান ঠাকুরের কাজ করার সুযোগ পেয়েছিস।'কথার ফাঁকে নিজেই বললেন ----- 'কিরে তোদের এখানে খাবার কিছু নেই?'
সকলে সচকিত হলো। তাই তো ! কিন্তু কি ভোগ হবে তাঁর? এখানে যে প্রতিদিন রান্নাই হয় না প্রায় । টিফিন ! সে তো চিন্তার বাইরে । সকলের ইষ্টভৃতির অর্ঘ্য জোগাড় করার পর খাওয়ার সংগ্রহ প্রতিদিন হয় না। একদিন খেলে আবার যেদিন সংগ্রহ হবে সেদিন রান্না হবে। কিন্তু সে তো এখানকার নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। আজ যে প্রধান আচার্য্যদেব এসেছেন , তাঁর ভোগ হবে না! সকলে যখন নানা কথা ভাবছে, তিনি বললেন ----- 'কিরে খাবার কিছুই নেই'।
' আজ্ঞে আছে ----- কয়েকদিন আগে একজন গুরুভাই কিছু মুড়ি দিয়ে গেছেন। এখানে শিবির দেখতে অনেকে আসেন। তাঁদের জন্য রেখে দেওয়া আছে।' ' আমরাও তো দূর থেকে শিবির দেখতেই আসছি। তবে নিয়ে আয় মুড়ি। মুড়ির সঙ্গে আর কি হবে? চাষের কি আছে?'
' আজ্ঞে লঙ্কা।' কেউ একজন বলল।
শ্রীশ্রীবড়দা ----- আর সরষের তেল নেই? ধামা আছে? সৎসঙ্গের প্রসাদ দেওয়ার জন্য একটা কলাইকরা গামলা আছে।
শ্রীশ্রীবড়দা -----' নিয়ে আয় সেটা।'
গামলা করে তেল লঙ্কা দিয়ে মুড়ি মাখা্য নির্দেশ দিলেন। এরমধ্যে একজন দৌড়ে দোকানের চলে গেছে তেল আনতে। গাছ থেকে লঙ্কা তোলা হল । দোকান থেকে তেল এল। মুড়ি মেখে গামলাটা তাঁর সামনে রাখলে তিনি দুহাতে ধরে কপালে ছুঁইয়ে ঠাকুরের উদ্দেশ্যে নিবেদন করলেন।
সকলকে উদ্দেশ্য করে বললেন -----' আয় সকলে প্রসাদ খাই। কখন বেড়িয়েছি। খিদে পেয়েছে খুব । তোদেরও তো সকাল থেকে কিছু খাওয়া হয়নি।' সবাই মুখ চাওয়া চাওয়ি করছে। কেউ কেউ সরে পড়তে চাইছে । তিনি কাউকে ছাড়বেন না। পরম মমতায় একান্ত স্নেহে সবাইকে ডাকলেন ----- 'আয় তোরা কাছে আয়। ধামা ঘিরে বস । এখান থেকেই নিয়ে খা ----'
বলেই তিনি এক গাল মুড়ি খেতে লাগলেন। তাঁর নির্দেশে সবাই কাছাকাছি বসলেও কেউ গামলায় হাত দেওয়ার কথা ভাবতে পারছেন না।
এবার বললেন -----
' বাড়ীতে কখনো তোরা একসঙ্গে ভাগাভাগি করে কিছু খাসনি?'
সকলেই সহজ হয়ে বলার চেষ্টা করল -----আজ্ঞে হ্যাঁ -----
তবে এটাও তো আমাদের বাড়ী। ঠাকুরবাড়ী । আমরা সকলেই সকলের আত্মীয়। আলাদা জায়গা যখন নেই তখন আর কি করা , আয় খা' সহজ স্বাভাবিক আহ্বানে ব্যবধান কমে আসতে লাগলো।
তিনি কারোর হাত গামলায় চেপে বললেন -----' নে ---- খা। আমার খুব ইচ্ছা করে এমনি করে সবাই একসঙ্গে ঠাকুরকে ভালবাসি । ঠাকুরের কাজ করি। ঠাকুরের হয়ে উঠি।'
তিনি আবেগ মথিত কন্ঠে যত বলছেন ততই সকলে আবিষ্ট হয়ে পড়ছে।
এত কাছে এত সহজে তাঁকে পাওয়া যায় ভাবতে পারি না। কল্পনাও আসে না । ভাবতে ভাবতে কারোর কারোর চোখে জল এল । তিনি কিন্তু স্বাভাবিক। দেখতে দেখতে কতটা সময় চলে গেছে , কেউ খেয়াল করেনি । সময়টা কার্তিকদা মনে করিয়ে দিলেন। বললেন ----- কলকাতা ফিরে যেতে হবে।
' তাই তো ! খেয়ালই ছিল না । ঠাকুরের জায়গায় এসে আর তোদের সঙ্গে ঠাকুরের কথা বলতে বলতে খেয়ালই ছিল না। চল্
চল্, তাড়াতাড়ি চল্ । তোদের এখানে আসার কোনও পরিকল্পনাই ছিল না। হঠাৎ আসতে ইচ্ছা হলো তাই লুঙ্গি, গেঞ্জি পড়েই চলে এলাম।'
