The Guidance of ALLAH

The Guidance of ALLAH O ALLAH, YOU ARE MOST FORGIVING & YOU LOVE TO FORGIVE, SO FORGIVE US PLEASE...

29/09/2022

AllahuAkbar…

জুমু’আ ফরয হবার বিবরণ।এ সম্পর্কে আল্লাহ্ তা'আলার বাণীঃ ''জুমু'আর দিনে যখন সালাতের জন্য আহ্বান করা হয়, তখন তোমরা আল্লাহ্‌...
12/08/2022

জুমু’আ ফরয হবার বিবরণ।

এ সম্পর্কে আল্লাহ্ তা'আলার বাণীঃ ''জুমু'আর দিনে যখন সালাতের জন্য আহ্বান করা হয়, তখন তোমরা আল্লাহ্‌র স্মরণের প্রতি ধাবিত হও এবং বন্ধ করে দাও বেচা-কেনা। এটাই তোমাদের জন্য উত্তম যদি তোমরা জানতে।''

(সূরা আল-জুমু’আ ৬২/৯)

حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، قَالَ أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو الزِّنَادِ، أَنَّ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ هُرْمُزَ الأَعْرَجَ، مَوْلَى رَبِيعَةَ بْنِ الْحَارِثِ حَدَّثَهُ أَنَّهُ، سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ نَحْنُ الآخِرُونَ السَّابِقُونَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ، بَيْدَ أَنَّهُمْ أُوتُوا الْكِتَابَ مِنْ قَبْلِنَا، ثُمَّ هَذَا يَوْمُهُمُ الَّذِي فُرِضَ عَلَيْهِمْ فَاخْتَلَفُوا فِيهِ، فَهَدَانَا اللَّهُ، فَالنَّاسُ لَنَا فِيهِ تَبَعٌ، الْيَهُودُ غَدًا وَالنَّصَارَى بَعْدَ غَدٍ ‏"‏‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন যে, আমরা দুনিয়ায় (আগমনের দিক দিয়ে) সর্বশেষ, কিন্তু কিয়ামাতের দিন আমরা মর্যাদার ব্যাপারে সবার পূর্বে। ব্যতিক্রম এই যে, আমাদের পূর্বে তাদের কিতাব প্রদান করা হয়েছে। অতঃপর তাদের সে দিন যে দিন তাদের জন্য ইবাদত ফরয করা হয়েছিল তারা এ বিষয়ে মতভেদ করেছে। কিন্তু সে বিষয়ে আল্লাহ্ আমাদের হিদায়েত করেছেন। কাজেই এ ব্যাপারে লোকেরা আমাদের পশ্চাদ্বর্তী। ইয়াহূদীদের (সম্মানীয় দিন হচ্ছে) আগামী কাল (শনিবার) এবং নাসারাদের আগামী পরশু (রোববার)।

Hadith ref: Sahih al Bukhari - 876

Subahan Allah
09/08/2022

Subahan Allah

22/07/2022

Narrated 'Abdullah bin 'Amr:
The Prophet (ﷺ) said, "A Muslim is the one who avoids harming Muslims with his tongue and hands. And a Muhajir (emigrant) is the one who gives up (abandons) all what Allah has forbidden."

Sahih al-Bukhari 10

12/06/2021

#কিভাবে_আয়_বাড়াবেন ?

সৌদির এক যুবক তার বেতন ছিলো মাত্র ৬,০০০ হাজার রিয়াল। বিবাহিত হওয়ায় তার সাংসারিক খরচ বেতনের চেয়ে অনেক বেশি ছিলো।

মাস শেষ হওয়ার আগেই তার বেতনের রিয়াল শেষ হয়ে যেত, তাই প্রয়োজনের তাগিদে তাকে ঋণ নিতে হতো।
একদিন সে তার ধার্মিক বন্ধুদের এক মজলিসে গেলো। কথায় কথায় যুবক তার সকল অবস্থা বন্ধুকে বললো। বিশেষত আর্থিক সমস্যাটা তার সামনে তুলে ধরল।

তার বন্ধু মনোযোগ সহকারে কথাগুলো শুনল এবং বললো: তুমি তোমার বেতন থেকে কিছু টাকা সাদাকার জন্য নির্ধারণ করো। যুবক আশ্চর্য হয়ে বললো, সাংসারিক প্রয়োজন পুরনেই ঋণ নিতে হয়, আর তুমি আমাকে সাদাকা জন্য টাকা নির্ধারণ করতে বলেছেন?

