Sri Radha Gopinath Mondir

Sri Radha Gopinath Mondir The place of self realization.It`s a Ashram of Radha rani, our asrom is beside of holly gobindo kund.
(7)

অসমের ভয়াবহ বন্যায় লাখ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। রাজ্য সরকার ও বিভিন্ন সংস্থা ত্রাণশিবির পরিচালনা করছে এবং বলিউড ...
01/08/2026

অসমের ভয়াবহ বন্যায় লাখ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। রাজ্য সরকার ও বিভিন্ন সংস্থা ত্রাণশিবির পরিচালনা করছে এবং বলিউড অভিনেতা কার্তিক আরিয়ান ও আয়ুষ্মান খুরানা মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে অনুদান দিয়েছেন।দুর্গতদের মাঝে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে প্রয়োজনীয় সাহায্য বিতরণ করা হচ্ছে।সরকারি ত্রাণ ও কার্যক্রমরাজ্য সরকারের পরিচালিত ৫৪টি ত্রাণশিবিরে প্রায় ১৩ হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।২৬টি ত্রাণ বিতরণকেন্দ্রের মাধ্যমে ৫ হাজার ৩৮৪ জনের বেশি মানুষকে সেবা দেওয়া হচ্ছে।ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষের ঋণের কিস্তি ও বীমা দাবি নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ বৈঠকের ঘোষণা করা হয়েছে।সাহায্য ও অনুদানঅভিনেতা কার্তিক আরিয়ান মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ১ কোটি টাকা দিয়েছেন।অভিনেতা আয়ুষ্মান খুরানা অনুদান দিয়েছেন ১১ লক্ষ টাকা।বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও স্থানীয় যুবকেরা দুর্গতদের মধ্যে শুকনো খাবার, পানীয় জল ও ওষুধ বিতরণ করছেন। আমরা সাহায্য পাঠানোর চেষ্টা করছি। এবং আপনাদের মুক্ত হস্তে দান করার জন্য আহ্বান করছি।
আসামে চলতি বন্যায় এখন পর্যন্ত ৮২ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং প্রায় ১.৯২ লক্ষ মানুষ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট এই বন্যায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

29/07/2026

গুরু পূর্ণিমা হলো আধ্যাত্মিক এবং শিক্ষাগত গুরু বা শিক্ষকদের প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনের একটি বিশেষ ভারতীয় উৎসব। সনাতন ধর্মীয় ক্যালেন্ডার অনুসারে, প্রতি বছর আষাঢ় মাসের পূর্ণিমা তিথিতে এই পুণ্য দিনটি উদযাপিত হয়। 'গুরু' শব্দের অর্থ যিনি অন্ধকার বা অজ্ঞানতা দূর করে আলোর পথ দেখান।
উৎসবের ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় তাৎপর্যবিভিন্ন ধর্মে এই দিনটির গভীর গুরুত্ব রয়েছে:মহর্ষি বেদব্যাসের জন্মজয়ন্তী: হিন্দু শাস্ত্রমতে, এই শুভ তিথিতেই মহাভারতের রচয়িতা এবং চার বেদের সংকলক মহর্ষি বেদব্যাস জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তাই একে ব্যাস পূর্ণিমাও বলা হয়ে থাকে।
আদিযোগী শিবের গুরু রূপ ধারণ: যোগ ঐতিহ্য অনুসারে, এই দিনে দেবাদিদেব মহাদেব 'আদিগুরু' রূপে সপ্তর্ষিদের মহাজ্ঞান ও যোগবিদ্যা প্রদান শুরু করেছিলেন।

গৌতম বুদ্ধের প্রথম উপদেশ: বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস অনুযায়ী, বোধিজ্ঞান লাভের পর ভগবান বুদ্ধ এই পূর্ণিমা তিথিতেই সারনাথে তাঁর প্রথম পাঁচ শিষ্যকে প্রথম ধর্মোপদেশ বা 'ধম্মচক্কপবত্তন' দান করেছিলেন।মহাবীরের দীক্ষা দান: জৈন ধর্মেও এই দিনটি তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ জৈন তীর্থঙ্কর মহাবীর এই দিনে তাঁর প্রথম শিষ্য গৌতম স্বামীকে দীক্ষা দিয়েছিলেন।
কীভাবে পালন করা হয়?গুরু বন্দনা ও প্রণাম: শিষ্যরা তাঁদের নিজ নিজ আধ্যাত্মিক বা শিক্ষাগুরুর আশ্রমে, মঠে বা বাড়িতে গিয়ে তাঁর চরণ স্পর্শ করে আশীর্বাদ নেন।পূজা ও হোম: বিভিন্ন মঠ ও মন্দিরে এই দিনে ব্যাস পূজা, বিশেষ যজ্ঞ, ভজন এবং কীর্তনের আয়োজন করা হয়।সংকল্প গ্রহণ: গুরুপূর্ণিমার দিনে শিষ্যরা গুরুর দেখানো আদর্শ, উপদেশ এবং সৎ পথ অনুসরণের জন্য নতুন করে সংকল্প নেন।

