শ্রী নিগমানন্দ গুরু কূলের সুসন্তান

  • Home
  • India
  • Bangaon
  • শ্রী নিগমানন্দ গুরু কূলের সুসন্তান

শ্রী নিগমানন্দ গুরু কূলের সুসন্তান spiritual

🙏🙏🙏🙏🙏🙏 জয়গুরু🙏🙏🙏🙏🙏🙏                      "আশ্চর্য মাতৃভক্তি"(শ্রীশ্রী ঠাকুর মহারাজের পালিতা কন্যা "বিমলা" মায়ের সুসন্ত...
11/04/2024

🙏🙏🙏🙏🙏🙏 জয়গুরু🙏🙏🙏🙏🙏🙏

"আশ্চর্য মাতৃভক্তি"

(শ্রীশ্রী ঠাকুর মহারাজের পালিতা কন্যা "বিমলা" মায়ের সুসন্তানদের মাতৃভক্তির অভূতপূর্ব কাহিনী)

শ্রীশ্রী ঠাকুর মহারাজের পালিতা কন্যা "বিমলা" মা'কে চেনেন না, নিগমানন্দ পরিবারে এমন মানুষ পাওয়া বোধহয় একেবারেই অসম্ভব!
আমরা বিশ্বাস করি নিগমানন্দ পরিবারের সকল সদস্যগণই অল্পবিস্তর বিমলা মাকে নিশ্চয়ই চেনেন। সেই জন্য বিমলা মাকে নতুন করে চিনিয়ে দেওয়ার দুঃসাহস আমারা আর দেখাচ্ছি না।

আজ আমরা আপনাদের বিমলা মা সম্পর্কে কিছু বলবো না, বলবো তাঁর সুসন্তানদ্বয়ের এক আশ্চর্য মাতৃভক্তির কাহিনী। আশাকরি, যা জানতে পেরে আপনারা সকলে অবশ্যই সমৃদ্ধ হবেন।

বিমলা মায়ের সুসন্তানদ্বয়ের প্রথমজন হলেন শ্রী নরেন্দ্র নাথ মাইতি, এবং দ্বিতীয়জন হলেন শ্রী হরেন্দ্র নাথ মাইতি। যারা নিজেদের গুরুসেবা গুনে নিগমানন্দ পরিবারে যথেষ্টই পরিচিত।

গুরু সন্তুষ্টি উৎপাদন হেতু শ্রীনরেন্দ্র নাথ মাইতি এবং শ্রীহরেন্দ্র নাথ মাইতির অবদান সত্যিই অসামান্য। তাঁরা গুরু নির্দেশকে মান্যতা দিয়ে জ্ঞান, ভক্তি, ও কর্মের সমন্বয় সাধন করে আধ্যাত্ম পথে হয়েছেন যথেষ্ট উন্নীত।
আর, সেই জন্যই বোধহয় তাঁরা গড়তে পেরেছেন মাতৃভক্তির এক অদ্ভুত নিদর্শন।

আজ থেকে কিছুদিন আগের কথা।
আমরা খবর পেলাম পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কেলোমালের ভুবনকালুয়া গ্রামে, গ্রামের সমস্ত নরনারায়ণদের সেবা সহযোগে মহা সমারোহে ঠাকুর নিগমানন্দ দেবের এক বিশাল অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সেখানে উপস্থিত হয়েছেন আসাম বঙ্গীয় সারস্বত মঠ ও নিগমানন্দ মিশনের শ্রদ্ধাভাজন সভাপতি তথা মঠের মোহান্ত ডঃ শ্রীমৎ স্বামী ব্রজেশানন্দ সরস্বতী মহারাজ। আসাম বঙ্গীয় সারস্বত মঠ ও নিগমানন্দ মিশনের শ্রদ্ধাভাজন সম্পাদক শ্রীমৎ স্বামী বিমলানন্দ সরস্বতী মহারাজ। আসাম বঙ্গীয় সারস্বত মঠের শ্রদ্ধেয় ট্রাষ্টি সহ অন্যান্য শ্রদ্ধেয় জ্ঞানীগুণী জন।

সেদিন আমরা প্রথমে ভেবেছিলাম হয়তো ঠাকুর নিগমানন্দ দেবের জেলা ভক্ত সম্মিলনী কিম্বা বিভাগীয় ভক্ত সম্মিলনী অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
কিন্তু পরে বুঝলাম সেখানে তা হচ্ছিল না।
সেখানে ঠাকুর নিগমানন্দ দেবেরই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হচ্ছিল বটে! তবে সে অনুষ্ঠানের কারণ ছিল অন্য। যা জানতে পেরে আমরা রিতিমত অবাক হয়ে যায়! এবং সেই সাথে ভীষণ আনন্দিতও হই।

সেখানে গিয়ে জানলাম, শ্রী নরেন্দ্র নাথ মাইতি এবং শ্রীহরেন্দ্র নাথ মাইতির আন্তরিক আহ্বানে তাঁদের পরলোকগতা, গর্ভধারিনী মাতৃ দেবীর (স্নেহশীলা মা) শুভ জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে শ্রীশ্রী ঠাকুর মহারাজের সেই বিশাল অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

সেদিনের অনুষ্ঠানের পর থেকে আমাদের এই কথাগুলো বারবার ভাবাচ্ছিল, যে মায়ের প্রতি কতটা শ্রদ্ধা, ভালোবাসা থাকলে এই অসাধ্য সাধন করা যায়!
যিনি এই জগতে আর নেই, যার কাছে বিন্দুমাত্র চাওয়া পাওয়া নেই, তাঁর প্রতি এখনো এতো শ্রদ্ধা! এতো ভালোবাসা! কি করে সম্ভব!
সেইসাথে বারবার এটাও মনে হচ্ছিল, একজন মানুষের মৃত্যুর কয়েক দশক পরেও যদি তাঁর প্রতি এতো শ্রদ্ধা, ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটে, তাহলে জীবিত অবস্থায় তাঁর প্রতি কতটা শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ছিলো!
সত্যি কথা বলতে, সেদিনের সেই ঘটনা আমাদের কাছে সত্যিই বিস্ময়কর লেগেছিল।

সেদিনের সেই অসাধারণ ঘটনা চাক্ষুষ করতে পেরে আমাদের মনে হয়েছিল এই ঘটনা সকলের জানা উচিৎ। শ্রীনরেন্দ্রনাথ মাইতি, শ্রীহরেন্দ্রনাথ মাইতির "মাতৃভক্তির ভাব" ছোঁয়াচে রোগের মত ছড়িয়ে পড়ুক সমাজের সকল সন্তানদের মধ্যে। সকল সন্তান তাদের পিতা মাতার প্রতি শ্রদ্ধাবান হোক।
সেই জন্যই আজ আমরা আপনাদের এই অসাধারণ ঘটনার কথা জানাতে বাধ্য হলাম।