মোহনদা গাড়ীর দরজা খুলে দাঁড়ালেন । গাড়ীতে উঠতে যাওয়ার পূর্ব মুহূর্তে বললেন ------ 'যেতে ইচ্ছে করছে না। সময় পেলেই আবার আসবো। মাঝে মাঝেই আসতে ইচ্ছা করে কিন্তু উপায় থাকে না। জায়গাটা বড় ভাল। তোরা সবাই আরো বেশি করে ঠাকুরের কাজ কর। ঠাকুরের হয়ে ওঠ।'
স্বপ্নের মতো সময়টা কেটে যাওয়ার মধ্যে কারোর কোন ভাবনার অবকাশ ছিল না। এখন যখন বিদায় রাগিনী বেজে উঠলো সবাই যেন সচকিত হলো। কেঁদে ফেললো । গাড়ীতে উঠতে গিয়ে ফিরে দাঁড়ালেন । সকলের দিকে ফিরে বললেন ----- 'ভালো থাকিস। ঠাকুরের দয়া হলে আমরা আবার আসবো।'
এতক্ষণে সকলের যেন সম্বিত ফিরে এল। গড় হয়ে চোখের জলে আভূমি প্রণাম জানাল। তিনি গাড়ীতে উঠলেন। পাশে কার্তিকদা। সামনে ড্রাইভারের সিটে মোহনদা। মোহনদা গাড়ী ছাড়লেন। সবাই মিলে পুরুষোত্তম ধ্বনী দিল। ইতিমধ্যে তাঁর আগমনবার্তা উঠে গেছে। শোনা মাত্রই কিছু ভক্ত মানুষ ছুটে এসেছেন, আসছেন দর্শনের আশায়। দর্শন পেয়ে সকলে আপ্লুত। কিন্তু উপায় নেই যেতে হবে অনেক দূর । বেলা হয়ে গেছে। ১১ টা বেজে গেছে। কলকাতায় পৌঁছাতে অনেক সময়। তারপর স্নান, ভোগ। এরমধ্যে একজন ভোগের জন্য মিষ্টি নিয়ে হাজির। হাতে মিষ্টি দেখে বললেন -----'এটা ঠাকুর ভোগে দিস।'
গাড়ী চলছে সকলে মিলে নির্নিমেষ নয়নে তাকিয়ে আছে ।মনের মানুষ, কাছের মানুষ , আপন মানুষের দিকে লক্ষ্য করে তাকিয়ে আছে। আস্তে আস্তে গাড়ী প্রায় দৃষ্টির বাইরে চলে যাচ্ছে। কিন্তু মনে হচ্ছে যেন গাড়ীটা দাঁড়িয়ে আছে ! সত্যি দাঁড়িয়ে আছে! কি ব্যাপার!ছুটছে সবাই। ছুটতে ছুটতে এসে দেখলো , হ্যাঁ , গাড়ীটা দাঁড়িয়ে আছে। তিনি যেন কার সঙ্গে কথা বলছেন। গাড়ী দাঁড় করিয়ে কার সঙ্গে কথা বলছেন । কে সে! কাছে এসে বোঝা গেল কাউকে তিনি গাড়ীর মধ্যে তুলে নিয়েছেন এবং তার সঙ্গেই কথা হচ্ছে। কথোপকথন শুনে বোঝা গেল তিনি তার পূর্ব পরিচিত না হলেও খুবই আপন মানুষ। বয়সে প্রবীণা মা বলছেন ----- ' নাতিরা গিয়ে খবর দিল । আপনি শিবিরে এসেছেন। শুনেই আপনার কাছে যাওয়ার ইচ্ছা হলো ।নাতিদের বললাম সে কথা। ওরা আমায় নিয়ে শিবিরের দিকে যাচ্ছি।' হঠাৎ ঠাকুরের ধ্বনি শুনে ওরা শিবিরের দিকে ছুটে পালালো। আমার বয়স হয়েছে । চোখেও ভালো দেখতে পাই না। তবু শিবিরের দিকে যাচ্ছি আর হাত বাড়িয়ে বলছি , ঠাকুর আমায় দর্শন দাও। এই পোড়া চোখে তোমায় একবার দর্শন করে ধন্য হব। হঠাৎ করে গাড়িটা থেমে গেল । আপনি গাড়ী থামিয়ে কথা বললেন। তারপর আমায় প্রায় কোলে করে গাড়ীতে তুলে নিলেন । তখন আবছা দেখছিলাম । এবার ভালো করে আপনাকে দেখতে পেলাম ঠাকুর।
' আমি ঠাকুর নই। ঠাকুরের সেবক। সবাই বড়দা বলে।'
' সে আমি জানিনা। আমার ঠাকুর দর্শন হলো । আর কোন কষ্ট নাই।' বলেই কাঁদতে কাঁদতে প্রণাম করলেন মা - টি।
একান্ত মমতায় তাকে গাড়ী থেকে নামিয়ে দিয়ে উপস্থিত সকলের দিকে তাকিয়ে বললেন ------ ' মাকে সাবধানে বাড়ী পৌঁছে দিস। মার যেন কোনো অসুবিধা না হয়।'
' আসি মা। অনেক দূর যেতে হবে। সুযোগ পেলে ওদের সঙ্গে ঠাকুর বাড়ি যাবেন । ঠাকুর দর্শন হবে, ভাল লাগবে।'
বুড়িমা আপন মনে বিড় বিড় করে কি বললেন শোনা গেল না।
শুধু হাতজোড় করে চোখের জলে প্রণাম করে বললেন ----- জীবন সার্থক হলো।
পরম পরশ যাচি হে চরণে
ডঃ জীবন চক্রবর্তী
-------------------
তথ্যসূত্রঃ - আলোচনা # বৈশাখ,১৪১২/ মে, ২০০৫
Ashok sarkar
North 24pargana
West Bengal