26/07/2026

মুড়িয়া পুনো মেলা।।
গোবর্ধনের 'পূর্ণিমা মেলা' মূলত কথ্য ভাষায় মুড়িয়া পুনো মেলা বা মুড়িয়া পূর্ণিমা মেলা (Mudia Purnima Mela) নামে পরিচিত, যা ব্রজমণ্ডলের সর্ববৃহৎ এবং বিশ্ববিখ্যাত আধ্যাত্মিক উৎসব। এটি উত্তর প্রদেশের মথুরা জেলার গোবর্ধনে আষাঢ় শুক্লপক্ষের নবমী থেকে পূর্ণিমা (গুরু পূর্ণিমা) পর্যন্ত উদযাপিত হয়।মূল বৈশিষ্ট্য ও তথ্যাবলীআয়োজনের সময়: গুরু পূর্ণিমা বা আষাঢ় পূর্ণিমার তিথি অনুযায়ী এই মেলা অনুষ্ঠিত হয়।
২০২৬ সালে এই মেলা ২৩ থেকে ২৯ জুলাই পর্যন্ত পালিত হচ্ছে, যার মূল পূর্ণিমা বা সমাপ্তি দিনটি ২৯ জুলাই ২০২৬।
এই বছরের বিশেষ তাৎপর্য পুর্ণ গোবিন্দ কুন্ডু অবস্থিত শ্রী রাধা গোপীনাথ মন্দির ও গোশালার পক্ষে থেকে বিশাল ভান্ডার আয়োজন করেছেন কিছু কানপুরে ভক্ত বৃন্দ। যদিও প্রায় আঠারো বছর ধরে এই ভান্ডারা আয়োজন করা হয়। উদ্যোক্তার মতে প্রতিদিন প্রায় দুশো ভক্ত প্রসাদ নিচ্ছেন, আশ্রমে। আর কুন্তল মন্ডলে তত্ত্বাবধানে মন্দির পরিক্রমা কারী জন্য ফ্যাস্ট এডের ব্যবস্থা করা হয়ে। আশ্রমের কর্ণধার সমাজসেবী মানব বাবু জানান বিনামূল্যে এই কয়দিন
ভক্তদের থাকার খাবার ব্যবস্থা করা হয়েছে এই আশ্রমে। প্রায় ১৩৫-১৫০ জন ভক্ত রাত্রি বাস করছে এখানে রোজ।

এই মেলার ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় তাৎপর্য অনেকখানি ।গৌড়ীয় বৈষ্ণব সমাজের প্রখ্যাত সাধক শ্রীল সনাতন গোস্বামীর তিরোভাব দিবস এবং শ্রীকৃষ্ণের গোবর্ধন ধারণ লীলার স্মৃতিতে এই উৎসব পালিত হয়। ব্রজবাসী ও ভক্তরা সনাতন গোস্বামীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মুণ্ডন বা 'মুড়িয়া' হয়ে এই পরিক্রমা করেন, যেখান থেকে এর নাম 'মুড়িয়া পূর্ণিমা' হয়েছে।গোবর্ধন পরিক্রমা এই মেলার সবচেয়ে পবিত্র কাজ। মেলা চলাকালীন দেশ-বিদেশ থেকে আসা প্রায় ২ কোটি বা ততোধিক ভক্ত গোবর্ধন গিরির ২১ কিলোমিটার (সপ্তকোসী) দীর্ঘ পবিত্র পরিক্রমা সম্পন্ন করেন।
এই মেলার বিশেষ আকর্ষণ হলো দানघाटी मंदिर ও পুরো পরিক্রমা জুড়ে থাকে বিশেষ আলোকসজ্জা, ভজন-কীর্তন, এবং অন্নপ্রাসাদ বিতরণের বিশাল আয়োজন।
#মুড়িয়াপুনোমেলা
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏 #বৃন্দাবন_ভ্রমনের_সম্পূর্ণ_আনন্দ_নিতে_আপনারা_গোবর্ধণ_আসুন

✅ #কেন_গোবর্ধন_আসতে_বলা
বৃন্দাবন রাধাকুন্ড মথুরায় বহু গেস্ট হাউস, আশ্রম আছে আপণাদের থাকার জন্য। কিন্তু আধ্যাত্মিক পরিবেশ আছে কি?
গোবর্ধন আসুন।গোবর্ধনের গোবিন্দ কুন্ড হলো ব্রজভূমির একটি অতি পবিত্র স্থান, যা ইন্দ্রের গর্ব চূর্ণ করে কৃষ্ণ কর্তৃক গিরিরাজ ধারণের পর সৃষ্টি হয়েছিল । শ্রীকৃষ্ণকে গোবিন্দ (ইন্দ্র কৃষ্ণের মন জয়ের পর) হিসেবে এখানে স্নান করানো হয়েছিল । এই কুন্ডটি দেবরাজ ইন্দ্রের ক্ষমা প্রার্থনা এবং অভিষেক বা দুগ্ধ-স্নানের স্মারক হিসেবে আজো এই পবিত্র কুন্ডু টি এখানে অবস্থান করছে।

✅ কোলকাতা থেকে এসে যারা বৃন্দাবন ভ্রমণ করতে চান। গিরিরাজ কোলে আমাদের আশ্রমে এসে থাকুন। সাধু সঙ্গ , গো সেবা ও রাধা রানীর প্রসাদ সেবার আনন্দ নিন। আমরা কোন ব্যবসায়ী সংগঠন না। তাই নির্দিষ্ট ঘর ভাড়া বা প্রসাদ সেবা ( খাবার) মূল্য নির্ধারণ করি নি। আপনি যা বিবেচনা করে দেবেন তাতেই সন্তুষ্ট।
রাধারানী কৃপায় ও আপনাদের সহায়তা গো মাতাদের সেবা করতে পারলেই চলে যাবে।
🛕 #ঠিকানা, 🛕
Sri Radha Gopinath Mondir ,
Dinabandhu Dasji
Santnibas,
landmark Govinda Kund ,
village - Annor,
Po Goverdhan
Mathura district of Uttar Pradesh is 281502,
What app/ call -9831536734


