কালীকথা। KALI KATHA

কালীকথা। KALI KATHA 'কালীকথা' পেজে সবাইকে স্বাগত। কলকাতা ও বাংলার বিভিন্ন কালীক্ষেত্র সম্পর্কে জানতে লাইক ও ফলো করুন।

 #বড়মা, বারাসাত, উত্তর ২৪ পরগনা উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বারাসাতের বড় মা কালীমন্দিরের নাম শুনলেই হৃদয়ে এক বিশেষ শ্রদ্ধা ...
27/05/2026

#বড়মা, বারাসাত, উত্তর ২৪ পরগনা

উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বারাসাতের বড় মা কালীমন্দিরের নাম শুনলেই হৃদয়ে এক বিশেষ শ্রদ্ধা ও ভক্তির সুর বাজে। বহু বছর ধরে এই মন্দিরটি বারাসাত তথা সমগ্র উত্তর ২৪ পরগনার মানুষের কাছে এক আধ্যাত্মিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। দেবীর মূর্তি অত্যন্ত মনোমুগ্ধকর। কালো পাথরের মূর্তিতে সোনার গয়না ও লাল বেনারসি শাড়ি পরানো, জ্বলজ্বল করছে দেবীর তিন চোখ। পায়ের নিচে শায়িত শিব, আর মুখে মৃদু হাসি—এই রূপ দর্শনেই মনে এক অদ্ভুত প্রশান্তি আসে। পূজার সময় পুরোহিতের মন্ত্রোচ্চারণে চারদিক মুখরিত হয়ে ওঠে। আমি চোখ বন্ধ করে প্রণাম করি, মনে মনে প্রার্থনা করি মা যেন সকলের মঙ্গল করেন।

#সময় এখানে প্রতিদিন সকাল সন্ধ্যা নিত্য পূজা হয় এবং দুপুরে বন্ধ থাকে।

#যাত্রাপথ - শিয়ালদা / হাওড়া / বিবাদীবাগ / দমদম থেকে বাসে ট্রেনে বারাসাত, বারাসাত চাঁপাডালি বাস স্ট্যান্ডের পাশেই।

টিম কালীকথা। KALI KATHA

"মা তোর রাঙ্গা পায়ে, জবা হয়ে থাকবো আমি পড়েতারা তুই ছাড়া কে মুক্তি দেবে এমন জীবন জুড়ে..."°•°♥F°•°♠A°•°♣EPremanand Ji Maha...
27/05/2026

"মা তোর রাঙ্গা পায়ে, জবা হয়ে থাকবো আমি পড়ে
তারা তুই ছাড়া কে মুক্তি দেবে এমন জীবন জুড়ে..."

°•°♥F
°•°♠A

°•°♣E
Premanand Ji Maharaj

°•°♣B
°•°♦O
°•°♠O
°•°♥K
Love Premanand govind Sharan
🩵🩵🩵🩵🩵💚💛❤️❤️
The Punjab Kings dugout was filled with raw emotion on Tuesday evening as 24-year-old Priyansh Arya lit up the Mullanpur stadium with a breathtaking century against Chennai Super Kings (CSK) in IPL 2025. Yet, it was team co-owner Preity Zinta’s jubilant reaction that truly stole the spotlight—she jumped in celebration, her joy palpable as Arya scripted history.

Arya, a left-handed batter hailing from Delhi, announced his arrival in grand fashion, smashing 103 runs off just 42 deliveries—a knock decorated with seven fours and nine massive sixes.

His blistering innings made him the second-fastest Indian each a century in IPL history, achieving the milestone in just 39 balls. Only Yusuf Pathan’s iconic 37-ball ton from 2010 remains ahead. As Arya raised his bat after clearing long-on for a six to complete his century, cameras zoomed in on the Punjab Kings camp, where an elated Preity Zinta leapt to her feet, clapping and cheering along with the roaring crowd.
Following Punjab Kings’ 18-run win, Preity Zinta caught up with the young star for a post-match interview.

