Sanatan Dharma Kotha

Sanatan Dharma Kotha ধর্মই- একমাএ সাধনা-সমাধী-মোক্ষ এর মূল ভূমি। online satsong

মহাবতার বাবাজীযাঁকে কোনো ক্যামেরা কোনোদিন বন্দী করতে পারেনি, যাঁর প্রকৃত নাম, বয়স বা জন্মস্থান আজও পৃথিবীর বুকে সবচেয়ে ব...
25/05/2026

মহাবতার বাবাজী
যাঁকে কোনো ক্যামেরা কোনোদিন বন্দী করতে পারেনি, যাঁর প্রকৃত নাম, বয়স বা জন্মস্থান আজও পৃথিবীর বুকে সবচেয়ে বড় রহস্য।
অথচ, লাহিরী মহাশয় থেকে শুরু করে পরমহংস যোগানন্দ পর্যন্ত বিশ্বের তাবড় তাবড় আধ্যাত্মিক গুরুরা যাঁর অস্তিত্বের কথা নির্দ্বিধায় স্বীকার করেছেন!
তিনি আর কেউ নন—হিমালয়ের গুহায় বসবাসকারী অমর অবতার 'মহাবতার বাবাজী'।
বলা হয়, তিনি আজও সশরীরে এই পৃথিবীতে সাধারণ মানুষের আড়ালে ঘুরে বেড়ান।
আসুন জেনে নেওয়া যাক এই মহাবতারের জীবনের অবিশ্বাস্য এবং অলৌকিক রহস্য:
১. মৃত্যুর ঊর্ধ্বে এক অমর শরীর
মহাবতার বাবাজীর কোনো বৃদ্ধাবস্থা নেই। ১৮৬১ সাল থেকে শুরু করে বিভিন্ন সময়ে যে কয়েকজন উচ্চস্তরের যোগী তাঁর দর্শন পেয়েছেন, প্রত্যেকের বর্ণনা অনুযায়ী—তাঁকে দেখতে সবসময় ২৫ থেকে ৩০ বছরের এক যুবকের মতো মনে হয়। তাঁর শরীর থেকে এক অলৌকিক সোনার আলো নির্গত হয়। বিজ্ঞান যেখানে মানুষের বয়স ধরে রাখার উপায় খুঁজছে, সেখানে শত শত বছর ধরে তিনি একই রকম তরুণ শরীরে বিদ্যমান।
২. 'ক্রিয়া যোগ'-এর পুনর্জাগরণ
আজ বিশ্বজুড়ে যে 'ক্রিয়া যোগ' (Kriya Yoga) বা প্রাণায়ামের মাধ্যমে মানুষ মানসিক শান্তি ও আধ্যাত্মিক উন্নতি খুঁজছে, তা বহু বছর আগে পৃথিবী থেকে হারিয়ে গিয়েছিল। ১৮৬১ সালে হিমালয়ের দ্রোণাগিরি পাহাড়ে লৌকিক উপায়ে আবির্ভূত হয়ে বাবাজী তাঁর প্রিয় শিষ্য লাহিরী মহাশয়কে এই গোপন যোগবিদ্যার দীক্ষা দেন এবং তা আবার সাধারণ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন।
৩. ইচ্ছা মাত্র রূপ পরিবর্তন ও অদৃশ্য হওয়া
যাঁরা বাবাজীর দর্শন পেয়েছেন, তাঁদের বিবরণ অনুযায়ী—বাবাজী কোনো সাধারণ মানুষের মতো জীবনযাপন করেন না। তিনি পলকের মধ্যে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাতায়াত করতে পারেন (Teleportation)। তিনি চাইলে নিজের শরীরকে আলোতে রূপান্তরিত করে অদৃশ্য হয়ে যেতে পারেন। তাঁর কোনো নির্দিষ্ট আশ্রম বা থাকার জায়গা নেই, তিনি কেবল গুহা থেকে গুহায় বিচরণ করেন।
শুধু প্রাচীন ভারতের যোগীরাই নন, আধুনিক বিশ্বের বড় বড় ব্যক্তিত্বরাও বাবাজীর শক্তির ভক্ত। অ্যাপল (Apple)-এর প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস যখন ভারতে এসেছিলেন, তখন তিনি মহাবতার বাবাজীর দর্শনের ছোঁয়া পান। মৃত্যুর আগে পর্যন্ত তাঁর আইপ্যাডে (iPad) একমাত্র যে বইটি ডাউনলোড করা ছিল, সেটি হলো যোগানন্দের সেই বই—যেখানে বাবাজীর বিবরণ আছে। এমনকি দক্ষিণী সুপারস্টার রজনীকান্ত বাবাজীকে তাঁর আধ্যাত্মিক গুরু মানেন এবং তাঁর ওপর একটি পুরো সিনেমা ('Baba') তৈরি করেছিলেন।
রেফারেন্স: স্টিভ জবসের জীবনী (Walter Isaacson রচিত) এবং রজনীকান্তের বিভিন্ন সাক্ষাৎকার।
আপনার কী মনে হয়?
হিমালয়ের গোপন কন্দরে কি আসলেই এমন কোনো অলৌকিক শক্তি আজও বাস করছে, যা আমাদের চেনা বিজ্ঞানের সমস্ত নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখায়?
হিমালয়ের অলৌকিক যোগী এবং প্রাচীন ভারতের এমন গা শিউরে ওঠা অজানা রহস্য
আপনি কি মহাবতার বাবাজীর অস্তিত্বে বিশ্বাস করেন?