✅ প্রস্তাব
মথুরা হয়ে গোবর্ধন এসে সেখান থেকে ব্রজভুমি যে কোন অংশে সহজে যাওয়া যায়, গোবর্ধন থেকে অসংখ্য বেসরকারি এবং রাজ্য সরকারের বাস আছে। এছাড়াও পৌঁছানোর জন্য আপনি ব্যক্তিগত গাড়ি এবং ক্যাবও অটো ভাড়া করতে পারেন।

🚂 মথুরার ট্রেন

🧳কোলকাতা স্টেশন ট্রেন
12319 - কলকাতা - গোয়ালিয়র সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস
13167-কলকাতা - আগ্রা ক্যান্টনমেন্ট উইকলি এক্সপ্রেস

ভরতপুর ও আগ্রা ফোর্ট প্রতি দিন ট্রেন আছে।
🚂 ভরতপুর ও আগ্রার ট্রেন
🧳হাওড়া ও শিয়ালদহ থেকে

12307 - Howrah - Jodhpur SF Express
22307 - Howrah - Bikaner SF Express
12987 - Sealdah - Ajmer SF Express 12938 - Garbha Express
20975 - Howrah - Agra Cantt Chambal Express

🧳কোলকাতা স্টেশন ট্রেন থেকে

12315 -অনন্যা এক্সপ্রেস

পুরী ধামের সমুদ্রের ঢেউ আর শঙ্খধ্বনির মাঝখানে এক বৃদ্ধা বাস করতেন। তাঁর নাম ছিল সলীলা দেবী। বয়স প্রায় পঁয়ষট্টি বছর। না ...
16/06/2026

পুরী ধামের সমুদ্রের ঢেউ আর শঙ্খধ্বনির মাঝখানে এক বৃদ্ধা বাস করতেন। তাঁর নাম ছিল সলীলা দেবী। বয়স প্রায় পঁয়ষট্টি বছর। না ছিল পরিবার, না ছিল ধন-সম্পদ, না ছিল কোনো আপনজনের ভরসা। মন্দিরের পাশে একটি ছোট্ট কুঁড়েঘরই ছিল তাঁর সমগ্র পৃথিবী। শরীর বার্ধক্যে নুয়ে পড়েছিল, হাত কাঁপত, চোখের দৃষ্টিও ক্ষীণ হয়ে গিয়েছিল; কিন্তু ভগবান জগন্নাথের প্রতি তাঁর ভালোবাসা দিন দিন আরও গভীর হয়ে উঠছিল।

পুরো নগরের মানুষ তাঁকে সাধারণ এক বৃদ্ধা বলেই মনে করত। কিন্তু সলীলা দেবীর কাছে জগন্নাথ শুধু ভগবান ছিলেন না—তিনি ছিলেন তাঁর সন্তান, তাঁর আপনজন, তাঁর জীবনের একমাত্র আশ্রয়।

প্রতিদিন ভোর হওয়ার আগেই, যখন পুরো নগর ঘুমে আচ্ছন্ন থাকত, তখন সলীলা দেবী জেগে উঠতেন। হাতে ঝুড়ি নিয়ে অন্ধকারেই ফুল তুলতে বের হতেন। কখনও গাঁদা, কখনও জুঁই, কখনও করবী—যে ফুলই পেতেন, ভালোবাসা দিয়ে ঝুড়িতে সাজাতেন। তারপর মন্দিরে গিয়ে ভগবানের চরণে সেই ফুল নিবেদন করে মুচকি হেসে বলতেন—

"আমার ছেলে জগন্নাথ, তোমার জন্য ফুল নিয়ে এসেছি।"

এটা একদিন বা এক বছরের অভ্যাস ছিল না। টানা পঞ্চাশ বছর ধরে তিনি এই সেবাই করে এসেছেন। কখনও কোনো কিছু চাননি, কোনো অভিযোগ করেননি। শুধু ভালোবাসা আর ভক্তি নিবেদন করেছেন।

মন্দিরের প্রধান পুরোহিত দীননাথ প্রায়ই তাঁকে লক্ষ্য করতেন। তিনি বিস্মিত হতেন—এত দরিদ্র, এত একাকী একজন নারী কী শক্তিতে বেঁচে আছেন? বহুবার তিনি দেখেছেন, সলীলা দেবীর কাছে পর্যাপ্ত খাবারও নেই, তবু তাঁর মুখে অসন্তোষের কোনো চিহ্ন নেই। তিনি মন্দিরে আসতেন, প্রভুকে প্রণাম করতেন এবং পরম তৃপ্তি নিয়ে ফিরে যেতেন, যেন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ধন তিনি লাভ করেছেন।

একদিন এমন এক ঘটনা ঘটল, যা সমগ্র পুরী নগরকে বিস্ময়ে স্তম্ভিত করে দিল।

প্রতিদিনের মতো ভগবান জগন্নাথকে ভোগ নিবেদন করা হলো। সোনার থালায় ক্ষীর, পুরি, তরকারি ও নানা রকম সুস্বাদু খাদ্য সাজিয়ে গর্ভগৃহে রাখা হলো। মন্ত্রোচ্চারণের পর দরজা বন্ধ করা হলো।

কিছুক্ষণ পরে দরজা খুলতেই সবাই হতবাক।

পুরো থালা খালি!

