Nutangram Abubakar Siddiquia Sunniya Kharejia Madrasah

Nutangram Abubakar Siddiquia Sunniya Kharejia Madrasah Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Nutangram Abubakar Siddiquia Sunniya Kharejia Madrasah, Religious organisation, Bankura.

মা আয়েশা (রাদিঃ) এর বিবাহ এবং বিবাহের বয়স নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলে থাকেন।। আমরা বিষয়টি নিয়ে অযথা বিতর্ক করে ফেলি।। বিতর্ক...
08/06/2022

মা আয়েশা (রাদিঃ) এর বিবাহ এবং বিবাহের বয়স নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলে থাকেন।। আমরা বিষয়টি নিয়ে অযথা বিতর্ক করে ফেলি।। বিতর্কে না গিয়ে,, আমার মনেহয় যুক্তিসহকারে বিষয়টি পর্যালোচনা করলে,, বহু প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাওয়া সম্ভব হবে।।

পৃথিবীর কয়েক লক্ষ্য গ্রন্থ কেবলমাত্র সেই মহামানবকে আক্রমণ করার জন্য রচিত হয়েছে,, যাঁকে আল্লাহ সমগ্র বিশ্ববাসীর জন্য রহমত স্বরূপ প্রেরণ করেছেন।। বিশ্বের যে কোনো অঞ্চলের মুসলিম ধর্মাবলম্বী মানুষ তাদের শেষ নবী-কে (সাঃ) প্রানের চেয়েও বেশী ভালোবাসেন।। এটাই ইমানের শর্ত,, এই ভালোবাসার বন্ধন ছিন্ন করে দিতে,, ইসলাম বিরোধী শক্তি বারে বারেই নবীর (সাঃ) সম্মানে আঘাত করে থাকেন।। যদিও,, এই আঘাতের কারনে বিশ্বাসীদের বিশ্বাস তেমন কিছু আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে থাকে বলে মনে করি না।।

এই আঘাতের সর্বশ্রেষ্ঠ হাতিয়ার হলো- "হজরত মুহাম্মদ (সাঃ) কেনো 6 বছর বয়সী আয়েশা-কে (রাদিঃ) বিবাহ করেছিলেন ??

এটা প্রমাণিত সত্য যে,, হুজুর (সাঃ) মাত্র 6 বছর বয়সী আয়েশা-কে (রাদিঃ) বিবাহ করেছিলেন,, এবং,, নিজের 9 বছর বয়সকালে আয়েশা (রাদিঃ) হুজুরের বাড়িতে সাংসারিক দায়িত্ব পালনের জন্য চলে আসেন।।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে,, হজরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর বৈবাহিক জীবনে,, একমাত্র কুমারী স্ত্রী ছিলেন আয়েশা (রাদিঃ),, এছাড়া অন্যান্য সকল বিবাহ বিধবা অথবা ডিভোর্সি মহিলার সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে।।

অনেকেই প্রশ্ন তোলেন,, হজরত মুহাম্মদ (সাঃ) একজন অপরিণত তরুণী-কে বিবাহ করেছেন,, যিনি বিবাহের জন্য পরিপক্ক ছিলেন না।। বিষয়টি নিয়ে বহু ক্ষেত্রে নানারকম বিতর্ক হয়েছে,, আমি নিজেও বেশ কয়েকজন বন্ধুর কাছে এই প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছি,, এবং,, যথাযথ ভাবে বিষয়টি তাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।। আমার সৌভাগ্য,, আমার অধিকাংশ বন্ধু বেশ যুক্তিবাদী এবং উদার মানসিকতার মানুষ,, অনেকেই আমার যুক্তি মেনে নিয়েছেন।।

ইসলামে বিবাহের জন্য নির্দিষ্ট কোনো বয়সের কথা উল্লেখ নেই,, আর,, এটাই হলো স্বাভাবিক।। কারণ,, ইসলাম গোটা বিশ্বের জন্য,, কুরআনের বিধান হলো সার্বজনীন,, তাই নির্দিষ্ট বয়সের কোনো উল্লেখ নেই,, কিন্তু বয়ঃসন্ধি-র কথা বলা হয়েছে।। কোরআনের আইন অনুযায়ী,,কোনো মহিলা বয়ঃসন্ধিকালে পৌঁছে গেলে,, তাকে বিবাহ করা যাবে।।

বয়ঃসন্ধিকালে পৌঁছানোর নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা নেই।। এটা বিভিন্ন দেশের জলবায়ুর উপর নির্ভরশীল।‌। গ্রীষ্ম-প্রধান দেশের ছেলেমেয়েরা,, তুলনামূলক ভাবে শীতপ্রধান দেশের চেয়ে অনেক আগেই বয়ঃসন্ধিকালে পৌঁছে গিয়ে থাকে।।

এবার আপনি বলুন,, ইসলাম যদি বিহারের বয়স নির্দিষ্ট করে দিতো,, তাহলে সেটা যথাযথ হতো কি ?? বিভিন্ন দেশের মেয়েরা ভিন্ন ভিন্ন বয়সে পরিপক্কতা লাভ করে থাকে।। নাইজেরিয়ার মেয়ে মাত্র 10 বছর বয়সে বয়ঃসন্ধিতে পৌঁছে যেতে সক্ষম,, সেদেশে 11 বছরের মহিলাকে বিবাহ করা বৈধ।। অ্যাঙ্গোলা এবং ফিলিপাইনে 12 বছর বয়সে,, জাপানে মাত্র 13 বছর বয়সে একজন মেয়ে বয়ঃসন্ধিতে পৌঁছে গিয়ে থাকে।।