আমরা সকলেই জানি বর্তমান সমাজ বড়ই স্বার্থপর! স্বার্থের জন্য মানুষ করতে পারে না এমন কাজ বোধহয় নেই! এক স্বার্থপরতায় মানুষকে করে তুলেছে বোধহীন অমানুষ।
দিন যত যাচ্ছে স্বার্থপরতা ততই বাড়ছে।
তাইতো, রোজ রাস্তা ঘাটে, হাটে বাজারে কতশত ভয়ানক ঘটনা ঘটছে।
যার প্রভাব পড়ছে বিভিন্ন পরিবারে!
স্বার্থসিদ্ধির জন্য পরিবারের সদস্যদের মধ্যে মারামারি, হানাহানি, আরো কতকিছু যে ঘটছে তার ইয়ত্তা নেই।

এইসব অশান্তির মূল সেই "স্বার্থপরতা" এবং অশিক্ষা।
সুশিক্ষা এবং উদারতা না থাকার কারণে অধিকাংশ পরিবারে আজ পচন দেখা দিয়েছে।

প্রতিদিনই সোশ্যাল মিডিয়া, কিম্বা খবরের কাগজ খুললেই কত পারিবারিক অশান্তির কথা জানতে পারা যায়। বিশেষতঃ সন্তানদের দ্বারা আক্রান্ত বৃদ্ধ পিতা মাতার করুণ পরিণতি মনকে নাড়িয়ে দেয়। কত পিতা মাতারা কাঁদতে কাঁদতে বলছে আমার সন্তান আমাকে মেরে ঘর থেকে বের করে দিয়েছে, কিম্বা কেউ বলছেন আমার সমস্ত সম্পত্তি আমার প্রিয় সন্তানরা নিজেদের নামে লিখিয়ে নিয়ে আমাদের এই বৃদ্ধাশ্রমে রেখে গেছে। আবার কেউ হয়তো একরাশ অভিমান নিয়ে হতাশার সুরে বলছেন, আমার চরম অসুস্থ্যতার খবর পেয়েও আমার অতি প্রিয় প্রবাসী সন্তানটি এখনও আমাকে দেখতে আসেনি! সে এখন ব্যস্ত নিজের ছোট্ট পরিবার আর অফিসের কাজ নিয়ে। সে সত্যিই ভীষণ ব্যস্ত! খুব ব্যস্ত! আমার মৃত্যুর খবর পেয়েও হয়তো তার ব্যস্ততার খামতি হবে না!

এইরকম কত করুণ ঘটনা যে রোজ ঘটছে সত্যিই তার ইয়ত্তা নেই।

সমাজ গড়ার প্রধান কারিগর হলেন পিতা মাতা।
তাঁরা যদি সময় থাকতেই তাঁদের সন্তানদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতেন তাহলে বোধহয় তাঁদের শেষ বয়সে গাছ তলায় কিম্বা বৃদ্ধাশ্রমে কাটাতে হতো না!

সত্যি কথা বলতে প্রতিযোগিতামূলক সমাজে প্রধান স্থান অধিকার করে, বিলাসীতার শিখরে পৌঁছানোর লক্ষ্য নিয়ে, কিছু পিতা মাতা তাদের সন্তানদের উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করতে করতে ভুলে গেছেন তাঁদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করতে! তাইতো পরিণামে সর্বস্ব হারিয়ে শেষ বয়সে আশ্রয় পেয়েছেন রাস্তায় , গাছ তলায়, কিম্বা বড়োজোর বৃদ্ধাশ্রমে। আবার কেউ হয়তো লোক লজ্জার ভয়ে সন্তানের দাসত্ব স্বীকার করে অবহেলিত ভাবে রয়ে গেছেন বাড়ির এক নির্জন কোণে।

আমরা উচ্চ শিক্ষাকে শ্রদ্ধা করি। আমরা বিশ্বাস করি উচ্চ শিক্ষা অবশ্যই প্রয়োজন। উচ্চ শিক্ষার মাধ্যমেই দেশ এবং দশের অনেক উপকার হয়। উচ্চ শিক্ষার মাধ্যমেই জনজাতি নতুন কিছু জানতে পারে। তাই উচ্চ শিক্ষা অবশ্যই প্রয়োজন।
কিন্তু শুধু মাত্র উচ্চ শিক্ষা যথেষ্ট নয়, তাঁর সাথে সুক্ষিক্ষা একান্ত দরকার। সুশিক্ষা ছাড়া উচ্চশিক্ষা অনর্থক। তাই উচ্চ শিক্ষার আগে সুশিক্ষা অবশ্যই প্রয়োজন।
সুশিক্ষা অর্থাৎ মনুষ্যত্বের শিক্ষা। মানুষ হয়ে যদি মনুষ্যত্বের শিক্ষায় শিক্ষিত হতে না পারা যায়, তাহলে মনুষ্য জন্ম বিফলে যায়।

মানুষ গড়ার কারিগর ঠাকুর নিগমানন্দ দেব ও মানব জাতির উদ্দেশ্যে বলেছেন তোমরা মানুষ হও। আমি তোমাদের কাছে মনুষ্যত্বের ভিক্ষারী।
তাই আমাদের সকলের উচিত, আগে মনুষ্যত্বের শিক্ষা অর্জন করা। আমরা যারা এখনও মনুষ্যত্বের শিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারিনি, আসুন আজ থেকে আমরা মানুষ হওয়ার চেষ্টা করি। নিজেরা মানুষ হয়ে উদারতা নিয়ে রুখে দিই সমাজের স্বার্থপরতার পচন।

এ জগতে স্বার্থপর মানুষের অভাব নেই। তবে এ জগতে সবাই যে স্বার্থপর একথা আমরা বলি না।
কারণ এ জগতে সবাই অমনুষ্যত্বের স্বীকার হন না। কিছু মানুষ এখনো আছেন যারা উদার এবং মনুষ্যত্বের শিক্ষায় শিক্ষিত হয়েছেন।

আজ আমরা সেইরকম দুজন সুশিক্ষা সম্পন্ন উচ্চ শিক্ষিত সুসন্তানদের অদ্ভুত মাতৃভক্তি থেকে এই শিক্ষাই লাভ করলাম যে, তোমরা নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য আপন পিতা মাতাকে ঘর থেকে বের করে দিওনা। তাঁদের শেষ বয়সে রাস্তায়, গাছতলায়, কিম্বা বৃদ্ধাশ্রমে যেতে বাধ্য কোরোনা। তাঁদের জন্যই তোমরা এই সুন্দর পৃথিবী দেখতে পেরেছো।
তাই তোমরা তাঁদের প্রতি একটু মানবিক হও, একটু যত্নবান হও। স্বার্থপরতার ভয়াবহ স্রোতে নিজেকে অমানুষের মত ভাসিয়ে দিওনা। বরং স্রোতের বিপরীতে চলে নিজেকে মানুষ তৈরি করো। তোমরা সকলে মানুষ হও।

