Gour katha

Gour katha Please everyone like Gaur Katha page and stay tuned

*আজ ভগবান্ শ্রীশ্রীনৃসিংহদেবের আবির্ভাব- শ্রীনৃসিংহ চতুর্দশী ব্রত উপবাস।* *আগামীকাল শ্রীনৃসিংহ চতুর্দশী ব্রতোপবাসের পারণ...
04/05/2023

*আজ ভগবান্ শ্রীশ্রীনৃসিংহদেবের আবির্ভাব- শ্রীনৃসিংহ চতুর্দশী ব্রত উপবাস।*
*আগামীকাল শ্রীনৃসিংহ চতুর্দশী ব্রতোপবাসের পারণ--*
*সূর্য উদয় সকাল 05/07 হইতে সকাল 09/25 মধ্যে।*
# # # # # # # # # # # # # # # # # # #
ধর্মের গ্লানি ও অধর্মের প্রাদুর্ভাব, ভক্তকে রক্ষা ও দুষ্কৃত- অসুর- অসাধুগণকে বিনাশ করিবার জন্য ভগবান্ শ্রীহরি যুগে যুগে আবির্ভূত হন। ভগবান্ শ্রীনৃসিংহদেবের আবির্ভাবের কারণ,----------
অসুররাজ হিরণ্যকশিপু অমর,অজেয়, প্রতিপক্ষহীন অধিপতি হইবার জন্য মন্দরাচল পর্বতের গুহায় ব্রহ্মার তপস্যা করিয়াছিলেন। অসুরাজের কঠোর তপস্যায় সন্তুষ্ট হইয়া ব্রহ্মা তাঁহাকে বর প্রার্থনা করিতে বলিলে, হিরণ্যকশিপু বলিয়াছিলেন,- বর্তমান ও ভবিষ্যতে আপনার সৃষ্ট কোন প্রাণী হইতে, দিনে বা রাতে, মাটিতে বা উপরে, কোন অস্ত্রের দ্বারা আমার মৃত্যু হইবে না। সকল প্রাণী এবং লোকপালগণের উপর আধিপত্য, অনিমাদি ঐশ্বর্য লাভের বর প্রার্থনা করিয়াছিলেন। ব্রহ্মা হিরণ্যকশিপুরের প্রার্থনা অর্থাৎ বরগুলি প্রদান করিয়া স্বস্থানে চলিয়া গেলেন। এখানে ব্রহ্মার বাক্য সত্য রক্ষার্থে, শ্রীভগবান্ শ্রীনৃসিংহ রূপ ধারণ করিয়া আবির্ভূত হইয়াছিলেন।
হিরণ্যকশিপুর পুত্র প্রহ্লাদকে অসুর গুরু শুক্রাচার্যের ষন্ড (ষাঁড়) এবং অমর্ক (বানর) নামক দুই পুত্রের নিকট দণ্ডনীতি প্রভৃতি শাস্ত্র পড়িবার জন্য পাঠাইয়াছিলেন। কিছুদিন পরে প্রহ্লাদকে গুরুগৃহে কি পড়িয়াছ? জিজ্ঞাসা করিলে, প্রহ্লাদ বলিয়াছিলেন,- জাগতিক ভোগবাসনা ত্যাগ করিয়া শ্রীহরি ভজন করাই মনুষ্য জীবনের একমাত্র কর্তব্য। শ্রীবিষ্ণুর নাম- রূপ- গুণ- পরিকরলীলা- শ্রবণ, কীর্তন, স্মরণ, বন্দন, পাদ সেবন, পূজন, দাস, সখ্য ও আত্মনিবেদন-- এই নয়টি ভক্তির লক্ষণ। ইহাদের মধ্যে কোন একটিও যদি পালন করা যায়, তাহা হইলে তাহা ভক্তি হইবে, আমি ইহাই বুঝিয়াছি। ভগবৎ বিদ্বেষী হিরণ্যকশিপু এইরূপ কথা শুনিয়া প্রহ্লাদকে বধ করিবার জন্য অনেক চেষ্টা করিয়াছিলেন, কিন্তু 'রাখে