Islamic Guide Academy

Islamic Guide Academy This Page, Run By A K Azad, works on Islam, Arabic, World Order & English link of Islamica Academy Channel youtube.com/?sub_confirmation=1

45,000 Gaza Children Killed – Where Was Allah? | Atheists vs Islamhttps://www.youtube.com/watch?v=jnVyLhI9arY✅ In this s...
29/12/2025

45,000 Gaza Children Killed – Where Was Allah? | Atheists vs Islam
https://www.youtube.com/watch?v=jnVyLhI9arY

✅ In this short but powerful video, we give a clear Islamic and logical answer to the Atheists' Tricky question " 45,000 Gaza Children Killed – Where Was Allah?"

🎯 Islamic Guide Academy is a research-based Dawah channel presenting Islam through the Quran, Sahih Hadith, and Ahlus Sunnah Wal Jama'ah aqidah. We provide logical and historical insights into contemporary Islamic issues. 📖

📌 Watch & Subscribe to gain Sahih Ilm and stay on the right path.

45,000 Gaza Children Killed – Where Was Allah? | Atheists vs Islam | M***i AK Azad Qadri Thousands of innocent children have been killed in Gaza. This heartb...

27/10/2025

🚀slamica Academy-তে শুরু হচ্ছে “ফরজ আইন বিদ্যা কোর্স” — যা প্রতিটি মুসলিমের জানা আবশ্যক । এখনই সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলে:
👉 https://youtube.com/?sub_confirmation=1

🎓 নিজে জানুন, অন্যকেও জানাতে সহায়তা করুন।
📲 ইসলামী জ্ঞানে সমৃদ্ধ হতে আজই যাত্রা শুরু করুন Islamica Academy-র সাথে! 🌿

দোয়াপ্রার্থী: Md Abul Kalam Azad

26/10/2025

ইসলামের দৃষ্টিতে সিগারেট: হারাম না হালাল?
সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলঃ https://www.youtube.com/watch?v=KTEePVCvpMo
Speaker: Md Abul Kalam Azad

25/10/2025

🌙 ইসলাম সম্পর্কে যেকোনো প্রশ্ন করুন এখানে — ইনশা’আল্লাহ আমরা কুরআন ও সহিহ সুন্নাহর আলোকে উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব।
📚 আমাদের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেল:
👉 youtube.com/?sub_confirmation=1

🔔 লিংকে গিয়ে চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন এবং আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আতের দাওয়াতি কাজকে এগিয়ে নিতে আমাদেরকে উৎসাহ দিন।
আসুন, জ্ঞান ছড়িয়ে দিই — আমলকে সুন্দর করি।

কুরআন সংরক্ষনের পুরো ইতিহাস | কেন ১৪০০ বছরেও বদলায়নি কুরআন?
12/10/2025

কুরআন সংরক্ষনের পুরো ইতিহাস | কেন ১৪০০ বছরেও বদলায়নি কুরআন?

কুরআন সংরক্ষনের পুরো ইতিহাস | কেন ১৪০০ বছরেও বদলায়নি কুরআন? ১৪০০ বছরেও কুরআনের এক অক্ষর পরিবর্তিত .....

সূরা ফাতিহার অর্থ ও তাফসির | Secrets of Surah Fatihah | سورة الفاتحة
10/10/2025

সূরা ফাতিহার অর্থ ও তাফসির | Secrets of Surah Fatihah | سورة الفاتحة

সূরা ফাতিহার অর্থ ও তাফসির | Secrets of Surah Fatihah | سورة الفاتحة 📖 সূরা ফাতিহার অর্থ ও তাফসির জানুন – কুরআনের মূল ...