আমরা বিনম্রতার সাথে বারবার স্বীকার করছি মাইতি পরিবারের ভাতৃদ্বয়ের অসাধারণ মাতৃভক্তি, আমাদের সকলের কাছে সত্যিই শিক্ষণীয়। সেই জন্য আমরা "শ্রী নিগমানন্দ গুরু কূলের সুসন্তান" ফেসবুক পেজের পক্ষ থেকে শ্রীনরেন্দ নাথ মাইতি এবং শ্রীহরেন্দ্র নাথ মাইতি মহাশয়ের প্রতি আন্তরিক শ্রদ্ধা নিবেদন করি। এবং সেইসাথে শ্রীশ্রী ঠাকুর মহারাজের রাতুল চরণে তাঁদের সার্বিক মঙ্গল প্রার্থণা করি 🙏

ঠাকুর মহারাজের রাতুল চরণে আরও প্রার্থণা জানাই, পৃথিবীর সকল সন্তানগণ তাঁদের পিতা মাতার প্রতি শ্রদ্ধাবান হোউক। সকল পিতা মাতা তাঁদের সন্তানদের দ্বারা শেষ জীবন পর্যন্ত খুব ভালো থাকুক।

স্বার্থপরতা নয়। আন্তরিকতাই হোক আমাদের সকলের মূল মন্ত্র।

🙏 জয়গুরু 🙏আসাম বঙ্গীয় সারস্বত মঠের প্রধান সম্পদদ্বয়ের (বর্তমান) মঙ্গল দর্শন 🙏পরম শ্রদ্ধেয় শ্রীমৎ স্বামী ব্রজেশানন্দ ...
27/08/2023

🙏 জয়গুরু 🙏

আসাম বঙ্গীয় সারস্বত মঠের প্রধান সম্পদদ্বয়ের (বর্তমান) মঙ্গল দর্শন 🙏

পরম শ্রদ্ধেয় শ্রীমৎ স্বামী ব্রজেশানন্দ সরস্বতী মহারাজ (ডানদিকে) মোহান্ত ও সভাপতি,
আসাম বঙ্গীয় সারস্বত মঠ(হালিসহর)

পরম শ্রদ্ধেয় শ্রীমৎ স্বামী বিমলানন্দ সরস্বতী মহারাজ(বাম দিকে) সম্পাদক,
আসাম বঙ্গীয় সারস্বত মঠ (হালিসহর)

ছবি #সংগৃহীত।
📸 কৌশিক সাহা।

🙏🙏🙏🙏🙏🙏 জয়গুরু 🙏🙏🙏🙏🙏🙏  🙏🙏🙏🙏জয় শ্রী নিগমানন্দ 🙏🙏🙏🙏তন্ত্র, জ্ঞান, যোগ ও প্রেম চতুঃ সাধন সিদ্ধ নির্বিকল্প সমাধি ব্যুত্থিত ...
09/08/2022

🙏🙏🙏🙏🙏🙏 জয়গুরু 🙏🙏🙏🙏🙏🙏
🙏🙏🙏🙏জয় শ্রী নিগমানন্দ 🙏🙏🙏🙏

তন্ত্র, জ্ঞান, যোগ ও প্রেম চতুঃ সাধন সিদ্ধ নির্বিকল্প সমাধি ব্যুত্থিত সদ্-গুরু তথা অসাম্প্রদায়িক জয়গুরু মহানামের প্রবর্তক শ্রীশ্রী ঠাকুর নিগমানন্দ সরস্বতী পরমহংস দেবের আসন্ন ১৪২ তম আবির্ভাব তিথি উপলক্ষ্যে , দেশে বিদেশে থাকা ঠাকুর নিগমানন্দ অনুরাগী সকল ভক্ত শিষ্যদের জানাই অগ্রিম আন্তরিক শুভেচ্ছা এবং শ্রদ্ধাসহ সুমধুর জয়গুরু সম্ভাষণ 🙏

28/10/2021

🙏 জয়গুরু জয়গুরু জয়গুরু জয়গুরু 🙏

গুরু নির্ভরশীল এক ভক্ত পরিবারের অত্যাশ্চার্য গুরু ভক্তির নিদর্শনের ঘটনা ভিডিও বার্তার মাধ্যমে জানতে নজর রাখুন এই পেইজে। আমরা চেষ্টা করছি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভিডিওটি আপলোড করতে।

19/07/2021

🙏 জয়গুরু জয়গুরু জয়গুরু 🙏

কবে তৃষিত এ মরু ছাড়িয়া যাইবো তোমারি রসালো নন্দনে।
কবে তাপিত এ চিত করিবো শিতল তোমারি করুণা চন্দনে।

ভক্ত কবি রজনী কান্ত সেনের বিখ্যাত এই সঙ্গীতের ভাব যেন সম্যক ভাবে জেগে উঠেছিল বনগাঁর জয়পুর নিবাসী ঠাকুর মহারাজের এক সুসন্তানের। তাইতো তিনি তাঁর তৃষিত মরু ছেড়ে পাড়ি দিয়েছেন পরম রসময় ঠাকুর নিগমানন্দ দেবের রসালো নন্দনে। অনিত্য জগতের মায়া ত্যাগ করে নিত্য জ্যোতির্ময় ধামে যাওয়ার যে তিব্র ব্যাকুলতা তার জন্মেছিল সত্যিই তা ভাষায় প্রকাশ করা অসম্ভব! তবুও আগামী বুধবার ইং ২১/০৭/২১ তারিখে আমরা আপনাদের জানাতে চেষ্টা করবো ঠাকুর মহারাজের প্রকৃত সুসন্তানের গুরু ভক্তির বিষ্ময়কর ঘটনা।
তাই ঠাকুর নিগমানন্দ অনুরাগী সকল ভক্তদের কাছে আমাদের বিনীত অনুরোধ, আগামী বুধবার আমরা "শ্রী নিগমানন্দ গুরু কূলের সুসন্তান" ফেসবুক পেজের মাধ্যমে সেই সুসন্তানের ২য় মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে, তাঁরই জীবনে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন রকম অলৌকিক ঘটনা শুনব তাঁর পরিবারের মানুষদের কাছে।
অবাক করা গুরু ভক্তির নিদর্শনের ঘটনা ভিডিও বার্তার মাধ্যমে জানতে হলে, আগামী বুধবার অবশ্যই "শ্রী নিগমানন্দ গুরু কূলের সুসন্তান" ফেসবুক পেজে নজর রাখুন।

বিখ্যাত এই সঙ্গীতের কথা এবং সঙ্গীতটি ব্যাবহারের জন্য শ্রী রজনী কান্ত সেন এবং শ্রী নিশীথ সাধু মহাশয়ের প্রতি বিশেষ শ্রদ্ধা জানাই।

🙏 ধন্যবাদ 🙏 জয়গুরু 🙏

🙏 জয়গুরু জয়গুরু জয়গুরু জয়গুরু 🙏    #বনগাঁর_ভক্ত_কূলের_গর্ব__ভক্ত_প্রবর_শ্রী_৺ #সন্তোষ_হালদার_মহাশয়ের_প্রতি_আমাদের  ...
08/07/2021

🙏 জয়গুরু জয়গুরু জয়গুরু জয়গুরু 🙏

#বনগাঁর_ভক্ত_কূলের_গর্ব__ভক্ত_প্রবর_শ্রী_
৺ #সন্তোষ_হালদার_মহাশয়ের_প্রতি_আমাদের
#শ্রদ্ধা_নিবেদন|

