The Hindus Of Sanctoria-Dishergarh

The Hindus Of Sanctoria-Dishergarh WE ARE EVANGELIST...WE ARE HINDUS OF SANCTORIA DISHERGARH...

"ভগবদ গীতা" কি❓                         কেন পড়বেন❓What is Bhagwat Geeta in Bengali❓তাই আজ আমরা এই প্রশ্নের উত্তর জানার ...
08/05/2021

"ভগবদ গীতা" কি❓
কেন পড়বেন❓
What is Bhagwat Geeta in Bengali❓
তাই আজ আমরা এই প্রশ্নের উত্তর জানার চেষ্টা করব এবং আমি চেষ্টা করব যাতে আমি আপনাদের মনের সমস্ত সংশয় দূর করতে পারি।
ভগবদ গীতা কি এবং কেন পড়বেন?
ভগবদ গীতা কেন পড়বেন?
বর্তমান সময়ে প্রতিটি মানুষ অজ্ঞানতার অন্ধকারে আবদ্ধ। ভগবদ গীতার আসল উদ্দেশ্য হচ্ছে মনুষ্য সমাজকে সেই অন্ধকার থেকে মুক্ত করা।
প্রতিটি মানুষই নানা কারণে দুঃখ ভোগ করছে। কিন্তু বিভিন্ন কারণে মোহাচ্ছন্ন হওয়ার জন্য আমরা বুঝতেই পারি না কেন আমরা দুঃখ কষ্ট ভোগ করছি।
তবু আমাদের মধ্যে কেউ কেউ বুঝতে পারে কেন সে দুঃখ কষ্ট ভোগ করছে। তখন সে নিজেকে প্রশ্ন করা শুরু করে “আমি কে?” এবং “আমি কেন দুঃখ কষ্ট ভোগ করছি?”
কিন্তু এইরকম মানুষের সংখ্যা খুবই কম। হাজারে হয়ত দুই বা একজন।
আপনি যদি সেই দু-এক জন এর মধ্যে একজন হন তবে আপনাকে জানাই আমার আন্তরিক অভিনন্দন।
🙏🏿
আর তা না হলে পড়তে থাকুন।
এই দুই একজন তার দুঃখ কষ্টের কারণ জানার চেষ্টা করে এবং তারপর নিজেকে সেই কষ্ট থেকে উদ্ধার করার পথ খুঁজতে থাকে।
এতক্ষণ আপনি হয়তো মনে মনে নিজেকে প্রশ্ন করা শুরু করেছেন “আমি কে?” এবং “আমি কেন কষ্ট পাচ্ছি?”
এবং তা যদি সত্য হয় তবে আপনি শ্রীমদ্ভগবদগীতা পড়ার এবং তার তাৎপর্য বোঝার যোগ্যতা অর্জন করেছেন।
মহাভারতের যুগে অর্জুন ছিলেন এমন একজন জিজ্ঞাসু শিক্ষার্থী।
কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের আগে শত্রুপক্ষে নিজের আত্মীয় পরিজন ও বন্ধুবান্ধবকে দেখে এবং যুদ্ধের সময় তাদেরকে হত্যা করার কথা মনে হতেই তিনি বিশাদ ও হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন।
সাময়িকভাবে তিনি মোহাচ্ছন্ন হয়ে পড়েন।
তিনি শ্রীকৃষ্ণকে জিঞ্জেস করেন কেন তিনি এই জটিল অবস্থায় পড়েছেন এবং কিভাবে তা থেকে উদ্ধার পাওয়া যাবে?
তখন শ্রীকৃষ্ণ অর্জুন তথা আগামী দিনে সাধারণ মানুষের উদ্ধারের জন্য অনেক তত্ত্ব ও জ্ঞানের কথা বর্ণনা করেন যা বর্তমানে শ্রীমদভগবদ্গীতা নামে পরিচিত।
ভগবদ গীতা হিন্দু মহাকাব্য মহাভারতের গুরুত্বপূর্ণ এবং অভিন্ন অঙ্গ।
গীতার উপদেশ মহাভারতের ভীষ্ম পর্বের অন্তর্ভুক্ত।
ভগবদ গীতায় মোট 18 টি অধ্যায় এবং 700 শ্লোক আছে।
পান্ডবদের মধ্যে অধিকার এবং রাজ্যের জন্য লড়াই প্রসঙ্গে ভগবদ গীতার সৃষ্টি।
ধৃতরাষ্ট্রের জ্যেষ্ঠ পুত্র দূর্যোধন পান্ডবদের কে তাদের অধিকারের রাজ্য ফিরিয়ে দিতে অসম্মত হয়।
পাণ্ডবরা তাদের রাজ্য ফিরে পাওয়ার জন্য অনেক শান্তিপূর্ণ চেষ্টা করে।
