05/08/2026
#একাধিক_বিবাহ
#আবুহাফিজা_মোহাম্মদ_হাবিবুল্লাহ
সময় নিয়ে পড়বেন,নেগেটিভ চিন্তা এড়িয়ে মন্তব্য করতে পারেন পক্ষে - বিপক্ষে।।
১| পাকিস্তানের বিখ্যাত এক আলেম দুই বিয়ে করেছেন।
তার প্রথম স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করা হলো,
আপনার স্বামী যে দ্বিতীয় বিয়ে করল, আপনি এতে কষ্ট পাননি?
মহিলা বললেন,
মানুষ হিসেবে তো কষ্ট পাবোই।
কিন্তু আল্লাহ তা'আলা তাকে এ অধিকার দিয়েছেন। এখন কি আমি আল্লাহর দেয়া অধিকারের বিরুদ্ধে লড়াই করব?
বরং আমি নিজেকে এই বলে সান্ত্বনা দেই,
এটা আমার জন্য আল্লাহর পরীক্ষা।
তিনি দেখতে চান, তাঁর দেয়া বৈধ বিষয়ে আমি কতটা ধৈর্যধারণ করতে পারি।
একাধিক বিয়ে বৈধ৷ এটা আপনাকে মানতে হবে। বিনা বাক্য ব্যয়ে মানতে হবে। কোনো যুক্তি-টুক্তি চলবে না। যারা একাধিক বিয়ে করে, তাদের দেখে নাক সিটকানো যাবে না। বলা যাবে না- "আরে ধুর! চরিত্র ভালো হলে কি আর দুই বিয়ে করে"!
যদি বলে থাকেন, তাহলে নতুন করে কালিমা পড়ে নেন। কারণ আপনি কুফরি করেছেন।
পতিতালয়, যিনা, ব্যভিচার বন্ধ করুন,
প্রয়োজনে যদি আপনার সামর্থ্য থাকে তবে একসাথে সর্বোচ্চ চারটি বৌ রাখুন!
🔷একাধিক বিয়ে করা তাদের মাঝে ইনসাফ করাই প্রকৃত সাফল্য-▪️রাসূল (সা:) বলেনঃ❝যে ব্যক্তির দুইজন স্ত্রী থাকবে এবং একজনের প্রতি বেশী ঝুঁকে পড়বে, সে কিয়ামতের দিন এভাবে উঠবে যে,তার শরীরের একাংশ একদিকে ঝুঁকে থাকবে বা অবশ হয়ে থাকবে।[প্যারালাইজড]❞
[নাসায়ী-3942]
২| বেশিরভাগ সাহাবী একাধিক বিয়ে করেন।
একই সময় একসাথে চারজন স্ত্রী রাখা যায়। অনেক সাহাবী তার পুরো জীবনে আট থেকে দশটি বিয়ে করেন এমন উদাহরণও আছে; তবে একইসময়ে চারজনের বেশি না।
মাসনা কেন্দ্রিক আলোচনায় সাহাবীদের মাসনার উদাহরণ টানা হয়। কিন্তু, সাহাবীদের মাসনার 'অন্যতম কারণ' আলোচনা করা হয় না।
চার বিয়ে বলতে এখনকার সময়ে অনেকেই বুঝেন- চারজন কুমারী, সুন্দরী স্ত্রী থাকবে, স্বামী দোলনায় বসবে, স্ত্রীরা পেছন থেকে ধাক্কা দিবে, স্ত্রীরা দোলনায় বসবে, স্বামী একজন একজন করে ধাক্কা দিবে...।
একজন পুরুষ একইসাথে চারজন কুমারী সুন্দরী মেয়েকে বিয়ে করা না-জায়েয নয়, এটা বৈধ। কিন্তু, এটা সমাজ বাস্তবতা নয়। এমনকি সাহাবীদের যুগেও এমন ছিলো না।
কয়েকশো সাহাবীর জীবনী পড়ে আমি এমন কাউকে পাইনি যারা চার বিয়ে করেছেন এবংযাদের সব স্ত্রী কুমারী ছিলেন। হ্যাঁ, এরকম দুই-তিনজন সাহাবী আমার পড়াশোনার অগোচরে থাকতে পারেন আমি স্বীকার করছি।
তবে, বেশিরভাগ সাহাবী চার বিয়ে, আট বিয়ে, দশ বিয়ে করা সত্ত্বেও সব স্ত্রী কুমারী পাননি। তাদের এমন স্ত্রী ছিলো, যার ইতোপূর্বে তিন/চারবার বিয়ে হয়েছিলো। তাদের এমন স্ত্রী ছিলো, যারা ডিভোর্সি ছিলেন, বিধবা ছিলেন।
ইসলামে একাধিক বিয়ের 'অন্যতম কারণ' হলো সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি। সমাজে অনেক বিধবা, তালাকপ্রাপ্তা নারী থাকবে, যাদের দেখাশোনার কেউ থাকবে না। তারা যেন বাকিজীবন সম্মানের সাথে, নিরাপত্তার সাথে বেঁচে থাকতে পারে এটা নিশ্চিত করে তাদের পুনরায় বিয়ে। স্বাভাবিকভাবে সেসব নারীদের পুনরায় বিয়ে করেন এমন একজন পুরুষ, যিনি ইতোমধ্যে বিয়ে করেছেন।
তবে, ব্যক্তিগত কারণে একাধিক বিয়ে করতে পারবে না এমন না। সেক্ষেত্রে, তার সামাজিক, আর্থিক, মানসিক অবস্থান মুখ্য৷
একাধিক বিয়ের মাধ্যমে একজন পুরুষ অতিরিক্ত দায়িত্ব, সামাজিক দায়িত্ব গ্রহণে আগ্রহ প্রকাশ করছে। মানুষ হিশেবে সে শতোভাগ দায়িত্ব পালনে সক্ষম না হলেও অন্যের প্রতি ইহসান দেখানোর কারণে আল্লাহ তাকে পুরস্কৃত করতে পারেন।
অনেক সাহাবী একাধিক বিয়ে করেন। বিয়ের সময় তারা যেমন নতুন স্ত্রীকে ঘরে তোলেন, পাশাপাশি সেই স্ত্রী তার পূর্বের স্বামীর সন্তানদের নিয়েও সাহাবীর ঘরে পদার্পণ করেন।
মাসনা নিয়ে যখন আপনি খুবই উচ্ছ্বসিত পোস্ট দিবেন, তখন ধরে নিন আপনি চারজন স্ত্রীর মধ্যে কমপক্ষে দুজনকে পাবেন বিধবা বা ডিভোর্সি। তাদের সাথে একাধিক সন্তানকেও আপনার দায়িত্ব নিতে হবে।
কোনো মা-বাবা, কোনো ভাই কেনো তাদের কুমারি মেয়েকে আপনার হাতে তুলে দিবে? কোনো নারী কেনো তার প্রথম বিয়েতে স্বেচ্ছায় সতীনের ঘর করতে চাইবে? অথচ তার হাতে সুযোগ আছে একজন গরীবের ওয়াহিদা হবার।
