Quran Al Sunnah

Quran Al Sunnah In the Name of Allah, Most Gracious, Most Merciful!

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ তার ভাষণে কি বলেছিলেন?প্রাইমারী থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র- শিক্ষক যাকেই প্রশ্ন করেন অধিকা...
02/06/2026

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ তার ভাষণে কি বলেছিলেন?

প্রাইমারী থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র- শিক্ষক যাকেই প্রশ্ন করেন অধিকাংশ শিক্ষিত লোক "উর্দু এবং উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা"
এক লাইনের বেশি দ্বিতীয় লাইন বলতে পারবে না।

তিনি বলেছিলেন, "আমি আপনাদের বলতে চাই য়ে, আমাদের মাঝে বিভিন্ন বিদেশি এজেন্সির অর্থ সাহায্যপুষ্ট কিছু লোক আছে যারা আমাদের ঐক্য বিনষ্ট করতে বদ্ধপরিকর। তাদের উদ্দেশ্য হলো পাকিস্তানকে ধ্বংস করা।
তারা বলছে যে, পাকিস্তান ও পূর্ব বাংলা সরকার সর্বোতভাবেই আপনাদের ভাষা ধ্বংস করতে চায়। কোনো মানুষের পক্ষে এরকম মিথ্যাচার করা সম্ভব নয়। আমি আপনাদের সোজাসুজিভাবে বলতে চাই, আপনাদের মধ্যে কিছু সংখ্যক কমিউনিস্ট এবং বিদেশীদের সাহায্যপ্রাপ্ত এজেন্ট আছে এবং এদের সম্পর্কে সাবধান না হলে আপনারা বিপদগ্রস্ত হবেন।

পূর্ব বাংলাকে ভারতের অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা তারা পরিত্যাগ করেনি এবং এখনো পর্যন্ত সেটাই লক্ষ্য।"

তিনি আরো বলেন, "পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাকে প্রতিহত করতে না পেরে, পরাজয়ের দ্বারা বাধাগ্রস্ত ও হতাশ হয়ে পাকিস্তানের শত্রুরা এখন পাকিস্তানী মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি দ্বারা দেশকে ধ্বংস করার দিকে মনোযোগ দিয়েছে। প্রাদেশিকতার উস্কানী দানের মাধ্যমেই তাদের এই প্রচেষ্টাকে তারা অব্যাহত রেখেছে। আমরা বাঙালি, পাঞ্জাবি, সিন্ধী, বেলুচি, পাঠান ইত্যাদি সম্পর্কে কিছু বলতে চাই না। ইউনিট হিসেবে সেগুলোর অবশ্য একটা অস্তিত্ব আছে। কিন্তু আমি আপনাদের জিজ্ঞেস করি, চৌদ্দশো বছর পূর্বে আমাদের যে শিক্ষা দেওয়া হয়েছিলো, আমরা কি তা ভুলে গেছি? আমরা বাঙালি, পাঞ্জাবি, সিন্ধী, বেলুচি, পাঠান এসব বলার প্রয়োজন কি। আমরা সকললেই মুসলমান।"

উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার যুক্তি দিয়ে তিনি বলেন, "আমি সুস্পষ্টভাবে আপনাদের বলতে চাই, আপনাদের দৈনন্দিন জীবনে বাংলা ভাষার প্রয়োগে বাধা দেওয়া হবে এটি একটি মিথ্যাচার। আপনারা এই প্রদেশের অধিবাসীরাই ঠিক করবেন, আপনাদের প্রদেশের ভাষা কি হবে। কিন্তু আপনাদের স্পষ্ট ভাবে বলে দেওয়া প্রয়োজন পাকিস্তানের রাষ্ট্র ভাষা হবে উর্দু, অন্য কোন ভাষা নয়। এ ব্যাপারে যদি কেউ আপনাদের বিভ্রান্ত করে তাহলে বুঝতে হবে সে হচ্ছে দেশের শত্রু। একটিমাত্র রাষ্ট্র ভাষা ছাড়া কোনো জাতিই ঐক্যবদ্ধ হয়ে এক সাথে কাজ করতে পারে না। অন্যান্য দেশের ইতিহাসের দিকে তাকিয়ে দেখুন। অতএব পাকিস্তানের রাষ্ট্র ভাষা হবে উর্দু।"
©
#জিন্নাহ #মোহাম্মদআলীজিন্নাহ #রাষ্ট্রভাষা #উর্দু #বাংলাদেশ #পাকিস্তান #ভাষাআন্দোলন #প্রোপাগান্ডা #ভারত

চোখ কপালে নয়, একদম মাথায় উঠে যাবে 🤨খু''নি হাসিনার পতনে যারা তৃপ্তির ঢেকুর তুলছেন, তারা একটু নিছে নামুন 👇বাংলাদেশ সচিবা...
31/05/2026

চোখ কপালে নয়, একদম মাথায় উঠে যাবে 🤨

খু''নি হাসিনার পতনে যারা তৃপ্তির ঢেকুর তুলছেন,
তারা একটু নিছে নামুন 👇

বাংলাদেশ সচিবালয় যখন হাসিনার হিন্দুয়ালয়!

*সচিব :মাত্র ৩ জন
১. ঊরুন দেব মিত্র,
২. উজ্জ্বল বিকাশ দত্ত,
৩. রণজিত কুমার বিশ্বাস।

* অতিরিক্ত সচিব : মাত্র ৩২ জন
১. স্বপন কুমার সাহা, ২. ভীম চরণ রায়, ৩. জ্ঞানেন্দ্র নাথ বিশ্বাস, ৪. স্বপন কুমার সরকার, ৫. শ্যামল কান্তি ঘোষ, ৬. অমলেন্দু মুখার্জি, ৭. প্রণব চক্রবর্তী, ৮. সিতান ঘোষ সেন. ৯. পরীক্ষিত দত্ত চৌধুরী, ১০. দীলিপ কুমার দাস, ১১. সাইমা পাল দে, ১২. বিজন কুমার বাইসা, ১৩. তাপস কুমার রায়, ১৪. প্রকাশ চন্দ্র দাস, ১৫. অসিত কুমার বসাক এডিসি, ১৬. দীলিপ কুমার বসাক এডিসি, ১৭. জগদীশ রায়, ১৮. সুশান চন্দ্র দাস, ১৯. কামাল কৃষ্ণ ভট্টাচার্য, ২০. স্বপন কুমার রায়, ২১. পবন চৌধুরী, ২২. তপন কুমার কর্মকার, ২৩. অপরূপ কুমার সরকার, ২৪. আশিস কুমার চৌধুরী, ২৫. অশোক মাধব রায়, ২৬. তপন কুমার চক্রবর্তী, ২৭. জিসনু রায় চৌধুরী, ২৮. নাভাস চন্দ্র মণ্ডল,২৯. ড. আর রাখান চন্দ্র বরমন, ৩০. মোনজ কুমার রায়, ৩১. অমিতাভ চক্রবর্তী, ৩২. শুভাশীষ বোস।