যুদ্ধ বিরতী নয় চা বিরতী।Mohammed Alamgir ভুলে যাওয়া উচিৎ নয়, /ই /স /রা/ ঈ/ ল কিংবা আমেরিকা ;এদের কারো উদ্দেশ্য যুদ্ধ বন্...
10/10/2025

যুদ্ধ বিরতী নয় চা বিরতী।

Mohammed Alamgir

ভুলে যাওয়া উচিৎ নয়, /ই /স /রা/ ঈ/ ল কিংবা আমেরিকা ;এদের কারো উদ্দেশ্য যুদ্ধ বন্ধ করা নয়,বরং শক্তি সঞ্চয় করা।%ই/স/রা/ঈ/ল যখন সর্বশক্তি প্রয়োগ করেও /হা/মা/স/কে শেষ করতে পারলোনা,পারলোনা তাদের হাতে থাকা জিম্মিদের মুক্ত করতে দু'বছরেও, নানা হুমকি ধমকি আর গণহত্যা।সবকিছুকে পেছনে ফেলে ফি/লি/স্তি/নী স্বাধীনতাকামী সংগঠনটি ঠিকই নিজেদের শক্তি প্রদর্শন করে চলেছে।তাদের হাতে থাকা জিম্মিদেরও তারা নিজেদের কব্জায় রাখতে সক্ষম হলো।ইসলি চাইলো বহু হম্বতম্বি করে।কাজের কাজ কিছুই হলোনা।একসময় আমেরিকানরা ভিয়েতনামে একটি ঘাসকেও যেমন উঁচু থাকতে দেয়নি তারও বেশি নির্মমতার পরও দেখা গেলো তারা কিছুই অর্জন করতে পারেনি।
একসপ্তাহের টার্গেট দু'বছর পার হয়েও লক্ষ্য ভেদ করা যায়নি।এরই মাঝে যুদ্ধ বিরতী আর অস্ত্র বিরতীর নাটক মঞ্চায়ন হয়েছে খুব।আমরা আবাল জনতা তালি বাজিয়েছি কতো।দেখা গেলো আচমকা শুরু বিমান হামলা,ক্ষেপণাস্ত্র হামলা।যুদ্ধ বিরতী ভাঙ্গতে চব্বিশ ঘন্টাও সময় নেয়নি ইসলিরা এমন নজির বহু।কিন্তু -হা/মা/স/ দেখিয়ে দিলো তারা অদম্য।তারা নিঃশেষ হতে আসেনি।তাদের নিঃশেষ করার সকল হাতিয়ার আর আয়োজনকে পরাজিত করে এক সপ্তায় নিঃশেষ করতে আসা হায়েনাদের তারা প্রতি নিয়ত মৃত্যর নীল ছোবলে করুন পরিণতির মুখোমুখি করেছে।ইসলি সেনারা এখন শারীরিকভাবে ক্লান্ত।তাদের এখন বিশ্রাম চাই।তারা মানসিক বিকারগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। *গা/জা, তাদের কাছে এখন আতঙ্কের নাম।তারা নাম শুনলেই আৎকে উঠে।চোখে-মুখে তাদের চরম ভীতি আর হতাশা।তারা এই *গা/জা/ নাম শুনলেই চোখের সামনে মৃত্যুর বিষাক্ত ছোবল অনুভব করে কন্ঠের নীচে।

/নে/তা/নি/য়া/হু/ বহু কসরত করে দেখেছে,সে লজ্জিত,অপমাণিত, স্তম্বিত।সে আধুনিক সব মারণাস্ত্র আর সরঞ্জাম একাট্টা করে ঝাপিয়ে পড়েছে বার বার।প্রতিবারই শূণ্য হাতে বিফল মনোরথে ফিরতে হয়েছে তাকে।সে বার বার অঙ্গীকার করেছে ২৪ঘন্টায় জিম্মিদের মুক্ত করে নিয়ে আসার।প্রতিবারই সে অপদস্থ হয়ে ফিরে এসেছে।/হা/মা/স/ যোদ্ধারা তার আধুনিক নিখুঁত নিশানায় হাতের তালুতে থাকা সরিষা দানার মতো।তারপরও কোথায় যেনো সব কিছু তালগোল পাকিয়ে যায়। ইসলি হায়েনা বেপরোয়া হয়ে নারী-শিশু,আবাল,বৃদ্ধ সব কিছুর উপর প্রবল আক্রোশে ঝাপিয়ে পড়েছে।কতো চাতুরী আর গোয়বলসীয় প্রোপাগান্ডা করে দেখলো।/গা/জা/বা/সী/ আর ফি/লি/স/তি/নী/ জনগনকে যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে ক্ষোপাতে হাজারো উসকানী আর মিথ্যা অপপ্রচার!সবই হয়েছে বুমেরাং। দেশে বিদেশে /নি/য়া/হু/ এখন চরম ঘৃণা যোগ্য এক বন্য পশুর নাম।দেশের ভেতর তার গ্রহণযোগ্যতা আর কোথাও নেই।সে দেখছে তার গদীর খুটি উঁই পোকা খেয়ে সাবাড় করেছে আগেই।তবুও সে অনড়।সে এর শেষ দেখে ছাড়তে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।নতুন কৌশলে সে ঝাপিয়ে পড়ে।মিলেনা কিছুই।মান ইজ্জত সব গেলো বলে সে ফিরতে পারেনা ঘরে।কোন মুখে ফিরবে?পশ্চিমা মদদ দাতারাও অনেকে এখন তার দিকে ভ্রুক্ষোপ করতে অপারগ।তবুও সে জেদ চেপে গণহত্যা চালিয়ে যায়।এরই মাঝে সেনারাও চাইছে ঘরে ফিরতে,ওদিকে লক্ষ্য এখনো ধরা ছোঁয়ার বাইরে।

