Narna Kali Bari Temple

Narna Kali Bari Temple Narna Kali Bari Temple is an ancient Hindu Temple in Domjur area. This fan page is dedicated to all devotees and pujaris of Sri sri Kali Mata.

সুখ দুঃখ উভয় ক্ষেত্রেই সমানভাবে থাকা প্রয়োজন । কোনো ভালো কিছু পেয়ে খুব খুশি অথবা কোনো খারাপ কিছু পেয়ে দুঃখ বা রাগ করা উচ...
27/06/2021

সুখ দুঃখ উভয় ক্ষেত্রেই সমানভাবে থাকা প্রয়োজন । কোনো ভালো কিছু পেয়ে খুব খুশি অথবা কোনো খারাপ কিছু পেয়ে দুঃখ বা রাগ করা উচিত নয়। #শিবমহাপুরাণের_শিক্ষা

17/05/2021

এক সঙ্কুচিত ঘোর দুর্দিনে ভগবানের দিব্য ঐশ্বর্যের কিঞ্চিৎ কণা নিয়ে আমাদের মাঝে আসেন এবং আলোর পথ দেখান শ্রীপাদ শঙ্করাচার্য। তাঁর জন্ম ৬৮৬ খ্রিষ্টাব্দের (মতান্তরে ৭৮৮ খ্রি.) ১২ বৈশাখ শুক্লা পঞ্চমী তিথিতে কেরালা প্রদেশের ‘কালাডি’ নামক একটি ছোট্ট গ্রামে। পিতা শিবগুরু এবং মাতা বিশিষ্টা দেবী।

জন্ম থেকেই অসাধারণ মেধা, প্রজ্ঞা এবং ধীশক্তির অধিকারী ছিলেন আচার্য শঙ্কর। মাত্র তিন বছর বয়সেই তিনি তাঁর মাতৃভাষা মালয়ালাম পড়া-লেখার দক্ষতা অর্জন করেন। এর ধারাবাহিকতায় তাঁর বয়স যখন সাত বছর তখন তিনি বেদবেদান্তসহ বিভিন্ন ধর্মশাস্ত্রে এবং ব্যাকরণে পাণ্ডিত্য লাভ করেন। তাঁর স্মৃতিশক্তি ছিল অসাধারণ। একবার যা শুনতেন পরক্ষণেই তার অবিকল বলে দিতে পারতেন।

সনাতন সত্য ধর্মের বিজয় পতাকা দিকে দিকে উড্ডীন করার জন্যে আচার্য শ্রীশঙ্কর হাজার হাজার কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে বেড়িয়েছেন। পূর্বে কামরূপ (আসাম), ঢবাক (ঢাকা) থেকে পশ্চিমে গান্ধার (আফগানিস্তান) এবং দক্ষিণে তামিলনাডু থেকে উত্তরে তিব্বত সর্বত্র তিনি প্রচার করে বেড়িয়েছেন বৈদিক ধর্মদর্শন। বৈদিক সংস্কৃতি পুনরুদ্ধারই ছিল তাঁর জীবনের একমাত্র ব্রত এবং ঈশ্বরই ছিল তাঁর জীবনের একমাত্র ধ্রুবতারা।
সম্রাট অশোক মৌর্য সাম্রাজ্যের রাজকোষ শূন্য করে দিয়ে বৌদ্ধমত প্রচারের নেশায় পাগলপ্রায় হয়ে যান। তিনি যুবসমাজকে কর্মবিমুখ সন্ন্যাসের পথে প্রোৎসাহিত করেন। তিনি সৈন্যবলকে অসার ধর্মবলে রূপান্তরিত করেন। এর ফলে ভারতবর্ষের বিদেশী শক্তির প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ে এবং ভারতবর্ষ পরিণত হয় দুর্বলচিত্ত ক্লীবের দেশে। ভারতবর্ষের সাথে যুগপৎ সনাতন বৈদিক ধর্মেরও এক মহাসন্ধিক্ষণ উপস্থিত হয়। ভগবান বুদ্ধের প্রয়াণের কয়েকটি শতাব্দীকাল পরে বৌদ্ধমত বিভিন্ন সম্প্রদায়ে এবং বিভিন্ন তান্ত্রিকপন্থায় বিভক্ত হয়ে বিকৃতি লাভ করে। সেই বিকৃতি কিছুকিছু ক্ষেত্রে ভয়ংকর অশ্লীল কামাচারে পর্যবসিত হয়ে পরে। সেই বৌদ্ধমত এদেশবাসীকে এমনভাবে গ্রাস করে যে, বৈদিক ধর্মের প্রাণকেন্দ্র কাশী (বেনারস, উত্তর প্রদেশ) পর্যন্ত নাস্তিক কুরুচিপূর্ণ মতে ম্রিয়মান হয়ে যায়। জনশ্রুতি আছে কাশী তখন পূজার অভাবে গোচারণ ক্ষেত্রে পরিণত হয়। এমনি এক বীভৎস সময়ে ধূমকেতুর মত আচার্য শঙ্করের আবির্ভাব। তিনি বিভিন্ন নাস্তিক এবং অবৈদিক অপসম্প্রদায়গুলোকে স্তব্ধ করে দিয়ে সত্য সনাতনের চিরন্তন পথে আমাদের প্রবুদ্ধ করেন।