যুবক বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি স্ত্রীকে জানালে, তার স্ত্রী বললো টেস্ট করে দেখতে সমস্যা কী? হতে পারে আল্লাহ্ তা'আলা আমাদের জন্য রিযিকের দরজা খুলে দিবেন। যুবক বেতনের ছয় হাজার রিয়াল থেকে ১৫০ রিয়াল সাদাকার জন্য নির্ধারণের ইচ্ছা করলো। এবং মাস শেষে তা আদায় করতে শুরু করলো।

কিছুদিন পর আল্লাহ তা’আলা তার সামনে আরো একটি পথ খুলে দিলেন। সে তার এক বন্ধুর সাথে প্রোপার্টি -ডিলিং এর কাজে অংশ নিতে শুরু করে। সে বন্ধুকে গ্রাহক-ক্রেতা এনে দিত, তাতে ন্যায্য লাভ পেতো।
আলহামদুলিল্লাহ! সে যখনই কোনো গ্রাহকের কাছে যেতো, গ্রাহক অবশ্যই তাকে অন্য গ্রাহক পর্যন্ত পৌঁছানোর way দেখিয়ে দিতো। এখানেও সে ঐ আমলের পুনরাবৃত্তি করতো। অর্থাৎ, লাভের টাকা হাতে আসলে (আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য) তা থেকে সাদাকা করতো।
সুবহানাল্লাহ!! তার আর্থিক অবস্থা সম্পূর্ণ বদলে গেলো। এতো ঋণ থাকা সত্ত্বেও নিজেকে স্বাধীন মনে হতে লাগলো। মনের মধ্যে এমন এক অনাবিল শান্তি হচ্ছিলো। কয়েক মাস পর থেকে সে নিজের জীবনকে সাজাতে শুরু করলো। নিজের আয়কৃত রিয়াল কয়েক ভাগে ভাগ করলো, আর তাতে এমন বরকত হলো, যা পূর্বে কখনও হয়নি। সে হিসাব করে একটা আন্দাজ করলো, কত দিনে ঋণের বোঝাটা মাথা থেকে নামাতে পারবে, ইন শা আল্লাহ!
'‘সাদাকা কী'’ তা কেউ জানে না, ঐ ব্যক্তি ব্যতীত যে তা পরীক্ষা করেছে।সাদাকা করো এবং সবরের সাথে চলো- আল্লাহর রহমতে খায়ের বরকত নাযিল হবে যা নিজ চোখে দেখতে পাবে। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে বলেছেন:
ﻣَﻦْ ﻗُﺪِﺭَ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﺭَﺯْﻗُﻪ ﻓَﻠْﻴُﻨْﻔِﻖْ
“যার রিজিক সঙ্কীর্ণ হয়েছে, সে যেনো (দান-সাদাকা বেশি) ব্যয় করে”। [সূরা ৬৫ আত তালাক, আয়াত: ৭]।

07/06/2021
27/05/2021

'দিনের মধ্যে সবচেয়ে সেরা সময় কোনটা?'

- 'যে সময়টা আল্লাহর স্মরণ আর ইবাদাতে কাটে, সেটাই'।

- 'তারপর?'

- 'যে সময়টা একজন মানুষ হালাল উপার্জনের জন্য ব্যয় করে বা হালাল উপার্জনের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করে তা হোক পড়াশুনা বা কোন অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞানের মাধ্যমে, সেটা'।

- 'এরপর?'

- 'পরিবার-পরিজনের জন্য যে সময় বরাদ্দ থাকে, ওইটাই'।

- 'যদি তার পরে কোন সেরা সময় নির্ধারণ করতে বলা হয়, কোনটাকে করা যায়?'