তার সকল অপকর্মের দোসর মার্কিনীরা তার করুণ অবস্থা দেখে হতাশ।তাই আবারো গায়ে পড়ে ট্রা/ম/প/ মিয়া তার প্রিয় /নে/তা/ নি/য়া/ হু/ কিছুক্ষণ স্বস্থির শ্বাস নিতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলো।আবারও যুদ্ধ বিরতী।তবে কতোক্ষণ বা কয়দিন?
কেউ কেউ বেজায় খুশি এতে।কিন্তু খুশি কোন কাজের?হয়তো কিছুক্ষণ, কিছু সময়,বা কয়েকটা দিন।এরপর?আবার শুরু হবে গণহত্যা।চতুর্দিকে বারুদের গন্ধ ত্রানের লাইনে দাড়িয়ে থাকা ক্ষূধার্ত নিরীহ /ফি/লি/স/তি/নী/ শিশুদের উপর আছড়ে পড়বে ইসলির হাজার হাজার টনের /বো/মা/ আর /ক্ষে/প/না/স্ত্র! দলে দলে মৃত্যুর মিছিলে যুক্ত হবে কয়েক মাসের শিশু,সদ্য বিবাহিতা স্ত্রী,সদ্য বাসর করা স্মামী।অসুস্থ মা,কিংবা বাবা।ঘুমন্ত মায়ের উপর আছড়ে পড়ছে ইসলির বিমান থেকে ছোড়া বোমা।ক্ষুধার জ্বালায় ক্রন্দনরত শিশুটিকে মায়ের বুকেই ঘাতকের বু/লে/ট /ঝাঝরা করে দেবে।সন্তানের জন্য কিছু উচ্ছিষ্ট খুজতে যাওয়া পিতা কিংবা মাতার নিথর দেহ পড়ে থাকবে রাস্তায় ডাস্টবিনের কাছে।ওদিকে অবুঝ শিশুটি তখনও চেয়ে তার মা,তার বাবা এই বুঝি এলো তার জন্য কিছু নিয়ে।কোলের শিশুটি তখন একটু আধটু হাত-পা ছুড়ে জানান দিচ্ছে সে ক্ষুধার যন্ত্রণা নিয়ে এখন প্রাণে বেচে আছে।কিন্তু তার পিতা কিংবা মাথা হায়েনার গুলি আর বোমার আঘাতে তখন অদূরেই ছিন্ন ভিন্ন লাশ হয়ে পড়ে আছে।
তাই এটা হলো নতুন উদ্যমে সাড়াশি আক্রমণের গতিকে বেগবান করতে চা বিরতীর ফাঁক।এখানে উৎপেতে চেয়ে আছে আরো ভয়ানক মৃত্যু।এ/ম /সি/ক্স/টি/ন/ নতুন করে তৈরী হচ্ছে।অপেক্ষা শুধু সিগনালের।তারপর...!
নিপীড়িত /ফি/লি/স/তি/নী/ র বুক ঝাঝরা হবে।মৃত্যুর লম্বা মিছিল দেখবে বিশ্ব।এটা হেয়ালী নয়।বাস্তব অভিজ্ঞতা।

মাসলাকে আ'লা হযরত কেনো?Mohammed Alamgir আমার লিখিত বইটির একটি অধ্যায় হলো আমরা মাসলাকে আ'লা হযরত বলি কেনো?যারা বিরোধীতা ক...
07/10/2025

মাসলাকে আ'লা হযরত কেনো?