*যুগ্ম সচিব : মাত্র ১৩১ জন

১. পরিমল চন্দ্র সাহা, ২. রতন কুমার সাহা, ৩. চন্দ্রনাথ বসাক, ৪. দীলিপ কুমার শর্মা, ৫. রবীন্দ্রনাথ রায়, ৬. গণেশ চন্দ্র সরকার, ৭. সুকুমার চন্দ্র রায়, ৮. ঈন্না লাল চৌধুরী, ৯. জীবন কুমার চৌধুরী, ১০. কুশলিয়া রানী বাগচি, ১১. তপন চন্দ্র মজুমদার, ১২. মনোজ মোহন মিত্র (এম এম মিত্র), ১৩. বিনয় ভূষণ তালুকদার, ১৪. পরেশ চন্দ্র রায়, ১৫. ড. অরুণা বিশ্বাস, ১৬. নিখিল চন্দ্র দাস, ১৭. অনন্ত কুমার চৌধুরী, ১৮. নারায়ণ চন্দ্র বরমা, ১৯. বিজন কান্তি সরকার, ২০. বিমান কুমার সাবা, এনডিসি, ২১. বিজয় ভট্টাচার্য, ২২. জ্যোতির্ময় সমাদ্দার, ২৩. রবীন্দ্রনাথ শর্মা, ২৪. কমলেশ কুমার দাস, ২৫. বিকাশ চন্দ্র সাবা, ২৬. বিকাশ কিশোরী দাস, ২৭. পতিত পবন বাইদিয়া, ২৮. আনন্দ চন্দ্র বিশ্বাস, ২৯. প্রশান্ত কুমার রায়, ৩০. অজিত কান্তি দাস, ৩১. মানিক চন্দ্র দে, ৩২. কালিরঞ্জন বরমা, ৩৩. তপন কান্তি শীল, ৩৪. গৌতম কুমার ঘোষ, ৩৫. বাসু দেব আচার্য, ৩৬. মানবিনরা (?) ভৌমিক, ৩৭. গোপাল কৃষ্ণ ভট্টাচার্য, ৩৮. বাবুল চন্দ্র রায়, ৩৯. পুণ্যাবর্তা চৌধুরী, ৪০. শংকর চন্দ্র রায়, ৪১. মলয় তালুকদার, ৪২. সুশান চন্দ্র রায়, ৪৩. মৃদুল কান্তি ঘোষ, ৪৪. গোকুল চন্দ্র দাস, ৪৫. সুবীর কিশোর চৌধুরী, ৪৬. পরিমল কুমার দেব, ৪৭. বিভাষ চন্দ্র পোদ্দার, ৪৮. শিখা সরকার, ৪৯. মনীন্দ্র নাথ রায়, ৫০. ধীরেন্দ্র (?) চন্দ্র দাস, ৫১. অমরিতা (?) রায়, ৫২. শশী কুমার সিং, ৫৩. সুনীল চন্দ্র পাল, ৫৪. অশোক কুমার বিশ্বাস, ৫৫. সুপ্রিয় কুমার কুন্দু, ৫৬. মানিক লাল বণিক, ৫৭. জ্যোতির্ময় দত্ত, ৫৮. নারায়ণ চন্দ্র দাস, ৫৯. বিমল চন্দ্র দাস, ৬০. ভোলানাথ দে, ৬১. বাসুদেব গাঙ্গুলী, ৬২. অরুণ কুমার মালাকার, ৬৩. নিমাই চন্দ্র পাল, ৬৪. ড. নমিতা হালদার, ৬৫. সুুভাষ চন্দ্র সরকার, ৬৬. মরণ কুমার চক্রবর্তী, ৬৭. তপন কুমার ঘোষ, ৬৮. পিরায় সাহা, ৬৯. গৌরাঙ্গ চন্দ্র মোহন্ত, ৭০. সুব্রত রায় মিত্র, ৭১. পরিতোষ চন্দ্র দাস, ৭২. দীপক কান্তি পাল, ৭৩. অরজিত চৌধুরী, ৭৪. বনমালী ভৌমিক, ৭৫. উত্তম কুমার মণ্ডল, ৭৬. দীলিপ কুমার সাহা, ৭৭. ইতি রানী পোদ্দার, ৭৮. স্বপন চন্দ্র পাল, ৭৯. গোপা চৌধুরী, ৮০. অমিত কুমার বাউল, ৮১. অশোক কুমার বিশ্বাস, ৮২. গাইতা বরতা সাহা, ৮৩. বিশ্বনাথ বণিক, ৮৪. প্রাণেশ চন্দ্র সূত্রধর, ৮৫. শাইমা প্রসাদ বেপারী, ৮৬. সুশান্ত কুমার সাহা, ৮৭. গৌতম কুমার ভট্টাচার্য, ৮৮. রঞ্জিত কুমার সেন, ৮৯. হরিপ্রসাদ পাল, ৯০. তপন চন্দ্র বণিক, ৯১. পার্থপ্রতীম দেব, ৯২. অভিজিত চৌধুরী, ৯৩. সুরেন্দ্র নাথ চক্রবর্তী, ৯৪. শংকর রঞ্জন সাহা, ৯৫. ড. অর্ধেন্দু শেখর রায়, ৯৬. স্বর্ণকার প্রসাদ দে, ৯৭. প্রণব কুমার নিয়োগী, ৯৮. সন্তোষ কুমার অধিকারী, ৯৯. রমা রানী রায়, ১০০. তন্দ্রা শেখর, ১০১. সীমা সাহা, ১০২. সমরীতা রানী ঘরামী, ১০৩. পুলক রাজন শাহ, ১০৪. তপন কুমার সরকার, ১০৫. কংকাম নীলমণি সিং, ১০৬. মিনু শীল, ১০৭. ধীরেন্দ্র নাথ সরকার, ১০৮. অঞ্জলি রানী চক্রবর্তী, ১০৯. প্রণয় কান্তি বিশ্বাস, ১১০. তরু কান্তি ঘোষ, ১১১. প্রশান্ত কুমার দাস, ১১২. মনোজ কান্তি বড়াল, ১১৩. স্বপন কুমার বড়াল, ১১৪. বিষয় ভূষণ পাল, ১১৫. দীপক চক্রবর্তী, ১১৬. নিখিল রঞ্জন রায়, ১১৭. নন্দ দুলাল বণিক, ১১৮. সঞ্জয় কুমার চৌধুরী, ১১৯. গৌতম আইচ সরকার, ১২০. প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তী, ১২১. শিবনাথ রায়, ১২২. নারায়ণ চন্দ্র দেবনাথ, ১২৩. লক্ষ্মী চন্দ্র দেবনাথ, ১২৪. জয়তী পাল কুড়ি, ১২৫. জয়তী রানী বর্মণ, ১২৬. সুধাকর দত্ত, ১২৭. রেবা রানী সাহা, ১২৮. বিজন লাল দেব, ১২৯. হীরামণি বাড়ৈ, ১৩০. ড. কৃষ্ণ গাইন, ১৩১. শান্ত কুমার প্রামাণিক।

