বাঙালি সনাতনী হিন্দু সংঘ

  • Home
  • India
  • Calcutta
  • বাঙালি সনাতনী হিন্দু সংঘ

বাঙালি সনাতনী হিন্দু সংঘ সারা বিশ্ব বাঙালি সনাতনী হিন্দু সংঘ॥

সবার আমন্ত্রণ.. 😇উদ্যোক্তাদের অন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন .. 🙏🚩
18/07/2026

সবার আমন্ত্রণ.. 😇
উদ্যোক্তাদের অন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন .. 🙏🚩

⛔ ধ/র্ষণের পরে দুই পা ধরে চিড়ে ফেলেছিল নাভি অব্দি।কঠোর থেকে কঠোরতম সাজা হোক..
11/07/2026

⛔ ধ/র্ষণের পরে দুই পা ধরে চিড়ে ফেলেছিল নাভি অব্দি।কঠোর থেকে কঠোরতম সাজা হোক..

30/06/2026

বইন তু্ই "ভারতের সেভেন সিস্টার্স" পরে টানবি আগে তু্ই খাইয়া দাইয়া পুষ্টি বৃদ্ধি কর।নইলে টানবি কেমনে ❓❓ 🤣🤣🤣
টাইন্যা আইন্যা রাখবি কই বুইন ⁉️

#ভারতমায়েরজয় #হরহরমহাদের

ভারত আবার জগৎ সভায় শ্রেষ্ঠ আসন লবে.. 🙏🚩 #হরহরমহাদেব  #ভারতমায়েরজয়
24/06/2026

ভারত আবার জগৎ সভায় শ্রেষ্ঠ আসন লবে.. 🙏🚩

#হরহরমহাদেব #ভারতমায়েরজয়

🔺🔺 সে দিনের একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, ‘রাজাকার বাহিনী চলে যাওয়ার পর তিনি রাস্তার পাশে অনেকগুলো লাশের সঙ্গে একটি মহিলার ...
23/05/2026

🔺🔺 সে দিনের একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, ‘রাজাকার বাহিনী চলে যাওয়ার পর তিনি রাস্তার পাশে অনেকগুলো লাশের সঙ্গে একটি মহিলার লাশ দেখতে পান। ১০-১১ মাসের বাচ্চা ঐ মৃত মহিলার স্তন্য পান করে যাচ্ছিলো এবং শিশুটির সমস্ত শরীর এবং মুখ মন্ডলে রক্ত লাগানো ছিলো।’🔺🔺

ডাকার গ্রাম বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের বাগেরহাট জেলার রামপাল উপজেলার পেরিখালী ইউনিয়নে অবস্থিত। ১৯৭১ সালে বাগেরহাট জেলা খুলনা জেলার একটি উপ-বিভাগ ছিল। ডাকড়া মংলা নদীর দক্ষিণ তীরে অবস্থিত, যা পশ্চিমে প্রবাহিত হয় এবং মংলা বন্দরের কাছে পাসুর নদীতে পড়ে। মংলা নদীর উত্তর তীরে ডানার বিপরীতে,বাঁশতলী ইউনিয়নের কৃষ্ণগঞ্জ বাজারে অবস্থিত। ডাকরা একটি প্রধানত হিন্দু গ্রাম ছিল, এখানে একটি বিখ্যাত কালী মন্দির ছিল।

২১ মে ১৯৭১ ইং সালে খুলনা জেলার বাগেরহাট উপ-বিভাগে শান্তি কমিটির সদস্য চেয়ারম্যান রাজাব আলী ফকিরের নেতৃত্বে ও রাজাকারদের দ্বারা ডাকারা গ্রামে নিরস্ত্র হিন্দু উদ্বাস্তুদের গণহত্যা করা হয়।গণহত্যাতে ৯০০ এরও বেশি হিন্দু পুরুষ ও নারী প্রান হারান।

