Sri Sri Ramkrishna Ashram, Basugaon

Sri Sri Ramkrishna Ashram, Basugaon Works for the service of Mankind মানুষ মানুষের জন্যে :

05/02/2026
19/01/2026

“শেষ আশীর্বাদ—শেষ স্পর্শ”

১৯২০ সালের জুলাই।
কাশীপুর উদ্যানবাটী নয়—এবার বেলুড় মঠের মাতৃমন্দির সংলগ্ন কক্ষে শয্যাশায়ী সারদা মা।

শরীর ক্রমশ ক্ষীণ, শ্বাস গভীর ও ধীর। চারদিকে নীরবতা—কেবল প্রদীপের মৃদু আলো আর গঙ্গার জলধ্বনি। ঘরের ভেতরে আছেন স্বামী ব্রহ্মানন্দ, স্বামী শিবানন্দ, স্বামী প্রেমানন্দ, ভগিনী নিবেদিতার শিষ্যারা এবং কয়েকজন অন্তরঙ্গ ভক্ত।

শেষ রাতের আগে মায়ের চেতনা বারবার ক্ষীণ হয়ে আসছিল।
হঠাৎ গভীর নিস্তব্ধতার মধ্যে মা আস্তে করে চোখ খুললেন।

তিনি ফিসফিস করে বললেন—
“ঠাকুর… এসেছ?”

কেউ কিছু বলার আগেই মায়ের মুখে এক অপার্থিব শান্ত হাসি ফুটে উঠল—যেন অদৃশ্য উপস্থিতির সঙ্গে কথা বলছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা পরে বলেছেন, সেই মুহূর্তে ঘরের আবহাওয়াই বদলে গিয়েছিল—গভীর প্রশান্তি, অথচ হৃদয়-ভাঙা করুণা।

এরপর মা ধীরে ধীরে হাত তুললেন এবং উপস্থিত সকলের দিকে তাকিয়ে বললেন—

“সবাই ভালো থাকবে… পরস্পরকে ভালোবাসবে।”

এটাই ছিল তাঁর শেষ আশীর্বাদ।

এক তরুণ সন্ন্যাসী তখন কেঁদে উঠলে মা ক্ষীণ স্বরে বললেন—
“কাঁদিস না। শরীর যায়—মা তো আছিই।”

১৯২০ সালের ২০ জুলাই রাত ১টা ৩০ মিনিটে সারদা মা শান্তভাবে মহাসমাধিতে বিলীন হন। কোনো আড়ম্বর নয়—কেবল গঙ্গার ঢেউ, ঘণ্টাধ্বনি এবং ভক্তদের অশ্রু।

মায়ের দেহ যখন শ্মশানে নেওয়া হয়, তখন বহু দরিদ্র গ্রামবাসী পথের দু’পাশে দাঁড়িয়ে প্রণাম করছিল। তাঁদের একজন বৃদ্ধা বলেছিলেন—
“আজ মা আমাদের ছেড়ে গেলেন, কিন্তু আমাদের বুকের ভেতরেই রইলেন।”

তথ্যসূত্র :-

“শ্রীশ্রীমা সারদাদেবী” — স্বামী গম্ভীরানন্দ

“Mother as I Saw Her” — স্বামী নিত্যপ্রিয়নন্দ

18/01/2026

‎হৃদয় ও মস্তিষ্ক—এই দুই শক্তির মাঝেই মানুষের জীবন চলমান। বুদ্ধি আমাদের সতর্ক করে, হিসাব শেখায়, যুক্তির পথে চালায়, কিন্তু হৃদয় আমাদের সাহস দেয়, ভালোবাসতে শেখায়, সত্যের পথে স্থির রাখে।
‎স্বামীজী বলতেন—মানুষের আসল শক্তি শুধু জ্ঞানে নয়, তার অন্তরের পবিত্র অনুভূতিতে।
‎যখন বুদ্ধি সন্দেহে থমকে যায়, তখন হৃদয়ই আমাদের এগিয়ে নিয়ে যায়। কারণ হৃদয় কখনো স্বার্থ দেখে না—সে দেখে সত্য, করুণা ও ভক্তি। তাই জীবনের কঠিন মুহূর্তে, যখন দ্বন্দ্ব আসে, তখন ভরসা রাখো হৃদয়ের ওপর—সেখানে বাস করেন ভগবান। 🙏