31/05/2026

#তাৰিখটো ঠিক মনত নাথাকিলেও ঘটনাটো আজিও স্পষ্টকৈ মনত আছে। এটা স্মৰণীয় দিনৰ মৰ্মস্পৰ্শী ঘটনাৰ আনন্দময় স্মৃতি আজিও মনৰ মণিকোঠাত জ্বলি আছে। মোৰ ভাষা আৰু প্ৰকাশভংগীৰ সীমাবদ্ধতাৰ বাবে সহৃদয় পাঠকসকলে নিশ্চয় ক্ষমা কৰিব।
ঘটনাটো হৈছে— সৎসংগৰ আচার্যদেৱ কৃষ্ণনগৰ স্বস্তি শিবিৰলৈ আহিছিল। কিন্তু সেই খবৰ কোনেও জনা নাছিল। কাকো নজনোৱাকৈ হঠাতে আহি উপস্থিত হৈছিল। তেতিয়া শিবিৰ বুলিলে সাৰে ন বিঘা মাটিত কেৱল এটা দেৱাল আৰু কেইটামান ভগ্নপ্ৰায় ঘৰ। দেৱালৰ ভিতৰত থকা অধিকাংশ ঠাইত শিবিৰবাসীসকলে বিভিন্ন ধৰণৰ খেতি কৰিছিল।
শ্ৰীশ্ৰী বড়দা তেতিয়া কেইদিনমানৰ বাবে কলকাতাত আছিল। শিবিৰৰ কেইজনমান তেওঁৰ দৰ্শনৰ বাবে কলকাতালৈ গৈছিল। তেওঁলোকৰ পৰা শিবিৰৰ সকলো খবৰ ল’লে। কোন কোন আছে, কি কাম কৰি আছে— সকলো শুনি তেওঁ ক’লে—
“তহতে ইয়াত বহি থাকি কি কৰিবি? তাত কিমান কাম চলি আছে।”
তেওঁৰ ইচ্ছা বুজি সকলো শিবিৰলৈ উভতি আহিল। তাৰ এদিন-দুদিন পিছত হঠাতে শিবিৰৰ গেটৰ সন্মুখত এখন বগা গাড়ী আহি হৰ্ণ বজালে। সময় প্ৰায় পুৱা সাৰে নটা-দহটা। তাৰিখ মনত নাই যদিও বছৰটো সম্ভৱতঃ ১৯৭৮, মে’ মাহ।
গাড়ীৰ শব্দ শুনি যিয়ে য’ত আছিল, সকলো গেটৰ ফালে দৌৰি আহিল। চহৰৰ সেই অংশত মানুহৰ যাতায়াত খুব কম আছিল। শিবিৰতো মানুহ বেছি নাহিছিল। হঠাতে গাড়ী আহি ৰোৱাৰ বাবে সকলোৱে আচৰিত হৈ পৰিল।
সকলো আহি উপস্থিত হোৱাৰ আগতেই বগা এম্বেছাডৰ গাড়ীৰ পৰা নামিল সৎসংগৰ প্ৰধান আচার্যদেৱ শ্ৰীশ্ৰী বড়দা।
সকলোৱে কি কৰিব বুজি নাপালে। কাৰোবাৰ হাত-ভৰি মাটিৰে লিপ্ত, কাৰোবাৰ গাত কাপোৰো ভালদৰে নাছিল, কাৰোবাৰ পোছাক অবিন্যস্ত। কিন্তু তেওঁ কাকো আঁতৰিবলৈ নিদিলে। সকলোকে ওচৰলৈ মাতি ল’লে। কোনে কি কাম কৰিছে, ক’ত কি চলিছে— একে একে সুধিবলৈ ধৰিলে।
তেওঁৰ লগত আছিল শ্ৰী কাৰ্তিক চৰকাৰদা আৰু চালক মোহন দাসদা।
সকলো চিন্তাত পৰিল— তেওঁক ক’ত বহুৱাব? শিবিৰত মাত্ৰ এটা ঘৰ আৰু তাৰ বাৰাণ্ডা। ঘৰটো বিছনা আৰু নানান সামগ্ৰীৰে ভৰ্তি। অৱশেষত তেওঁৰ নিজৰ ইচ্ছাত বাৰাণ্ডাত বহাৰ ব্যৱস্থা কৰা হ’ল। আচলতে কোনো বিশেষ ব্যৱস্থা নাছিল। কোনেও কল্পনাও কৰা নাছিল যে তেওঁ এনেদৰে হঠাতে আহি উপস্থিত হ’ব পাৰে।
পুৱা প্ৰাৰ্থনাৰ পিছতেই তেওঁ হঠাতে কৃষ্ণনগৰলৈ যোৱাৰ কথা কৈ লগে লগে ওলাই পৰিছিল।