"Aapko mai ek din pehle mili thi to aapne ek shabd nahi bola tha, ekdum silent the aur aapne itni zabardast game kheli, so how is it? [I met you a day before and you didn’t say a single word—you were completely silent. And then you played such an incredible game, so how does it feel?]" Preity asked Priyansh.

To which Arya replied with a smile: "Jab hum mile they to mujhe aapki baatein sunne mein maza aa rha tha isliye mai kuch bol nahi rha tha Aur game ke baat karein to bahot achi feeling hai, out of the world feeling hai, top of the world feesaddamhussainling hai [When we met, I was really enjoying listening to you, that’s why I wasn’t saying much. And if we talk about the game, it feels amazinglike an out of the world feeling, a top of the world feeling] ....… #বড়মা

































কোলকাতার প্রাচীন কালীক্ষেত্র ফিরিঙ্গি কালীবাড়ির ইতিকথা :-🏵  মহানগর কলকাতার প্রাণকেন্দ্রে বৌবাজারের ফিরিঙ্গি কালীবাড়ি। গ...
24/05/2026

কোলকাতার প্রাচীন কালীক্ষেত্র ফিরিঙ্গি কালীবাড়ির ইতিকথা :-

🏵 মহানগর কলকাতার প্রাণকেন্দ্রে বৌবাজারের ফিরিঙ্গি কালীবাড়ি। গর্ভগৃহে প্রতিষ্ঠিত আছেন মা সিদ্ধেশ্বরী কালী। মা শবশিবের উপর অধিষ্ঠিতা, মুক্তকেশী, চতুর্ভুজা, মুণ্ডমালিনী। তিনি সাধককে সিদ্ধি প্রদান করেন, সিদ্ধগণ মায়ের চরণ বন্দনা করেন। তাই মা আমাদের সিদ্ধেশ্বরী।
পর্টুগিজ আগমনের প্রথম যুগে কলকাতায় এই ফিরিঙ্গি কালীবাড়ি তৈরি। মন্দিরে একটি ফলকে ৯০৫ বঙ্গাব্দের উল্লেখ, যার অর্থ দাঁড়ায় ১৪৯৮ খ্রিষ্টাব্দ। মনে রাখতে হবে এই বছরেই ভারতে পোর্তুগীজ বণিকরা প্রথম পা রেখেছিল। ফিরিঙ্গি কালী প্রতিষ্ঠার সময় বাঙালি ফিরিঙ্গি অর্থাৎ ইউরোপীয় বলতে কেবল পোর্তুগীজদেরই বোঝাতো।

🏵 “ডোম শ্রীমন্ত” এখানে মায়ের মন্দিরের প্রতিষ্ঠা করেন বলে শোনা যায়। মনে রাখতে হবে ডোম একটি পর্টুগিজ অভিজাত উপাধি, নামের আগে ব্যবহার করা হয়। আবার পোর্তুগিজ ভাষায় monto একটি ক্রিয়াপদ, এ শব্দের অর্থ ঘোড়সওয়ারি। Edmonto বা ওই জাতীয় নামের সংক্ষিপ্তরূপ বা ডাকনামও হতে পারে Monto। কাজেই খুব সম্ভবত এই কালীমন্দিরের প্রতিষ্ঠাতার নামটা সম্ভবত ছিল Dom Monto, আমাদের দেশীয় রীতিতে শ্রী যুক্ত করে Dom শ্রী Monto।