আধুনিক হিন্দু জাতিকে প্রথম একটি সাংগঠনিক রূপ দেন শ্রীপাদ শঙ্করাচার্য। তিনিই প্রথম সনাতন ধর্ম রক্ষায় সংঘের পূর্ণাঙ্গ ধারণা দেন। অবশ্য সংঘের ধারণা প্রাচীনকাল থেকে ছিল, কিন্তু তা ছিল বিচ্ছিন্ন, অপূর্ণাঙ্গ এবং প্রয়োগহীন। তাঁর প্রবর্তিত সংঘই ধর্ম রক্ষায় একটি শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। এ প্রতিষ্ঠানই ‘শঙ্কর মঠ’ নামে আমাদের কাছে পরিচিত। ‘শঙ্কর মঠ’ কোন একক কেন্দ্রীয় ব্যবস্থার পরিবর্তে ভারতবর্ষের চারপ্রান্ত থেকে চারটি মঠের দ্বারা পরিচালিত হতে থাকে। এ চারটি মঠ ছিল সনাতন ধর্ম রক্ষায় চারটি দুর্গের ন্যায়। সিন্ধু, সৌবীর, মহারাষ্ট্র এবং পশ্চিমাঞ্চলের জন্য শারদা মঠ; অঙ্গ, বঙ্গ, কলিঙ্গ, মগধ, উৎকল, গৌড়, সুক্ষ্ম, পৌণ্ড্র, ব্রহ্মপুত্র তীরবাসীসহ সমগ্র পূর্বাঞ্চলের জন্য গোবর্দ্ধন মঠ; কুরুক্ষেত্র, কাশ্মীর, কম্বোজসহ সমগ্র উত্তরাঞ্চলের জন্য জ্যোতি মঠ এবং অন্ধ্র, দ্রাবিড়, কর্ণাট, কেরল প্রভৃতি দক্ষিণাঞ্চলের জন্য শৃঙ্গেরী মঠ। শ্রীপাদ শঙ্করাচার্য এ চার মঠের আচার্য হিসেবে নিযুক্ত করেন তাঁর শ্রেষ্ঠতম চার শিষ্যকে সুরেশ্বর, পদ্মপাদ, তোটক এবং হস্তামলক। এ চার আচার্য চার মঠ থেকে চার বেদের পূর্ণাঙ্গ বৈদিক জীবন বিধানের শিক্ষা দিতে থাকেন দিকে দিকে। ফলে সনাতন ধর্ম একটি সুদৃঢ সাংগঠনিক রূপ পায়।

শ্রীপাদ শঙ্করাচার্য অধ্যাত্ম পথের পথিক এবং সাধারণ গৃহীদের মাঝে ধর্মীয় শিক্ষা দানের জন্য চার মঠের অন্তর্ভূক্ত একদল সন্ন্যাসী সম্প্রদায়ের প্রবর্তন করেন যারা ‘দশনামী_সন্ন্যাসী’ সম্প্রদায় নামে খ্যাত। ফলে ভারতবর্ষে তৈরি হয় শক্তিশালী এক সন্ন্যাসী সম্প্রদায়। ভারতবর্ষের অধিকাংশ ধর্মীয় মত, পথের সংগঠন এ চারমঠ এবং দশনামী সন্ন্যাসী সম্প্রদায়ের সাথে কোন না কোনভাবে যুক্ত। সন্ন্যাসীর আত্মপরিচয় এই পর্যায়ে স্বামী বিবেকানন্দের বিবরণ থেকে জানা যায় ‘শ্রীরামকৃষ্ণ মঠ’ শ্রীপাদ শঙ্করাচার্যের শৃঙ্গেরী মঠের অধিভূক্ত একটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান। গৌড়ীয় বৈষ্ণব মতের প্রাণপুরুষ শ্রীগৌরাঙ্গদেব দুজন গুরুর কাছে মন্ত্রদীক্ষা এবং সন্ন্যাস নিয়েছিলেন; তাঁরা হলেন শ্রীঈশ্বরপুরী এবং শ্রীকেশব ভারতী। তাঁরা দুজনেই শৃঙ্গেরী মঠভূক্ত সন্ন্যাসী। এমনকি যে নামে শ্রীগৌরাঙ্গদেব আমাদের মাঝে খ্যাত ‘শ্রীচৈতন্য’; এই ‘চৈতন্য’ নামটি শৃঙ্গেরীমঠভূক্ত ব্রহ্মচারী উপাধি। অর্থাৎ শ্রীচৈতন্যও শঙ্করাচার্যের দশনামী সন্ন্যাসী সম্প্রদায়ের পরম্পরাগত সন্ন্যাসী।