আজকে আমরা শ্রীশ্রী ঠাকুর মহারাজের এমন একজন প্রিয় সুসন্তানের গুরু ভক্তির কথা জানাব, যিনি নিজের ভক্তি বিশ্বাসের পালকিতে করে বনগাঁ বাসীর প্রকৃত মঙ্গলের জন্য শ্রেষ্ঠ উপহার হিসেবে বনগাঁর মাটিতে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন পরম প্রেমময় পরম করুণাময় শ্রীশ্রী ঠাকুর নিগমানন্দ পরমহংস দেবকে।

আসুন সংক্ষিপ্ত বিবরণের মাধ্যমে জেনে নিই কেমন ছিল সন্তোষ দাদার অসাধারণ গুরু ভক্তির নিদর্শন। কেমন করে তিনি তাঁর প্রিয় ঠাকুর মহারাজকে সকলের সাথে ভাগ করে নিয়েছিলেন তাঁদের সার্বিক মঙ্গলের জন্য।

প্রথমে হঠাৎ করেই তিনি একদিন যোগিগুরু গ্রন্থ হাতে পান, তারপর সেই মহামূল্যবান গ্রন্থ পাঠের মাধ্যমে আকর্ষিত হয়েছিলেন আমাদের সকলের প্রাণের প্রিয় ঠাকুর মহারাজের প্রতি। তারপর তিনি পরবর্তীকালে বনগাঁ বাসী হিসেবে সর্বপ্রথম স্বয়ং ঠাকুরের কাছথেকে দিক্ষা মন্ত্র লাভের মাধ্যমে হয়ে উঠেছিলেন ঠাকুর মহারাজের অত্যন্ত স্নেহভাজন এবং কৃপাধন্য সুসন্তান।

সন্তোষ হালদার মহাশয় ছিলেন পরিণত ভক্তের পাশাপাশি একজন অত্যন্ত গুণী শিল্পী।
তিনি বেহালার সুমধুর সুর শুনিয়ে মুগ্ধ করতে পারতেন যেকোন মানুষকে, এমনকি ব্রহ্মবিদ গুরু ঠাকুর নিগমানন্দ দেব তিনিও মুগ্ধ হয়ে যেতেন তাঁর বেহালার সুমধুর সুরে। কখনো কখনো এমনও হয়েছে ঠাকুর মহারাজ সন্তোষ দাদাকে না দেখেই তাঁর বেহালার সুর শুনে বলে উঠতেন কিরে সন্তোষ এলি নাকি রে!
এইরকম আরও অনেক দক্ষতাই ছিল সন্তোষ দাদার। দিনদিন ঠাকুরের প্রতি শ্রদ্ধা, ভক্তি, ভালোবাসা বর্ধিত হতে থাকে তাঁর, এবং ঠাকুরের কাছে অপার্থিব ভালোবাসা পেয়ে মুগ্ধ হয়ে যান তিনি। তারপর একদিন তাঁর মনে হলো আমি একা কেন এই ভালোবাসা ভোগ করবো! আমার উচিৎ এই ভালোবাসা সবার মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া।
এরপর তিনি নিজের মনের ডাকে সাড়া দিয়ে বনগাঁ মহকুমার বিভিন্ন প্রান্তে অহেতুক দয়াময় ঠাকুর নিগমানন্দ পরমহংস দেবের মাহাত্ম্য প্রচারের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা করলেন বনগাঁ সারস্বত সংঘ। যা পরবর্তী দিনে বনগাঁ শ্রীশ্রী নিগমানন্দ সারস্বত সংঘ নামে পরিচিতি লাভ করে।
এই ভাবেই কিছুদিন অতিবাহিত হয়ে যাওয়ার পর তাঁর প্রাণে সাধ জাগল তিনি ঠাকুরের তামাক সেবনের জন্য একটি গড়গড়া নিবেদন করবেন । কিন্তু দুঃখের বিষয় সাধ জাগলেও সাধ্য যে তার ছিলোনা! তাইতো অন্তর্যামী ঠাকুর তাঁর মনের ভাব বুঝে গোবরডাঙ্গার কোন এক বৈষ্ণব ভক্তকে স্বপ্নাদেশ করে বললেন, বনগাঁ জয়পুরে আমার অত্যন্ত প্রিয় ভক্ত সন্তোষ হালদার আছে, সে আমাকে আমার প্রিয় তামাক সেবনের জন্য একটি গড়গড়া কিনে আমাকে নিবেদন করতে চায়। কিন্তু ওর কাছে গড়গড়া কেনার মতো প্রয়োজনীয় অর্থ নেই । তাই আমি তোকে আদেশ করছি তুই ওকে গড়গড়া কিনে পৌঁছে দিয়ে আয়।
আদেশ পাওয়া মাত্র পরের দিন সকালে সেই বৈষ্ণব ভক্ত নিজের সব কাজ ফেলে রেখে আগে গড়গড়া কিনে স্বপ্নে পাওয়া ঠিকানায় উপস্থিত হলেন সন্তোষ হালদার মহাশয়ের বাসভবনে। তিনি বললেন এইনিন গড়গড়া | তখন সন্তোষ হালদার সেই বৈষ্ণব ভক্তকে অবাক হয়ে বলছেন এটা আমাকে কেন দিচ্ছেন! বৈষ্ণব ভক্ত উত্তরে বললেন আপনি তো একজন মহাপুরুষ কে এই গড়গড়া নিবেদন করতে চান? সন্তোষ হালদার আবারও অবাক হয়ে বললেন হ্যাঁ তা.... তো চাই ! কিন্তু ওটা কেনার মতো সাধ্য যে আমার নেই। কিন্তু আপনি জানলেন কি ভাবে? তখন সেই বৈষ্ণব ভক্ত তাকে আশ্বস্ত করে বললেন এটার জন্য কোনরকম টাকা পয়সা আপনাকে দিতে হবে না। কাল রাতে অপরূপ সুন্দর স্নিগ্ধ জ্যোতির্ময় রূপে এক দীর্ঘকায় মহাপুরুষ আমার স্বপ্নে উপস্থিত হয়েছিলেন। তিনি আমাকে আদেশ করে বললেন অমুক জায়গায় সন্তোষ হালদার নামে একজন ব্যক্তি আছে এটা তাকে পৌঁছে দিয়ে আসবি। তাইতো এটা আপনার জন্য নিয়ে এলাম। এইরকম আরও কিছু কথোপকথনের মধ্যেই হঠাৎ করে সন্তোষ দাদার ঘরের মধ্যে থাকা ঠাকুর মহারাজের বিগ্রহের দিকে নজর পড়ে সেই বৈষ্ণব ভক্তের। দেখা মাত্রই চমকে ওঠেন সেই বৈষ্ণব ভক্ত! চিৎকার করে বলতে থাকেন এই তো , এই তো সেই মহাপুরুষ! যিনি কাল রাতে আমার স্বপ্নে এসেছিলেন! কে ইনি? বলুন ইনি কে? এই কথা শুনে সন্তোষ দাদা কাঁদতে কাঁদতে স্বগর্বে বলতে থাকেন ইনিই তো আমার প্রাণের চেয়ে প্রিয়, আমার গুরুদেব| উনার নাম সদ্-গুরু শ্রী নিগমানন্দ পরমহংস দেব। বৈষ্ণব ভক্ত তখন আনন্দের সাথে বলতে থাকেন ধন্য আপনি ধন্য, এমন মহাপুরুষের সান্নিধ্য লাভ করে সত্যিই আপনি ধন্য। সন্তোষ দাদা এতো ঘটনা ঘটে যাওয়ার পরেও, যেন কিছুতেই নিজের চোখ, কান কে বিশ্বাস করতে পারছেন না ! তিনি বারবার ভাবছেন কি করে সম্ভব! আমার মতো সামান্য এক মানুষের জন্য ঠাকুর এমনও অঘটন ঘটাতে পারেন! এইভাবেই কিছুক্ষণ অতিবাহিত হওয়ার পর আবার সেই বৈষ্ণব ভক্ত অনুরোধের সুরে বললেন দয়াকরে গড়গড়া টি গ্রহণ করুন। আমাকে গুরুজীর স্বপ্নাদেশ পালনে সহায়তা করুন। তারপর অশ্রূসিক্ত নয়ন মুছে গুরু নামের জয়ধ্বনি করতে করতে ঠাকুর মহারাজেকে নিবেদন করার উদ্দেশ্য নিয়ে গড়গড়াটি গ্রহণ করলেন বৈষ্ণব ভক্তের কাছ থেকে। এরপর সন্তোষ দাদা আনন্দের সাথে ঠাকুর মহারাজের সম্পর্কে সব কথা জানালেন বৈষ্ণব ভক্তকে | জন্ম জন্মান্তরের কঠিন সাধনার মাধ্যমে ঠাকুর মহারাজের জীব থেকে শিব হয়ে ওঠার ঘটনা, জীবজগতের প্রতি তাঁর ভালোবাসা এবং জীব-জগতের মুক্তি দেওয়ার অলৌকিক শক্তির কথা শুনে স্তম্ভিত হয়ে যান তিনি! তারপর স্বপ্নে দর্শন পাওয়ার জন্য তিনি নিজেকে ধন্য জ্ঞান করতে থাকেন , এবং ঠাকুর মহারাজের জয়ধ্বনি করে মুখে বারবার বলতে থাকেন জয়গুরু....... জয়গুরু.......!

