Galsi Shree Ramkrishna Sevashram

Galsi Shree Ramkrishna Sevashram Society Reg. no.- S/1L/81362/2011-12
Member Ashram of Ramkrishna Vivekananda Vabprachar Parishad
(Burdwan, Purulia, Bankura Dist.), Belur Math, Howrah

16/12/2025
12/12/2025
গলসী রামকৃষ্ণ সেবাশ্রমে আটটি ভিন্ন ভিন্ন প্রজাতির জবাগাছ সৌন্দর্যায়নের জন্য লাগানো হল।
25/04/2022

গলসী রামকৃষ্ণ সেবাশ্রমে আটটি ভিন্ন ভিন্ন প্রজাতির জবাগাছ সৌন্দর্যায়নের জন্য লাগানো হল।

Birthday Celebration of Sri Ramakrishna
20/03/2022

Birthday Celebration of Sri Ramakrishna

On 22 August 2018, the members of sevashram collected donations for Kerala Relief Fund. Toal amount collected was Rs.14,...
26/08/2018

On 22 August 2018, the members of sevashram collected donations for Kerala Relief Fund. Toal amount collected was Rs.14,156.00.Today the amount was handed over to Belur Math by our Members. We sincerely thank all the people of Galsi who extended their help in this hour of need.

Responding to massive floods in Kerala, Ramakrishna Math/Mission centres in Kerala have undertaken large-scale primary r...
19/08/2018

Responding to massive floods in Kerala, Ramakrishna Math/Mission centres in Kerala have undertaken large-scale primary relief work to alleviate the suffering of people from those flood affected areas. This includes providing cooked food, clothes and essential commodities. Many sufferers whose houses have been inundated by the floods have taken shelter in our Math premises. Ramakrishna Math Chennai on behalf of the Kerala centers is accepting Online Donations to facilitate people from distant places wishing to donate to this noble cause. We seek your generous support in this regard. All donations will be duly acknowledged and are exempt from income tax.

A Brief Report:

Kalady

Incessant rains and flooding of the Purna river have wreaked havoc in the Ernakulam district. Flood waters have entered our Ashrama premises and some portions are under 3 feet of water. The situation has turned further grave owing to lack of electricity and connectivity. The local authorities have made the Ashrama’s school a local relief camp and more than 2800 local people are being provided food and shelter by us. The center is also distributing blankets, mats, sanitary items, etc. among thousands of flood-affected persons.

Tiruvalla

In response to the flooding of various parts of the Pathanamthitta district, Tiruvalla centre has distributed food materials among 100 flood-affected families and is in the process of distributing garments, bedsheets and mats among thousands of flood-affected persons.

Kozhikode

In response to the flooding of various parts of the Kozhikode district, Kozhikode center has so far distributed rice, lentils, edible oil, milk powder and biscuits among 1000 flood-affected families.

Koyilandy

In response to the flooding of various parts of Kannur district, Koyilandy center has so far distributed 1750 kg rice and 500 kg lentils among 250 flood-affected families in the Aralam gram panchayat and is in the process of distributing garments, towels, bedsheets, drinking water among flood-affected families living in the relief camps.

🙏🌺 শ্রীরামকৃষ্ণ শরণম 🌺🙏  (অর্থ) উপায় এর চেষ্টা করবে কিন্তু  সৎ উপায়ে। উপার্জন করা উদ্দেশ্য নয় ।ঈশ্বরের সেবা করাই উদ্দেশ্...
12/08/2018

🙏🌺 শ্রীরামকৃষ্ণ শরণম 🌺🙏

(অর্থ) উপায় এর চেষ্টা করবে কিন্তু সৎ উপায়ে। উপার্জন করা উদ্দেশ্য নয় ।
ঈশ্বরের সেবা করাই উদ্দেশ্য। টাকাতে যদি ঈশ্বরের সেবা হয় তো সে টাকার দোষ নয়।
যারা বিষয় --কর্ম করে--আফিসের কাজ কি ব্যাবসা --তাদের ও সত্য তে থাকা উচিৎ।
টাকায় খাওয়া--দাওয়া হয়, একটা থাকবার জায়গা হয়,ঠাকুরের সেবা হয়, সাধু-ভক্তের সেবা হয়, সামনে কোনো গরিব পড়লে তার উপকার হয়। এইসব টাকার সদ্ব্যবহার। ঐশ্বর্য ভোগের জন্য টাকা নয়।
দেহের সুখের জন্য টাকা নয়, লোকমানের জন্য ও টাকা নয়।
অর্থ যার দাস, সেই মানুষ। যারা অর্থের ব্যবহার জানে না, তারা মানুষ হয়েও মানুষ নয়। আকৃতি মানুষের কিন্তু পশুর ব্যবহার।
ঈশ্বর একমাত্র বস্তু। টাকায় কি হয় ? ভাত হয়,ডাল হয়, কাপড় হয়, থাকবার জায়গা হয়--এই পর্যন্ত। ভগবান লাভ হয় না।
তাই টাকা জীবনের উদ্দেশ্য হতে পারে না।
সাধুরা ঈশ্বরের ওপর ষোল আনা নির্ভর করবেই। তাদের সঞ্চয় করতে নেই। এটি সংসারীর পক্ষে নয়। সংসারীর সংসার প্রতিপালন করতে হয় । তাই সঞ্চয়ের দরকার। পাখি আর সাধু সঞ্চয় করে না ।কিন্তু পাখির ছানা হলে সঞ্চয় করে --ছানার
জন্য মুখে করে খাবার আনে।
যে ঠিক ভক্ত, সে চেষ্টা না করলেও ঈশ্বর তার সব জুটিয়ে দেন। তার কোনো কামনা নেই, সে টাকা চায় না, টাকা আপনি আসে ।
বিষয় বুদ্ধি ত্যাগ না করলে চৈতন্য হয় না--ভগবান লাভ‌ও হয় না। বিষয়-বুদ্ধি থাকলেই কপটতা হয়।
জয় শ্রীরামকৃষ্ণ 🙏