মে মাসের ১১ তারিখ থেকে ডাকরা ও পেড়িখালি ইউনিয়নের হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা দেশত্যাগ করতে শুরু করলে ডাকরা গ্রামের কালীবাড়ির প্রধান সেবায়েত বাদলচন্দ্র চক্রবর্তী ভক্তদের এখনই যেতে নিষেধ করেন। এরপর সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নেন ২২ মে সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে ভারতে যাওয়ার। ডাকরা গ্রামের কালীবাড়ি ছিল হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে পরম পূজনীয় স্থান এবং সেবায়েত বাদলচন্দ্র চক্রবর্তীকে সবাই ভীষণ শ্রদ্ধা ও সম্মান করতেন।

আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২২ মের কয়েক দিন আগ থেকে পার্শ্ববর্তী গ্রামগুলোর অসংখ্য হিন্দু পরিবার ডাকরা কালীবাড়ির আশেপাশে মংলা নদী, মাদারতলা নদী ও কুমারখালী খালের তীরে শতাধিক নৌকায় অবস্থান নেয়। ২১ তারিখের মধ্যে ডাকরা কালীবাড়ি ও চারপাশে জায়গা হয়ে উঠে অনেকটা ছোট শরণার্থী শিবিরের মতো। ডাকরা গ্রামের ইনাম আলী শেখ, জোনাব আলী শেখ ও দেলোয়ার হোসেন উপস্থিত হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পূর্ণ নিরাপত্তার আশ্বাস দেন। বাঁশতলী গ্রামের শান্তি কমিটির সদস্য আফসার উদ্দিনও এ সময়ে পাকিস্তানি বাহিনী কোনো সমস্যা করবে না বলে আশ্বাস দিয়েছিলো।

২১ মে দুপুর ১টার দিকে রাজাকার রজ্জব আলী ফকিরের নেতৃত্বে একেএম ইউসুফ, সিরাজ মাস্টার, আকিজ উদ্দিন, ইসহাকসহ রাজাকারের একটি দল বড় দুটি ছিপওয়ালা নৌকায় ডাকরায় পৌঁছে। প্রতিটি নৌকায় ছিল ১৫ থেকে ২০ জন রাজাকার। রাজাকারদের প্রথম নৌকাটি কালীগঞ্জ বাজার অতিক্রম করে মাদারতলী খালের দিকে অগ্রসর হয়। দ্বিতীয় নৌকা কুমারখালী খাল বরাবর অগ্রসর হয় এবং তারপর মাদারতলী বরাবর চলে আসে।

দ্বিতীয় নৌকা থেকে রাজাকাররা নেমেই ভিড়ের মধ্যে নির্বিচারে গুলি চালাতে শুরু করে। ইতোমধ্যে প্রথম নৌকা থেকেও রাজাকাররা নিচে নেমে কালী মন্দিরের দিকে এগিয়ে ভিড়ের মধ্যে নির্বিচারে গুলি চালায়। এ সময় বৃষ্টির মতো দুদিক থেকে গুলির শব্দ শুনে নৌকা ও তীরে অবস্থানরত নিরীহ মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েন। প্রাণ বাঁচাতে তারা হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ছুটতে থাকেন। দুদিক থেকে গুলিবিদ্ধ হয়ে বহু মানুষ মারা যান। যারা গুলিবিদ্ধ হয়ে বেঁচে ছিলেন, তাদেরকে জবাই করে হত্যা করে রাজাকারেরা।

অনেকে কালীবাড়িতে তাদের গুরুর কাছে হাজির হন। এ সময়ে রাজাকারেরাও দুদিক থেকে গুলি চালাতে চালতে কালীবাড়িতে এসে হাজির হয়। এ সময় সেখানে উপস্থিত নারী ও পুরুষদের আলাদা করা হয়। এরপর আরও পুরুষ আছে কি না তা পরীক্ষা করার জন্য কয়েকজন রাজাকার ঘরের ভেতরে ঢুকে শাড়ি পরা অবস্থায় কয়েকজন পুরুষকে খুঁজে পায়। তাদের টেনে হিঁচড়ে বাইরে এনে মন্দির চত্বরে লাইন ধরে ব্রাশফায়ার করে হত্যা করে।

