সৎসঙ্গ দেওঘর

সৎসঙ্গ দেওঘর সৎসঙ্গ

01/11/2023

শরৎদা-- আমাদের জীবনে যে suffering (দুঃখ-কষ্ট) আসে, সেটা কি পরমপিতার আশীর্ব্বাদ?
শ্রীশ্রীঠাকুর-- Suffering (দুঃখ-কষ্ট) আশীর্ব্বাদ হয়, যদি তা' principle (আদর্শ)-- এর জন্য হয়। ততখানি interest (অনুরাগ) যদি থাকে, show (লোকদেখান) না হ'য়ে real love (প্রকৃত ভালবাসা) যদি থাকে। ধরুন এই রাত এগারটার সময় আমি আপনাকে বললাম রাবড়ী আনার কথা;- এই রাত্রে এখানে থেকে বাজারে গিয়ে রাবড়ী আনা তো কম পরিশ্রমের ব্যাপার নয়, রাস্তায় আপনার কষ্টই হবে। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে যখন আপনি রাবড়ীটা নিয়ে আমাকে খেতে দিলেন, আমি খেলাম। আপনার তখন মহাসুখ। কোন কষ্টবোধ থাকে না। এই প্রলোভনেই মানুষের কাছে কষ্ট আর কষ্ট থাকে না। কিন্তু ভালবাসা নেই, forced (বাধ্য) হ'য়ে আপনাকে যেতে হ'লে পা যেন আর এগুতেই চা'বে না। বিরক্তি ও কষ্ট মনে হবে। হয়তো খানিকটা দূর ঘুরে এসে বললেন- পেলাম না। তা ব'লেও অবশ্য শান্তি পাবেন না। বিরক্তি ও কষ্ট মনে হবে। হয়তো খানিকটা দূর ঘুরে এসে বললেন- পেলাম না। তা ব'লেও অবশ্য শান্তি পাবেন না। মনে একটা খোঁচা লেগে থাকবে। তার ফলে বাড়ী যেয়ে হয়তো তিনদিন অসুখ হ'য়ে পড়ে থাকবেন। আসল জিনিস love , adherence , interest (ভালোবাসা, নিষ্ঠা, অনুরাগ)।
শ্রীশ্রীঠাকুর প্রসঙ্গক্রমে বললেন- অনেক সময় আমাদের interest (স্বার্থ) হয় money (অর্থ) , man (মানুষ) নয়। ফলের উপর interest (স্বার্থ) হয় গাছকে বাদ দিয়ে। কিন্তু একটা শসা গাছ থেকেই যদি শসা পেতে হয়, তাহ'লে সেই শসা গাছটারই কতখানি যত্ন নেওয়া লাগে, তার সেবা করা লাগে, nurture (পোষণ) দেওয়া লাগে। সেবার মধ্যে আছে তিনটি জিনিস- পরিপোষণ, পরিরক্ষণ আর পরিপূরণ।
আঃ প্রঃ-- ১৩ খন্ড।

12/09/2023

ঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের লীলা দেখুন , পাবনা থেকে মোল্লাদের তাড়া খেয়ে ঝাড়খন্ড এ আশ্রয় নিলেন | মজার ব্যাপার হচ্ছে , বাংলাদেশের পাবনা আর ঝাড়খন্ড এর রাঁচি শহর দুটোই পাগলাগারদের জন্যে বিখ্যাত | ঠাকুর কি তার মানে বুঝতে পেরেছিলেন ?

27/08/2023

#ঠাকুরের_মঙ্গল_অভিযান

একবার কেষ্টদা প্রশ্ন করেছিল - "গুরুদেব, আপনি কি মঙ্গল গ্রহে কখনও গিয়েছেন?"

শ্রীশ্রীঠাকুর— "হ্যাঁ, গিয়েছি বৈকি। শুধু কি যাওয়া ! তাদের সঙ্গে কথাবার্তা বলা, মেলা-মেশা—এই আপনাদের সঙ্গে যেমন করছি—এই রকমই আর কি। ………তাদের মধ্যে খুব বড় বড় বৈজ্ঞানিকও আছে। আমাদের সঙ্গে ভাবের আদান-প্রদান হলে সেখানেও যেমন নূতন সৃষ্টি গজাবে এখানেও তাঁর ব্যত্যয় হবে না।"

কেষ্টদা বলিলেন— আমরা কিভাবে তাদের বার্তা জানাব?