এই সমাজে যাদের হ্যাডম আছে, যারা সামাজিকভাবে দ্বিতীয় স্ত্রীর মর্যাদা দিতে পারবে, যারা মাসনা করার পর সমাজকে উঠতে-বসতে জবাবদিহি করতে না হয়, তারা মাসনা করতে পারে।
কিন্তু, ফেসবুকের চিপাগলির কেউ যদি লুকিয়ে লুকিয়ে ৫০০০ টাকা মোহরানা দিয়ে মাসনা করতে চায়, সে বরং স্ত্রী চাচ্ছে না, একজন '...ড পার্টনার' চাচ্ছে।
'কাবিন ছাড়াও বিয়ে করা যায়' বলে বিয়ে করে কয়েকদিন হোটেলে রাখবে। প্রয়োজন শেষে বিয়েটা অস্বীকার করবে।
একটা সমাজের জন্য মাসনার প্রয়োজন। কিন্তু, এই দায়িত্ব সবার নয়। এজন্য আমি শুরু থেকে মাসনাকে গণমুখী আন্দোলনে রূপ দেবার বিরোধী ছিলাম, এখনো আছি।
লেখকঃ আরিফুল ইসলাম ভাই।।
৩| চলুন একাধিক বিয়ে করতে সাহায্য ও উৎসাহিত করি:
======================
তাঁরা তওবা করুন ও আক্বিদা বিশুদ্ধ করুন,
যারা একাধিক বিয়েকে খারাপ মনে করেন।
মহানবী (সঃ) বহু বিবাহ করেছেন।
ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, "বহু‘বিবাহ কর।" কারণ এই উম্মতের সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তি সে যার বেশি স্ত্রী।
অথবা ‘এই উম্মতের সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তির সবার চেয়ে বেশি স্ত্রী ছিল।
বহুবিবাহকে উৎসাহিত করুন যাতে নির্যাতিত, অবহেলিত, বিধবা, তালাক প্রাপ্তা নারীদের মর্যাদা বৃদ্ধি পায়। এবং সমাজে জেনা ব্যবিচার কমে যায়।
শ্রেষ্ঠ সাহাবীদের (রাঃ) স্ত্রীগনের তালিকাঃ
________________________
আবু বকর (রাঃ)এর স্ত্রীগন
১। কুতাইলা বিনতে আব্দুল উজ্জা
২। উম্মে রুমান
৩। আসমা বিনতে উমাইস
৪। হাবিবা বিনতে খারিজা।
ওমর (রাঃ)এর স্ত্রীগণ
১। জয়নব বিনতে মাধুন
২। উম্মে কুলসুম বিনতে জারওয়াল
৩। কুরাইবা বিনতে আবি উমাইয়া
৪। জামিলা বিনতে সাবিত
৫। আতিকা ইবনে যায়েদ
৬। উম্মে হাকিম
৭। উম্মে কুলসুম বিনতে আলী
ওসমান (রাঃ) এর স্ত্রীগন
১। উম্মে আম
২। আসমা বিনতে আবি জাহেল
৩। রুকাইয়াহ বিনতে মুহাম্মদ (সাঃ)
৪। উম্মে কুলসুম বিনতে মুহাম্মদ (সাঃ)
৫। ফাতিমা বিনতে আল-ওয়ালিদ
আলী ( রাঃ) এর স্ত্রীগন
১। ফাতিমা বিনতে মুহাম্মদ (সাঃ)
২। উমামা বিনতে জয়নব
৩। উম্মুল বনিন
৪। লায়লা বিনতে মাসঊদ
৫। আসমা বিনতে উমাইস
৬। খাওলা বিনতে জাফর
৭। আস-সাহবা বিনতে রাবিয়া৷
বিঃদ্রঃ- একত্রে চারজনের অধিক স্ত্রী ছিল না।
রাসূল মুহাম্মাদ ষাঃ এর এক (মহিলা) সাহাবীয়া আসমা বিনতি 'উমাইস মাক্কায় জন্মেছিলেন এবং দামাস্কাসে মরেছিলেন। এই আসমা রাদীঃ এর ভাগ্যে পরপর চার জন স্বামী আসেন, তাঁদের দুইজন বিখ্যাত খালীফা আবূবাকার ও আলী রাদীঃ। চার স্বামী এই ভাবে:
১) রাবিয়া আলহিলালী। বিধবা বা তালাকপ্রাপ্ত হন।
২) তারপর আসমাকে বিয়ে করেন জাফর বিন আবূ তালিব। জাফরের তরফ থেকে আসমার তিন পুত্র সন্তান হয় - আব্দুল্লাহ, আউন এবং মুহাম্মাদ। তারপর বিধবা হয়ে যান।
৩) দুইবারের বিধবা তিন সন্তানের মা আসমাকে বিয়ে করেন রাসূল ষাঃ এর প্রিয়তম পুরুষ জন আবূবাকার রাদীঃ। এক পুত্র সন্তান মুহাম্মাদ বিন আবূবাকার লাভ করেন। বিধবা হয়ে যান।
৪) তিনবারের বিধবা চার সন্তানের মা আসমাকে বিয়ে করেন রাসূল ষাঃ এর জামাতা আলী রাদীঃ। আলীর তরফ থেকে দুই পুত্র সন্তান ইয়াহ্ইয়া ও আউন লাভ করেন।
জান্নাতে এই মহামতী ভাগ্যবতী আসমার স্বামী হবেন আলী রাদীঃ ইনশাআল্লাহ।
সংগৃহীত ও পরিমার্জিত: Umer Farooque Aligharian
https://www.facebook.com/share/p/Q3rekPJUz4g8Szid/?mibextid=xfxF2i
৪| বিয়ে একটি ভালোবাসার পবিত্র শ্রেষ্ঠ মাধ্যম। বিয়েকে সহজ করুন,যেনা-ব্যভিচারের পথ বন্ধ করুন।
ইনসাফ বজায় রেখে প্রয়োজনে একাধিক বিয়ে করুন।
বর্তমানে ফিৎনা ও পাপাচার থেকে বাঁচার জন্য একাধিক বিয়ের দরকার রয়েছে।
তবে যাদের সামর্থ্য নেই,তাঁদের সবর করতে হবে এবং সিয়াম রাখতে হবে।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআ'লা হারাম থেকে আমাদের সবাইকে হেফাজত করুন,হালাল পন্থায় উত্তমরুপে নিজেকে উপভোগ করার জন্য সবকিছু সহজ করুন।আমীন
https://www.facebook.com/share/p/54ZCXDdk4DwKrR2J/?mibextid=xfxF2i
৫| একাধিক বিয়ে না করলে পুরুষ গুনাহগার হবে!