শিবিৰত এনে কিছুমান সেৱক আছিল যিসকলৰ ঘৰত পিতৃ-মাতৃ, আত্মীয়-স্বজন সকলো আছিল যদিও বিভিন্ন কাৰণত শিবিৰত আহি আছিল। কোনোবাই ঠাকুৰৰ কাম কৰাৰ উদ্দেশ্যে আহিছিল, কোনোবাই ঘৰৰ অবাধ্য সন্তান হিচাপে পিতৃ-মাতৃৰ অনুৰোধত শিবিৰত থাকিবলৈ সুযোগ পাইছিল। শ্ৰীশ্ৰী বড়দাই তেওঁলোকৰ সকলো বিষয় খুঁটিয়াই খুঁটিয়াই চাইছিল।
ঠাকুৰৰ ইচ্ছা আছিল— শিবিৰৰ পৰা ল'ৰাবোৰে কৃষি, শিল্প, স্বাস্থ্য আৰু নিৰাপত্তা বিষয়ত প্ৰশিক্ষণ লৈ দক্ষ হৈ উঠক আৰু সমাজত সুস্থ সামাজিক ব্যৱস্থা গঢ়ি তোলক।
কিন্তু এতিয়া সমস্যা— বহিবলৈ পাতিবলগীয়া বস্তু ক’ত?
কেইদিনমান আগতে টাউনৰ দুৰ্গাদাস দত্তদাৰ ওচৰৰ পৰা সৎসংগৰ কাৰণে এখন সতৰঞ্চি ধাৰ লৈ অনা হৈছিল। কোনোবাই ক’লে—
“সেইখন লৈ আহ।”
সতৰঞ্চিখন দেখিয়েই শ্ৰীশ্ৰী বড়দাই ক’লে—
“পাতি দে। বহুত সময় থিয় হৈ আছোঁ।”
সতৰঞ্চিৰ ওপৰত আনকি এখন চাদৰো নাছিল। তেওঁ সকলো বুজি পাইছিল। সেয়ে আন একো নালাগে বুলি তাতেই বহি পৰিল।
সকলোৱে দূৰৰ পৰা আভূমি প্ৰণাম জনালে। তেওঁ সংকোচত থকা সকলোকে ওচৰলৈ মাতিলে, কাষত বহিবলৈ ক’লে। কিন্তু কোনেও সাহস নকৰিলে। তেতিয়া তেওঁ এজন এজনকৈ মাতি নিজৰ হাতৰ নাগালত বহুৱাই ল’লে।
তাৰ পিছত নাম, পৰিচয়, ঘৰত কোন কোন আছে, শিবিৰলৈ কিয় আহিছে, ইয়াত কেনে লাগিছে, কি কাম কৰে— সকলো সুধিবলৈ ধৰিলে। আন্তৰিকভাৱে সকলোৰে কথা শুনিলে। মাজে মাজে সৰু সৰু ধেমেলীয়া কথা কৈ সকলোৰে সংকোচ দূৰ কৰিবলৈ চেষ্টা কৰিলে।
তেওঁ ক’লে—
“মোৰ বৰ ইচ্ছা হয় তহতৰ লগত থাকি একেলগে ঠাকুৰৰ কাম কৰোঁ। কিন্তু সময়-সুযোগ নাপাওঁ। সেয়ে নহয়। মনৰ ইচ্ছা মনতেই ৰৈ যায়। তহতবোৰ ভাগ্যবান— ঠাকুৰৰ কাম কৰাৰ সুযোগ পাইছ।”
কথাৰ মাজতেই হঠাতে সুধিলে—
“কিৰে, তহতৰ ইয়াত খাবলৈ একো নাই নেকি?”
সকলোৱে চমকি উঠিল।
কি ভোগ দিয়া হ’ব? শিবিৰত প্ৰায় প্ৰতিদিনে ৰন্ধাও নহয়। ইষ্টভৃতিৰ অৰ্ঘ্য সংগ্ৰহ কৰাৰ পিছত যিদিনা খাদ্যৰ ব্যৱস্থা হয়, সেইদিনাহে ৰন্ধা হয়। কিন্তু আজি যে প্ৰধান আচার্যদেৱ আহিছে!
সকলো চিন্তাত ডুবি থাকোঁতেই তেওঁ পুনৰ ক’লে—
“কিৰে, খাবলৈ একোৱেই নাই নেকি?”
কোনোবাই ক’লে—
“আজ্ঞে, আছে। কেইদিনমান আগতে এজন গুৰুভাই মুড়ি দি গৈছিল। শিবিৰ চাবলৈ অহা মানুহৰ বাবে থৈ দিয়া আছে।”
তেওঁ হাঁহি ক’লে—
“আমিওতো দূৰৰ পৰা শিবিৰ চাবলৈ আহিছোঁ। তেন্তে মুড়িখিনি লৈ আহ। মুড়িৰ লগত আৰু কি আছে? খেতিত কি পাইছ?”