শ্রীপাদ শঙ্করাচার্য তাঁর বত্রিশ বছরের সামান্য আয়ুতে অসংখ্য গ্রন্থ রচনা করেছেন। তাঁর রচিত এখনো পর্যন্ত ১৫১ খানা গ্রন্থের সন্ধান পাওয়া যায়। এর মধ্যে বেদ এবং বেদান্ত দর্শনের ভাষ্য গ্রন্থের উপর ২২ খানা। এ ২২ খানা ভাষ্যগ্রন্থের মধ্যে তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ কীর্তি বলে ধরা হয় ‘ব্রহ্মসূত্র’ ভাষ্য’কে। এ সূত্র ভাষ্যতেই তিনি তাঁর দার্শনিক তত্ত্বকে সুদৃঢ় ভিত্তিমূলে প্রতিস্থাপিত করেন। আত্মতত্ত্ব এবং প্রকৃত বৈদিক জীবন লাভের জন্য দিক-নির্দেশনামূলক আদেশ, উপদেশ এবং প্রকরণ গ্রন্থের সংখ্যা ৫৪ খানা। দেবদেবীদের স্তবস্তুতিমূলক গ্রন্থ ৭৫ খানা। প্রচলিত অধিকাংশ স্তব স্তুতিই এ গ্রন্থগুলি থেকে নেয়া। অসাধারণ তার ধ্বনিমাধুর্য এবং অসাধারণ তার পদলালিত্য।

আজ ১৫ বৈশাখ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ; ২৮ এপ্রিল ২০২০ খ্রিস্টাব্দ; মঙ্গলবার, হিন্দুজাতির প্রথম সংগঠক শ্রীপাদ শঙ্করাচার্যের পবিত্র জন্মজয়ন্তী।

------------------------------------------

তথ্যসূত্র - কুশল বরণ চক্রবর্ত্তী।

04/04/2021

নারনা কালিবাড়ীতে নৃত্যানুষ্ঠানের কয়েক টুকরো দৃশ্য ২০২১

অন্নক্ষেত্র পর্ব সমাপ্তির পথে
04/04/2021

অন্নক্ষেত্র পর্ব সমাপ্তির পথে

অন্নক্ষেত্রের প্রস্তুতি পর্ব
04/04/2021

অন্নক্ষেত্রের প্রস্তুতি পর্ব

মাস্ক ছাড়া প্রবেশ করবেন না। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। স্যানিটাইজার ব্যাবহার করুন।
02/04/2021

মাস্ক ছাড়া প্রবেশ করবেন না। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। স্যানিটাইজার ব্যাবহার করুন।

01/03/2021

🚩 পরমেশ্বর শিব ও পরমেশ্বরী পার্বতী মাতার দশাবতারের নাম ও মাহাত্ম্য : —

পরমেশ্বর ভগবান শিব এবং ভগবতী পার্বতী দেবী হলেন সর্বোপরি। পরমেশ্বর শিব তার বিভিন্ন স্বরূপের প্রকাশ ঘটিয়ে তাদের দ্বারা সমগ্র ভুবনের কার্য সম্পাদন করান। ঠিক তেমন ভাবেই জগদম্বা পরমেশ্বরী পার্বতী দেবীও নিজ শক্তিসমূহকে প্রকট করে সেই সমস্ত শক্তিগণ কে পরমেশ্বর শিবের প্রকটিত প্রত্যেকটি স্বরূপের সাথে নির্দিষ্ট কার্যের নিমিত্ত একটি একটি করে নির্দিষ্ট শক্তিদেবী কে যুক্ত করেন।
দশমহাবিদ্যা স্বরূপ টি হল পরমেশ্বরী পার্বতী দেবীর বিশেষ শক্তিগণের স্বরূপ। মূলত দেবী পার্বতী নিজের ইচ্ছেতেই নিজ স্বরূপ এই মহাবিদ্যাগণ কে প্রকট করেন।
পরমেশ্বর শিব সেই সমস্ত দশমহাবিদ্যার দেবীগণকে ধারণ ও তার কার্যে সহায়তা করার নিমিত্তে নিজের দশটি স্বরূপ প্রকট করেন। এই বিষয়ে পরমশৈব ভক্তশিরোমণি নন্দীকেশ্বর পরমশিবভক্ত সনৎকুমারকে বিস্তারিত বলেছেন, যা পরমপূজ্য পবিত্র শিবমহাপুরাণের অন্তর্গত শতরুদ্র সংহিতার ১৭নং অধ্যায়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। নীচে সেই অধ্যায়ের শ্লোকসহ অনুবাদ তুলে ধরা হল —



