আনন্দম্

আনন্দম্ ঠাকুর-মা-স্বামীজির আনন্দধারায়...
(6)

অক্সফোর্ডের অধ্যাপক মার্কাস ডু স্যাটয় আমাকে বলছিলেন ইসরায়েলের কথা। ১৯৪৮ সালে যখন ইসরায়েল গঠিত হলো, তখন তাঁরা ঠিক করেছিলে...
26/05/2026

অক্সফোর্ডের অধ্যাপক মার্কাস ডু স্যাটয় আমাকে বলছিলেন ইসরায়েলের কথা। ১৯৪৮ সালে যখন ইসরায়েল গঠিত হলো, তখন তাঁরা ঠিক করেছিলেন যে, ইহুদি সংস্কৃতিকে রক্ষা করার জন্য হিব্রু ভাষার প্রচলন ঘটাতে হবে। হিব্রু কিন্তু সে-সময়ে প্রায় হারিয়ে যাওয়া, মৃতপ্রায় একটি ভাষা। কিন্তু সৎচেষ্টায় কী না হয়! ওঁরা একেবারে প্রাইমারি ক্লাস থেকে উচ্চশিক্ষার মঞ্চ পর্যন্ত হিব্রু ভাষাচর্চাকে পুনরুজ্জীবিত করলেন;
গণিতজ্ঞরা হিব্রু ভাষায় নতুন নতুন গাণিতিক শব্দবন্ধ সৃষ্টি করলেন!
ঠিক এখানেই আমাদের মনোবলের অভাব।

ভারতে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে যদি কোনো বিষয় নিয়ে নিজের ভাষায় পড়তে বলা হয়, অনেকে এই চিন্তাতেই অস্থির হয়ে যায় যে, সব ভালো ভালো বই যেখানে ইংরেজিতে, সেখানে হঠাৎ আঞ্চলিক ভাষায় সে পড়তে যাবে কেন?

আজ দেখুন, মধ্যপ্রাচ্য থেকে কত বিচিত্র সব বিষয়ে তাঁরা নোবেল প্রাইজ পাচ্ছেন! ইংরেজির প্রতি আনুগত্য না দেখিয়ে তাঁদের ক্ষতি হয়েছে-এমনটি কি তাহলে বলা যায়?
বরং নিজ ভাষায়, সংস্কৃতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়ে তাঁরা একপ্রকার স্বাতন্ত্র্যের, নিজস্বতার অধিকারী হয়েছেন;
আর বিশ্বব্যাপী সবাই-ই এই নিজস্বতাকে অপরিসীম গুরুত্ব দেন। নিজের শিকড় দৃঢ় না হলে এই স্বাতন্ত্র্য আসা খুব কঠিন।

✍️ স্বামী সর্বপ্রিয়ানন্দ মহারাজ 🙏

26/05/2026

প্রেসিডেন্ট মহারাজ বসে আছেন বলেই অন্যান্য মহারাজরা দাঁড়িয়ে আছেন—এটাই তো স্বাভাবিক শিষ্টাচার। আর শুভেন্দু অধিকারী একজন পদ...
24/05/2026

প্রেসিডেন্ট মহারাজ বসে আছেন বলেই অন্যান্য মহারাজরা দাঁড়িয়ে আছেন—এটাই তো স্বাভাবিক শিষ্টাচার। আর শুভেন্দু অধিকারী একজন পদাধিকারী ব্যক্তি হিসেবে বসেছেন। এখানে “মোসাহেব” খোঁজার আগে সাধারণ সৌজন্যবোধটা বোঝার চেষ্টা করা দরকার।

“विद्या विनयसम्पन्ने...” — প্রকৃত জ্ঞান মানুষকে বিনয় ও মর্যাদাবোধ শেখায়।

সব ছবিকে রাজনৈতিক বিদ্বেষের চশমায় দেখলে সম্মান, সংস্কৃতি আর পরিস্থিতির স্বাভাবিকতাও আর চোখে পড়ে না।