—“লংকা আছে।”
—“আৰু সৰিয়হৰ তেল নাই নেকি? ধামা আছে?”
সৎসংগৰ প্ৰসাদ দিয়াৰ বাবে এটা কলাই কৰা গামলা আছিল।
—“সেইটো লৈ আহ।”
তেওঁ মুড়ি, তেল আৰু লংকা মিহলাই গামলাত বনাবলৈ ক’লে। ইতিমধ্যে কোনোবাই দৌৰি দোকানৰ পৰা তেল আনিবলৈ গৈছিল। গছৰ পৰা লংকা ছিঙা হ’ল। তেল আহিল। মুড়ি মিহলাই তেওঁৰ আগত গামলাখন ৰখা হ’ল।
তেওঁ দুহাতে গামলাখন ধৰি কপালত স্পৰ্শ কৰাই ঠাকুৰক নিবেদন কৰিলে।
তাৰ পিছত সকলোকে উদ্দেশ্য কৰি ক’লে—
“আহা, সকলোৱে প্ৰসাদ খাওঁ। কেতিয়াৰ পৰা ওলাইছোঁ, বৰ ভোক লাগিছে। তহতে পুৱাৰ পৰা একো খোৱা নাই।”
সকলোৱে মুখ চোৱা চোৱি কৰিলে। কোনেও আগবাঢ়িব পৰা নাছিল।
তেওঁ মাতিলে—
“আহা, ওচৰলৈ আহা। ধামাখন ঘিৰি বহা। ইয়াৰ পৰাই লৈ খোৱা।”
এই বুলি তেওঁ নিজেই এক মুঠি মুড়ি মুখত তুলিলে।
সকলোৱে ওচৰলৈ বহিল যদিও গামলাত হাত দিবলৈ সাহস নকৰিলে।
তেতিয়া তেওঁ ক’লে—
“ঘৰত কেতিয়াবা একেলগে ভাগ-বতৰা কৰি খোৱা নাই নেকি?”
সকলোৰে উত্তৰ—
“আজ্ঞে, খাইছোঁ।”
তেওঁ ক’লে—
“তেন্তে এইটোও আমাৰ ঘৰ— ঠাকুৰবাড়ী। আমি সকলোৱে পৰস্পৰৰ আত্মীয়। পৃথক ঠাই নাই যেতিয়া, তেন্তে আহা, খোৱা।”
তেওঁৰ সহজ আৰু স্বাভাৱিক আহ্বানত দূৰত্ব কমি আহিল।
কাৰোবাৰ হাত গামলাত চেপি ধৰি ক’লে—
“নে, খা। মোৰ বৰ ইচ্ছা হয়— আমি সকলোৱে এনেকৈ একেলগে ঠাকুৰক ভাল পাওঁ, ঠাকুৰৰ কাম কৰোঁ, ঠাকুৰৰ মানুহ হৈ উঠোঁ।”
তেওঁৰ আবেগভৰা কণ্ঠ শুনি সকলোৱে যেন মোহিত হৈ পৰিল।
এতিয়া ভাবিলেও অবিশ্বাস্য লাগে— ইমান ওচৰত, ইমান সহজে তেওঁক পোৱা! কাৰোবাৰ চকুত পানী আহিল। কিন্তু তেওঁ স্বাভাৱিকভাৱেই থাকিল।
কিমান সময় পাৰ হৈ গ’ল, কোনেও লক্ষ্য নকৰিলে। অৱশেষত কাৰ্তিকদাই মনত পেলাই দিলে—
“কলকাতালৈ উভতি যাব লাগিব।”
তেওঁ ক’লে—
“হয়তো! খেয়ালেই নাছিল। ঠাকুৰৰ ঠাইত আহি তোলোকৰ লগত ঠাকুৰৰ কথা পাতি পাতি সময়ৰ কথাই পাহৰি গ’লোঁ। চল, চল।”
গাড়ীত উঠিবলৈ যাওঁতে ক’লে—
“যাবলৈ মন নাযায়। সময় পালেই আকৌ আহিম। মাজে মাজে আহিবলৈ বৰ মন যায়, কিন্তু উপায় নাথাকে। ঠাইডোখৰ বৰ ভাল। তোমালোকে আৰু বেছি ঠাকুৰৰ কাম কৰা, ঠাকুৰৰ মানুহ হৈ উঠা।”
(লেখাটো অতি দীঘলীয়া হোৱা বাবে ইয়াৰ প্ৰথম অংশ অসমীয়ালৈ অনুবাদ কৰা হ’ল। যদি বিচাৰে, মই বাকী অংশটোও একে ধৰণে সুন্দৰ আৰু শুদ্ধ অসমীয়াত অনুবাদ কৰি দিম।)

