আল-কোরআন ও সহীহ হাদিস

আল-কোরআন ও সহীহ হাদিস এসো হকের পথে

12/01/2024

আর মু'মিন নারীদেরকে বল, তাহারা যেন তাহাদের দৃষ্টিকে সংযত করে ও তাহাদের লজ্জাস্থানের হিফাযত করে; তাহারা যেন যাহা সাধারণত প্রকাশ থাকে তাহা ব্যতীত তাহাদের আভরণ প্রদর্শন না করে, তাহাদের গ্রীবা ও বক্ষদেশ যেন মাথার কাপড় দ্বারা আবৃত করে, তাহারা যেন তাহাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুষ্পুত্র, ভগ্নীপুত্র, আপন নারীগণ, তাহাদের মালিকানাধীন দাসী, পুরুষদের মধ্যে যৌন কামনা-রহিত পুরুষ এবং নারীদের গোপন অঙ্গ সম্বন্ধে অজ্ঞ বালক ব্যতীত কাহারও নিকট তাহাদের আভরণ প্রকাশ না করে, তাহারা যেন তাহাদের গোপন আভরণ প্রকাশের উদ্দেশ্যে সজোরে পদক্ষেপ না করে। হে মু'মিনগণ! তোমরা সকলে আল্লাহ্‌র দিকে প্রত্যাবর্তন কর, যাহাতে তোমরা সফলকাম হইতে পার।

وَقُلْ لِّـلْمُؤْمِنٰتِ يَغْضُضْنَ مِنْ اَبْصَارِهِنَّ وَيَحْفَظْنَ فُرُوْجَهُنَّ وَلَا يُبْدِيْنَ زِيْنَتَهُنَّ اِلَّا مَا ظَهَرَ مِنْهَا‌ وَلْيَـضْرِبْنَ بِخُمُرِهِنَّ عَلٰى جُيُوْبِهِنَّ‌ وَلَا يُبْدِيْنَ زِيْنَتَهُنَّ اِلَّا لِبُعُوْلَتِهِنَّ اَوْ اٰبَآٮِٕهِنَّ اَوْ اٰبَآءِ بُعُوْلَتِهِنَّ اَوْ اَبْنَآٮِٕهِنَّ اَوْ اَبْنَآءِ بُعُوْلَتِهِنَّ اَوْ اِخْوَانِهِنَّ اَوْ بَنِىْۤ اِخْوَانِهِنَّ اَوْ بَنِىْۤ اَخَوٰتِهِنَّ اَوْ نِسَآٮِٕهِنَّ اَوْ مَا مَلَـكَتْ اَيْمَانُهُنَّ اَوِ التّٰبِعِيْنَ غَيْرِ اُولِى الْاِرْبَةِ مِنَ الرِّجَالِ اَوِ الطِّفْلِ الَّذِيْنَ لَمْ يَظْهَرُوْا عَلٰى عَوْرٰتِ النِّسَآءِ‌ وَلَا يَضْرِبْنَ بِاَرْجُلِهِنَّ لِيُـعْلَمَ مَا يُخْفِيْنَ مِنْ زِيْنَتِهِنَّ‌ ؕ وَتُوْبُوْۤا اِلَى اللّٰهِ جَمِيْعًا اَيُّهَ الْمُؤْمِنُوْنَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُوْنَ

সূরা নম্বর: ২৪ আয়াত নম্বর: ৩১

26/03/2022

আল্লাহ্ আদিতে সৃষ্টির সূচনা করেন, অতঃপর তিনি ইহার পুনরাবৃত্তি করিবেন, তারপর তোমরে, তাঁহারই নিকট প্রত্যানীত হইবে।

اَللّٰهُ يَـبْدَؤُا الْخَلْقَ ثُمَّ يُعِيْدُهٗ ثُمَّ اِلَيْهِ تُرْجَعُوْنَ

সূরা নম্বরঃ ৩০, আয়াত নম্বরঃ ১১

সূরা বাকারার ২৭৫-২৭৯ নং আয়াতে মহান আল্লাহ ইরশাদ করেছেন, ‘যারা সুদ খায় তারা জিনে ধরা পাগল ব্যক্তির মতো হাশরের মাঠে দাঁড়াব...
06/12/2021