25/05/2026

রিপোর্ট অনুযায়ী বর্তমানে অনুকূলের ঠাকুরের প্রায় 3 কোটি দীক্ষিত আছে। 3 কোটি লোকের কাছ থেকে প্রতিদিন ইস্টভীতি কম করে 1 টাকা করে তোলে। মানে এক দিনে অনুকূল পরিবারের আয় 3 কোটি, এক মাসে 90 কোটি।

এখন এই টাকার 1% তারা লোক দেখানি কিছু মানুষকে আশ্রমে ভোজন দেয়, এটা commercial advertising policy, আর 5% তারা Agent দের মধ্যে খরচ করে এরাই ডাইরেক্ট মানুষের বাড়ি বাড়ি চলে এসে বলে দীক্ষা নাও দীক্ষা নাও, সেই সেল্সম্যান দের মতো পেছনে লেগেই থাকে রাজি করিয়ে দীক্ষা দেবেই এরকম, এদের Target দেওয়া থাকে বছরে এতগুলো দীক্ষা দিতেই হবে এবং এরা প্রতি মাসে মাসে ইস্টভীতি টাকা তুলতে মানুষের বাড়িতে বাড়িতে যায় আবার লেট হলে ফাইন অবধি নেয় । যারা টাকা দিতে পারবে না রোজ এক মুঠো করে চাল মানে মাসে ত্রিশ মুঠো চাল নেবে। বুঝুন তাহলে কি অবস্থা!
এটা ঠাকুর ?? এতো পুরো বিসনেস, শুধু টাকা বোঝে ।

ধর্মের নামে একটা পরিবার ব্যাবসা ফেঁদে বসেছে আর কিছু বোকা মানুষ এই ফাঁদে পড়ে ভাবছে তারা খুব ধর্ম কম্ম করছে, প্রতি দিন এক টাকা করে ইস্টভীতি দিয়ে যাচ্ছে, fool people. সত্যিটা বোঝার ক্ষমতাটুকুও নেই। আপনাদের টাকায় অনুকূল পরিবার Grand Lavish Lifestyle Lead করছে শুধু আপনাদের কোনো পুন্যি টুন্যি হচ্ছে না।

কিছু প্রশ্ন যেগুলো জানলে আপনার বুঝতে সুবিধা হবে।

১. অনুকূল চক্রবর্তী কেন বাংলাদেশ পাবনা থেকে ভারতে দেওঘরে পালিয়ে এসেছিলেন?
তিনি যদি পরমপিতাই হন, তাহলে ১৯৪৬ সালের অক্টোবর মাসে, বাংলাদেশের জাতিদাঙ্গায় মুসলমান বাহিনী কর্তৃক হিন্দু হত্যার পর, পূর্ববঙ্গের হিন্দুদের রক্ষার্থে কোনো স্টেপ না নিয়ে, নভেম্বর মাসে তিনি তার জন্মস্থান পাবনার আশ্রম এবং অনুরাগীদের ছেড়ে, লুকিয়ে ঝাড়খণ্ডের দেওঘরে পালিয়ে এসেছিলেন কেনো ? কারন ওখানে ব্যবসা জমেনি।

২. অনুকূল চক্রবর্তী মোট কয়টি বিয়ে করেছেন?
১৯৪০ সালে পাবনা আদালতে দাঁড়িয়ে উকিলের জেরার সামনে তিনি বলেছিলেন, তার ৬ জন স্ত্রী আছেন ও কিছু মহিলা সেবিকা আছেন, দেওঘরে আসার সময় শুধু দুজনকে এদেশে নিয়ে এসেছেন। বাকিদের ত্যাগ করেছেন। বিবাহের মাধ্যমে সম্পত্তি বাড়ানোটা একটা পলিসি ছিল।

৩. অনুকূল বংশধররা কেউ উচ্চ শিক্ষা বা ভালো কর্মসংস্থানের সাথে কেউ যুক্ত নয় কেন ? রোজগার কি সব ওরা শুধুমাত্র শিষ্যদের দেওয়া ইষ্টভৃতি নামক অনুদান নিয়েই বিপুল সম্পত্তি বানিয়ে চলেছেন? কি অহংকার পূর্ণ ব্যাক্তিত্ব এদের সবকটা রাখাল।

৪. হিন্দু দেবদেবীর সামনে ফুল, বেলপাতা, বাতাসা, ফল ইত্যাদি থাকে অনুকূল চক্রবর্তী এবং তার বংশধরদের ছবির সামনে শুধু টাকার থালা কেন থাকে? কারন এটা ব্যবসা । আপনাদের টাকায় ওরা মজা করবে।

৫. হিন্দুরা সাধারণত নিজের ইচ্ছায় দীক্ষা নিতে যায়। ব্যতিক্রম, অনুকূল। এরা দীক্ষা দিয়ে দেয়, খবর নিয়ে দেখবেন প্রতিটি শিষ্য‌ই কারো না কারো দ্বারা influenced হয়েই দীক্ষা নিয়েছে, কেউ নিজে থেকে গিয়ে নেননি। কারো দ্বারা নিয়েছে ন। বুঝুন কেমন মার্কেটিং!