অনুবাদক এবং সংগ্ৰহক-
দিগন্ত গোস্বামী।
গুৱাহাটী।

31/05/2026

#দেৱ_দেৱতা_হাজাৰ_ধৰিছ_আচাৰ্য্য_যাৰ_ইষ্ট_নহয় #স্পষ্টতৰ_বুজি_ৰাখিছ্_জীৱন_চলায়_নেহাত_ভয় ॥ — শ্ৰীশ্ৰী ঠাকুৰ
#আচাৰ্য্য শব্দৰ অৰ্থ হ'ল, যিজনে নিজে আচৰণ কৰি, কৰাই আৰু দেখুৱাই দিয়ে। আমি বহুতেই শ্ৰীশ্ৰী ঠাকুৰক নিজৰ চকুৰে দেখা নাই, কিন্তু শ্ৰীশ্ৰী ঠাকুৰৰ বহু গ্ৰন্থ, বাণী আৰু নানা পুথি-পত্ৰ পঢ়ি যিমানখিনি বুজিব পাৰোঁ, সেই সকলোৰে জীৱন্ত ৰূপ হৈছে শ্ৰীশ্ৰী আচাৰ্য্যদেৱ। তেওঁ শ্ৰীশ্ৰী ঠাকুৰৰ চলমান গ্ৰন্থ, চলমান বাণী—যিজনে প্ৰতিটো সময়তে কেৱল ঠাকুৰৰ ভাৱ, আদৰ্শ আৰু বাণীকেই প্ৰকাশ কৰি গৈ আছে।
এচুলিও ইফাল-সিফাল নাই। সেইবাবেই আমি ইমান ভাগ্যৱান যে শ্ৰীশ্ৰী ঠাকুৰে আচাৰ্য্য-পৰম্পৰা ৰাখি গৈছে।
#ঠাকুৰৰ দীক্ষা গ্ৰহণ কৰাৰ পিছত আচাৰ্য্যৰ সান্নিধ্য লাভ কৰাটো প্ৰয়োজন, কাৰণ তেওঁৰ ভিতৰতেই শ্ৰীশ্ৰী ঠাকুৰে প্ৰতিক্ষণ লীলা কৰি আছে। আমি যেতিয়া তেওঁৰ সান্নিধ্য লাভ কৰোঁ, তেতিয়া অনুভৱ কৰোঁ যে যদিও আমি শ্ৰীশ্ৰী ঠাকুৰক কেতিয়াও চর্মচক্ষুৰে দেখা নাছিলোঁ, তথাপিও তেওঁ এইদৰেই আমাক আগুৰি ৰাখিছে। তেওঁৱেই আমাৰ পথপ্ৰদৰ্শক, আমাৰ জীৱনৰ কৰ্ণধাৰ।
সেইবাবেই আমাৰ সকলো প্ৰাপ্তি তেওঁ পূৰ্ণ কৰি দিয়ে। গুৰুৰ মাধ্যমেদি যেতিয়া আচাৰ্য্যৰ সান্নিধ্য লাভ হয়, তেতিয়া তেওঁৱেই সকলো হৈ উঠে। গুৰুৱেই সৰ্বপূৰণকাৰী; সেয়ে আমাৰ আন কোনো ঠাইলৈ যোৱাৰ প্ৰয়োজন নাথাকে।
#সকলো দেৱ-দেৱীৰ পূৰ্ণতা আমি গুৰুৰ মাধ্যমেৰে, আচাৰ্য্যৰ মাধ্যমেৰে লাভ কৰোঁ, যিজনে মোৰ জীৱনৰ প্ৰতিটো ক্ষেত্ৰতে মোক পথ দেখুৱাই লৈ গৈ আছে।
সেইবাবেই জীৱনত মই যিমানেই দেৱ-দেৱীৰ পূজা-পাৰ্বণ নকৰোঁ কিয়, যদি মোৰ জীৱনত জীৱন্ত আদৰ্শ নাথাকে, তেন্তে মোৰ একোৱেই নহ'ব। জীৱন্ত আদৰ্শক কেন্দ্ৰ কৰি গঢ়ি উঠা জীৱনেহে মোক প্ৰকৃত পূৰ্ণতা দিব পাৰে।
সেয়ে, যদি জীৱনক ভয়মুক্ত কৰিব বিচাৰোঁ, তেন্তে আচাৰ্য্যক মানিবই লাগিব।
পায়েল ভট্টাচাৰ্য্য
৩০/৫/২০২৬
ত্ৰিপুৰা.....
অনুবাদক এবং সংগ্ৰহক-
দিগন্ত গোস্বামী।
গুৱাহাটী।

