Manikyahar Thakur Bari

Manikyahar Thakur Bari The heart of Manikyahar Thakur Bari is the Temple of Giridhari. Here anyone can find the left footprint of Lord Krishna when he lifted Giri Parvat.

মার্চ মাসে সেবা চলাকালীন কিছু দৃশ্য🙏💕
08/05/2026

মার্চ মাসে সেবা চলাকালীন কিছু দৃশ্য🙏💕

🙏🌼*|| জয় গিরিধারী ||*🌼🙏*┉┅━●❀꧁ω❤️(ॐ)❤️ω꧂❀●━┅┉*    মানিক্যহার ঠাকুরবাড়ির গিরিধারী মন্দির ***╰•┄┅═══❁✿❁❁✿❁═══┅┄•╯***    ...
17/01/2026

🙏🌼*|| জয় গিরিধারী ||*🌼🙏
*┉┅━●❀꧁ω❤️(ॐ)❤️ω꧂❀●━┅┉*

মানিক্যহার ঠাকুরবাড়ির গিরিধারী মন্দির
***╰•┄┅═══❁✿❁❁✿❁═══┅┄•╯***

*━●❀꧁❤️ 🙏 ❤️꧂❀●━*

***❁☞🙏 রাধে রাধে 🙏☜❁***

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।
***╰•┄┅═══❁✿❁❁✿❁═══┅┄•╯​***

* আজকের দিন সকলের শুভ ও মঙ্গলময় হোক *
❤️🙏❤️

01/01/2026

বিশ্ব হিন্দু পরিষদকে "মানিক্যহার ঠাকুরবাড়ি" র ছোটো তরফের দেওয়া জায়গার ওপরে শিব মন্দিরের নাট মন্দিরে গোপাল ও ভক্তদের নিয়ে বনভোজনের দৃশ্য। 🙏💕

🙏🌼*|| জয় গিরিধারী ||*🌼🙏*┉┅━●❀꧁ω❤️(ॐ)❤️ω꧂❀●━┅┉*মানিক্যহার ঠাকুরবাড়ির গিরিধারী মন্দিরের সন্ধ্যা আরতি।                ***...
01/01/2026

🙏🌼*|| জয় গিরিধারী ||*🌼🙏
*┉┅━●❀꧁ω❤️(ॐ)❤️ω꧂❀●━┅┉*

মানিক্যহার ঠাকুরবাড়ির গিরিধারী মন্দিরের সন্ধ্যা আরতি।
***❁☞🙏 রাধে রাধে 🙏☜❁***

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।
***╰•┄┅═══❁✿❁❁✿❁═══┅┄•╯​***

* আজকের দিন সকলের শুভ ও মঙ্গলময় হোক *
❤️🙏❤️

মানিক্যহার ঠাকুরবাড়ির গিরিধারী মন্দিরের 1/1/26 এর  নয়নাভিরাম দৃশ্য ।*┉┅━●❀꧁ω❤️(ॐ)❤️ω꧂❀●━┅┉****❁☞🙏 রাধে রাধে 🙏☜❁***
01/01/2026

মানিক্যহার ঠাকুরবাড়ির গিরিধারী মন্দিরের 1/1/26 এর নয়নাভিরাম দৃশ্য ।
*┉┅━●❀꧁ω❤️(ॐ)❤️ω꧂❀●━┅┉*

***❁☞🙏 রাধে রাধে 🙏☜❁***

💕🙏জয় গিরিধারী 🙏💕 *************************
28/12/2025

💕🙏জয় গিরিধারী 🙏💕
*************************

🏰🙏বিষ্ণুপুর করুণাময়ী কালী মন্দির যেখানে ভক্তি ও বিশ্বাস এক হয়🌺🪔🌺"কালী-নামের এত গুণ কেবা জান্তে পারে তায়।দেবাদিদেব মহাদে...
22/12/2025

🏰🙏বিষ্ণুপুর করুণাময়ী কালী মন্দির যেখানে ভক্তি ও বিশ্বাস এক হয়🌺🪔

🌺"কালী-নামের এত গুণ কেবা জান্তে পারে তায়।
দেবাদিদেব মহাদেব যাঁর পঞ্চমুখে গুণ গায়॥"🔱