- 'সেই সময়টাকে, যে সময়টায় একজন মানুষ কোন উপকারি জ্ঞান লাভ করে। হতে পারে সেটা কোন বই পড়ে বা কোন লেকচার/ওয়াজ শুনে অথবা কোন হালাকা কিংবা অর্থবহ আড্ডা থেকে'।

- 'তারপরের সেরা সময় কোনটা হবে?'

- 'সেই সময়টা, যে সময়টা কারো উপকার করতে ব্যয় হয়েছে। যেমন সামর্থ্য থাকলে কোন দুঃখী মানুষকে সাহায্য করা, বুদ্ধি অথবা শ্রম দিয়ে কারো পাশে দাঁড়ানো'।

- 'এরপর?'

- 'ওই সময়টা, যে সময়টাতে কাউকে উপকারি কিছু শেখানো হয়। হতে পারে সেটা দ্বীনের কোন জ্ঞান অথবা দুনিয়াবি জ্ঞান'।

- 'সর্বশেষ?'

- 'সুন্দর আখলাকের প্রতিফলন যে সময়টায় ঘটেছে, ওই সময়টা। যেমন- একজন রিক্সাওয়ালাকে সালাম দেওয়া, ভিক্ষুককে ধমক না দেওয়া, আগে আগে মানুষকে সালাম দেওয়া, হাসিমুখে কথা বলা, মানুষের খোঁজ-খবর নেওয়া ইত্যাদি'।

এই কাজগুলোর মাঝেই মূলত আমাদের দিনগুলো পার হয়। হয়তো-বা আমরা এসব কাজগুলো করি, নতুবা এসবের উল্টোটা। যখন এর বিপরীত কাজগুলো আমাদের দ্বারা হয়, তখন সেগুলোকে আমরা জীবনের 'দুঃখজনক অপচয়' বলতে পারি। আর, যদি উপরের কাজগুলোর মাধ্যমে পার হয় আমাদের দিন, তখন আমাদের জীবনটা অপচয় হয় না, বরং তা হয়ে উঠে সোনালি সঞ্চয়। ভাবুন তো আখিরাতের জন্য আপনার সোনালি সঞ্চয় কীরকম প্রতিদিন?

Collected # #
আরিফ আজাদ

21/05/2021

📌তুমি কি জানতে চাও, আল্লাহর কাছে তোমার সম্মান কতটকু? তাহলে দেখ, তিনি তোমাকে কোন অবস্থায় রেখেছেন....।



⭕যদি দেখ তিনি তেমাকে তার যিকিরে মশগুল রেখেছেন, তাহলে জেনে রেখ, তিনি তোমাকে স্মরণ করতে চান।

⭕যদি দেখ তিনি তোমাকে কুরআন দ্বারা মশগুল রেখেছেন, তাহলে জেনে রেখ, তিনি তোমার সাথে কথা বলতে চান।

⭕যদি দেখ, তিনি তোমাকে ইবাদাত/আনুগত্যে ব্যস্ত রেখেছেন, তাহলে জেনে রেখ, তিনি তেমাকে তার সান্নিধ্যে টেনে নিয়েছেন।

-
⭕যদি দেখ, তিনি তোমাকে দুনিয়া দিয়ে ব্যস্ত করে দিয়েছেন, তাহলে জেনে নাও, তিনি তোমাকে দূরে ঠেলে দিয়েছেন।

⭕যদি দেখ, তিনি তোমাকে লোকজনের সাথে মশগুল বানিয়ে দিয়েছেন, তাহলে জেনে নাও, তিনি তোমাকে অপমানিত করেছেন।

⭕যদি দেখ, তিনি তোমাকে দুআর দ্বারা ব্যস্ত রেখেছেন, তাহলে জেনে নাও, তিনি তোমাকে কিছু দিতে চান।

⭕অতএব, সবসময় নিজের অবস্থা দেখ। তুমি কোন কাজে মশগুল? আল্লাহ তোমাকে যে কাজে ব্যস্ত রেখেছেন, সেটাই তোমার অবস্থান তাঁর কাছে।