* উপসচিব : মাত্র ১২৫ জন

১. উত্তম কুমার রায়, ২. বিপুল চন্দ্র রায়, ৩. জগদীশ চন্দ্র বিশ্বাস, ৪. তপন কুমার নাথ, ৫. বিকাশ চন্দ্র শিকদার, ৬. ড. নলিন রঞ্জন বসাক, ৭. জয়ন্তী স্যান্নাল, ৮. তপন কান্তি ঘোষ, ৯. রাম চন্দ্র দাস, ১০. প্রণব কুমার ঘোষ, ১১. রমেন্দ্র নাথ বিশ্বাস, ১২. কমলা রঞ্জন দাস, ১৩. পাঠান চন্দ্র পণ্ডিত, ১৪. নিতাই পদ দাস, ১৫. উত্পল কুমার দাস, ১৬. নিমাই চন্দ্র বিশ্বাস, ১৭. অজিত কুমার পাল আকা, ১৮. মহাদেব বিশ্বাস, ১৯. বিজয় কুমার দেবনাথ, ২০. সুপ্রকাশ স্যান্নাল, ২১. তাপস কুমার বোস, ২২. জগন্নাথ খোকন, ২৩. শিশির কুমার রায়, ২৪. নন্দিতা সরকার, ২৫. মলয় কুমার রায়, ২৬. স্বপন কুমার ঘোষ, ২৭. কল্লোল কুমার চক্রবর্তী, ২৮. সায়েম কিশোর রায়, ২৯. প্রবীর কুমার চক্রবর্তী, ৩০. দিলীপ কুমার বণিক, ৩১. ননী গোপাল বিশ্বাস, ৩২. অনিল চন্দ্র দাস, ৩৩. নিশ্চিন্ত কুমার পোদ্দার, ৩৪. দুলাল কৃষ্ণ সাহা, ৩৫. শান্ত কুমার সাহা, ৩৬. মৃণাল কান্তি দেব, ৩৭. রাজিব চন্দ্র সরকার, ৩৮. সীতেন্দ্র কুমার সরকার, ৩৯. নীতিশ কুমার সরকার, ৪০. তুলসি রঞ্জন সাহা, ৪১. সুভাস চন্দ্র সাহা, ৪২. মনীন্দ্র কিশোর, ৪৩. সুশান্ত কুমার কুণ্ডু, ৪৪. সত্যজিত্ কর্মকার, ৪৫.অশোক কুমার দেবনাথ, ৪৬. সুবল বোস মণি, ৪৭. ড. তরুণ কান্তি সিকদার, ৪৮. বিশ্বজিত্ ভট্টাচার্য, ৪৯. সঞ্জয় কুমার বণিক, ৫০. সত্যরঞ্জন মণ্ডল, ৫১. ভুবন চন্দ্র বিশ্বাস, ৫২. রঞ্জন কুমার দাস, ৫৩. জয়ন্ত কুমার সরকার, ৫৪. অমিতাভ সরকার, ৫৫. প্রণব কুমার ঘোষ, ৫৬. মুকেশ চন্দ্র বিশ্বাস, ৫৭. বিকর্ণ কুমার ঘোষ, ৫৮. অরুণ চন্দ্র মহোত্তম, ৫৯. প্রণব কুমার রায়, ৬০. পলাশ কান্তি বালা, ৬১. সুব্রত পাল চৌধুরী, ৬২. দীপক রঞ্জন অধিকারী, ৬৩. শশাঙ্ক সুকুমার ভৌমিক, ৬৪. জনীন্দ্র নাথ সরকার, ৬৫. প্রদীপ কুমার দাস, ৬৬. গৌতম কুমার, ৬৭. শিবানী ভট্টাচার্য, ৬৮. নিতাই চন্দ্র সেন, ৬৯. মলাই চৌধুরী, ৭০. সঞ্জয় কুমার ভৌমিক, ৭১. রঞ্জিত কুমার, ৭২. কৃষ্ণ কান্ত বিশ্বাস, ৭৩. তপন কুমার সাহা, ৭৪. অমল কৃষ্ণ মণ্ডল, ৭৫. নিরঞ্জন দেবনাথ, ৭৬. লিপিকা ভদ্র, ৭৭. সুলেখা রানী বসু, ৭৮. বিদিকা রায় চৌধুরী, ৭৯. দীলিপ কুমার বণিক, ৮০. মনোজ কুমার রায়, ৮১. পরিমল সিং, ৮২. সমরিতা কর্মকার, ৮৩. পিকা রানী বলয়, ৮৪. তপন কুমার বিশ্বাস, ৮৫. ড. সুবাস চন্দ্র বিশ্বাস, ৮৬. গুহলাল সিং, ৮৭. গৌতম চন্দ্র পাল, ৮৮. তন্ময় দাস, ৮৯. বিজয় কৃষ্ণ দেবনাথ, ৯০. প্রদেশ কান্তি দাস, ৯১. মনোরঞ্জন বিশ্বাস, ৯২. অসীম কুমার দে, ৯৩. অজিত কুমার দেবনাথ, ৯৪. পীযূষ কান্তি নাথ, ৯৫. পাঠান কুমার সরকার, ৯৬. সুকুমার চন্দ্র কুণ্ডু, ৯৭. আশিস কুমার সাহা, ৯৮. শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, ৯৯. অজিত কুমার ঘোষ, ১০০. উত্তম কুমার কর্মকার, ১০১. সাইয়ান কুমার দাস, ১০২. সুসানতা কুমার সরকার, ১০৩. বালাই কারিসনা হাজরা, ১০৪. নীরঞ্জন কুমার মণ্ডল, ১০৫. ব্রজগোপাল ভৌমিক, ১০৬. ড. অনিমা রানী নাথ, ১০৭. গুরাথ কুমার সরকার, ১০৮. স্বপন কুমার ভৌমিক, ১০৯. গীতাঞ্জলী চৌধুরী, ১১০. পঙ্কজ কুমার পাল, ১১১. ননী গোপাল মণ্ডল, ১১২. সন্তোষ কুমার পণ্ডিত, ১১৩. শ্যামল কুমার সিংহ, ১১৪. অসীম কুমার বালা, ১১৫. মহেশ চন্দ্র রায়, ১১৬. গৌরী সরকার ভট্টাচার্য, ১১৭. দীপঙ্কর মণ্ডল, ১১৮. অজয় কুমার চক্রবর্তী, ১১৯. সুকাশ কর্মকার, ১২০. স্বপন কুমার মণ্ডল, ১২১. প্রদীপ কুমার সাহা, ১২২. বিজয় রঞ্জন সাহা, ১২৩. বলনাথ পাল, ১২৪. নৃপেন্দ্র চন্দ্র দেবনাথ, ১২৫ সঞ্জীব কুমার দেবনাথ