সূরা বাকারার ২৭৫-২৭৯ নং আয়াতে মহান আল্লাহ ইরশাদ করেছেন, ‘যারা সুদ খায় তারা জিনে ধরা পাগল ব্যক্তির মতো হাশরের মাঠে দাঁড়াবে। তাদের এ অবস্থার কারণ এই যে, তারা বলেছে, ব্যবসা তো সুদের মতোই।

অথচ আল্লাহ ব্যবসাকে হালাল করেছেন আর সুদকে হারাম করেছেন। প্রতিপালকের নির্দেশ আসার পর যে ব্যক্তি বিরত হয়েছে, সে পূর্বে যা নিয়েছে তা তারই থাকবে।

তার ব্যাপার আল্লাহর এখতিয়ারে। কিন্তু এ নির্দেশের পরেও যারা সুদে জড়িত হবে তারা জাহান্নামে যাবে।
তারা চিরকাল সেখানেই থাকবে। আল্লাহ সুদকে নিশ্চিহ্ন করেন এবং দান-খয়রাতকে বর্ধিত করেন। কোনো অস্বীকারকারী পাপীকে তিনি পছন্দ করেন না। ... হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো। তোমরা যদি মুমিন হয়ে থাক; তবে সুদের যা বকেয়া আছে তা ছেড়ে দাও। যদি না ছাড় তবে জেনে রাখ, এটা আল্লাহ ও তার রাসূলের সঙ্গে যুদ্ধ। কিন্তু তোমরা যদি তওবা করো, তবে তোমাদের মূলধন তোমাদেরই থাকবে। তোমরা অত্যাচার করবে না, তোমরা অত্যাচারিত হবে না। ’
সুদের বিষয়ে পবিত্র কোরআনে আরও কয়েক স্থানে আলোচনা করা হয়েছে। যেমন, ‘হে মুমিনগণ! তোমরা চক্রবৃদ্ধি হারে সুদ খেও না। আল্লাহকে ভয় করো। তাহলে তোমরা সফল হতে পারবে। ’ -সূরা আল ইমরান: ১৩০

‘মানুষের সম্পদ বাড়ানোর উদ্দেশ্যে তোমরা যে সুদ দিয়ে থাক আল্লাহর দৃষ্টিতে তা সম্পদ বৃদ্ধি করে না। কিন্তু আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে তোমরা যে জাকাত দিয়ে থাক তা বৃদ্ধি করে। প্রকৃতপক্ষে জাকাত প্রদানকারীরাই সমৃদ্ধি আনে। ’ -সূরা রূম: ৩৯

পবিত্র হাদিসে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজেও সুদের ব্যাপারে স্পষ্ট কথা বলেছেন। যেমন, মেরাজের রাতে আমি এমন একটি দল অতিক্রম করেছি যাদের পেট ঘরের মত (বড়)। ভিতরে অনেক সাপ। যা পেটের বাইরে থেকে দেখা যাচ্ছিল। আমি বললাম, হে জিবরাইল! এরা কারা? তিনি উত্তর দিলেন, এরা আপনার উম্মতের সুদখোর লোক। -ইবনে মাজাহ: ২২৭৩

আমরা (আমি, জিবরাইল ও মিকাইল) চলতে চলতে একটি রক্ত নদীর পাড়ে পৌঁছলাম। নদীর মাঝে এক লোক দাঁড়িয়ে আছে। তীরে দাঁড়িয়ে আছে আর এক জন। তার কাছে কিছু পাথর আছে। নদীর ভিতরের লোকটি তীরে এসে যখনই পাড়ে উঠার চেষ্টা করে তখনই তীরের লোকটি তার মুখ বরাবর পাথর ছোঁড়ে তাকে আগের জাগায় ফিরিয়ে দেয়। যত বার উঠার জন্য অগ্রসর হচ্ছে তত বারই মুখের ওপর পাথর ছোঁড়ে পূর্বের জায়গায় ফিরিয়ে দিচ্ছে। আমি বললাম, এ কে? তারা (জিবরাইল ও মিকাইল) উত্তর দিল, নদীর ভেতরের লোকটি একজন সুদখোর। -সহিহ বোখারি: ২০৮৫

মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অভিশাপ দিয়েছেন সুদখোরকে, সুদ দাতাকে, সুদের লেখককে, সাক্ষীকে। এবং তিনি বলেছেন, এরা সকলে সমান অপরাধী। -সহিহ মুসলিম: ৪১৭৭

সুদ ও ব্যবসার মধ্যে মৌলিক পার্থক্য হলো, ব্যবসাতে পণ্যের বিপরীতে মুদ্রা আদান-প্রদান করা হয়, অথবা এক জাতের পণ্যের বিপরীতে ভিন্ন জাতের পণ্য আদান-প্রদান হয়। কিন্তু সুদের কারবারে মুদ্রার বিপরীতে মুদ্রা আদান-প্রদান করা হয়, অথবা স্বজাতের পণ্য আদান-প্রদান করা হয়। ব্যবসাতে বিনিময় সুনির্দিষ্ট হয় এবং পরবর্তীতে সময়ের তারতম্যে বিনিময়ের পরিমাণে কোনো হ্রাস-বৃদ্ধি পায় না। কিন্তু সুদের কারবারে বিনিময় সুনির্দিষ্ট হয় না বরং হার নির্দিষ্ট হয়। সময়ের তারতম্যে বিনিময়ের মোট পরিমাণে হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে।

সুদ বর্জন করে ব্যবসা ও উন্নয়নের গতিকে বহমান রাখার জন্য ইসলাম অনুমোদিত পন্থাগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি পন্থা হলো, মুজারাবা, মুশারাকা, আকদে ইজারা, আকদে ইসতিসনা, বাইয়ে সলম, বাইয়ে মুরাবাহা ও মুআজ্জাল।...

সুদের ব্যাপারে ইসলাম যে পরিমাণ কঠোর কথা বলেছে অন্য কোনো গুনাহর কাজের ব্যাপারে সে পরিমাণ কঠোর কথা বলে নেই। দয়াল নবী সুদের সঙ্গে সম্পৃক্ত সবাইকে অভিশাপ দিয়েছেন। আল্লাহতায়ালা সুদখোরের সঙ্গে যুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছেন। তাই আমাদের ব্যক্তি জীবন, পারিবারিক জীবন ও সামাজিক জীবনের সামগ্রিক অর্থব্যবস্থা হোক সুদ থেকে পবিত্র।

একটু লজ্জায় সারাজীবনের ইবাদত বরবাদ হতে পারে।➤ যে সব কারণে গোসল ফরয হয় : ◉ ১. স্বপ্নদোষ বা উত্তেজনাবশত বীর্যপাত হলে। ◉ ২....
07/10/2021

একটু লজ্জায় সারাজীবনের ইবাদত বরবাদ হতে পারে।

➤ যে সব কারণে গোসল ফরয হয় :

◉ ১. স্বপ্নদোষ বা উত্তেজনাবশত বীর্যপাত হলে।

◉ ২. সহবাসে (সহবাসে বীর্যপাত হোক আর নাই হোক)।

◉ ৩. মেয়েদের হায়েয-নিফাস শেষ হলে।

➤ গোসলের ফরজ তিনটি :

◉ ১. গড়গড়াসহ কুলি করা, যাতে পানি গলার হাড় পর্যন্ত পৌছে।

◉ ২. হাতে পানি নিয়ে নাকের নরম হাড় পর্যন্ত পানি পৌঁছানো।

◉ ৩. সমস্ত শরীর উত্তম রুপে ধৌত করা।

➤ ফরজ গোসলের সঠিক নিয়ম :

গোসলের নিয়ত করা, ‘বিসমিল্লাহ’ বলে গোসল শুরু করা। দুই হাত কবজি পর্যন্ত ধোওয়া (বুখারী–২৪৮)।

পানি ঢেলে বাম হাত দিয়ে লজ্জাস্থান পরিষ্কার করা (বুখারী–২৫৭)।

বাম হাতটি ভালভাবে ঘষে ধুয়ে নেওয়া (বুখারী–২৬৬)।

নামাজের ওজুর মতো ভালভাবে পূর্ণরূপে ওজু করা। এক্ষেত্রে শুধু পা দুটো বাকি রাখলেও চলবে, যা গোসলের শেষে ধুয়ে ফেলতে হবে। (বুখারী–২৫৭, ২৫৯, ২৬৫)।