☀️ দেবী পার্বতীর দশমহাবিদ্যার সাথে পতিস্বরূপে পরমেশ্বর শিবের দশমহাবিদ্যাপতি অবতারের নাও ও তাদের মাহাত্ম্য :

🔴(১)

তত্রাদ্যো হি মহাকালো ভুক্তিমুক্তিপ্রদঃ সতাম্ ।
শক্তিস্তত্র মহাকালী ভক্তেপ্সিতফলপ্রদা ॥২

👉 পরমেশ্বর শিবের প্রকটিত প্রথম বিদ্যাপতি মহাকাল নামে প্রসিদ্ধ। এনার বিদ্যাশক্তির নাম মহাকালী।
দেবী মহাকালী দশমহাবিদ্যার প্রথম মহাবিদ্যা।
যা পার্বতী দেবীর প্রকটিত একজন শক্তিস্বরূপা।
🔷মহাকাল ও মহাকালী তাদের ভক্তদের মনোবাঞ্ছা পূর্ণ করে ভোগ ও মোক্ষ প্রদান করেন।

🔴(২)

তারনামা দ্বিতীয়শ্চ তারাশক্তিস্তথৈব সা ।
ভুক্তিমুক্তিপ্রদৌ চোভৌ স্বসেবকসুখপ্রদৌ॥৩

👉 পরমেশ্বর শিবের প্রকটিত দ্বিতীয় বিদ্যাপতি তার নামে প্রসিদ্ধ।
এনার বিদ্যাশক্তির নাম তারাদেবী।
দেবী তারা দশমহাবিদ্যার দ্বিতীয়তম মহাবিদ্যা।
ইনি পার্বতী দেবীর প্রকটিত একজন শক্তিস্বরূপা।
🔷 তার ও তারাদেবী এই দুজন ভুক্তি-মুক্তি প্রদাতা এবং সেবকদের জন্য সুখদায়ক।

🔴(৩)

ভুবনেশো হি বালাহ্বস্মৃতীয়ঃ পরিকীর্তিতঃ ।
ভুবনেশী শিবা তত্র বালাহ্বা সুখদা সতাম্ ॥৪

👉 পরমেশ্বর শিবের প্রকটিত তৃতীয় বিদ্যাপতি বাল ভুবনেশ নামে বিখ্যাত।
এনার বিদ্যাশক্তির নাম বালা ভুবনেশী শিবা।এনাকে ভুবনেশ্বরী বলা হয়।
দেবী ভুবনেশ্বরী দশমহাবিদ্যার তৃতীয়তম মহাবিদ্যা।
ইনিও পার্বতী দেবীর প্রকটিত একজন শক্তিস্বরূপা।
🔷ভুবনেশ ও ভুবনেশ্বরী সর্বদা তাদের সজ্জনদের সুখপ্রদানকারী হন।

🔴(৪)

শ্রীবিদ্যেশঃ ষোড়শাহ্বঃ শ্রীর্বিদ্যা ষোড়শী শিবা ।
চতুর্থো ভক্তসুখদো ভুক্তিমুক্তিফলপ্রদঃ ॥৫

👉পরমেশ্বর শিবের প্রকটিত চতুর্থ বিদ্যাপতি ষোড়শ শ্রীবিদ্যেশ নামে পরিচিত।

এনার বিদ্যাশক্তির নাম ষোড়শী শ্রীবিদ্যা শিবা।
দেবী ষোড়শী হলেন দশমহাবিদ্যার চতুর্থতম মহাবিদ্যা।
এই শক্তিদেবীও পার্বতী দেবীর প্রকটিত একজন শক্তিস্বরূপা। ইনি ত্রিপুরাসুন্দরী নামে বিখ্যাত। ললিতাও এনারই নাম। ইনিই তান্ত্রিক পার্বতী নামে পরিচিত।
🔷ষোড়শ এবং ষোড়শী দেবী তাদের ভক্তদের জন্য সুখদ ও ভোগ-মোক্ষদায়ক।