সব কমিশন সিস্টেম আছে । এজেন্টরা মুরগি ধরতে পারলেই বোনাস পায়।
চোখ খোলো হে জনগণ।

আমি কারও ভাবাবেগকে আঘাত করছিনা। সকলের ভাবাবেগকে ধর্মীয় ভাবনাকে হাজার হাজার কোটি কোটি সম্মান জানিয়ে আমার শুধু আপনাদের কাছে একটাই অনুরোধ যাকে খুশি ভক্তি করুন, শুধু টাকাটা দেবেন না, মনে মনে ভক্তি করুন প্রচুর, প্রচুর প্রচুর, কিন্তু টাকাটি দেবেন না, তারপর দেখুন গল্প কেমন বদলে যাবে।

মনে রাখবেন আপনার অসময়ে এরা কেউ আপনার পাশে দাঁড়াবে না। এগুলো শুধু বোকা বানানো চলছে, একটা ব্যবসা। শান্তি সেবামূলক কাজ করতে চাইলে individually করুন, আশেপাশে গরীব কোনো মানুষকে পোষাক খাবার দিন, কোনো গরীব মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীকে ব‌ই খাতা কিনে দিন, অনেক অনেক অনেক শান্তি পাবেন।

প্রাচীন সনাতন হিন্দু শাস্ত্র ও মনুসংহিতা অনুসারে জন্মগত ভাবে - পুত্র প্রধানত 13 প্রকার  এবং চরিত্র, কর্ম & গুন্ অনুসারে ...
24/05/2026

প্রাচীন সনাতন হিন্দু শাস্ত্র ও মনুসংহিতা অনুসারে জন্মগত ভাবে - পুত্র প্রধানত 13 প্রকার এবং চরিত্র, কর্ম & গুন্ অনুসারে -8 রকম পুত্র ।
13 প্রকার পুত্রের তালিকা:
1. ঔরস: নিজের বিবাহিতা স্ত্রীর গর্ভে ও ঔরসে জন্ম নেওয়া বৈধ সন্তান।
2. ক্ষেত্রজ: স্বামীর অনুমতিতে বা মৃত্যুর পর অন্য কোনো নিযুক্ত ব্যক্তির দ্বারা স্ত্রীর গর্ভে জন্ম নেওয়া সন্তান।
3. দত্তক: পিতা-মাতা কর্তৃক আইনগতভাবে দত্তক বা গ্রহণ করা সন্তান।
4. কৃত্রিম: কোনো অনাথ বা পরিত্যাগ করা শিশুকে পুত্র হিসেবে গ্রহণ করা।
5. গূঢ়োৎপন্ন: কার ঔরসে জন্ম তা নিশ্চিত নয়, তবে নিজ স্ত্রীর গর্ভে জন্ম নেওয়া সন্তান।
6. অপবিদ্ধ: পিতামাতা কর্তৃক পরিত্যক্ত কোনো শিশুকে কুড়িয়ে নিয়ে লালন-পালন করা সন্তান।
7. কানীন: অবিবাহিত কন্যার গর্ভে জন্ম নেওয়া সন্তান।
8. সহোঢ়া: বিবাহিতা স্ত্রী গর্ভবতী থাকা অবস্থায় অন্য পুরুষের ঔরসে জন্ম নেওয়া সন্তান।
9. ক্রীত: অর্থ দিয়ে কেনা সন্তান।
10. পৌনর্ভবা: বিধবা বা পরিত্যক্তা স্ত্রীর পুনরায় বিবাহের পর গর্ভে জন্ম নেওয়া সন্তান।
11. স্বয়ংদত্ত: যে নিজে থেকেই এসে কারো সন্তান হিসেবে পরিচয় দেয়।
12. সতিন পুত্র (বৈপুত্র): স্বামীর অন্য স্ত্রীর গর্ভজাত সন্তান।
13. শৌদ্র: শূদ্রা স্ত্রীর গর্ভে জন্ম নেওয়া সন্তান।