Mohammed Alamgir

আমার লিখিত বইটির একটি অধ্যায় হলো আমরা মাসলাকে আ'লা হযরত বলি কেনো?যারা বিরোধীতা করছে তাদের ভুলটা কোথায় তার উপর।সেখান থেকে সামান্য কিছু শেয়ার করছি।
এখানে মাসলাক শব্দটির অর্থসহ আরো কিছু আলোচনা এড়িয়ে মূল কনসেপ্টটাই উল্লেখ করছি।

মাসলাকে আ'লা হযরত হলো আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা'আতেরই আরেক নাম।আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা'আতের পূর্ববর্তী সকল আকাবির উলামাগণের জামে মাসলাকের নাম।এটা নতুন কোনো মাসলাক নয় বা মতবাদ নয়।এখন কারো মনে যদি এই প্রশ্ন জাগ্রত হয় যে,যদি এটা পূর্ববতী আকাবিরগণের মাসলাক হয়,আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা'আত নাম নাহয়ে তাহলে নাম কেনো মাসলাকে আ'লা হযরত?
এর জবাব হলো: বর্তমানে বাংলাদেশসহ পুরো পৃথিবীতে সকলেই নিজেদেরকে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা'আত বলে দাবী করছে।আহলে হাদীস সালাফীরা দাবী করছে তারা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা'আত।কওমী-দেওবন্দীরাও নিজেদেরকে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা'আত বলে দাবী করছে।আরবে প্রতিষ্টিত ন> জ> দী ও >য়া> হা>বী মতবাদের অনুসারীরাও নিজেদেরকে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা'আত বলে। এমনকি রাফিযী,শিয়ারাও বলছে তারা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা'আত। জা< >মা আ তে > ইসলাম নামক >সনত্রা সংগঠন পর্যন্ত নিজেদেরকে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা'আত এর অনুসারী বলে দাবী করছে।মোট কথা এমন কেউ বাকী নেই,সকল বাতিল ফিরকার লোকেরাই বলছে তারা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা'আত।

এখন বলুন! আমরা আপনারা কোন্ আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা'আত?
মূলতঃ এখানেই মাসলাকে আ'লা হযরতের পরিচয় দেয়ার কারণটি নিহিত।সকলেই যখন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা'আতের অনুসারী তাহলে কোনটা সত্যিকারের আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা'আত সেটাকে চিহ্নিত করার জন্যই মাসলাকে আ'লা হযরতের নামে পরিচয় দেয়ার প্রয়োজন পড়ছে।কারণ আপনি যখনই আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা'আত বলে পরিচয় দেবেন,তখন বাতিলপন্থীও আপনাকে বলবে সে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা'আত।যখন আপনি বলবেন আমি মাসলাকে আ'লা হযরতের অনুসারী আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা'আত;তখন সে আপনার থেকে বহু দূরে অবস্থান করবে।কারণ সে জানে এখানে সুবিধে করা যাবেনা।
যারা মাসলাকে আ'লা হযরতের অনুসারী নয় বলে নিজেদেরকে দাবী করে,তারা মুখে অস্বীকার করলেও বাস্তবে অবশ্যই মাসলাকে আ'লা হযরতের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই।কারণ সবাই আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা'আত।তাহলে আপনি কোন ঘরাণার আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা'আত?দেওবন্দী-কওমী ঘরাণার?নাকি আহলে হাদীস?নাকি শিয়া-রাফিযী?নাকি >জা> >মা আ >তে ই >স >লা> ম? নাকি ওয়াহাবী?
আপনি কি আল্লাহকে মিথ্যাবাদী হওয়ার আকীদা রাখেন?
আপনি কি মিলাদকে ময়লার সাথে তুলনা করেন?হিন্দুদের কানাইয়ার জন্ম দিনের থেকে নিকৃষ্ট বলে আকীদা রাখেন?তাসাউফকে নোংরা মানসিকতার প্রকাMuhammadশ মনে করেন?আপনি কি নবীগণ মরে মাটি হওয়ার আকীদা রাখেন?আপনি কি এটাও আকীদা রাখেন যে,জিব্রাঈল ওয়াহী নিয়ে এসে আলী রাঃ-কে নাদিয়ে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দিয়েছেন বলে আকীদা রাখেন?
এটাও কি আপনার আকীদা যে,নামাযে নবীর খেয়াল গাধা গরুর খেয়াল থেকে খারাপ?
আপনি কি এই আকীদা রাখেন যে,সকল সাহাবা আদিল নয়?আপনি কি এই আকীদায় বিশ্বাসী যে,নবীরও অনেক ভুল-ত্রুটি হয়েছে যা গোনাহ্ কিংবা মন্দ?নবী আমার আপনার মতো বলে কি আপনার আকীদা?
যদি উপরের কোনোটাই আপনার আকীদা নাহয়ে থাকলে আপনি কিভাবে বুঝলেন যে,আপনি মাসলাকে আ'লা হযরত নন?