* সিনিয়র সহকারী সচিব : মাত্র ৫১ জন

১. কিরণ চন্দ্র রায়, ২. দেবাশীষ রায়, ৩. অপর্ণা দে, ৪. শৈলেন্দ্র নাথ মণ্ডল, ৫. রাজীব ভট্টাচার্য, ৬. প্রকাশ কান্তি চৌধুরী, ৭. নীরদ চন্দ্র মণ্ডল, ৮. দীপঙ্কর বিশ্বাস, ৯. আনন্দ কুমার বিশ্বাস, ১০. বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস, ১১. পরিমল সরকার, ১২. অঞ্জন চন্দ্র পাল, ১৩. বেবী রানী কর্মকার, ১৪. রথীন্দ্রনাথ দত্ত, ১৫. সঞ্জয় কুমার নাথ, ১৬. সরোজ কুমার নাথ, ১৭. পরিতোষ হাজরা, ১৭. পরিতোষ হাজরা, ১৮. সাতি আকাম সিন, ১৯. দেবজিত সিংহ, ২০. গোপাল চন্দ্র দাস, ২১. নীল রতন সরকার, ২২. কালা চান সিংহ, ২৩. প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস, ২৪. অতিন কুমার কুণ্ডু, ২৫. ধনাঞ্জয় কুমার দাস, ২৬. দেবেন্দ্র চক্রবর্তী, ২৭. দেবাশীষ নাগ, ২৮. অতুল সরকার, ২৯. অভিজিত রায়, ৩০. সুব্রত কুমার শিকদার, ৩১. অপূর্ব কুমার মণ্ডল, ৩২. অরুণ কুমার মণ্ডল, ৩৩. উত্তম কুমার মণ্ডল, ৩৪. সুজিত কুমার রায়, ৩৫. প্রিয়া সিংধু তালুকদার, ৩৬. অনুপ কুমার তালুকদার, ৩৭. সুব্রত কুমার দে, ৩৮. হিল্লোল বিশ্বাস, ৩৯. দেবময় দেওয়ান, ৪০. মিনাক্ষ্মী বর্মন, ৪১. দেবপ্রসাদ পাল, ৪২. বনানী বিশ্বাস, ৪৩. সঞ্জীব কুমার দেবনাথ, ৪৪. দুলাল চন্দ্র সূত্রধর, ৪৫. খোকন কান্তি সাহা, ৪৬. সরবাসটি রায়, ৪৭. সুব্রত পাল, ৪৮. সিদ্ধার্থ শংকর কুণ্ডু, ৪৯. দিবি চন্দ, ৫০. বাদল চন্দ্র হালদার, ৫১. মৃণাল কান্তি দে, ৫২. পঙ্কজ ঘোষ, ৫২. সন্দীপ কুমার সিংহ।

* সহকারী সচিব : মাত্র ৯৬ জন!

১. পল্লব কুমার ব্যানার্জী, ২. গোপাল কৃষ্ণ পাল, ৩. অরুণ কান্তি মজুমদার, ৪. সুকান্ত ভট্টাচার্য, ৫. ড. অশোক কুমার বিশ্বাস, ৬. তপন কুমার চক্রবর্তী, ৭. পতিত পবন দেবনাথ, ৮. উত্তম কুমার পাল, ৯. সুধীর চন্দ্র রায়, ১০. কানাই লাল শীল, ১১. পরিমল চন্দ্র পাল, ১২. প্রতিভা রানী কুণ্ডু, ১৩. কালচাঁদ সরকার, ১৪. দীলিপ কুমার দেবনাথ, ১৫. পাপিয়া ঘোষ, ১৬. রীনা রানী সাহা, ১৭. অসীম কুমার কর্মকার, ১৮. সুদীপ্ত দাস, ১৯. রাজীব কুমার সরকার, ২০. অপর্ণা ভাইডা, ২১. রমেন্দ্র নাথ বিশ্বাস, ২২. সন্দীপ কুমার সরকার, ২৩. রাজীব কুমার রায়. ২৪. মল্লিকা দে, ২৫. জ্যোতিকা সরকার, ২৬. শীলবর্তা কর্মকার, ২৭. সুজন চৌধুরী, ২৮. ঝুমুর বালা, ২৯. শঙ্খমালা, ৩০. উত্তম কুমার দে, ৩১. অনিন্দিতা রায়, ৩২. প্রদীপ সিংহ, ৩৩.দেবেন্দ্রনাথ উরন, ৩৪. প্রশ্রান্ত কুমার দাস, ৩৫. মরার্জী দেশাই বর্মণ, ৩৬. শিল্পী রানী রায়, ৩৭. ভাস্কার বিভানাথ বাপ্পী, ৩৮. বিনীতা বিশ্বাস, ৩৯. অপর্ণা দেবনাথ, ৪০. সুবর্ণা সরকার, ৪১. সুজীদ হালদার, ৪২. মৌসুমী সরকার পাখি, ৪৩. রুপালী মণ্ডল, ৪৪. সমর কান্তি বসাক, ৪৫. অমিতাভ পরাগ তালুকদার, ৪৬. পিন্টু ব্যাপারী, ৪৭. উজ্জ্বল কুমার ঘোষ, ৪৮. নমীতা দে, ৪৯.দীপঙ্কর রায়, ৫০. গৌরাঙ্গ কুমার চৌধুরী, ৫১. দীপক কুমার রায়, ৫২. কমল কুমার ঘোষ, ৫৩. দীপঙ্কর রায়, ৫৪. প্রশান কুমার চক্রবর্তী, ৫৫. তুষার কুমার পাল, ৫৬. বিশ্বজিত্ কুমার পাল, ৫৭. প্রভাসু সুমি মৌহান, ৫৮. অনির্বাণ নিয়োগী, ৫৯. মিন্টু চৌধুরী, ৬০. তন্ময় মজুমদার, ৬১. বীথি দেবনাথ, ৬২. শীলু রায়, ৬৩. শম্পা কুণ্ডু, ৬৪. মুকুল কুমার মিত্র, ৬৫. শঙ্কর কুমার বিশ্বাস, ৬৬. অসীম চন্দ্র মল্লিক, ৬৭. বীজন ব্যানার্জী, ৬৮. চিত্রা শিকারী, ৬৯. শিমুল কুমার সাহা, ৭০. জুতন চন্দ্র, ৭১. স্নেহাশীষ দাস, ৭২. নিক্সন বিশ্বাস, ৭৩. মিল্টন চন্দ্র রায়, ৭৪. নির্ঝর অধিকারী, ৭৫. অমিত দেবনাথ, ৭৬. সাসুতি শীল, ৭৭. পরিন্দ্র দেব, ৭৮. আজীন কুমার সরকার, ৭৯. সুমীর বিশ্বাস, ৮০. পূর্বাণী গোলদার, ৮১. প্রণতি বিশ্বাস, ৮২. বিভীষণ কান্তি দাস, ৮৩. পলক কান্তি চক্রবর্তী, ৮৪. ওনমী চক্রবর্তী, ৮৫. বিকাশ বিশ্বাস, ৮৬. জীতেন্দ্র কুমার নাথ, ৮৭. জয়ন্তী রুপা রায়, ৮৮. শতরুপা তালুকদার, ৮৯. রামকৃষ্ণ বর্মণ, ৯০. কল্যাণ চৌধুরী, ৯১. ডিবাংসু কুমার সিনহা, ৯২. সুজতী ধর, ৯৩. মৌসুমী বাইন হিরা, ৯৪. টীনা পাল, ৯৫. সাথী অজিত রায় দাস, ৯৬. সাজুতী দেবনাথ।

*অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার : মাত্র ৪ জন!