🔴(৫)

পঞ্চমো ভৈরবঃ খ্যাতঃ সর্বদা ভক্তকামদঃ ।
ভৈরবী গিরিজা তত্র সদুপাসককামদা ॥৬

👉 পরমেশ্বর শিবের প্রকটিত পঞ্চম বিদ্যাপতির নাম ভৈরব।
এই বিদ্যাপতি ভৈরবের বিদ্যাশক্তির নাম ভৈরবী।
দেবী ভৈরবী দশমহাবিদ্যার পঞ্চম মহাবিদ্যা।
ইনি পার্বতী দেবীর প্রকটিত একজন ভয়ঙ্করী শক্তিস্বরূপা।
🔷ভৈরব ও ভৈরবী দেবী সর্বদা ভক্তদের কামনা পূরণ করেন এবং উপাসকদের অভীষ্টপ্রদায়িনী।

🔴(৬)

ছিন্নমস্তকনামাসৌ শিবঃ ষষ্ঠঃ প্রকীর্তিতঃ ।
ভক্তকামপ্রদা চৈব গিরিজা ছিন্নমস্তকা ॥৭

👉 পরমেশ্বর শিবের প্রকটিত ষষ্ঠতম বিদ্যাপতি ছিন্নমস্তক নামে পরিচিত।
এনার বিদ্যাশক্তির নাম ছিন্নমস্তকা/ছিন্নমস্তা।
দেবী ছিন্নমস্তা দশমহাবিদ্যার ষষ্ঠতম মহাবিদ্যা।
ইনি পার্বতী দেবীর প্রকটিত একজন উগ্র শক্তিস্বরূপা।
🔷 ছিন্নমস্তক ও ছিন্নমস্তা দেবী ভক্তের সমস্ত কাম্যবস্তু প্রদান করেন।

🔴(৭)

ধূমবান্ সপ্তমঃ শম্ভুঃ সর্বকামফলপ্রদঃ ।
ধূমাবতী শিবা তত্র সদুপাসককামদা ॥৮

👉পরমেশ্বর শিবের প্রকটিত সপ্তমতম বিদ্যাপতি ধূমবান নামে বিখ্যাত।
এনার বিদ্যাশক্তির নাম ধূমাবতী।
দেবী ধূমাবতী দশমহাবিদ্যার সপ্তমতম মহাবিদ্যা।
ইনি পার্বতী দেবীর প্রকটিত একজন ভয়ঙ্কররূপী শক্তিস্বরূপা।
🔷 ধূমবান ও ধূমাবতী উভয়েই ভক্তের কামনা পূরণ করে দেন।

🔴(৮)

শিবাবতারঃ সুখদো হ্যষ্টমো বগলামুখঃ ।
শক্তিস্তত্র মহানন্দা বিখ্যাতা বগলামুখী ॥৯

👉 পরমেশ্বর শিবের প্রকটিত অষ্টমতম সুখদায়করূপ বিদ্যাপতি বগলামুখ নামে প্রসিদ্ধ।
এনার বিদ্যাশক্তির নাম বগলামুখী।
দেবী বগলামুখী দশমহাবিদ্যার অষ্টমতম মহাবিদ্যা।
ইনি পার্বতী দেবীর প্রকটিত একজন ঐশ্বর্যপূর্ণ শক্তিস্বরূপা।
🔷বগলামুখ ও বগলামুখী দেবী ভক্তকে সর্বদা সুখ ও আনন্দ প্রদান করেন।

🔴(৯)

শিবাবতারো মাতঙ্গো নবমঃ পরিকীর্তিতঃ ।
মাতঙ্গী তত্র শর্বাণী সর্বকামফলপ্রদা ॥১০

👉পরমেশ্বর শিবের প্রকটিত নবমতম বিদ্যাপতি মাতঙ্গ নামে পরিচিত।
এনার বিদ্যাশক্তির নাম মাতঙ্গী।
দেবী মাতঙ্গী দশমহাবিদ্যার নবমতম মহাবিদ্যা।
ইনি পার্বতী দেবীর প্রকটিত একজন অমায়িক সৌন্দর্য্যসম্পন্না শক্তিস্বরূপা। এনাকে তান্ত্রিক সরস্বতী বলা হয়ে থাকে।
🔷মাতঙ্গ ও মাতঙ্গী দেবী ভক্তের অভিলাষ পূর্ণ করেন।

🔴(১০)