নরেন্দ্রনাথের প্রথম নির্বিকল্প সমাধি লাভের কিছুদিন আগে শ্রীরামকৃষ্ণদেব তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন , "তুই কি চাস?" নরেন্দ্রনাথ ...
10/08/2018

নরেন্দ্রনাথের প্রথম নির্বিকল্প সমাধি লাভের কিছুদিন আগে শ্রীরামকৃষ্ণদেব তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন , "তুই কি চাস?" নরেন্দ্রনাথ উত্তর দিলেন, "আমার ইচ্ছা হয়, শুকদেবের মতো একেবারে পাঁচ-ছয়দিন সমাধিতে লীন হয়ে থাকি, পরে একটু নীচে নেমে শুধু দেহরক্ষার জন্য খাবার গ্রহণ করে আবার সমাধিতে ডুবে যাই।" শুনে শ্রীরামকৃষ্ণ রাগান্বিত হয়ে বললেন , "লজ্জা করে না তোর একথা বলতে! তুই এতবড় আধার, তোর মুখে এই কথা! তুই শুধু নিজের মুক্তি চাস!"

শ্রীরামকৃষ্ণদেব যখন বলতেন, "নরেন্দ্র লোকশিক্ষা দিবে", তখন নরেন্দ্রনাথ প্রতিবাদ করে বলতেন, "আমি ওসব পারব না।" শ্রীরামকৃষ্ণদেব হেসে বলতেন, "তুই কি পারবি, তোর ঘাড় পারবে। মা ঘাড়ে ধরে তোকে দিয়ে করিয়ে নেবেন।"

ঠাকুরের ইচ্ছামত 'মায়ের কাজে' কতখানি মন-প্রাণ ঢেলে দিয়েছিলেন, তা তাঁর নিজের উক্তিতেই বোঝা যায়। তিনি বলেছিলেন : "আমার মুক্তির বাপ নির্বংশ হোক, মানুষের দুঃখকষ্ট নিবারণের জন্য প্রয়োজন হলে আমি লাখবার নরকে যেতে প্রস্তুত।" ঠাকুরের মুখের কথা চিরসত্য হয়েছিল।

🙏🙏🍁🍀🍁🙏🍁🍀🍁🙏🙏"বলরাম বসুর বাড়ীতে স্বামীজী একদিন তন্ময় হয়ে বেদ ব্যাখ্যা করছেন। উপস্থিত আছেন শিষ্য শরচ্চন্দ্র চক্রবর্তী এবং গ...
09/08/2018