কুরআনের আইন অপরিবর্তিত,, সকল সময়ে সকল ক্ষেত্রে সমান আইন প্রযোজ্য,, এজন্যই কোরআনে বিবাহের নির্দিষ্ট কোনো বয়স নির্ধারিত হতে পারে না।। আমাদের দেশেও বহুবার বিবাহের বয়স পরিবর্তন করতে হয়েছে।।

ইন্ডিয়ান পেনাল কোড 1860 অনুযায়ী একজন মেয়েকে 10 বছর বয়সে প্রাপ্তবয়স্ক এবং বিবাহযোগ্য হিসাবে বিবেচনা করা হতো।। সময়ের সাথে সাথে আইন পরিবর্তন হতে থাকে।। 1891 অনুযায়ী 12 বছর,, 1925 অনুযায়ী 14 বছর,, 1940 অনুযায়ী 16 বছর,, এবং,, সর্বশেষ 2013 অনুযায়ী 18 বছর বয়সী মহিলা সরকারিভাবে বিবাহযোগ্য হিসেবে গণ্য হয়ে থাকে।।

প্রাচীন কালের ইতিহাস দেখলে বোঝা যাবে,, অল্পবয়সী বিবাহ একটা সাধারণ ঘটনার অন্তর্গত ছিলো।।

মনু-স্মৃতি অনুযায়ী -"একজন 30 বছর বয়সী পুরুষের,, 12 বছরের মেয়েকে বিবাহ করা উচিত।। 24 বছর বয়সী পুরুষের উচিত,, 8 বছর বয়সী মেয়েকে বিবাহ করা।।
(মনু-স্মৃতি - অধ্যায় 9,, শ্লোক 94)

অনুরূপ ভাবে বিষ্ণু-পুরানো লেখা রয়েছে- "তোমারা (পুরুষ) তোমাদের চেয়ে এক তৃতীয়াংশ কম বয়সী অবিবাহিত কন্যাকে বিবাহ করো।।"
(পুস্তক 3,, অধ্যায় 10,, পৃষ্ঠা 299)

মহাভারত অনুযায়ী 30 বছর বয়সী পুরুষের উচিত 10 বছর বয়সী কন্যাকে,, এবং,, 21 বছর বয়সী পুরুষের উচিত,, 7 বছর বয়সী কন্যাকে বিবাহ করা।।
(অধ্যায় 44, পৃষ্ঠা 18)

আজকের আধুনিক যুগে নাইজেরিয়ার 11 বছর বয়সী মেয়ে,, সম্পূর্ণ প্রাপ্তবয়স্ক মহিলা হয়ে ওঠে।। তাহলে বিবেচনা করে দেখুন,, 1400 বছর আগে,, উত্তপ্ত মরুভূমি বেষ্টিত অঞ্চল আরবের মহিলাদের 9 বছর বয়সে প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে ওঠা অস্বাভাবিক হতে পারে কি ??

মা আয়েশা (রাদিঃ) নিজেই হাদিসটি বর্ননা করেছেন - "তিনি 6 বছর বয়সে বিবাহ করেন,, এবং,, 9 বছর বয়সে সংসার করতে হুজুর (সাঃ) এর বাড়িতে আগমন করেন।।
(বুখারী 4840,, মুসলিম 1422)

সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে দিয়েছেন,, হজরত আয়েশা (রাদিঃ) নিজেই ,,তিনি বলেন -"যখন কোনো মেয়ে 9 বছর বয়সে পৌঁছে যায়,, তখন সে (তরুণী হতে) মহিলা হয়ে পড়ে।। (তিরমিযী - 1109)

হজরত আয়েশা (রাদিঃ) এর উপরিউক্ত বয়ান হয়ে পরিস্কার প্রমাণিত হয় যে,, উষ্ণ জলবায়ু এবং মরুভূমির দেশ আরবে তৎকালীন সময় একজন মেয়ে কেবলমাত্র 9 বছর বয়সে সম্পূর্ণ নারী হয়ে উঠতেন।।

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পূজনীয় শ্রীরাম চন্দ্রের বিবাহের সময়,, মাতা সীতার বয়স কতো ছিলো জানেন ??
বাল্মীকি রামায়ণ অনুযায়ী ভগবান শ্রীরাম চন্দ্র যখন সীতাকে বিবাহ করেন,, তখন সীতার বয়স ছিলো মাত্র 6 বছর।। এছাড়া শ্রীকৃষ্ণ যখন রুক্মিনীকে বিবাহ করেন,, রুক্মিনীর বছর তখন 8 বছর।। দেবাদিদেব মহাদেব 8 বছরের পার্বতীকে বিবাহ করেন।। হয়তো তখনকার দিনে এটাই ছিলো স্বাভাবিক ঘটনা।। হতে পারে তৎকালীন সময়ের জলবায়ুর নিরিখে একজন ভারতীয় কন্যা,, মাত্র 6 অথবা 8 বছর বয়সেই পরিপূর্ণ নারী হয়ে যেতে পারেন।।