একটিও খাদ্যদানা অবশিষ্ট নেই।

এমন ঘটনা আগে কখনও ঘটেনি।

পুরোহিতরা ভাবলেন, হয়তো কোনো ভুল হয়েছে। কিন্তু পরদিনও একই ঘটনা ঘটল। তৃতীয় দিনেও তাই।

এবার পুরো মন্দিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ল। পাহারা বাড়ানো হলো। প্রতিটি কোণা খুঁজে দেখা হলো। কিন্তু মন্দিরের দরজা-তালা অক্ষত ছিল। কেউ ভেতরে প্রবেশই করতে পারেনি।

তাহলে ভোগ কোথায় যাচ্ছে?

ধীরে ধীরে এই খবর পুরো নগরে ছড়িয়ে পড়ল। কেউ বলল, ভগবান রুষ্ট হয়েছেন। কেউ বলল, কোনো অলৌকিক শক্তি ভোগ গ্রহণ করছে।

এদিকে ঠিক সেই সময় সলীলা দেবী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লেন। প্রবল জ্বরে তাঁর শরীর ভেঙে গেল। টানা সাত দিন তিনি কুঁড়েঘর থেকে বের হতে পারলেন না। মন্দিরে যাওয়া তো দূরের কথা, ঠিকমতো বসতেও পারছিলেন না।

একদিন পাশের এক প্রতিবেশী এসে দেখলেন, তাঁর সামনে সুস্বাদু খাবারে ভরা একটি থালা রাখা আছে—ক্ষীর, পুরি, হালুয়া এবং আরও নানা রকম খাদ্য।

তিনি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন,

— "এত ভালো খাবার কোথা থেকে এলো?"

সলীলা দেবী হেসে বললেন,

— "আমার ছেলে জগন্নাথ পাঠিয়ে দেয়।"

প্রতিবেশী ভেবেছিলেন, অসুস্থতার কারণে হয়তো বৃদ্ধার মানসিক ভারসাম্য নষ্ট হয়ে গেছে। কিন্তু পরদিনও একই ঘটনা ঘটল। তৃতীয় দিনেও।

তখন তাঁর সন্দেহ হলো—মন্দির থেকে যে ভোগ অদৃশ্য হচ্ছে, নিশ্চয়ই সেটাই এখানে আসছে।

তিনি গিয়ে সব কথা পুরোহিতদের জানালেন।

এই কথা শুনে প্রধান পুরোহিত দীননাথ ক্রুদ্ধ হয়ে উঠলেন। তাঁর মনে হলো, এতদিনের ভক্তির অভিনয় করে এই বৃদ্ধা মন্দিরের ভোগ চুরি করছেন।

অনেক মানুষ সলীলা দেবীর কুঁড়েঘরে গিয়ে তাঁকে তিরস্কার করল। কেউ তাঁর ভক্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলল।

কিন্তু বৃদ্ধা চুপচাপ সব শুনলেন। তাঁর চোখে জল ছিল, অথচ ঠোঁটে ছিল একটাই নাম—

"জগন্নাথ..."

এরপর মন্দিরে আরও আশ্চর্য ঘটনা ঘটল।

সেদিন ভগবানকে ছাপ্পান্ন ভোগ নিবেদন করা হলো। কিন্তু দরজা খোলার পর দেখা গেল, ভোগ যেমন রাখা হয়েছিল, তেমনই রয়েছে।

একটিও খাদ্য স্পর্শ করা হয়নি।

পরদিনও তাই। তার পরদিনও।

মনে হচ্ছিল, ভগবান নিজেই ভোগ গ্রহণ করতে অস্বীকার করছেন।

তৃতীয় রাতের স্বপ্নে দীননাথ এক অলৌকিক দৃশ্য দেখলেন।

তিনি দেখলেন, ভগবান জগন্নাথের মূর্তি থেকে এক সুন্দর বালক বেরিয়ে আসছেন। তাঁর হাতে সেই সোনার থালা, যাতে ভোগ রাখা হয়। বালকটি মন্দির ছেড়ে সরু গলি পেরিয়ে একটি কুঁড়েঘরের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

দীননাথ তাঁর পিছু নিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন,

— "প্রভু, আপনি এই ভোগ কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন?"

বালকটি মৃদু হেসে বললেন,

— "সেই মায়ের কাছে, যিনি পঞ্চাশ বছর ধরে কোনো স্বার্থ ছাড়া আমার জন্য ফুল নিবেদন করেছেন। তিনি অসুস্থ, তিনি ক্ষুধার্ত। আমি যদি তাঁর ছেলে হই, তবে কি তাঁকে অভুক্ত রাখতে পারি?"

স্বপ্ন ভেঙে যেতেই দীননাথের শরীর কেঁপে উঠল। তাঁর চোখে অশ্রু নেমে এল। তিনি নিজের ভুল বুঝতে পারলেন।

ভোর হতেই তিনি খালি পায়ে সলীলা দেবীর কুঁড়েঘরের দিকে দৌড়ে গেলেন।

সেখানে গিয়ে তিনি বৃদ্ধার চরণে লুটিয়ে পড়লেন।

কাঁদতে কাঁদতে বললেন,

— "মা, আমাকে ক্ষমা করে দিন। আমি আপনাকে চিনতে পারিনি। আপনার ভক্তির মূল্য বুঝতে পারিনি।"

সলীলা দেবী বিস্মিত হয়ে তাঁর দিকে তাকালেন। তারপর ধীরে ধীরে হেসে বললেন,

— "বাবা, ক্ষমার কী আছে? আমার জগন্নাথ সব জানেন।"

সেদিন থেকে দীননাথ প্রতিজ্ঞা করলেন, তিনি সলীলা দেবীর সেবা করবেন। মন্দির থেকে প্রতিদিন তাঁর জন্য খাবার পাঠানো শুরু হলো।