শ্রীশ্রীঠাকুর বলিলেন— "আমরা এখান থেকে বার্তা পাঠাব ইথারের মধ্য দিয়ে যেমন wireless করছে, ঐখানে গিয়ে সেটা হবে শব্দে পর্যবসিত। তাই বলছিলাম একটা Universal language করতে।'

(সূত্রঃ ব্রজগোপাল দত্তরায় প্রণীত জীবনীগ্রন্থ ২য় খণ্ড, পৃঃ ১১৮)

#শ্রীশ্রীঠাকুর

23/08/2023
তোমরা যদি যজন, যাজন, ইষ্টভৃতি ঠিকমত কর ও ঠিকমত চারাও, এর ভিতর সেবার কিছুই বাদ পড়ে না। যাজনের ভিতরই আছে বাস্তব সেবা, সহা...
20/08/2023

তোমরা যদি যজন, যাজন, ইষ্টভৃতি ঠিকমত কর ও ঠিকমত চারাও, এর ভিতর সেবার কিছুই বাদ পড়ে না। যাজনের ভিতরই আছে বাস্তব সেবা, সহানুভূতি, সাহচর্য্য ও সাহায্য --- তা' যেখানে যেমন প্রয়োজন। আর, সত্তাসম্বর্দ্ধনার ভিত্তিই হ'লো সক্রিয় ইষ্টপ্রাণতা। আর সক্রিয় ইষ্টপ্রাণতার অভিব্যক্তিই হ'চ্ছে যজন, যাজন, ইষ্টভৃতি, সদাচার ইত্যাদি। তাই ইষ্টপ্রাণ চলনায় চলা ও ইষ্টপ্রাণতা সঞ্চারিত করার ভিতর সপরিবেশ নিজের সর্ব্বাঙ্গীণ মঙ্গল নিহিত। প্রবৃত্তিপরামৃষ্ট একটা মানুষের জীবনের ধারাকে বদলে দিয়ে, তাকে যদি ইষ্টপথের পথিক ক'রে তোলা যায়, তা' একটা রাজ্যপত্তনের থেকে কম গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার নয়। একটা মানুষ যদি প্রকৃত ইষ্টমুখী হয়, সে যে কত মানুষের কত উপকারে লাগে, তার কি কোন লেখাজোখা আছে ? মানুষগুলি ভেঙ্গেচুরে তছনছ হয়ে যাচ্ছে। ঋত্বিক্ রা হ'লো মানুষের মিস্ত্রী। তাদের কাজ হ'লো ভাঙ্গা মানুষগুলিকে জোড়া লাগিয়ে দেওয়া। মানুষগুলি যদি গ'ড়ে ওঠে, তাদের যদি ভালভাবে মেরামত ক'রে তোলা যায়, তখন তারা নিজেরাই সব করতে পারবে। মেরামত করা মানে, খাঁকতিগুলিকে আপুরিত করা—বাস্তব কৃতি-সন্দীপনায়। আর এমনতর ক'রে তোলার পথে যেখানে যখন যেমনতর সেবা দেওয়ার প্রয়োজন, তা' দিতে হবে। সবার মধ্যে সেবাবুদ্ধি ও পারস্পরিকতা গজিয়ে দিতে হবে। তাহ'লে কা'রও কোন দুঃখ থাকবে না, কা'রও কোন অভাব থাকবে না। সৎসঙ্গীরা গুরুভাইদের জন্য ও পারিপার্শ্বিকের জন্য যা' করে, তার তুলনা হয় না। এ তো কেবল সুরু। ঋত্বিক্ রা যা' বলে, তা' যদি নিজেরা করে, তাহলে যে কী হয়, তা' কওয়া যায় না। চাই তপস্যা, চাই চরিত্র। চরিত্রই চারায় ।।

প্রীতির স্বরে কথা বলিস              ছেড়ে অসৎ ধৃষ্টতা,দোষের কথা বলতে গেলেও                 অনুকম্পায় বলিস তা। ১০৪দরদ নি...
19/08/2023

প্রীতির স্বরে কথা বলিস
ছেড়ে অসৎ ধৃষ্টতা,
দোষের কথা বলতে গেলেও
অনুকম্পায় বলিস তা। ১০৪