#সংক্ষেপিত

হাযির-নাযির আকীদা সম্পর্কে কিছু কথা:Mohammed Alamgir আমি আমার লিখিত البرهان في ردالبهتان والعدوان বইটির একটি অধ্যায় হাযি...
30/09/2025

হাযির-নাযির আকীদা সম্পর্কে কিছু কথা:

Mohammed Alamgir

আমি আমার লিখিত البرهان في ردالبهتان والعدوان বইটির একটি অধ্যায় হাযির-নাযির বিষয়ক আকীদা বিষয়ে হাযির-নাযির বলতে কী বুঝায় এবং এর মূল বিষয়টা কিরুপ সেটা নিয়ে আমার সাধ্যমতো যতটুকু জোনেছি, ততটুকুটর মধ্য থেকে বিষয়টাকে আমি উপস্থাপন করেছি।সেখান থেকে আপনাদের সামনে ও গুরুত্বপূর্ণ অংশটি শেয়ার করছি।

হাযির-নাযির এর আকীদা সম্পর্কে কিছু কথা:

আমরা হাযির-নাযির এর আকীদা রাখি এর এঅর্থ নয় যে,রাসুলুল্লাহ্ﷺ সব সময় সব জায়গায় হাকিকী শরীর সহকারে উপস্থিত থাকেন।এটাও নয় যে,তিনিﷺ উপস্থিত হনই।তাকে উপস্থিত হতেই হবে এমনও নয়।হ্যা!আল্লাহ্ পাক হুযুরﷺ-কে এই ক্ষমতা দিয়েছেন যে,তিনি ইচ্ছে করলে কোথাও হাযির হন,অথবা চাইলে উপস্থিত হওয়া ব্যতিরেখেই যথাস্থান থেকে নাযির হন।উসূলের কায়দা হলো আমাদের দৃষ্টি সীমার আওতায় যতদূর রয়েছে,দূরত্বটা যতদূরই হোক সে পর্যন্ত যদি আমরা কোথায় কে আছে বা কি আছে তা দেখি,চিনি এবং বুঝতে পারি; কারো আহবান শুনে তাকে দেখি এবং চিনি।মোট যতদূর আমরা দেখে পারিপার্শ্বিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে পারি, তাহলে যদিওবা শারীরিকভাবে আমরা সেখান থেকে দূরে থাকিনা কেনো,হুকমান আমাদেরকে সেখান পর্যন্ত হাযির বলেই গণ্য করা হবে।রাসুল কারীমﷺ যেহেতু সমস্ত কায়িনাতের নাযির,তাই তিনি হুকমান হাযিরও।হাকিকী শরীর সহকারে তিনি রাওদ্বা পাকেই আছেন।কিন্তু তিনি জগতের সবখানে হাযিরও আছেন।তিনি জিসমে মিসালী সহকারে একই সময়ে একাধিক জায়গায় হাযির হতে পারেন।আবার যদি মর্জি হয় কোথাও জিসমে হাকীকি সহকারেও হাযির হতে পারেন।আর এটা আমাদের আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের আকাবির উলামা ইমামগণের কিতাবের মাধ্যমেই আমাদের কাছে পৌছেছে।যেমন ইমাম জালাল উদ্দীন সূয়ূতী রাহঃ ওনার কিতাব ‘তানভীরুল হালাক’, ‘ইম্বাহুল আযকিয়া’, ‘আল-খবরুদ্দা-ল’ ইত্যাদী কিতাবে উল্লেখ করেছেন। হাযির-নাযির, ইলমে গায়বও হায়াতুন্নবী এই তিনটি একটি অপরটির সাথে সম্পর্কযুক্ত।সুতরাং হুযুরﷺ রাওদ্বা পাক থেকে আমাদের সকলের উপর হাযির-নাযির। তেমনি চাইলে যে কোনো সময়, যে কোনো জায়গায় হাযিরও হতে পারেন।সেটা তাঁরই মর্জি।