যে মানুষগুলো আগে তাঁকে অবহেলা করত, তারা এখন তাঁকে শ্রদ্ধার চোখে দেখতে লাগল।

সবাই বুঝে গেল—

ভগবানের কাছে ধন, পদমর্যাদা বা খ্যাতির কোনো মূল্য নেই। তাঁর কাছে মূল্যবান হলো শুধু প্রেম, ভক্তি এবং নিঃস্বার্থ সমর্পণ।

কিছুদিন পরে সলীলা দেবী সুস্থ হয়ে উঠলেন এবং আবার আগের মতো ফুল সংগ্রহ করে মন্দিরে যেতে লাগলেন।

তবে এবার দৃশ্যটা বদলে গিয়েছিল।

তিনি মন্দিরে প্রবেশ করলে মানুষ সম্মানের সঙ্গে পথ ছেড়ে দিত। অনেক ভক্ত তাঁর চরণ স্পর্শ করত। কারণ সবাই বিশ্বাস করত—এই সেই মা, যার জন্য স্বয়ং ভগবান জগন্নাথ নিজের ভোগ তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন।

আজও পুরীতে এই কাহিনি শ্রদ্ধার সঙ্গে বলা হয়—

যদি কোনো ভক্ত সত্যিকারের ভালোবাসা দিয়ে ভগবানকে নিজের বলে গ্রহণ করেন, তবে ভগবানও তাঁকে নিজের বলে গ্রহণ করেন।

তিনি শুধু মন্দিরে থাকেন না, তিনি থাকেন তাঁর ভক্তের হৃদয়ে।

আর যখন কোনো ভক্ত ক্ষুধার্ত, দুঃখী বা একাকী হয়ে পড়ে, তখন তিনি কোনো না কোনো রূপে তার পাশে এসে দাঁড়ান।

কারণ—

ভগবান কখনও সত্যিকারের ভক্তিকে ভুলে যান না।

🙏 জয় জগন্নাথ 🙏
Manab Mondal

15/06/2026

🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏 #বৃন্দাবন_ভ্রমনের_সম্পূর্ণ_আনন্দ_নিতে_আপনারা_গোবর্ধণ_আসুন

✅ #কেন_গোবর্ধন_আসতে_বলা
বৃন্দাবন রাধাকুন্ড মথুরায় বহু গেস্ট হাউস, আশ্রম আছে আপণাদের থাকার জন্য। কিন্তু আধ্যাত্মিক পরিবেশ আছে কি?
গোবর্ধন আসুন।গোবর্ধনের গোবিন্দ কুন্ড হলো ব্রজভূমির একটি অতি পবিত্র স্থান, যা ইন্দ্রের গর্ব চূর্ণ করে কৃষ্ণ কর্তৃক গিরিরাজ ধারণের পর সৃষ্টি হয়েছিল । শ্রীকৃষ্ণকে গোবিন্দ (ইন্দ্র কৃষ্ণের মন জয়ের পর) হিসেবে এখানে স্নান করানো হয়েছিল । এই কুন্ডটি দেবরাজ ইন্দ্রের ক্ষমা প্রার্থনা এবং অভিষেক বা দুগ্ধ-স্নানের স্মারক হিসেবে আজো এই পবিত্র কুন্ডু টি এখানে অবস্থান করছে।

✅ কোলকাতা থেকে এসে যারা বৃন্দাবন ভ্রমণ করতে চান। গিরিরাজ কোলে আমাদের আশ্রমে এসে থাকুন। সাধু সঙ্গ , গো সেবা ও রাধা রানীর প্রসাদ সেবার আনন্দ নিন। আমরা কোন ব্যবসায়ী সংগঠন না। তাই নির্দিষ্ট ঘর ভাড়া বা প্রসাদ সেবা ( খাবার) মূল্য নির্ধারণ করি নি। আপনি যা বিবেচনা করে দেবেন তাতেই সন্তুষ্ট।
রাধারানী কৃপায় ও আপনাদের সহায়তা গো মাতাদের সেবা করতে পারলেই চলে যাবে।
🛕 #ঠিকানা, 🛕
Sri Radha Gopinath Mondir ,
Dinabandhu Dasji
Santnibas,
landmark Govinda Kund ,
village - Annor,
Po Goverdhan
Mathura district of Uttar Pradesh is 281502,
What app/ call -9831536734


✅ প্রস্তাব
মথুরা হয়ে গোবর্ধন এসে সেখান থেকে ব্রজভুমি যে কোন অংশে সহজে যাওয়া যায়, গোবর্ধন থেকে অসংখ্য বেসরকারি এবং রাজ্য সরকারের বাস আছে। এছাড়াও পৌঁছানোর জন্য আপনি ব্যক্তিগত গাড়ি এবং ক্যাবও অটো ভাড়া করতে পারেন।

🚂 মথুরার ট্রেন

🧳কোলকাতা স্টেশন ট্রেন
12319 - কলকাতা - গোয়ালিয়র সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস
13167-কলকাতা - আগ্রা ক্যান্টনমেন্ট উইকলি এক্সপ্রেস

ভরতপুর ও আগ্রা ফোর্ট প্রতি দিন ট্রেন আছে।
🚂 ভরতপুর ও আগ্রার ট্রেন
🧳হাওড়া ও শিয়ালদহ থেকে

12307 - Howrah - Jodhpur SF Express
22307 - Howrah - Bikaner SF Express
12987 - Sealdah - Ajmer SF Express 12938 - Garbha Express
20975 - Howrah - Agra Cantt Chambal Express