মদন মাস্টারের সেই কালজয়ী গানের কলি গুনগুন করতে করতে আজ আমরা এসে পৌঁছেছি মুর্শিদাবাদ জেলার ঐতিহাসিক শহর বহরমপুরের এক জাগ্রত তীর্থক্ষেত্রে—বিষ্ণুপুর কালী মন্দির। 🏰🙏
লোকমুখে এই মন্দির করুণাময়ী মায়ের মন্দির নামেই অধিক পরিচিত।
🌺🪔এখানে দেবী পূজিতা হন করুণাময়ী রূপে, ভক্তের সমস্ত আর্তি তিনি দুহাত ভরে পূর্ণ করেন।

🚍বহরমপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে মাত্র ২.৫ কিমি দূরে অবস্থিত মায়ের এই মন্দির।
🚂আর যদি আপনারা ট্রেন পথে আসেন, তবে বহরমপুর কোর্ট স্টেশনে নেমে টোটো বা অটো ধরে মাত্র ৩.৫ কিমি পথ অতিক্রম করলেই পৌঁছে যাবেন 🏰🙏বিষ্ণুপুর করুণাময়ী মায়ের মন্দিরে।

🏰মন্দিরে প্রতিদিন চলে মায়ের নিত্যপূজা এবং সন্ধ্যারতি।🌺🪔
বিশেষ করে প্রতি শনিবার ও মঙ্গলবার ভক্তদের ভিড়ে মন্দির প্রাঙ্গণ গমগম করে।
পৌষ মাসে মায়ের আবির্ভাব তিথি উপলক্ষে প্রতিবছর এখানে বসে বিশাল মেলা।
দূর-দূরান্ত থেকে আসা অগণিত ভক্তের সমাগমে মন্দির চত্বর হয়ে ওঠে মুখরিত।

🌺🙏ভক্তদের বিশ্বাস, মা কাউকে খালি হাতে ফেরান না।
মায়ের মহিমা ও ভক্তের বিশ্বাসের এক অনন্য নিদর্শন আজও লোকমুখে শোনা যায়।

একসময় মন্দিরের পাশ দিয়ে ট্রেন যাওয়ার সময় ট্রেনের চালকরাও নাকি গতি কমিয়ে মাকে প্রণাম জানিয়ে তবেই যাত্রা শুরু করতেন, যাতে যাত্রাপথ নিষ্কণ্টক হয়।
বহরমপুরবাসী তো বটেই, আশেপাশের জেলার মানুষের কাছেও মা করুণাময়ী এক পরম আশ্রয়ের নাম।

ইতিহাস ও অলৌকিক উপাখ্যান:---
****************************
মুর্শিদাবাদের ইতিহাস গবেষক বিজয় কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘শহর বহরমপুর’ গ্রন্থ এবং স্থানীয় জনশ্রুতি থেকে জানা যায় এই মন্দিরের এক রোমাঞ্চকর ইতিবৃত্ত।

নবাব সরফরাজ খানের আমলে কাজের সন্ধানে সুদূর মহারাষ্ট্র থেকে বাংলায় আসেন কৃষ্ণচন্দ্র শর্মা (হোতা) নামক এক ধর্মপ্রাণ ব্রাহ্মণ।
কাশিমবাজারের নবাবের অধীনে তিনি কাজ শুরু করেন।

দীর্ঘকাল নিঃসন্তান থাকার পর, প্রায় ৬০ বছর বয়সে তিনি যখন উপার্জিত অর্থ নিয়ে নিজের দেশে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, ঠিক তখনই এক অলৌকিক স্বপ্নাদেশ পান—
👉 "তুই এখানেই থাক, আমি তোর কাছেই আসছি।"