****2. কর্ম ও আচরণ অনুসারে (8 প্রকার)শাস্ত্রের অন্য একটি ব্যাখ্যায় পিতা-মাতার প্রতি আচরণ এবং পূর্বজন্মের কর্মফলের ওপর ভিত্তি করে পুত্রকে 8টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে:
1. সু-সন্তান/ সেবকপুত্র :—যে সন্তান মা-বাবার মধ্যে ঈশ্বরকে দেখে এবং তাঁদের সেবা করাকে পরমাত্মার সেবা মনে করে।এমন সন্তান বিরল। মা-বাবার সেবা করার সৌভাগ্য সবার হয় না। যাদের হয়, তাদের আধ্যাত্মিক পথ দ্রুত অগ্রসর হয়।
2. ঋণজাত সন্তান: পূর্বজন্মের কোনো ঋণের কারণে এই সন্তান জন্ম নেয় এবং পিতার সব ঋণ পরিশোধ করে দেয়।
3. ঋণপুত্র —পূর্বজন্মের কোনো ঋণ আদায় করতে আসে। জীবনভর দুঃখ দিয়ে নিজের হিসাব মিটিয়ে চলে যায়।
4. শত্রুজাত সন্তান: পূর্বজন্মের কোনো শত্রুতাবশত জন্ম নেয়, তবে অনেক সময় পিতার শত্রুদের পরাজিত করে প্রতিশোধ নিতে সাহায্য করে।
5. শত্রু-পুত্র —পূর্বজন্মের শত্রু প্রতিশোধ নিতে সন্তান হয়ে জন্মায়।
6. উদাসীন পুত্র —বিয়ের আগে পর্যন্ত মা-বাবার কাছে থাকে, কিন্তু বিয়ের পর সম্পূর্ণ আলাদা হয়ে যায়। তাদের সঙ্গে আর কোনো সম্পর্ক রাখতে চায় না।
7. দুষ্কর্মজাত সন্তান: এই সন্তানের খারাপ কর্মের কারণে পিতা-মাতাকে সমাজে লজ্জিত ও অপমানিত হতে হয়।
8. ভক্ত -জ্ঞানী সন্তান: আধ্যাত্মিক পথের পথিক, যিনি পিতা-মাতাকে নরকের কষ্ট থেকে মুক্ত করে ঈশ্বর প্রাপ্তিতে সাহায্য করেন।

সনাতন ধর্মের বুদ্ধ আর গৌতম বুদ্ধ আলাদা1) গৌতম বুদ্ধ-বৌদ্ধ ধর্মের প্রবর্তক , সনাতন ধর্মের বুদ্ধ  হিন্দু সনাতন ধর্মে শ্রী ...
23/05/2026

সনাতন ধর্মের বুদ্ধ আর গৌতম বুদ্ধ আলাদা
1) গৌতম বুদ্ধ-বৌদ্ধ ধর্মের প্রবর্তক , সনাতন ধর্মের বুদ্ধ হিন্দু সনাতন ধর্মে শ্রী বিষ্ণুর নবম অবতার
2)শ্রী বিষ্ণুর নবম অবতার বুদ্ধ 4500 বছর আগে জন্মেছেন অপর জন গৌতম বুদ্ধ 2700 বছর আগে
3)সনাতন ধর্মের বুদ্ধ একজন ব্রাহ্মণ ,---গৌতম বুদ্ধ ক্ষত্রীয়
4)সনাতন ধর্মের বুদ্ধ কক্কটা বা বুদ্ধ গয়া বিহার এ জন্মেছেন---গৌতম বুদ্ধ লুম্বিনি নেপাল এ জন্মেছেন
5)গৌতম বুদ্ধর মায়ের নাম মায়া ও পিতা শুদ্ধোধন ,---সনাতন ধর্মের বুদ্ধ অঞ্জনা ও হেমসদন

ব্যাবসায়ীক নাম কীর্তন কোনো প্রকারেই ধৰ্ম আচরণ হয় না--এই গুলো উৎসব এবং সাধনহীন লোকের মনোরঞ্জন মাত্র ।যারা উৎসব প্রিয় তারা...
23/05/2026

ব্যাবসায়ীক নাম কীর্তন কোনো প্রকারেই ধৰ্ম আচরণ হয় না--এই গুলো উৎসব এবং সাধনহীন লোকের মনোরঞ্জন মাত্র ।

যারা উৎসব প্রিয় তারা শাস্ত্রের আসল ধৰ্ম আচরণ করার যোগ্যতা লাভ করতে কখনো পারে না ।

যারা সর্বদা উৎসব ও বাহ্যিক আনন্দ-কোলাহলে মত্ত থাকে, তাদের মন চঞ্চল ও বিক্ষিপ্ত হয় ।

শাস্ত্রীয় দৃষ্টিকোণ থেকে, এই ধরণের চঞ্চলতা, উৎসব এবং মনোরঞ্জন ও আসক্তি --> প্রকৃত শাস্ত্রীয় জ্ঞান বা যোগ বা ভক্তি সাধনার প্রধান অন্তরায়।

প্রকৃত ধার্মিক বা শাস্ত্র অনুযায়ী ধর্ম আচরণে আগ্রহী সাধকের মন থাকে স্থির ও একাগ্র & নির্জন প্রিয় হয়, তারা উৎসব র ভীড়ের মধ্যে কোনো কারণেই যায় না ।

তাই বলা হয়, জাগতিক আমোদ-প্রমোদ বা উৎসবের প্রতি অতিরিক্ত আসক্তি ও শাস্ত্রের গভীর আধ্যাত্মিক সাধনা—এ দুটি সাধারণত একসঙ্গে চলতে পারে না।