16/01/2026
🕉️🙏🌺💟।।ঘর ফাঁকা হয়ে গেল। নরেনকে বললেন," চারিদিকে ভালো করে দেখে আয় উঁকি দিয়ে, কেউ যেন না উপরে আসে।" ‎ 🙏🌹।।নরেন দেখে এল...
16/01/2026

🕉️🙏🌺💟।।ঘর ফাঁকা হয়ে গেল। নরেনকে বললেন," চারিদিকে ভালো করে দেখে আয় উঁকি দিয়ে, কেউ যেন না উপরে আসে।"
‎ 🙏🌹।।নরেন দেখে এলো। বললে কেউ নেই।
🙏,,, ‎বোস আমার কাছটিতে।"
শান্ত হয়ে,তন্ময় হয়ে, পিপাসু হয়ে বসল নরেন।
‎,🙏,,,নরেন একবার বলেছিল ঠাকুরকে," আমি শান্তি চাই ঈশ্বর পর্যন্ত চাই না।"
‎ আহা, ঈশ্বরই তো শান্তি ।
‎ঠাকুরের পাশটিতে বসে সেই শান্তিই যেন আস্বাদ করছে নরেন।
‎🕉️🙏,,,নরেন তাকিয়ে আছে ঠাকুরের দিকে। ঠাকুরের নিষ্পলক দৃষ্টি । সর্বসংশয়চ্ছেদী অভয় আশ্বাসে পরিপূর্ণ। চেয়ে থাকতে থাকতে নরেনের মনে হল কি একটা আশ্চর্য স্পন্দন তার সমস্ত দেহে আলোড়িত হচ্ছে। মনে হল ওই দুটি পুণ্যচক্ষুর আভা ছাড়া সংসারে আর তার কোন অনুভূতি নেই।
‎ হঠাৎ চমক ভাঙল নরেনের। দেখল ঠাকুর কাঁদছেন।
‎ "এ কি কাঁদছেন কেন ?"
‎🕉️🙏,,,"নরেন আমার যা কিছু ছিল ,আমার যথাসর্বস্ব তোকে আজ দিয়ে দিলুম।"
‎ 🙏💟।।নরেনের একটা হাত ঠাকুরের একখানি হাতের মধ্যে ধরা - " দিয়ে, আমি আজ ফকির হয়ে গেলুম, ফতুর হয়ে গেলুম 🕉️🙏।। তুই রাজরাজেশ্বর হয়ে গেলি।"
‎ নরেন অনুভব করল এ কান্না আনন্দের নির্ঝর। এ কান্না তার রাজ্যাভিষেকের পুণ্যবারি।
‎নরেনও কাঁদতে লাগলো।
‎ঠাকুর বললেন , "তুই সবাইকে আঁকড়ে থাকবি, সকলের আশ্রয় হবি। সকলের ভার তোর হাতে দিয়ে গেলুম। তারপর তোর যখন কাজ ফুরুবে , যখন একদিন বুঝতে পারবি তুই সত্যি কে, ফিরে যাবি স্বাধামে।
‎নরেন গুরু বলে বলিয়ান হয়ে উঠল। অয়ময়ং ভোঃ। ওঠো জাগো , যতক্ষণ পর্যন্ত না ইপ্সিততমকে অর্জন করতে পারছো ততক্ষণ নিবৃত্ত হইও না।
‎ঠাকুর বললেন তিনিই সব হয়েছেন। কেন ? সবই আবার তিনি হবেন বলে। তুই এই হওয়ার বার্তাটি পৌঁছে দে ঘরে ঘরে। পৌঁছে দে জনে জনে।।🙏🙏🙏💟🌺💟🕉️

পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ। 🙏🙏🙏💟🌺💟🕉️
জয় ঠাকুরের জয়,, তোমার শ্রীচরণে ভূমিষ্ঠ অনন্ত কোটি নিরন্তর প্রণাম জানাই পরম দয়াময় প্রভু ,,, 🙏 🙏 🙏 🌺 💟 🌺 🕉️
জয়তু স্বামীজি মহারাজ তোমার শ্রীচরণে ভূমিষ্ঠ নিরন্তর প্রণাম জানাই রাজরাজেশ্বর বীর সন্ন্যাসী জয়তু স্বামীজি মহারাজ,,, 🙏 🙏 🙏 🌺 💟 🌺 🕉️

স্থান-আলমবাজার মঠ১ জুন, ১৮৯৭🌼🌼🌼🌼🌼🌼🌼🌼🌼🌼🌼প্রশ্ন-মহারাজ, ঠাকুরের কথা কিছু বলুন। ঠাকুর সকলকে কি ভাবে দেখতেন?উত্তর-তিনি সকলকে...
15/01/2026

স্থান-আলমবাজার মঠ
১ জুন, ১৮৯৭

🌼🌼🌼🌼🌼🌼🌼🌼🌼🌼🌼

প্রশ্ন-মহারাজ, ঠাকুরের কথা কিছু বলুন। ঠাকুর সকলকে কি ভাবে দেখতেন?

উত্তর-তিনি সকলকে ভগবানভাবে দেখতেন। যখন স্বামীজী তাঁকে একদিন বলেন, "আপনি আমাদিগকে এত ভালবাসেন, শেষে কি আপনার জড়ভরতের মতো অবস্থা হবে নাকি?" তিনি তার উত্তরে বলেন, "জড়কে ভেবে জড়ভরত হয়ে থাকে, আমি যে চৈতন্যকে ভাবি রে। যেদিন তোদিগেতে মন আসবে, সেদিন সব দূর করে তাড়িয়ে দেব।"

ঠাকুর একদিন কি কারণে স্বামীজীর সঙ্গে কথা বলেননি, তাহাতে স্বামীজী কিছুমাত্র বৈলক্ষণ্য বোধ না করে অম্লানবদনে থাকায় তিনি বলেছিলেন, "এ মস্ত আধার।" আবার কেশব সেন একদিন স্বামীজীর খুব প্রশংসা করায় তিনি বলেন, "অত প্রশংসা করোনি, এখনো 'রাসফুল' খাবার ঢের দেরি।"

তিনি বলতেন, "ভগবানের জন্য কি রকম প্রেম চাই? যেমন কুকুরের মাথায় ঘা হলে পাগলের মতো ছটফট করে ঘুরে ঘুরে বেড়ায়, ভগবানের জন্য সেইরূপ অবস্থা হওয়া চাই।"

ঠাকুর কাহাকেও দুই-তিন দিনের বেশি কাছে থাকতে দিতেন না। কোন যুবক তাঁর কাছে বহুদিন থাকায় অনেকে বিরক্ত হয় এবং তিনি ত্যাগধর্ম শেখান বলে অনুযোগ করে; তিনি তাতে বলেন, "ও সংসার করুক না, আমি কি নিষেধ করচি? কিন্তু আগে জ্ঞানলাভ করুক, তারপর সংসার করুক। আমি কি সকলকে কামিনী-কাঞ্চন ত্যাগ করতে উপদেশ দিই? যাদের দেখি একটু চেতিয়ে দিলেই হবে, তাদেরই বলি।" তিনি অপর সকলকে বলতেন, "তোরা আমড়ার অম্বল খেগে যা, অম্লশূল হলে তখন ওষুধ নিতে আসিস।"