আমি টাইমস নাও চ্যানেলে নুপুর শর্মার সম্পূর্ণ বক্তব্য শুনেছি।। তাছাড়া বিভিন্ন সময়ে ভদ্রমহিলা অত্যন্ত খারাপ ভাষায়,, কুৎসিত অঙ্গভঙ্গি করে ইসলাম ধর্মের বিরুদ্ধে অহেতুক বিতর্কিত কথা বলে থাকেন।। তাঁর বাচনভঙ্গি অত্যন্ত নিন্দনীয়।। তাঁকে কোনোভাবেই ডিফেন্ড করা উচিত না।।

কিন্তু,, তিনি কুৎসিত ভাষায় আক্রমণ করে যে প্রশ্নটি তুলেছেন,, সাধ্যমত উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করলাম।।

আমার এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টায় কোনো ত্রুটি থাকলে সংশোধন করে দেবেন।। কারণ,, আমি বারে বারেই স্বীকার করে থাকি,, আমার ধর্মীয় জ্ঞান অত্যন্ত নগণ্য।।

❤️❤️❤️

01/06/2022

গোটা দেশে মোট 685 জন UPSC পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন।।

এর মধ্যে আতঙ্কবাদীদের আখড়া হিসেবে পরিচিত-- জামিয়া ইসলামিয়া থেকে 93 জন,, আলিগড় মুসলিম ইউনিভার্সিটি থেকে 43 জন,, হায়দরাবাদ উসমানীয়া থেকে 22 জন,, এবং,, দেশদ্রোহী JNU থেকে 53 জন নির্বাচিত হয়েছেন।।

অন্যদিকে,, বেনারস হিন্দু ইউনিভার্সিটি হতে মাত্র 2 জন সিলেক্ট হয়েছেন।।

ছেলেমেয়েদের ভবিষ্যত কোথায় বরবাদ হচ্ছে,, আর,, কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করে তাদের ফিউচার উজ্জ্বল হচ্ছে,, সেটা এই তথ্য দেখলে সহজেই অনুমান করে নেওয়া সম্ভব।।

এখন আপনিই ঠিক করুন,, আপনার সন্তানকে উচ্চশিক্ষার জন্য,, আতঙ্কবাদী জামিয়া,, AMU,, উসমানীয়া,, অথবা,, দেশদ্রোহী JNU-তে পাঠাবেন,, নাকি,, দেশভক্ত BHU-তে পাঠাবেন ??

মোদ্দা কথা হলো ---
যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় গোঁড়ামি ঢুকে যাবে,, অবিলম্বে সেই প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হতে বাধ্য হবে।।

11/04/2022

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) ফরয সালাত শেষ করে যেই ১৩টি দোয়া জিকির করতেনঃ
=======================================
১. “আসতাগফিরুল্লা-হ” - ৩ বার ।(ﺃَﺳْﺘَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﻠَّﻪ)
অর্থঃ হে আল্লাহ!আমি তোমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

২. “আল্লাহুম্মা আনতাস সালাম ওয়া মিনকাস সালাম, তাবা-রাকতা ইয়া যাল-জালা-লী ওয়াল ইকরাম” – ১ বার।
ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺃَﻧْﺖَ ﺍﻟﺴَّﻼَﻡُ، ﻭَﻣِﻨْﻚَ ﺍﻟﺴَّﻼَﻡُ، ﺗَﺒَﺎﺭَﻛْﺖَ ﻳَﺎ ﺫَﺍ ﺍﻟْﺠَﻼَﻝِ ﻭَﺍﻟْﺈِﻛْﺮَﺍﻡِ
অর্থঃ হে আল্লাহ্! তুমি শান্তিময়, তোমার কাছ থেকেই শান্তি অবতীর্ণ হয়। তুমি বরকতময়, হে পরাক্রমশালী ও মর্যাদা প্রদানকারী।
সাওবান (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন “রাসুল (সাঃ) যখন সালাম ফেরাতেন তখন তিনি তিনবার ইস্তেগফার পড়তে্ন অর্থাত ‘আস্তাগফিরুল্লাহ’ বলতেন। তারপর বলতেনঃ “আল্লাহুম্মা আনতাস সালাম ওয়া মিনকাস সালাম, তাবারাকতা ইয়া যাল-জালা-লী ওয়াল ইকরাম”। -মুসলিম ১/২১৮, আবু দাউদ ১/২২১

৩. একবার
لاَ إِلهَ إِلاَّ الله وَحْدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَ هُوَ عَلى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ
উচ্চারণ:- “ লা ইলাহা ইল্লাল্লা-হু অহ্‌দাহু লা শারীকা লাহ্‌, লাহুল মুলকু অলাহুলহামদু অহুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর।
অর্থ:- আল্লাহ ব্যতীত কোন সত্য মাবুদ নেই, তিনি একক, তাঁর কোন অংশী নেই, তাঁরই জন্য সমস্ত রাজত্ব, তাঁরই সমস্ত প্রশংসা এবং তিনি সর্ব বিষয়ে শক্তিমান।

৪. একবার
اَللّهُمَّ لاَ مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ وَلاَ مُعْطِىَ لِمَا مَنَعْتَ وَلاَ يَنْفَعُ ذَا الَجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ
উচ্চারণ:- আল্লা-হুম্মা লা মা-নিয়া লিমা আ’ত্বাইতা, অলা মু’তিয়া লিমা মানা’তা অলা য়্যানফাউ যাল জাদ্দি মিনকাল জাদ্দু।
অর্থ- হে আল্লাহ! তুমি যা দান কর তা রোধ করার এবং যা রোধ কর তা দান করার সাধ্য কারো নেই। আর ধনবানের ধন তোমার আযাব থেকে মুক্তি পেতে কোন উপকারে আসবে না। (বুখারী, মুসলিম, সহীহ , মিশকাত ৯৬২ নং)