দরদ নিয়ে প্রীতির পথে
শ্রদ্ধা সমাদরে,
পারিস যদি বলিস কথা
হৃদয় স্পর্শ ক’রে। ১০৫

দৃষ্টি রেখে মিষ্টি ক’রে
সুযুক্তিতে ক’স কথা,
আপ্যায়নায় ফুল্ল করিস
দিসনে কা’রো মনে ব্যথা। ১০৬

বিনয়-বীণার ঝঙ্কারে তুই
আলাপ করিস সবখানে,
কথার রণন ভাব-ভঙ্গীতে
ঢেউ তুলে দিস সব প্রাণে । ১০৭

হামবড়াইয়ে শোনায় তোমায়
সত্যি-মিথ্যা যা হোক তাই, শুরু
সুধী-সুন্দর উত্তর দিয়ে
ভেঙ্গেই দিও তার বড়াই । ১০৮

আচার-ব্যভার সৎ হোক তোমার
জীবন-চলন হোকরে সাধু
হৃদয় ভরা স্বস্তি রহুক
কথায় ফুটুক মিষ্টি-মধু। ১০৯

মিষ্টি কথাই ভাল কথা
সব সময় নয় এমনতর,
শুভ সন্দীপনী যেটা
তা’ইতো ভাল, তা’ইতো দড়। ১১০

🚩 শ্রী শ্রী ঠাকুর 🚩♦️ ইষ্টবাণী ♦️
#বন্দে_পুরষ্তমম্ #জয়গুরু #শ্রীশ্রীঠাকুর_অনুকূলচন্দ্র #শ্রীশ্রীঠাকুর #জয়গুরু_সবাইকে

19/08/2023

#মাছ_মাংস_খাওয়া_উচিত_নয়_কেন

বিঃদ্রঃ:-নীচের বাণীগুলি দয়াল ঠাকুরের। এই ব্যাখ্যা বা সিদ্ধান্ত আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের সাথে সাংঘর্ষিক কিনা তা ঐ বিভাগের বিশেষজ্ঞদের থেকে জেনে নেওয়া বা এগুলো বিশ্বাস করে মাছ মাংস খাওয়া ছেড়ে দেবেন কিনা --দুটিই পাঠকের ব্যক্তিগত ইচ্ছা। এই পোস্টে পোস্টদাতার নিজস্ব মতামত নেই। 🙏

১) ঠাকুর একটু থেমে বললেন—'নিজস্ব observation (পর্য্যবেক্ষণ) থাকলে অনেক জিনিস ধরা পড়ে। বোঝা যায় কোনটা ভাল, কোনটা মন্দ। আমি যখন মাছ খেতাম, দু-চার দিন এক জায়গায় প্রস্রাব করলে সেখানকার ঘাস মরে যেত। কিন্তু মাছ খাওয়া ছেড়ে দিয়ে দেখতাম অমন মরতো না। আমার মনে হয়, মাছ খাওয়ায় শরীরে toxin (বিষক্রিয়া) বাড়ে,তাই অমন হয়।"

( তথ্যসূত্র:আলোচনা প্রসঙ্গে ৮ম খণ্ড/২.৭.১৯৪৬ )

২) প্রশ্ন: মাছ মাংস কেন খাওয়া যায় না?
শ্রী শ্রী ঠাকুর :-মাছ মাংসে এ্যাসিড হয়। এ্যাসিড হয়ে longevity (আয়ু) কমিয়ে দেয়।

(তথ্যসূত্র:-দীপরক্ষী ৪র্থ খণ্ড, ২০/০৯/১৯৫৮)

৩) প্রাণীকোষকে প্রাণীকোষ হজম করতে চায় না, তাকে প্রত্যাখ্যান করে। প্রাণী কোষ নিজের অস্তিত্ব বজায় রাখার জন্য কোষ বিভাজন বেড়ে যায়। তাতে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। তাই মাছ-মাংস খাওয়া অনুচিত।
অবশ্য ,একান্ত প্রয়োজনে ডিম এবং দুম্বার মাংস খাওয়া যেতে পারে কারণ এগুলো কম জীবনীশক্তি সম্পন্ন।