হরি মারে কে', তাই প্রহ্লাদকে কোন প্রকারে বধ করিতে পারিলেন না। তখন হিরণ্যকশিপু প্রহ্লাদকে, তোমার বিষ্ণু কোথায় আছে? জিজ্ঞাসা করিলে, তিনি ভগবানের সর্বশ্রেষ্ঠত্ব এবং সর্বত্র আছেন বলিয়াছিলেন। পুত্রের মুখে এই রূপ শ্রবণ করিয়া হিরণ্যকশিপুর স্তম্ভের মধ্যে আছে? জিজ্ঞাসা করিলে ভক্ত প্রহ্লাদ স্তম্ভের মধ্যে ভগবানের অবস্থান স্বীকার করিলেন। তখন হিরণ্যকশিপু অত্যন্ত ক্রুদ্ধ বা কুপিত হইয়া স্তম্ভে মুষ্ট্যাঘাত করিলে ভক্তের সত্যবাক্য রক্ষার্থে স্তম্ভের মধ্য হইতে ভগবান্ শ্রীনৃসিংহদেব আবির্ভূত হইয়াছিলেন।
সূর্যদেব উদয় ও অস্ত যাওয়াতে জীবের আয়ু হরণ হইতেছে। বৃদ্ধকাল আসিয়া গেলে বিভিন্ন রোগ- জ্বালা -ব্যাধি- পীড়া প্রভৃতি আসিয়া যায়, হরি ভজন হয় না। তাই কুমার কাল হইতে জীবগণের ভগবৎ ভজন করা অত্যন্ত প্রয়োজন।
ভগবান্ শ্রীনৃসিংহদেব হিরণ্যকশিপুরকে বধ করিয়াছিলেন। হিরণ্য শব্দে সুবর্ণ, কশিপু শব্দে সজ্জা অর্থাৎ ভোগের বাসনা সমূহ। এই সকল প্রতিকূল ভাব সমূহকে দূর করিয়া ভগবান্ শ্রীনৃসিংহদেবের কৃপা পাওয়া আমাদের একান্ত প্রয়োজন। তাঁহার কৃপা হইলে জগতের যত বাধা- বিপত্তি আছে, সবই দূর হইয়া যাইবে এবং শান্তি আসিবে।
এখানে ভক্ত প্রহ্লাদ শ্রীহরির সর্বভয়হর চরণ কমলে একান্ত শরণাগত, সর্বস্ব ভগবৎ চরণে সেবারত রহিয়াছেন, শ্রীহরির অভিন্ন স্বরূপ শ্রীহরিনাম তাঁহার জিহ্বায় সর্বদা নিত্য করিতেছেন। তাই তাঁহাকে জাগতিক কোন শক্তি বধ করিতে পারিলেন না। অবশ্য রক্ষিবে কৃষ্ণ, তাঁহার এই দৃঢ় বিশ্বাস ছিল। অতএব তাঁহার আচরিত পথ অনুসরণ করিলে আমাদের মঙ্গল হইবে। তিনি বলিয়াছেন,---
ভগবৎ ভজন করিলে মনুষ্য জীবনের সার্থকতা হয় এবং ইহাই মনুষ্য জীবনের কর্তব্য। কাল বিলম্ব না করিয়া কুমার কাল হইতে আমাদের কৃষ্ণ সেবায় নিযুক্ত হইতে হইবে। স্বয়ং ভগবান্ দেব দৈবাদি সকলের প্রিয় আত্মা, ঈশ্বর ও সুহৃদ। কু-সঙ্গ ত্যাগ করিয়া সকলের তাঁহারই শরণ লওয়া উচিত। তাঁহার প্রীতির জন্য সাধু-গুরু-বৈষ্ণবগণের আনুগত্যে কর্ম অনুষ্ঠান করিতে হইবে। সকল বিদ্যা, সকল কর্ম তাঁহারই সেবায় সার্থক হয়, তা না হলে সকল কর্ম ব্যর্থ হয়।
( মায়াপুর শ্রীচৈতন্য মঠ।
শ্রীধাম মায়াপুর- নবদ্বীপ- নদীয়া- পশ্চিমবঙ্গ।--- হইতে শ্রীভক্তি কুসুম অরণ্য মহারাজ)।