------------
আওয়ার ইসলাম : সৌদি আরবের একজন সিনিয়র মুফতি ঘোষণা দিয়েছেন, সামর্থ্য থাকার পরও একাধিক বিয়ে না করলে পুরুষ গুনাহগার হবে।
সৌদি আরবের সিনিয়র মুফতি আবদুল্লাহ তার আলোচনায় বলেছেন, যে ব্যক্তির একাধিক বিয়ের সামর্থ্য আছে এবং সে সমাজের মুসলিম নারীদের দুর্দশা সম্পর্কেও অবগত আছে -মুসলিম নারীগণ বিবাহিত জীবন লাভ না করায় ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ছে- সে অবশ্যই গুনাহগার হবে।
আমি মনে করি, এমন ব্যক্তি এক স্ত্রীতে সন্তুষ্ট থাকলে গোনাহগার হবে এবং কেয়ামতের দিন সে প্রশ্নের মুখোমুখি হবে যে, তোমার সামর্থ্য থাকার পরও কেনো তুমি মুসলিম নারী পবিত্র ও নিরাপদ জীবনযাপনের ব্যবস্থা করলে না?
সূত্র : দৈনিক আজাদ
https://www.facebook.com/share/p/v3RAuk5tsHWZvYkB/?mibextid=xfxF2i
https://www.facebook.com/share/p/b6LwvGKixVYLK89a/?mibextid=xfxF2i
৬| কিছু বোনদের আচরণে প্রকাশ পায় যে,তারা যেন একাধিক বিয়ের চরম বিরোধী।
যে কেউ মাসনা করলে তাঁর বিরোধী দল হয়ে তারা অবতরণ করেন।
মাসনা যারা করেন,তাদের নিয়ে বিভিন্নভাবে উপহাস করেন।
মাসনা হতে কেউ বাধ্য নন,কিন্তু কোনো সামর্থ্যবান পুরুষ ইনসাফ বজায় রাখার শর্তে মাসনা করা অবশ্যই উত্তম কাজ।
আল্লাহর রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অধিক বিয়ে করেছেন।
উম্মাহর শ্রেষ্ঠ মানুষ সাহাবায়ে কেরাম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম একাধিক বিয়ে করেছেন।
একাধিক বিয়ে করেননি,এমন সাহাবিদের সংখ্যা একেবারেই কম।
সুতরাং মাসনা করলে আপনার এতো জ্বলে কেন?
আপনাকে মাসনা হতে শরীয়ত বাধ্য করেনি।স্বভাবগতভাবে এটা কেউ তার স্বামীর জন্য অপছন্দ করতে পারেন।
কিন্তু আল্লাহর বিধানকে অপছন্দ করা,মাসনা কারীদের নিয়ে বিদ্রুপ করা জঘন্য পাপ।
https://www.facebook.com/share/p/zCUtJ6tvm1J31Pui/?mibextid=xfxF2i
৭| একের অধিক বিবাহের দুনিয়াবি সুবিধাঃ
১. এক স্ত্রী প্রেগন্যান্ট বা মিন্স অবস্থায় থাকলে আপনি অন্য স্ত্রীর সাথে নিশ্চিন্তে স্ত্রী সহবাস করতে পারবেন, ফেতনায় পড়তে হবে না।
২. এক স্ত্রী অসুস্থ থাকলে অন্য স্ত্রী রান্নাবান্না সহ বাসার সব কাজ করতে পারবে তৎসঙে সুস্থ স্ত্রী অসুস্থ স্ত্রীরও সেবা করতে পারবে।
৩. স্বামী অফিস বা ব্যবসার কাজে একটু বেশি রাতে বাড়ি ফিরলে সব স্ত্রী মিলে নির্ভয়ে থাকতে পারবে। শত্রু বা তেলাপোকা/টিকটিকি বা ভুতের ভয় থেকে বেচে থাকতে পারবে।
৪. ঘরের কাজকর্ম যেমনঃ ঘর গোছানো, রানাবান্না করা এগিয়ে থাকবে মিলেমিশে সকল স্ত্রী বোনের মত থেকে বাড়িকে সাজিয়ে রাখবে। ফলে সকলের পরিশ্রম কম হবে।
৫. কোন স্ত্রী শশুরবাড়ি বেড়াতে গেলে অন্য স্ত্রী কে নিয়ে সহবাস করতে পারবে ফলে তার কোন মানসিক উৎকন্ঠা বা ফিতনার ভয় থাকবেনা
৬. মহিলাদের জন্য দাওয়াতি কাজ করার সময় বেশি কাজ করা যাবে
৭. অধিক স্ত্রীর সাথে সহবাস করলে নেকি ও সওয়াব ও অনেক বেশি হবে। একইভাবে অধিক সন্তান নেবার সুযোগ বেশি পাবে, উম্মাহ শক্তিশালী হবে।
৮. চারজন স্ত্রী থাকলে একেকসময় একেক স্ত্রীর শরীরের স্বাদ নিবে ফলে তার কখনো বাইরের কোন নারীর প্রতি আকর্ষণ সৃষ্টি হবেনা। মানসিক প্রশান্তি বেশী হবে ফলে মন আত্মা তরতাজা ও সবল হবে এবং আল্লাহর রাস্তায় জীবনকে উৎসর্গ করার অদম্য স্পৃহা সৃষ্টি হবে ইনশাআল্লাহ।