দশমঃ কমলঃ শম্ভুর্ভুক্তিমুক্তিফলপ্রদঃ ।
কমলা গিরিজা তত্র স্বভক্তপরিপালিনী ॥১১

👉পরমেশ্বর শিবের প্রকটিত দশমতম বিদ্যাপতি কমল নামে বিখ্যাত।
এনার বিদ্যাশক্তির নাম কমলা।
দেবী কমলা দশমহাবিদ্যার দশমতম মহাবিদ্যা।
ইনি পার্বতী দেবীর প্রকটিত একজন শান্ত শক্তিস্বরূপা। এই দেবী তান্ত্রিক লক্ষী নামে পরিচিত।
🔷কমল ও কমলা দেবী ভক্তগণকে ভুক্তি-মুক্তিরূপ ফলপ্রদানকারী এবং সর্বতোভাবে পালন করেন।

🌺 মাহাত্ম্য : পরমেশ্বর শিবের এই হল দশ অবতার । এরা সকলেই ভক্ত এবং সৎপুরুষদের জন্য সুখদায়ক এবং ভোগ ও মোক্ষের প্রদাতা। যাঁরা মহাত্মা শংকরের এই দশ অবতারের নির্বিকারভাবে সেবা করেন, তিনি তাদের নিত্য নানা প্রকারের সুখ প্রদান করেন। নন্দীকেশ্বর এইভাবে পরমেশ্বর শিবের দশাবতারের মাহাত্ম্য বর্ণনা করলেন। তন্ত্রশাস্ত্রে একে সর্বকামপ্রদ বলা হয়েছে। এই শক্তিসমূহেরও অদ্ভূত মহিমা রয়েছে। তন্ত্র ইত্যাদি শাস্ত্রে এই মহিমাকে সর্বকামপ্রদরূপে বর্ণনা করা হয়েছে। এটি দুষ্টদের নিত্য দণ্ড প্রদানকারী এবং বিশেষভাবে ব্রহ্মতেজ বৃদ্ধিকারী। যে ব্যক্তি সমস্ত শিবপর্বের সময়ে এই পরম পবিত্র কথা ভক্তিসহকারে পাঠ করেন,তিনি পরমেশ্বর শিবের পরমপ্রিয় হন, শিবভক্তগণের শিবভক্তি বৃদ্ধি পায় এবং পরমানন্দ লাভ হয়।

[বিঃদ্রঃ — বর্তমানে শাক্তমতাবলম্বী ব্যক্তিবর্গের মধ্যে অনেকে শিবমহাপুরাণোক্ত এই দশমহাবিদ্যাপতির নামগুলি প্রথমবার শুনে থাকবেন। তাদের উদ্দেশ্যে বলি, শিবমহাপুরাণ শাস্ত্র অনুযায়ী দশমহাবিদ্যার ভৈরবদের নাম ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু সত্ত্বাটি এক‌ই, তাই এটি নিয়ে মজার কিছু নেই। শাক্তমত অনুযায়ী দশমহাবিদ্যার ভৈরবদের নাম ভিন্ন রয়েছে। সুতরাং শাস্ত্র যেখানে যে বিধান দিয়েছে, সেটি নিয়ে মজা করা বুদ্ধিমানের মতো কাজ নয়, বরং শাস্ত্র যেহেতু সকলের অনুশাসনের মাধ্যম, তাই শাস্ত্র অবশ্যই সর্বাগ্রে মান্য, শিবমহাপুরাণের শতরুদ্র সংহিতার ১৭তম অধ্যায়ের ২নং থেকে ১১নং শ্লোক পর্যন্ত দশমহাবিদ্যাপতি ও দশমহাবিদ্যার নাম উল্লেখ করা হয়েছে, সেটি আমরা তুলে ধরেছি, যদি কারোর সংশয় থাকে তবে তারা তথ্যসূত্র টি শিবমহাপুরাণ থেকে মিলিয়ে দেখে নেবেন, শৈবমত অনুযায়ী দেবী ধূমাবতীর ভৈরব ধূমবানের সাথে লীলা করেছেন দেবী, তাই দেবী ধূমাবতীর ভৈরব আছে নাকি নেই তা নিয়ে নিজস্ব মতামত দেয়া থেকে বিরত থাকুন, যেখানে শিবমহাপুরাণ দেবী ধূমাবতীর ভৈরব ধূমবান বলে সিদ্ধান্ত দিয়েছে , সেখানে সামান্য মনুষ্য হয়ে শাস্ত্র বাক্যের উপর কথা বলা অজ্ঞতা ছাড়া আর কিছুই নয়। শিবমহাপুরাণ অনুযায়ী, ছিন্নমস্তার ভৈরবের নাম ছিন্নমস্তক, শাক্তমতে কবন্ধ ভৈরব হতে পারে। কমলার ভৈরব কমল - এটিও শিবমহাপুরাণের নির্দেশ, শাক্ত মত অনুসারে অন্যকিছু হতে পারে। সুতরাং, আপনার জানার অভাব থাকতেই পারে, কিন্তু আপনি যেটা জানেননা সেটা এই জগতে নেই এমন ভাবনাটা সম্পূর্ণ অজ্ঞতা , তাই স্থান,কাল,পাত্র ভেদে শাস্ত্রের মান্যতাকে সম্মান প্রদর্শন করুন এটিই নিবেদন আপনাদের কাছে]