সন্তোষ হালদার মানুষটি ছিলেন গুরু কর্মে নিবেদিত প্রাণ। একবার ঠাকুর মহারাজের একটি উৎসবে রান্নার দায়িত্ব পালনের সময় তার কাছে খবর আসলো তার ভীষন প্রিয় একজন মানুষ দেহত্যাগ করছেন, তাকে ওই মূহূর্তে বাড়ি যেতে হবে। কিন্তু তিনি যে জীবনে সংকল্প করেছেন আগে গুরু কর্মে প্রাধান্য দিয়ে তারপর অন্য সব কাজ করবেন। তাই তিনি বললেন তোমরা চলে যাও।আমি কাজ শেষ করে যাবো। যেমনটি বললেন তেমনটি করলেন । তারপর ঠাকুরের কাজ শেষ করে বাড়ি গিয়ে তাঁর ভীষন প্রিয় মানুষকে নিয়ে চললেন শ্মশানের উদ্যেশ্যে।
প্রিয় পাঠক! আপনারা কি জানবেন না সন্তোষ বাবুর সেই ভীষন প্রিয় মানুষটি কে ছিলেন? তবে শুনুন । সেই ভীষন প্রিয় মানুষটি ছিলেন সন্তোষ বাবুর খুব আদরের পুত্র সন্তান।

ঠাকুর মহারাজকে কেন্দ্র করে এইরকম আরও অনেক ঘটনাই ঘটেছিল সন্তোষ হালদার মহাশয়ের জীবনে । কারণ মানুষটি সর্বাগ্রে ঠাকুরের কর্মে প্রাধান্য দেওয়া এবং শুধু তাকে ভালোবাসলেই সব হবে, এইটুকুই খুব ভালো বুঝতেন | আর জাগতিক তেমন কিছু খুব ভালো বুঝতেন না!
সেই জন্যই তিনি আজ ভক্ত সমাজে সমাদৃত এবং ভক্ত নামে আখ্যায়িত।

আমরা বারবার প্রণাম জানাই ঠাকুর নিগমানন্দ অনুরাগী সন্তোষ হালদার মহাশয়কে 🙏

শ্রী শ্রীঠাকুর মহারাজের চরণে অন্তর থেকে প্রার্থণা করি আমাদেরকেও সেই জ্ঞান দাও ঠাকুর যে জ্ঞান পেলে এ জীবন নিগমানন্দময় হয়ে যাবে।

গুরুগত প্রাণ সন্তোষ হালদার মহাশয়ের জীবনে ঠাকুরকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া এইরকম আরও বিষ্ময়কর ঘটনা জানতে হলে নিচে দেওয়া ভিডিও লিংকে ক্লিক করে সম্পূর্ণ ভিডিওটি ধৈর্য ধরে দেখুন।

https://fb.watch/6D2vRMuEjl/

বিঃ দ্রঃ আমরা জানি এইরকম মানুষ পাওয়া খুব কঠিন! তবুও চেষ্টা করবো আমরা তাদেরকে খুঁজে বের করতে। যদি আপনাদের কারো জানা থাকে তাহলে আপনারাও জানাতে পারেন আমাদের ।শ্রীশ্রী ঠাকুর মহারাজের আশীর্বাদে এবং অনুপ্রেরণায় আমরা চেষ্টা করবো ধারাবাহিক ভাবে তাদেরকে জনসমক্ষে তুলে ধরতে।

আগে আমাদের নিজস্ব কোন পেজ ছিলো না, তাই এক ভক্তের নিজস্ব ফেসবুক প্রোফাইলের মাধ্যমে শ্রী প্রদীপ রানা এবং কল্পনা রানার আত্মত্যাগের ভিডিওটি পোস্ট করতে হয়েছিল।
কিন্তু এবার থেকে শ্রীশ্রী ঠাকুর মহারাজের আশীর্বাদকে পাথেয় করে "শ্রী নিগমানন্দ গুরু কূলের সুসন্তান" ফেসবুক পেজের মাধ্যমে আবার আমরা শুরু করতে চলেছি ভক্তদের গুরু ভক্তির নিদর্শনের ঘটনা ভিডিও বার্তার মাধ্যমে সর্বসমক্ষে তুলে ধরতে | যদি আপনারা এই ধরনের ভিডিও দেখতে আগ্রহী হন তাহলে অবশ্যই পেজটি লাইক,ফলো এবং শেয়ারের মাধ্যমে জগতময় ছড়িয়ে দিন ভক্তের গুরু ভক্তির কথা।