মাথায় পানি ঢেলে চুলের গোড়া ভালভাবে আঙ্গুল দিয়ে ভিজানো। (বুখারী–২৫৮)।

পুরো শরীরে পানি ঢালা; প্রথমে ডানে ৩বার,
পরে বামে ৩বার, শেষে মাথার উপর ৩ বার। (বুখারী–১৬৮)।

(যেন শরীরের কোন অংশ বা কোন লোমও শুকনো না থাকে।পুরুষের দাড়ি ও মাথার চুল এবং মহিলাদের চুল ভালোভাবে ভিজতে হবে। নাভি, বগল ও অন্যান্য কুঁচকানো জায়গায় অবশ্যই পানি ঢালতে হবে)। গোসলের জায়গা থেকে একটু সরে গিয়ে দুই পা ধোওয়া।(বুখারী–২৫৭)।

➤ এটাই হচ্ছে গোসলের পরিপূর্ণ পদ্ধতি। উল্লেখ্য, এইভাবে গোসল করলে এর পরে নামায পড়তে চাইলে আলাদা করে ওযু করতে হবেনা, যদি না গোসল করার সময় ওযু ভংগের কোনো কারণ ঘটে থাকে।

➤ গোসলের পরে কাপড় চেঞ্জ করলে বা হাঁটুর উপরে কাপড় উঠে গেলে ওযু ভাংবেনা, এটা ওযু ভংগের কারণ না।

➤ আল্লাহ্ আমাদের সঠিকভাবে ফরয গোসল করার ও এ জ্ঞান সকলের কাছে পৌছে দেয়ার তওফিক দান করুন। আমীন।

স্বামী-স্ত্রী কত দিন আলাদা থাকলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিয়ে বিচ্ছেদ ঘটে?▬▬▬ ◈◉◈▬▬▬প্রশ্ন: স্বামী তার স্ত্রীর ভরণ-পোষণ না দিয়ে য...
23/09/2020

স্বামী-স্ত্রী কত দিন আলাদা থাকলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিয়ে বিচ্ছেদ ঘটে?
▬▬▬ ◈◉◈▬▬▬
প্রশ্ন: স্বামী তার স্ত্রীর ভরণ-পোষণ না দিয়ে যেদিকে দু'চোখ যায় চলে গেছে। এভাবে কেটে গেছে পাঁচটি বছর। এই সময়ে স্বামী তার বৌয়ের খোঁজ-খবর নেয় নি। কিন্তু এখন স্বামী-স্ত্রী আবার সংসার করতে চাইছে।
আমার প্রশ্ন: তাদের বিয়ের সম্পর্ক কি এখনো আছে? এ রকম অনেককে বলতে শুনেছি যে, একসঙ্গে একটা নির্দিষ্ট সময় একসাথে না থাকলে বিয়ে টিকে থাকেনা। এ ব্যাপারে মাসআলা জানতে চাচ্ছি।

উত্তর:
"নির্দিষ্ট সময় স্বামী-স্ত্রী একসাথে বসবাস না করলে বিয়ে টিকে না বা তালাক হয়ে যায়" ইসলামের দৃষ্টিতে এ কথা সঠিক নয়। বরং স্বামী যদি তালাক না দেয় বা এ দীর্ঘ সময়ের মধ্যে স্ত্রী কোর্টের মাধ্যমে বিয়ে বিচ্ছেদ না ঘটায় তাহলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তালাক পতিত হবে না যদিও এভাবে পাঁচ বছর, দশ বছর বা তার চেয়ে বেশি সময় অতিবাহিত হয়ে যায়।
তালাক কখন কিভাবে পতিত হয়?
শাইখ বিন বায রহ. বলেন,
تعتبر المرأة طالقاً إذا أوقع زوجها عليها الطلاق ، وهو عاقل مختار ليس به مانع من موانع الطلاق كالجنون والسكر ، ونحو ذلك . وكانت المرأة طاهرة طهراً لم يجامعها فيه أو حاملاً أو آيسة . أهـ
فتاوى الطلاق للشيخ ابن باز 1/35
“একজন মহিলা তালাক প্রাপ্ত বলে তখনই পরিগণিত হবে যখন তাকে তার স্বামী সুস্থ মস্তিষ্কে স্বেচ্ছায় তালাক প্রদান করে এবং তালাক নিষিদ্ধ হওয়ার কোন কারণ না থাকে। যেমন: পাগল বা মাতাল হওয়া ইত্যাদি।
সেই সাথে তালাক প্রদানের সময় মহিলাটি ঋতুস্রাব থেকে পবিত্র ছিল কিন্তু স্বামী এ অবস্থায় তার সাথে সহবাস করে নি। অথবা মহিলাটি গর্ভবতী ছিল বা বার্ধক্য জনিত কারণে স্রাব বন্ধ ছিল।”