⬛ সংগ্রহে ও লেখনীতে — শ্রীনন্দীনাথ শৈব

কপিরাইট ও প্রচারে — International Shiva Shakti Gyan Tirtha - ISSGT

[আমাদের ওয়েবসাইটের মূল পোষ্টের লিঙ্ক 👇
https://issgt100.blogspot.com/2023/03/Dashavatar%20name%20of%20Parameshwar%20Shiva%20and%20Parameshwari%20Parvati%20mata%20%20Mahatmya.html ]

[আমাদের প্রত্যেকেটি পোষ্ট সবার আগে দেখতে আমাদের পেজ লাইক করে ফলো করুন এবং পুনরায় ফলো বাটনে ক্লিক করে """See First""" অথবা """FAVOURITE"""" করে দিন, আমাদের পোষ্ট ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন, লাইক করবেন এবং কমেন্ট করে মতামত জানাবেন।আমাদের এই লেখা গুলি এডিট করবেননা, SAME TO SAME লেখা সম্পূর্ণ কপি করে পোষ্ট করবেন।]

🙏🙏🙏🙏হর হর মহাদেব🙏🙏🙏🙏
🙏🙏🙏🙏জয় পার্বতী মাতা🙏🙏🙏🙏

#পরমেশ্বরশিব #মহাকাল #মহাকালী #দশমহাবিদ্যা #পার্বতী #ষোড়শী #কমলা #দশাবতার #তারা #ভৈরবী #দশমহাবিদ্যাপতি

#আন্তর্জাতিকশিবশক্তিজ্ঞানতীর্থ

অসাধারণ একটি শ্যামাসঙ্গীত। পন্ডিত অজয় চক্রবর্তী
06/02/2021

অসাধারণ একটি শ্যামাসঙ্গীত। পন্ডিত অজয় চক্রবর্তী

Ma Jar Anandamoyee with lyrics sung by Ajoy Chakraborty from the album Ma Jar Anandamayee . Song Credit:Song: Ma Jar AnandamoyeeAlbum Title: Ma Jar Anandamay...

20/01/2021

শ্রীশ্রীদত্তাত্রেয় কথিত #অবধূতগীতা তে
পরমাত্মা পরমেশ্বর শিব সম্পর্কিত বানী..✨

কিভাবে এই বাঙ্গালী দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড়ো ব্যাঙ্কার ও ব্যাবসায়ী হয়ে উঠলেন তার পিছনে রয়েছে একটা গল্প। জানা যায়, জগৎ শে...
01/11/2020