৯. একের অধিক স্ত্রী থাকলে প্রত্যেক স্ত্রী স্বামীকে ভালবাসার প্রতিযোগীতা করবে। একে অপরের বেশি ভালবাসায় ইর্ষান্বিত হবে এবং স্বামীকে সর্বোচ্চ উজার করে দেয়ার একটি সুস্থ প্রতিযোগীতা চলমান থাকবে।
১০. অনেকজন স্ত্রী থাকাতে ষোড়শী স্ত্রীও দুই একজন থাকতে পারে। কম বয়সের স্ত্রী থাকাতে পুরুষের যৌবণ সর্বদা টগবগে থাকবে ফলে অপেক্ষাকৃত বেশী বয়সের স্ত্রীদের সাথে যৌন সম্ভোগে কোন দূর্বলতা আসবে না, ফলে সবাই শারীরিকভাবে সুখী থাকবে।
১১. পুরুষ শারিরীক ও মানসিক ভাবে চনমনে থাকলে তার প্রতিদিনের কাজকর্মও সুন্দর হবে, ফলে চাকরি ও ব্যবসায় বরকত হবে।
১২. বর্তমান সমাজে নারীরা অবহেলিত, লান্চিত। বিয়ের সময় কনে পক্ষ হতে বর পক্ষকে যৌতুক দিতে হয়। এমনও দেখা যায় কিছু মেয়ের বাবা তাদের মেয়েকে বিয়ে দিতে ভিক্ষাবৃত্তি পর্যন্ত করতে বাধ্য হন। সমাজের সামর্থ্যবান পুরুষরা যদি আল্লাহর আইন মেনে একাধিক বিয়ে করেন তাহলে এই ঘৃন্যতম যৌতুক প্রথাটি সহজেই বিলুপ্ত হয়ে যাবে।। আপনি কিছুকাল পরে দেখবেন পুরুষেরা নগদ মহরানা দিয়ে বিয়ে করার জন্য প্রতিযোগিতায় লেগেছে।। আর নারীদের সম্মান বৃদ্ধি হবে।
মহান আল্লাহ তাআলা বলেন,
তোমরা বিয়ে কর নারীদের মধ্যে যাকে তোমাদের ভাল লাগে; দু’টি, তিনটি অথবা চারটি। আর যদি ভয় কর যে, তোমরা সমান আচরণ করতে পারবে না, তবে একটি (মহাগ্রন্থ আল-কুরআন- সূরা নিসা- আয়াত নং ৩)
অনেক নারী চারটি বিবাহকে অধিকার হরন ও জুলুম মনে করে যা কুফর এবং কুরআন বিরোধী হওয়ায় ঈমান ভঙ্গের কারন হতে পারে।
https://www.facebook.com/share/p/ybiAvR19msQkvudw/?mibextid=qi2Omg
৮| একাধিক বিয়ে ইসলামে বৈধ। আর বৈধ বিষয়ে কেউ আমল করলে তাকে ঘৃণা বা অপছন্দ করা অন্যায়। তবে এখানে আমল করার ক্ষেত্রে কিছু শর্ত ও যোগ্যতা থাকা চাই। নইলে এটা নিয়ে অহেতুক ফ্যান্টাসিতে ভোগা যেমন অনুচিত, তেমন ঈমানের জন্য হুমকিস্বরূপও বটে!
এ বিষয়টিকে সামনে রেখে মিশরীয় একজন মুসলিম নারী স্কলার রচনা করেছেন স্বতন্ত্র একটি বই। ইতোমধ্যে তার এ বইটি মিশরসহ আরবি ভাষাভাষী দেশগুলোতে তুমুল জনপ্রিয়তা পেয়েছে। বইটির মুদ্রিত কপি বিক্রি হয়েছে এক মিলিয়নেরও বেশি!
সেই বইটির বঙ্গানুবাদ—’দুই তিন চার। যারা বহুবিবাহকে ঘৃণা করেন, যারা বহুবিবাহ নিয়ে মাত্রাতিরিক্ত ফ্যান্টাসিতে ভোগেন। উভয়ের জন্য বইটি হতে পারে দারুণ সহায়ক,অতএব পড়ুন *হাবিবুল্লাহ
৯| এক পরিচিতি বোনের লিখনি
ইদানীং কিছু নারী দেখছি ফেসবুকে স্বামীর ২য় বিবাহকে প্রমোট করে বক্তব্য রাখছেন। স্বামীর ২য় বা একাধিক বিয়ের সুফল সম্পর্কে বলে বলে ফেনা তুলে ফেলছেন মুখে। প্রথম স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও স্বামীকে ২য় বা একাধিক বিয়ে করতে তারা উৎসাহ দিয়ে চলেছেন। তাঁরা এ-ও বলছেন স্বামীর সামর্থ্যে কুলালে ২য় বা একাধিক বিয়েতে প্রথমার কোন বক্তব্য থাকতে নেই।
বিষয়টি নিয়ে ভেবে দেখলাম, আমার স্বামীর ২য় বিয়ে করার আর্থিক সক্ষমতা মোটামুটি আছে। উনি যদি দ্বিতীয়বার দ্বার পরিগ্রহ করেন, তবে আমারই সুবিধা বেশি। কারণ দীর্ঘ ৩২ বছর যাবৎ সংসারের যাবতীয় কাজ করে করে আমি ক্লান্ত। এখন নতুন একজন আসলে আমাকে সংসারের কাজ, রান্নাবান্না কিছুই করতে হবে না, উপরন্তু কথা বলার একজন সাথী পাব, বাড়তি হিসেবে হয়তো সে আমাদের সেবাযত্নও করবে। শরীরে যখন ব্যাথা-বেদনা হয়, জ্বর হয় তখন মন চায় কেউ একজন সেবাটেবা করুক।
আপনার এ নিয়ে বক্তব্য কী! আপনার কী মত! বিষয়টি আপনি কীভাবে দেখছেন!