পেজের পক্ষ থেকে শ্রীশ্রী ঠাকুর মহারাজের চরণে সকলের সার্বিক মঙ্গল প্রার্থণা করি।

সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ্য থাকুন, আর অবশ্যই গুরু নামের জয়ধ্বনি করুন।

08/07/2021

🙏 জয়গুরু জয়গুরু জয়গুরু জয়গুরু 🙏

#বনগাঁর_ভক্ত_কূলের_গর্ব__ভক্ত_প্রবর_শ্রী_
৺ #সন্তোষ_হালদার_মহাশয়ের_প্রতি_আমাদের
#শ্রদ্ধা_নিবেদন|

আজকে আমরা শ্রীশ্রী ঠাকুর মহারাজের এমন একজন প্রিয় সুসন্তানের গুরু ভক্তির কথা জানাব, যিনি নিজের ভক্তি বিশ্বাসের পালকিতে করে বনগাঁ বাসীর প্রকৃত মঙ্গলের জন্য শ্রেষ্ঠ উপহার হিসেবে বনগাঁর মাটিতে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন পরম প্রেমময় পরম করুণাময় শ্রীশ্রী ঠাকুর নিগমানন্দ পরমহংস দেবকে।

আসুন সংক্ষিপ্ত বিবরণের মাধ্যমে জেনে নিই কেমন ছিল সন্তোষ দাদার অসাধারণ গুরু ভক্তির নিদর্শন। কেমন করে তিনি তাঁর প্রিয় ঠাকুর মহারাজকে সকলের সাথে ভাগ করে নিয়েছিলেন তাঁদের সার্বিক মঙ্গলের জন্য।

প্রথমে হঠাৎ করেই তিনি একদিন যোগিগুরু গ্রন্থ হাতে পান, তারপর সেই মহামূল্যবান গ্রন্থ পাঠের মাধ্যমে আকর্ষিত হয়েছিলেন আমাদের সকলের প্রাণের প্রিয় ঠাকুর মহারাজের প্রতি। তারপর তিনি পরবর্তীকালে বনগাঁ বাসী হিসেবে সর্বপ্রথম স্বয়ং ঠাকুরের কাছথেকে দিক্ষা মন্ত্র লাভের মাধ্যমে হয়ে উঠেছিলেন ঠাকুর মহারাজের অত্যন্ত স্নেহভাজন এবং কৃপাধন্য সুসন্তান।

সন্তোষ হালদার মহাশয় ছিলেন পরিণত ভক্তের পাশাপাশি একজন অত্যন্ত গুণী শিল্পী।
তিনি বেহালার সুমধুর সুর শুনিয়ে মুগ্ধ করতে পারতেন যেকোন মানুষকে, এমনকি ব্রহ্মবিদ গুরু ঠাকুর নিগমানন্দ দেব তিনিও মুগ্ধ হয়ে যেতেন তাঁর বেহালার সুমধুর সুরে। কখনো কখনো এমনও হয়েছে ঠাকুর মহারাজ সন্তোষ দাদাকে না দেখেই তাঁর বেহালার সুর শুনে বলে উঠতেন কিরে সন্তোষ এলি নাকি রে!
এইরকম আরও অনেক দক্ষতাই ছিল সন্তোষ দাদার। দিনদিন ঠাকুরের প্রতি শ্রদ্ধা, ভক্তি, ভালোবাসা বর্ধিত হতে থাকে তাঁর, এবং ঠাকুরের কাছে অপার্থিব ভালোবাসা পেয়ে মুগ্ধ হয়ে যান তিনি। তারপর একদিন তাঁর মনে হলো আমি একা কেন এই ভালোবাসা ভোগ করবো! আমার উচিৎ এই ভালোবাসা সবার মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া।
এরপর তিনি নিজের মনের ডাকে সাড়া দিয়ে বনগাঁ মহকুমার বিভিন্ন প্রান্তে অহেতুক দয়াময় ঠাকুর নিগমানন্দ পরমহংস দেবের মাহাত্ম্য প্রচারের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা করলেন বনগাঁ সারস্বত সংঘ। যা পরবর্তী দিনে বনগাঁ শ্রীশ্রী নিগমানন্দ সারস্বত সংঘ নামে পরিচিতি লাভ করে।
এই ভাবেই কিছুদিন অতিবাহিত হয়ে যাওয়ার পর তাঁর প্রাণে সাধ জাগল তিনি ঠাকুরের তামাক সেবনের জন্য একটি গড়গড়া নিবেদন করবেন । কিন্তু দুঃখের বিষয় সাধ জাগলেও সাধ্য যে তার ছিলোনা! তাইতো অন্তর্যামী ঠাকুর তাঁর মনের ভাব বুঝে গোবরডাঙ্গার কোন এক বৈষ্ণব ভক্তকে স্বপ্নাদেশ করে বললেন, বনগাঁ জয়পুরে আমার অত্যন্ত প্রিয় ভক্ত সন্তোষ হালদার আছে, সে আমাকে আমার প্রিয় তামাক সেবনের জন্য একটি গড়গড়া কিনে আমাকে নিবেদন করতে চায়। কিন্তু ওর কাছে গড়গড়া কেনার মতো প্রয়োজনীয় অর্থ নেই । তাই আমি তোকে আদেশ করছি তুই ওকে গড়গড়া কিনে পৌঁছে দিয়ে আয়।
আদেশ পাওয়া মাত্র পরের দিন সকালে সেই বৈষ্ণব ভক্ত নিজের সব কাজ ফেলে রেখে আগে গড়গড়া কিনে স্বপ্নে পাওয়া ঠিকানায় উপস্থিত হলেন সন্তোষ হালদার মহাশয়ের বাসভবনে। তিনি বললেন এইনিন গড়গড়া | তখন সন্তোষ হালদার সেই বৈষ্ণব ভক্তকে অবাক হয়ে বলছেন এটা আমাকে কেন দিচ্ছেন! বৈষ্ণব ভক্ত উত্তরে বললেন আপনি তো একজন মহাপুরুষ কে এই গড়গড়া নিবেদন করতে চান? সন্তোষ হালদার আবারও অবাক হয়ে বললেন হ্যাঁ তা.... তো চাই ! কিন্তু ওটা কেনার মতো সাধ্য যে আমার নেই। কিন্তু আপনি জানলেন কি ভাবে? তখন সেই বৈষ্ণব ভক্ত তাকে আশ্বস্ত করে বললেন এটার জন্য কোনরকম টাকা পয়সা আপনাকে দিতে হবে না। কাল রাতে অপরূপ সুন্দর স্নিগ্ধ জ্যোতির্ময় রূপে এক দীর্ঘকায় মহাপুরুষ আমার স্বপ্নে উপস্থিত হয়েছিলেন। তিনি আমাকে আদেশ করে বললেন অমুক জায়গায় সন্তোষ হালদার নামে একজন ব্যক্তি আছে এটা তাকে পৌঁছে দিয়ে আসবি। তাইতো এটা আপনার জন্য নিয়ে এলাম। এইরকম আরও কিছু কথোপকথনের মধ্যেই হঠাৎ করে সন্তোষ দাদার ঘরের মধ্যে থাকা ঠাকুর মহারাজের বিগ্রহের দিকে নজর পড়ে সেই বৈষ্ণব ভক্তের। দেখা মাত্রই চমকে ওঠেন সেই বৈষ্ণব ভক্ত! চিৎকার করে বলতে থাকেন এই তো , এই তো সেই মহাপুরুষ! যিনি কাল রাতে আমার স্বপ্নে এসেছিলেন! কে ইনি? বলুন ইনি কে? এই কথা শুনে সন্তোষ দাদা কাঁদতে কাঁদতে স্বগর্বে বলতে থাকেন ইনিই তো আমার প্রাণের চেয়ে প্রিয়, আমার গুরুদেব| উনার নাম সদ্-গুরু শ্রী নিগমানন্দ পরমহংস দেব। বৈষ্ণব ভক্ত তখন আনন্দের সাথে বলতে থাকেন ধন্য আপনি ধন্য, এমন মহাপুরুষের সান্নিধ্য লাভ করে সত্যিই আপনি ধন্য। সন্তোষ দাদা এতো ঘটনা ঘটে যাওয়ার পরেও, যেন কিছুতেই নিজের চোখ, কান কে বিশ্বাস করতে পারছেন না ! তিনি বারবার ভাবছেন কি করে সম্ভব! আমার মতো সামান্য এক মানুষের জন্য ঠাকুর এমনও অঘটন ঘটাতে পারেন! এইভাবেই কিছুক্ষণ অতিবাহিত হওয়ার পর আবার সেই বৈষ্ণব ভক্ত অনুরোধের সুরে বললেন দয়াকরে গড়গড়া টি গ্রহণ করুন। আমাকে গুরুজীর স্বপ্নাদেশ পালনে সহায়তা করুন। তারপর অশ্রূসিক্ত নয়ন মুছে গুরু নামের জয়ধ্বনি করতে করতে ঠাকুর মহারাজেকে নিবেদন করার উদ্দেশ্য নিয়ে গড়গড়াটি গ্রহণ করলেন বৈষ্ণব ভক্তের কাছ থেকে। এরপর সন্তোষ দাদা আনন্দের সাথে ঠাকুর মহারাজের সম্পর্কে সব কথা জানালেন বৈষ্ণব ভক্তকে | জন্ম জন্মান্তরের কঠিন সাধনার মাধ্যমে ঠাকুর মহারাজের জীব থেকে শিব হয়ে ওঠার ঘটনা, জীবজগতের প্রতি তাঁর ভালোবাসা এবং জীব-জগতের মুক্তি দেওয়ার অলৌকিক শক্তির কথা শুনে স্তম্ভিত হয়ে যান তিনি! তারপর স্বপ্নে দর্শন পাওয়ার জন্য তিনি নিজেকে ধন্য জ্ঞান করতে থাকেন , এবং ঠাকুর মহারাজের জয়ধ্বনি করে মুখে বারবার বলতে থাকেন জয়গুরু....... জয়গুরু.......!