এর ঠিক এক বছর পর তাঁদের ঘর আলো করে জন্ম নেয় এক কন্যাসন্তান।
বাবা-মা নাম রাখেন ‘করুণাময়ী’।
দিনে দিনে শুক্লপক্ষের চাঁদের মতো বেড়ে উঠতে থাকে ছোট্ট করুণাময়ী।
বাবার প্রাণের চেয়েও প্রিয় ছিল এই মেয়ে।
কৃষ্ণ চন্দ্র হোতা তখন সৈয়দাবাদের বাসিন্দা।

অফিস থেকে ফেরার পথে তিনি প্রতিদিন 🏰বিষ্ণুপুরের এই মহাশ্মশানের 🌳🧘বটবৃক্ষের নিচে ধ্যানে বসতেন, আর ছোট্ট মেয়েটি তাঁর চারপাশে খেলে বেড়াত।💃

একদিন অফিস শেষে বিষ্ণুপুরে এসে তাঁর মনে পড়ল, জরুরি কাজ ফেলে এসেছেন।
মেয়েকে নিয়ে আবার কাশিমবাজার ফেরা সম্ভব নয়, আবার মেয়েও বাড়ি ফিরতে নারাজ।
অগত্যা রাস্তা দিয়ে পরিচিত এক শাঁখারিকে যেতে দেখে তিনি অনুরোধ করলেন মেয়েকে সৈয়দাবাদে পৌঁছে দিতে।
শাঁখারির সাথে যেতে যেতে হঠাৎ পাড়াপার ঘাটের কাছে এসে করুণাময়ী জেদ ধরল,
সে আর যাবে না।
শাঁখারির কাছে একজোড়া শাঁখা পরার আবদার করে সে।
শাঁখা পরার পর মেয়েটি শাঁখারিকে বলল, "আমি এখানেই থাকব।
তুমি বাড়ি ফিরে আমার মাকে বোলো, লক্ষ্মী ঠাকুরের পাশে 💰পাঁচটি মোহর আছে, তার থেকে একটি যেন তোমায় দিয়ে দেয়।"

এই বলে করুণাময়ী জলের গভীরে অদৃশ্য হয়ে গেল।

শাঁখারি ভীত হয়ে কৃষ্ণচন্দ্রকে খবর দিলে, তিনি ছুটে আসেন।
বিলের জলের দিকে তাকাতেই তিনি দেখতে পান, শাঁখা পরা দুটি হাত জলের ওপর ভেসে উঠেই ধীরে ধীরে মিলিয়ে গেল।

😭শোকে বিহ্বল কৃষ্ণচন্দ্র চাকরি ছেড়ে সেই মহাশ্মশানেই 🧘সাধনায় মগ্ন হন।

পরবর্তীকালে তিনি এক গাছের কোঠরে🌳🙏 দেবীর দর্শন পান এবং সেখানেই মায়ের প্রতিষ্ঠা হয়। 🏰

শোনা যায়, লালগোলার রাজা যোগেন্দ্র নারায়ণ রায় পরবর্তীকালে এই মন্দিরটি নির্মাণ করে দেন।

সময়ের স্রোতে বিষ্ণুপুরের সেই মহাশ্মশান আজ আর নেই।
জঙ্গল সরে গিয়ে এসেছে ঝকঝকে আলো, বদলেছে রাস্তাঘাট।
কিন্তু যা বদলায়নি,
তা হলো মায়ের প্রতি ভক্তদের অফুরন্ত ভালোবাসা ও বিশ্বাস।🙏🌺

মন্দির থেকে ফেরার পথে মনে বেজে উঠল কবি নজরুলের সেই অমর পংক্তি—
🌺🙏"শ্যামা নামের লাগল আগুন
আমার দেহ ধূপকাঠিতে,
যত জ্বালি সুবাস তত
ছড়িয়ে পড়ে চারভিতে..."🪔🙏

উৎস - আনন্দবাজার পত্রিকা News18 Bangla
জাগো বাংলা অন্যান্য পত্রিকা (সংগৃহীত)

💕🙏সকলে সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন।🙏💕

🪴🍃একটি তুলসী পএের ওজন কতখানি ❓ জানি আসুন🙏💕      ─⊱━━━━━⊱✬✥✬⊰━━━━━⊰─  🍃একদিন নারদ মুনি পরীক্ষা করার জন্য কৌশলে সত্যভামা দ...
21/12/2025