🧳কোলকাতা স্টেশন ট্রেন থেকে

12315 -অনন্যা এক্সপ্রেস

গঙ্গায় স্নানের সময় তাঁর আঁচলে উঠে আসে এক অষ্টধাতুর ১ ফুট উচ্চতার দেবী মঙ্গলচণ্ডীর বিগ্রহ🙏মা মঙ্গলচণ্ডীর অজানা কাহিনী 🙏গঙ...
14/06/2026

গঙ্গায় স্নানের সময় তাঁর আঁচলে উঠে আসে এক অষ্টধাতুর ১ ফুট উচ্চতার দেবী মঙ্গলচণ্ডীর বিগ্রহ
🙏মা মঙ্গলচণ্ডীর অজানা কাহিনী 🙏
গঙ্গায় স্নানের সময় তাঁর আঁচলে উঠে আসে এক অষ্ট ধাতুর ১ ফুট উচ্চতার দেবী মঙ্গলচণ্ডীর বিগ্রহ।🙏
হুগলী জেলার আদি সপ্তগ্রাম ছিল বাংলার প্রাচীন জনপদ ও বাণিজ্য বহুল অঞ্চল এখানে বাস ছিল সুবর্ণ বণিক বংশীয় সম্প্রদায়ের । আজ থেকে আনুমানিক সাড়ে তিনশো বছর পূর্বে সেই সুবর্ণ বণিক গোষ্ঠীর ধর পরিবারের এক গিন্নি ত্রিবেণীর গঙ্গায় স্নানের সময় তাঁর আঁচলে উঠে আসে এক অষ্টধাতুর ১ ফুট উচ্চতার দেবী মঙ্গলচণ্ডীর বিগ্রহ ও পরিবারে লোকেরা ধুমধামের সাথে সেই দেবীকে প্রতিষ্ঠা করে । বংশের কুলদেবীর আসনে বসান সেই থেকে আজও দেবী মঙ্গলচণ্ডীর বিগ্রহ ধর বংশে স্বমহিমায় বিরাজ ও সেবা গ্রহণ করছেন । এই দেবী মূর্তি দ্বিভূজা বরাভয়দায়িনী ও সিংহবাহিনী দেবী একটি পদ ওপর পদের উপরে রেখে বসে আছেন । এরপরে ধর পরিবার সরস্বতী নদী মজা যাবার পরে ও কলকাতার গোড়াপত্তনে ব্যবসা বাণিজ্যের কেন্দ্র ব্রিটিশশাসন কালে গঙ্গার তীরবর্তী কলকাতায় স্থানান্তরিত হলে এই পরিবার দেবী মঙ্গলচণ্ডীকে নিয়ে মধ্য কলকাতার বৌ বাজার অঞ্চলে বসবাস করতে থাকেন । দেবীর কৃপায় এই পরিবারের শ্রী বৃদ্ধি উত্তরোত্তর হতে থাকে ও পরিবারের সদস্য সংখ্যা বর্ধিত হলে দেবী মঙ্গলচণ্ডীর সেবা পূজা পালা করে ধর বংশের শরিক দের মধ্যে চলতে থাকে ।বর্তমানে ডাঃ শুভাশিষ ধরের বাড়িতেই মা বর্তমানে অধিষ্ঠান করে সেবা গ্রহণ করছেন । দেবীকে সকালে ফল ও মিষ্টান্ন সহযোগে জলপানি ভোগ হয় । এই পরিবারে মা মঙ্গলচণ্ডী অন্নভোগ গ্রহণ করেন না । দুপুরে ও রাত্রে লুচি , নানা রকমের ভাজা , তরকারী ও মিষ্টান্ন ভোগ হয় । মা মঙ্গলচণ্ডীর তিনটি বাৎসরিক উৎসব দূর্গা পূজা , জগদ্ধাত্রী পূজা ও বাসন্তী পূজা হয় । এছাড়া জয়মঙ্গলবার ও বিপদতারিনী ব্রতও হয় মায়ের কাছে । প্রাচীনতা ও ঐতিহ্য বহন করে স্বমহিমায় মা মঙ্গলচণ্ডী বিরাজ করছেন ধর বাড়িতে ।

শুভ জয় মঙ্গলবার ১৪৩৩
শ্রী শ্রী মঙ্গলচণ্ডী মাতার মহাপুণ্য দর্শন
স্থানঃ ধর বাড়ি , মধ্য কলকাতা ১৪৩২

#ধর্মীয়পোস্ট #মামঙ্গলচন্ডী #

13/06/2026

খাদ্য কারুশিল্প বা Food Craft Art হলো খাবার এবং রন্ধন উপাদানকে শৈল্পিক উপায়ে পরিবেশন বা আকর্ষণীয় আকার দেওয়ার একটি সৃজনশীল মাধ্যম। এটি মূলত রান্নার স্বাদ ও পুষ্টিগুণের পাশাপাশি খাবারের বাহ্যিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার একটি নান্দনিক শিল্প।

13/06/2026

এতো দিন চুনোপুঁটির গুলো ধরা পড়ছিলো। এবার রাঘব বোয়াল গুলো ধরা পড়লো। অভিষেক ডিজে দেখাতে চাইলো জনগণ।
Kuntal Mondal








বর্ধমানের বিদ্যাসুন্দর কালীমন্দির ।আজ বলবো রাজা তেজচাদ সময়কার কথা ২৫০ বছর আগের কার কথা । রাজা তেজচাদ সময় বর্ধমানের দাম...
13/06/2026