সন্তোষ হালদার মানুষটি ছিলেন গুরু কর্মে নিবেদিত প্রাণ। একবার ঠাকুর মহারাজের একটি উৎসবে রান্নার দায়িত্ব পালনের সময় তার কাছে খবর আসলো তার ভীষন প্রিয় একজন মানুষ দেহত্যাগ করছেন, তাকে ওই মূহূর্তে বাড়ি যেতে হবে। কিন্তু তিনি যে জীবনে সংকল্প করেছেন আগে গুরু কর্মে প্রাধান্য দিয়ে তারপর অন্য সব কাজ করবেন। তাই তিনি বললেন তোমরা চলে যাও।আমি কাজ শেষ করে যাবো। যেমনটি বললেন তেমনটি করলেন । তারপর ঠাকুরের কাজ শেষ করে বাড়ি গিয়ে তাঁর ভীষন প্রিয় মানুষকে নিয়ে চললেন শ্মশানের উদ্যেশ্যে।
প্রিয় পাঠক! আপনারা কি জানবেন না সন্তোষ বাবুর সেই ভীষন প্রিয় মানুষটি কে ছিলেন? তবে শুনুন । সেই ভীষন প্রিয় মানুষটি ছিলেন সন্তোষ বাবুর খুব আদরের পুত্র সন্তান।

ঠাকুর মহারাজকে কেন্দ্র করে এইরকম আরও অনেক ঘটনাই ঘটেছিল সন্তোষ হালদার মহাশয়ের জীবনে । কারণ মানুষটি সর্বাগ্রে ঠাকুরের কর্মে প্রাধান্য দেওয়া এবং শুধু তাকে ভালোবাসলেই সব হবে, এইটুকুই খুব ভালো বুঝতেন | আর জাগতিক তেমন কিছু খুব ভালো বুঝতেন না!
সেই জন্যই তিনি আজ ভক্ত সমাজে সমাদৃত এবং ভক্ত নামে আখ্যায়িত।

আমরা বারবার প্রণাম জানাই ঠাকুর নিগমানন্দ অনুরাগী সন্তোষ হালদার মহাশয়কে 🙏

শ্রী শ্রীঠাকুর মহারাজের চরণে অন্তর থেকে প্রার্থণা করি আমাদেরকেও সেই জ্ঞান দাও ঠাকুর যে জ্ঞান পেলে এ জীবন নিগমানন্দময় হয়ে যাবে।

গুরুগত প্রাণ সন্তোষ হালদার মহাশয়ের জীবনে ঠাকুরকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া এইরকম আরও বিষ্ময়কর ঘটনা জানতে হলে নিচের ভিডিওটি ধৈর্য ধরে দেখুন।

বিঃ দ্রঃ আমরা জানি এইরকম মানুষ পাওয়া খুব কঠিন! তবুও চেষ্টা করবো আমরা তাদেরকে খুঁজে বের করতে। যদি আপনাদের কারো জানা থাকে তাহলে আপনারাও জানাতে পারেন আমাদের ।শ্রীশ্রী ঠাকুর মহারাজের আশীর্বাদে এবং অনুপ্রেরণায় আমরা চেষ্টা করবো ধারাবাহিক ভাবে তাদেরকে জনসমক্ষে তুলে ধরতে।

আগে আমাদের নিজস্ব কোন পেজ ছিলো না, তাই এক ভক্তের নিজস্ব ফেসবুক প্রোফাইলের মাধ্যমে শ্রী প্রদীপ রানা এবং কল্পনা রানার আত্মত্যাগের ভিডিওটি পোস্ট করতে হয়েছিল।
কিন্তু এবার থেকে শ্রীশ্রী ঠাকুর মহারাজের আশীর্বাদকে পাথেয় করে "শ্রী নিগমানন্দ গুরু কূলের সুসন্তান" ফেসবুক পেজের মাধ্যমে আবার আমরা শুরু করতে চলেছি ভক্তদের গুরু ভক্তির নিদর্শনের ঘটনা ভিডিও বার্তার মাধ্যমে সর্বসমক্ষে তুলে ধরতে | যদি আপনারা এই ধরনের ভিডিও দেখতে আগ্রহী হন তাহলে অবশ্যই পেজটি লাইক,ফলো এবং শেয়ারের মাধ্যমে জগতময় ছড়িয়ে দিন ভক্তের গুরু ভক্তির কথা।