আমরা হাযির-নাযির এর আকীদা রাখি এর অর্থ এটা মোটেও নয় যে,তিনি সকল জায়গায় সব সময় অবশ্যই হাযির হন।বরং এর এটাই উদ্দেশ্য যে,মর্জি হলে তিনি কোথাও উপস্থিত অবশ্যই হতে পারেন।এই ক্ষমতা ওনাকে ওনার রব্বে যুলজালাল দিয়েছেন।অথবা তিনি আপন কবরে আনওয়ারে থেকেই পুরো কায়িনাতের নাযির হয়ে হুকমান হাযিরও থাকেন।মূলতঃ হাযির-নাযির কি সেটা নাজানার কারণেও কোনো কোনো লোক এটাকে অস্বীকার করে বসে।আবার কেউ শুধু এই কারণেই অস্বীকার করে বসে,যেহেতু শানে রিসালাতের ঝলওয়া তাদের দিল গ্রহণ করতে পারেনা।বর্তমানে কারো কারো উপর এই বিপদ বুযর্গানে দ্বীনের প্রতি দুষমণি রাখার কারণে নেমে এসেছে।
আমার সামনের আলোচনা থেকে এই কথারও খন্ডন হয়ে যাবে,যেমনটি বলা হয়েছে যে,হাযির-নাযিরকে আকীদা ফাযিলে বেরলভীই বানিয়েছেন।মূলতঃ এটাকে ওনার আগেই আমাদের আকাবির উলামাগণ আকীদা বানিয়েছেন।ইমাম সুলতান মোল্লা আলী কারী হানাফী রাহঃ (১০১৪হিজরী) মিরকাতে হাযির-নাযির এর আকীদা প্রকাশ করেছেন।আল্লামা শায়খ আব্দুল হক মুহাদ্দিস দেহলভী রাহঃ (১০৫২হিজরী),ইমাম ইউসুফ নাবহানী রাহঃ (১৩৫০হিজরী) ইমাম বুরহান উদ্দীন হালাভী রাহঃ (১০৪৪হিজরী),ইমাম জালাল উদ্দীন আব্দুর রহমান সূয়ূতী রাহঃ (৯১১হিজরী)ইমাম সালিহ শামী রাহঃ সহ আরো অনেক ইমাম এই আকীদা প্রকাশ করেছেন।ইমাম বাইহাকী রাহঃ হায়াতুল আম্বিয়া রচনা করে এটাকে প্রতিষ্টিত করেছেন।কারণ যিনি জিবীত তিনি সবকিছু দেখেন,শুনেন,জানেন,সাহায্য করেন।
কুরআন কারীমে লফয شاهد দ্বারা হাযির-নাযির এর অর্থ দিয়েছে।কারণ شاهد শব্দটি প্রত্যক্ষদর্শনের অর্থে এসেছে।এর জন্য হাকীকাতান জিসমানী উপস্থিতি আমাদের বেলায় প্রয়োজন থাকলেও নবীগণ বিশেষ করে হুযুর মোস্তাফাﷺ’র বেলায় এর কোনো প্রয়োজন নেই।কুরআনে উম্মতের বেলায়ও شاهد শব্দ এলেও এর দ্বারা উম্মতের জন্য এটা অপরিহার্য নয় যে,তাকে হাযির থাকতে হবে।নবীর দেখাটাই উম্মতের شاهد হওয়ার জন্য যথেষ্ট।এর প্রমাণ কুরআনের আয়াত এবং হাদীস সমূহ, যা আমি সামনে উল্লেখ করবো।সহীহ্ বুখারীর ঐহাদীস যাতে সাহাবীয়ে রাসুল উটক্রয়কালীন অনুপস্থিত থাকা স্বত্বেও সাক্ষী দিয়েছেন হুযুরের পক্ষে।এবিষয়ে সবচেয়ে হৃদয়ের প্রশান্তির একটি হাদীস আমি সুনানু ইবনু মাজাহ্ থেকে উপস্থাপন করবো হাদীসের দলিলে।