*শ্রীল সচিদানন্দ ভক্তিবিনোদ ঠাকুরের হরিকথা।* ****************************আজকাল অনেকগুলি লোক হইয়াছেন, যাঁহারা এই প্রকার ...
08/04/2023

*শ্রীল সচিদানন্দ ভক্তিবিনোদ ঠাকুরের হরিকথা।*
****************************
আজকাল অনেকগুলি লোক হইয়াছেন, যাঁহারা এই প্রকার অপরাধকে ভয় করেন না। ভক্ত দেখিলেই অশ্রু পুলক হয়, কখন কখন কথা- আলোচনায় দশা প্রাপ্ত হন। আবার আধ্যাত্মিক সভায় আধ্যাত্মিক মতের সহায়তা করেন। বিষয়াবিষ্ট হইয়া আবার বিষয় চেষ্টায় নিতান্ত উন্মত্তবৎ ব্যবহার করেন।
হে পাঠকবর্গ! এই প্রকার লোক সকলের নিষ্ঠা কি? আমরা বিবেচনা করি যে, প্রতিষ্ঠা- লাভের জন্যই তাঁহারা ভক্তদিগের নিকট ভক্তিভাবের লক্ষণ দেখাইয়া থাকেন। কোন স্থলে প্রতিষ্ঠা লাভের লোভে এবং কোন স্থলে অন্য পার্থিব প্রাপ্তি লোভে ওই প্রকার বহুরূপী ব্যবহার করেন। দুঃখের বিষয় এই যে, তাঁহারা জগতকে ওই প্রকার ব্যবহার শিক্ষা দিয়া শুদ্ধ ভক্তির প্রতি কেবল অপরাধ করিতেছেন এমন নয়, জগৎ জীবের সর্বনাশ সাধন করিতেছেন।
হে পাঠকবর্গ! আসুন আমরা সাবধান হই। ভক্তি দেবীর প্রতি আমাদের যাহাতে অপরাধ না হয়, তাহাই করি। প্রথমেই আমরা নিরপেক্ষ হইয়া ভক্তি যাজন করিব-- এরূপ প্রতিজ্ঞা করি। কোন পক্ষের অপেক্ষা করিয়া আমরা ভক্তির প্রতিকূল কোন কথা কহিব না বা কোন কার্য করিব না। সকল কার্যে সরল থাকিব। হৃদয়ে এক, আবার ব্যবহারে অন্য-- এরূপ হইব না। ভক্তি প্রতিকূল পক্ষের লোকগণকে কোন কৃত্রিম লক্ষণ দেখাইয়া প্রতিষ্ঠা লাভের যত্ন করিব না। শুদ্ধা ভক্তিরই পক্ষপাত করিব, আর কোন প্রকার সিদ্ধান্তের পক্ষ সমর্থন করিব না। আমাদের হৃদয় ও ব্যবহার একই প্রকার হউক।
( মায়াপুর শ্রীচৈতন্য মঠ।
শ্রীধাম মায়াপুর- নবদ্বীপ- নদীয়া- পশ্চিমবঙ্গ।--- হইতে শ্রীভক্তি কুসুম অরণ্য মহারাজ)।

08/04/2023

*ভগবান্ শ্রীকৃষ্ণের শক্তি।***************************"সর্ব উৎকৃষ্ট কৃষ্ণধামই গোকুল; তাহা--- অনন্তের অংশ দ্বারা নিত্য প্র...
24/03/2023