এর পরেও বৃদ্ধ আকিজ উদ্দিন তার ঘনিষ্ট সহযোগী মজিদ কসাইকে সঙ্গে নিয়ে মৃতদেহগুলো উলটে পালটে দেখতে থাকে, অক্ষত বা আহত কাউকে পাওয়া মাত্রই তাদের জবাই করে মারা হয়। এছাড়া হিন্দু বাড়িগুলোতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া জন্য স্থানীয় সহযোগীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিলো।

বেলা তিনটার দিকে এই শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থার অবসান ঘটে। তবে তখনো হিন্দু বাড়িগুলোতে দেয়া আগুনের লেলিহান শিখা কালো মেঘের মতো ধোঁয়ার সৃষ্টি করে যাচ্ছিল।

মাত্র দুই ঘন্টায় সংগঠিত এই গণহত্যায় শহীদ হয়েছিলেন প্রায় ৯০০ মানুষ। যদিও শহীদদের তালিকায় পাওয়া যায় ৬৪৬ জন নিরীহ ভক্ত ও গ্রামবাসীর নাম।

গণহত্যা শেষে কয়েকজন তরুণীকে অপহরণ করে রাজাকার কমান্ডার রজ্জব আলীর নৌকায় তুলে নেয় রাজাকারেরা। স্থানীয় রাজাকারদের সঙ্গে নিয়ে রজ্জব আলী ফকির বাগেরহাটে ফিরে যায়।

মর্মান্তিক ও হ্নদয়বিদারক সে ঘটনা যারা প্রত্যক্ষ করেছিলেন সেদিনের কথা মনে করতে গিয়ে এখনো তারা শিউরে ওঠেন।

এই ভয়াবহ ও পৈশাচিকতার গণহত্যা ভুলে গেছে সবাই। প্রজন্মের জানা নেই আজ। রাজাকার ও শান্তি কমিটি দ্বারা সংগঠিত দেশের সর্ববৃহৎ গণহত্যা ছিলো ডাকরা গণহত্যা।

⭕ ডাকরা’র গণহত্যায় নিহত বাগেরহাট জেলার কয়েকজন অধিবাসীর নাম এখানে উল্লেখ করা হলো।

গৌরঙ্গ দেবনাথ, রণজিৎ কুমার মহলী, নকুল চন্দ্র মন্ডল, রাধাকান্ত মজুমদার, ক্ষান্তি রাণী হালদার, আশুতোষ চক্রবর্তি, অমূল্য কুমার মন্ডল, অতুল কৃষ্ণ ডাকুয়া, মহানন্দ বৈরাগী, মহানন্দ কবিরাজ, হরষিত চন্দ্র মন্ডল, নারায়ণ চন্দ্র ডাকুয়া, পাচুরাম কবিরাজ, শরৎ চন্দ্র মন্ডল, যতীন্দ্র নাথ বৈরাগী, নিরঞ্জন চক্রবর্তি, গোপালচন্দ্র মজুমদার, আনন্দ হালদার, আনন্দলাল মজুমদার, অমলকৃষ্ণ চক্রবর্তী, অনন্ত কুমার মন্ডল, অঙ্কুর মজুমদার, বরদাকান্ত ঘরামী, ভদ্রকান্ত মন্ডল, কামিনী মন্ডল, কুমুদ বিহারী চক্রবর্তি, লক্ষীকান্ত চক্রবর্তি, মরুময় ব্যানার্জী, হরিবর হালদার, রসিকলাল চক্রবর্তি, রসিকলাল ঘরামী, সত্যরঞ্জন চক্রবর্তি, সতীশ চন্দ্র মজুমদার, সুখেন্দু হালদার, প্রমীলা মন্ডল, যতীন্দ্রমোহন চক্রবর্তি, বিশ্বেশ্বর মিস্ত্রিী, কিরণচন্দ্র চক্রবর্তি, উপেন্দ্রনাথ ঘরামী, বেলা রাণী মন্ডল বেলকা, কেনারাম ডাকুয়া, গুরুবর মন্ডল, বিরাজমোহন পাল, বিশ্বেশ্বর মন্ডল, নিকুঞ্জবিহারী বাছাড়, নিরোধ বিহারী বাছাড়, সুবোধ কুমার পাল, প্রফুল্ল কুমার পাল, দেবেন্দ্রনাথ মজুমদার, অনাথবন্ধু মিস্ত্রী, অনন্ত কুমার মন্ডল, ভুপাল চন্দ্র বিশ্বাস, খগেন্দ্রনাথ মন্ডল, হরিচরণ বিশ্বাস, নন্দলাল বিশ্বাস, পুলিনবিহারী প্রামাণিক, রমেশ চন্দ্র বিশ্বাস, রাইচরণ বিশ্বাস, রসময় বিশ্বাস, জিতুন মজুমদার, উপেন্দ্রনাথ হালদার, ভোলানাথ মূখার্জী, গোপাল চন্দ্র বিশ্বাস, নিরোধ বিহারী মন্ডল, কেশব চন্দ্র মন্ডল, যতীন্দ্রনাথ প্রামাণিক, মনীন্দ্র দেবনাথ, নিরোধ বিহারী মিস্ত্রী, অভিলাশ বাছাড়, যাদব চন্দ্র তাফালী, লক্ষ্ণণ চন্দ্র তাফালী, প্রফুল্ল কুমার তাফালী, যতীন্দ্রনাথ প্রামাণিক, মনীন্দ্রনাথ দেবনাথ, বাবু শিকদার এবং সহদেব হালদার।