তাছাড়া কিয়ামতের দিন আল্লাহ্ যখন প্রত্যেক নবীগণকেও নবীগণের জন্য প্রত্যেক উম্মত থেকে সাক্ষ্য নেবেন,তখন অন্যান্য নবীগণের উম্মত যারা নাফরমান কাফির ছিলো,তারা যখন নবীগণের হুকুমে ইলাহী পৌছানোকে অস্বীকার করবে,এবং নবীগণের সত্যতা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে তখন সকলের সাক্ষী হিসেবে আমাদের প্রিয় রাসুলকে আল্লাহ্ পাক সকল নবীগণের পক্ষে সাক্ষী হিসেবে দাড় করাবেন।আর এসব ক্ষেত্রে শোনা সাক্ষী কাবেলে কবুল নয়,বরং প্রত্যক্ষ সাক্ষীর সাক্ষীই গ্রহণযোগ্য।প্রত্যক্ষদর্শী না হওয়াকে সাক্ষী বানানো এমন জঠিল মুহুর্তে কিভাবে সঠিক হতে পারে?উম্মতের شاهد বা شهيد হওয়ার বিষয়কে সামনে এনে যারা নবী কারীমﷺ এর হাযির-নাযির হওয়াকে অস্বীকার করতে চায়, তারা জেনে নিক যে,ঐজঠিল মূহুর্তে কোনো বদবখতকে সাক্ষী হিসেবে ডাকা হবেনা।বরং সেখানে উম্মতের ঐসব আফরাদকে ডাকা হবে,যারা আল্লহর দরবারে সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত।যেমন সিদ্দীকে আকবার,ফারুকে আযম,জুন্নুরাইন,শেরে খোদা মুরতাদা,হুযুর গাউসুস সাকলাইন,গরীবে নিওয়ায,মাহবুবে ইলাহী,আ'লা হযরত, দাতা গঞ্জে বখশ হাজভিরী,মেহের আলী শাহ্ গোলড়ী,ইমাম বুখারী,ইমাম মুসলিম,ইমাম তিরমিযী,ইমাম নাসায়ী,ইমাম আবু দাউদ,ইমাম ইবনু মাজাহ্,দাতা ফরিদ,বখতিয়ার কাকীসহ এক্যাটাগরীর আল্লাহ্ ও রাসুলের প্রেমিকগণকে।আলাইহিমুর রিদওয়ান।
এছাড়াও উম্মতের মধ্যে সাহাবায়েে কিরাম,তাবিঈন,তাব-তাবিঈনও আউলিয়ায়ি কামিলীন আলাইহিমর রিদ্বওয়ানগণের মধ্যেও আল্লাহ্ পাক মাহবুবে পাকের সদকায় হাযির-নাযির গুনের সমাবেশ ঘটিয়েছেন,তাই সাক্ষী হিসেবে ওনারা পরিপূর্ণ ও উপযুক্ত।
এখন কেউ যদি ধোকা দিতে গিয়ে বলে যে,شاهد শব্দটি রব্বে যুলজালালের শানেও রয়েছে তাহলে এর অর্থ কি হবে?এর জবাব হলো: বান্দার বেলায় যে অর্থ দেবে,আল্লাহর বেলায় সরাসরি সে অর্থে প্রয়োগ করা যাবেনা।কেউ যদি হাযির-নাযিরকে আমরা যে অর্থে মাখলুকের বেলায় আকীদা রাখি ঐ অর্থে আল্লাহর শানে প্রয়োগ করে,সে কাফির হয়ে যাবে।যেমন ‘মকর’ শব্দ আল্লাহর শানে কুরআনে এসেছে,আবার মাখলুকের জন্যও।কিন্তু এর সে অর্থ কখনও করা যাবেনা,যে অর্থ কাফির বা মুনাফিকের ক্ষেত্রে হবে।হাযির-নাযিরের ক্ষেত্রে অনুপস্থিতির সম্ভাবনা যেমন আছে, তেমনি শারীরিক উপস্থিতিও।আর আল্লাহ্ পাক এসব থেকে পবিত্র।এজন্য আল্লাহর সিফাতী নাম সমূহে হাযির-নাযির কোনো নাম নেই।আল্লাহ্কে কেউ যদি এই অর্থে হাযির-নাযির বলে ডাকে যে,তিনি দেখেন,শুনেনও জানেন।তাহলে সেটা জায়িয হবে।কারণ এর অর্থ তখন এটাই হবে যে,আল্লাহ্ তাঁর ইলিমের দ্বারা এবং তাঁর দর্শন দ্বারা জগতের সকল কিছুকে পরিবেষ্টন করে আছেন।তাঁর জন্য উপস্থিত আর অনুপস্থিতির কোনো কিছু নেই।উপস্থিত আর অনুপস্থিতির বিষয়টি মাখলুকের জন্য প্রযোজ্য।