30/05/2026

🔘 ঠাকুৰৰ ওচৰলৈ এজনে আহি ক’লে— “ঠাকুৰ, মোক ধন-সম্পত্তি, মান-সন্মান আৰু যশ-খ্যাতি সকলো লাগে।” ঠাকুৰে ক’লে, “অ’ পাগল, সেইবোৰ নোখোজিবি।” বাৰে বাৰে নিষেধ কৰাৰ পাছতো তেওঁ একেই কথা কৈ থাকিল— “নহয় ঠাকুৰ, মোক সেইবোৰেই লাগে।” শেষত ঠাকুৰে ক’লে, “যা, চাওঁ, তোৰ ভাগ্যত কি আছে।”
তাৰ পাছত তেওঁৰ বিপুল ধন-সম্পত্তি হ’ল, মান-সন্মান আৰু যশ-খ্যাতিও লাভ কৰিলে। জীৱনৰ এই বিশাল সাগৰত তেওঁ এনেদৰে নিমগ্ন হ’ল যে ঠাকুৰকেই পাহৰি গ’ল। বহু বছৰ পাৰ হৈ গ’ল— প্ৰায় ৪০-৫০ বছৰ। সময় কেতিয়া গুচি গ’ল, সেয়াও তেওঁ গম নাপালে। ধন, মান, যশ সকলো পালে, কিন্তু একমাত্ৰ ঠাকুৰক পাহৰি গ’ল।
হঠাতে এদিন তেওঁৰ স্ত্ৰীৰ বিয়োগ ঘটিল, সন্তান-হানিও হ’ল। তেওঁৰ সমগ্ৰ ব্যৱসায় ধূলিসাৎ হৈ গ’ল। তেওঁ পথৰ ভিক্ষুকত পৰিণত হ’ল। ধন, মান, যশ— একোৱেই তেওঁক ৰক্ষা কৰিব নোৱাৰিলে। সকলো শেষ হৈ গ’ল।
অগোছাল দাঢ়ি, ভগ্নহৃদয় আৰু বিধ্বস্ত অৱস্থাত বহু বছৰৰ পাছত তেওঁ ঠাকুৰৰ ওচৰ পালেহি। ঠাকুৰে তেওঁক চিনিলে। সেই সময়ত ঠাকুৰো বৃদ্ধ হৈছিল। ঠাকুৰে সুধিলে, “তই অমুক নহয়নে?” লোকজনে ক’লে, “হয়, ঠাকুৰ।”
প্ৰণাম কৰি তেওঁ ক’লে— “ঠাকুৰ, মই ধন, মান আৰু যশ বিচাৰিছিলোঁ। আজি মই সকলো হেৰুৱালোঁ। সেইদিনা আপুনি মোক কৈছিল— ‘সেইবোৰ নোখোজিবি।’ কিন্তু মই আপোনাৰ কথাৰ বিপৰীতে গৈ সেইবোৰেই বিচাৰিলোঁ, আৰু আজি মোৰ এই অৱস্থা হ’ল। মই সকলো হেৰুৱালোঁ। যদি সেইদিনা মই আপোনাকেই বিচাৰিলোঁহেঁতেন, তেন্তে সকলো পালোঁহেঁতেন। সেয়ে সদায় তেওঁকেই বিচাৰিব লাগে; তেওঁক বিচাৰিলেই সকলো পোৱা যায়।”

~ পৰমপূজ্যপাদ শ্ৰীশ্ৰীআচার্য্যদেৱ
সূত্ৰ: ৰাজ্যিক উৎসৱ
অনুবাদক এবং সংগ্ৰহক-
দিগন্ত গোস্বামী।
গুৱাহাটী।
।। জয়গুৰু ।। 🙏🏻