(তথ্যসূত্র: আলোচনা প্রসঙ্গে, খণ্ড-১৯ তারিখ১১/৯/১৯৫০)

***** ***** **** ***** ***** *******

19/08/2023

Joy guru

🙏জয়গুরু🙏শ্রীশ্রীঠাকুর ভক্তবৃন্দ-----পরিবেষ্টিত হ'য়ে প্রাতে গোল তাঁবুতে সমাসীন। প্রফুল্ল আনন্দ বাজার পত্রিকা প'ড়ে শোনাচ্ছ...
07/08/2023

🙏জয়গুরু🙏

শ্রীশ্রীঠাকুর ভক্তবৃন্দ-----পরিবেষ্টিত হ'য়ে প্রাতে গোল তাঁবুতে সমাসীন।

প্রফুল্ল আনন্দ বাজার পত্রিকা প'ড়ে শোনাচ্ছিল।
শ্রীশ্রীঠাকুর তেনজিং ও হিলারীর পর্ব্বতারোরণ সম্বন্ধে
জানতে চাইলেন। সে-বিষয়ে কাগজে বিশেষ কিছু বেরোয়নি। সাধারণভাবে আলোচনা হ'চ্ছিল।

দুমকার দাদাদের জন্য যতি-আশ্রমে বিশেষ রান্নার
ব্যবস্থা হ'য়েছে। মায়ামাসিমা রান্নাবান্না ক'রেছেন।
শ্রীশ্রীঠাকুর স্বয়ং একবার যতি-আশ্রমের রান্নাঘরে ঢুকে
ব'সে রান্নার খোঁজখবর নিয়ে গেলেন।কালিদার রান্নাতে
যা'তে ঝাল না দেওয়া হয় সেকথা বিশেষ ক'রে ব'লে
গেলেন।
শ্রীশ্রীঠাকুর সন্ধ্যায় অশ্বত্থেতলায়।বিনোদবাবু এসেছেন।
কথায়-কথায় তিনি বললেন----আমাদের মধ্যে মাংস
খাওয়ার প্রথা বড় বেশী। পূজা আচ্চা,বিয়ে-থাওয়ার
ব্যাপারে পাঁঠা খাওয়ার ধুম পড়ে যায়।

শ্রীশ্রীঠাকুর----এটা ভাল নয়। আগে বামুনরা বড় একটা
মাংস খেতন না।

এরপর তেনজিং হিলারীর মাউন্ট এভারেস্ট আরোহণ
সম্বন্ধে কথা উঠল।

শ্রীশ্রীঠাকুর---পাহাড়ে ওঠার কথা শুনে মনে হ'চ্ছে আমি
আগে যখন ভজন-টজন ক'রতাম, সে সময়কার কথা।
তখন এক-এক সময় মনে হ'ত অসম্ভব, আর,যেন পারা
যায় না।

বিনোদবাবু--ওরা যে এবার অভিযানে কৃতকার্য্য হয়েছে,
তার পেছনে ওদের আগ্রহ ছিল রাজ্যাভিষেকের আগে
এলিজাবেথকে বিজয় বার্ত্তা জানান।

শ্রীশ্রীঠাকুর----রাজতন্ত্রের রকমটা যদি থাকে তাহ'লে
অমনি হয়। শুধু গনতন্ত্রে তা' হবে না-। ঐরকমটা ছিল
জাপানে। ইংল্যান্ডে এখনও আছে।

Ism-এর(বাদের) যত সৃষ্টি হয় ততই healthy tradition (সুষ্ঠু) ঐতিহ্য বাদ পড়ে যায়, তাতে সমস্ত জাতি ক্ষতিগ্রস্থ হয়। আপনাদের যা' ছিল, তা' সবাইকে fulfil
করে(পরিপূরণ করে), বিচ্ছিন্নভাবে নয়,সুবিন্যস্তবাবে।

কেষ্টদা---সমগ্র ভারত জুড়ে এরকমটা ছিল না।

ক্রমশঃ--------- পৃষ্ঠা =৭১+৭২,
১৪ই আষাঢ়, ১৩৬০,রবিবার(২৮।৬।১৯৫৩)
"আলোচনা-প্রসঙ্গে" (দ্বাবিংশ খন্ড)
----------শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূল চন্দ্র