Collected # #
~~ড. রাতিব আন-নাবলুসি।

18/05/2021

𝗜 𝗮𝗺 𝗳𝗿𝗼𝗺 UK 𝗮𝗻𝗱 𝘀𝘂𝗽𝗽𝗼𝗿𝘁 𝗣𝗮𝗹𝗲𝘀𝘁𝗶𝗻𝗲 🇵🇸 🇵🇸 🇵🇸


















08/05/2021

Collected # #

যে জীবনে আপন রবকে চেনা হলো না,রবের দিকে ফেরা হলো না,রবের প্রিয় হওয়া হলো না,সে জীবন কোনো জীবন ই নয়!সে জীবন কেবলই অকৃতজ্ঞ এক আতরাফ প্রাণীর জীবন।সে জীবন স্বার্থপর এক গোলামের জীবন,যে গোলাম তাঁর মনিবকে গোনায় ধরে না,পাত্তা দেয় না অথচ তাঁর পরিচয় সে গোলাম?!(আস্তাগফিরুল্লাহ)

যে গোলাম তাঁর রবের নেয়ামত কব্জি ডুবিয়ে ভোগ করছে অথচ সেই রবের হুকুমকেই অবজ্ঞা করে চলেছে প্রতিনিয়ত।যে আমাকে সৃষ্টি করলো তাঁর হুকুম ই মেনে চললাম না,সে জীবন কি করে আশরাফুল মাখলুকাতের জীবন হতে পারে?

আমাদের মাঝে এমন অনেকে আছি,যারা আপাদমস্তক ভুলের মাঝে ডুবে আছি অথচ বুঝতেও পারি না যে ভুলের মধ্যে আছি। কারণ আগে থেকেই নিজের জীবনযাপন কে সঠিক ভাবার মত ধ্বংসাত্মক মনোভাব নিয়ে বসে আছি।তাই তো আর শুধরানো হয়ে ওঠে না।

আমার রব বলেছেন,জাহেলি যুগের মত নিজেদের প্রদর্শন করে বেড়িও না,পরপুরুষের দৃষ্টি থেকে নিজেকে হেফাজত করো অথচ দুটো লাইক কমেন্ট আর প্রশংসার আশায় আমার প্রোফাইলে এখনো ঝুলছে বেপর্দা ছবি!রবের ফরজ হুকুম পর্দা করাকে যেন বিন্দুমাত্র মূল্যই দিলাম না,ভাবখানা আমার এমন আগে নিজের মনের খায়েশ পুরা করি তারপর অন্য কথা!(আস্তাগফিরুল্লাহ)

অথচ এই আমি খুব ভালো করেই জানি,আমার বেপর্দা একটা ছবির বিনিময়ে প্রতিটা মুহুর্তে আমার আমলনামা ভর্তি হচ্ছে কবিরা গুনাহ দিয়ে,যে গুনাহের শাস্তি ভয়াবহ,যে গুনাহ থেকে পুরোপুরি ফিরে না আসলে মাফ হয় না!কত ভয়ংকর কথা ভাবা যায়?
এই যদি হয় আমার অবস্থা,তাহলে কি করে ভেবে নিতে পারি,আমি সঠিক পথে আছি,আমি আমার রবের হুকুম মেনে চলি,আমি ইসলাম মেনে চলা মুসলিম?

আবার,আমি খুব করে ভাবছি,আমার জীবনযাপন বড্ড গোছালো,বড্ড সুন্দর অথচ আমি নামাজ পড়ি না।সব কাজ হয়,হয় না কেবল দিনে রাতে ৫ বার রবের সামনে সিজদা দেওয়ার তৌফিক!
যে জীবনে ফরজ হুকুম মানার তৌফিক হয় না সে জীবন কি করে গোছালো,সুন্দর জীবনযাপন হতে পারে,আদৌও কি তাকে গোছানো,পরিপাটি, নিয়মানুবর্তিতার জীবন বলা যায়?