পূজনীয় স্বামী দিব্যানন্দজী মহারাজ মস্কোর ফিশ অ্যাকোয়ারিয়াম পরিদর্শন করলেন 🕉️🙏
24/05/2026

পূজনীয় স্বামী দিব্যানন্দজী মহারাজ মস্কোর ফিশ অ্যাকোয়ারিয়াম পরিদর্শন করলেন 🕉️🙏

"সৎসঙ্গে মেশো, ভালো হতে চেষ্টা কর, ক্রমে সব হবে।"– শ্রীশ্রীমাসারদাদেবী
24/05/2026

"সৎসঙ্গে মেশো, ভালো হতে চেষ্টা কর, ক্রমে সব হবে।"
– শ্রীশ্রীমাসারদাদেবী

Swami Divyanandaজী মহারাজকে Moscow Airport-এ সাদর অভ্যর্থনা জানাচ্ছেন Swami Atmalokanandaজী মহারাজ (বিভু মহারাজ)। 🙏🌼🕉️
22/05/2026

Swami Divyanandaজী মহারাজকে Moscow Airport-এ সাদর অভ্যর্থনা জানাচ্ছেন Swami Atmalokanandaজী মহারাজ (বিভু মহারাজ)। 🙏🌼🕉️

ভুলচুক আমাদের প্রত্যেকেরই হয়, কিন্তু কোনো পরিস্থিতিতেই নিজেকে স্বেচ্ছায় 'খারাপ মানুষ' হয়ে যেতে দেবেন না। খেয়াল করে দেখবে...
21/05/2026

ভুলচুক আমাদের প্রত্যেকেরই হয়, কিন্তু কোনো পরিস্থিতিতেই নিজেকে স্বেচ্ছায় 'খারাপ মানুষ' হয়ে যেতে দেবেন না।

খেয়াল করে দেখবেন, এটুকুই কিন্তু দুর্যোধন এবং অর্জুনের মধ্যে তফাত।
শ্রীকৃষ্ণ যখন দুর্যোধনকে বোঝাতে যাচ্ছেন-কেন যুদ্ধ করা উচিত নয়, দুর্যোধন বলছেন, "কোন্টা উচিত আর কোনটা অনুচিত, কী ভালো আর কী খারাপ-তা আমি বেশ বুঝি।
তা সত্ত্বেও অধর্মপালন থেকে আমি নিজেকে বিরত রাখতে পারি না আর ধর্মপালনে আমার প্রবৃত্তি হয় না।
তাই আপনার দেওয়া জ্ঞানও আমাকে ধর্মের পথে আনতে পারবে না। আমার মনের মধ্যে কী এক শক্তি আছে; সে আমাকে যেপথে ঠেলে দেয়, আমি সে পথেই চালিত হই।"

অর্জুনও কিন্তু এই একই পথ সম্বন্ধে শ্রীকৃষ্ণকে প্রশ্ন করছেন, "মানুষের মনের মধ্যে কী এমন শক্তি আছে, যার দ্বারা চালিত হয়ে মানুষ অনিচ্ছাসত্ত্বেও পাপকর্মে অংশ নেয়?
কীভাবেই-বা এর উপশম সম্ভব?"
তফাতটা ঠিক এখানেই।

দুর্যোধনের নিজের পাপকর্ম থেকে বেরিয়ে এসে নিজের মধ্যে পরিবর্তন আনার কোনো সদিচ্ছা নেই, তাঁর ধারণা-জীবন যেমন চলছে, তেমনই চলবে।
আর অন্যদিকে অর্জুন প্রশ্ন করছেন, কীভাবে এই পাপক্ষালন করা সম্ভব।

আমরা প্রত্যেকেই এভাবে আধ্যাত্মিক হয়ে উঠতে পারি, যদি আমাদের মধ্যে অধর্মকে অতিক্রম করে ধর্মাচরণের সঙ্কল্প থাকে।

✍️ স্বামী সর্বপ্রিয়ানন্দ মহারাজ 🙏

21/05/2026

West Bengal CM Suvendu Adhikari visited Belur Math and offered prayers at the holy feet of Sri Ramakrishna, Holy Mother Sarada Devi and Swami Vivekananda.