এজন্য তারা ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে কৌরব দের কাছে তাদের দূত হিসেবে প্রেরণ করে। দুর্যোধন তবুও সম্মত হয়নি।
নিজের রাজ্য আর অধিকার ফিরে পাওয়ার জন্য পান্ডবদের সমস্ত প্রচেষ্টা বিফল হয়।
তখন তাদের কাছে কেবল মাত্র একটাই পথ খোলা ছিল – যুদ্ধ।
শেষ পর্যন্ত পাণ্ডবরা নিজেদের অধিকার ফিরে পাওয়ার জন্য যুদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়।
কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ ভূমিতে পাণ্ডব এবং কৌরব সেনা যুদ্ধ করার জন্য একত্রিত হয়।
পাণ্ডব সেনার প্রধান যোদ্ধা ছিল অর্জুন যিনি সেই সময়ের সর্বশেষ্ঠ ধনুর্ধর ছিলেন।
সবার মনে দৃঢ় বিশ্বাস ছিল যে অর্জুন তাদেরকে এই যুদ্ধে জেতাবে।
এই যুদ্ধে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ স্বয়ং অর্জুনের সারথি হয়।
কিন্তু যখন যুদ্ধ শুরু হবে তখন অর্জুন তার পিতামহ ভীষ্ম, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব তথা অন্যান্যদের কৌরব সেনাতে নিজের সামনে দেখে এবং যুদ্ধে তাদেরকে হত্যা করার কথা মনে আসতেই তিনি বিচলিত হয়ে ওঠেন।
আপনজনদের মোহের কারণে তার মনে এই সন্দেহ তৈরি হয় এবং তিনি নিজের কর্তব্য থেকে বিচ্যুত হয়ে যান।
তিনি যুদ্ধ না করার সিদ্ধান্ত নেন এবং হতাশাগ্রস্ত হয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে অস্ত্র ত্যাগ করে নিজের রথে বসে পড়লেন।
ᘛ⁐̤ᕐᐷ…ᘛ⁐̤ᕐᐷ…ᘛ⁐̤ᕐᐷ…ᘛ⁐̤ᕐᐷ…ᘛ⁐̤ᕐᐷ
তখন সেই বিষাদগ্রস্ত অর্জুনকে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ ভূমিতে দুপক্ষের সেনার মাঝখানে ভগবদ গীতার উপদেশ দেন।
তিনি অর্জুনকে আত্মার অমরতা, শরীরের বিলীনতা, নিস্কাম কর্ম, কর্তব্য, কর্মফল, ত্যাগ, যোগ, ব্রহ্ম, জ্ঞান, অবতরণের সিদ্ধান্ত, ভগবদ্ভক্তি, স্বধর্ম, প্রাকৃতিক গুণ, ক্ষেত্র ও অক্ষেত্রের জ্ঞান, মনকে বশ করার উপায়, তিন জ্ঞান – “স্বত, রজ ও তম” তথা এই তিন গুণের নিজেদের মধ্যে ক্রিয়ার ফল, আসুরিক ও দৈবিক স্বভাব, দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ব্যাক্তি, “ইচ্ছা, ক্রোধ এবং লোভ” – এই তিন গুণ নিয়ন্ত্রণে রাখা, ভাবনার সাগর থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখা, পরম গতি প্রভৃতি সম্পর্কে বলেন।
তিনি অর্জুনকে তার বিরাট রুপ বিশ্বরূপের দর্শন করান এবং পরিশেষে তাকে রক্ষা করা ও সকল পাপ থেকে মুক্ত করার আশ্বাস দিয়ে নিজের উপদেশ শেষ করেন।
গীতার উপদেশ শোনার ফলে অর্জুনের বিষাদ, সমস্ত মোহ এবং সন্দেহ সমাপ্ত হয়।
ᘛ⁐̤ᕐᐷ
তার কর্তব্য পরায়ন ভাবনা পুনরায় জেগে ওঠে এবং তিনি নিষ্কাম ভাবে যুদ্ধ করতে প্রস্তুত হন।
তিনি সেই ধর্ম যুদ্ধ করেন, কৌরবদের পরাজিত করেন এবং নিজের দাদা যুধিষ্ঠিরকে তার অধিকার ফিরিয়ে দেন।
ভগবদ্গীতা মানুষের জীবনে একটি বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে।
শ্রীমদ্ভগবদগীতা কেবলমাত্র একটি ধর্মগ্রন্থ নয়।