🙏🙏🍁🍀🍁🙏🍁🍀🍁🙏🙏
"বলরাম বসুর বাড়ীতে স্বামীজী একদিন তন্ময় হয়ে বেদ ব্যাখ্যা করছেন। উপস্থিত আছেন শিষ্য শরচ্চন্দ্র চক্রবর্তী এবং গিরিশচন্দ্র ঘোষ। তাঁরা মুগ্ধচিত্তে শুনছেন স্বামীজীর যুক্তিপূর্ণ সরস ব্যাখ্যা। কিছুক্ষণ পরে গিরীশ ঘোষ বললেন : নরেন, একটা কথা বলি। বেদ-বেদান্ত তো ঢের পড়লে,কিন্তু এই যে দেশে ঘোর হাহাকার,অন্নাভাব,ব্যভিচার,, মহাপাপ-এর উপায় তোমার বেদ কিছু বলেছে? অমুকের বাড়ীর গিন্নী, এককালে যার বাড়ীতে রোজ পঞ্চাশখানা পাত পড়ত, সে আজ তিন দিন হাঁড়ি চাপায়নি; অমুক বাড়ীর ভদ্রমহিলা গুন্ডাদের আক্রমণে মারা গেছেন; অমুক বাড়ীর বিধবার সমস্ত সম্পত্তি একজন জোচ্চুরি করে নিয়ে নিয়েছে-এইসবের প্রতিকার করবার কোন উপায় তোমার বেদে আছে কি? গিরিশবাবু যখন এইভাবে একের পর এক সমাজের বিভীষিকার ছবিগুলি তুলে ধরতে লাগলেন, স্বামীজী তখন নির্বাক হয়ে গেলেন, বেদ ব্যাখ্যা বন্ধ হয়ে গেল। তাঁর চোখে জল দেখা দিল। কান্না চাপবার জন্য তিনি ঘরের বাইরে চলে গেলেন।
তখন গিরীশ ঘোষ শরচ্চন্দ্র চক্রবর্তীকে বললেন: দেখলি বাঙাল (শরচ্চন্দ্র চক্রবর্তী ছিলেন বাঙাল ছিলেন)কত বড় প্রান! তোর স্বামীজীকে কেবল বেদজ্ঞ পণ্ডিত বলে মানি না;কিন্তু ঐ জীবের দু:খে কাঁদতে কাঁদতে বেড়িয়ে গেলে,এই মহাপ্রাণতার জন্য মানি। চোখের সামনে দেখলি তো মানুষের দু:খ-কষ্টের কথাগুলি শুনে স্বামীজীর হৃদয় করুনায় পূর্ণ হয়ে উঠল,বেদ-বেদান্ত সব কোথায় উড়ে গেল।"
🙏🍁🍀🍁🙏🍁🍀🍁🙏

অমৃতকথা....................পাখী যখন তার বাচ্চাকে উড়তে শেখায়, তখন সে নিজে এক ডাল থেকে আর এক ডাল এ উড়ে যায়। আবার উড়তে উড়তে...
08/08/2018

অমৃতকথা....................

পাখী যখন তার বাচ্চাকে উড়তে শেখায়, তখন সে নিজে এক ডাল থেকে আর এক ডাল এ উড়ে যায়। আবার উড়তে উড়তে আর এক ডালে বসে। তার বাচ্চাটিও ঠিক সেইরকম টুক টুক করে শেখে। সে যদি সোজা আকাশে উড়ে যেত, তার বাচ্চাটা তাহলে কোনো দিনও উড়তে শিখত না। ঠিক এই রকম করে অবতার নিজের জীবনে সাধনা করে দেখিয়ে দেন, একটি একটি করে পা ফেলে কিভাবে লক্ষে এগিয়ে যেতে হয়। আর সেই ভাবে আমাদের দেখান বলেই তিনি অবতার। আমাদের তাঁকে প্রয়োজন। এইভাবে না করে দেখালে আমাদের জীবনে অবতার হিসাবে তাঁর কোনো সার্থকতা থাকতো না। তার কাছে থেকে আমরা কিছুই লাভ করতে পারতাম না। এই জন্যই তাদের সাধনা। শ্রী রামকৃষ্ণ এই ভাবে প্রত্যক টি সাধনা করে দেখিয়ে দেলেন যেঁ এর ভিতরে ভাবের কোনো উচ্চ নীচ, নেই। সবাই সমান তার কাছে। যে যে ভাবের সাধক সে সেই ভাবের সাধনা করে পরিপূর্ণতা লাভ করে।
শেষ কালে ঠাকুর এখানে বলেছেন, "শিব অংশে জন্মালে জ্ঞানী হয়, -- তার ব্রহ্ম সত্য, জগত মিথ্যা , এই বোধের দিকে সর্বদা মন যায়। আর বিষ্ণু অংশে জন্মালে প্রেম ভক্তি হয়।" এক ই পরমেশ্বর এক রুপে শিব, অন্য রুপে বিষ্ণু। -- এইভাবে লীলা করছেন। এক ই পরমেশ্বর, তাঁর বিভিন্ন প্রকাশ। তাঁর ভিতরে উচ্চ, নীচ কিছুই নেই। আছে কেবল চরিত্রের বৈশিষ্ট্য। আর আছে প্রকাশের তারতম্য অনুসারে নিজেদের গড়ে নেবার জন্যে দুটি ছাঁচ, ---একটি জ্ঞানের, অন্যটি ভক্তির, কিন্তু বস্তু সেই এক, --- পরমেশ্বর।

ঠাকুর জানিতেন, তাঁহার মানসপুত্র সাক্ষাৎ ব্রজের রাখাল । তিনি ‘গোপাল’ ‘গোপাল’ বলিয়া স্বহস্তে তাঁহাকে খাওয়াইতেন, আর কত ভাবে...
07/08/2018