বর্ধমানের বিদ্যাসুন্দর কালীমন্দির ।

আজ বলবো রাজা তেজচাদ সময়কার কথা ২৫০ বছর আগের কার কথা । রাজা তেজচাদ সময় বর্ধমানের দামোদর নদীর তীরে তেজগঞ্জগভীর জঙ্গল পরিপূর্ণ ।
এই সময়ে সেখানে ছিল প্রাচীন কালী মন্দির।রাজা এখানে পুজো দিতে আসতেন । কথিত আছে যারা জঘন্য অন্যায় অত্যাচার করত তাদের এই মন্দিরে দেবীর সামনে বলি দেওয়া হত। সেই সময় এইকালী দক্ষিণ শ্মশানকালী নামেই পরিচিত ছিল। কেউ ওই এলাকা দিয়ে দিনের বেলাতেও কেউ ওই এলাকা দিয়ে যাতায়াত করার খুব একটা সাহস করত না ।

কিন্তু মায়ের লীলায় এখানেই ঘটলো এক প্রেমের ঘটনা।সুন্দর নামে এক যুবক এই মন্দিরের পূজারি ছিলেন । রাজবাড়ি থেকে মন্দিরে পুজোর ফুল দিতে আসতেন এক মালিনী । একদিন মালিনী মাসি মন্দিরে ফুলের মালা নিয়ে এসেছিলেন। পূজারি সুন্দর এই মালা দেখে বলেছিলেন, এত সুন্দর ফুলের মালা কে গেঁথেছে ? যে মালা গেঁথেছে সেও নিশ্চয়ই এমন সুন্দর! তাকে খুব দেখতে ইচ্ছে করছে।

মালিনী মাসি উত্তরে জানিয়ে দেয়, রাজকুমারী বিদ্যা মালা গেঁথেছে। কিন্তু তাঁকে দেখা সম্ভব নয়।
সুন্দর কিন্তু মালিনী মাসির কথায় দমে যায়নি । সুড়ঙ্গ পথ খুঁজে বের করে পূজারি সুন্দর পৌঁছে যায় রাজকুমারী বিদ্যার কাছে। সুন্দরের রূপে মুগ্ধ হয় বিদ্যাও। দিনে দিনে বিদ্যার সঙ্গে সুন্দরের প্রণয়ের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সুড়ঙ্গ পথ দিয়ে বিদ্যা ও সুন্দর একে-অপরের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ করতে যেতেন। কিন্তু রাজা তেজচাঁদ বিদ্যা ও সুন্দরের এই প্রণয়ের ব্যাপারে জেনে ফেলেন। রাজা প্রচণ্ড রেগে গিয়ে বিদ্যা এবং সুন্দরকে কালীর সামনে বলি দেওয়ার আদেশ দেন ৷ রাজার হুকুম মতো বলি দিতে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁদেরকে কালী মন্দিরে।

কিন্তু বিদ্যা ও সুন্দর হাঁড়িকাঠে মাথা দিয়ে নির্ভয়ে চোখ বুজে তাঁরা মা কালীকে স্মরণ করেন। তখন ঘটে এক অলৌকিক ঘটনা। কালো মেঘে আকাশ ঢেকে যায় চারদিকে। চারদিকে আঁধার নেমে আসে, শুরু হয় প্রচন্ড ঝড়। তাই দেখে কাপালিক জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।আর বিদ্যা আর সুন্দর মন্দির থেকে উধাও হয়ে যান। এরপর তাদের আর কোনও দিন কোনও খোঁজ মেলেনি। তারপর থেকেই এই মন্দিরে নরবলি বন্ধ হয়ে যায়।

এখনও প্রাচীন রীতিনীতি মেনেই কালীমন্দিরে পুজো হয় । । দেবী এখানে পাষাণ মূর্তি। নিত্যদিন পুজো হয়। সন্ধ্যা আরতি হয়।

প্রতিদিন মায়ের নিত্যসেবায় আতব চালের ভোগ ও মাছ দিতে হয়। কার্তিকমাসে ধুমধামের সঙ্গে মায়ের পুজো হয়। কালী পুজোয় বিদ্যা ও সুন্দরের প্রেমকে পুর্ণতা প্রদানকারী এই মায়ের নাম হয় বিদ্যাসুন্দর কালী।

#কালীমা, #বর্ধমান #বিদ্যাসুন্দরকালীমন্দির #মা #সারদা #কালী #রামপ্রসাদ #ডাকাতকালী #নরবলি
#বিদ্যাসুন্দরকালী
#জয়মা

🙏🙏🌺🌺সতীপীঠ  বহুলা🌺🌺🙏🙏বর্ধমানের কেতুগ্রামের কাছে বহুলায় দেবীরবাঁ-হাত পড়েছিল বলে বিশ্বাস। দুর্গার নাম এখানে বহুলা। হিন্দ...
13/06/2026