🪴🍃একটি তুলসী পএের ওজন কতখানি ❓ জানি আসুন🙏💕
─⊱━━━━━⊱✬✥✬⊰━━━━━⊰─
🍃একদিন নারদ মুনি পরীক্ষা করার জন্য কৌশলে সত্যভামা দেবীর কাছ থেকে পুজার দান স্বরুপ শ্রী- কৃষ্ণকে চেয়ে নিলেন,
সত্যভামাদেবী এরপর কোনো উপায় না পেয়ে পতি হারানোর কষ্টে কান্না করতে লাগলেন।

তার পতিব্রতে প্রসন্ন হয়ে নারদ মুনি কৃষ্ণকে ফিরিয়ে দিতে শেষমেশ রাজি হলেন, কিন্তু শর্ত ছিল,
"কৃষ্ণের সমপরিমাণ ওজনের ঐশ্বর্য তাকে দান করতে হবে❗"

কোনো উপায় না পেয়ে সত্যভামাদেবী ধীরে ধীরে তাঁর সমস্ত অলংকার আনতে শুরু করলেন।

এক পাল্লায় কৃষ্ণকে বসিয়ে অপর পাল্লায় স্বর্ণালংকার রাখতে শুরু করলেন,
কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে কোনো ভাবেই অপর পাল্লা কৃষ্ণের সমান করা যাচ্ছিল না❗

শেষমেশ বাধ্য হয়ে সত্যভামা তাঁর দেহের সমস্ত অলংকার পর্যন্ত খুলে দিতে লাগলেন।

হায় হায় আর বুঝি প্রিয় কৃষ্ণকে ফিরে পাওয়া হল না আমার ❗❗
এই ভেবে পতি বিরহে হু হু করে😭 কান্না করতে লাগলেন সত্যভামা।

সত্যভামা ভুলে গিয়েছিলেন যে , হাজার হাজার বছর তপস্যা করেও যাকে লাভ করা যায় না, তাকে এই নশ্বর ঐশ্বর্য দ্বারা কিভাবে লাভ করা সম্ভব❗

যাই হউক ,
শেষমেশ ভগবানের করুণায় রুক্মিণীদেবী শ্রী কৃষ্ণকে জয় করার মহাকৌশল শিখিয়ে দিলেন সত্যভামা দেবীকে।

রুক্মিণীদেবীর কথামত শুদ্ধ প্রেম - ভক্তি সহকারে যেইমাত্র একটি🪴🍃 তুলসীপত্র রাখলেন সেই পাল্লার ওপর আর সাথে সাথে শ্রী- কৃষ্ণের পাল্লা উপরে উঠে গেল এবং অপর পাল্লা নিচে নেমে গেল।

শেষ পর্যন্ত ভক্তের ভালবাসার কাছে ভগবান এভাবেই নিজেকে ধরা দিলেন এবং নারদ মুনি প্রসন্ন হয়ে ফিরে গেলেন।
রাধে রাধে 🙏💕
জয় শ্রী কৃষ্ণ 🙏❤️

🪴জয় তুলসী মহারানী🪴

* আজকের দিন সকলের শুভ ও মঙ্গলময় হোক *
*┈┉━🌺❀❈🙏🏻❈❀🌺━┉┈*@

💕🪷🙏জয় শ্রী কৃষ্ণ 🙏🪷💕---:মৃত্যুর পূর্ব লক্ষণ ও মৃত্যু যন্ত্রণা:---********************************পাখিদের রাজা গরুড় ভগবা...
08/12/2025

💕🪷🙏জয় শ্রী কৃষ্ণ 🙏🪷💕
---:মৃত্যুর পূর্ব লক্ষণ ও মৃত্যু যন্ত্রণা:---
********************************
পাখিদের রাজা গরুড় ভগবান বিষ্ণুকে প্রশ্ন করলেন :---
"হে কেশব❗ মৃত্যুর সময় জীব কী ধরনের লক্ষণ দেখতে পায়❓
মৃত্যুর ঠিক আগে এবং সেই মুহূর্তে জীবের কী অবস্থা হয়❓ দয়া করে আমাকে বলুন।"