১০| একাধিক বিয়ে বৈধ৷ এটা আপনাকে মানতে হবে। বিনা বাক্য ব্যয়ে মানতে হবে। কোনো যুক্তি-টুক্তি চলবে না। যারা একাধিক বিয়ে করে, তাদের দেখে নাক সিটকানো যাবে না। বলা যাবে না- "আরে ধুর! চরিত্র ভালো হলে
কি আর দুই বিয়ে করে"! যদি বলে থাকেন, তাহলে নতুন করে কালিমাহ্ পড়ে নেন। কারণ আপনি কুফরী করেছেন।
পতিতালয়, যিনা, ব্যভিচার বন্ধ করুন, প্রয়োজনে একসাথে সর্বোচ্চ চারটি বৌ রাখুন।
(শ্রদ্ধাভাজনের পোস্ট থেকে)
https://www.facebook.com/share/p/EgFEqhwfpo47ut8b/?mibextid=xfxF2i
১১| ২১-আগস্ট ২০২১ এর প্রতিবেদন-
একাধিক বিয়ে পুরুষকে সুস্থ, সফল ও দীর্ঘায়ু করে
রয়টার্স : যে সব পুরুষ একের অধিক বিয়ে করেন তারা হয়ে থাকেন অধিক আত্মবিশ্বাসী সফল ও সুখী। অন্যদের তুলনায় তারা ১২% বেশি দীর্ঘায়ু লাভ করেন। সংসার ও সন্তান সমৃদ্ধ হওয়ায় বার্ধক্যে তারা তুলনামূলক সুস্থ ও আনন্দিত থাকেন।
প্রথম বিয়ের পর যত অপূর্ণতা ও ব্যর্থতার অনুভূতি আসে পরবর্তী বিয়েতে সেসব দূর হয়ে যায়। জীবনে উৎসাহ-উদ্দীপনা, নতুন উদ্যোগে মনোযোগ, বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন ও ভরপুর জীবনযাপনে পুরুষকে উজ্জীবিত করে পরবর্তী বিয়ে। জীবনকে পূর্ণরূপে কাজে লাগাতে পছন্দের নারীকে বিয়ে করার গুরুত্ব অনেক। আর তা এক বিয়েতে যার না হয়েছে তার জন্য একাধিক বিয়ের বিকল্প নেই। এক কথায় পুরুষের সফলতায় একাধিক বিয়ের গুরুত্ব অনস্বীকার্য।
ব্রিটেনের শেফিলড বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক এ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে, যেসব পুরুষ একাধিক বিয়ে করে তারা তাদের স্বপ্নপূরণে অধিক সফল হয়। পরিবেশিত এক প্রতিবেদনে গবেষকদের বরাত দিয়ে বলা হয়, বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য পর্যালোচনা করে, তারা এ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন। যে সব দেশে বহুবিবাহ অনুমোদিত সেসব দেশের বাস্তবতা বিশ্লেষণ করে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা এসব তথ্য সংগ্রহ করে।
ফিরোজ আলী ২৬ অক্টোবর ২০২২
আল-হামদুলিল্লাহ কিছু দ্বীনি ভাই একাধিক বিয়ে করেছেন সবাই ভালো আছেন আল্লাহ যেন তাদের মাঝে বারাকাত দান করেন আমীন। আর যারা করতে আগ্রহী তারা দোয়া করতে থাকুন।।
১২| কিছু বোনদের আচরণে প্রকাশ পায় যে,তারা যেন একাধিক বিয়ের চরম বিরোধী।
যে কেউ মাসনা করলে তাঁর বিরোধী দল হয়ে তারা অবতরণ করেন।
মাসনা যারা করেন,তাদের নিয়ে বিভিন্নভাবে উপহাস করেন।
মাসনা হতে কেউ বাধ্য নন,কিন্তু কোনো সামর্থ্যবান পুরুষ ইনসাফ বজায় রাখার শর্তে মাসনা করা অবশ্যই উত্তম কাজ।
আল্লাহর রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অধিক বিয়ে করেছেন।
উম্মাহর শ্রেষ্ঠ মানুষ সাহাবায়ে কেরাম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম একাধিক বিয়ে করেছেন।
একাধিক বিয়ে করেননি,এমন সাহাবিদের সংখ্যা একেবারেই কম।
সুতরাং মাসনা করলে আপনার এতো জ্বলে কেন?
আপনাকে মাসনা হতে শরীয়ত বাধ্য করেনি।স্বভাবগতভাবে এটা কেউ তার স্বামীর জন্য অপছন্দ করতে পারেন।
কিন্তু আল্লাহর বিধানকে অপছন্দ করা,মাসনা কারীদের নিয়ে বিদ্রুপ করা জঘন্য পাপ।
https://www.facebook.com/share/p/zCUtJ6tvm1J31Pui/?mibextid=xfxF2i
সর্বশেষ আমার ক্ষুদ্র গবেষণা-
মুসলিম সমাজের অধঃপতন কারণ-
প্রথম দুটি কারণ আলোচনা না করলেই নয়-
১| বিয়েকে কঠিন ও যেনাকে সহজ করে তোলা,ইসলাম ও মুসলিম সমাজকে ধ্বংস করার অন্যতম মাস্টার মাইন্ড।।
২| ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ বিধান-টপিক একাধিক বিবাহকে ঘৃণার নজরে দেখা, সমাজ থেকে নাম নিশানা মিটিয়ে দেওয়া,আল্লাহর বিধানের উপরে আঙ্গুল তুলে বিভিন্ন অযৌক্তিক যুক্তি উপস্থাপন করা, এটিই যেনার পথকে সহজ আর মুসলিম সমাজ ব্যবস্থাকে ধ্বংস করার মাস্টার প্লান।।
মহান আল্লাহ যেই চমৎকার বিধান নাজিল করেছেন এর।রহস্যটা কি?
তিনি বলেন-
وَإِنْ خِفْتُمْ أَلَّا تُقْسِطُوا۟ فِى ٱلْيَتَٰمَىٰ فَٱنكِحُوا۟ مَا طَابَ لَكُم مِّنَ ٱلنِّسَآءِ مَثْنَىٰ وَثُلَٰثَ وَرُبَٰعَ فَإِنْ خِفْتُمْ أَلَّا تَعْدِلُوا۟ فَوَٰحِدَةً أَوْ مَا مَلَكَتْ أَيْمَٰنُكُمْ ذَٰلِكَ أَدْنَىٰٓ أَلَّا تَعُولُوا۟
অর্থঃ আর যদি তোমরা ভয় কর যে, এতীম মেয়েদের হক যথাথভাবে পুরণ করতে পারবে না, তবে সেসব মেয়েদের মধ্যে থেকে যাদের ভাল লাগে তাদের বিয়ে করে নাও দুই, তিন, কিংবা চারটি পর্যন্ত। আর যদি এরূপ আশঙ্কা কর যে, তাদের মধ্যে ন্যায় সঙ্গত আচরণ বজায় রাখতে পারবে না, তবে, একটিই অথবা তোমাদের অধিকারভুক্ত দাসীদেরকে; এতেই পক্ষপাতিত্বে জড়িত না হওয়ার অধিকতর সম্ভাবনা।
মাছনা-ওয়া সুলা-সা ওয়া রুবা-আ ফাইন খিফতুম আল্লা-তা‘দিলূফা ওয়াহিদাতান.....