১. সুরেন্দ্র নাথ চক্রবর্তী, ২. অশোক কুমার বিশ্বাস, ৩. স্বপন কুমার রায়, ৪. নারায়ণ দত্ত বর্মা।

*উপবিভাগীয় কমিশনার : মাত্র ৫ জন

১. অমিতাভ সরকার, ২. রামচন্দ্র দাস, ৩. মনোজ কান্তি বড়াল, ৪. মুকেশ চন্দ্র বিশ্বাস, ৫. মনীন্দ্র কিশোর মজুমদার।

*অতিরিক্ত উপবিভাগীয় কমিশনার : মাত্র ১০ জন!

১. ডা. সুভাস চন্দ্র বিশ্বাস, ২. বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস, ৩. গোপাল চন্দ্র বিশ্বাস, ৪. অঞ্জন চন্দ্র পাল, ৫. দীপঙ্কর বিশ্বাস, ৬. কালা চন্দ্র সিনহা, ৭. অনন্দ্র কুমার বিশ্বাস, ৮. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, ৯. প্রকাশ কান্তি চৌধুরী, ১০. দেবজীত্ সিনহা

*উপজেলা নির্বাহী অফিসার : ১৩.

দেবপ্রসাদ পাল, ২. অভিজিত্ রায়, ৩. উত্তম কুমার মণ্ডল, ৪. সুব্রত কুমার দে, ৫. প্রিয়াসিন্ধু তালুকদার, ৬. সুব্রত কুমার শিকদার, ৭. সুব্রত পাল, ৮. অরুণ কুমার মণ্ডল, ৯. দুলাল চন্দ্র সূত্রধর, ১০. বনানী বিশ্বাস, ১১. দেবী চন্দ্র, ১২. মৃনাল কান্তি দে, ১৩. সিদ্ধার্থ সরকার কুণ্ড, ১৪. পঙ্কজ ঘোষ।
নাম না জানা আরও হাজার হাজার সরকারি কর্মকর্তা আছেন।

মাথা খারাপ করা তথ্য 😇
গোটা দেশটাই যেনো হিন্দুদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

এদের এপোয়েটমেন্ট দিয়েছিলো হাসিনা..
জাস্ট চোরের পরিবর্তণ হয়েছে, চুরির পরিবর্তন হয় নাই।
হাসিনার আমলে যে সকল হি:ন্দুদের এদেশকে মহা:ভা'রতের অংশ বানানোর জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল, তারা সবাই তাদের স্বপদে বহাল আছে! এমনকি সম্প্রতি লেফটেন্যান্ট ইন্তেসারকে চাকরিচ্যুত করা সহ ভয়াবহ কিছু বিষয় দেখতে পাচ্ছি।
সম্ভবত ওসি প্রদীপের বিচার‌ও হবে না, যেকোন ছূতোয় সে পালিয়ে যাবে বা বেঁচে যাবে।

ইতিহাস না জেনেই ভারত বিরোধীতা করবেন না.. আমাদের কে কিভাবে  বাঁশ দিসে ১. যুদ্ধ শেষে প্রায় দুইশো ওয়াগন রেলগাড়ী ভর্তি করে ২...
30/05/2026

ইতিহাস না জেনেই ভারত বিরোধীতা করবেন না.. আমাদের কে কিভাবে বাঁশ দিসে

১. যুদ্ধ শেষে প্রায় দুইশো ওয়াগন রেলগাড়ী ভর্তি করে ২৭০০ কোটি টাকার অস্ত্রসস্ত্র লুটের অভিযোগ ভারতীয় সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলার।
(সূত্রঃ দৈনিক অমৃতবাজার, ১২ মে,১৯৭৪)
২. শস্য লুটঃ
★ধান-চাল-গম (৭০-৮০ লাখ টন, গড়ে ১০০ টাকা ধরে): ২১৬০ কোটি টাকা। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার।
★পাট(৫০ লাখ বেলের উপরে): ৪০০ কোটি টাকা। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১.৫ বিলিয়ন ডলার।
★ত্রাণ-সামগ্রী পাচার: ১৫০০ কোটি টাকা। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার।
★যুদ্ধাস্ত্র, ঔষধ, মাছ, গরু, বনজ সম্পদ: ১০০০ কোটি টাকা। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার।
সর্বমোট: ৫০০০ কোটি টাকা যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলার।
(সূত্র: জনতার মুখপাত্র, ১ নভেম্বর ১৯৭৫)
৩.বাংলাদেশের শিল্প কারখানা থেকে যন্ত্রাংশ চুরি করে আগরতলায় পাঁচটি নতুন পাটকল স্থাপন! (সূত্রঃ আখতারুল আলম, দু:শাসনের ১৩৩৮ রজনী, পৃষ্ঠা: ১১৫-১১৬)
৪.যুদ্ধের পর সীমান্তের ১০ মাইল এলাকা ট্রেডের জন্য উম্মুক্ত ঘোষনা। এর ফলে চোরাচালানের মুক্ত এলাকা গড়ে উঠে। পাচার হয়ে যায় দেশের সম্পদ।
( সূত্রঃ আবুল মনসুর আহমদ: আমার দেখা রাজনীতির ৫০ বছর, পৃষ্ঠা: ৪৯৮)
৫.ভারতে বাংলাদেশী জাল টাকা ছেপে এদেশে ছেড়ে দেয়া হত। অর্থমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদ সে সময় বলতে বাধ্য হয়েছিলেন, ‘জালনোট আমাদের অর্থনীতি ধ্বংস করিয়া দিয়াছে’।
(সূত্রঃ আব্দুর রহিম আজাদ: ৭১ এর গণহত্যার নায়ক কে: পৃষ্ঠা: ৫২)
৬.আমাদের চোখের সামনে চাল-পাট পাচার হয়ে গেছে সীমান্তের ওপারে, আর বাংলার অসহায় মানুষ ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে বিশ্বের দ্বারে দ্বারে। (মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম: :দুঃশাসনের ১৩৩৮ রজনী, পৃষ্ঠা: ১১৯-১২৬)
৭.১৯৭১ এর অবাঙ্গালীদের ফেলে যাওয়া সম্পত্তির হরিলুট (সূত্রঃ এম এ মোহায়মেন: বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামীলীগ, পৃষ্ঠা ১৪, ৪৪)
৮. ফারাক্কা বাধের নামে মরুভূমি করার চক্রান্ত, টাকা বিনিময়ের নামে জাল টাকা ছড়ানো, বর্ডার বানিজ্যের নামে ভারতের বস্তাপঁচা মালের বাজার সৃষ্টি।
(সূত্রঃ আখতারুল আলম, দু:শাসনের ১৩৩৮ রজনী, পৃষ্ঠা: ১১৫-১১৬)
৯.জয়দেবপুর অর্ডিনেন্স ফ্যাক্টরী থেকে অস্ত্র নির্মানের কোটি কোটি টাকার যন্ত্রপাতি ভারতে স্থানান্তরিত হয়। (অলি আহাদ: জাতীয় রাজনীতি ১৯৪৫ থেকে ‘৭৫, পৃ:৫২৮-৫৩১)
১০.❝ ঢাকায় এতসব বিদেশী জিনিস পাওয়া যায়! এসব তো আগে দেখেনি ভারতীয়রা। রেফ্রিজারেটর, টিভি, টু-ইন-ওয়ান, কার্পেট, টিনের খাবার-এইসব ভর্তি হতে লাগলো ভারতীয় সৈন্যদের ট্রাকে। ❞ — সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, পূর্ব-পশ্চিম, পৃ: ৯২৩
এই তথ্যগুলো মোটামুটিভাবে সবার জানা আছে।
ভবিষ্যতে কেউ ভারতের এই অবদান, ওই অবদান বললে এই তথ্যগুলা দেখিয়ে দেবেন রেফারেন্স সহ।
তারপরও আবার উল্লেখ করার কারন খুব চিন্তা হয়.... ৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ে ভারত দ্বারা লুট করে নিয়ে যাওয়া এই সম্পদ রক্ষা করতে যেয়েই, অস্ত্র জমা না দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের একাংশ বিদ্রোহ করেছিল, তার ফলাফল কথিত আছে , ৩০ হাজার মুক্তিযোদ্ধা নিহত বা গুম হয়েছিল।
এখন স্বাধীনতা তথা পুরো দেশটাই লুট করতে চাচ্ছে, কত রক্ত ঝরবে ???