তখন শ্রীভগবান (বিষ্ণু) বললেন :----- "হে তাক্ষর্য (গরুড়), শোনো। মৃত্যুর কাল উপস্থিত হলে মানুষের শরীরে ও স্বপ্নে কিছু অশুভ লক্ষণ দেখা দেয়।
আয়ু শেষ হয়ে এলে দেহ ও ইন্দ্রিয়গুলো বিকল হতে শুরু করে।"

মৃত্যুর পূর্ব লক্ষণ (অরিষ্ট লক্ষণ)
****************************
ভগবান বিষ্ণু বলেন :---- মৃত্যুর কিছুদিন আগে মানুষ নিজের শরীরে এমন কিছু পরিবর্তন দেখে যা সাধারণ অবস্থায় হয় না।

বিপরীতং ভবেদ্ যত্র দৃষ্টং শ্রুতমথাপি বা।
তদা মৃত্যুবশং যাতি দিষ্টান্তমনুশাশতঃ।।

যখন পরিচিত জিনিসগুলো বিপরীত মনে হয়, যা দেখা বা শোনা যাচ্ছে তা বিকৃত মনে হয় , তখন বুঝতে হবে মৃত্যু তার বশবর্তী হয়েছে।

---: প্রধান লক্ষণসমূহ:---
**********************
১. দেহের সংকেত:----
মৃত্যু আসন্ন হলে মানুষ তার নিজের নাকের ডগা (Tip of the nose) দেখতে পায় না।
দুই কানে আঙুল দিয়ে বন্ধ করলে যে 'ঘোঁ ঘোঁ' শব্দ (অনাহত নাদ) শোনা যায় ,
মুমূর্ষু ব্যক্তি তা শুনতে পায় না।

ন পশ্যেচ্চ তথা নাসাম্ ন শৃণোতি তথৈব চ।
(সে নাক দেখতে পায় না এবং শব্দও শুনতে পায় না।)

২. ছায়ার বিকৃতি:----
মানুষ যদি নিজের ছায়াকে মস্তকহীন বা বিকৃত দেখে , অথবা আয়নায় বা জলে নিজের প্রতিবিম্ব না দেখে ,
তবে বুঝতে হবে তার আয়ু শেষ।

৩. স্বপ্ন যোগ:----
স্বপ্নে যদি কেউ দেখে যে সে গাধা বা উটের পিঠে চড়ে দক্ষিণ দিকে (যমরাজার দিক) যাত্রা করছে , অথবা কালো পোশাক পরা কেউ তাকে আলিঙ্গন করছে ,
তবে তা মৃত্যুর ইঙ্গিত।

মৃত্যু প্রক্রিয়া ও যমদূতের আগমন
"" "" "" "" "" "" "" "" "" "" "" "" "" "" "" ""
লক্ষণ প্রকাশের পর যখন প্রকৃত মৃত্যুর সময় আসে, তখন জীবের অবস্থা অত্যন্ত করুণ হয়। এই অবস্থাকে ‘উৎক্রান্তি’ বলা হয়।

ভগবান বিষ্ণু বলেন:---
"হে গরুড়, শেষ সময়ে মানুষের শরীরে পঞ্চভূত (মাটি, জল, আগুন, বাতাস, আকাশ) একে অপরের সঙ্গে মিশতে শুরু করে।
শরীর অবশ হয়ে যায়।
আত্মীয়-স্বজন কান্নাকাটি করে, কিন্তু জীব তখন আর কথা বলতে পারে না।"

যমদূতদের দর্শন:
" "" "" "" "" "" "" "" "
পাপী ব্যক্তিদের মৃত্যুর ঠিক আগে দিব্যদৃষ্টি খুলে যায় এবং তারা যমরাজার ভয়ঙ্কর দূতদের দেখতে পায়।