🏵 ফিরিঙ্গির মাতৃকা উপাসনায় আশ্চর্য কিছু নেই। মনে রাখতে হবে, মাতৃধর্ম পৃথিবীর প্রাচীনতম ধর্ম। ইউরোপের বিভিন্ন দেশে আদি মাতৃকা উপাসনার ধারা ছিল যা খ্রিষ্টধর্মের আগমনের পরে মূলত খ্রিষ্টমাতা মেরির উপাসনার মাধ্যমে প্রকাশিত হতে থাকে। মেরির উপাসনা ক্যাথলিকদের মধ্যে বিশেষ করে সর্বব্যাপী। বাংলায় এসে, কলকাতা কালীক্ষেত্রে এসে, বাঙালির দেশে এসে বাঙালির অধিষ্ঠাত্রী জগন্মাতা কালীর উপাসনা করা মেরিভক্ত ফিরিঙ্গির পক্ষে একেবারেই অস্বাভাবিক নয়। আবার সেই সময়ে ভারতে আসা ইউরোপীয়দের মধ্যে বসন্ত ও জ্বরের বিশেষ প্রকোপ ছিল। তাই রোগের কষ্ট থেকে রক্ষা পেতে করুণাময়ী মায়ের শরণাপন্ন হওয়ার রীতিও তাদের মধ্যে ছিল। সম্ভবত এই কারণেই মা ফিরিঙ্গি কালীর মন্দিরে মা শীতলাও অধিষ্ঠান করছেন।

🏵 আমাদের প্রসিদ্ধ অ্যান্টনি কবিয়াল এই মন্দির স্থাপনার অনেক পরের, অষ্টাদশ শতকের মানুষ। তাঁর অন্ততঃ তিনশো বছর আগে থেকেই ফিরিঙ্গি কালীবাড়ি কলকাতার বুকে সগৌরবে বিরাজমান। তিনি এই মন্দিরে সাধনা করতেন এমন কোনো ঐতিহাসিক নিদর্শনও পাওয়া যায় না।

🏵 প্রতি শনি মঙ্গলবার ছাড়াও অমাবস্যায় বৌবাজার ক্রসিং এর এই মন্দিরে মা সিদ্ধেশ্বরী কালীর পুজো দেওয়ার বিশেষ জনসমাগম হয়। নগর কলকাতার বহুজাতিক বহুসাংস্কৃতিক আন্তর্জাতিক কৃষ্টির আশ্রয়দাত্রী হিসেবে মা ফিরিঙ্গি কালী আছেন প্রায় পাঁচ শতাব্দী ধরে।

✍️ লিখন-সৌজন্য :- 'কালীক্ষেত্র আন্দোলন' পেজ।

©® 📸 কপিরাইট :- Abhishek Pal

ডিজিটাল মিডিয়া :- কালীকথা। KALI KATHA

🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺

কুরুক্ষেত্রের "শ্রী শ্রী ভদ্রকালী মন্দির" , যার উল্লেখ স্বয়ং “আদ্যাস্তোত্র”-তে পাওয়া যায় :-কুরুক্ষেত্রের পবিত্র মাটিতে দ...
23/05/2026

কুরুক্ষেত্রের "শ্রী শ্রী ভদ্রকালী মন্দির" , যার উল্লেখ স্বয়ং “আদ্যাস্তোত্র”-তে পাওয়া যায় :-

কুরুক্ষেত্রের পবিত্র মাটিতে দাঁড়িয়ে রয়েছেন এক দেবী, যিনি শুধু এক শক্তিপীঠের অধিষ্ঠাত্রী নন—তিনি মহাভারতের নীরব সাক্ষী। তিনি ভদ্রকালী। তাঁর নাম আমরা পাই “আদ্যাস্তোত্র”-এর অন্তর্গত স্তবপাঠে, যার ধ্বনি আজও অনুরণিত হয় ভক্তহৃদয়ে।

শ্রুতি বলে, সতীর ডান পায়ের গোড়ালি পতিত হয়েছিল এই স্থানেই। পাণ্ডবরা কুরুক্ষেত্র যুদ্ধে অবতীর্ণ হওয়ার আগেই এসেছিলেন তাঁর স্মরণে , প্রার্থনা করেছিলেন বিজয়ের আশীর্বাদ। যুদ্ধশেষে দেবীর প্রতি কৃতজ্ঞতায় তাঁরা উৎসর্গ করেছিলেন এক ঘোড়া। সেই প্রথা আজও বহমান—ভক্তরা মনস্কামনা পূরণের আশায় মাটির ঘোড়া উৎসর্গ করেন দেবীর চরণে।