*ভগবান্ শ্রীকৃষ্ণের শক্তি।*
**************************
"সর্ব উৎকৃষ্ট কৃষ্ণধামই গোকুল; তাহা--- অনন্তের অংশ দ্বারা নিত্য প্রকঠিত। সেই গোকুল--- চিন্ময় সহস্র পত্র বিশিষ্ট কমল বিশেষ; তন্মধ্যে কর্ণিকারই শ্রীকৃষ্ণের স্বীয় আবাসস্থান।"
( শ্রীব্রহ্মসংহিতা। ----2 শ্লোক)।
স্বয়ংরূপ ভগবান্ শ্রীকৃষ্ণের স্বরূপ -শক্তিকে ইচ্ছা-শক্তি, জ্ঞান- শক্তি ও ক্রিয়া- শক্তি--- এই তিন ভাবে দেখা যায়।
"কৃষ্ণের অনন্ত শক্তি তা'তে তিন প্রধান।
চিৎশক্তি, মায়াশক্তি, জীবশক্তি নাম।।
অন্তরঙ্গা, বহিরঙ্গা তটস্থা কহি যারে।।
অন্তরঙ্গা স্বরূপ- শক্তি সবার উপরে।"
ইচ্ছা শক্তির সাহায্যে তিনি গোলোক, বৈকুন্ঠ, বৃন্দাবন, মথুরা, দ্বারকা প্রভৃতি অপার্থিব জগতে নিজের লীলা গুলি বিস্তার করেন। তাঁহার জ্ঞানশক্তির সাহায্যে তিনি বাসুদের মূর্তির মাধ্যমে ঐশ্বর্য্যলীলা বিস্তার করেন এবং ক্রিয়া শক্তির মাধ্যমে সঙ্কর্ষণের দ্বারা (চিৎশক্তি যোগমায়ার মাধ্যমে) গোলোক ও অন্যান্য অপ্রাকৃত ধাম সৃষ্টি করেন।
সঙ্কর্ষণের ক্রিয়া শক্তির সাহায্যে অপ্রাকৃত নাম এবং রূপের প্রকাশ হয়। আবার সঙ্কর্ষণই পুরুষাবতার অর্থাৎ কারণাব্ধিশায়ী, গর্ভোদশায়ী ও পয়োব্ধিশায়ী সৃষ্টি করেন। এই সকল সৃষ্টি কোন কালের অধীন নয়, এইগুলি সবই নিত্য ও এই প্রকার অন্যান্য ভগবৎ ধামগুলি ভগবানের অপ্রাকৃত লীলা ক্ষেত্র।
(মায়াপুর শ্রীচৈতন্য মঠ।
শ্রীধাম মায়াপুর- নবদ্বীপ- নদীয়া- পশ্চিমবঙ্গ।--- হইতে শ্রীভক্তি কুসুম অরণ্য মহারাজ)।

24/03/2023
*আগামীকাল 18 মার্চ,  2023 সাল শনিবার- পাপ বিমোচনী একাদশীর উপবাস।* *পরদিন উপবাসের পারণ---* *সূর্য উদয় সকাল 05/48 হইতে সক...
17/03/2023