পর্দা,নামাজ,রোজার মত ফরজ হুকুম সহ অগণিত হুকুম সকাল বিকাল আমার দ্বারা জঘণ্য ভাবে পদদলিত হয়,হয় অবহেলিত তবুও আমার পরিচয় আমি মুসলিম(!) আমার ধর্ম ইসলাম(!)
কি এক আশ্চর্য মুসলমানিত্ব ধারণ করে বসে আছি আমরা,ফরজ পর্দা না করলে, ফরজ নামাজ আদায় না করলে,ফরজ রোজা না রাখলে,ফরজ যাকাত আদায় না করলে,ফরজ হজ্ব পালন না করলে তবুও আমার মুসলমানিত্বের কোনো ক্ষতি হয় না,আমার মুসলিম পরিচয়ের কোনো অপমান হয় না,আমার ইসলাম সবসময় একই ভাবে বহাল থাকে!(?)

অবশ্য এসব প্রশ্নের রেডিমেড কয়েকটা জবাব আছে,
"১)ইসলাম এত কঠিন না।
২)সব জায়গায় ইসলাম টানা উচিত নয়।
৩)ইসলামে কোনো জোর জবরদস্তি নেই।
৪)আমার কথা ভাবতে হবে না,আগে নিজের চিন্তা করেন!,,,,,,,,,,,,,,,,,(আরো আছে)"

ভুলে ভুলে ভরে থাকা এমন কারো কারো ভুল হয়তো এই পৃথিবীতে থাকতে ভাঙবেই না,ভাঙবে ঠিক তখন যখন সে আপন রবের সামনে বিচারের জন্য দন্ডায়মান!
যখন শুধরানোর আর কোনো উপায় নেই,উপায় নেই আর পৃথিবীতে ফিরে আসার!
কতইনা দূর্ভাগা সে জন!
আফসোসের যন্ত্রণা তাঁকে কুরে কুরে খাবে,শাস্তির ভয়াবহতা তাঁর কলিজায় কাঁপন ধরিয়ে দিবে,পাবে না কোনো সাহায্যকারী!
কি ভয়ানক সে পরিস্থিতি,কী করুণ সে পরিণতি!

আফসোস আর আজাবের যন্ত্রণাময় জীবন কে ই বা পেতে চায়?চাই না তো কেউ!
তবে সময় কি এখনো আসেনি,আপন রবের পানে ছুটে চলার?নিজেকে সত্যিকারের মুসলিমা হিসেবে তৈরি করার?আসে নি কি সময়,জান্নাতের পথে ছুটতে চাওয়া পথিকের দলে নাম লেখানোর?
রব তো তাঁকেই হেদায়েত দেন যার ফেরার ইচ্ছা আছে,চেষ্টা আছে।
কবে করবো আর সে চেষ্টা?হায়াতের রশি টা ছিঁড়ে গেলে?

রবের কাছে ফিরে যাওয়ার আগেই যেন ফিরে আসি রবের দিকে।
এ ফেরা কল্যাণের!এ ফেরা সফলতার!

Collected # #

✍️শামছুন্নাহার রুমি

06/05/2021

#সাহাবাদের_২৫_টি_প্রশ্ন_ও_ রাসূলুল্লাহ_(সাঃ)_এর_জবাব।

১. প্রশ্নঃ আমি ধনী হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, অল্পতুষ্টি অবলম্বন কর; ধনী হয়ে যাবে।

২. প্রশ্নঃ আমি সবচেয়ে বড় আলেম (ইসলামী জ্ঞানের অধিকারী) হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, তাক্বওয়া (আল্লাহ্ ভীরুতা) অবলম্বন কর, আলেম হয়ে যাবে।

৩. প্রশ্নঃ সম্মানী হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, সৃষ্টির কাছে চাওয়া বন্ধ কর; সম্মানী হয়ে যাবে।

৪. প্রশ্নঃ ভাল মানুষ হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, মানুষের উপকার কর।

৫. প্রশ্নঃ ন্যায়পরায়ণ হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, যা নিজের জন্য পছন্দ কর; তা অন্যের জন্যেও পছন্দ কর।

