Satsang Sevak

Satsang Sevak Inspire by Philosophy of Sree Sree Thakur Anukulchandra. Satsang | Satsangee

আমার বিশ্বাস আমাকে তোমাদের সকলের থেকে আলাদা করে তোলে। শুধু তোমাদের চিন্তাভাবনা পরিবর্তন করো। দেখবে, তুমি সবকিছু পাবে। যে...
22/01/2026

আমার বিশ্বাস আমাকে তোমাদের সকলের থেকে আলাদা করে তোলে। শুধু তোমাদের চিন্তাভাবনা পরিবর্তন করো। দেখবে, তুমি সবকিছু পাবে। যে মুহূর্তে একজন মানুষ তাদের চিন্তাভাবনা পরিবর্তন করতে পারে, সেই মুহূর্তেই তাদের পরিবর্তনের জায়গা। অন্যথায়, আমরা যেমন ছিলাম তেমনই থাকব এবং যখন আমাদের সন্তান বিপদে পড়বে তখন ঠাকুরকে ডাকব। ওহ! ঠাকুর কি আমার দাস, যে সে আমার সন্তানের সেবা করতে আসবে? তিনি আমার প্রভু! তিনি সর্বদা আমার সাথে থাকবেন, কিন্তু আমাকে কাজটি করতে হবে। 'তুমি' ফিরে বসো, আমাকে দেখতে দাও কি করা যায়। 'তুমি' আমার সাথে থাকো, 'তুমি' আমার মাথায় থাকো, আমার মনে থাকো, আমার সারা শরীরে থাকো। আমার নিঃশ্বাসে থাকো, আমার ভালোবাসায় থাকো, আমার ঝগড়ায় থাকো। আমার শোবার ঘরে থাকো, আমার বাথরুমে থাকো। হ্যাঁ! আমার বাথরুমেও থাকো, 'তুমি' থাকো। আমার ভালো কাজে থাকো, আমার অন্যায় কাজে থাকো, সর্বদা, সর্বত্র, সকলের মধ্যে, 'তুমি' আমার সাথে থাকো। এই বিশ্বাস নিয়ে, আমি আছি এটাই আমার বিশ্বাস।

-পরমপূজ্যপাদ শ্রী শ্রী আচার্যদেব
আলোচনা, চৈত্র ১৪২৯ / এপ্রিল

 #নাম_মাহাত্ম্য "যস্য স্মরণমাত্রেণ জন্মসংসারবন্ধনাৎবিমুচ্যতি নমস্তস্মৈ বিষ্ণবে প্রভবিষ্ণবে।।"যাঁর নাম স্মরণ মাত্র জন্ম-ম...
13/01/2026

#নাম_মাহাত্ম্য

"যস্য স্মরণমাত্রেণ জন্মসংসারবন্ধনাৎ
বিমুচ্যতি নমস্তস্মৈ বিষ্ণবে প্রভবিষ্ণবে।।"

যাঁর নাম স্মরণ মাত্র জন্ম-মৃত্যু ও ভবসাগরের বন্ধন হতে মুক্তি পাওয়া যায়, সেই পরমাত্মা রূপী বিষ্ণুর পাদপদ্মে প্রণতি জানাই।

চর, অচর, তথা সর্বভূতে যিনি উপস্থিত থেকে সবকিছুকে বাঁচিয়ে রাখেন, যাঁর অস্তিত্বের উপর সব কিছুর অস্তিত্ব নির্ভর করে, তিনিই বিষ্ণু।
বিষ্ণুই হলেন পরমাত্মা তথা ঈশ্বর।

বিশেষ বিশেষ যুগসন্ধিক্ষণে এই পরমাত্মা বা ঈশ্বর মানব মুক্তির জন্য মানবাধার ধারণ করে ধরাধামে আবির্ভূত হন। তিনিই জীবের সদগুরু তথা পরম ইষ্ট।

গুরুপ্রণাম মন্ত্রে আমরা বলি গুরু ব্রহ্মা, গুরুর্বিষ্ণু, গুরুদেব মহেশ্বর - গুরুই পরমব্রহ্ম তথা পরমেশ্বর। তাই যাঁর নাম স্মরণ মাত্রই সকল প্রকার বন্ধন হতে মুক্তি পাওয়া যায় তিনিই আমার গুরু।