তাই যারা উৎসব প্রিয় / অনুষ্ঠান প্রিয় তারা শাস্ত্রের আসল ধৰ্ম আচরণ করার যোগ্যতা লাভ করতে কখনো পারে না ।

টাকা নিয়ে নাম কীর্তন শাস্ত্র ও ধর্ম বিরুদ্ধে কাজসনাতন ধর্মে টাকা বা ব্যবসার উদ্দেশ্যে নাম সংকীর্তন বা হরিণাম বিক্রি করা...
23/05/2026

টাকা নিয়ে নাম কীর্তন শাস্ত্র ও ধর্ম বিরুদ্ধে কাজ
সনাতন ধর্মে টাকা বা ব্যবসার উদ্দেশ্যে নাম সংকীর্তন বা হরিণাম বিক্রি করাকে শাস্ত্র ও মহাজনদের বাণী অনুযায়ী ধর্মবিরুদ্ধ এবং অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
নিষ্কাম ভক্তি এবং ভগবানের নাম প্রচারের মূল উদ্দেশ্যের বাইরে গিয়ে একে জীবিকা নির্বাহের প্রধান মাধ্যম বানালে আধ্যাত্মিক ক্ষতি হয়।
শাস্ত্র, মহাজন এবং বিভিন্ন আচার্যদের দৃষ্টিভঙ্গি নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
1. শাস্ত্র ও মহাজনদের বাণীনাম অপরাধ:-- শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর শিক্ষা অনুযায়ী, ভগবানের পবিত্র নাম পরম পবিত্র এবং এটি কেবল ভক্তি ও প্রেমের মাধ্যমে অর্জন করা সম্ভব। টাকার বিনিময়ে নাম কীর্তন করাকে এক প্রকার নাম অপরাধ বা 'নামাভাস' বলা হয়, যা খাঁটি কৃষ্ণকীর্তন নয়।
2. গ্রামবাসীরা যদি কীর্তন শুনে স্বেচ্ছায় কিছু দান বা ভিক্ষা দেয়, তবে তা গ্রহণ করা অপরাধ নয়।
কিন্তু হরিণামকে জীবিকা অর্জনের উপায় বা পণ্য হিসেবে বাজারে বিক্রি করা চরম অন্যায় এবং ভক্তির পরিপন্থী। এর ফলে দাতা এবং শ্রোতা কেউই পরম 'প্রেম' লাভ করতে পারে না, কেবল পাপ সঞ্চয় হয়।
3. শাস্ত্র তীব্র ভাষায় বলেছিলেন যে, পেশাদার কীর্তনীয়ারা আসলে 'হরে কৃষ্ণ' উচ্চারণ করেন না, তাদের ভেতরে অবিরত "টাকা টাকা" ধ্বনিত হতে থাকে।
4. শাস্ত্র পরিষ্কার নির্দেশ দিয়েছিলেন যে, কৃষ্ণ কীর্তন বিনোদনের কোনো শিল্প বা জীবিকা অর্জনের মাধ্যম নয়। এটি ভগবানের প্রতি এক প্রকার অপ্রাকৃত সেবা।
5. বাণিজ্যিকীকরণের বিরোধিতা: জনসাধারণের কাছ থেকে অর্থ উপার্জনের উদ্দেশ্যে কীর্তনকে জমকালোভাবে বা বাণিজ্যিকভাবে উপস্থাপন করাকে তিনি ভবিষ্যতের জন্য বিপজ্জনক বলে সতর্ক করেছিলেন।
6. কীর্তনে অর্থ লেনদেনের শাস্ত্রীয় সূক্ষ্ম পার্থক্যকোন ধরনের অর্থ গ্রহণ সঠিক আর কোনটি ধর্মবিরুদ্ধ, তা সনাতন ধর্মে স্পষ্ট করা হয়েছে:
a) অর্থের ধরণশাস্ত্রীয় দৃষ্টিভঙ্গিপেশাদার চুক্তি ( দাম বা ডিমান্ড):
b)কীর্তন করার জন্য আগে থেকে টাকা চুক্তি করা বা ব্যবসায়ী মনোভাব রাখা ধর্মবিরুদ্ধ কাজ ও নাম অপরাধ
c) কীর্তন শেষে ভক্তরা খুশি হয়ে আদর-যত্ন বা যৎসামান্য আর্থিক প্রণামী দিলে তা গ্রহণ করা।
অনুমোদিত সংক্ষেপে বলতে গেলে, কীর্তন হলো ভগবানের প্রতি নিঃস্বার্থ ভক্তি প্রকাশের মাধ্যম। কীর্তনকে যখন কোনো শিল্পী বা দল খাঁটি আধ্যাত্মিক উদ্দেশ্য ভুলে কেবল টাকা উপার্জনের পেশা বা ব্যবসা বানিয়ে ফেলে, তখন তা নিশ্চিতভাবেই আধ্যাত্মিক ধর্মের আদর্শের পরিপন্থী কাজ হিসেবে বিবেচিত হয়।
N.B:- টাকা নিয়ে নাম কীর্তন ধর্ম বিরুদ্ধে কাজ:--- এতে দাতা এবং শ্রোতা কেউই পরম 'প্রেম' লাভ করতে পারে না, কেবল পাপ সঞ্চয় হয়।