পাশদণ্ডধরাঃ ক্রুড়াঃ উগ্ৰা বিকটলোচনাঃ।
আগতা যমদূতাশ্চ দ্দৃশ্যান্তে পাশহস্তকাঃ।।

পাশ (দড়ি) ও দণ্ড হাতে , অত্যন্ত ক্রুর , উগ্র স্বভাবের , ভয়ানক চোখবিশিষ্ট এবং হাতে ফাঁসি নিয়ে যমদূতেরা এসে উপস্থিত হয়।
তাদের দেখে ভয়ে মুমূর্ষু ব্যক্তি মল - মূত্র ত্যাগ করে ফেলে।
তার মুখ দিয়ে লালা ঝরতে থাকে এবং চোখ বড় বড় হয়ে যায়।
সে কথা বলতে চায় , কিন্তু কণ্ঠনালী শুকিয়ে যাওয়ায় শুধু ' ঘড় ঘড় ' শব্দ বের হয়।

প্রাণবায়ু নির্গমন ও মৃত্যু যন্ত্রণা
"" "" "" "" "" "" "" "" "" "" "" "" "" "" ""
মৃত্যুর মুহূর্তে শরীর থেকে প্রাণ কীভাবে বের হয় , তার বর্ণনা দিতে গিয়ে
বিষ্ণু বলেন:---- ‌ এই কষ্ট পাপীদের জন্য অসহনীয়।

একৈকং রোমকূপেষু দহমানেষু মৰ্মসু।
যদ দুঃখং ম্রিয়মাণস্য তদ্ বক্তব্যং কিমুত্তরম্।।

শরীরের প্রতিটি রোমকূপ এবং মর্মস্থান (Vital parts) যেন পুড়ে যাচ্ছে — মৃত্যুপথযাত্রীর যে কী পরিমাণ কষ্ট হয় , তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। বলা হয় , একসাথে হাজার বিছে কামড়ালে যে জ্বালা হয় , পাপী ব্যক্তির মৃত্যুর সময় তেমনই যন্ত্রণা হয়।

জীবাত্মার নির্গমন :
"" "" "" "" "" "" "" "" "
যমদূতেরা তখন জীবের অঙ্গুষ্ঠমাত্র (বুড়ো আঙুলের সমান আকারের) শরীর বা লিঙ্গদেহকে জোর করে টেনে বের করে।

পুণ্যবানদের মৃত্যু :
"" "" "" "" "" "" "" "" ""
যারা জীবনে ধর্ম পালন করেছে , তাদের প্রাণবায়ু মুখ, নাক বা ব্রহ্মতালু দিয়ে অনায়াসে এবং শান্তির সাথে বেরিয়ে যায় । তাদের যমদূতেরা সম্মান করে নিয়ে যায় বা বিষ্ণুদূতেরা স্বর্গে নিয়ে যান।

পাপীদের মৃত্যু :
"" "" "" "" "" "" "" "
পাপীদের প্রাণবায়ু ওপরের দিকে না গিয়ে গুহ্যদ্বার (মলদ্বার) দিয়ে নির্গত হয়। যমদূতেরা তাদের 'বায়ুশরীর' বা আত্মাকে দড়ি দিয়ে বেঁধে ফেলে।

যমমার্গের উদ্দেশ্যে যাত্রা
"" "" "" "" "" "" "" "" "" "" "" ""
দেহ ত্যাগের পর শরীরটি মাটিতে পড়ে থাকে, যাকে আমরা 'মৃতদেহ' বা 'শব' বলি।
কিন্তু আত্মা তখন যমদূতদের কব্জায়।

ভগবান বিষ্ণু গরুড়কে বলেন :----
******************"*******
"হে খগেশ্বর❗ দেহ ত্যাগের পর সেই জীবাত্মা নিজের মৃতদেহের দিকে তাকিয়ে থাকে এবং সেটিতে পুনরায় প্রবেশ করার জন্য আকুল হয় , কিন্তু যমদূতেরা তাকে দড়ি দিয়ে বেঁধে টেনে নিয়ে যায়।
তখন সে নিজের কর্মের জন্য অনুশোচনা করতে করতে বলতে থাকে—" হায়❗আমি কেন পাপ করলাম❗' কিন্তু তখন আর কোনো উপায় থাকে না।"