এবার আসি শ্বাসপ্রশ্বাসের সাথে তালে তাল মিলিয়ে গুরুদত্ত নামজপ মাহাত্ম্য বিষয়ে।

আমরা যখন শ্বাসকষ্টে ভুগি, তখন স্বাভাবিক ছন্দে শ্বাস প্রশ্বাস নিতে পারাটাকে অত্যন্ত দুর্লভ ও অমূল্য জিনিস বলে মনে হয়। অন্তরাত্মা প্রার্থনা করে ওঠে, বলে, "হে প্রভু আমাকে আমার শ্বাস প্রশ্বাসের স্বাভাবিক ছন্দ ফিরিয়ে দাও, আমি যেন তোমার নাম করতে পারি।"

কিন্তু স্বাভাবিক ছন্দে যখন থাকি, তখন মনে আসে কী যে প্রভু আমাকে এই দুর্লভ জিনিসটা দিয়েছেন, আমি তাঁর নাম স্মরণ করে এই দুর্লভ উপহারটির সৎ উপযোগ করি? এই কথাটা মনে না আসাটা কত দুর্ভাগ্যের। বৃথাকাজে এই শ্বাস প্রশ্বাস গুলো ব্যয় হয়ে যায়, সময় অতিবাহিত হয়ে যায়। তাই তো দেখা যায় প্রত্যেকটি সৎসঙ্গ মন্দিরে জায়গায় জায়গায় লেখা থাকে, "নাম চলছে তো?" ভুলে যাওয়া আত্মাগুলো খোঁচা খেয়ে নামে রতি বাড়ানোর প্রেরণা পায়। নামস্মরণই জীবনের মুখ্য কর্তব্য।

"হরিনাম বিনে রে ভাই কৃষ্ণ নাম বিনে
বিফলে মনুষ্য জন্ম যায় দিনে দিনে।"

গুরুদত্ত বীজনামই হরিনাম, কৃষ্ণনাম তথা সব নামের সারাৎসার, এই নামের স্মরণ - মননই জীবের মনকে ভবভয় মুক্ত করে। এছাড়া মুক্তির আর কোন উপায় নেই।

 #কিছুক্ষণ থেমে শ্রীশ্রীদাদা পুনরায় বললেন, ঠাকুরই সবার ব্যবস্থা করে রাখেন। বিপদে যখন পড়ি তখন একটা অদৃশ্য হস্ত আমার উপকার...
24/12/2025