#দৃষ্টি_আকর্ষণ_করছি-
আল্লাহ্ ১,২,৩,৪ বলতে পারতেন কিন্তু ২,৩,৪,১ বললেনঃ এখানেই এক এক মুফাসসির একেক রকম মত দিয়েছেন-
আমি যেটুকু বুঝেছি একজন পুরুষের যৌন নিবারণের জন্য সর্বনিম্ন ১-সর্বোচ্চ ৪-টি পর্যন্ত জীবন সঙ্গিনী রাখতে পারেন।।
যেমন ধরুন একেক মানুষের খোরাক একেক রকম, একেক মানুষের রুচিও একেক রকম-
কেউ প্রতিদিন ১০০g চাউলের ভাত খায় আমার কেউ ২৫০g, কেউ প্রতিদিন মাছ গোস্ত খায় আবার কেউ সব্জি দিয়েই।চালাই....
সর্বপরি যার যার রুচি আর খোরাক হিসেবে বিবেচ্য,এ বিষয়ে আঙ্গুল তুলে ইসলামের জীবন্ত বিধানকে ঢাকা দেওয়ার কোন অবকাশ ইসলাম দেয়নি।।
অতএব বিরোধিতা হোক হারামের সুন্নাহ্, জায়েজ,কিংবা হালালের নয়।।
আসুন একাধিক বিবাহ সহজ করি,
যেনা-ব্যাভিচারের পথ বন্ধ করি।।
Abu Hafiza Md Habibullah
#আবু_হাফিজা_মোহাম্মদ_হাবিবুল্লাহ
(সূরা আন নিসা ৪/৪র্থ পারা,৭৭-পৃষ্ঠা,আয়াত: ৩)।
১৪-আরেকটি অংশ
এক স্ত্রীতে সন্তুষ্ট থাকা পাপ:সৌদি মুফতি আবদুল্লাহ। #একাধিক_বিয়ে না করলে বান্দা গুনাহগার হবে: সৌদি মুফতী,,প্রবাসীর দিগন্ত ডেস্ক প্রকাশিত: ১৬ নভেম্বর ২০১৮, ।
সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি আব্দুল্লাহ বলেছেন, সামর্থ্য থাকার পরও যদি কোনো মুসলমান একাধিক বিয়ে না করে, তাহলে সেই পুরুষ গুনাহগার হবে। এক টিভি সাক্ষাৎকারে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি আবদুল্লাহ তার আলোচনায় বলেছেন, যে ব্যক্তির একাধিক বিয়ের সামর্থ্য আছে এবং সে সমাজের মুসলিম নারীদের দু'র্দশা সম্পর্কেও অবগত আছে যে- মুসলিম নারীগণ বিবাহিত জীবন লাভ না করায় ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ছে- সে পুরুষ অবশ্যই গুনাহগার হবে।
আমি মনে করি, এমন ব্যক্তি এক স্ত্রীতে সন্তুষ্ট থাকলে গুনাহগার হবে এবং কেয়ামতের দিন সে প্রশ্নের মুখোমুখি হবে যে, তোমার সামর্থ্য থাকার পরও কেন তুমি অপর মুসলিম নারীর পবিত্র ও নিরাপদ জীবনযাপনের ব্যবস্থা করলে না?
মুফতি আব্দুল্লাহ ব্যাখ্যা করে বলেন, বহুবিবাহ না করায় ব্যপকহারে অবিবাহিত মেয়ে রয়ে গেলে সমাজে ব্যা'ভিচার বেড়ে যাবে। কোনো স্ত্রী যদি স্বামীর পরবর্তী বিবাহে বাধা দেয়, তাহলে অন্য মেয়ের অ'ভিশাপ ১ম স্ত্রীর উপর পড়বে। কারন কোনো পুরুষের দেহ ৪ জন পর্যন্ত নারী ভোগ করতে পারতো, এক স্ত্রী হয়ে তুমি বাকি ৩ নারীর যৌ'ন
অধিকার কেন ন'ষ্ট করলে? একজন পুরুষের দেহে সব্বোর্চ্চ ৪ জন নারীর অধিকার আছে। শুধু একজনের নয়। পুরুষতো নারীর মতো নয়, তাই পুরুষের বেলায় হুকুমত নারীর মতো হবে না।
মুফতি আব্দুল্লাহ বলেন, আল্লাহ যদি কোন নারীকে প্রশ্ন করেন, এত এতো যুবক হস্তমৈথুনের মতো গুনাহের কাজে অভ্যস্ত ছিল, হ'তাশায় ছিল। তুমি কেন ২/৩টি বিয়ে করে তাদের উদ্ধার করলে না? তখন নারী বলবে, হে আমার রব, আমার জন্যে একসাথে বহু পুরুষকে বিবাহ করা জায়েজ করেননি আপনি। অপরপক্ষে কোনো পুরুষর এ কথা বলে বাঁচতে পারবে না।
এছাড়া বহু বিবাহের অনু'প্রেরনা কোরআনে না থাকলে সাহাবীরা কখনও বহুবিবাহ করতেন না এবং উৎসাহ দিতেন না- বলে মন্তব্য করেন সৌদি আরবের এই সর্বোচ্চ ধর্মগুরু।
الاكتفاء بزوجة واحدة خطيئة: مفتي السعودية عبد الله.
إذا لم تتعدد الزيجات فالخادم مذنب: مفتي السعودية، مكتب أفق المغتربين تاريخ النشر: 16 نوفمبر 2018
قال عبد الله مفتي المملكة العربية السعودية، إنه إذا لم يتزوج المسلم عدة زيجات رغم قدرته على ذلك، فإن ذلك الرجل سيكون مذنباً. وأدلى بهذا التعليق في مقابلة تلفزيونية.
قال مفتي المملكة العربية السعودية عبد الله في مناقشته إن الرجل الذي لديه القدرة على الزواج المتعدد ويدرك محنة المرأة المسلمة في ذلك المجتمع - فالنساء المسلمات يعانين من خسائر فادحة بسبب عدم وجود حياة زوجية - يجب أن يكون كذلك. آثم.