এভাবেই জীবের ইহলোকের সমাপ্তি ঘটে এবং পরলোকের দীর্ঘ যাত্রা শুরু হয়।💐💐
হরেকৃষ্ণ 🙏💕🪔
ঈশ্বরপরমকৃষ্ণ🙏❤️🪷

💕🪷🙏জয় গিরিধারী🙏🪷💕কুরুক্ষেত্র যুুদ্ধ শেষে গান্ধারী শ্রীকৃষ্ণকে প্রশ্ন করলেন:--- -আমি তো এই জন্মে কোনো পাপ করিনি।তাহলে আম...
04/12/2025

💕🪷🙏জয় গিরিধারী🙏🪷💕
কুরুক্ষেত্র যুুদ্ধ শেষে গান্ধারী শ্রীকৃষ্ণকে প্রশ্ন করলেন:--- -
আমি তো এই জন্মে কোনো পাপ করিনি।
তাহলে আমাকে এই নরক যন্ত্রনা কেন দিলে হে কেশব বলো তুমি।

🙏শ্রীকৃষ্ণ বললেন:---হে দেবী আপনি এই জন্মে কোনো পাপ করেন নি।
কিন্তু একশো জন্ম আগে আপনি কৈশোরী অবস্থায় ১০০ প্রজাপতিকে ধরে ঘাসের শীষ দিয়ে প্রজাপতির চোখের মধ্যে ঢুকিয়ে মালা বানিয়ে গলায় পরে বিয়ে বিয়ে খেলেছিলেন।
সেই পাপের কারণে আপনি এই জন্মে অন্ধ স্বামী পেয়েছেন। সাথে আপনি চোখ থাকতেও অন্ধ সেজে থাকছেন।
সেই ১০০ প্রজাপতি যাদের আপনি নৃশংস ভাবে মেরে বিয়ে বিয়ে খেলেছিলেন। তারাই এই জন্মে আপনার সন্তান রূপে জন্ম নিয়ে আপনাকে সন্তান হারানোর দুঃখ দিলো।
দেবী আপনার তো আনন্দ করবার কথা প্রতি জন্মে তিলে তিলে আপনাকে এই নরক যন্ত্রনা পেতে হয়নি।
গান্ধারী হতবাক ❗
একশো জন্ম আগের পাপের শাস্তি এই জন্মে দিলে❓

🙏শ্রী কৃষ্ণ বললেন :--- আপনার কর্ম অনুযায়ী পুন্য কর্ম শেষ হলে পাপ কর্মের শাস্তি পান।
আপনার পুন্য কর্ম শেষ হতেই আপনার পাপ কর্মের শাস্তি পেলেন।
ধৃতরাষ্ট্র সব শোনার পরে বললেন:--- আমি কি পাপ করেছি যে তুমি আমাকে জন্মান্ধ করে আমার ১০০ বীর সন্তানকে নৃশংস ভাবে খুন করলে❓