ভগবত গীতা কে সবাই সফল এবং সন্তুষ্ট জীবন যাপন করার জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ দিশা হিসাবে স্বীকার করেন।
গীতায় আধ্যাত্মিকতার সাথে সাথে দর্শনশাস্ত্র ও আছে। এতে মানব জীবনের সকল সমস্যার সমাধান আছে।
বিশ্বের সকল মহান উপদেশ শাস্ত্রের মধ্যে গীতায় একমাত্র শাস্ত্র যা যুদ্ধের ময়দানে দেয়া হয়েছে।
ভগবদ গীতায় বলা আছে যে আমাদের বাইরের শত্রুর সঙ্গে যুদ্ধ করলে হবে না। যুদ্ধ করতে হবে আমাদের ভেতরের শত্রুর সাথে।
যখন কোন মানুষ তার কর্তব্য সম্পন্ন করতে পারে না তখন ভগবদ গীতা তার সমস্ত কর্তব্যবোধ কে জাগ্রত করে এবং তার সব সন্দেহ ও অজ্ঞতাকে দূর করে তার জীবন, আধ্যাত্ম ও মুক্তির সঠিক পথ দেখায়।
জীবনে আমাদের অনেক শত্রু আছে।
সে শত্রু শুধুমাত্র বাইরের পার্থিব জগতে নয়, তা আমাদের মধ্যেও আছে, আমাদের মনেও আছে।
সঠিক পথ এবং মুক্তির জন্য এই শত্রুদের উপর নিয়ন্ত্রণ ও বিজয় পাওয়ায় গীতার মুখ্য উদ্দেশ্য।
শ্রীমদ্ভগবদগীতায় মুক্তির জন্য চারটি পথ দেখানো আছে –
জ্ঞানের পথ,
কর্মের পথ,
ধ্যানের পথ,
ভক্তির পথ।
হিন্দু দর্শনে এই চারটি পথকে মুক্তির পথ ভাবা হয়।
বিশ্বের সমস্ত ধার্মিক উপদেশের মধ্যে সম্ভবত ভগবদ গীতার উপদেশ ই একমাত্র উপদেশ যা আমাদের মুক্তির পথ বলে দিয়ে উপরোক্ত চারটির মধ্যে যেকোনো একটি পথ বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা দেয়।
🌊🌬️আমি যে সহজ এবং সরল বাংলা ভাষায় শ্রীমদ্ভগবদগীতা (Bhagwat Geeta) র উপদেশ আপনাদের সামনে উপস্থাপন করছি তার মূল ভিত্তি হল 💥Bhagwat Geeta in Bengali💥
শ্রীমদ্ভগবদগীতায় মোট 18 টি অধ্যায় আছে।
ভগবত গীতার প্রতিটি অধ্যায়ের নাম এবং আলোচ্য বিষয় যথাক্রমে –
বিষাদ যোগ – কুরুক্ষেত্রের রণাঙ্গনে অর্জুনের আত্মীয়-স্বজন দর্শন ও মোহাচ্ছন্ন হয়ে যুদ্ধ না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া,
সাংখ্য যোগ – গীতার বিষয়বস্তুর সারমর্ম পরিবেশিত
কর্মযোগ – স্বার্থহীন ভাবে কর্তব্য সম্পাদনের পথ,
জ্ঞানযোগ – প্রকৃত জ্ঞানের স্বরূপ উদঘাটন,
কর্ম সন্ন্যাস যোগ – ঈশ্বর ভাবনাময় কর্তব্যকর্ম,
ধ্যান যোগ – মন ও ইন্দ্রিয় আদি দমনের উপায়,
বিজ্ঞান যোগ – পরম তত্ত্বের বিশেষ জ্ঞান,
অক্ষর ব্রহ্মযোগ – পরম তত্ত্ব লাভ,
রাজগূহ্য যোগ – গূঢ়তম জ্ঞান,
বিভূতি যোগ – পরব্রম্ভের ঐশ্বর্য,
বিশ্বরূপ দর্শন যোগ – অর্জুনের দিব্যদৃষ্টির সাহায্যে বিশ্বরূপ দর্শন,
ভক্তিযোগ – শুদ্ধ ভক্তি ও দিব্য গুণাবলী লাভের উপায়,
প্রকৃতি-পুরুষ-বিবেক যোগ – দেহ ও আত্মার ঊর্ধ্বে পরমাত্মার উপলব্ধির মাধ্যমে মুক্তিলাভ,
গুণত্রয় বিভাগ যোগ – জড়া প্রকৃতির ত্রিগুণ বৈশিষ্ট্য,
পুরুষোত্তম যোগ – পরমপুরুষের যোগ তত্ত্ব,
দৈবসুর-সম্পদ-বিভাগ যোগ – দৈব ও আসুরিক প্রকৃতি গুলির পরিচয়,
শ্রদ্ধত্রয়-বিভাগ যোগ – শাস্ত্রীয়, রাজসিক ও তামসিক তিনগুণের বর্ণনা,
মোক্ষযোগ – ত্যাগ সাধনার সার্থক উপলব্ধি।
ভগবত গীতা
বই
টি
সকলের
পড়া উচিত