আমরা হাযির-নাযির এর আকীদা যারা অস্বীকার করে তাদেরকে কাফির কিংবা গোমরাহ্ বলিনা।এর কারণ হলো এটা ফুরু'ঈ আকীদা। আবার এটা কত'ঈও নয়।তবে এটাকে কেউ অস্বীকার করলে সে অবশ্যই ভুলের মধ্যে রয়েছে।কিন্তু তারা এই আকীদা পোষণকারীদেরকে কাফির কিংবা মুশরীক ফাতাওয়া দেয়ার অধিকার রাখেনা।এটা এমন এক সীমালঙ্ঘন যা এই কুফর,কিংবা শিরকের ফাতাওয়া দাতাকে শিরকে পৌছাতে পারে।কারণ শিরক বলতে বান্দার জন্য উলূহিয়াত সাব্যস্ত করাকে বোঝায়।অথবা বান্দার জন্য এমন গুন সাব্যস্ত করা যা বান্দা নিজে অর্জন করতে পারেনা।কিন্তু হাযির-নাযির আকীদা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা'আতেরই আকীদা,যদিও বুনিয়াদী নয়।এখন শিরক যারা বলছে,তারা হয়তো সৃষ্টিকে খালিকের জায়গায় ধারণা করছে!নতুবা শিরকের সম্ভাবনা কোথা থেকে এলো?আল্লাহ্ পাক তাঁর বান্দাদের এমন অনেক গুনের অধিকারী বানিয়েছেন,যা আল্লাহর গুন।যেমন আল্লাহ্ রহীমও রউফও।আবার তিনিই তাঁর প্রিয় মাহবুবের নাম সূরা তাওবার শেষ দু'আয়াতের একটিতে ‘রউফুর রহীম’ রেখেছেন।
এভাবে আযীয,রহমান,সামি'ঈ,বাসীর, গফুর, সাত্তারসহ বহু গুন তার সৃষ্ট মাখলুককে দান করেছেন।এমনকি ইবলিস যে,রবের দরবার থেকে বিতাড়িত হয়েছে,তাকে মানুষের শিরায় শিরায় চলার ক্ষমতা দিয়েছেন।মালাকুল মাউতকে একই সময় সমস্ত পৃথিবীর যেখানে ইচ্ছা হাযির হওয়ার ক্ষমতা দিয়েছেন। মালাকুল মাউত একই সময়ে লক্ষ লক্ষ জায়গায় হাযির হন।এরপরও কেউ এগুলোকে শিরক বলেনা।কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে মাহবুবে কিবরিয়া শাফিয়ে মাহশার মুহাম্মদ মোস্তাফাﷺ এর বেলায় যখনই কোনো শান সম্পৃক্ত করা হয়,তখনই এরা শিরকের ফাতাওয়া নাহয় কুফরের ফাতাওয়া আরোপ করে বসে।এর থেকে সহজে বোঝা যায় এদের অন্তরে ইবলিসের কিছু হিস্যা রয়েছে,যা তাদেরকে সবসময় বিদ্বেষপোষণ করতে অনুপ্রাণিত করে। অথচ আল্লাহর অনেক গুনের অধিকারী বান্দাগণকে করা হয়েছে।এখন শিরক ফাতাওয়া দাতারা কোন জায়গায় দাড়িয়ে আছে তারা নিজেরাই ফায়সালা করুক।

Address

Babla, Malda
Malda Airport Area
732207

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamic Guide Academy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Islamic Guide Academy:

Share