পা-র্বতী

Directions Website

পা-র্বতী Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from পা-র্বতী, Hindu temple, Delhi.

স্বাগতম আপনাকে আমাদের পেইজে 💐
এই টা ধর্মীয় বিষয়ক পেইজ।🥰
ধর্মীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা এবং বিভিন্ন ধর্মীয় কাহিনি গুলো পোস্ট করা হয়।🙂
লাইক কমেন্ট শেয়ার করবেন 🙏
following my page 👈
ধন্যবাদ 🥰🙏

২০০৪ সালের ১০ মে মধ্যরাত। খুলনা জেলা কারাগার। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শেষ সাক্ষাতের সময় কুখ্যাত...
07/09/2026

২০০৪ সালের ১০ মে মধ্যরাত। খুলনা জেলা কারাগার। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শেষ সাক্ষাতের সময় কুখ্যাত খুনি এরশাদ শিকদার তার স্ত্রীর উদ্দেশে বলেছিলেন—

“শত শত কোটি টাকার সম্পদ রেখে গেলাম। আমার নামে একটা গরু কোরবানি দিতে পারলা না? তাইলে তো আমি বাঁইচা যাইতাম। আমার এই দুঃসময়ে তোমরা কেউ পাশে রইলা না।”

একসময় যার নাম শুনলেই খুলনার মানুষ আতঙ্কে কেঁপে উঠত, সেই এরশাদ শিকদারের জীবনের শেষ মুহূর্তগুলো কেটে গেল নিঃসঙ্গতা, অনুশোচনা আর এক গভীর শূন্যতার মধ্যে।

তার নিজের গাওয়া একটি গান ছিলো—
“আমি তো মরেই যাবো, চলে যাবো, রেখে যাবো সবই,
আছসনি কেউ সঙ্গের সাথী, সঙ্গেনী কেউ যাবি,
আমি মরে যাব…”

অদ্ভুত এক নিয়তির পরিহাস—জীবনের শেষ অধ্যায়ে এসে গানটির প্রতিটি কথাই যেন তার বাস্তব জীবনের সঙ্গে মিলে গেলো।

শত শত কোটি টাকার সম্পদ, প্রভাব-প্রতিপত্তি, ভয় আর ক্ষমতার যে সাম্রাজ্য তিনি গড়ে তুলেছিলেন, গ্রেপ্তারের পর পরিবারের সদস্যরা যার যার মতো করে সেসব সম্পদের দখল নিতে শুরু করেন। কনডেম সেলের নিঃসঙ্গ অন্ধকারে বসে কখনো কখনো গুনগুন করে গাইতেন প্রিয় সেই গান।

কিন্তু যে মানুষটির জীবনে অসংখ্য মানুষের কান্না, আর্তনাদ আর মৃত্যুর স্মৃতি জড়িয়ে ছিলো, তার নিজের শেষ সময়টাও যেন হয়ে উঠেছিলো নিঃসঙ্গতার এক নির্মম প্রতিচ্ছবি।

এরশাদ শিকদারের নৃশংসতার কাহিনিগুলো ছিলে এতোটাই ভয়াবহ যে, সেগুলো আজও মানুষের মনে আতঙ্ক তৈরি করে। খুলনার ঘাট এলাকার বিশাল একটি বরফকল ছিলো তার অপরাধজগতের অন্যতম কেন্দ্র।

দিনভর সেখানে মানুষের কোলাহল থাকলেও সন্ধ্যা নামলেই পরিবেশ বদলে যেতো। স্বল্প আলোয় চারপাশে নেমে আসতো এক অস্বস্তিকর নীরবতা। আর সেই নীরবতা ভেদ করে কখনো কখনো ভেসে আসতো মানুষের আর্তচিৎকার—যা চার দেয়ালের ভেতরেই চাপা পড়ে যেতো।

অভিযোগ ও মামলার বর্ণনা অনুযায়ী, সেখানে নির্যাতনের পর মানুষ হত্যা করা হতো। কখনো হাত-পা বেঁধে নির্যাতন, কখনো দড়ি দিয়ে শ্বাসরোধ—নির্মমতার কোনো সীমাই যেন ছিলো না। হত্যার পর লাশের সঙ্গে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে ভৈরব নদে ফেলে দেওয়া হতো। অনেক লাশের কোনো সন্ধানই আর পাওয়া যায়নি।

কথিত আছে, মানুষ হত্যার পর খাঁটি দুধ দিয়ে গোসল করতেন এরশাদ শিকদার। এরপর আয়োজন করতেন ‘জলসা’। সেই জলসার অন্যতম আকর্ষণ ছিলো তার নিজের কণ্ঠে গাওয়া গান।

একজন মানুষ কীভাবে এতোটা নির্মম হয়ে উঠতে পারে—এরশাদ শিকদারের জীবন যেন সেই প্রশ্নেরই এক ভয়াবহ উদাহরণ।

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে একসময় তার প্রভাব এতটাই বিস্তৃত ছিলো যে, জনপ্রতিনিধি, প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ থেকে শুরু করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ওপরও তার প্রভাব ছিলো বলে অভিযোগ রয়েছে।