#কিছুক্ষণ থেমে শ্রীশ্রীদাদা পুনরায় বললেন, ঠাকুরই সবার ব্যবস্থা করে রাখেন। বিপদে যখন পড়ি তখন একটা অদৃশ্য হস্ত আমার উপকার করে যায়। আচমকা পড়ে গিয়ে কাঁধের হাড় ভাঙলাম। ইন্ডিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বড়ো ডাক্তার বললেন ,আমি গিয়ে হাড় সেট করবো। নিজে যাব, আলাপ ছিল না। তার সঙ্গে একদিন আধঘন্টার মতো কথা বলেছিলাম। তিনি সেট করে দিয়ে চলে গেলেন। সুস্থ হলাম, এতো ঠাকুরের দয়া। কত লোক ব্যাথায় আক্রান্ত হয়। তার কাছে চলে যায়। সবাইকে ভালো করে দেন। চারিদিকে চিকিৎসক ছড়ানো। ঠাকুরের মানুষ বলে আমাদের বিশেষ যত্নের সঙ্গে দেখেন। আমি কি করছি ? ঠাকুর করেছেন।
★এবার আগামী উৎসব ও দেওঘরে সমাবেশ বিষয়ে শ্রীশ্রীদাদা বললেন ,দেওঘরে আবার যখন উৎসব হবে আরো অনেক লোক চলে আসবেন ,
শ্রীশ্রীদাদার অনন্যসাধারণ সহজ-সরল উৎসারিত এই উক্তিতে কর্মীদের মধ্যে হাসির উদ্রেক করলো।
শ্রীশ্রীদাদা আবার বললেন ,এখানে ঠাকুরের শতবার্ষিকী উৎসবের সময় ভীষণ Weather (আবহাওয়া )খারাপ ছিল। কর্তাব্যক্তিরা বাবার কাছে এসে বলেছে ,কোনো উপায় নেই ,রাস্তাঘাট খারাপ হয়ে গেছে চতুর্দিকে ,উৎসব পিছিয়ে দিতে হবে। বাবা তো কোনো কিছুতেই পিছোনো পছন্দ করেন না ! ঝড় ,বৃষ্টি ,সাইক্লোন কোনও কিছুতে বাবা হার মানেন না। কর্তাব্যক্তিদের কথা শুনতে শুনতে বাবার মুখ গম্ভীর হয়ে যাচ্ছে। বাবা আমাকে বললেন, ওরা এসেছিলো এই বলছে। আমি বললাম ওরা বলুক, ঝড় হচ্ছে ঝড়ের মতো ,বৃষ্টি হচ্ছে বৃষ্টির মতো। ওদের বললাম ,আপনাদের কাছে কেউ থাকার জায়গা চেয়েছে ? কেউ খাবার ব্যবস্থা করতে বলেছে ? ঠাকুরের জন্যে তো আমরা কিছুই করতে পারিনা। পারি তার জন্যে হয়তো একটু কষ্ট করতে। --" ঠাকুর তুমি ছাড়া আমার গতি নেই তুমি সব অগতির গতি।" সেবার ঠাকুরের শতবার্ষিকী উৎসব বিশাল সমারোহে সুষ্ঠ ভাবে সম্পন্ন হয়েছিল। লোকজনকে বলতে হয় ,ওখানে অনেক কষ্ট ,তবুও চলেন। চলতে চলতে চলাটা অভ্যাস হয়ে যায়। এবার মধ্যমগ্রামে নববর্ষ উৎসব হওয়ার কথা। তার আগে গৌহাটিতে উৎসব।
আমি গৌহাটির কর্তৃপক্ষের তরফে সব কর্মীদাদাদের আমন্ত্রণ জানালাম। আপনারা যাবেন ,হয়তো কষ্ট পাবেন। ওরা চেষ্টা করছে যাতে আপনাদের কষ্ট না হয়। যদি কষ্ট পান সেটাতেই তো আনন্দ। মনে করবেন ঠাকুরের জন্যে কষ্ট করে এলাম। সবাই ভালো থাকেন। সবাইকে ভালো রাখেন। সবাই সবাইকে প্রাণ খুলে জয়গুরু বলে ভালোবেসে জড়িয়ে ধরেন। কেউ যেন পর না থাকে। সবাই আপন ঠাকুর কে নিয়ে l ঠাকুরের স্বার্থে আপন। নিজে স্বার্থে আপন -তা না পারিপার্শ্বিকের সেবা করতে করতে সবাইকে ঠাকুরের চরণে নিয়ে আসেন। ভালো থাকার এই-ই পথ আর পথ নেই। একটা কথা ,আমাদের দেশে যুগে যুগে মহাপুরুষেরা এসেছেন ,পথ দেখিয়েছেন।
তাদের কথাগুলো ঋষিরা লিপিবদ্ধ করে গেছেন। কিন্তু প্রত্যেকটা মানুষের বাঁচার পথ দেখানো আমাদের পুরুষোত্তমের আগে কেউ দেখাননি।
ধ্বনি দিয়ে সম্মেলন শেষ হলো ,তখন 11:45 মিনিট (সংক্ষিপ্ত )

~পরমপূজ্যপাদ শ্রীশ্রীদাদা
"আলোচনা" [November. 2018]

Today _J.P. Nadda_ (Union Minister of Health and Family Welfare, Union Minister of Chemicals and Fertilizers, National P...
06/12/2025

Today _J.P. Nadda_ (Union Minister of Health and Family Welfare, Union Minister of Chemicals and Fertilizers, National President of the Bharatiya Janata Party (BJP), Leader of the House in the Rajya Sabha & Member of Parliament) met With *Sree Sree Acharyadev in Satsang Deoghar.*
*Date - 06/12/2025*

