16/01/2026
🕉️🙏🌺💟।।ঘর ফাঁকা হয়ে গেল। নরেনকে বললেন," চারিদিকে ভালো করে দেখে আয় উঁকি দিয়ে, কেউ যেন না উপরে আসে।"
🙏🌹।।নরেন দেখে এলো। বললে কেউ নেই।
🙏,,, বোস আমার কাছটিতে।"
শান্ত হয়ে,তন্ময় হয়ে, পিপাসু হয়ে বসল নরেন।
,🙏,,,নরেন একবার বলেছিল ঠাকুরকে," আমি শান্তি চাই ঈশ্বর পর্যন্ত চাই না।"
আহা, ঈশ্বরই তো শান্তি ।
ঠাকুরের পাশটিতে বসে সেই শান্তিই যেন আস্বাদ করছে নরেন।
🕉️🙏,,,নরেন তাকিয়ে আছে ঠাকুরের দিকে। ঠাকুরের নিষ্পলক দৃষ্টি । সর্বসংশয়চ্ছেদী অভয় আশ্বাসে পরিপূর্ণ। চেয়ে থাকতে থাকতে নরেনের মনে হল কি একটা আশ্চর্য স্পন্দন তার সমস্ত দেহে আলোড়িত হচ্ছে। মনে হল ওই দুটি পুণ্যচক্ষুর আভা ছাড়া সংসারে আর তার কোন অনুভূতি নেই।
হঠাৎ চমক ভাঙল নরেনের। দেখল ঠাকুর কাঁদছেন।
"এ কি কাঁদছেন কেন ?"
🕉️🙏,,,"নরেন আমার যা কিছু ছিল ,আমার যথাসর্বস্ব তোকে আজ দিয়ে দিলুম।"
🙏💟।।নরেনের একটা হাত ঠাকুরের একখানি হাতের মধ্যে ধরা - " দিয়ে, আমি আজ ফকির হয়ে গেলুম, ফতুর হয়ে গেলুম 🕉️🙏।। তুই রাজরাজেশ্বর হয়ে গেলি।"
নরেন অনুভব করল এ কান্না আনন্দের নির্ঝর। এ কান্না তার রাজ্যাভিষেকের পুণ্যবারি।
নরেনও কাঁদতে লাগলো।
ঠাকুর বললেন , "তুই সবাইকে আঁকড়ে থাকবি, সকলের আশ্রয় হবি। সকলের ভার তোর হাতে দিয়ে গেলুম। তারপর তোর যখন কাজ ফুরুবে , যখন একদিন বুঝতে পারবি তুই সত্যি কে, ফিরে যাবি স্বাধামে।
নরেন গুরু বলে বলিয়ান হয়ে উঠল। অয়ময়ং ভোঃ। ওঠো জাগো , যতক্ষণ পর্যন্ত না ইপ্সিততমকে অর্জন করতে পারছো ততক্ষণ নিবৃত্ত হইও না।
ঠাকুর বললেন তিনিই সব হয়েছেন। কেন ? সবই আবার তিনি হবেন বলে। তুই এই হওয়ার বার্তাটি পৌঁছে দে ঘরে ঘরে। পৌঁছে দে জনে জনে।।🙏🙏🙏💟🌺💟🕉️
পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ। 🙏🙏🙏💟🌺💟🕉️
জয় ঠাকুরের জয়,, তোমার শ্রীচরণে ভূমিষ্ঠ অনন্ত কোটি নিরন্তর প্রণাম জানাই পরম দয়াময় প্রভু ,,, 🙏 🙏 🙏 🌺 💟 🌺 🕉️
জয়তু স্বামীজি মহারাজ তোমার শ্রীচরণে ভূমিষ্ঠ নিরন্তর প্রণাম জানাই রাজরাজেশ্বর বীর সন্ন্যাসী জয়তু স্বামীজি মহারাজ,,, 🙏 🙏 🙏 🌺 💟 🌺 🕉️