যাকে তিনি নিজের পথের কাঁটা মনে করতেন, তাকেই সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

তার সহযোগী এবং পরবর্তীতে মামলার রাজসাক্ষী নূরে আলমের মতে, এরশাদ শিকদার কমপক্ষে ৬০টি হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছিলেন। তবে আদালতে তিনি ২৪টি হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দিয়ে জবানবন্দি দেন।

রূপসার যুবলীগ কর্মী খালিদ, দৌলতপুরের অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবীর ফটিক, সোনাডাঙ্গার ইনসাফ, কামাল, খালেক, সেনহাটির টাক আজিজসহ আরও অনেককে হত্যার অভিযোগ ছিলো এরশাদ শিকদারের বিরুদ্ধে। তাদের মধ্যে শুধু খালিদের লাশ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছিলো। অন্যদের লাশ পাওয়া যায়নি; পরবর্তীতে তাদের পরিধেয় কাপড় ও কিছু হাড় উদ্ধার করার কথা জানা যায়।

১৯৯৯ সালের নভেম্বরে গ্রেপ্তার হন এরশাদ শিকদার। আর তার গ্রেপ্তারের পরই একে একে সামনে আসতে থাকে তার অপরাধজগতের অন্ধকার অধ্যায়ের নানা কাহিনি।

যে নাম একসময় খুলনার আন্ডারওয়ার্ল্ডে আতঙ্কের প্রতীক ছিলো, সেই নামই পরিণত হয় মানুষের ঘৃণা ও নৃশংসতার প্রতীকে।

কারাগারে নেওয়ার পর পেশাদার অপরাধীদের একাংশও তার বিচার দাবি করে মিছিল করেছিলো—যা তার ভয়াবহতার প্রতি সমাজের তীব্র প্রতিক্রিয়ারই এক অদ্ভুত প্রতিচ্ছবি।

অবশেষে ২০০৪ সালের ১০ মে মধ্যরাতে খুলনা জেলা কারাগারে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়।

মানুষ যত বড় সাম্রাজ্যই গড়ে তুলুক, মৃত্যুর দরজায় গিয়ে শেষ পর্যন্ত সবাইকেই একা দাঁড়াতে হয়।

এরশাদ শিকদারের জীবন তাই শুধু একজন কুখ্যাত অপরাধীর গল্প নয়; এটি ক্ষমতা, অর্থ, ভয় ও অপরাধের শেষ পরিণতির এক নির্মম অধ্যায়।

আজও খুলনার মানুষের স্মৃতিতে তার নাম উচ্চারিত হয় আতঙ্কের প্রতীক হিসেবে। এমনকি শিশুদের ঘুম পাড়াতেও অনেক মা কখনো কখনো তার নাম ব্যবহার করেন ভয় দেখানোর জন্য।

একসময় যে মানুষ অন্যের জীবন কেড়ে নিয়ে নিজের ক্ষমতার সাম্রাজ্যকে আরও শক্ত করেছিলেন, শেষ পর্যন্ত তাকেই বিদায় নিতে হয়েছিল পৃথিবী থেকে—সবকিছু রেখে, একেবারে একা।

আর্জেন্টিনা জাতীয় দল থেকে অবসর নিলেন মেসি💔💔
31/08/2026

আর্জেন্টিনা জাতীয় দল থেকে অবসর নিলেন মেসি💔💔

জয় মা 🙂
31/08/2026

জয় মা 🙂

♥  একটা সম্পর্কে আমি শুধু তিনটে জিনিস চাই : চোখ যা কাঁদে না , ঠোঁট যা মিথ্যা বলে না এবং ভালবাসা যা মরে না ..
31/08/2026

♥ একটা সম্পর্কে আমি শুধু তিনটে জিনিস চাই : চোখ যা কাঁদে না , ঠোঁট যা মিথ্যা বলে না এবং ভালবাসা যা মরে না ..

🔺 নেপালে ১৭ কোটি ৫০ লক্ষ বছর আগের অমূল্য পূজনীয় জীবাশ্ম শিলানেপালের মুক্তিনাথ অঞ্চলের কালিগণ্ডকী নদী অববাহিকায় প্রায় ৩১ ...
31/08/2026

🔺 নেপালে ১৭ কোটি ৫০ লক্ষ বছর আগের অমূল্য পূজনীয় জীবাশ্ম শিলা

নেপালের মুক্তিনাথ অঞ্চলের কালিগণ্ডকী নদী অববাহিকায় প্রায় ৩১ টন ওজনের একটি বিশাল শিলা পাওয়ার খবর রয়েছে, যা ডাইনোসরের যুগের চেয়েও প্রাচীন। বিজ্ঞানীরা ও ভূতাত্ত্বিকরা ধারণা করছেন যে, প্রায় ১৭ কোটি ৫০ লক্ষ বছর আগের জুরাসিক বা তারও আগের সমসাময়িক সময়ে এই অমূল্য জীবাশ্ম শিলাটি গঠিত হয়েছিল।
প্রাকৃতিক ভূতাত্ত্বিক প্রক্রিয়া ও সামুদ্রিক জীবকূলের অবশেষ বা অ্যামোনাইটের জীবাশ্ম থেকেই মূলত এমন শিলা তৈরি হয়, যা যুগ যুগ ধরে নদীগর্ভে প্রাকৃতিকভাবে খোদাই হয়েছে। কোটি বছরের প্রাচীন এই শিলার সন্ধান পাওয়া বৈজ্ঞানিক ও ধর্মীয়—উভয় দিক থেকেই একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা।