৬. প্রশ্নঃ শক্তিশালী হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, আল্লাহর উপর ভরসা কর।

৭. প্রশ্নঃ আল্লাহর দরবারে বিশেষ মর্যাদার অধিকরী হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, বেশী বেশী আল্লাহকে স্মরণ (জিকির) কর।

৮. প্রশ্নঃ রিযিকের প্রশস্ততা চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, সর্বদা অযু অবস্থায় থাকো।

৯. প্রশ্নঃ আল্লাহর কাছে সমস্ত দোয়া কবুলের আশা করি!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, হারাম খাবার হতে বিরত থাকো।

১০. প্রশ্নঃ ঈমানে পূর্ণতা কামনা করি!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, চরিত্রবান হও ৷

১১. প্রশ্নঃ কেয়ামতের দিন আল্লাহর সাথে গুনামুক্ত হয়ে সাক্ষাৎ করতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, জানাবত তথা গোসল ফরজ হওয়ার সাথে সাথে গোসল করে নাও।

১২. প্রশ্নঃ গুনাহ্ কিভাবে কমে যাবে?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, বেশী বেশী ইস্তেগফার (আল্লাহর নিকট কৃত গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা) কর।

১৩. প্রশ্নঃ কেয়ামত দিবসে আলোতে থাকতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, জুলুম করা ছেড়ে দাও।

১৪. প্রশ্নঃ আল্লাহ্ তা’য়ালার অনুগ্রহ কামনা করি!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, আল্লাহর বান্দাদের উপর দয়া-অনুগ্রহ কর।

১৫. প্রশ্নঃ আমি চাই আল্লাহ্ তা’য়ালা আমার দোষ-ত্রুটি গোপন রাখবেন!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, অন্যের দোষ-ত্রুটি গোপন রাখ।

১৬. প্রশ্নঃ অপমানিত হওয়া থেকে রক্ষা পেতে চাই ?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, যিনা (ব্যভিচার) থেকে বেঁচে থাকো।

১৭. প্রশ্নঃ আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূল (সাঃ) এর নিকট প্রিয় হতে চাই ?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, যা আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূলের (সাঃ) এর নিকট পছন্দনীয় তা নিজের জন্য প্রিয় বানিয়ে নাও।

১৮. প্রশ্নঃ আল্লাহর একান্ত অনুগত হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, ফরজ সমূহকে গুরুত্বের সহিত আদায় কর।

১৯. প্রশ্নঃ ইহ্সান সম্পাদনকারী হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, এমন ভাবে আল্লাহর এবাদত কর যেন তুমি আল্লাহকে দেখছ অথবা তিনি তোমাকে দেখছেন।

২০. প্রশ্নঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ! (সাঃ) কোন বস্তু গুনাহ্ মাফে সহায়তা করবে?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন,
ক) কান্না। (আল্লাহর নিকট, কৃত গুনাহের জন্য)
খ) বিনয়।
গ) অসুস্থতা।

২১. প্রশ্নঃ কোন জিনিষ দোযখের ভয়াবহ আগুনকে শীতল করবে?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, দুনিয়ার মুছিবত সমূহ।

২২. প্রশ্নঃ কোন কাজ আল্লাহর ক্রোধ ঠান্ডা করবে?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, গোপন দান এবং আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা।

২৩. প্রশ্নঃ সবচাইতে নিকৃষ্ট কি?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, দুশ্চরিত্র এবং কৃপণতা।

২৪. প্রশ্নঃ সবচাইতে উৎকৃষ্ট কি?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, সচ্চরিত্র, বিনয় এবং ধৈর্য্য।

২৫. প্রশ্নঃ আল্লাহর ক্রোধ থেকে বাঁচার উপায় কি?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, মানুষের উপর রাগান্বিত হওয়া পরিহার কর।

আল্লাহ্ তা’য়ালা আমাদের সবাইকে আমল করার তৌফিক দান করুণ। (আমিন)
.

Address

London
IG110XH

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Guidance of ALLAH posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to The Guidance of ALLAH:

Share