প্রাণনাথ 💙❤️Dhenkanal, Odisha 🤍📍
30/11/2025

প্রাণনাথ 💙❤️

Dhenkanal, Odisha 🤍📍

"এখন ঢেউয়ের মত চারিদিকে দীক্ষাপত্র-সমীক্ষার কাজ চলছে। আর, যতক্ষণ না সঠিক ফলের উদয় হচ্ছে, ততক্ষণ আমরা এই কাজ চালিয়ে যাব। ...
18/11/2025

"এখন ঢেউয়ের মত চারিদিকে দীক্ষাপত্র-সমীক্ষার কাজ চলছে। আর, যতক্ষণ না সঠিক ফলের উদয় হচ্ছে, ততক্ষণ আমরা এই কাজ চালিয়ে যাব। আমরা প্রত্যেকে যেন প্রত্যেকের পাশে দাঁড়াই, নিরন্তর যোগাযোগ রাখি। 'কতদূর হ'ল দাদা? কতদূর?'-এইরকম আদান-প্রদানে নিজেদের মধ্যে উচ্ছ্বাস এসে যাবে। 'আমাদের এখানে আজ ৩০০ জনের কাছে যাওয়া হয়েছে... আমাদের এখানে 200 ... /-সোশ্যাল মিডিয়ায় তো খালি দু'চারটে ছবি পোস্ট করা আর 'জয় গুরু, জয় গুরু' বলা। তারচেয়ে এইসব খবরে 'জয় গুরু' দেন। তাহলে গুরুর জয়ধবনি আরোতর হয়ে উঠবে! কারণ, আমাদেরই খাঁকতিতে যে-গুরুভাইদের থেকে আমরা বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিলাম, তা'রা সবাই এক হয়ে তা'তে সামিল হবে। আমরা যারা পাঞ্জাধারী, আমাদের সবার দায়িত্ব এই সমবেত হুঙ্কারে গর্জে ওঠা, যে-ঠাকুরের এই কাজে তোমাদের (হারিয়ে যাওয়া গুরুভাইদের) আমরা খুঁজে বের করবই! ঠাকুরের এই জগতে তোমরা হারিয়ে যেও না, আমরা আছি হাত ধরবার জন্য!' আমাদের সকলের হাত ঠাকুরের হাত হয়ে উঠুক।-এইভাবে টানেন। তখনই দেখবেন, ঠাকুরকে অনুভব করা কত সহজ।”

-পরমপূজ্যপাদ শ্রীশ্রীআচার্যদেব

সূত্র: আলোচনা পত্রিকা, কার্তিক, ১৪২৯/ নভেম্বর 2022

*সদ্ দীক্ষা* *কেন* *আবশ্যক*?প্রশ্ন ::-- অনেক পিতামাতা তো দীক্ষা নেয় না, ছেলেপিলেদেরও দীক্ষা নিতে বাধা দেয়।শ্রীশ্রীঠাকুর ...
02/11/2025

*সদ্ দীক্ষা* *কেন* *আবশ্যক*?

প্রশ্ন ::-- অনেক পিতামাতা তো দীক্ষা নেয় না, ছেলেপিলেদেরও দীক্ষা নিতে বাধা দেয়।

শ্রীশ্রীঠাকুর ::-- শ্রীরামকৃষ্ণদেব বলেছেন--চারাগাছ বেড়া দিয়ে রাখতে হয়। চারাগাছ বলতে আমি বুঝি---যাদের ব্যক্তিত্ব এখনও সুপুষ্ট হয়নি। আর বেড়া বলতে আমি বুঝি---সৎগুরু, সৎনাম ও সৎসঙ্গ। মানুষ যদি অল্প বয়স থেকে সৎগুরু গ্রহণ করে সৎনামের অনুশীলন নিয়ে সৎসঙ্গে অর্থাৎ জীবনবৃদ্ধিদ ভালো পরিবেশের ভিতর বাস করে, তাহলে তার জীবন অনায়াসে সুগঠিত হতে পারে। মানুষের জীবন যদি কোনো জীয়ন্ত সৎ-এ সুনিবদ্ধ না হয়, তাহলে সে যে নানা আবর্তে পরে হাবুডুবু খাবে, সে বিষয়ে কি আর কোনো সংশয় আছে?