ছবি ও তথ্য - সংগৃহীত।
🖋️ দিতি ভট্টাচার্য।

আসলে মুলোরাই আমাদের স্থাপত্য, ভাস্কর্য সব শিখিয়েছে, আর এই মনমুগ্ধকর সৃষ্টি সব বহিরাগত..  ❗❗❗❗ #জয়ভবানী  #ভারতমায়েরজয়    ...
23/05/2026

আসলে মুলোরাই আমাদের স্থাপত্য, ভাস্কর্য সব শিখিয়েছে, আর এই মনমুগ্ধকর সৃষ্টি সব বহিরাগত.. ❗❗❗❗

#জয়ভবানী #ভারতমায়েরজয়

এ ভারত ১৯৪৭ সালের ভারত নয়।এ বর্তমান ২০২৬-এর শক্তিশালী ভারত।আত্মনির্ভর ভারত,শক্তিশালী ভারত.. 🙏🚩🔱 #ভারতমায়েরজয়  #জয়ভবানী ...
23/05/2026

এ ভারত ১৯৪৭ সালের ভারত নয়।এ বর্তমান ২০২৬-এর শক্তিশালী ভারত।আত্মনির্ভর ভারত,শক্তিশালী ভারত.. 🙏🚩🔱

#ভারতমায়েরজয় #জয়ভবানী

🔺 মুসলিম শাসক দ্বারা ধ্বংস প্রাপ্ত জনপ্রিয় হিন্দু মন্দির 🔺মুসলিম শাসকরা প্রায় ৭০০ বছর ভারতবর্ষকে শাসন করেছে। এই ৭০০ বছরে...
23/05/2026