ঠাকুর কখন-কখন সকলকে জিজ্ঞাসা করতেন, "এ আমার কেমন স্বভাব বল তো? যারা আমাকে এক পয়সার বাতাসা দিতে পারে না, যাদের একখানা ছেঁড়া মাদুর বসতে দেবার সামর্থা নেই, তাদের কাছে এত যাই কেন?" পরে নিজেই আবার বুঝিয়ে বলতেন, "এদের দেখি যে সহজেই হবে; আর আর সকলের হওয়া বড় কঠিন-যেন দইয়ের হাঁড়ির মতো, দুধ রাখা চলে না।" তাঁদের তিনি বলতেন, "তোমাদের যাতে শীঘ শীঘ্র ভগবানলাভ হয় এজন্য প্রার্থনা করি।"

একদিন কর্তাভজাদের সম্বন্ধে কথা ওঠাতে গিরিশবাবু শ্লেষ প্রকাশ করে বলেন, তিনি উহাদের সম্বন্ধে একটা নাটক লিখবেন। গিরিশবাবুর এইরূপ কথা শুনে ঠাকুর গম্ভীর ভাব ধারণ করেন এবং বলেন, "দেখ, ইহাদের মধ্যেও অনেক সিদ্ধপুরুষ হয়ে গেছেন। এও একটা পথ।"

ঠাকুরের কথাপ্রসঙ্গে মহারাজ বললেন, ঠাকুর শ্রাদ্ধ বিবাহাদি সাংসারিক কার্যে আহারাদি করতে নিষেধ করতেন। ধ্যান করবার পূর্বে হরিনাম করতে বলতেন।

ঠাকুরকে একদিন স্বামী তুরীয়ানন্দ যখন জিজ্ঞাসা করেন-কাম যায় কি করে? তখন তিনি বলেন, "যাবে কেন গো? ওটাকে অন্যদিকে মোড় ফিরিয়ে দাও।" এইরূপ রাগ, লোভ, মোহ ইত্যাদি সম্বন্ধেও ঐ কথা বলেন। এই কথা শুনে এঁর প্রাণ খুব উৎসাহিত হয়ে ওঠে।

তিনি বলতেন, "যেখানে অত্যন্ত ব্যাকুলতা, সেইখানেই তাঁর অধিক প্রকাশ।"

তিনি কাউকে কাউকে বলতেন-(নিজেকে দেখিয়ে) "এখানকার প্রতি ভালবাসা রেখো, তাহলেই হবে।" সে এক আশ্চর্য ব্যাপার হয়ে গেছে।

🪷🪷🪷🪷🪷🪷🪷🪷🪷🪷🪷🪷

গ্রন্থ: ধর্মপ্রসঙ্গে স্বামী ব্রহ্মানন্দ

মাতৃগর্ভ হইতে উলঙ্গ অবস্থায় এই পৃথিবীতে আসিয়াছিলাম, উলঙ্গ অবস্থাতেই ফিরিয়া যাইব ৷ অসহায় অবস্থায় আসিয়াছিলাম, অসহায় অব...
13/01/2026

মাতৃগর্ভ হইতে উলঙ্গ অবস্থায় এই পৃথিবীতে আসিয়াছিলাম, উলঙ্গ অবস্থাতেই ফিরিয়া যাইব ৷ অসহায় অবস্থায় আসিয়াছিলাম, অসহায় অবস্থায় চলিয়া যাইব ৷ এখনও আমি অসহায় ৷ আমাদের গন্তব্য কোথায়, লক্ষ্য কি — এ অবস্থার কথা চিন্তা করাও আমাদের পক্ষে ভয়াবহ ৷

কত অদ্ভুত অদ্ভুত ভাব আমাদের পাইয়া বসে, তাহাও আমরা জানি না ৷ আমরা প্রেতাত্মার মিডিয়ামের কাছে যাই — ভূতপ্রেত যদি কোন সাহায্য করিতে পারে ৷ ভাবুন, কী দুর্বলতা ! ভুতপ্রেত, শয়তান, দেবতা — সব এস ! পুরোহিত, ভন্ড, হাতুড়ে — যে যেখানে আছ, সকলে এস ! যে মুহূর্তে আমরা দূর্বল হই, ঠিক তখনই তাহারা আমাদের পাইয়া বসে এবং যত দেবতা আমদানি করে ৷