🙏শ্রী কৃষ্ণ বললেন:--- হে রাজন আপনি ১০০ জন্ম আগে রাজা ছিলেন। আপনি এক বর্ষার দিনে শিকার করতে গিয়ে পথ হারান হটাৎ বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির জেরে সঙ্গী পাত্রমিত্ররা এদিক ওদিক ছড়িয়ে পরে আপনি একা হয়ে পথ খুঁজতে থাকেন।
এদিকে বনের মধ্যে হিংস্র পশুর আনাগোনা সাথে সন্ধ্যা নামছে দেখে আপনি একটা উঁচু গাছে উঠে বসেন।
সেই গাছে বাসা করে ছিলো এক শুক দম্পতি পাখি।
শুক পাখি আপনাকে চিনতে পারে। সে তার স্ত্রীকে বলে আমাদের অতিথি হয়ে রাজা এসেছেন।
তিনি এই ঝড় জলের রাতে বৃষ্টিতে ভিজে ঠান্ডায় কাঁপছেন আমি একটু আগুনের ব্যবস্থা করি,
বলেই সেই শুক পাখি উড়ে গ্রামে গিয়ে ঠোঁটে করে এক টুকরো আগুন আর কিছু শুকনো ডাল পাতা এনে আপনার সামনে জ্বেলে দেয়। আপনি হাত পা শেকে গরম হোন।
শুক পাখি বুঝতে পারে আপনার খিদে পেয়েছে ।
শুক পাখি তার স্ত্রীকে বলে বাসায় অতিথি এসেছে তাকে খেতে দেওয়া উচিত।
অতিথি সেবা নারায়ণ সেবার সমান।
তুমি সন্তানদের দেখো আমি আগুনে প্রাণ দিয়ে অতিথি সেবা করি।
এই বলে শুক পাখি আগুনে প্রাণ বিসর্জন দেয়। আপনি সেই শুক পাখিকে খান।
এই দেখে শুক পাখির স্ত্রী কান্নায় ভেঙে পরে ভাবে স্বামী স্বর্গ গেলেন এভাবে অনাথ করে আমাদের। তবে আমারো বাঁচার দরকার নেই , আমিও সহ মরণে গিয়ে অতিথি সেবা করে স্বর্গে গমন করি।
এই বলে সেও আগুনে প্রাণ বিসর্জন দেয়। আপনি সেই পাখিকেও খেয়ে ফেলেন।
এই পাখি দুটোকে খেয়ে আপনার খিদের কারণে লোভ বাড়ে।

আপনি খাবার খুঁজতে এদিক ওদিক তাকাতেই শুক পাখির ১০০ উড়তে না পারা সন্তান কে দেখতে পেয়ে গরম গাছের ডাল সেই অসহায় পাখি শিশুদের চোখের মধ্যে ঢুকিয়ে গেথে আপনি নিজের পেট ভরান।
এর মধ্যে রাত ফুরিয়ে ভোরের আলো ফুটছিলো।
আপনার সন্ধানে সবাই খুঁজতে এলে আপনি তাদের গলার স্বর শুনে নিচে নেমে আসেন গাছ থেকে।
তারপর সবাই নিজের রাজ্যে ফিরে যান।
আপনার এই নৃশংসভাবে শুক পাখি দম্পতির ১০০ সন্তানকে মারার পাপে আপনি ১০০ জন্ম পরে জন্মান্ধ সাথে সেই শুক পাখি দম্পতির ১০০ সন্তানই এই জন্মে আপনার সন্তান রূপে জন্ম নিয়ে আপনাকে সন্তান হারানোর দুঃখ যন্ত্রনা দিলো।

🙏শ্রী কৃষ্ণ বললেন:--- আপনি এই জন্মে বা আগের জন্মে যে পাপ করবেন আপনার পুন্য কর্ম শেষ হতেই আপনি সেই পাপ কর্মের শাস্তি হিসাবে ফল ভোগ করবেন।

উপরের কথাগুলো মনে পড়ল, যখন আজকে জানলাম, পাবনার ঈশ্বরদীতে ৮টি কুকুরশাবককে বস্তাবন্দি করে পুকুরে ফেলে হত্যা করেছে ক্ষুদ্র কৃষক ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপক হাসানুর রহমান নয়নের স্ত্রী নিশি রহমান।
কুকুর শাবকগুলো নাকি কান্না করছিল।
ভাবছি তিনিও তো পাপ করেছেন। মহাপাপ। ‌ এর সাজাও পাবেন।
জয় শ্রী কৃষ্ণ 🙏🪷❤️

Address

MANIKYAHAR
Berhampore
742163

Opening Hours

Monday 7am - 12pm
6pm - 8pm
Tuesday 7am - 12pm
6pm - 8pm
Wednesday 7am - 12pm
6pm - 8pm
Thursday 7am - 12pm
6pm - 8pm
Friday 7am - 12pm
6pm - 8pm
Saturday 7am - 12pm
6pm - 8pm
Sunday 7am - 12pm
6pm - 8pm

Telephone

919475948927

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Manikyahar Thakur Bari posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Manikyahar Thakur Bari:

Share