(আলোচনা-প্রসঙ্গে ৫ম খণ্ড )

📌ঠাকুরকে সবটাই নির্ভর করেন, যা হবে, দেখা যাবে। সব সমর্পণ করে দেন ঠাকুরকে মনে-প্রাণে। কিছু চাইবেন না, যে, ঠাকুর! আমাকে সু...
02/11/2025

📌ঠাকুরকে সবটাই নির্ভর করেন, যা হবে, দেখা যাবে। সব সমর্পণ করে দেন ঠাকুরকে মনে-প্রাণে। কিছু চাইবেন না, যে, ঠাকুর! আমাকে সুস্থ করে দাও, ভাল ক'রে দাও'! এ সব কিছু বলতে যাবেন না। যা হবে দেখা যাবে! শুধু ঠাকুরকেই চাইবেন। ঠাকুর ! তুমি সব সময় আমার জীবনটায় পুরো হয়ে থাক। আমি আর কিছু চাই না। এইটাই চাইতে থাকবেন, তিনি এমন বিবশ ঠাকুর যে আপনি যদি তাঁকে চান, তিনি বিবশ হ'য়ে যাবেন। আপনাকে রক্ষা করার জন্যে। আর, আপনি আপনার জন্যে চাইতে যাবেন, ' আমার ভাল হোক, এই হোক, সেই হোক,' তিনি খুব চতুর, তিনি আপনাকে কিন্তু দেবেন না। আপনি তাঁকে চাইতে থাকেন। আপনার জীবন, আপনার ইচ্ছা, সব ঠাকুরকে সমর্পণ করে দেন। মনে-প্রাণে। যদি রক্ষা করার থাকে তিনিই করে দেবেন। এটা আমার বিশ্বাস। করে দেখেন। যেটা যখন হওয়ার না, তাই হ'য়ে যাবে।"
~পরমপুজ্যপাদ শ্রীশ্রীআচার্য্যদেব।

(আলোচনা, পৌষ, ১৪২৯ /জানুয়ারী, ২০২৩)

24/10/2025

প্রিয়পরম 😌🤍

📌আমি যদি এরকম কোন ভগবান পেতাম যিনি বা যাকে ধরলে সব হয়ে যাবে আমি তাকে ধরতাম না। আমি সেই ভগবানকে ধরতাম যে আমাকে চলার কায়দা...
16/10/2025

📌আমি যদি এরকম কোন ভগবান পেতাম যিনি বা যাকে ধরলে সব হয়ে যাবে আমি তাকে ধরতাম না। আমি সেই ভগবানকে ধরতাম যে আমাকে চলার কায়দা দেখিয়ে দিত।
সেই ভগবান যে হাত তুলে বলত আমি বলতাম ছেলের চাকরী হয়ে যাবে ছুমন্তর হয়ে যাক। মেয়ের বিয়ে ঠিক করে দাও ছুমন্তর হয়ে যাক।
মা অসুস্থ ঠিক করে দাও ছুমন্তর। এরকম কোন ভগবান পেলে আমি তাকে ছেড়ে দিয়ে পালাতাম। কেননা তুমি যেদিন চলে যাবে, তুমি যেদিন মারা যাবে, তুমি যেদিন দেহ রাখবে সেদিন আমি কার কাছে যাব। আমি যেটুকু চলাফেরা জানতাম সেটুকু ভুলিয়ে দিয়েছ, ছুমন্তর করে করে। আমি সেই গুরুকে ধরতাম যে আমাকে কাদায় ফেলে দিয়ে বলত এইভাবে কাদা থেকে বেরোতে হয় জানিস। জলে পড়ে গেলে এরকম হাত পা করে সাঁতার কেটে ডাঙায় উঠতে হয় জানিস। আমি সেই গুরুকে ধরতাম যে আমাকে চলার কায়দা দেখিয়ে দেয়। ভগবানের ক্ষমতা অসীম একথা সত‍্য। কিন্তু এইজগতে এলে তাকেও কর্ম করতে হবে, আমাকেও তাই।কর্মছাড়া নিস্তার নাই।
- পরমপুজ্জ্যপাদ শ্রীশ্রীআচার্য্যদেব
তথ্যসূত্রঃ একশো দিনের পরিক্রমা

Address

Guwahati

Telephone

+919387273097

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Satsang Sevak posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share