19/05/2026

এই ফুলতলিকে আমি ভালো করে জানি,লন্ডনে উনি আমাদের ঘরে এসেছিলন আমাদেরকে অনেক ভালো করে জানেন এবং আমরাও উনাকে ভালো করে জানি, মহিলাদেরকে উনি মুরিদ বানাতেন এবং মহিলারা উনার পা টিপতেন,খুব কাছে থেকে উনাকে দেখেছি আমি, এই ফুলতলী একটা ভন্ড এবং মাজার পূজারী এবং তাবিজ ব্যবসায়ী।

বেগম রোকেয়াকে বাঙালির সর্বকালের শ্রেষ্ঠ নারী বলা হয়। অনেকে বেগম রোকেয়াকে নারী জাগরণের অগ্রদূত বলেন, আবার অনেকে মুসলিম না...
13/04/2026

বেগম রোকেয়াকে বাঙালির সর্বকালের শ্রেষ্ঠ নারী বলা হয়। অনেকে বেগম রোকেয়াকে নারী জাগরণের অগ্রদূত বলেন, আবার অনেকে মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূতও বলেন।

কিন্তু আমার মতে, বেগম রোকেয়া ছিলেন এই উপমহাদেশের নাস্তিক্যবাদের অগ্রদূত।

আজকে যারা শাহবাগী কিংবা তসলিমা নাসরিন, এরা হলো বেগম রোকেয়ারই উত্তরসূরী।

বেগম রোকেয়া সাখাওয়াৎ হোসেনই এই উপমহাদেশের প্রথম নারীবাদী যিনি ধর্ম ও পুরুষজাতিকে আক্রমণ করেছিলেন একই সঙ্গে।

বেগম রোকেয়ার রচনাবলির কিছু অংশ পড়ুন.......

১. মুহাম্মাদ (সাঃ) প্রসঙ্গে:

"তারপর মহাত্মা মহম্মদ আইন প্রস্তত করিলেন যে, 'রমনী সর্বদাই নরের অধীনে থাকিবে, বিবাহের পূর্ব্বে পিতা, কিংবা ভ্রাতার অধীনা, বিবাহের পর স্বামীর অধীনা, স্বামীর অভাবে পুত্রের অধীনা থাকিবে'।

আর মূর্খ নারী নতমস্তকে ঐবিধান মানিয়া লইল"।
(রোকেয়ার রচনাবলি, পৃষ্ঠা ৬১০-৬১১)

২. ঈসা (আঃ) প্রসঙ্গে:

"ক্রমে জগতের বুদ্ধি বেশি হওয়ায় সুচতুর প্রতিভাশালী পুরুষ দেখিলেন যে, 'পয়গম্বর' বলিলে আর লোকে বিশ্বাস করেনা। তখন মহাত্মা ঈসা আপনাকে অবতারের অংশবিশেষ (ইশ্বরের পুত্র) বলিয়া পরিচিত করিয়া ইঞ্জিল গ্রন্থ রচনা করিলেন।

তাহাতে লেখা হইলো 'নারী পুরুষের সম্পূর্ণ অধীনা'। নারীর সম্পত্তিতে স্বামীর সম্পূর্ণ অধীকার। আর বুদ্ধি-বিবেকহীনা নারী তাহাই মানিয়া লইল"।
( রোকেয়ার রচনাবলি,পৃষ্ঠা-৬১১)

৩. ধর্ম প্রসঙ্গে:

যখনই কোন ভগ্নি মস্তক উত্তোলনের চেষ্টা করিয়াছেন তখনই ধর্মের দোহাই বা শাস্ত্রের বচন-রূপ অস্ত্রাঘাতে তাহার মস্তক চূর্ণ হইয়াছে।

আমাদিগকে অন্ধকারে রাখিবার জন্য পুরুষগণ ঐ ধর্মগ্রন্থগুলিকে ঈশ্বরের আদেশপত্র বলিয়া প্রকাশ করিয়াছেন......।

তবেই দেখিতেছেন, এই ধর্মগ্রন্থগুলো পুরুষ রচিত বিধি ব্যবস্থা ভিন্ন আর কিছুই নহে.......।

কোন স্ত্রী মুনির বিধানে হয়তো তাহার বিপরীত নিয়ম দেখিতে পাইতেন......।

ধর্মগ্রন্থসমূহ ঈশ্বর প্রেরিত কিনা কেহই নিশ্চিত বলিতে পারে না। যদি ঈশ্বর কোন দূত রমনী শাসনের নিমিত্ত প্রেরণ করিতেন, তবে সে দূত বোধ হয় কেবল এশিয়ায় সীমাবদ্ধ থাকিতেন না।

এখন আমাদের আর ধর্মের নামে নতমস্তকে নরের অযথা প্রভূত্ব সহা উচিৎ নহে। আরও দেখ, যেখানে ধর্মের বন্ধন অতিশয় দৃঢ় সেইখানে নারীর প্রতি অত্যাচার অধিক.....।

‘কেহ বলিতে পারেন যে, ‘তুমি সামাজিক কথা কহিতে গিয়া ধর্ম লইয়া টানাটানি কর কেন?’ তদুত্তরে বলিতে হইবে যে, ‘ধর্ম’ শেষে আমাদের দাসত্বের বন্ধন দৃঢ় হইতে দৃঢ়তর করিয়াছে, ধর্মের দোহাই দিয়া পুরুষ এখন রমনীর উপর প্রভূত্ব করিতেছেন। তাই ‘ধর্ম’ লইয়া টানাটানি করিতে বাধ্য হইলাম।’
(রোকেয়া, কাদির, ১৯৭৩, পৃ. ১১-১৩)

৪. পুরুষ জাতি প্রসঙ্গে:

ক. কুকুরজাতি পুরুষাপেক্ষা অধিক বিশ্বাসযোগ্য।
(ডেলিশিয়া-হত্যা, রোর, পৃ.১৬২)

খ. নারীস্থানে স্বয়ং শয়তানকেই (পুরুষ জাতি) শৃঙ্খলাবদ্ধ করিয়াছেন, দেশে আর শয়তানী থাকিবে কি রূপে?
(সুলতানার স্বপ্ন, পৃ. ১৩৪)

গ. তাহারা কিছুই করিবে না- তাহারা কোন ভালো কাজের উপযুক্ত নহে। তাহাদিগকে ধরিয়া অন্তঃপুরে বন্দি করিয়া রাখুন।
(সুলতানার স্বপ্ন , ১৩৫)

ঘ. নারী যাহা দশ বৎসরে করিতে পারে, পুরুষ তাহা শতবর্ষেও করিতে অক্ষম।

ঙ. ডাকাতি, জুয়াচুরি, পরস্বাপহরণ, পঞ্চ-মকার আদি কোন পাপের লাইসেন্স তাহাদের নাই।
(রোর, পৃ.৩৩৪)


৫.নারী জাতি প্রসঙ্গে:

ক. আমি আজ ২২ বৎসর হইতে ভারতে সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট জীবের জন্য রোদন করিতেছি (রোর, ২৭৭)। প্রাণীজগতের কোন জন্তুই আমাদের মত নিরাশ্রয় নহে।
(রোর,পৃ. ৮৪)

খ. আমাদের অতিপ্রিয় অলঙ্কারগুলি- এগুলি দাসত্বের নিদর্শন বিশেষ। ...কারাগারে বন্দীগণ পায়ে লৌহনির্মিত বেড়ি পরে, আমরা স্বর্ণরৌপ্যের বেড়ি অর্থাৎ ‘মল’ পরি।

উহাদের হাত-কড়ি, লৌহ-নির্মিত, আমাদের হাতকড়ি স্বর্ণ বা রৌপ্য-নির্মিত চুড়ি। কুকুরের গলে যে গলবন্ধ (dog-collar) দেখি উহারই অনুকরণে বোধ হয় আমাদের জড়োয়া চিক নির্মিত হইয়াছে।

গো-স্বামী বলদের নাসিকা বিদ্ধ করিয়া ‘নাকাদড়ি’ পরায়, এদেশে আমাদের স্বামী আমাদের ‘নোলক’ পরাইয়াছেন!! ঐ ‘নোলক’ হইতেছে ‘স্বামীর’ অস্তিত্বের (সধবার) নিদর্শন। স্বামী যখন পৃথিবী হইতে সূর্য ও নক্ষত্রের দৈর্ঘ মাপেন, স্ত্রী তখন বালিশের ওয়াড়ের দৈর্ঘ প্রস্থ মাপেন।
(রোর, পৃ. ২৮)

গ. নন্দনকাননতুল্য নারীস্থানে নারীর পূর্ণ আধিপত্য। পুরুষেরা মর্দানায় থাকিয়া রন্ধন করেন, শিশুদের খেলা দেন
(সুলতানার স্বপ্ন/পৃ. ১১৩)

ঘ. পুরুষেরা বড় বড় কলকারখানায় যন্ত্রাদি পরিচালিত করেন; খাতা-পত্র রাখেন- ...তাহারা কেরানী ও মুটে মজুরের কাজ করিয়া থাকেন।
(সুলতানার স্বপ্ন/পৃ. ১১৪)

ঙ. নিজের ভবিষ্যতের জন্য নারীকে ত্যাগ করতে হবে পিতৃ ও পুরুষ-তন্ত্রের সমস্ত শিক্ষা ও দীক্ষা; ছেড়ে দিতে হবে সুমাতা, সুগৃহিনী, সতীর ধারণা;.......

তাকে কান ফিরিয়ে নিতে হবে পুরুষতন্ত্রের সমস্ত মধুর বচন থেকে, তাকে বর্জন করতে হবে পুরুষতন্ত্রের প্রিয় নারীত্ব।

তাকে সাবধান হতে হবে পুরুষতন্ত্রের সমস্ত মহাপুরুষ সম্বন্ধে, সন্দেহের চোখে দেখতে হবে সবাইকে। কেননা কেউ তার মুক্তি চায়নি।
(নারী/হু. আজাদ পৃ. ৩২৬)

চ. নারীর গর্ভধারণ একান্ত পাশবিক কাজ। নারীকে কি চিরকালই ধারণ করে যেতে হবে গর্ভ, পালন করে যেতে হবে পশুর ভূমিকা? ...পুরুষতন্ত্রের শিক্ষার ফলে নারী আজো মনে করে গর্ভধারনেই তার জীবনের সার্থকতা...

গর্ভবতী হওয়ার মধ্যে জীবনের কোনা সার্থকতা, মহত্ত্ব, পূণ্য নেই। আমূল নারীবাদীরা মনে করেন মানবপ্রজাতিকে টিকিয়ে রাখার দায়িত্ব নারীর নয়,

পুরুষকে উদ্ভাবন করতে হবে সন্তানসৃষ্টির বিকল্প পথ; এবং কয়েক শ’ বছর পর গর্ভধারণ যে আদিম পাশবিক কাজ বলে গণ্য হবে তাতে সন্দেহ নেই।
(ঐ/পৃ-৩২০)

প্রশ্ন জাগে না?

রোকেয়ার এই সব বিস্ফোরক-ভাবনার উৎস কোথায়? ভাই ও স্বামীর সহায়তায় সামান্য বাংলা-ইংরেজী শিখবার যে ইতিহাস প্রচলিত তাতে অন্তত এই ধরণের র‌্যাডিক্যাল ভাবনার জন্ম নেয়াটা অসম্ভব বলেই মনে হয়

সবশেষে, বেগম রোকেয়া একজন ইসলাম বিদ্বেষী, নবী-রাসুল বিদ্বেষী, পুরুষ জাতি বিদ্বেষী।

বেগম রোকেয়াকে বলা চলে বাংলাদেশের মুসলিম নারীদের মধ্যে নাস্তিকতা বীজ বপনকারী। মুসলিম নারীদের পর্দা বিরোধী, ধর্মীয় শিক্ষা বিরোধী, বিবাহ বিরোধী।

বিশেষ করে মুসলিম সমাজের সুন্দর সাংসারিক জীবন নষ্ট করাই ছিলো তার উদ্দেশ্য। তার উত্তরসূরী তাসলিমা নাসরিনের মত বড় বড় নাস্তিকরা।

#বেগমরোকেয়া #রোকেয়া

১৮ শতকের সেই ধূসর মরুভূমি, যেখানে একদিকে ছিলেন কট্টর মতবাদের প্রচারক মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহাব আর অন্যদিকে ক্ষমতাধর গো...
10/04/2026

১৮ শতকের সেই ধূসর মরুভূমি, যেখানে একদিকে ছিলেন কট্টর মতবাদের প্রচারক মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহাব আর অন্যদিকে ক্ষমতাধর গোত্রপতি মুহাম্মদ ইবনে সৌদ। ১৭৪৪ সালে দিরিয়াতে এই দুজনের মধ্যে এক 'রক্তমাখা চুক্তি' হয়—যেখানে ওয়াহাব দেবেন ধর্মীয় বৈধতা আর ইবনে সৌদ দেবেন তলোয়ারের শক্তি।