Kailas Porikroma
16/05/2026

Kailas Porikroma

গুরুর বয়স কম হোক বা বেশি কিচ্ছু যায়ে আসে না, একজন গুরু সর্বদায় শিষ্যের উদ্ধারক।তাই যে নিষ্ঠা শ্রদ্ধা সহকারে সবকিছু ভু...
01/05/2026

গুরুর বয়স কম হোক বা বেশি কিচ্ছু যায়ে আসে না, একজন গুরু সর্বদায় শিষ্যের উদ্ধারক।

তাই যে নিষ্ঠা শ্রদ্ধা সহকারে সবকিছু ভুলে গুরুর কাছে সমর্পণ হয়,তার উদ্ধার অবশ্যম্ভাবী।
গুরু কি পরছে,কি খাচ্ছে,কি করছে তা দেখে গুরু বিচার হয় না।
গুরু নিজের আধ্যাত্মিক আনন্দিত চেতনায় মগ্ন হয়ে যে উপদেশ প্রদান করেন সেটিই সঠিক,সেটিই মুক্তির কারণ। তা যদি সাধারণ ভেদাভেদকারী মানুষের দৃষ্টিতে খারাপ বা অশুদ্ধ হয় তাও গুরুর সেই উপদেশ নিজের মধ্যে গ্ৰহণ করুন।

যারা সীমিত জ্ঞান লাভ করেই নিজেকে বড় শুদ্ধ ভক্ত বলে দাবি করে এবং অন্যের ভক্তির গভীরতা, অন্যের উপলব্ধি না বুঝতে পেরে নিজের তুচ্ছ দৃষ্টি দিয়ে তাদের বিচার করে এবং তাদের অশুদ্ধ বলে আখ্যায়িত করে, তাদের পক্ষে "একো হি রুদ্রো ন দ্বিতীয়ায় তস্থুর্য"- এই বাক্যটির মর্ম বোঝা অসম্ভব।

তাই সকলে সঠিক জ্ঞানসম্পন্ন গুরু নির্বাচন করে তার বলা উপদেশ,তার দেওয়া বিধানকে মেনে চলুন।

শ্রদ্ধাবানেরই মুক্তি হয়। "শ্রদ্ধাবান লভতে জ্ঞানম" শ্রদ্ধাবানেরই জ্ঞান লাভ হয়,আর জ্ঞান দ্বারাই মোক্ষ। তাই নিজ গুরুর প্রতি,নিজ গুরু পরম্পরার প্রতি শ্রদ্ধাবান হোন।

শাস্ত্রানুসারে, সাধনার পথে পা রাখার আগে সাধকের সামর্থ্য বিচার করা অত্যন্ত জরুরি। সাধনার মূল আচারে এমন কিছু ক্রিয়া  ব্যবহ...
01/05/2026

শাস্ত্রানুসারে, সাধনার পথে পা রাখার আগে সাধকের সামর্থ্য বিচার করা অত্যন্ত জরুরি। সাধনার মূল আচারে এমন কিছু ক্রিয়া ব্যবহৃত হয়, যা সাধারণ মানুষের ইন্দ্রিয়সংযম টলিয়ে দিতে পারে।

​শাস্ত্রানুসারে বলা হয়েছে:---------------
​"কৃপাণধারাগমনং ব্যাঘ্রকণ্ঠাবলম্বনম্।
ভুজঙ্গধারণং তদ্বৎ বামমার্গো হি দুস্তরঃ।।"
​অনুবাদ: সাধনার মূলমার্গে চলা মানে হলো খড়্গের ধারের ওপর দিয়ে হাঁটা, বাঘের গলায় ঝুলে থাকা অথবা বিষধর সাপকে হাতের মুঠোয় ধরার মতো কঠিন ও ভয়ঙ্কর।

​সাধারণ মানুষ ('পশুভাব'-এর সাধক), যাদের কাম-ক্রোধের ওপর নিয়ন্ত্রণ নেই, তারা এই সাধনা করতে গেলে আধ্যাত্মিক উন্নতির বদলে নৈতিক ও মানসিকভাবে অধঃপতিত হতে পারে।
শাস্ত্রানুসারে স্পষ্ট বলা হয়েছে যে, যতক্ষণ পর্যন্ত মানুষের মধ্যে 'পশুত্ব' বা পাশবিক প্রবৃত্তি (লজ্জা, ঘৃণা, ভয় ইত্যাদি আটটি পাশ) প্রবল থাকে, ততক্ষণ সে সাধনার আচারের অযোগ্য। শাস্ত্রের মতে, সাধনার আচার অত্যন্ত গোপনীয় এবং কেবল উপযুক্ত গুরুর তত্ত্বাবধানেই সম্ভব।