🔺 মুসলিম শাসক দ্বারা ধ্বংস প্রাপ্ত জনপ্রিয় হিন্দু মন্দির 🔺

মুসলিম শাসকরা প্রায় ৭০০ বছর ভারতবর্ষকে শাসন করেছে। এই ৭০০ বছরে ভারতীয়দের হারানোর ইতিহাস। হারিয়েছে হিন্দুত্ব। হারিয়েছে সম্ভ্রম, পেয়েছে যন্ত্রনা,দুর্ভোগ। ভারতীয়দের সম্পদ লুন্ঠিত হয়েছে। ভারতবাসীকে জ্ঞান শূন্য করার সব ধরণের চেষ্টা চলেছে এই ৭০০ বছর ধরে।। বর্ণ প্রথার সুযোগ নিয়ে ঐ আমলে গরিব ভারতবাসীকে জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত করেছে। আজ ভারতে যে সব মুসলিম দেখা যায় তার প্রায় সবটাই ধর্মান্তরিত হিন্দু। ইসলামের ইতিহাসে হত্যা, লুন্ঠন ও দখলের ইতিহাস জড়িত। এরা হিন্দু মন্দিরগুলো ভেঙে মসজিদ, দরগা, মাজার, ইসলামিক সেন্টার ইত্যাদিতে রূপান্তর করেছে।
শুধু হিন্দু মন্দির নয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেমন বিশ্বের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় নালন্দাসহ অনেক লাইব্রেরি, শিখমন্দির, বৌদ্ধ মন্দির, জৈন মন্দির ভাঙা বা পোড়ানো হয়েছে মুসলমান শাসকদের দ্বারা।তারা ভারতীয় উপমহাদেশের হাজার হাজার মন্দির ধ্বংস করেছে। কিন্তু আজ তুলে ধরবো ভারতীয় উপমহাদেশের ১০টি বৃহৎ এবং জনপ্রিয় মন্দির যা মুসলমান শাসকরা ধ্বংস করেছে।
কাশ্মীরের এই মন্দিরটি নির্মাণ করেন রাজা লতিত আদিত্য খ্রিস্ট পূর্ব পাঁচ শতকে। মন্দিরটি ধ্বংস করেন মুসলিম শাসক সিকান্দার বশিখান। শোনা যায় মন্দিরটি এতো মজবুত ছিল যে এটি ধ্বংস করতে ১ মাসেরও বেশি সময় লাগে। বলিউড মুভি হায়দার নির্মিত হয় এই মন্দিরের উপর ভিত্তি করে। এই মন্দিরকে এখন কাশ্মীরের মুসলমানরা শয়তানের গুহা বলে অভিহিত করে। এই মন্দির আর পুনঃনির্মাণ সম্ভব হয়নি।

🚩 মধ্যেরা সূর্য মন্দির
এই মন্দিরটি খ্রিস্টপূর্ব দশ শতকে। এই মন্দিরে ছিল ঐতিহাসিক সিন্ধু সভ্যতার মতো সাতটি কুন্ড জেক সপ্তকুণ্ড বলা হতো। রাজা ভীম্মদেব ১১ শতকে মন্দিরটি পুনঃনির্মান করেন এবং সূর্য দেবতাকে উৎসর্গ করেন। এই মন্দির রামায়ণের সাথে জড়িত। ধারণা করা হয় ভগবান রাম রাবণকে হত্যার আগে এই মন্দিরে এসেছিলেন। পুরাণের মতে, এই অঞ্চলকে ঐ সময় ধর্মারণ্য বলা হতো। পরে এটি মধ্যেরা নাম পরিচিতি পায়। মন্দিরটি ছিল স্বর্ণের তৈরী বিভিন্ন দেবদেবতার প্রতিমায় পরিপূর্ণ। মাহমুদ গজনী এখানকার সব স্বর্ণ প্রতিমা লুট করে নিয়ে যায়।পরে আলাউদ্দিন খলজী মন্দিরটি ধ্বংস করেন। মন্দিরটি বর্তমানে পুননির্মাণ করা হয়েছে।

🚩 সোমনাথ মন্দির
সোমনাথ মন্দির গুজরাটের পশ্চিমে সুরাটে অবস্থিত একটি শিব মন্দির। এটি বর্তমানে গুজরাটের একটি প্রধান ট্যুরিস্ট আকর্ষণ। ১০২৬ খ্রিস্টাব্দে মাহমুদ গজনী মন্দিরটি লুট করেন। পরে আলাউদ্দিন খিলজীর সামরিক কমান্ডার আফজাল খান মন্দিরটি ধ্বংস করেন। এর পর আওরঙ্গজেব মন্দিরটি ধ্বংস করে প্রায় ধূলার সাথে মিলিয়ে দেন। ইতিহাসবিদদের মতে সোমনাথ মন্দির মোট ১৭ বার লুট ও ধ্বংস করা হয়েছে। তাদের মতে মন্দিরটি ধ্বংস ও লুটের সময় বড় ধরণের হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়। ভারতের স্বাধীনতার পর মন্দিরটি পুনঃনির্মাণের প্রজেক্ট হাতে নেয়া হয়। ১৯৫১ সালে বল্লভভাই প্যাটেলের নির্দেশ ও তত্ত্বাবধানে মন্দিরটি পুননির্মাণ করা হয়।