এই মন্দির তাই শুধুই ইতিহাসের নীরব সাক্ষী নয়, বরং এ এক নিরব ধ্যান, এক আত্মার উন্মীলন। যেখানে যুদ্ধের ধ্বনি আর প্রার্থনার স্তব একসাথে মিশে গড়ে তোলে এক অনন্য আধ্যাত্মিক পরিসর।

©® কপিরাইট :- Saurav Kanti Roy

কালীকথা। KALI KATHA

🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺

মহাকালের কোলে এসে, গৌরী হল মহাকালীশ্মশান-চিতার ভস্ম মেখেম্লান হ’ল মার রূপের ডালি।।তবু মায়ের রূপ কি হারায়সে যে ছড়িয়ে ...
21/05/2026

মহাকালের কোলে এসে,
গৌরী হল মহাকালী
শ্মশান-চিতার ভস্ম মেখে
ম্লান হ’ল মার রূপের ডালি।।

তবু মায়ের রূপ কি হারায়
সে যে ছড়িয়ে আছে চন্দ্র তারায়,
মায়ের রূপের আরতি হয়
নিত্য সূর্য্য-প্রদীপ জ্বালি’।।.... ❤️❤️

ভারতে শক্তি পূজার প্রচলন সুপ্রাচীনকাল থেকেই চলে আসছে। বৈদিক যুগেও যথেষ্ট শক্তি পুজোর চল ছিল ইতিহাস ঘাঁটলে তা আমরা জানতে পারি। আমাদের এই বঙ্গদেশে সকল সম্প্রদায়ের মিলন ঘটলেও, বাংলার সাথে কালীর সম্পর্ক নিবিড়। গোটা বঙ্গদেশে সর্বত্র ছড়িয়ে আছে প্রাচীন সব কালী মন্দির। বিভিন্ন রূপে, বিভিন্ন নামে দেবী কালীকা পূজিত হচ্ছেন। তিনি শুধুই আমাদের কাছে মাটি, কাঠ, পাথরের প্রতিমা নন। তিনি কখনও ভক্তের কাছে মা,আবার কখনও মেয়ে। কোথাও তিনি বাড়ির গৃহকর্ত্রী অভিভাবক স্বরূপ, কোথাও আবার পরিবারের আর পাঁচটা সদস্যদের মতো একজন।তিনি জীবন্ত, সাক্ষাৎ জগৎজননী।ভক্তের অকৃত্রিম ভক্তি, শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় তিনি মৃন্ময়ী থেকে চিন্ময়ীরূপে আবির্ভূত হন। তিনি গৌরী, আবার তিনিই শ্মশানচারী শিব, মহাকালের কোলে বসে কালী রূপে প্রকাশিত হন। তাঁর বেশভূষা বাংলার মা- মেয়েদের ন্যায়, তিনি স্নেহশীলা জননী। তিনি আদিভূতা শক্তি হিসেবে সর্বত্র বিরাজমান।

লেখনীতে ✍ শ্রদ্ধেয় শ্রী শুদ্ধশীল ঘোষ মহাশয়

ছবিতে #বিমলানন্দ_কালীকাশ্রম এর মা মহাকালী ও মহাকালরুপী দেবাদিদেব

বিমলানন্দ কালীকাশ্রম (বেলুড়)

🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸

ডিজিটাল মিডিয়া :- কালীকথা। KALI KATHA

।।   #জীবন্ত_কালী_শ্যামাসুন্দরী ।।উত্তর কলকাতার সুকিয়া স্ট্রিটের একটি ঘিঞ্জি এলাকা। সেখানেই একটা সরু গলি। আপাত দৃষ্টিতে ...
20/05/2026

