06/09/2026
নবগ্রহ-স্তোত্রম্
জবাকুসুমসঙ্কাশং কাশ্যপেয়ং মহাদ্যুতিম্। ধ্বান্তারিং সর্ব্বপাপঘ্নং প্রণতোহস্মি দিবাকরম্।। দধিশঙ্খঙ্খতুষারাভং ক্ষীরোদার্ণবসম্ভবম্। নমামি শশিনং ভক্ত্যা শন্তোমুকুটভূষণম্।। ধরণীগর্ভসম্ভূতং বিদ্যুৎপুঞ্জসমপ্রভম্। কুমারং শক্তিহস্তঞ্চ লোহিতাঙ্গং নমাম্যহম্।। প্রিয়ঙ্গুকলিকাশ্যামং রূপেণাপ্রতিমং বুধম্। সৌম্যং সর্ব্বগুণোপেতং তং বুধং প্রণমাম্যহম্।। দেবতানাং ঋষীণাঞ্চ গুরুং কনকসন্নিভম্। বন্দ্যভূতং ত্রিলোকেশং তং নমামি বৃহস্পতিম্।। হিমকুন্দমৃণালাভং দৈত্যানাং পরমং গুরুম্। সর্ব্বশাস্ত্রপ্রবক্তারং ভার্গবং প্রণমাম্যহম্।। নীলাঞ্জনসমাভাসং রবিপুত্রং যমাগ্রজম্। ছায়ায়া গর্ভসম্ভূতং তং নমামি শনৈশ্চরম্।। অর্দ্ধকায়ং মহাঘোরং চন্দ্রাদিত্যবিমৰ্দ্দকম্। সিংহিকায়াঃ সূতং রৌদ্রং তং রাহুং প্রণমাম্যহম্।। পলালধূমসঙ্কাশং তারাগ্রহবিমৰ্দ্দকম্। রৌদ্রং রৌদ্রাত্মকং ক্রুরং তং কেতুং প্রণমাম্যহম্।। ইতি ব্যাসমুখোদ্দ্গীতং যঃ পঠেৎ সুসমাহিতঃ। দিবা বা যদি বা রাত্রেী শান্তিস্তস্য ন সংশয়ঃ।। ঐশ্বর্য্যমতুলং তেষামারোগ্যং পুষ্টিবর্দ্ধনম্। নরনারী-নৃপাণাঞ্চ ভবেদ্দুঃস্বপ্ননাশনম্।। গ্রহনক্ষত্রজাঃ পীড়াস্তস্করাগ্নিসমুদ্রবাঃ। তাঃ সর্ব্বাঃ প্রশমং যান্তি ব্যাসো ক্রতে ন সংশয়ঃ ।।
নবগ্রহ স্তোত্রমের উপকারিতা
সনাতন জ্যোতিষ ও ধর্মীয় বিশ্বাসে সূর্য, চন্দ্র, মঙ্গল, বুধ, বৃহস্পতি, শুক্র, শনি, রাহু ও কেতু—এই নয়টি গ্রহকে জীবনের বিভিন্ন কর্ম, মানসিক অবস্থা ও অভিজ্ঞতার সঙ্গে প্রতীকীভাবে যুক্ত করা হয়। নবগ্রহ স্তোত্র পাঠের মাধ্যমে তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা ও প্রার্থনা নিবেদন করা হয়।
🕉️ নিয়মিত নবগ্রহ স্তোত্র পাঠের কথিত আধ্যাত্মিক উপকারিতা—
🔸 গ্রহদোষ ও অশুভ প্রভাব প্রশমনের জন্য প্রার্থনার একটি মাধ্যম হিসেবে পালন করা হয়।
🔸 মানসিক অস্থিরতা, ভয় ও দুশ্চিন্তা কমিয়ে মনকে শান্ত ও স্থির রাখতে সহায়ক বলে বিশ্বাস করা হয়।
🔸 কর্মক্ষেত্র, শিক্ষা ও জীবনের বিভিন্ন বাধা অতিক্রমের জন্য আত্মবিশ্বাস ও ইতিবাচক মানসিকতা জাগ্রত করতে পারে।
🔸 শনিদেব, রাহু ও কেতুর প্রতিকূলতা থেকে রক্ষার উদ্দেশ্যে অনেকে বিশেষভাবে পাঠ করেন।
🔸 সূর্য ও অন্যান্য গ্রহের প্রতি ভক্তি নিবেদনের মাধ্যমে আত্মশুদ্ধি ও আধ্যাত্মিক অনুশীলন গভীর হয়।
🔸 নিয়মিত স্তোত্রপাঠে একাগ্রতা, শৃঙ্খলা ও ভক্তিভাব বৃদ্ধি পায় বলে ধর্মীয়ভাবে মনে করা হয়।
#দশমহাবিদ্যা 🌺🔱