أعتقد أن مثل هذا الشخص إذا رضي بزوجة واحدة فإنه سيكون آثما وسيواجه السؤال يوم القيامة: لماذا لم ترتب لامرأة مسلمة أخرى أن تعيش حياة مقدسة وآمنة على الرغم من أن لديك القدرة على ذلك؟ سعة؟
وأوضح المفتي عبد الله أنه إذا بقيت الكثير من الفتيات غير متزوجات بسبب تعدد الزوجات، فإن الزنا سوف يكثر في المجتمع. وإذا منعت الزوجة زواج زوجها بعد ذلك، وقعت لعنة الابنة الأخرى على الزوجة الأولى. لأن جسد الرجل يمكن أن يستمتع به ما يصل إلى 4 نساء، كونك زوجة فأنت جنس النساء الثلاث المتبقيات
لماذا هدم الحق؟ للرجل الحق في 4 نساء كحد أقصى في جسده. ليس واحدا فقط. الرجال ليسوا كالنساء، لذلك لن يكون حكم الرجال كالنساء.
وقال المفتي عبد الله: "إذا سأل الله أي امرأة، فقد اعتاد الكثير من الشباب على ارتكاب المعاصي مثل العادة السرية وكانوا في حالة يأس". لماذا لم تنقذهم بالزواج 2/3؟ فتقول المرأة: يا رب، لم تحل لي أن أتزوج رجالاً كثيرين في وقت واحد. ومن ناحية أخرى، لا يمكن لأي إنسان أن يعيش بقول هذا.
وبصرف النظر عن هذا، إذا لم يشجع القرآن على تعدد الزوجات، فلن يمارس الصحابة تعدد الزوجات أبدًا ولن يشجعوا عليه - قال أعلى رجل دين في المملكة العربية
السعودية.
👉আমাদের প্রিয় শায়েখ আবদুল্লাহ আল কাফীর স্ত্রী মাহমুদা খাতুনের লেখা,মাশাআল্লাহ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।👇
আমার স্বামী একাধিক বিয়ে করেছিলো।ফলে আমার অনেক সমস্যা হয়েছিলো এবং আমি অনেক কষ্ট পেয়েছিলাম।তারপরও আমি পুরুষদের একাধিক বিবাহকে সমর্থন করি এবং এটাকে অন্তর থেকে সন্মানও করি আবার এর পক্ষে লিখালিখি করি তা দেখে কিছু বোন খুব আশ্চর্য এবং চিন্তিত।কারণ তারা দেখেছে আমার জীবনে ঘটে যাওয়া অনেক ঝড় ঝাপ্টা। এত কিছুর পরও আমি কিভাবে এর পক্ষে কথা বলছি এটা আসলেই চিন্তার বিষয়। তবে আমি চিন্তা করে দেখেছি, পড়ালিখা করে বুঝেছি বিষয়টা যদিও আমাদের জন্য অনেক কষ্টকর মনে হয় আসলে এতে মহান আল্লাহ আমাদের সকলের জন্য কল্যানই রেখেছেন কিন্তু আমরা তা বুঝতে পারিনা।আল্লাহর কোনো বিধান মানতে গিয়ে কষ্ট হলে তার প্রতিদানও বড় হবে ইনশাআল্লাহ।
একবার ভাবুনতো বোনেরা!কেমন হতো যদি আল্লাহ তাআলা প্রত্যেক পুরুষের জন্য ৪টি করে বিবাহ করা ফরজ করে দিতেন? আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ এটা ফরজ করেননি।সুম্মা আলহামদুলিল্লাহ।
ফরজ হলে তো অধিকাংশ নারী এই বিধান অমান্য করে কুফরি করে জাহান্নামে চলে যেতো।তবে এখনও যারা এই হালাল কাজটিকে ঘৃনা করবে এবং মনে করবে যে এই বিধান দিয়ে আল্লাহ নারীদের প্রতি অবিচার করেছেন বা বলবে যে এই একাধিক বিবাহ বর্তমান যুগের পুরুষদের জন্য জায়েজ নেই তাহলে সেও কুফরি করে জাহান্নামে চলে যাবে।এই বিষয়ে আমি ইতিপুর্বে একটি পোষ্ট লিখেছিলাম। আবারও লিখছি কারন অনেক মুসলিম বোন আছেন যারা এই বিষয়টি বুঝেনা যার ফলে তারা আল্লাহর একটি বৈধ বিধানকে অবৈধ বা হারাম মনে করে নিজেদের ঈমান নষ্ট করে সমস্ত আমল বাতিল করে ফেলছেন অথচ তারা কিছুই জানতে পারছেনা।আমার লেখার মানে কিন্তু এটা নয় যে প্রত্যেক নারীকে তার স্বামীকে একাধিক বিয়ে করাতে হবে।শুধু বিশ্বাসটা রাখতে হবে এবং আল্লাহর এই বিধানটিকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করা যাবেনা।এর প্রতি সন্মান প্রদর্শন করতে হবে এটুকুই যথেষ্ট হবে ইনশাআল্লাহ।
আল্লাহ নারীজাতিকে সৃষ্টি করেছেন পুরুষদের মানসিক শান্তির জন্য। এবং তাদেরকে ৪ টি পর্যন্ত বিবাহ করার অনুমতি দিয়েছেন তাই তারা তাদের পছন্দমতো ২/৩/৪ নারীকে বিয়ে করতে পারবে যদি সামর্থ থাকে সমতা রক্ষা করার। অর্থাৎ পুরুষের শারীরিক, আর্থিক এবং ঈমানি শক্তি থাকা লাগবে। যাদের এই ৩ রকম শক্তি সামর্থ থাকবে তারা যেমন নারী পছন্দ করবেন তেমন নারীই বিবাহ করতে পারবেন। চাইলে মা খাদিজার মত তাকাকপ্রাপ্তা বিধবা এবং বয়স্ক নারী বিবাহ করতে পারবেন আবার চাইলে মা আয়েশার মত ছোট্ট বালিকা এবং কুমারী মেয়ে বিয়ে করতে পারবেন।জরুরি নয় যে, একজন স্ত্রী আছে, ছেলেমেয়ে আছে তাই তাকে তালাকপ্রাপ্তা বা বিধবাই বিয়ে করতে হবে। যার যাকে পছন্দ হবে তাকেই বিয়ে করতে পারবে।এতে প্রথম স্ত্রীর অনুমতি নেওয়া জরুরি নয়।অনুমতি ছাড়াই বিয়ে করতে পারবে এবং স্ত্রীর কোনো সমস্যা না থাকলেও বিয়ে করতে পারবে। আল্লাহ বলেন