🙏🙏🌺🌺সতীপীঠ বহুলা🌺🌺🙏🙏

বর্ধমানের কেতুগ্রামের কাছে বহুলায় দেবীরবাঁ-হাত পড়েছিল বলে বিশ্বাস। দুর্গার নাম এখানে বহুলা। হিন্দু ধর্মগ্রন্থ ‘পীঠনির্ণয়তন্ত্র’ অনুসারে, এখানে দেবী সতীর বাম বাহু (হাত) পতিত হয়েছিল।অজয় নদীর তীরে অবস্থিত বহুলা সতীপীঠ।
#কোথায়_যাবো
কাটোয়া রেলওয়ে স্টেশন থেকে এর দূরত্ব প্রায় ১৭ কিলোমিটার। কেতুগ্রাম বাসস্টপে নেমে পায়ে হেঁটে খুব সহজেই মন্দিরে পৌঁছানো যায়।
নামকরণ: এখানে সতীর হাত সতীর পতীত হয়েছিলো।সংস্কৃতে ‘বাহু’ অর্থ হাত। দেবীর নাম ‘বহুলা’। 'বহুলা' শব্দের অর্থ প্রাচুর্য, যা ভক্তদের সমৃদ্ধি প্রদান করে।
দেবী ও ভৈরব: এখানকার প্রধান দেবী বহুলা চণ্ডিকা রূপে পূজিতা হন এবং শিবের পরিচয় ভীরুক নামে। অর্থাৎ দেবীর সঙ্গী বা ভৈরব হলেন 'ভীরুক'।ভীরুকঃ। যার অর্থ যিনি ধ্যানের সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছে গিয়েছেন। অথবা, সর্বোচ্চ সিদ্ধি অর্জন করেছেন। তিনি এই মন্দিরে দেবীর সঙ্গেই রয়েছে। আবার ভক্তদের একাংশের দাবি, কাটোয়া থেকে কিছুদূরে শ্রীখণ্ড নামে এক জায়গায় রয়েছে মহাদেবের মন্দির। তিনি সেখানে ভূতনাথ নামে পরিচিত। সেই ভূতনাথই হলেন দেবী বাহুলাক্ষীর ভৈরব।
#মন্দির
এই মন্দিরটি প্রাচীর দিয়ে ঘেরা দেবীর মন্দির। যার গর্ভগৃহের সামনে রয়েছে বড় আকারের উঠোন। যার লাগোয়া বলিদানের জায়গা। যার কয়েক হাত দূরেই রয়েছে নাটমন্দির। যেখানে ভক্তদের ভোগ পরিবেশন করা হয়।

নাটমন্দিরের পিছনেও আবার বলিদানের আরেকটি হাঁড়িকাঠ আছে। মন্দিরের লাগোয়া ভোগপুকুর। দেবীর সঙ্গেই আছে গণেশের মূর্তিও। কথিত আছে, দেবীর কষ্টিপাথরের মূর্তিটি যে পুকুর থেকে পাওয়া গিয়েছিল, সেই পুকুর থেকেই উদ্ধার হয়েছিল গণেশের মূর্তিটিও। এই মন্দিরে গণেশের মূর্তিটিকে হেরম্ব গণেশরূপে পুজো করা হয়। বহুলা গ্রাম থেকে কিছু দূরে রয়েছে ঈশানী নদী। তার কাছে রয়েছে একটি প্রাচীন মন্দির। ভক্তদের একাংশের দাবি, ওই প্রাচীন মন্দিরেই আগে দেবী বাহুলাক্ষীর অধিষ্ঠান ছিল।

#পৌরাণিক_কাহিনী

এই শক্তিপীঠ পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানের কাটোয়ার কাছে কেতুগ্রামে অবস্থিত। প্রাচীনকালে কেতুগ্রামকে বহুলা বা বাহুলা নামে ডাকা হতো। রাজা চন্দ্রকেতুর নামানুসারে এই গ্রামের নাম হয় কেতুগ্রাম। এই গ্রামের অধিষ্ঠাত্রী দেবী হলেন বহুলা। পীঠনির্ণয়তন্ত্র তন্ত্র মতে এখানে দেবী সতীর বাম বাহু পতিত হয়েছিল। দেবীর নাম বহুলা আর ভৈরবের নাম ভীরুক।
ভারতচন্দ্র তাঁর অন্নদামঙ্গল কাব্যে এই পীঠ সম্বন্ধে বলেছেন—
বাহুলায় বামবাহু ফেলিলা কেশব।
বাহুলা চণ্ডীকা তাহে ভীরুক ভৈরব।।
কেশব অর্থাৎ ভগবান নারায়নের চক্রে খণ্ডিত হয়ে মা সতীর বাম বাহু এখানে পড়ে।
#উৎসব
দোলযাত্রা ও হোলি: দোলযাত্রার দিন এই শক্তিপীঠে মহাসমারোহে শক্তির আরাধনা করা হয়। এই উপলক্ষে মন্দিরে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে বিশেষ উৎসব ও মেলা চলে。
নবরাত্রি ও দুর্গাপূজা: দুর্গাপূজা ও নবরাত্রির সময় মন্দিরে বিশেষ পূজার আয়োজন করা হয় এবং ভক্তদের ভিড় উপচে পড়ে。
শিবরাত্রি: শিবরাত্রি উপলক্ষেও বহু ভক্ত সমাগম ঘটে。
উৎসবের বিশেষত্বএখানে বৈষ্ণব ও শাক্ত—এই দুই সংস্কৃতির এক সুন্দর সংমিশ্রণ দেখা যায়। অন্যান্য অনেক মন্দিরের মতো কঠোর আচার-অনুষ্ঠান নয়, বরং দেবীকে এখানে শান্তভাবে শোনার মতো একজন মা হিসেবে পূজা করা হয়。 এছাড়া এই মন্দিরের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো, এখানে মা বহুলা দেবীর সাথে অষ্টভূজ গণেশও পূজিত হন。

#দর্শন
মন্দিরটি সাধারণত প্রতিদিন সকাল ৬:০০টা থেকে রাত ১০:০০টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকে।
#যাতায়াত:
কেতুগ্রাম, কাটোয়া শহরের প্রায় ৮ কিলোমিটার দূরে。নিকটতম রেলওয়ে স্টেশন: কাটোয়া জংশন。 কাটোয়া থেকে সড়কপথে খুব সহজেই বহুলা মন্দিরে পৌঁছানো যায়।

Address

Parikrama Road, Govinda Kund, Annor
Govardhan
281502

Telephone

+919831536734

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sri Radha Gopinath Mondir posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category