এই জোটকে চিরস্থায়ী করতে ইবনে সৌদ স্বয়ং ইবনে আব্দুল ওয়াহাবের মেয়েকে বিয়ে করেন। ধর্ম আর সিংহাসন যখন একই পরিবারে মিশে গেল, তখন জন্ম নিল এক ভয়ংকর শক্তি। কিন্তু এই দেশি জোটের আড়ালে আসল কলকাঠি নাড়ছিল এক বিদেশি শক্তি—ব্রিটেন। ব্রিটিশ গোয়েন্দারা জানত, উসমানীয় (অটোমান) তুর্কিদের সরাসরি হারানো অসম্ভব, তাই তারা আকিদাগত ফাটলকে পুঁজি করে এক মাস্টারপ্ল্যান সাজাল।

ব্রিটিশরা আরবের সাধারণ মানুষের মগজে একটা বিষ ঢুকিয়ে দিল—"মক্কা-মদিনা তুর্কিরা কেন শাসন করবে? আরবের পবিত্র ভূমি আরবদেরই হওয়া উচিত।" এই জাতীয়তাবাদের নেশা আর ব্রিটিশদের পাঠানো বস্তাভর্তি স্বর্ণের মোহ আরবদের অন্ধ করে দিয়েছিল। উসমানীয় খলিফার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করার জন্য ব্রিটিশ এজেন্ট 'লরেন্স অফ অ্যারাবিয়া' মরুভূমির তাবুগুলোতে ঘুরে ঘুরে বোঝাতে শুরু করল যে, তুর্কিরা হলো বহিরাগত দখলদার।

অথচ পর্দার আড়ালে ১৯১৬ সালে ব্রিটেন ও ফ্রান্স অত্যন্ত গোপনে 'সাইকস-পিকট' (Sykes-Picot) চুক্তি সই করে ফেলেছিল। সাধারণ মানুষের বোঝার মতো করে বললে, এটি ছিল অনেকটা "চুরির মাল ভাগাভাগি" করার মতো। তারা মানচিত্রের ওপর স্কেল রেখে সোজা দাগ টেনে পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে নিজেদের মধ্যে কেক কাটার মতো ভাগ করে নেয়—সিরিয়া-লেবানন নিল ফ্রান্স, আর
ইরাক-জর্ডান-ফিলিস্তিন নিল ব্রিটেন।

আরবদের স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখিয়ে আসলে তাদের গলায় পরানো হয়েছিল ব্রিটিশদের গোলামির জিঞ্জির।

এই গল্পের সবচেয়ে গা শিউরে ওঠা অংশ হলো সেই প্রাচীন ভবিষ্যৎবাণী। নবী মুহাম্মদ (সা.) একবার নজদ অঞ্চলের দিকে ইঙ্গিত করে বলেছিলেন, সেখান থেকে 'ফিতনা' আর 'শয়তানের শিঙ' (কর্ন অফ শয়তান) উদয় হবে। ইতিহাস যখন দেখা যায় এই নজদ থেকেই ওহাবী-সৌদ জোটের উত্থান ঘটেছিল এবং তারা মক্কা-মদিনা দখলের সময় যেভাবে জান্নাতুল বাকির সাহাবীদের মাজার গুঁড়িয়ে দিয়েছিল আর সাধারণ মুসলিমদের রক্ত ঝরিয়েছিল—তখন অনেকের মনেই সেই 'শয়তানের শিঙ'-এর কথা মনে পড়ে যায়।

ব্রিটিশরা সরাসরি জমি দখল না করে বরং তাদের অনুগত সেই 'গাদ্দার' পরিবারগুলোকে বিভিন্ন নতুন রাষ্ট্রের ক্ষমতায় বসিয়ে দিয়েছিল। ফলে যা হলো—মানচিত্রে দেশ বাড়ল ঠিকই, কিন্তু প্রতিটি দেশের রিমোট কন্ট্রোল রয়ে গেল লন্ডন আর প্যারিসের হাতে।
আজও সেই ওহাবী-সৌদি জোটের চড়া মূল্য দিচ্ছে পুরো মুসলিম উম্মাহ। আরবের সেই বিশাল খনিজ সম্পদ আর তেলের টাকা (পেট্রোডলার) আজ মুসলিমদের কল্যাণে না লেগে চলে যাচ্ছে পশ্চিমা ব্যাংকগুলোতে।

তারা কোটি কোটি ডলার খরচ করে পশ্চিমের কাছ থেকে সেই অস্ত্রই কিনছে, যা দিয়ে আবার অন্য মুসলিমদেরই দমন করা হচ্ছে। পশ্চিমা দেশগুলো এই আকিদাগত দ্বন্দ্বকে উসকে দিয়ে একদিকে তাদের অস্ত্রের বাজার গরম রাখছে, অন্যদিকে মুসলিমদের ঐক্যকে চিরতরে ধূলিসাৎ করে দিচ্ছে।

ফিলিস্তিন থেকে কাশ্মীর—আজ মুসলিম বিশ্বের এই করুণ অবস্থার মূলে রয়েছে সেই নজদের মরুভূমির ষড়যন্ত্র। ব্রিটিশ স্বর্ণ আর ক্ষমতার লোভে খলিফার পিঠে যে ছুরি মারা হয়েছিল, তার রক্তক্ষরণ আজও থামেনি। ইতিহাস আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়—ঘরের শত্রু যখন বাইরের শক্তির দালালি করে, তখন এক বিশাল জাতি স্রেফ দাসে পরিণত হয়।

পোস্টটি শেয়ার করে সবাইকে সতর্ক করে দিন।

15/02/2026

মাউতে মালাক আজরাইলের কাছ থেকে রুহ ছিনিয়ে আনতে পারে, বাঘ ও সাপ তার কথা শুনে ভয় পায়!
পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করতে গেলে ওয়ারেন্ট পেপার সাদা হইয়া যায়।
কেয়ামত দিবসে জাহাজে করে সবাইকে জান্নাত নিতে পারে।
কিন্তু ব্যলেট পেপারে কোন ক্যারামতি দিয়ে জিততে পারে নাই৷
এইজন্য সবাই বলে,
মুরিদ আছে ভোটে নাই,জোটে নাই
তার নাম চরমোনাই৷
#গণভোটে_হ্যাঁ



#বাংলাদেশ_বুঝে_নিন

11/02/2026

ভোট কাকে দিবেন সিদ্ধান্ত আপনার কিন্তু সৎ ও যোগ্য ব্যক্তি দেখে আপনার ভোট টা দিবেন কারণ ভোট একটা আমানত জিনিস এটা খেয়ানত করবেন না,
--আরিফ বিন হাবিব --

03/02/2026

ওরে বাটপার টেম্পু দল… একজন মহিলার কাছে ধরা খাইয়া গেলি!!!


Address

London

Telephone

+447405094894

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Quran Al Sunnah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Quran Al Sunnah:

Share