প্রণাম-বৈজ্ঞানিক কারণ----------পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করা আমাদের দেশের মানুষদের কাছে একটা সাধারণ রীতি। যুগের পর যুগ ধরে এই...
07/05/2021

প্রণাম-বৈজ্ঞানিক কারণ
----------
পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করা আমাদের দেশের মানুষদের কাছে একটা সাধারণ রীতি। যুগের পর যুগ ধরে এই রীতি চলে আসছে। হাত জোড় করে প্রণাম করার থেকেও আমাদের দেশের মানুষ পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করা বেশি পছন্দ করেন।
ছেলেবেলা থেকেই তাই বড়দের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করতে শেখানো হয়। বলা হয়, বড়দের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করার অর্থ হল, তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা, ভক্তি, ভালোবাসার মতো অনুভূতি প্রকাশ করা। তাই বাড়িতে কোনও আত্মীয়-স্বজন আসলে কিংবা বয়সে বড় কারও সঙ্গে দেখা হলে আমরা সবসময় পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করি।
এমনটাই আমাদের শেখানো হয় ছেলেবেলা থেকে। কিন্তু এই পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করলে শুধু গুরুজনদের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপণই হয় না। পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করার একটি বৈজ্ঞানিক কারণও রয়েছে। জানেন কি, এই পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করার পিছনে কোন বৈজ্ঞানিক যুক্তি রয়েছে?
মস্তিষ্ক থেকে শুরু হওয়া শিরা-উপশিরা শেষ হয় হাত-পায়ের আঙুলের ডগায়। তাই একজন যখন হাত দিয়ে অপরজনের চরণ স্পর্শ করে, তখন একটি ‘সার্কিট’ শেষ হয়। বড়দের শ্রদ্ধাজ্ঞাপনে তাদের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করলে, স্নেহের ভেতর দিয়ে যে ‘পজেটিভ এনার্জি’ বেরোয়, তা সঞ্চালিত হয় যে প্রণাম করছে তার শরীরে।