নিচের উদ্ধৃতিটি তেরো শতকের আরব ভূগোলবিদ আসারু-ল-বিলাদের লেখা ওয়ান্ডারস অফ থিংস ক্রিয়েটেড, অ্যান্ড মার্ভেলস অফ থিংস এক্সিস্টিং বই থেকে নেওয়া। এতে সোমনাথ মন্দির ও তার ধ্বংসের বিবরণ পাওয়া যায়-

“সোমনাথ: ভারতের বিখ্যাত শহর, সমুদ্রের উপকূলে অবস্থিত এবং সমুদ্রের তরঙ্গবিধৌত। এই স্থানের বিস্ময়কর স্থানগুলির মধ্যে একটি হল এক মন্দির যেখানে সোমনাথ নামে একটি বিগ্রহ রয়েছে। বিগ্রহটি মন্দিরের মাঝখানে নিচের কোনোরকম ঠেকনা ছাড়াই উপর থেকে ঝুলে রয়েছে। হিন্দুরা এটিকে খুব শ্রদ্ধা করে। বিগ্রহটিকে ওভাবে ঝুলতে দেখে মুসলমানই হোক, আর কাফেরই হোক, সবাই আশ্চর্য হয়ে যায়। চন্দ্রগ্রহণের দিন হিন্দুরা এই মন্দিরে তীর্থ করতে আসে। সেই সময় লক্ষ লক্ষ লোক এই মন্দিরে ভিড় জমান।"

“সুলতান ইয়ামিনু-দ দৌলা মাহমুদ বিন সুবুক্তিগিন ভারতের বিরুদ্ধে ধর্মযুদ্ধ ঘোষণা করলেন। তিনি ভেবেছিলেন সোমনাথ ধ্বংস করে দিলেই হিন্দুদের মুসলমান করা যাবে। তাই তিনি সোমনাথ ধ্বংস করার ব্যাপারে বিশেষভাবে যত্নবান হন। এর ফলে হাজার হাজার হিন্দুকে জোর করে মুসলমান করা হয়। তিনি ৪১৬ হিজরির জিল্কাদা মাসের মাঝামাঝি সময় (১০২৫ খ্রিস্টাব্দের ডিসেম্বর মাসে) এসেছিলেন।

"বিহগ্রের দিকে সুলতান আশ্চর্য হয়ে চেয়ে রইলেন। তারপর লুটের মাল নিয়ে যাওয়ার হুকুম দিলেন। ধনসম্পদ তাঁর খুব পছন্দ হয়েছিল। সেখানে সোনা ও রুপো দিয়ে তৈরি অনেক মূর্তি ছিল। রত্নখচিত অনেক পাত্র ছিল। ভারতের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা সেসব জিনিস সেই মন্দিরে পাঠিয়েছিলেন। মন্দির থেকে লুণ্ঠিত দ্রব্যের মোট অর্থমূল্য ছিল কুড়ি হাজার দিনারেরও বেশি।"

🚩 শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমি মন্দির
শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমি মন্দিরটিকে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মভূমি বলে ধারণা করা হয়। এটি ভারতের উত্তর প্রদেশের পবিত্র মথুরা শহরে অবস্থিত। গুজরাটের দ্বারকা মন্দিরের মতো শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমি মন্দিরটি নির্মাণ করেন শ্রীকৃষ্ণের নাতি বজ্রা (Vajra)। কিংবদন্তীদের মতে কৃষ্ণের জন্মস্থানে মন্দিরটি ৫,০০০ পূর্বে নির্মাণ করা হয়।রাজা যাদবকে এই মন্দির নির্মাণের কৃতিত্ব দিলেও রাজা চন্দ্রগুপ্ত (দ্বিতীয়) এই ৪০০ খ্রিস্টাব্দে এই মন্দিরের অনেক সংস্কার করেন। ১০১৭ খ্রিষ্টাব্দে মন্দিরটি ধ্বংসের পর রাজা বীর সিং বুন্দেলা মন্দিরটি পুনঃনির্মান করেন। মুঘল শাসক আওরঙ্গজেব মন্দিরটি ধ্বংস করে কেশব মন্দিরের উপর একটি দরগা তৈরী করেন। শ্রীকৃষ্ণ যে কংশের জেল খানায় জন্ম নিয়েছিলেন সেই জেল খানার চিহ্ন এখানে এখনো দেখা যায়। এখানেই তৈরী করা হয়েছে একটি মসজিদ যার ভিতরে এখনো মন্দিরের নমুনা পাওয়া যায়।