07/08/2023

#ডিপি_ওয়ার্ক_ইষ্টভৃতি_ও_এক_সৎসঙ্গী_পরিবার।

প্রতিবেশী সৎসঙ্গী এবং এক ঋত্বিকের যাজনের প্রভাবে ত্রিপুরার একজোড়া দম্পতি ঠাকুরের দীক্ষা নেন ২০১৮ সনে। দীক্ষা নিয়ে শ্রী শ্রী ঠাকুর, বড়মা, বড়দা এবং দাদাকে আসনে প্রতিষ্ঠা করেন এবং যথারীতি ইষ্টভৃতিও দেওঘরে পাঠাতে থাকেন।
এদিকে ডাক্তারি পাঠরত ছেলে ২০১৯ এ বাড়ি এসে ইষ্টভৃতি দেওয়াতে যে ঝামেলা হয় তা বিবেচনা করে সৎসঙ্গ দেওঘরের স্টেট ব্যাংক অব্ ইন্ডিয়ার ভেরিফাইড একাউন্টে মাসিক ১০ টাকা ইষ্টভৃতি পাঠানোর ব্যবস্থা করে এবং তা প্রতি মাসের জন্য অটো ডিপজিট মোড করে রেখে দেয়। ওর যুক্তি হলো--
১) প্রতি মাসে উপযোজনা কেন্দ্রে যাওয়ার ঝামেলা নেই।
২) ইষ্টভৃতি পাঠাতে ঋত্বিক বা অন্য গুরুভাই/ গুরু বোনের সাহায্যের দরকার নেই।
৩) ইষ্টভৃতি ঠাকুরের জন্য নিবেদিত এবং সৎসঙ্গ দেওঘরের একাউন্টও ঠাকুরের জন্য। তাই ঋত্বিক প্রণামী হোক বা অন্য কিছু-- অন্তর্যামী ঠাকুর বুঝবেন, জানবেন এবং ঐ ১০ টাকা থেকেই তা নেওয়া-দেওয়া হয়ে যাবে। ১০ টাকা যৎসামান্য হলেও ঠাকুর ভোগ তো ঘরেও নেবেদন হয়, স্থানীয় সৎসঙ্গ মন্দিরের আর্থিক অবদান রাখা হয় ঠাকুরকে ভালবেসে, শ্রদ্ধায়।