রংপুরে শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের চারজনকে হ'ত্যা''র ঘটনায় পুলিশ যে সময়সূচি দিয়েছে, তার সঙ্গে একটি তথ্য মিল...
25/08/2026

রংপুরে শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের চারজনকে হ'ত্যা''র ঘটনায় পুলিশ যে সময়সূচি দিয়েছে, তার সঙ্গে একটি তথ্য মিলছে না—আর এটা নিয়েই এখন প্রশ্ন উঠছে।

রোববার সংবাদ সম্মেলনে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার জানান, বৃহস্পতিবার রাতে বাসার ছাদে দুই যুবক ই'য়া''বা সেবন করছিল। শব্দ পেয়ে গণপতি চক্রবর্তী ছাদে ওঠেন, বা''ধা দেন, আর তখনই তাকে হ''ত্যা করা হয়। এরপর একে একে তার স্ত্রী, মেয়ে ও ছেলেকেও হ'''ত্যা করা হয়। অর্থাৎ পুলিশের ভাষ্যমতে, পুরো পরিবার বৃহস্পতিবার রাতেই মা''রা যায়।
স্বজনদের বক্তব্য থেকেও এটা মিলে যায়—তারা বলেছেন, বৃহস্পতিবার মধ্যরাতের পর থেকে পরিবারের কারো ফোনেই আর যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না।

কিন্তু জানা যাচ্ছে, নিহত মেয়ে আগামী চক্রবর্তী শুক্রবার ভোর ৫টা ৫০ মিনিটে—অর্থাৎ পুলিশের বলা হত্যার সময়ের প্রায় ৫-৬ ঘণ্টা পর—তার ফেসবুক আইডি থেকে এক বান্ধবীকে মেসেঞ্জারে চ্যাট করেন। তিনি লেখেন, তার বাসায় সারারাত বিদ্যুৎ ছিল না, আশপাশের সব বাসায় বিদ্যুৎ থাকলেও তার বাসায় নেই, আর এই কারণে তিনি সারারাত জেগে ছিলেন।

দুটো তথ্য পাশাপাশি রাখলে সহজ প্রশ্ন দাঁড়ায়:

- পুলিশ বলছে, বৃহস্পতিবার রাতেই আগামী চক্রবর্তী নি'হ'ত হন।
- কিন্তু চ্যাটের তথ্য বলছে, শুক্রবার ভোর পর্যন্ত তিনি জীবিত, সুস্থ, এবং স্বাভাবিকভাবে বান্ধবীর সঙ্গে কথা বলছেন।

এই দুই তথ্য একসঙ্গে সত্যি হতে পারে না। হয়:
১. হ'ত্যা'কা''ণ্ড আসলে পুলিশের বলা সময়ের চেয়ে অনেক পরে, শুক্রবার সকালের পর ঘটেছে, অথবা
২. এই চ্যাটের তথ্য বা সময় নিয়ে কোথাও বিভ্রান্তি বা ভুল আছে।

কোনটা সঠিক—তা স্পষ্ট না হলে পুরো হ'ত্যা'কা'ণ্ডে''র প্রকৃত সময়রেখাই প্রশ্নবিদ্ধ থেকে যায়। বিদ্যুৎ সংযোগ বি'চ্ছি''ন্ন থাকার বিষয়টিকে পুলিশ "ডা'কা'তি''র নাটক সাজানোর অংশ" বলে ব্যাখ্যা করেছে—কিন্তু মেয়ের চ্যাটে এমন কোনো কথাও নেই, যাতে বোঝা যায় সে ভয় পেয়েছিল বা কোনো বিপদ আঁচ করতে পেরেছিল।
*** Note : আগামী চক্রবর্তীর মেসেঞ্জার চ্যাটের স্ক্রিনশটটি প্রকাশ করেছে DRB News Rangpur।
#রংপুর #সনাতন

❤️❤️❤️❤️
12/08/2026

❤️❤️❤️❤️

16/07/2026

শুভ রথযাত্রা অনেক অনেক শুভেচ্ছা সবাইকে 🙏 আজ আর বিকালে লাইভ করছি না 👈 যদি সম্ভব হয় তো রাত্রে আসতে পারি 👈 তার আগে পোস্ট করে জানিয়ে দেবো 👈 সবাই ভালো থেকো সুস্থ থেকো 😘

Address

Delhi

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when পা-র্বতী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category