🚩 হাম্পি মন্দির
হাম্পি বিজয়নগর সম্রাজ্যের রাজধানী। মুঘল ভারতের আসার আগে বিজয়নর ছিল সবচেয়ে বড় সাম্রাজ্য। তাদের রাজত্ব ৩৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। তারা মুঘলদের কাছে সম্রাজ্য হারান। তাদের পরাজয়ের পর রাজধানীতে এক নাগাড়ে একমাস ধরে বৃষ্টি হয় বলে জানা যায়। হাম্পিসহ বিজয়নগর সাম্রাজ্যের অনেক মন্দির মুঘলদের হাতে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।

🚩 মীনাক্ষী মন্দির
মীনাক্ষী ভারতের সবচেয়ে গুরুত্ত্বপূর্ণ একটি মন্দির। ভারতের তামিলনাড়ুর মাদুরাই শহরে মন্দিরটি অবস্থিত। মন্দিরটি সুন্দরেশ্বর অথাৎ মহাদেব শিব এবং মীনাক্ষী অর্থাৎ পার্বতীকে উৎসর্গ করা হয়েছে। ইতিহাসবিদদের মোতে মহাদেব শিব এই মন্দিরেই পার্বতীকে বিয়ে করেন। তামিল সাহিত্য থেকে মন্দিরটি ৪০০ খ্রিস্টপূর্বে নির্মিত বলে ধারণা পাওয়া যায়। ১৩০০ সালের দিকে দিল্লীর সুলতানদের নজর পড়ে দক্ষিণ ভারতের দিকে। ১৩১০-১৩১১ সালে আলাউদ্দিন খলজির সামরিক জেনারেল মালিক কাফুর মন্দিরটি ধ্বংস ও লুট করেন। ১৬ ০ ১৭ শতকে হিন্দু শাসক বিশ্বনাথ নায়ক মন্দিরটি প্রথম পুনঃনির্মান করেন। এর পর এই মন্দিরের অনেক বার সংস্কার করা হয়। সুন্দর কারুকার্য্যের জন্য মীনাক্ষী মন্দিরকে বিশ্বের সবচেয়ে সুদর্শন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বলা হয়ে থাকে।

🚩 মদনমোহন মন্দির
মদনমোহন মন্দির বৃন্দাবনের নিকট কালীঘাটে অবস্থিত। প্রাচীনকালে এই মন্দির এলাকা ঘন বনে পরিবেষ্টিত ছিল। আওরঙ্গজেবের আমলে এই মন্দিরের মদন গোপাল প্রতিমাটি লুট করে রাজস্থানে নিয়ে যাওয়া হয় এবং মন্দিরটি ধ্বংস করা হয়। ১৮১৯ সালে একজন বাঙালি শ্রী নন্দ কুমার বসু এর পাশেই ঠিক মদনমোহনের মতো করে আর একটি মন্দির স্থাপন করেন।