*আগামীকাল 18 মার্চ, 2023 সাল শনিবার- পাপ বিমোচনী একাদশীর উপবাস।*
*পরদিন উপবাসের পারণ---*
*সূর্য উদয় সকাল 05/48 হইতে সকাল 05/57 মধ্যে।*
[[[[ *পারণের সময় টা লক্ষ্য করিবেন, অতি অল্প সময়ের মধ্যে (মাত্র নয় মিনিটের মধ্যে) পারণ করিতে হইবে।*]]]]
****************************
# # # # *মনুষ্য জীবের কর্তব্য কি?* # # # #
***************************
পূর্ব-পূর্ব জন্মের সুকৃতির ফলে জীবের মনুষ্যদেহ অর্থাৎ উত্তম দেহ লাভ হয়। ৮৪ লক্ষ যোনি দেহের মধ্যে মাত্র চার লক্ষ্য যোনি মনুষ্য দেহ। মনুষ্য জীবিকা নির্বাহের জন্য সাধারণভাবে- আহার, নিদ্রা, মৈথুন ও ভয় ---
এই চারিটি, সমস্ত যোনি বা দেহেতে লাভ হইয়া থাকে। তাই বহু ভাগ্যের ফলে মনুষ্য দেহ লাভ করিয়া যদি এই সকল লইয়া জীবন অতিবাহিত করা হয়, তাহা হইলে যতই আমাদের সম্পদ থাকুক, তথাপি দুই পা তুল্য পশুর সঙ্গে তুলনা করা হইয়াছ্।
"বহু জন্মান্তর সংসারে ভাগ্যক্রমে পুরুষার্থ-- সাধক, সুদুর্লভ এই অনিত্য মানব দেহ লাভ করিয়া যে পর্যন্ত এই নিরন্তর মৃত্যুশীল দেহের পতন না ঘটে তাবৎকাল পর্যন্ত বিবেকী পুরুষ সত্তর নিঃশ্রেয় লাভের জন্য যত্নশীল হইবেন। বিষয় ভোগ অন্যান্য নিকৃষ্ট প্রাণী শরীরেও সম্ভবপর হইয়া থাকে, কিন্তু পরমার্থ অনুশীলন অন্য দেহে সম্ভবপর নহে।
(ভাঃ 11/09/29)।
এই মনুষ্য জন্ম নিত্য নহে, ইহা অনিত্য। জীবের চরম এবং পরম মঙ্গল লাভ অর্থাৎ প্রাকৃত দেহ এবং প্রাকৃত জগতের দুঃখ- কষ্ট, ত্রিতাপ জ্বালা হইতে নিস্তার লাভ করিয়া নিত্যধামে আমাদের আদি পিতা ভগবান্ শ্রীকৃষ্ণ চন্দ্রের সেবা- সুখ আস্বাদনের জন্য উপযোগী এই মনুষ্য- শরীর, জীবের স্বতন্ত্র ক্ষমতার বলে, এই মনুষ্য শরীরেই সর্বাপেক্ষা ভাল বা মন্দ অথবা হিতাহিত চিন্তা করা যায়। বুদ্ধিমান ব্যক্তিগণই মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত নিজের মঙ্গল চিন্তা করিয়া থাকেন। ভগবৎ সেবা মনুষ্যগণের প্রধান কর্তব্য। ভগবৎ ভক্ত সঙ্গেই আত্মার নিত্যবৃত্তি, ভগবানের প্রতি ভক্তি উদয় হইয়া থাকে।
( মায়াপুর শ্রীচৈতন্য মঠ।
শ্রীধাম মায়াপুর- নবদ্বীপ- নদীয়া- পশ্চিমবঙ্গ।--- হইতে শ্রীভক্তি কুসুম অরণ্য মহারাজ)।

*আগামী 11 বিষ্ণু,  03 চৈত্র,  18 মার্চ,  2023 সাল শনিবার- পাপ বিমোচনী একাদশীর উপবাস।* *পরদিন উপবাসের পারণ---* *সূর্য উদয...
16/03/2023