।। #জীবন্ত_কালী_শ্যামাসুন্দরী ।।

উত্তর কলকাতার সুকিয়া স্ট্রিটের একটি ঘিঞ্জি এলাকা। সেখানেই একটা সরু গলি। আপাত দৃষ্টিতে দেখলে একেবারেই মনে হওয়ার কথা নয় যে, এখানেই বিরাজমান 'জীবন্ত কালী'র বিশাল মন্দির। তিনি শ্যামসুন্দরী নামে পরিচিত। কালী এখানে পূজিতা ছোট্ট মেয়ে রূপে।বলির কোনও রীতি নেই। পুরোপুরি নিষিদ্ধ মাছ, মাংস। ভক্তদের বিশ্বাস, কাউকে কক্ষণও খালি হাতে ফিরিয়ে দেন না শ্যামসুন্দরী। ভক্তে কাতর প্রার্থনায় ঠিক সাড়া দেন তিনি, পূরণ করেন মনবাঞ্ছা।

মন্দিরের বেদীতে উপবেষ্টিতা শ্যামসুন্দরী। তাঁর গা ঘেঁসেই বসে রয়েছেন জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রা। তাঁরা দেবীর সন্তান 'পাহারাদার'ও। শ্যামসুন্দরী পাশের ঘরেই রয়েছেন ভৈরব।
শ্যামসুন্দরীকে ঘিরে প্রচলিক আছে বহু অলৌকিক কাহিনী। এমনই এক ঘটনার কথা বলেন সেবায়েতরা। সে বহুকাল আগের কথা। দিনটি ছিল অমাবস্যা তিথি। শ্যামসুন্দরীর মন্দিরের তৎকালীন পুজারী বাজারে গিয়েছিলেন অমাবস্যার পুজোর বাজার করতে। সেই সময়ে বছর পাঁচেকের একটি মেয়ে তাঁর কাছে খাবার চায়। চালকলা খেতে চেয়ে সে জানায়, দু’দিন ধরে কিছু খায়নি সে। কিন্তু, পুরোহিতের এসব মোটেই পছন্দ হয়নি। তিনি ওই বালিকাকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেন। কাজ করে খাওয়ারও পরামর্শ দেন। তবে মেয়েটি জানায় কাজ পায়নি বলেই সে ভিক্ষে চাইছে।

এর পর চলে গিয়েছিল ওই ছোট্ট মেয়েটি। পুরোহিতও দেবীর পুজোর জন্য বাজার করে ফিরে এসেছিলেন মন্দিরে। দেবীর ভোগের ব্যবস্থা হয়েছিল। প্রচুর ভক্তের সমাগমও হয়েছিল অমাবস্যার সে রাতে। নিয়ম মেনে অন্ধকারেই চলছিল দেবীর আরাধনা। পুজো চলাকালীন পুরোহিত হঠাৎ লক্ষ্য করেন যে শুধু মহাদেবই শায়িত রয়েছেন। কিন্তু, তাঁর ওপর কালী নেই। প্রথমে ভ্রম মনে হলেও পরে ঘি-এর প্রদীপ বাড়িয়ে মূর্তি দেখার চেষ্টা করেন এবং একই জিনিস দেখেন। তৎক্ষণাৎ নুপুরের শব্দে সম্বিত ফেরে পুরোহিতের।

কথিত আছে সে দিনই সয়ং শ্যামাসুন্দরী জানান দিয়েছিলেন তাঁর অস্তিত্বের কথা, ফের খেতে চেয়েছিল চালকলা। সকালে ছোট্ট মেয়ে রূপে যে তিনিই খাবার চাইতে এসেছিলেন সে কথাও জানিয়েছিলেন পুরোহিতকে। সেই থেকেই চলছে রীতি। চালকলা দিয়ে শ্যামসুন্দরীর পুজোর আয়োজন হয় আজও।

🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸

[বিঃ দ্রঃ - লেখাটি বহু পুরোনো। পেজেরই নিজস্ব লেখা। তবে বর্তমানে শুকিয়াস্ট্রিটে মায়ের মন্দির আর নেই, সে কথা আমরা সবাই জানি। বর্তমানে মায়ের অবস্থান মুকুন্দপুর ই এম বাইপাস এর কাছে। এর আগেও পেজে এই বিষয়ে পোস্ট করা হয়েছিলো, আজ বর্তমান মায়ের ঠিকানা আরো একবার দেওয়া হলো সবার সুবিধার্থে।]

মায়ের নবনির্মিত মন্দির টি মুকুন্দপুর ই এম বাইপাস এর কাছে অবস্থিত। মায়ের নতুন মন্দির এর সম্পূর্ণ ঠিকানা :-

মুকুন্দপুর অভিষিক্তার ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট এর কাছে দুটো বাড়ি পড়েই ভক্তের তৈরি করে দেওয়া মায়ের মন্দির সেখানেই মা রাজরানী বেশে বিরাজ করছেন।। জয় মা শ্যাম সুন্দরী 🙏 ❤️

⚜️ নতুন মন্দিরের ঠিকানা :-

474, Bara khela Kolkata 700078 (Abhishikta)

নিচে দর্শন করুন মুকুন্দপুরে নব নির্মিত মন্দিরে মা শ্যামাসুন্দরীর কিছু ছবি।

জয় মা শ্যামসুন্দরী 🙏🙏🙏
🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺

⚜️ ডিজিটাল মিডিয়া :- টিম কালীকথা। KALI KATHA

মা নিস্তারিণী (বড় মাসি) এবং মা ব্রহ্মময়ী (মেজ মাসি)***********************************************নবীন ভাস্করের হাতে জন...
20/05/2026

মা নিস্তারিণী (বড় মাসি) এবং মা ব্রহ্মময়ী (মেজ মাসি)
***********************************************

নবীন ভাস্করের হাতে জন্ম (নির্মিত) তিন বোন হলেন, হেদুয়ার গোহ পরিবারের মা নিস্তারিণী, বরাহনগর কুঠীঘাট অঞ্চলের প্রামাণিক কালীবাড়ির মা ব্রহ্মময়ী এবং দক্ষিণেশ্বরের মা ভবতারিণী।

দক্ষিণেশ্বরের কালীমন্দির তৈরি শুরু হয় ১৮৪৭ সালের দিকে। ১৮৫০ সালের দিকে রানী রাসমনী বর্ধমানের কাটোয়া মহাকুমার দাঁইহাটায় গিয়ে সেখানের বিখ্যাত ভাস্কর, নবীন ভাস্করকে মায়ের মুর্তি তৈরির জন্য অনুরোধ করেন। প্রথম দিকে নবীন ভাস্কর রানীর অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করলেও পরে সেই বছরে নবীন ভাস্কর নিজেই কলকাতায় রানী রাসমনীর নিকট এসে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের উপযুক্ত, রানীমায়ের নির্দেশমত পছন্দের মুর্তি তৈরির ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

১৮৫০ সালেই নবীন ভাস্কর প্রথম কালীমূর্তিটি তৈরি করেন। সেটি রানী রাসমনীর পছন্দ হল না। বিশেষ করে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের গর্ভগৃহের তুলনায় সেটি অনেক ছোটো হওয়ার কারণে মানানসই না হওয়ায় রানী রাসমনীর অপছন্দের তালিকায় চলে যায় মুর্তিটি। তবে, সেই মূর্তি একপাশে পরে থাকেনি। ১৮৫০ সালেই ওই মুর্তিটি কলকাতার হাতিবাগান ও হেদুয়ার কছে ২৫ এ বৃন্দাবন বোস লেনে শ্রীযুক্ত শিবচরণ গোহ পরিবারের মন্দিরে প্রতিষ্ঠিত হয়। সেটিই বর্তমানে গোহ পরিবারের নিস্তারিণী মা হিসাবে পরিচিত।