He also had a cordial meeting with Swami Subirananda, General Secretary of Ramakrishna Math and Ramakrishna Mission, and Assistant General Secretary Swami Balabhadrananda Maharaj, and received their blessings. 🙏🕉️

একই সংসারে প্রভূত সমস্যার মধ্যেও কেউ শান্তভাবে থাকতে পারেন, আর ঐ একই পরিস্থিতে কেউ বিরক্ত হয়ে মেজাজ হারাচ্ছেন। তাহলে দেখ...
20/05/2026

একই সংসারে প্রভূত সমস্যার মধ্যেও কেউ শান্তভাবে থাকতে পারেন, আর ঐ একই পরিস্থিতে কেউ বিরক্ত হয়ে মেজাজ হারাচ্ছেন।
তাহলে দেখুন, সমস্যা তো এখানে একটিই-সেই সমস্যায় কারো মনে প্রতিক্রিয়া কম, কারো মনে বেশি।

অসুস্থতার ক্ষেত্রে লক্ষ্য করবেন- গুরুতর কোনো অসুখে কোনো রোগী ও তাঁর পরিবার হয়তো শান্তভাবে যা ভবিতব্য সবই মেনে নিচ্ছেন;
আবার ঐ একই অসুখে আরেক রোগী ও তাঁর পরিবার অস্থির হয়ে পড়ছেন, ভেঙে পড়ছেন, রাগ দেখাচ্ছেন।

ঈশ্বরে সহজ, সরল বিশ্বাস থাকলে সমস্যা যেমনই হোক না কেন, নিজের মনকে তাঁর পাদপদ্মে রেখে সমস্ত অস্থিরতা থেকে সরে আসা যায়।
কিন্তু বেদ-বেদান্ত পড়ে, আত্মা-ব্রহ্ম চর্চা করেও যদি সেইসব মুখেই থেকে যায়, মরমে না পশে, তাহলে যেকোনো সমস্যাতেই অস্থিরতা আসতে বাধ্য।

ঠাকুরের বলা সেই গল্পটি মনে করে দেখুন-টিয়াপাখিকে যতই রামনাম শেখানো হোক না কেন, বেড়ালে ধরলে সে ক্যাঁ ক্যাঁ করেই চিৎকার করে উঠবে।
আমরা হলাম ওই টিয়াপাখি আর বেড়াল হলো শোক-তাপ-মৃত্যু। বইয়ের কথা বইতে থেকে গেলে, বেড়ালরূপী জাগতিক শোক-তাপ আমাদের টুটি চেপে ধরলে,
সেইসব প্রবোধবাক্যে আমরা কিন্তু বিশ্বাস রাখতে পারব না। অসহায় চিৎকারই তখন আমাদের সম্বল।

📙 বেদান্ত যাপন
✍️ স্বামী সর্বপ্রিয়ানন্দ মহারাজ 🙏

পুজো হয়ে গেছে, সন্ধ্যা সমাগত। জগদম্বা গদাধরের সঙ্গে দেখা করবে। সে বলল-"বাবা, উঠেছেন, এবার চলো যাই।"গদাধর একা একা বারান্দ...
20/05/2026

পুজো হয়ে গেছে, সন্ধ্যা সমাগত। জগদম্বা গদাধরের সঙ্গে দেখা করবে। সে বলল-"বাবা, উঠেছেন, এবার চলো যাই।"

গদাধর একা একা বারান্দায় পায়চারি করছে। কোনোদিকে তার কোনো নজর নেই। উদ্ভ্রান্তের মতো এদিক ওদিক তাকাচ্ছে।

মথুর আনমনে কত কথা ভাবছিলেন। চোখের সামনে কত অলৌকিক দৃশ্য প্রত্যক্ষ করেছিলেন তিনি। ঘন ঘন শ্বাস বইছে। কম্পন জেগেছে হাতে-পায়ে। হঠাৎ তিনি বললেন-"ওকি? ওই?"