আমার দেশে দেখিয়াছি, কেহ হয়ত শক্তিমান ও শিক্ষিত হইয়া দার্শনিকভাবে বলে, 'এই সব প্রার্থনা পুণ্যস্নানাদি অর্থহীন ৷'... তারপর তাহার পিতা দেহত্যাগ করিলেন, তাহার মাতৃবিয়োগ হইল ৷ হিন্দুর পক্ষে এই শোক প্রচন্ড আঘাত ৷ তখন দেখা যাইবে পূর্বোক্ত ব্যক্তি প্রতিটি কর্দমাক্ত কুন্ডে স্নান করিতেছে, মন্দিরে যাইতেছে, সকলের দাসত্ব করিতেছে — যে পার, সাহায্য কর ! কিন্তু আমরা অসহায় ৷ কাহারও নিকট হইতে কোন সাহায্য আসে না ৷ ইহাই সত্য ৷

মানুষের সংখ্যা হইতে দেবতার সংখ্যা বেশি, তবুও কোন সাহায্য আসে না ৷ কুকুরের মতো আমরা মরি, তবু কোনও সাহায্য নাই ৷ সর্বত্র পশুর মতো ব্যবহার, দুর্ভিক্ষ রোগ দুঃখ অসৎভাব ! সকলেই সাহায্যের জন্য চিৎকার করিতেছে, কিন্তু কোনও সাহায্য নাই ৷ কোন আশা না থাকিলেও আমরা সাহায্যের জন্য আর্তনাদ করিয়া চলিয়াছি ৷ কি শোচনীয় অবস্থা ! কি ভয়ঙ্কর ব্যাপার !

নিজেদের অন্তরে অনুসন্ধান করুন ৷ আমাদের এই দুঃখকষ্টের অর্ধেকের জন্য আমরা দোষী নই ; মাতাপিতাই দায়ী ৷ আমরা এই দূর্বলতা লইয়াই জন্মিয়াছি — এবং পরে আরও বেশি দূর্বলতা আমাদের মাথায় ঢুকাইয়া দেওয়া হইয়াছে ৷ ধীরে ধীরে আমরা ইহা অতিক্রম করি ৷

নিজেকে অসহায় মনে করা — দারুণ ভুল ৷ কাহারও কাছে সাহায্য চাহিও না ৷ আমরা নিজেরাই নিজেদের সাহায্য করি ৷ যদি তাহা না পারি, তবে আমাদের সাহায্য করিবার কেহ নাই ৷

'তুমি নিজেই তোমার একমাত্র বন্ধু এবং তুমি নিজেই তোমার একমাত্র শত্রু ৷ আত্মা বা মন ছাড়া অন্য কোনও শত্রু নাই, আত্মা বা মন ছাড়া অন্য বন্ধু নাই ৷' ইহাই শেষ ও শ্রেষ্ঠ উপদেশ ৷

— স্বামীজী ৷

আজ স্বামী বিবেকানন্দের পুণ্য জন্মজয়ন্তী।এই দিনে তাঁর শ্রীচরণে আমাদের বিনম্র শ্রদ্ধা ও প্রণাম।তাঁর জীবন ও বাণী আজও আমাদে...
12/01/2026

আজ স্বামী বিবেকানন্দের পুণ্য জন্মজয়ন্তী।
এই দিনে তাঁর শ্রীচরণে আমাদের বিনম্র শ্রদ্ধা ও প্রণাম।
তাঁর জীবন ও বাণী আজও আমাদের শেখায়—
ধর্ম মানে ভয় নয়,
ধর্ম মানে শক্তি,
ধর্ম মানে মানুষ গড়া।

আসুন, এই জন্মজয়ন্তীতে আমরা শুধু তাঁকে স্মরণ না করে,
তাঁর আদর্শকে জীবনচর্চায় রূপ দিতে চেষ্টা করি—
ভীরুতা ত্যাগ করে,
নিজের অন্তর্নিহিত শক্তিকে জাগিয়ে তুলে,
কর্ম, সাহস ও বিবেকের পথে এগিয়ে যাই।