فانكحوا ما طاب لكم من النساء مثنى وثلاث ورباع
নারীদের মধ্যে যাকে পছন্দ হয় তাকে দুই, তিন, চার পর্যন্ত বিবাহ করো।সুরা নিসা ৩ নং আয়াত।
হাদিসে বর্নিত হয়েছে যে, নারীকে বিবাহ করা হয় ৪ টি বিষয় দেখে।
১। তার সম্পদ দেখে
২। তার বংশমর্যাদা দেখে
৩। তার রুপ সৌন্দর্য দেখে
৪। তার দ্বীনদারিতা দেখে
তবে তুমি দ্বীনকে প্রাধান্য দিবে নতুবা তুমি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
(বুখারি )৫০৯০
একজন নারীর মধ্যে সবগুন একসাথে পাওয়া যায়না।কেউ সম্পদ ওয়ালা কিন্তু সুন্দরী নয়,কেউ সুন্দরী কিন্তু তার মধ্যে ধর্মীয় জ্ঞান নাই,কেউ অনেক দ্বীনদার পরহেজগার কিন্তু সুন্দরী নয়।
তাই দেখা যায় কেউ সম্পদ দেখে বিয়ে করে,কেউ বংশ দেখে বিয়ে করে কেউ সৌন্দর্য দেখে বিয়ে করে আর কেউ দ্বীন দেখে বিয়ে করে।
যারা দ্বীন দেখে বিয়ে করে তারা দুনিয়া এবং আখিরাতে সফলকাম হবে।
আর এরাই কিয়ামতের কঠিন দিনে আনন্দে মশগুল থাকবে।স্বামী স্ত্রী জান্নাতের সুশীতল ছায়ায় উঁচু উঁচু আসনে হেলান দিয়ে বসবে।তাদের রবের পক্ষ থেকে তাদেরকে সালাম জানানো হবে।সুরা ইয়াসীন।৫৫,৫৬,৫৭ নং আয়াত।
অনেক মহিলা আছে স্বামী ২য় বিয়ের ইচ্ছা প্রকাশ করলেই ঝগড়া শুরু দেয় এবং স্বামীকে ছেড়ে চলে যায় বা চলে যাবো বলে ভয় দেখায়।তুমি বিয়ে করলে আমিও বিয়ে করবো ইত্যাদি বলে। অথবা ডিভোর্স দিয়ে দেয় অথবা খোলা তালাক নিয়ে চলে যায়।এই মহিলাগুলো চরম মুর্খ।এরা জান্নাতে যাবেনা এমনকি জান্নাতের গন্ধও পাবেনা অথচ জান্নাতের ঘ্রান ৭০ হাজার মাইল দূর থেকে পাওয়া যায়।
স্বামী বিয়ে করার পর যদি তোমার হক্ব আদায় না করে,তোমাকে অবহেলা করে,কষ্ট দেয় তাহলে তখন তুমি চাইলে আইনের আশ্রয় নিয়ে নিজের হক্ক আদায় করে নিতে পারো অথবা খোলা তালাক নিয়ে চলে যেতে পারো কোনো সমস্যা নাই আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহ কাউকে জুলুম সহ্য করে থাকতে বলেন নাই।আল্লাহ কারও প্রতি জুলুম করেননা।আল্লাহ বলেন,
وما انا بظلام للعبيد
আমি বান্দাদের প্রতি জুলুমকারী নই।সুরা ক্বফ ২৯ নং আয়াত।
তবে পুরুষদের শুধু আর্থিক এবং শারীরিক ক্ষমতা থাকলেই একাধিক বিয়ে করা জায়েজ হবেনা।প্রত্যেক স্ত্রীর মাঝে সমতা রক্ষা করার মতো মানসিকতা, বিশ্বাস এবং সামর্থ্য থাকতে হবে।এক স্ত্রীকে দেশে আর এক স্ত্রীকে বিদেশে নিয়ে থাকবে একজনের জন্য বেহিসাব খরচ করবে আরেকজনের জন্য মৌলিক খরচটাও করবেনা।এমন করলে সেই ব্যক্তি বেইনশাফী করার কারণে গুনাহগার হবে।হাদীসে আছে যার ২ জন স্ত্রী রয়েছে আর সে তাদের একজনের দিকে বেশি ঝুঁকে গেছে তাহলে কিয়ামতের দিন সে বিকলাংগ অবস্থায় উঠবে। একাধিক স্ত্রীর মধ্যে রাত্রিযাপন এবং খরচের ব্যপারে সমতা রক্ষা করতে হবে।বিবাহ গোপন রেখে প্রথম স্ত্রীর সাথে মিথ্যার আশ্রয় নেওয়া যাবেনা।
দ্বিতীয় তৃতীয় বিবাহের জন্য প্রথম স্ত্রীর অনুমতি নেওয়া জরুরি নয় এবং স্ত্রী জানতে পারলে সমস্যা হবে এই ভয়ে অনেকেই গোপনে বিয়ে করেন অর্থাৎ প্রথম স্ত্রীকে না জানিয়ে বিয়ে করেন এবং কোনো স্ত্রীর হক্ব আদায় করতে পারেন না সঠিকভাবে।
তাই যদিও স্ত্রী কখনও অনুমতি দিবেনা তারপরও তাকে জানিয়ে বিয়ে করা উচিত। স্ত্রীকে সামাল দিতে পারবেন না এমন লোকদের একাধিক বিয়ে করা উচিত নয় যতই তার শক্তি সামর্থ থাকুক।আল্লাহ সবাইকে বুঝার তাওফীক দিন।আমীন!!!
*৷ এই অংশ আমাদের প্রিয় শায়েখ আবদুল্লাহ আল কাফীর স্ত্রী মাহমুদা খাতুনের লেখা
বক্তব্যটি নিরপেক্ষ ভাবে অনুধাবন করার অনুরোধ করছি
https://www.facebook.com/share/v/HtbvA6z1e4TL1jax/?mibextid=kqHFok
#আবু_হাফিজা_মোহাম্মদ_হাবিবুল্লাহ
২৯-ই জিলহাজ্জ্ব,১৪৪৫-হিজরী,২২- আষাঢ় ১৪৩১,৬-ই জুলাই ২০২৪
জাজাকাল্লাহু খাইর।।