30/05/2026

#প্ৰশ্নঃ আপুনি স্বাধীন জীৱিকাৰ ওপৰত জোৰ দিয়ে, কিন্তু যাৰ মাটি নাই, মূলধন নাই, যোগ্যতা নাই, তেওঁ স্বাধীনভাৱে জীৱিকা উপাৰ্জন কৰিব কেনেকৈ?
#শ্ৰীশ্ৰীঠাকুৰঃ মানুহৰ মাটি নাথাকক, মূলধন নাথাকক, ডাঙৰ ধৰণৰ যোগ্যতা নাথাকক, তাত একো আহি নাযায়; লাগে কেৱল চৰিত্ৰ আৰু অনুসন্ধিৎসাৰে দীপ্ত সেৱাবুদ্ধি। সেইটো থাকিলে মানুহে কিহৰ মাজেদি কি কৰি পেলায়, তাৰ ঠিক আছেনে?
এজন মানুহৰ কথা শুনিছিলোঁ। তেওঁৰ একো নাছিল। তেওঁ এটা ষ্টেচনৰ ওচৰত বাস কৰিছিল। পুৱা এটা ডাঙৰ বাল্টি পানী আৰু এটা মগ লৈ ষ্টেচনলৈ গৈছিল। লগত দাঁতন আৰু ঘুঁটাৰ ছাই নে কি যেন লৈ গৈছিল। তেওঁ সকলোৰে মুখ ধোৱাৰ ব্যৱস্থা কৰি দিছিল আৰু তাৰ বাবে প্ৰত্যেকৰ পৰা এটা কৈ পইচা লৈছিল। এইদৰেই আৰম্ভ কৰি নিজৰ সততাপূৰ্ণ প্ৰচেষ্টাৰ ফলত পাছত তেওঁ এজন ডাঙৰ ব্যৱসায়ী হৈ উঠিল। বহু টকাৰ মালিক হৈছিল তেওঁ। অলপৰ ওপৰত ভৰ দি উন্নতি কৰাৰ হাজাৰ হাজাৰ পথ সদায়েই মুকলি হৈ থাকে।
চিন্তা কৰিলে মানুহে পথ পাবই। আনৰ সুখ-সুবিধা কৰি দিয়াৰ, প্ৰয়োজন পূৰণ কৰাৰ ক্ষুধা যিসকলৰ মজ্জাগত নহয়, তেওঁলোকে নাভাবেও, নকৰেও, পথো নাপায়। আৰু, যোগ্যতাৰ কথা যি কৈছা, সেয়া কাম কৰি কৰি বাঢ়ে। অৱশ্যে, যাৰ জন্মগত knack (ভাললগা) আৰু inclination (ঝোঁক) যিদিশে থাকে, সেই পথতেই চেষ্টা কৰাটোৱেই ভাল।
*(আলোচনা প্ৰসংগে), দশম খণ্ড,

অনুবাদক এবং সংগ্ৰহক-
দিগন্ত গোস্বামী।
গুৱাহাটী।

30/05/2026

"জীৱনত আনন্দৰ মাজত কেতিয়াবা হতাশা আহিবই। কিন্তু সেই অৱস্থাৰ পৰা কেনেকৈ উপায় উলিয়াই পুনৰ আনন্দত থাকিব পাৰি, সেইটো নিজেই বিচাৰি উলিয়াব লাগিব। তৰকাৰীত নিমখ বেছি হ'লে কেৱল প্ৰাৰ্থনা কৰিলে নিমখ কমি নাযায়। তাৰ পৰিৱৰ্তে সেই ঠাইত কেইটামান আলু সিজাই চটকি মিহলাই দিলে নিমখৰ প্ৰভাৱ কমি যায়। সেয়ে কেৱল প্ৰাৰ্থনা কৰিলেই লাভ নহয়। প্ৰাৰ্থনাৰ লগতে উপযুক্ত কৰণীয় আৰু বিভিন্ন প্ৰচেষ্টা একেলগে গ্ৰহণ কৰিলে তেতিয়াহে প্ৰকৃত কাম সম্পন্ন হয়। জীৱনৰ কাহিনীটোও এইদৰে শ্ৰীশ্ৰীঠাকুৰৰ ফালে চাই সজাই তুলিব লাগিব।”

~~ পৰমপূজ্যপাদ শ্ৰীশ্ৰীআচাৰ্যদেৱ ~~
স্থানঃ নাটমণ্ডপ, সৎসংগ, দেওঘৰ
তাৰিখঃ ০৭/০৪/২০২৬ খ্ৰীষ্টাব্দ
অনুবাদক এবং সংগ্ৰহক-
দিগন্ত গোস্বামী।
গুৱাহাটী।
সময়ঃ ২০:৩৫

29/05/2026

◾◾ #নেতা ◾◾
অসংগতি আৰু অৱনতিমূলক অপপ্ৰচাৰ কৰি
বিপ্লৱ আনিবলৈ নাযাবা—
সেই বিপ্লৱে শয়তানকেই মাতি আনিব,
আত্ম-প্ৰতিষ্ঠা, বিৰোধ, ফাঁকিবাজি-আহৰণে
কণ্টকাকীৰ্ণ, মৃত্যুসংকুল কৰি
দেশ আৰু দহক ধ্বংসৰ পথলৈ ঠেলি দিব;
পৰিপূৰণমূলক মূৰ্ত্ত আদৰ্শত
সম্যক নীত হও,—
সমাধানৰ মাজত সাৰ্থক হৈ উঠক
তোমাৰ অহং-প্ৰমুখ বৃত্তিসমূহ,
তোমাৰ সেৱাই সম্বর্ধনাক মাতি আনি
সহজ কৰি তুলক তোমাৰ জীৱন,—
তেতিয়াহে তুমি নেতা;
আৰু সেই নেতৃত্বই তোমাৰ সৈতে সকলোকে
নন্দিত কৰি তুলিব।

◾ শ্ৰী শ্ৰী ঠাকুৰ (সম্বিতীঃ ১৪২)

Address

Guwahati

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Satsangee Assam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share