​"অন্তঃশাক্তা বহিঃশৈবা লোকে বৈষ্ণবসংহিতাঃ।
সর্বস্বং কৌলমার্গন্তু সংগোপ্যং কুলাঙ্গনাবৎ।।"
​অর্থ: অন্তরে শাক্ত, বাইরে শৈব এবং লোকসমাজে বৈষ্ণব ভাব বজায় রাখতে হবে; এই মার্গকে নিজের স্ত্রীর মতো অতি সযত্নে গোপনে রাখতে হয়।

​এই গোপনীয়তার কারণ হলো, সাধারণ মানুষ এর গুহ্য অর্থ বুঝতে অক্ষম। তারা কেবল বাইরের ক্রিয়া দেখে বিভ্রান্ত হতে পারে, যা সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে।এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ; সামান্য বিচ্যুতিতে সাধকের সর্বনাশ হতে পারে। সাধারণ মানুষ যেখানে আসক্ত হয়, বীর সাধক সেখানে এগুলোকে 'ব্রহ্মবারি' বা শক্তির উৎস হিসেবে দেখেন।
​সংস্কারহীন চিত্তে এই কঠিন সাধনা কুফল বয়ে আনে।

​তাই শাস্ত্রের বিধান হলো—আগে ভক্তি ও কর্মযোগের মাধ্যমে চিত্তশুদ্ধি করা (পশুভাব), তারপর উপযুক্ত গুরুর নির্দেশে উচ্চতর মার্গে প্রবেশ করা।

বৈদিক জ্যোতিষশাস্ত্রে শনির মহাদশা হলো শনি গ্রহের দ্বারা শাসিত জীবনের একটি ১৯ বছরব্যাপী দীর্ঘ পর্যায়, যা কর্মফল অনুযায়ী...
30/04/2026