*আগামী 11 বিষ্ণু, 03 চৈত্র, 18 মার্চ, 2023 সাল শনিবার- পাপ বিমোচনী একাদশীর উপবাস।*
*পরদিন উপবাসের পারণ---*
*সূর্য উদয় সকাল 05/48 হইতে সকাল 05/57 মধ্যে।*
[[[[ *পারণের সময় টা লক্ষ্য করিবেন, অতি অল্প সময়ের মধ্যে (মাত্র নয় মিনিটের মধ্যে) পারণ করিতে হইবে।*]]]]
****************************
*কাম এবং প্রেম- দুইটি পৃথক্ বস্তু, পৃথক্ কার্য করে।*
-------------------------------------------
শ্রীভগবানের অন্তরঙ্গা শক্তির দ্বারা প্রকটিত চিৎ বৈকুন্ঠ জগৎ এবং বহিরঙ্গা শক্তির দ্বারা প্রকটিত মায়িক জগৎ। এই দুই জগতের মধ্যে অবস্থিত বিরজা নদী। যখন জীব এই জড়জগৎ বা মায়ির জগতে আসক্ত হইয়া পড়ে এবং আরাধ্য বস্তু শ্রীভগবানকে ভুলিয়া যায়, তখনই তাঁহার মায়িক ব্রহ্মাণ্ডে স্থূল ও শুক্ষ্ম দেহ লাভ করিয়া অর্থাৎ নিজ কর্মের চক্রে ঘুরিতে থাকে। ভগবান্ শ্রীগৌর হরি কলিযুগে আবির্ভূত হইয়া অপ্রাকৃত জগতের ভগবৎ সেবা সুখ এবং জীবের স্বরূপ উপলব্ধির জন্য পঞ্চম পুরুষার্থ ভক্তি তত্ত্ব আস্বাদন পূর্বক জগত জীবকে শ্রেষ্ঠ ভজন ধর্মের পথ প্রদর্শন করিয়াছেন।
*কৃষ্ণভক্ত নিষ্কাম অতএব শান্ত।*
*ভুক্তি- মুক্তি- সিদ্ধি কামি সকলি অশান্ত।।*
"কৃষ্ণ ভক্তই একমাত্র কামনা শূন্য এবং একমাত্র কৃষ্ণনিষ্ঠ বলিয়া শান্ত। স্বর্গাদি ভুক্তি-কামী কর্মী, নির্বাণাদি মুক্তি কাম জ্ঞানী এবং অনিমাদি অষ্টাদশ সিদ্ধি কামী যোগী- স্ব স্ব কামের বশবর্তী হইয়া তৎভাবে অশান্ত; আবার কামনা তৃপ্তিতেও অসৎ প্রাপ্তি হেতু কৃষ্ণনিষ্ঠ নহে বলিয়া অশান্ত।"
যাঁহারা শ্রীগৌর সুন্দরের পথ অনুসরণ পূর্বক আত্মেন্দ্রিয় সমুহ ত্যাগ করিয়া পূর্ণরূপে শড়ঙ্গ শরনাগতির মধ্য দিয়ে শ্রীভগবানকে লাভ করিবার জন্য ভজন করেন, তাহারাই নিস্কাম কৃষ্ণ ভক্ত এবং তাঁহারা পরমার্থ অনুশীলনে সর্বদা দিন অতিবাহিত করিয়া থাকেন। যাহারা আত্মেন্দ্রিয় তৃপ্তির জন্য অর্থাৎ এই অনিত্য জগতের ধর্ম, অর্থ, কামরূপ বাসনা সমূহ পূরণে ব্যস্ত থাকেন, তাহারা এক প্রকার ভোগী বা স্মার্ত বাদী জীব।
নিজের দুঃখ দূর করা এবং সুখ প্রাপ্তির বাসনাকেই কাম বলা হয়। নিজ দুঃখ নিবৃত্তি এবং সুখ প্রাপ্তি অর্থাৎ সর্বসুখ লাভ ইহা কর্মীগণের ভজন পথ ইহাদীগের উপাসনা অপেক্ষা সংসারের দুঃখ খন্ডন ও ব্রহ্ম সুখাবিলাশ- ইহা জ্ঞানীগণের ভজন পথ শ্রেষ্ঠ, আবার কৃষ্ণভক্তের ভজন পথ ভগবানের সুখের নিমিত্ত- ইহা সর্বশ্রেষ্ঠ ও নিষ্কাম পথ।
( মায়াপুর শ্রীচৈতন্য মঠ।
শ্রীধাম মায়াপুর- নবদ্বীপ- নদীয়া- পশ্চিমবঙ্গ।--- হইতে শ্রীভক্তি কুসুম অরণ্য মহারাজ)।

15/03/2023

Jai Sriradhe to everyone. Follow all of you on Gaur Katha page.

Address

Chakdaha
741222

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Gour katha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Gour katha:

Share