🙏 শত শত প্রণাম স্বামী বিবেকানন্দকে।
🕉️ জয়তু স্বামীজী। 🕉️

ঠাকুর কঠিন তত্ত্ব বোঝাতে ছোট ছোট গল্পের আশ্রয় নিতেন। তেমনই একটি গল্প হলো 'বহুরূপী':একবার এক ব্যক্তি জঙ্গলে গিয়ে একটি গাছ...
11/01/2026

ঠাকুর কঠিন তত্ত্ব বোঝাতে ছোট ছোট গল্পের আশ্রয় নিতেন। তেমনই একটি গল্প হলো 'বহুরূপী

':
একবার এক ব্যক্তি জঙ্গলে গিয়ে একটি গাছে গিরগিটি দেখে এসে বলল, "আমি সুন্দর লাল রঙের একটি জীব দেখলাম।" আরেকজন গিয়ে দেখে এসে বলল, "না, ওটি তো সবুজ!" তৃতীয়জন বলল, "ওটি হলুদ!"
তাদের ঝগড়া শুনে এক ব্যক্তি, যে ওই গাছের নিচেই বাস করত, সে হেসে বলল, "তোমরা সবাই সত্য বলছ। ওটি বহুরূপী। ও কখনও লাল, কখনও সবুজ, আবার কখনও রঙহীন।"
শিক্ষা: ঠিক তেমনই ঈশ্বরও এক। কেউ তাঁকে সাকার (মূর্তিতে) দেখেন, কেউ বা নিরাকার (শূন্যে) অনুভব করেন। তিনি ভক্তের ভাব অনুসারে রূপ ধারণ করেন।

জয় ঠাকুর রামকৃষ্ণ🙏🙏

শ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃত

11/01/2026

স্বামীজী দ্বিতীয় এবং শেষ বারের মতো পাশ্চাত্যে এসেছেন। আমেরিকায় একদিন তিনি একটা নদীর ধারে বেড়াচ্ছেন। হঠাৎ চোখে পড়ল: কয়েকটি যুবক সাঁকোর উপরে দাঁড়িয়ে জলে ভেসে-থাকা কয়েকটা ডিমের খোলার দিকে গুলি ছুঁড়ছে। বারবার চেষ্টা করছে কিন্তু একবারও পারছে না। দাঁড়িয়ে দেখতে দেখতে স্বামীজীর মুখে মৃদু হাসি ফুটে উঠল। যুবকদের একজনের তা চোখে পড়ল। স্বামীজীকে চ্যালেঞ্জ করে সে বলল: কাজটা যতটা সহজ দেখাচ্ছে ততটা সহজ নয়। দেখি তো আপনি কেমন পারেন! স্বামীজী দ্বিরুক্তি না করে তাদের কাছ থেকে একটা বন্দুক নিলেন, তারপর পরপর বারোটি খোলা গুলিবিদ্ধ করলেন। যুবকরা অবাক হয়ে গেল। তারা ভাবল, ইনি নিশ্চয়ই বহুদিন ধরে বন্দুক ছুঁড়েছেন। স্বামীজী তাদের বললেন: তিনি এর আগে কখনোই বন্দুকে হাত দেননি। তিনি যে লক্ষ্যভেদ করতে পারলেন তার রহস্য হচ্ছে মনঃসংযম।

এই ঘটনার মাধ্যমে স্বামীজী আমাদের শেখাচ্ছেন মনকে একাগ্র, স্থির ও সংযত করতে পারলে মানুষ অসম্ভবকেও সম্ভব করতে পারে। আধ্যাত্মিক জীবনে সেই একাগ্রতাই ঈশ্বরবোধের পথ।

জয়তু স্বামীজী 🪷

Address

RK ASHRAM Road
Basugaon
783372

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sri Sri Ramkrishna Ashram, Basugaon posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share