৫. একবার
لاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِالله
উচ্চারণ:- লা-হাউলা অলা ক্বুউওয়াতা ইল্লা বিল্লা-হ্‌।
অর্থ:- আল্লাহর প্রেরণা দান ছাড়া পাপ থেকে ফিরার এবং সৎকাজ করার শক্তি নেই।(মুসলিম, সহীহ , মিশকাত ৯৬৩ নং)

৬. একবার
لآ إِلهَ إِلاَّ اللهُ وَلاَ نَعْبُدُ إِلاَّ إِيَّاهُ لَهُ النِّعْمَةُ وَلَهُ الْفَضْلُ وَلَهُ الثَّنَاءُ الْحَسَنُ، لاَ إِلهَ إِلاَّ اللهُ مُخْلِصِيْنَ لَهُ الدِّيْنَ وَلَوْ كَرِهَ الْكَافِرُوْنَ
উচ্চারণ:- লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু অলা না’বুদু ইল্লা ইয়্যা-হু লাহুন্নি’মাতু অলাহুল ফায্বলু অলাহুস সানা-উল হাসান, লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু মুখলিস্বিনা লাহুদ্দ্বীনা অলাউকারিহাল কা-ফিরুন।
অর্থ- আল্লাহ ব্যতীত কেউসত্য উপাস্য নেই। তাঁর ছাড়া আমরা আর কারো ইবাদত করি না, তাঁরই যাবতীয় সম্পদ, তাঁরই যাবতীয় অনুগ্রহ, এবং তাঁরই যাবতীয় সুপ্রশংসা, আল্লাহ ছাড়া কোন সত্য উপাস্য নেই। আমরা বিশুদ্ধ চিত্তে তাঁরই উপাসনা করি, যদিও কাফেরদল তা অপছন্দ করে। (মুসলিম, সহীহ , মিশকাত ৯৬৩ নং)

৭. আয়াতুল কুরসী (সুরা বাক্বারা আয়াতঃ ২৫৫) ১ বার।
আবু উমামা (রাঃ) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরয সালাতের পর ‘আয়াতুল কুরসী পাঠ করে মৃত্যু ছাড়া আর কিছুই তাকে জান্নাতে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখতে পারবেনা”।(নাসায়ী, হাদীস সহীহ, সিলসিলাহ সহিহাহ-হাদিস ৯৭২)

৮. আবু হুরাইরা (রাঃ) রাসুলুল্লাহ (সাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেনঃ যে ব্যক্তি প্রত্যেক নামাযের পর ৩৩ বার ‘সুবহানাল্লাহ’ ৩৩ বার ‘আলহামদুলিল্লাহ’ ৩৩ বার ‘আল্লাহু আকবার’ পড়ে এবং ১০০ বার পূর্ণ করার জন্য একবার “লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ দাহু লা-শারীকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদীর” পড়ে, তার সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়, যদিও তা সাগরের ফেনাপুঞ্জের সমতুল্য হয়। (মুসলিম-১২২৮)।

৯. সুরা ইখলাস,ফালাক্ব ও নাস ১ বার করে। (আবু দাঊদ২/৮৬, সহীহ তিরমিযী ১/৮, নাসাঈ ৩/৬৮)

১০. “আল্লাহুম্মা আ ই’ন্নী আ’লা যিকরিকা ওয়া শুকরিকা ওয়া হু’সনি ইবাদাতিকা”১বার
ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺃَﻋِﻨِّﻲ ﻋَﻠَﻰ ﺫِﻛْﺮِﻙَ، ﻭَﺷُﻜْﺮِﻙَ، ﻭَﺣُﺴْﻦِ ﻋِﺒﺎﺩَﺗِﻚَ
অর্থঃ হে আল্লাহ! তুমি আমাকে তোমার স্মরণ, তোমার কৃতজ্ঞতা এবং তোমার সুন্দর ইবাদত করার ব্যাপারে আমাকে সাহায্য কর”। -আবু দাউদ ১/২১৩

১১. একবার
اَللّهُمَّ قِنِيْ عَذَابَكَ يَوْمَ تَبْعَثُ عِبَادَكَ
উচ্চারণ:- আল্লা-হুম্মা ক্বিনী আযা-বাকা ইয়াওমা তাবআসু ইবা-দাক।
অর্থ:- হে আল্লাহ! যেদিন তুমি তোমার বান্দাদেরকে পুনরুত্থিত করবে সেদিনকার আযাব থেকে আমাকে রক্ষা করো। (মুসলিম)