প্রথম মুর্তিটি তৈরির পরে নবীন ভাস্কর দ্বিতীয় মুর্তি তৈরী শুরু করেন। অবশ্য, ঠিক কবে নাগাদ তৈরি শুরু করেন সে বিষয়ে পরিস্কার তথ্য কিছু জানা নেই। তবে, সেটিও রানী রাসমনীর অপছন্দের তালিকায় চলে যায়। ১৮৫৩ সাল নাগাদ সেই মুর্তিটি রামগোপাল দে ও দুর্গাপ্রসাদ দে’র (সম্পর্কে কাকা-ভাইপো) হাত ধরে বরানগর বাজার ২২৫ নম্বর প্রামানিক ঘাট রোডের কালীবাড়িতে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটিই বর্তমানে ব্রহ্মময়ী মা হিসাবে পরিচিত।

পরপর এই দুটি মুর্তি তৈরির পরে তৃতীয় মুর্তিটি রানী রাসমনীর পছন্দ হয়। ঠিক কবে নাগাদ নবীন ভাস্কর এটি তৈরি শুরু করেছিলেন এবং সমাপ্ত করেছিলেন সঠিক তথ্য অজানা। তবে মুর্তি টি তৈরির পরে দীর্ঘদিন বাক্সবন্দি হয়ে থাকার পরে ১৮৫৫ সালের ৩১ মে স্নানযাত্রার পুণ্যতিথিতে দক্ষিণেশ্বর মন্দির উদ্বোধনের দিন প্রতিষ্ঠিত হয়। এটিই ভবতারিণী মা হিসাবে পরিচিত।

নবীন ভাস্করের পিতা ছিলেন শ্রী রামচন্দ্র ভাস্কর। কলকাতায় ৩৭৪ আপার চিত্‍পুর রোডে ‘ওরিয়েন্টাল স্টোন ওয়ার্ক’ নামে একটি পাথরের মূর্তি নির্মাণের স্টুডিও ছিল এনার (বর্তমানে বিলুপ্ত)। বর্ধমানের মহারেজের সহায়তায় বিহারের জামালপুর অঞ্চলের একটি কষ্টিপাথরের পাহাড়ের মালিকানা ছিল এই ভাস্কর পরিবারের। মূর্তি তৈরির জন্য কষ্টিপাথর আসত ওই পাহাড় কেটেই। সেই একই পাহাড় কেটে কষ্টিপাথর এনে বানানো হয়েছিল এই তিনটি মুর্তি। সেই থেকেই নবীন ভাস্করের হাতে জন্ম (তৈরি) তিন মুর্তি, তিন বোন হিসাবে পরিচিত পেয়ে আসছে। মা নিস্তারিণী, মা ব্রহ্মময়ী ও মা ভবতারিণী।।লিখন ✍️ এবং মুহূর্ত সঞ্চয়ন: 📸 Abhishek Pal

©® কপিরাইট :- Abhishek Pal

ডিজিটাল মিডিয়া :- কালীকথা। KALI KATHA

বন্ধ হল  #বড়মা মন্দিরে 'ভিআইপি কালচার', আর 'হেভি ওয়েট' নয়, লাইনে দাঁড়িয়েই সবাইকে এবার বড়মা দর্শন করতে হবে। বিধায়ক সুমিত্...
19/05/2026

বন্ধ হল #বড়মা মন্দিরে 'ভিআইপি কালচার', আর 'হেভি ওয়েট' নয়, লাইনে দাঁড়িয়েই সবাইকে এবার বড়মা দর্শন করতে হবে।

বিধায়ক সুমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্দেশে ভাঙল মন্দির পরিচালন কমিটি।🚩

💫 সৌজন্যে :- 'সংবাদ প্রতিদিন' নিউস ডেস্ক।

💫 কালীকথা। KALI KATHA

18/05/2026

আমার সবচেয়ে নতুন সেরা ফ্যানদের অনেক ধন্যবাদ! Sujit Ganguly, Pritha Bose

Address

Chinsurah Hooghly
Chinsurah
KK2022

Telephone

+919163890526

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কালীকথা। KALI KATHA posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category