ঠাকুর জানিতেন, তাঁহার মানসপুত্র সাক্ষাৎ ব্রজের রাখাল । তিনি ‘গোপাল’ ‘গোপাল’ বলিয়া স্বহস্তে তাঁহাকে খাওয়াইতেন, আর কত ভাবেই না আদর করিতেন । অপরের অন্যায় দেখিলে ঠাকুর শাসন করিতেন । কিন্তু রাখালের অবাধ্যতায় বিরক্ত না হইয়া বরং আনন্দ করিতেন । একদিন আহারের পর ঠাকুর বলিলেন, “ওরে রাখাল, পান সাজ না, পান নেই যে !” মানসপুত্র উত্তর দিলেন, “পান সাজতে জানি নে ।“ “সে কিরে ? পান সাজবি, তার আবার জানাজানি কি, যা, পান সেজে আন ।“ “পারব না, মশায়” – জবাব শুনিয়া ঠাকুর হাসিয়া আকুল । এরুপ সপ্রতিভ ব্যবহারে ঠাকুর বুঝিয়াছিলেন রাখাল সত্যসত্যই তাঁহাকে একান্ত আপনার বলিয়া গ্রহণ করিয়াছে – তাঁহার আচরণে কোনও কৃত্রিমতা নাই, আছে শুধু স্নেহসম্ভূত আবদার । কিন্তু এইরুপে ক্ষেত্রবিশেষে তাঁহার ব্যবহার ঠাকুরের কৌতুক উদ্দীপিত করিলেও রাখাল যে সততই শাসনের অতীত ছিলেন তাহা নহে । একদিন ঁকালীমন্দির হইতে প্রসাদী মাখন আসিয়াছে; রাখাল ক্ষুধিত ছিলেন, তাই অনুমতির অপেক্ষা না করিয়াই মাখনের ডেলাটি তুলিয়া মুখে দিলেন । ঠাকুর অমনি বিরক্ত হইয়া বলিলেন, “তুই তো ভারী লোভী ! এখানে এসে কোথায় লোভত্যাগে যত্ন করবি, তা না করে আপনি নিয়ে খেলি ?” লজ্জায় রাখালের মুখ আরক্তিম হইল । অপর একদিন একটি পয়সা দেখিয়া রাখাল কুড়াইয়া লইলেন – ইচ্ছা, কোন ভিক্ষুক বা অন্ধ-খঞ্জকে দিবেন । তিনি ঠাকুরকে সরলভাবে সব কথাই জানাইতেন; সুতরাং ইহাও নিবেদন করিলেন । ঠাকুর কিন্তু শুনিয়াই ভর্ৎসনার সুরে বলিলেন, “যে মাছ খায় না, সে মাছের বাজারেই বা যাবে কেন ? তোর যখন নিজের কোন দরকার নেই, তখন তুই কেন ঐ পয়সা ছুঁতে গেলি ?”—স্বামী ব্রহ্মানন্দ – শ্রীরামকৃষ্ণ-ভক্তমালিকা – স্বামী গম্ভীরানন্দ ।।

20/06/2018

স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবির (গলসী)

রামকৃষ্ণ সেবাশ্রমের উদ্যোগে ও আই কিউ সিটি দুর্গাপুর নারায়নী মাল্টি স্পেশালিষ্ট হাসপাতালের সহয়োগিতায় এক দিনের স্বাস্থ্য শিবির করা হল। গলসি রামকৃষ্ণ সেবাশ্রম এর আশ্রমে ওই স্বাস্থ্য শিবিরের আয়োজন করা হয়। এদিনের ওই শিবিরে ২০০ জন দুস্থ রোগিদের বিনামুল্যে স্বাস্থ্য পরিসেবা দেওয়া। আছাড় বিনামুল্য রক্ত পরীক্ষা, স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও মেডিসিন দেওয়া হয়। এলাকার বিভিন্ন গ্রাম থেকে দুস্থ মানুষ এদিনে স্বাস্থ্য পরিসেবা নিতে আশ্রমে আসেন। এদিন ওই হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগের ডাক্তাররা এসে স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করেন বলে জানা যায়। তাছাড়া গুরুতর অসুস্থ রোগিকে বিনামুল্যে হাসপাতালে নিয়ে যাবার ও হাসপাতালে বিনামুল্যে চিকিৎসা পরিসেবার ব্যবস্থা রাখা হয়। এহেন উদ্যোগে খুশি এলাকার মানুষ।

Address

Puratanchati, P. O-Galsi
Galsi
713406

Opening Hours

Monday 5am - 8:30pm
Tuesday 5am - 8:30pm
Wednesday 5am - 8:30pm
Thursday 5am - 8:30pm
Friday 5am - 8:30pm
Saturday 5am - 8:30pm
Sunday 5am - 8:30pm

Telephone

+91 9832873570

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Galsi Shree Ramkrishna Sevashram posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share