কিভাবে এই বাঙ্গালী দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড়ো ব্যাঙ্কার ও ব্যাবসায়ী হয়ে উঠলেন তার পিছনে রয়েছে একটা গল্প। জানা যায়, জগৎ শেঠের পূর্বপুরুষরা ছিলেন বুদ্ধিমান ব্যাবসায়ী। তাদের কারবারও ছিলো বড়ো। কিন্তু তাদের পরিবারের মধ্যে সবচেয়ে সফল এবং ধনী ব্যাবসায়ী হয়ে উঠেছিলেন জগৎ শেঠ। সেই আমলে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় একচ্ছত্র ধনকুবের বলতে একডাকে সবাই চিনতো জগৎ শেঠকে। অবশ্য তার আসল নাম ছিলো ফতে চাঁদ। জগৎ শেঠ (Banker of the World) হচ্ছে তার উপাধি। এটা তিনি পেয়েছিলেন দিল্লীর সুলতান মহম্মদ সা এর থেকে (১৭২৪ খ্রিষ্টাব্দে)। কিন্তু আজ বলবো জগৎ শেঠের এই উত্থানের পিছনে থাকা একটা গল্প।
আজ(২০২০) থেকেপ্রায় ৩০০ বছর আগের কথা। তখনও ব্রিটিশ বনিকরা বঙ্গের মসনদে আসেনি। ভারতের সিংহাসনে তখন বসে রয়েছে সুলতানি ও মোঘল শাসন। বঙ্গে জমিদার, ভুস্বামী সুবেদার আর রাজারা শাসন করছেন ছোটো ছোটো অঞ্চলে। বঙ্গে একজন ধনী শেঠ ছিলেন যার নাম মানিক চাঁদ। মানিক চাঁদের ছেলে ছিলোনা। তিনি দত্তক নেন তার ভাগ্না ফতে চাঁদ কে। অল্পবয়স থেকেই ফতে চাঁদ ছিলেন বিদ্যায় বুদ্ধিতে এগিয়ে। তার পরিবার ও পরিচিত মহলে তার এই প্রতিভা সম্পর্কে অনেক খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে। কিভাবে তা একদিন দিল্লীর বাদশার কানেও পৌঁছে যায়। তখন দিল্লীর সুলতান ছিলেন বাহাদুর সা। তিনি একবার ফতে চাঁদকে দেখতে চাইলেন। ফতে চাঁদ দিল্লি গেলে বাদশা তাঁর বুদ্ধি ও প্রতিভা দেখে খুশি হয়ে তাঁকে দিল্লিতে থাকতে বলেন। ফতে চাঁদও দিল্লিতে থেকে যান। বাদশার সঙ্গে ফতে চাঁদের যোগাযোগ গড়ে ওঠে। যাতায়াত বাড়ে। একদিন বাদশা তাঁকে বলেন, তোমার উপর আমি অত্যন্ত খুশি, তুমি যা চাইবে আমি দান করব। তখন ফতে চাঁদ বাড়ি ফিরে এসে তাঁর মাকে সব বলেন। বুদ্ধিমতী জননী পুত্রের মঙ্গলের জন্য বলেন, আগে বাদশাকে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ করিয়ে নিয়ে তারপর জানাতে যে কোজাগরী পূর্ণিমার রাতে কোনও গৃহস্থ বাড়িতে যেন আলো না জ্বালায়। ফতে চাঁদও তাই চাইলেন। যথারীতি এলো পরের কোজাগরী লক্ষীপূজার দিন। বাদশার নির্দেশে ওই রাতে কেউ আলো জ্বালালো না। জগৎ শেঠের মা ঘি-এর প্রদীপ জ্বেলে ঘর আলো করে দরজা খুলে বসে থাকলেন। যথাসময়ে দেবী এলেন এবং বললেন, আমি খুব পরিশ্রান্ত। আমাকে একটু আশ্রয় দেবে ? জগৎ শেঠের মা দেবীর ছলনা বুঝতে পারলেন। তিনি দেবীকে ঘরে আশ্রয় দিলেন এবং বললেন, আমি নদীতে স্নান করতে যাচ্ছি । ফিরে না আসা অবধি আপনি এখানে থাকুন? দেবী তাতে রাজি হলেন | এবার জগৎ শেঠের মা নদীতে স্নান করতে গিয়ে স্বেচ্ছায় প্রাণত্যাগ করলেন। ফলে সেদিন থেকে দেবী ফতে চাঁদের ঘরে থেকে গেলেন। ফতে চাঁদ কিছুদিনের মধ্যেই হয়ে উঠলেন দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যমণি।
✍️ সৌজন্যে - বিতান চক্রবর্তী

উত্তর প্রদেশের বারাণসীর সেই বিখ্যাত শ্যমাচরণ লাহিড়ী স্ট্রিট, যার নামে, ইনি হলেন সেই শ্যামাচরণ লাহিড়ী। জগৎ বিখ্যাত সাধক...
30/09/2020

উত্তর প্রদেশের বারাণসীর সেই বিখ্যাত শ্যমাচরণ লাহিড়ী স্ট্রিট, যার নামে, ইনি হলেন সেই শ্যামাচরণ লাহিড়ী। জগৎ বিখ্যাত সাধক। ক্রিয়া যোগগুরু। নদিয়াতে জন্ম কিন্তু শিষ্য বিশ্বজোড়া। সাধারণ সংসারী লোকেদের আধ্যাত্মিক জ্ঞানলাভ ও তাদের মুক্তির জন্য, তিনি নিজের অবদান রেখেছেন। তিনি লাহিড়ী মহাশয় নামে বিখ্যাত। আজকে এনার ১৯২ তম জন্মদিন। পশ্চিমবঙ্গে ব্যান্ডেল স্টেশন সংলগ্ন দিল্লী রোডের পাশে, তার স্মৃতিতে নির্মিত একটি অপূর্ব সুন্দর আশ্রম রয়েছে। জাতি বর্ণ নির্বিশেষে যে কেউ এই আশ্রমে আসতে ও জ্ঞানলাভ করতে পারেন।

Address

Narna
Domjur
711405

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Narna Kali Bari Temple posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category