বৈদিক জ্যোতিষশাস্ত্রে শনির মহাদশা হলো শনি গ্রহের দ্বারা শাসিত জীবনের একটি ১৯ বছরব্যাপী দীর্ঘ পর্যায়, যা কর্মফল অনুযায়ী কঠোর পরিশ্রম, শৃঙ্খলা এবং ধৈর্যের পরীক্ষা নেয় । শনি শুভ থাকলে এই সময়ে অভাবনীয় সাফল্য ও প্রতিপত্তি মেলে, কিন্তু অশুভ হলে জীবনে বাধার সম্মুখীন হতে হয় ।
শনির মহাদশা ও প্রতিকার নিয়ে বিস্তারিত তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
মূল প্রভাব ও লক্ষণ (১৯ বছর স্থায়ী):
কঠোর পরিশ্রম ও দায়িত্ব: এই সময়ে কর্মজীবনে কাজের চাপ ও দায়িত্ব বৃদ্ধি পায় ।
বিলম্ব ও বাধা: কর্মক্ষেত্রে অগ্রগতি ধীরগতির হতে পারে এবং কাজে বারবার বাধা আসতে পারে ।
মানসিক চাপ ও একাকিত্ব: মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা, এবং আত্মীয়স্বজন বা বন্ধুদের থেকে দূরত্বের অনুভূতি তৈরি হতে পারে ।
অর্থনৈতিক অস্থিরতা: ব্যবসায় ধীরগতি বা আয়ের ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ দেখা দিতে পারে ।
বক্রী শনি মানেই হলো 'অতীতের খাতা' পুনরায় খোলা। যা আমরা গত জন্মে আধ্যাত্মিক বা মানসিকভাবে শেষ করতে পারিনি, শনি এই জীবনে তা পূর্ণ করার সুযোগ দেয়। এটি কোনো শাস্তি নয়, বরং আত্মার শুদ্ধিকরণ।
​কষ্ট আছে, লড়াই আছে, কিন্তু দিনশেষে প্রাপ্তিটাও হবে স্থায়ী। জীবনের সব 'হয়নি' বা 'দেরি হচ্ছে'র আড়ালে লুকিয়ে আছে এক বড় কর্মিক পরিকল্পনা। ধৈর্য ধরুন, কারণ সময় কখনো ভুল বিচার করে না।
শনির ১৯ বছরের সফর: অন্তর্দশায় লুকিয়ে আছে বড় চমক!
১. শনির মহাদশায় শনি (স্ব-কাল):
​এই সময়টা সাধারণত পরিবর্তনের। জীবনের পুরনো অভ্যাস ত্যাগ করে নতুন শৃঙ্খলায় আসার সময়। কিছুটা একাকীত্ব বা মানসিক চাপ আসতে পারে, কিন্তু এটি মূলত আপনার ভবিষ্যতের ভিত্তি তৈরির সময়।
​২. শনির মহাদশায় বুধ:
​শনির সাথে বুধের মিত্রতা রয়েছে। এই সময় ব্যবসায় উন্নতি, নতুন যোগাযোগ এবং বুদ্ধির বিকাশে সাহায্য করে। তবে অতিরিক্ত চিন্তার কারণে মানসিক অস্থিরতা বাড়তে পারে।
​৩. শনির মহাদশায় কেতু:
​এটি বেশ আধ্যাত্মিক সময়। জাগতিক বিষয়ে কিছুটা অনীহা আসতে পারে। অজানা ভয় বা বিভ্রান্তি কাজ করলেও, এটি নিজেকে চেনার জন্য শ্রেষ্ঠ সময়।
​৪. শনির মহাদশায় শুক্র:
​সবথেকে আলোচিত সময়। শনি ও শুক্র পরস্পরের বন্ধু। এই সময়ে সাধারণত বিলাসিতা, প্রেম এবং ক্যারিয়ারে বড় কোনো সুযোগ আসে। তবে শনি কঠোর পরিশ্রম করিয়ে তবেই শুক্রের ভোগ বিলাস প্রদান করেন।
​৫. শনির মহাদশায় সূর্য:
​শনি ও সূর্যের সম্পর্ক পিতা-পুত্রের হলেও তা বেশ জটিল। এই সময় কর্মক্ষেত্রে উচ্চপদস্থ ব্যক্তি বা পিতার সাথে মতপার্থক্য হতে পারে। শরীর ও সম্মানের প্রতি বাড়তি যত্ন নেওয়া প্রয়োজন।
​৬. শনির মহাদশায় চন্দ্র:
​জ্যোতিষশাস্ত্রে একে অনেক সময় 'বিষ দশা' বলা হয়। মানসিকভাবে বিষণ্ণতা বা পারিবারিক দুশ্চিন্তা বাড়তে পারে। এই সময় ধ্যানের মাধ্যমে মনকে শান্ত রাখা জরুরি।
​৭. শনির মহাদশায় মঙ্গল:
​দুটি শক্তিশালী এবং বিপরীতধর্মী গ্রহের মিলন। এই সময় দুর্ঘটনার ভয় বা হঠাৎ রাগ বেড়ে যেতে পারে। রক্তচাপ বা চর্মরোগ সম্পর্কে সতর্ক থাকা ভালো। তবে অদম্য সাহস ও কাজ করার শক্তিও পাওয়া যায়।
​৮. শনির মহাদশায় রাহু:
​এটি বেশ রহস্যময় সময়। হঠাৎ বড় কোনো প্রাপ্তি যেমন হতে পারে, তেমনি ভুল সিদ্ধান্তে বড় ক্ষতির সম্ভাবনাও থাকে। তাই এই সময় যেকোনো বড় বিনিয়োগ বা সিদ্ধান্ত খুব ভেবেচিন্তে নেওয়া উচিত।
​৯. শনির মহাদশায় বৃহস্পতি:
​শনির মহাদশার শেষ অন্তর্দশা। একে বলা হয় 'দশা ছিদ্র'। এটি পরিবর্তনের সন্ধিক্ষণ। দীর্ঘ ১৯ বছরের কষ্টের ফল এই সময়ে পাওয়া শুরু হয়। জীবনের অন্ধকার কেটে আলোর দেখা মেলে।
মনে রাখবেন, শনি আপনাকে পাথর থেকে হীরা বানাতে চায়।
শনি মহাদশার প্রতিকার (শনিদেবকে তুষ্ট করার উপায়):
শনিবার উপবাস: শনিবার শনিদেবকে তিল তেল উৎসর্গ করে পুজো করা এবং নিরামিষ ভোজন করা ।
মন্ত্র জপ: "ওঁ শং শনৈশ্চরায় নমঃ" মন্ত্র জপ করা বা হনুমান চালিসা পাঠ করা ।
দানধ্যান: দরিদ্রদের কালো তিল, কম্বল, বা লোহার বস্তু দান করা ।
জীবে প্রেম: শনিবারে কাক বা কুকুরকে অন্ন দান করা, অসহায়দের সাহায্য করা ।
শিব পূজা: শিবের উপাসনা করলে শনির কুপ্রভাব কমানো যায় ।
দ্রষ্টব্য: জ্যোতিষশাস্ত্রীয় প্রভাব জন্মকুণ্ডলীর উপর নির্ভর করে, তাই কোনো বিশেষজ্ঞ জ্যোতিষীর পরামর্শ নেওয়াই শ্রেয়।
আপনার জীবনের এই সময়টি কীভাবে আরও শুভ করা যায়, তা জানতে চাইলে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
শনিমহাদশা কেবল কষ্ট নয়, বরং নিজেকে নতুন করে চেনার সময়। গ
আপনার কুষ্ঠিতে গ্রহের অবস্থানই বলে দেবে আপনার সাফল্যের চাবিকাঠি কোথায়।

Address

Bahula
Durgapur
713322

Opening Hours

Monday 11am - 1pm
5pm - 7pm
Tuesday 11am - 1pm
8pm - 7pm
Wednesday 11am - 1pm
5pm - 7pm
Thursday 9am - 5pm
Friday 11am - 1pm
5pm - 7pm
Saturday 11am - 1pm
5pm - 7pm
Sunday 11am - 1pm
5pm - 7pm

Telephone

+913412668022

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sanatan Dharma Kotha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Sanatan Dharma Kotha:

Share