07/04/2026
হনুমান বাহুক কি ?
হনুমান বাহুক রচনা করেছিলেন তুলসী দাস জি যখন তাঁর শরীরে তীব্র ব্যথা হয়েছিল। হনুমান বাহুক পাঠ করে তিনি ভগবান হনুমানের আশীর্বাদ পেয়েছিলেন বলে তিনি তার ব্যথা এবং রোগ থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন। তাই হনুমান বাহুক রোগ ও যন্ত্রণার অলৌকিক প্রতিকার বলে মনে করা হয়।
সর্বোপরি, হনুমান বাহুক- এটি আপনাকে ভগবান হনুমানের আশীর্বাদ দেয় এবং আপনি আপনার সমস্ত উত্তেজনা থেকে নিশ্চিত সুরক্ষা পাবেন। অন্য কথায়, আপনি বা আপনার পরিবারের সদস্যরা যদি কোনো রোগ ও জয়েন্টের ব্যথায় ভুগছেন, বা ভালো না থাকেন। হনুমান বাহুক সাহায্য করবে যদি আপনি ভগবান হনুমানের প্রতি সম্পূর্ণ বিশ্বাস এবং ভক্তি করেন। হনুমান চালিসা এবং হনুমান অষ্টক পাঠ করতে ভুলবেন না।
হনুমান বাহুক (Hanuman Bahuk) হলো মহাকবি তুলসীদাস রচিত একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ভক্তিপূর্ণ স্তোত্র, যা হনুমানজীর কাছে শারীরিক কষ্ট, রোগ ও সংকট থেকে মুক্তির জন্য পাঠ করা হয় । এটি তুলসীদাসের ব্যক্তিগত যন্ত্রণার অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে লেখা, যেখানে তিনি বাহু বা শরীরের ব্যথাসহ নানা সমস্যা থেকে নিরাময়ের জন্য বজরংবলীর সাহায্য চেয়েছেন ।
হনুমান বাহুক সম্পর্কে মূল বিষয়:
রচনাকারী: মহাকবি তুলসীদাস।
মূল উদ্দেশ্য: শরীরের বিভিন্ন ব্যথা (বিশেষ করে বাহুর সমস্যা), রোগ, কষ্ট, এবং নেতিবাচক শক্তি দূর করা ।
পাঠের নিয়ম: সাধারণত ৪১ দিন ধরে নিয়মিত সকালে বা সন্ধ্যায় ভক্তিভরে পাঠ করা হয়, এবং এ সময় নিরামিষ আহার ও পবিত্রতা বজায় রাখার পরামর্শ দেওয়া হয় ।
বৈশিষ্ট্য: এটি হনুমান চালিসার মতোই জনপ্রিয় এবং বিশ্বাস করা হয় যে, এর নিয়মিত পাঠে দুরারোগ্য ব্যাধি থেকে মুক্তি মেলে ।
স্তোত্র: বৈদিক বিজ্ঞানম ওয়েবসাইটে এর বাংলা অনুবাদ পাওয়া যায় ।
হনুমান বাহুক পাঠের উপকারিতা :
১. শারীরিক কষ্ট ও রোগ নিরাময়।
২. বাধার বিনাশ ও মানসিক প্রশান্তি।
৩. শত্রু ও নেতিবাচক প্রভাব থেকে সুরক্ষা।
৪. কর্মক্ষেত্রে উন্নতি।
৫. সংকট বা বিপদ থেকে মুক্তি।