১২. হযরত আব্দুর রহমান বিন গানম (রাঃ) হতে বর্ণিত নবী (সাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি মাগরিব ও ফজরের নামায থেকে ফিরে বসা ও পা মুড়ার পূর্বে (অর্থাৎ যেভাবে বসে নামাজ শেষ করেছে সেভাবে বসেই, এদিক অদিক ঘুরা বা অন্য রকম করে বসার পূর্বেই) নিম্নোক্ত দোয়াটি ১০ বার পাঠ করবে,
«لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ يُحْيِي وَيُمِيتُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ»
(লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্‌দাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মূলকু ওয়ালাহুল হাম্‌দু ইয়ুহ্‌য়ী ওয়াইয়ূমীতু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন ক্বাদীর)।
“একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই, রাজত্ব তারই এবং সকল প্রশংসা তাঁর। তিনিই জীবিত করেন এবং মৃত্যু দান করেন। আর তিনি সকল কিছুর উপর ক্ষমতাবান”।
আল্লাহ্‌ তার আমলনামায় প্রত্যেকবারের বিনিময়ে ১০টি নেকি লিপিবদ্ধ করেন, ১০টি গোনাহ মোচন করে দেন, তাকে ১০টি মর্যাদায় উন্নীত করেন, প্রত্যেক অপ্রীতিকর বিষয় এবং বিতাড়িত শয়তান থেকে (ঐ যিকির) রক্ষামন্ত্র হয়, নিশ্চিতভাবে শির্ক ব্যতীত তার অন্যান্য পাপ ক্ষমার্হ হয়। আর সে হয় আমল করার দিক থেকে সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি, তবে সেই ব্যক্তি তার চেয়ে শ্রেষ্ঠ হতে পারে যে তার থেকেও উত্তম যিকির পাঠ করবে”(আহমাদ,সহীহ তারগীব-হাদিস ৪৭২)

১৩. ফজরের সলাতের পর ১ বার
اَللّهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ عِلْماً نَّافِعاً وَّرِزْقاً طَيِّباً وَّعَمَلاً مُّتَقَبَّلاً
উচ্চারণ:- আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা ইলমান না-ফিআ, ওয়া রিযক্বান ত্বাইয়িবা, ওয়া আমালান মুতাক্বাব্বালা।
অর্থ- হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি তোমার নিকট ফলদায়ক শিক্ষা,হালাল জীবিকা এবং গ্রহণযোগ্য আমল প্রার্থনা করছি।
ফজরের নামাযের পর এটি পঠনীয়। (ইবনে মাজাহ্‌, সুনান১/১৫২, ত্বাবারানী সাগীর, মাজমাউয যাওয়ায়েদ ১০/১১১)

দ্রষ্টব্য- এখানে সিরিয়ালি যেভাবে দেওয়া হয়েছে এভাবেই করতে হবে এমন নয়, এভাবে করতে পারেন কিংবা সিরিয়াল আগ পাছ হলেও সমস্যা নেই, প্রত্যেক ফরজ সলাতের পর সবগুলো দোয়া জিকিরই করার চেষ্টা করবেন হয়তো ৭-৮ মিনিট লাগতে পারে তবে সময় সল্প থাকলে সেই ওয়াক্তে বেশি গুরুত্বপূর্ণগুলোও করতে পারেন মুল কথা রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রত্যেক ফরজ সলাত শেষে এগুলো দোয়া জিকির করতেন আমাদেরও সাধ্যমত এগুলোর অনুসরণ করা উচিত।
================================
ফরজ সলাত শেষে রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাত দ্বারা প্রমাণিত এই দোয়া জিকিরগুলো পরিত্যাগ করে সম্মিলিত মুনাজাত করার মাধ্যমে আমরা কতটা খতিগ্রস্থ হয়েছি দেখুন
=================================
১- প্রতি ফরজ সলাতের পর আয়াতুল কুরসি পড়লে মৃত্যুর সাথে সাথে জান্নাত এই সওয়াব থেকে বঞ্চিত হচ্ছি সম্মিলিত মুনাজাতের মাধ্যমে।

২- আমাদের সব পাপ ক্ষমা এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তির সুসংবাদ থেকে বঞ্চিত হচ্ছি-

“আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, ‘‘আদম সন্তানের মধ্যে প্রত্যেক মানুষকে ৩৬০ গ্রন্থির উপর সৃষ্টি করা হয়েছে। (আর প্রত্যেক গ্রন্থির পক্ষ থেকে প্রদেয় সাদকা রয়েছে।) সুতরাং যে ব্যক্তি ‘আল্লাহু আকবার’ বলল, ‘আল-হামদুলিল্লাহ’ বলল, ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলল, ‘সুবহানাল্লাহ’ বলল, ‘আস্তাগফিরুল্লাহ’ বলল, মানুষ চলার রাস্তা থেকে পাথর, কাঁটা অথবা হাড় সরাল, কিম্বা ভাল কাজের আদেশ করল অথবা মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করল, (এবং সব মিলে ৩৬০ সংখ্যক পুণ্যকর্ম করল), সে ঐদিন এমন অবস্থায় সন্ধ্যা করল যে, সে নিজেকে জাহান্নামের আগুন থেকে দূর করে নিল।’’(সহিহ মুসলিম হাদিস-২২২০, হাদিস একাডেমী)