 #শ্রীমদভগবদগীতা সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য::: #গীতা পড়লে ৫টি জিনিষ সর্ম্পকে জানা যায় – ঈশ্বর, জীব, প্রকৃতি, কাল ও কর্ম । ...
05/05/2021

#শ্রীমদভগবদগীতা সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য:::
#গীতা পড়লে ৫টি জিনিষ সর্ম্পকে জানা যায় – ঈশ্বর, জীব, প্রকৃতি, কাল ও কর্ম ।
#গীতাতে অর্জুনের ২০টি নাম আর কৃষ্ণের ৩৩টি নামের উল্লেখ করা হয়েছে ।
#গীতা হচ্ছে সমস্ত শাস্ত্রের সারতিসার এমনকি গীতায় এমন কিছু আছে যা অন্যান্য কোন শাস্ত্রে পাওয়া যায় না । যেমন – ৫ম পুরুষার্থ
#মহাভারতের ভীষ্মপর্বের ২৫ থেকে ৪২ নং অধ্যায়ের এই ১৮ টি অধ্যায় হল ভগবদগীতা বা গীতোপনিষদ ।
#গীতায় আছে ৭০০ শ্লোকের মধ্যে ধৃতরাষ্ট্র বলেন ১টি শ্লোক, সঞ্জয় বলেন ৪০টি শ্লোক, অর্জুন বলেন ৮৫টি শ্লোক, ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেন ৫৭৪টি শ্লোক ।
#গীতার ১৮টি অধ্যায়ের মধ্যে প্রথম ৬টি অধ্যায়কে বলে কর্ম ষটক, মাঝখানের ৬টি অধ্যায়কে বলে ভক্তি ষটক, আর বাকি ৬টি অধ্যায়কে বলে জ্ঞান ষটক ।
☛যদিও গীতার জ্ঞান ৫০০০ বছরেরও আগে বলেছিল কিন্তু ভগবান চতুর্থ অধ্যায় বলেছেন এই জ্ঞান তিনি এর আগেও বলেছেন, মহাভারতের শান্তিপর্বে (৩৪৮/৫২-৫২) গীতার ইতিহাস উল্লেখ আছে । তার মানে গীতা প্রথমে বলা হয় ১২,০৪,০০,০০০ বছর আগে, মানব সমাজে এই জ্ঞান প্রায় ২০,০০,০০০ বছর ধরে বর্তমান, কিন্তু কালের বিবর্তনে তা হারিয়ে গেলে পুনরায় আবার তা অর্জুনকে দেন ।
#গীতার মাহাত্ম্য অনেকে করে গেছেন তার মধ্যে শ্রীশঙ্করাচার্য, স্কন্দপুরাণ থেকে শ্রীল ব্যাসদেব, শ্রীবৈষ্ণবীয় তন্ত্রসারে গীতা মাহাত্ম্য আর আছে পদ্মপুরাণে দেবাদিদেব শিব কর্তৃক ১৮টি অধ্যায়ের মাহাত্ম্য বর্ণনা করেছেন ।
#গীতাতে মাং এবং মামেব কথাটি বেশি আছে, যোগ শব্দটি আছে ৭৮ বার, যোগী আছে ২৮ বার আর যুক্ত আছে ৪৯ বার ।
#ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে মাত্র ৪০ মিনিটে এই গীতার জ্ঞান দেন ।
#গীতার ২য় অধ্যায়কে বলা হয় গীতার সারাংশ ।
#ভগবান যখন বিশ্বরূপ দেখান তখন কাল থেমে যায় ।
#ভগবান শুধু যুদ্ধের আগেই গীতা বলেনি ১৮ দিন যুদ্ধের মাঝখানেও গীতা বলেছে ।
(সংক্ষিপ্ত)!!

Address

Asansol
713333

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Hindus Of Sanctoria-Dishergarh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share