[উৎস: ফাতাওয়াত তালাক (তালাক বিষয়ক ফতোয়া)-শাইখ আব্দুল্লাহ বিন বায রহঃ ১/৩৫]
সুতরাং উক্ত স্বামী স্ত্রী থেকে পাঁচ বছর নিরুদ্দেশ থাকার ফলে তাদের মাঝে বিয়ে-বিচ্ছেদ ঘটে নি। এখন তারা যদি পুনরায় ঘর সংসার করতে আগ্রহী হয় তাহলে স্বাভাবিকভাবেই তা শুরু করতে পারে। আলাদা কোন আনুষ্ঠানিকতার প্রয়োজন নাই।
তবে আমাদের জানা কর্তব্য যে, আল্লাহ তাআলা স্ত্রীদের সাথে সুন্দর ও সদ্ভাবে জীবন-যাপন করা ফরজ করেছেন। এর ব্যত্যয় ঘটলে আল্লাহর কাঠগড়ায় বিচারের সম্মুখীন হতে হবে।

◈ আল্লাহ তাআলা বলেন,
وَعَاشِرُوهُنَّ بِالْمَعْرُوفِ ۚ فَإِن كَرِهْتُمُوهُنَّ فَعَسَىٰ أَن تَكْرَهُوا شَيْئًا وَيَجْعَلَ اللَّـهُ فِيهِ خَيْرًا كَثِيرًا
“নারীদের সাথে সদ্ভাবে জীবন-যাপন কর। অতঃপর যদি তাদেরকে অপছন্দ কর, তবে হয়ত তোমরা এমন এক জিনিসকে অপছন্দ করছ, যাতে আল্লাহ, অনেক কল্যাণ রেখেছেন।” (সূরা নিসা: ১৯)
◈ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:
« لاَ يَفْرَكْ مُؤْمِنٌ مُؤْمِنَةً ( أي : لا يبغض و لا يكره ) إِنْ كَرِهَ مِنْهَا خُلُقًا رَضِىَ مِنْهَا آخَرَ » ( رواه مسلم )
“কোন মুমিন পুরুষ কোনও মুমিন নারীকে ঘৃণা ও অপছন্দ করবে না; যদি সে তার কোনও স্বভাবকে অপছন্দ করেও, তাহলে সে তার অপর একটি স্বভাবকে পছন্দ করবে।” [সহিহ মুসলিম]

◈ তিনি আরও বলেন,
اسْتَوْصُوا بِالنِّسَاءِ ، فَإِنَّ المَرْأَةَ خُلِقَتْ مِنْ ضِلَعٍ ، وَإِنَّ أَعْوَجَ شَيْءٍ فِي الضِّلَعِ أَعْلاَهُ ، فَإِنْ ذَهَبْتَ تُقِيمُهُ كَسَرْتَهُ، وَإِنْ تَرَكْتَهُ لَمْ يَزَلْ أَعْوَجَ ، فَاسْتَوْصُوا بِالنِّسَاءِ
‘‘তোমরা স্ত্রীদের সাথে ভাল ব্যবহার করবে। কেননা মহিলাকে বাম পাঁজরের হাড় হতে সৃষ্টি করা হয়েছে। আর পাঁজরের হাড় সবচেয়ে বাঁকা হয়। যদি তুমি তা সোজা করতে চেষ্টা কর তাহলে তা ভেঙ্গে যাবে। আর যদি সেভাবেই ছেড়ে দাও তাহলে সর্বদা বাঁকাই থাকবে। সুতরাং তাদের সাথে সৎ ব্যবহার করতে থাক।’’ (সহিহ বুখারি/৩০৮৪)