যদি রাসূল (সাঃ) এর নিম্নে বর্ণিত হাদিসটি লক্ষ্য করেন--
রাসূল (সাঃ) বলেন, কোন ব্যক্তি যদি প্রত্যেক ফরয স্বলাতের পর-
“সুবহা-নাল্লাহ” (আল্লাহ কতই না পবিত্র-মহান)”«سُبْحَانَ اللَّه ((৩৩ বার
“আলহামদুলিল্লাহ” (সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য) الْحَمْدُ لِلَّهِ، (৩৩ বার)
“আল্লা-হু আকবার” (আল্লাহ সবচেয়ে বড়)” اللَّهُ أَكْبَرُ (৩৩ বার)
তারপর ১ বার নিম্নোক্ত দোয়া বলে
« لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ».
(লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন কাদীর)।
“একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই, রাজত্ব তাঁরই, সকল প্রশংসা তাঁরই এবং তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।”
তাহলে ঐ ব্যক্তির সমস্ত পাপ ক্ষমা করে দেওয়া হবে, যদিও তা সমুদ্রের ফেনা সমতুল্যও হয়। (সহিহ মুসলিম হাদিস-১২৩৯, হাদিস একাডেমী)
আর এ দোয়া না পারলে আর ১ বার “আল্লা-হু আকবার” বলে ১০০ পূর্ণ করবে।
#তাহলে দেখা যাচ্ছে, কোন ব্যক্তি ৫ ওয়াক্ত সলাত আদায় করলেই তার ৩৬০ বার নয় ৫০০ বার উপরোক্ত তাসবিহ, তাহলিল, তাকবীর, তাহমিদ আদায় এমনিতেই হয়ে যাচ্ছে যার বিনিময়ে তার সব গুনাহ মাফ এমনকি জাহান্নাম থেকে মুক্তির ঘোষণা সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত সেটা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছি সম্মিলিত মুনাজাতের মাধ্যমে।

৩- ১২ নাম্বার হাদিসে বর্ণীত ফজর ও মাগ্রিবের সলাতের পর ১০ বার করে ঐ জিকির পাঠ করলে শিরক বাদে বাকি সব পাপ ক্ষমার কথা বলা হয়েছে, এটা কত বড় ফজিলত সেটা কি চিন্তা করা যায়!! অথচ এগুলো না করে সম্মিলিত মুনাজাতের নামে এমন বিদাতে আমরা লিপ্ত হয়েছি যার সহিহ হাদিস দূরে থাক রাসুল (সাঃ) ফরজ সলাত শেষে সাহাবীদের নিয়ে সম্মিলিত মুনাজাত করেছেন এই মর্মে কোন জাল হাদিসও নেই অথচ শয়তান আমাদের কাছে এটাই লোভনীয় করে তুলে ধরেছে, এমনকি বিদআতপন্থি কিছু মানুষ এই কাজকে জায়েজ প্রমান করার জন্য ঘুরিয়ে পেচিয়ে বিভিন্ন দলিল দেওয়ার চেষ্টা করে অথচ কিয়ামত পর্যন্তও তারা স্পষ্ট কোন দলিল দেখাতে পারবে না যে, রাসুল (সাঃ) ফরজ সলাত শেষে সাহাবীদের নিয়ে সম্মিলিত মুনাজাত করেছেন। সত্যিকার অর্থে সুন্নাতের অনুসরনেই মুক্তি রয়েছে, দলিল বিহিন আমল তথা বিদাতের অনুসরণ না করে আল্লাহর রাসুল যা করতেন, যা করতে বলেছেন অর্থাৎ রাসুলের সুন্নাতের ছায়াতলে আসাটাই নিরাপদ, এতেই কল্লান রয়েছে, এটাই সরল পথ যেই পথ আমাদেরকে জান্নাতে পৌঁছে দিবে ইন শা আল্লাহ

06/03/2022
03/03/2022

৩ মার্চ ১৭০৭ সালে ষষ্ঠ মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব আলমগীর মৃত্যুবরণ করেন। তিনি একজন হাফেজ ছিলেন। তার শাসনামলে মোঘল সাম্রাজ্য পৃথিবীর সব সাম্রাজ্য কে ছাড়িয়ে পৃথিবীর সর্ব বৃহৎ অর্থনীতি হিসেবে গড়ে ওঠে।
মহারাষ্টের খুলদাবাদে তাকে সমাহিত করা হইয়াছে।

আওরঙ্গজেব নিঃসন্দেহে ভারতের শ্রেষ্ঠ শাসকদের অন্যতম ছিলেন। একজন সেনাপতি, আদর্শ শাসক, সরল এবং ধার্মিক লোক, নিরপেক্ষ বিচারক,শিক্ষাবিদ এবং প্রজাহিতৈষী হিসাবে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ শাসকদের মধ্যে তিনি উচ্চাসন লাভ করিয়াছিলেন। সারল্য কর্তব্য পরায়ণতা, নিরপেক্ষতা এবং সং উদ্দেশ্য তাঁহার চরিত্রের প্রধান গুণ ছিল। তিনি তাঁহার সমসামরিকদের মধ্যে অদম্য সাহস, দৃঢ় চিত্ততা এবং অক্লান্ত কর্মগুণের দ্বারা প্রসিদ্ধ হইয়া রহিয়াছেন।

রাজস্বের প্রথম ভাগে সিংহাসন অধিকার করিবার জন্য আওরঙ্গজেব নিষ্ঠুর উপায় গ্রহণ করিলেও পূর্বপুরুষদের ধারানুক্রমিক কার্যাবলী এবং তদানীস্তন রাজনৈতিক অবস্থার বিচারে তিনি ক্ষমার পাত্র। সিংহাসন অধিকার করিবার পর তিনি কখনও বৃথা রক্তপাতের প্রশ্রয় দেন নাই। বরং তিনি নিষ্ঠুরতা অপেক্ষা কোমল স্বভাবের অধিকারী হইয়া পড়িয়াছিলেন। তাঁহার রাজাশাসনের আদর্শ ছিল মহান। আওরঙ্গজেব বলেন, "নিজের জন্য নয়, অন্যের জন্য পরিশ্রম করিয়া বাঁচিতে আমি আল্লাহ্ কর্তৃক প্রেরিত হইয়াছি। আমার প্রজাদের সুখের সঙ্গে আমার সে সুখ সম্পর্কিত নয়, সেই সুখের চিন্তা না করাই আমার কর্তব্য।"