বিস্ময়ে বিমূঢ়ের মতো দাঁড়িয়ে থাকেন জগদম্বা। মাথা খারাপ হয়ে গেল নাকি? সে প্রশ্ন করে- "কী দেখছো?”

মথুরমোহনের বাহ্যজ্ঞান লুপ্ত হয়েছে। তিনি বললেন- "তুমি দেখছো না, ও কে?"

জগদম্বা বলল-"বাবা বেড়াচ্ছেন তো?"

-"হ্যাঁ, বাবাই তো।"

-"তাহলে এমন করছো কেন? তোমার কি হয়েছে?"

জগদম্বা ভীত হয়ে ওঠে। অমঙ্গলের ছায়া নামে তার হৃদয়ে। চিৎকার করে ওঠে সে।

মথুরমোহন বললেন- "চেঁচিও না, যা দেখছি তাই বলছি।"

তিনি ছুটে গেলেন গদাধর ঠাকুরের কাছে। মথুরমোহনকে আমরা এক যুক্তিবাদী মানুষ হিসেবেই দেখেছি। কিন্তু এমন ভক্তিবাদের কাছে তাঁর পরাজয় ঘটে গেল।

তিনি ঠাকুরের আরও কাছে পৌঁছে গেলেন।

গদাধর এত কাছে সেজোবাবুকে দেখে অবাক হল। মথুর তাঁর পায়ে লুটিয়ে পড়েছেন। তিনি বললেন- "বাবা, আমি তোমায় চিনতে পারিনি। ক্ষমা ভিক্ষা করছি। তুমি আমাকে ক্ষমা করো।"

মথুরবাবুর এহেন আচরণে একেবারে হতবুদ্ধি হয়ে গেছে গদাধর।

বিস্ময়াবিষ্টের মতো বলে-"একী করছো? তুমি রানীর জামাই, তোমাকে এমন কাজ করতে দেখলে লোকে কী বলবে? ওঠো সেজোবাবু, ঠাণ্ডা হও....."

তবুও মথুরের কান্নার নিবৃত্তি নেই, এই কান্নার মাধ্যমেই বোধহয় আমরা ভালোবাসার জগতে পৌঁছোতে পারি।

মথুরমোহনেরও তাই হয়েছে। খুলে গেছে তাঁর দিব্যনয়ন। সংশয়ের অবসান হয়েছে। যুক্তিবাদী মন বিমুক্ত হয়েছে তর্কের শৃঙ্খল থেকে।

-"বসেছিলাম বারান্দায়, তোমার মধ্যে ঈশ্বরকে দেখতে পেলাম। পুব থেকে পশ্চিমে আসছো, আমি দেখলাম, তুমি নও, মা ভবতারিণী। আবার দেখলাম তুমি যখন পেছন ফিরে পুবের দিকে যাচ্ছো, তখন বুঝিমহাদেবকে দেখলাম। ভাবলাম, চোখের ভুল। চোখ মুছে আবার তাকালাম। সেই একই রূপ, কালী ও শিব, যতবার তোমাকে দেখেছি, আমার মনে হয় তোমার মধ্যে কালী ও শিবের যুগ্ম রূপ ফুটে উঠেছে।”

গদাধর বলল-"কই বাপু, আমি তো কিছু টের পেলুম না, তুমি ধাঁধা দেখছো না তো?"

-"না না, ধাঁধা নয়, আমি স্পষ্ট দেখেছি। তুমিই অনাদি অনন্ত পুরুষ, তুমি শিবসুন্দর। আবার তুমিই জগন্ময়ী, মহাশক্তির সাক্ষাৎ রূপ "

20/05/2026

Address

Chanditala
712702

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আনন্দম্ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share