🚩 শ্রীরাম জন্মভূমি মন্দির অযোধ্যা
স্থানীয় হিন্দুদের মতে, রাম জন্মভূমি ধ্বংশ করে সম্রাট বাবর ১৫২৮ সালে বাবরী মসজিদ নির্মাণ করেন। মীর বাকী যিনি ছিলেন সম্রাট বাবরের সামরিক জেনারেল তিনি রামজন্মভূমি ধ্বংশের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বলে ইতিহাস থেকে ধারণা পাওয়া যায়। ধ্বংসের পর থেকে এখানে হিন্দু-মুসলিম উভয়ই প্রার্থনা করে আসছিলো। মুসলমানরা মসজিদের ভিতর এবং হিন্দুরা মসজিদের বাইরে প্রার্থনা করে আসছিলো। রামজন্মভুমিতে ভগবান রামের মন্দির নির্মাণের লক্ষ্যে হিন্দুরা '৯০ এর দিকে বাবরী মসজিদ ধ্বংস করে। এখানে একটি মন্দির প্রতিষ্ঠার জন্যে ভারতীয় আদালতে এখনো মামলা চলছে।

🚩 রুদ্র মহালয়
এটি গুজরাটের পাঠান জেলার সিদ্দিপুরে অবস্থিত একটি মন্দির কমপ্লেক্স। সিদ্দিপুর সরস্বতী নদীর তীরে অবস্থিত হিন্দুদের একটি প্রাচীন পবিত্র শহর।গুজরাটের রাজা সিদ্ধি মহারাজ থেকে এই শহরের নামকরণ হয়েছে। সিদ্ধি মহারাজ ১২০০ সালের দিকে মন্দিরটি নির্মাণ করেন। প্রকৃতপক্ষে, মুলারাজা সোলাঙ্কি ৯৪৩ সালে রুদ্র মহালয় মন্দিরের নির্মাণ কাজ শুরু করেন এবং ১১৪০ সালে সিদ্ধিরাজ জয়সিংহ তা শেষ করেন। ১৪১০ থেকে ১৪৪০ সালের মধ্যে আলাউদ্দিন খিলজি মন্দিরটি কয়েকবার ধ্বংস করেন। আবার পুনঃনির্মান করা হলে আহমেদ শাহ সেটি সম্পূর্ণ ধ্বংস করে সেখানে একটি মসজিদ নির্মাণ করেন।

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=417938690337193&id=100063631975612&sfnsn=wiwspmo

মানুষ কতটা নৃশংস হতে পারে,না.. ⁉️⁉️⁉️ #জয়ভবানী  #ভারতমায়েরজয়
19/05/2026

মানুষ কতটা নৃশংস হতে পারে,না.. ⁉️⁉️⁉️

#জয়ভবানী #ভারতমায়েরজয়

পৃথিবীর যে কোন স্থানেই মুসলমান মাত্র একশত জন হলেও তারা সংখ্যালঘু হয় না।  মুসলামদের অজুহাত ও আচরণের ইতিহাস তাই বলছে। সে জ...
19/05/2026

পৃথিবীর যে কোন স্থানেই মুসলমান মাত্র একশত জন হলেও তারা সংখ্যালঘু হয় না। মুসলামদের অজুহাত ও আচরণের ইতিহাস তাই বলছে। সে জায়গায় ভারতের ২৫ কোটি মুসলমান কি করে সংখ্যালঘু হয়? তা আমার মাথায় আসে না। তারা ৪৭ এ মাত্র মাত্র চার কোটি ছিলো। তাতেই মহা ভারত ভেঙ্গে দুটি দেশ বানিয়ে ফেলেছে! তাহলে অনুমান করুন, চান্স পেলেই ছোট ভারতকে আজকের মুসলমানেরা কয় টুকরো করে ফেলবে। এবং কোন দিকে নিয়ে যাবে! তার উপর এক পাশে রয়েছে বড় পাকিস্তান, আরেক পাশে ছোট পাকিস্তান। বড় পাকিস্তানের চেয়ে এই ছোট পাকিস্তান এখন ভারতের জন্য বেশি বিপদজনক হয়ে উঠেছে। এ ছাড়া বোনাস হিসেবে ছোট ছোট পাকিস্তান তো, খোদ ভারতের ভিতরেই মজুদ আছে। আর, বাম টুকরো গ্যাং এর কথা নাই বা বললাম।

#জয়ভবানী #ভারতমায়েরজয়

Address

West Bangal, Bangladesh, Tripura, Assam, Jharkhand, Odessa
Calcutta

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাঙালি সনাতনী হিন্দু সংঘ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share