তিনি সিংহাসন গ্রহন করিবার পর আশিটি কর উঠাইয়া দিয়াছিলেন। শাসক হিসেবে আওরঙ্গজেব রাষ্ট্রের সকল বিভাগের শাসনকার্য পরিচালনা করতেন, অন্যায় কর, দুর্নীতি এবং অনৈসলামিক কার্যকলাপের উপর তিনি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখিতেন। কৃষিকার্যে তিনি উৎসাহ প্রধান করেন এবং অনেকগুলো রাস্তা ও সেতু নির্মাণ করেন।তাহার নিকট দরিদ্র ধনী সবাই বিচার লাভ করিতেন।তিনি নিরপেক্ষ বিচারক ছিলেন।ব্যাক্তিগত জীবনে সরল হলেও সর্বদা নিয়মতান্ত্রিক মাধ্যমে তিনি দরবারের মর্যাদা রক্ষা করিতেন।

অাওরঙ্গজের একজন শিক্ষাবিদ ছিলেন। শিক্ষাকার্যে তিনি পৃষ্ঠপোষকতা করিতেন।তাহার সুবিন্যস্ত সাম্রাজ্যে তিনি অনেক গুলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন।তিনি কুরআনের সূরাগুলো মুখস্ত করিয়াছিলেন এবং তাহার অনেক হাদিস মুখাস্ত ছিলো।আরবি এবং ফার্সি সাহিত্যে ও তাহার অনেক জ্ঞান ছিলো।তাহার পৃষ্ঠপোষকতার ফলেই 'ফতোয়া-ই- অালমগীর' রচিত হয়।

তিনি সরল জীবন যাপন করতেন এবং স্পষ্টবাদী ছিলেন।রাজভান্ডারকে তিনি পবিএ আমানত মনে করতেন এবং নিজে কখন তাহা হইতে এক পয়সাও নিতেন না। তিনি কুরআন নকল ও টুপি সেলাইয়া জীবিকা নির্বাহ করিতেন।তিনি কখনো প্রবৃত্তির দাস হইয়া পরেন নাই এবং নিষিদ্ধ খাদ্য পানীয় পান করেন নাই। কাজেই ব্যাক্তিগত জীবনে সরল এবং নিরাসক্ত, ধর্মীয় জীবন-যাপন, একজন উচ্চ শিক্ষাবিদ, দরিদ্র এবং শিক্ষিতদের পৃষ্ঠপোষক, উন্নত পত্র লেখক,সম্মান ও ন্যায়পরায়ণতার প্রতীক হিসেবে আওরঙ্গজেব প্রকৃতপক্ষে একজন মহান শাসক ছিলেন।

তথ্যসূত্রঃ ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলমানদের ইতিহাস - কে.আলী।

05/12/2021

যেমন ছিলেন আমাদের প্রিয় নবী-রাসুল (সা.) ❤️
১/ তিনি দীর্ঘ সময় নীরব থাকতেন।
২/ তিনি কম হাসতেন।
৩/ তিনি মুচকি হাসতেন, হাসি ওনার ঠোঁটে লেগে থাকতো।
৪/ তিনি অট্টহাসি হাসতেন না।
৫/ তিনি তাহাজ্জুদ নামাজ ত্যাগ করতেন না।
৬/ তিনি দৈনিক শতবার ক্ষমা প্রার্থনা করতেন।
৭/ তিনি কখনোই প্রতিশোধ নিতেন না।
৮/ তিনি যুদ্ধক্ষেত্র ছাড়া কাউকেই আঘাত করেননি।
৯/ তিনি বিপদে পড়লে তাৎক্ষনিক নামাজে দাঁড়িয়ে পড়তেন।
১০/ তিনি অসুস্থ হলে বসে নামাজ পড়তেন।
১১/ তিনি শিশুদের সালাম দিতেন।
১২/ তিনি সমাবেত মহিলাদের সালাম দিতেন।
১৩/ তিনি শিশুদের পরম স্নেহ করতেন।
১৪/ তিনি পরিবারের সদস্যদের সাথে কোমল আচরণ করতেন।
১৫/ তিনি সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখতেন।
১৬/ তিনি ঘুম থেকে জেগে মেসওয়াক করতেন।
১৭/ তিনি মিথ্যাকে সার্বাধিক ঘৃণা করতেন।
১৮/ তিনি উপহার গ্রহণ করতেন।
১৯/ তিনি সাদকাহ (দান) করতেন।
২০/ তিনি সব সময় আল্লাহকে স্মরণ করতেন।
২১/ তিনি আল্লাহকে সব সময় ভয় করতেন
২২/ হাতে যা আসতো তা আল্লাহর রাস্তায় দান করে দিতেন।
২৩/ কেউ কথা বলতে বসলে সে ব্যক্তি উঠা না পর্যন্ত তিনি উঠতেন না।
২৪/ বিনা প্রয়োজনে কথা বলতেন না।
২৫/ কথা বলার সময় সুস্পষ্টভাবে বলতেন যাতে শ্রবণকারী সহজেই বুঝে নিতে পারে।
২৬/ কথা, কাজ ও লেন-দেনে কঠোরতা অবলম্বন করতেন না।
২৭/ নম্রতাকে পছন্দ করতেন।
২৮/ তাঁর নিকট আগত ব্যক্তিদের অবহেলা করতেন না।
২৯/ কারো সাথে বিঘ্নতা সৃষ্টি করতেন না।
৩০/ শরীয়তবিরোধী কথা হলে তা থেকে বিরত থাকতেন বা সেখান থেকে উঠে যেতেন।
৩১/ আল্লাহ তায়ালার প্রতিটি নিয়ামতকে কদর করতেন।
৩২/ খাদ্যদ্রব্যের দোষ ধরতেন না। মন চাইলে খেতেন না হয় বাদ দিতেন।
৩৩/ ক্ষমাকে পছন্দ করতেন।
৩৪/ সর্বদা ধৈর্য্য ধারণ করতেন।
রাসুল (সা.) এর গুণাবলি বর্ণনা করে শেষ করা যাবে না। আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে নবী (সা.) এর চরিত্রে চরিত্রবান হওয়ার তাওফীক দান করুন। সবাইকে হেদায়ত দান করুন।🤲
আমিন❤