পেজের পক্ষ থেকে শ্রীশ্রী ঠাকুর মহারাজের চরণে সকলের সার্বিক মঙ্গল প্রার্থণা করি।

সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ্য থাকুন, আর অবশ্যই গুরু নামের জয়ধ্বনি করুন।

ভিডিও গ্রাফি এবং এডিটিং
শ্রী অনীক ঘোষ। বনগাঁ।

সহকারীঃ- শ্রী দীপঙ্কর পাল। বনগাঁ।

*অনভিজ্ঞতার কারণে সাউন্ডের একটু সমস্যা হয়েছে। আমরা চেষ্টা করবো আগামীদিনে সঠিক ভাবে উপস্থাপন করতে। দয়া করে ইয়ারফোন/ হেডফোন ব্যবহার করুন, আশা করছি অনেকটা ভালো শোনা যাবে।

07/07/2021

🙏 জয়গুরু জয়গুরু জয়গুরু জয়গুরু 🙏

এই ভিডিওটির মাধ্যমেই আমরা প্রথম শুরু করেছিলাম ভক্তের আত্মত্যাগের কথা।

এই ভিডিওটি নিজেদের পেজে পোষ্ট করার জন্য উত্তর ২৪ পরগণা জেলা নিগমানন্দ যুব সংঘের পেজকে ধন্যবাদ জানাই 🙏

06/07/2021

🙏 জয়গুরু জয়গুরু জয়গুরু 🙏

শ্রী নিগমানন্দ গুরু কূলের সুসন্তান পেজের পক্ষ থেকে আগামী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঠাকুর মহারাজের স্নেহভাজন এবং কৃপাধন্য সুসন্তান, শ্রী সন্তোষ হালদার মহাশয়ের গুরুর প্রতি ভালোবাসা এবং নির্ভরতার নিদর্শন স্বরূপ তার জীবনের বিষ্ময়কর কিছু ঘটনা জানব তাঁর বংশধর শ্রী শ্যামল হালদার মহাশয়ের কাছে। তাই ভগবানের প্রতি ভক্তের ভালোবাসার কথা জানতে হলে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অবশ্যই নজর রাখুন শ্রী নিগমানন্দ গুরু কূলের সুসন্তান ফেসবুক পেজে......। ধন্যবাদ🙏

বিঃ দ্রঃ শ্রীশ্রী ঠাকুর মহারাজের আশীর্বাদে এবং অনুপ্রেরণায় গত লকডাউনে ২০২০ সালের আগস্ট মাসে ভক্ত প্রবর শ্রী প্রদীপ রানা এবং কল্পনা রানার গুরু ভক্তির নিদর্শন স্বরূপ তাঁদের আশ্চর্যজনক আত্মত্যাগের ঘটনার ভিডিও প্রকাশের মাধ্যমে প্রথম শুরু হয়েছিল আমাদের পথচলা। কিন্তু বিশেষ কারণে সেটা বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু কিছু ভক্তদের অনুরোধে অনেকদিন পর আবার শ্রীশ্রী ঠাকুর মহারাজের আশীর্বাদকে পাথেয় করে শ্রী নিগমানন্দ গুরু কূলের সুসন্তান ফেসবুক পেজের মাধ্যমে আবার আমরা শুরু করতে চলেছি ভক্তদের গুরু ভক্তির নিদর্শনের ঘটনা ভিডিও বার্তার মাধ্যমে সর্বসমক্ষে তুলে ধরতে | আপনাদের হয়তো অনেকেরই মনে আছে প্রদীপ রানা এবং কল্পনা রানার আত্মত্যাগের ঘটনা! যদি মনে না থাকে তাহলে আসুন আরও একবার স্মরণ করি তাদের সেই অকৃত্রিম গুরু ভক্তির কথা| সেই হত দরিদ্র নিঃসন্তান দম্পতি যাঁরা কিনা ভাঙ্গা কুঁড়ে ঘরে ভাড়া থাকতেন, যাদের কাছে বিলাসিতা করার মতো সময় কিম্বা ইচ্ছা কোনটাই ছিল না। তাদের চাওয়া এবং নিজস্বতা বলতে গুরু ভক্তিই ছিল তাদের একমাত্র সম্বল, তাইতো একটু একটু করে জমানো ৪০/৫০ হাজার টাকা জমিয়ে ছিলেন বহু কষ্টে, সেই শেষ সম্বল টুকুও শ্রদ্ধার্ঘ্য হিসেবে আসাম বঙ্গীয় সারস্বত মঠে (হালিশহর) অর্পণ করে দিয়েছিলেন তাঁদের একমাত্র আপনজন ঠাকুর মহারাজের উদ্দেশ্যে। কারণ তাঁদের জীবনের প্রধান চাওয়া ছিল ঠাকুর মহারাজ। তাইতো তাদের সেই প্রধান চাওয়াকে পাওয়ার জন্য কোনরকম বাঁধা হয়ে থাকতে দিলেন না সেই জমানো টাকা কে! এইরকম মানুষ পাওয়া খুব কঠিন! তবুও চেষ্টা করবো আমরা তাদেরকে খুঁজে বের করতে। আপনাদের জানা থাকলে আপনারাও জানাতে পারেন আমাদের । আমরা চেষ্টা করবো ধারাবাহিক ভাবে তাদেরকে জনসমক্ষে তুলে ধরতে।

আগে আমাদের নিজস্ব কোন পেজ ছিলো না, তাই এক ভক্তের নিজস্ব ফেসবুক প্রোফাইলের মাধ্যমে শ্রী প্রদীপ রানা এবং কল্পনা রানার আত্মত্যাগের ভিডিওটি পোস্ট করতে হয়েছিল।
কিন্তু এবার থেকে শ্রীশ্রী ঠাকুর মহারাজের আশীর্বাদকে পাথেয় করে শ্রী নিগমানন্দ গুরু কূলের সুসন্তান ফেসবুক পেজের মাধ্যমে আবার আমরা শুরু করতে চলেছি ভক্তদের গুরু ভক্তির নিদর্শনের ঘটনা ভিডিও বার্তার মাধ্যমে সর্বসমক্ষে তুলে ধরতে | যদি আপনারা এই ধরনের ভিডিও দেখতে আগ্রহী হন তাহলে অবশ্যই পেজটি লাইক,ফলো এবং শেয়ারের মাধ্যমে জগতময় ছড়িয়ে দিন ভক্তের গুরু ভক্তির কথা।

পেজের পক্ষ থেকে শ্রীশ্রী ঠাকুর মহারাজের চরণে সকলের সার্বিক মঙ্গল প্রার্থণা করি।

সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ্য থাকুন আর অবশ্যই গুরু নামের জয়ধ্বনি করুন।

🙏 জয়গুরু জয়গুরু জয়গুরু 🙏

Address

Bongaon
Bangaon
743235

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শ্রী নিগমানন্দ গুরু কূলের সুসন্তান posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share