এভাবেই চলছিল গত জুলাই -২০২৩ পর্যন্ত।
এদিকে অবিন্দার ডিপি ওয়ার্ক শুরু হলে অর্ঘ্য প্রশস্তি রেকর্ড চেক করে ধরা পরে যে ঐ পরিবার ইষ্টভৃতি দিচ্ছেন না অর্থাৎ ওরা দলছুট। ওর মাকে মাতৃসম্মেলনে এ ব্যাপারে সরাসরি প্রশ্ন না করা হলেও জানতে চাওয়া হয় উনি ইষ্টভৃতি কোথায় জমা করেন এবং কিভাবে করেন। উনি ঘরে এসে সবিস্তারে জেনে জানাবেন বলে চলে আসেন।
গতকাল রাতে ফোনে এ ব্যাপারে উনার ছেলে আমার থেকে জানতে চাইলে আমি ওকে বলি যে ওরা যেভাবে ইষ্টভৃতি দিয়েছে তা আসলে ইষ্টভৃতি নয় এবং তাই ওদের ২০১৯ থেকে ২০২৩ জুলাই অবধি পেন্ডিং ইষ্টভৃতি কোনো ঋত্বিক বা উপযোজনা কেন্দ্রে নির্দিষ্ট ফর্ম পূরণ করে জমা দেওয়া উচিত।বলে দেই ওর আজ অবধি চাকরি না হওয়ার এটি একটি কারণ হতে পারে কারণ ঠাকুর বলে গেছেন যে চলার পথে ভুল হলে বুঝতে হতে ইষ্টভৃতিতে গণ্ডগোল আছে।
প্রশ্ন করলো যে ও যেভাবে ওর মা বাবার ইষ্টভৃতি দেওয়ার ব্যবস্থা করলো তাতে অসুবিধা কোথায়। আমি বললাম, দেখ--
১) ইষ্টভৃতি যারা দেয় তাদের অর্ঘ্য প্রশস্তি কার্ড থাকে। ঠাকুরের দীক্ষিত যে তার প্রমাণ পত্র হলো এই অর্ঘ্য প্রশস্তি কার্ড।
২) এই কার্ড এবং আই ডি-র কোড নং বলে দেবে ইষ্টভৃতি নিয়মিত দেওয়া হচ্ছে কিনা, কত দেওয়া হচ্ছে, পেন্ডিং ইষ্টভৃতি আছে কিনা ইত্যাদি।
৩) অর্ঘ্য প্রশস্তি কার্ড সাথে নিয়ে গেলে সৎসঙ্গ দেওঘর বা অন্য যে কোনো সৎসঙ্গ মন্দিরে থাকা এবং খাওয়া সুবন্দোবস্ত থাকবে।
৪) যেহেতু সব সৎসঙ্গীর (নতুন এবং পুরাতন) ঐ রেকর্ড(আই ডি) সৎসঙ্গ হেড অফিসে ও থাকবে এবং কম্পিউটার আপডেশন করা হবে তাই মোট সৎসঙ্গীর সংখ্যা, ওদের ঠিকানা, ওদের ঋত্বিকের নাম, ওদের নিবেদন করা ইষ্টভৃতির পরিমাণ দেওঘর অফিসের জানতে সুবিধা হবে। দলছুট হলে ওদের ট্রেস করা খুব সহজ হবে এবং ফলে ডি পি ওয়ার্ক করে আবার সৎসঙ্গে ফিরিয়ে আনা হবে।
পক্ষান্তরে, ব্যাংকে জমা করলে মাসান্তে ৫ কোটির ভক্তের এই বিপুল অর্থের ট্রেইস করা কষ্টকর হবে, ঋত্বিকী পরিমাণ নির্ধারণ এবং বন্টনে অসুবিধা হবে এবং সর্বোপরি ব্যাংক ইষ্টভৃতি থেকে জমা হওয়া এই কোটি কোটি টাকার টেক্স কেটে নেবে ফলে ঠাকুরের স্বপ্নের ৫০০ শয্যার চ্যারিটেবল হাসপাতাল নির্মাণ আগামী ৫০ বছরেও হয়তো বাস্তবায়ন হবে না।তাছাড়া আনন্দবাজার চালাতেও অসুবিধা হতে পারে।
তাই, দেওঘর কর্তৃপক্ষের এইসব সুবিধার কথা মাথায় রেখেই ঋত্বিক মারফত বা উপযোজনা কেন্দ্রে গিয়ে ইষ্টভৃতি দেওয়ার কথা বলছেন।অনলাইন ব্যবস্থা ও চালু হবে শীঘ্রই।
ওর পাল্টা প্রশ্ন-- ঠাকুর তো এমনটা বলে জাননি। উনি তো মাসান্তে পোস্ট অফিসে নিজে গিয়ে দেওঘরে উনার ঠিকানায় ইষ্টভৃতি পাঠাতে বলেছেন।

বুঝালাম-- পরিবর্তন বা সংস্কার কেউ আটকাতে পারে না --তা বাণীর ইউক কিংবা নিয়মের; আর এই পরিবর্তনের জন্যই তো আচার্য পরম্পরা আর নতুন অবতারের আবির্ভাব। বললো, আচার্য তো অবতার নন আর ঠাকুর নতুন অবতার রূপে পরিবর্তন বা সংস্কার নিয়ে আসবেন কবে?কীভাবে বুঝবো ঠাকুর নতুন অবতার রূপে এসেছেন? আগেকার সব অবতারের দীক্ষিতরা তো দলবদ্ধ হয়ে ঠাকুরের নতুন অবতার রূপের( অনুকূল রূপের) দীক্ষা নিতে দেখলাম না।

এতো অস্বস্তিকর প্রশ্ন আমার ভালো লাগে না! তাই রাগ করে বললাম--বেশি জানতে হলে দেওঘর যা। বাবাইদা কিংবা অবিনদার সাথে দেখা কর।পূজনীয় আশোকদা তো বলেই গেছেন ঠাকুরকে পেতে হলে বাবাইকে ছাড়িস না।

রাগ এতোটাই বেশি ছিল যে ক'লটা বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছি।
জয়গুরু।

06/08/2023

Address

Deoghar

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সৎসঙ্গ দেওঘর posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share