#

02/12/2021

★ অভিমান কখনো মনে পুষে রাখবেন না, প্রকাশ করে ফেলুন নয়তো ভুলে যান। কারণ,
ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অভিমান থেকেই বৃহৎ দূরত্বের সৃষ্টি হয়।
★ কিছু মানুষ তোমায় মূল্য দেবে না, তাই বলে তুমি নিজেকে কখনো মূল্যহীন মনে করো না।
★স্বপ্ন মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে। সব
হারিয়ে ফেলা মানুষও একটা স্বপ্নকে আকড়ে ধরে
বেঁচে থাকে। তাই কখনো স্বপ্ন হারা হবেন না।
★ কাউকে দুঃখ দিবেন না, মানুষের
নিঃশ্বাসের বিশ্বাস নেই, হতে পারে তার কাছে ক্ষমা চাওয়ার সময়টুকু নাও পেতে পারেন।
★মিথ্যা বলে হাসানোর চেয়ে সত্য বলে কাঁদানো অনেক ভালো। এতে সে সাময়িক কষ্ট পেলেও তোমার প্রতি তার বিশ্বাস অটুট থাকবে।
★ সুন্দর মানুষ খুঁজতে গিয়ে তুমি তোমার সুন্দর জীবন নষ্ট করো না। কারণ, পৃথিবীতে সুন্দর মানুষের অভাব নেই। কিন্তু সুন্দর মনের অভাব।
★জীবনে একটা কথা মনে রেখো। কারো চোখের স্বপ্ন নষ্ট করে, কোনোদিনও নিজের
স্বপ্ন সাজানো যায় না।
★ যখন তোমরা ৩ জন থাকো তখন ২ জন চুপি চুপি কথা বলবে না।
তাহলে অন্য জনের মনে কষ্ট আসবে।

- .

সবাই ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন!!!

02/12/2021

★ অভিমান কখনো মনে পুষে রাখবেন না, প্রকাশ করে ফেলুন নয়তো ভুলে যান। কারণ,
ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অভিমান থেকেই বৃহৎ দূরত্বের সৃষ্টি হয়।
★ কিছু মানুষ তোমায় মূল্য দেবে না, তাই বলে তুমি নিজেকে কখনো মূল্যহীন মনে করো না।
★স্বপ্ন মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে। সব
হারিয়ে ফেলা মানুষও একটা স্বপ্নকে আকড়ে ধরে
বেঁচে থাকে। তাই কখনো স্বপ্ন হারা হবেন না।
★ কাউকে দুঃখ দিবেন না, মানুষের
নিঃশ্বাসের বিশ্বাস নেই, হতে পারে তার কাছে ক্ষমা চাওয়ার সময়টুকু নাও পেতে পারেন।
★মিথ্যা বলে হাসানোর চেয়ে সত্য বলে কাঁদানো অনেক ভালো। এতে সে সাময়িক কষ্ট পেলেও তোমার প্রতি তার বিশ্বাস অটুট থাকবে।
★ সুন্দর মানুষ খুঁজতে গিয়ে তুমি তোমার সুন্দর জীবন নষ্ট করো না। কারণ, পৃথিবীতে সুন্দর মানুষের অভাব নেই। কিন্তু সুন্দর মনের অভাব।
★জীবনে একটা কথা মনে রেখো। কারো চোখের স্বপ্ন নষ্ট করে, কোনোদিনও নিজের
স্বপ্ন সাজানো যায় না।
★ যখন তোমরা ৩ জন থাকো তখন ২ জন চুপি চুপি কথা বলবে না।
তাহলে অন্য জনের মনে কষ্ট আসবে।

- Anonymous.

'টার্গেট বাংলা'র পক্ষ থেকে প্রত্যেককে জানাই সুপ্রভাত।
সবাই ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন!!!

06/11/2021

Address

Bankura

Telephone

+919734292162

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nutangram Abubakar Siddiquia Sunniya Kharejia Madrasah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share