সুতরাং কোন স্বামী যদি স্ত্রীর সাথে খারাপ আচরণ করে, তার হক নষ্ট করে, তার ভরণ-পোষণ না দেয় বা স্ত্রী-পরিবার ফেলে পালিয়ে বেড়ায় তাহলে নি:সন্দেহে আল্লাহর নিকট যেমন গুনাহগার হিসেবে পরিগণিত হবে তেমনি রাষ্ট্রীয় আইনেও সে অপরাধী বলে গণ্য হবে।

সুতরাং উক্ত স্বামীর কর্তব্য, এত দীর্ঘ সময় স্ত্রীকে তার অধিকার থেকে বঞ্চিত করার কারণে তার কাছে ক্ষমা চাওয়া পাশাপাশি আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাওয়া এবং নিজেদের মাঝে মিটমাট করে নেয়া।
আল্লাহ তাওফিক দান করুন।
▬▬▬▬◐◯◑▬▬▬▬▬
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ সেন্টার, সৌদি আরব

নামাজের প্রয়োজনীয় কিছু সূরা😍
20/09/2020

নামাজের প্রয়োজনীয় কিছু সূরা😍

কা'বার একটি পুরানো ছবি-১৯৬৬ সালের,বৃত্তে চিহ্নিত হচ্ছে হেরা পর্বত।
20/09/2020

কা'বার একটি পুরানো ছবি-১৯৬৬ সালের,
বৃত্তে চিহ্নিত হচ্ছে হেরা পর্বত।

হস্তমৈথুন লজ্জা নয় জানতে হবে তরুণ প্রজন্মের জন্য আশা করি সবাই পড়বেন অনেক কিছু শিখার আছে--------------------------------...
16/09/2020

হস্তমৈথুন লজ্জা নয় জানতে হবে তরুণ প্রজন্মের জন্য
আশা করি সবাই পড়বেন অনেক কিছু শিখার আছে
---------------------------------------------------------------------------
গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়।
বিয়ের আগে ছেলে/ মেয়ে না জানার কারণে একটি বদ অভ্যাসে জড়িয়ে পড়ে। 😞😞😞

আমাদের স্কুল কলেজ গুলোতে সব বিষয়ে বলা হলেও এ বিষয়ে বলা হয় না।
তাই এই বিষয় না জানার কারণে অনেক ছেলে/মেয়ে নিজের জীবনকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। 😞😞

Calculation করে দেখা গেছে বর্তমানে অবিবাহিত ছেলে মধ্যে ৮০% আর মেয়েদের মধ্যে ৬৫% এই বদ অভ্যাসে জড়িত। 😞
যেটাকে আরবীতে বলা হয় নিকাহ বিল ইয়াদি।
( অর্থাৎ হাতের সাথে বিবাহ করা)
ইংরেজিতে বলা হয় ma********on আর শুদ্ধ বাংলায় বলা হয় হস্তমৈথুন।
যেটাকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হারাম বলেছেন. এবং এর শাস্তি ভয়ানক হওয়ার কারণে কিয়ামতের দিন আংগুল এর পেট গুলো থেকে বাচ্চা অর্ধেক বের হয়ে থাকবে। বাকিটা ফেরেশতারা টেনে বের করবেন। অন্য আর এক জায়গায় বলা হয় এটার কারণে যে Sparm 20 লক্ষ শুক্রাণু থাকে। সেই শুক্রাণুগুলো থেকে একটি ডিম্বাণু তে গিয়ে বাচ্চা জন্ম হয়।
তো এই অপচয় এর কারণে আল্লাহ তাআলা বলবেন শুক্রাণুগুলোকে জীবন দাও।
যখন দিতে পারবে না তখন তাকে কঠিন শাস্তি দেওয়া হবে। এটাতো গেলো মৃত্যুর পরের কথা।

কিন্তু কেউ যদি ছাড়তে না পারে তাহলে তাকে দুনিয়াতে অনেক পস্তাতে হবে।
এটা করার কারণে ছেলেমেয়ে যেসব সমস্যার মধ্যে পড়তেছে।

১), বিয়ে করতে পারে না😞

২) বিয়ে করলেও স্ত্রীর হক আদায় করতে পারেনা।
Sparmএ যা শুক্রাণু রয়েছে তা শেষ হয়ে যাবে।
যার ফলে সন্তানের বাবা হতে পারবেনা। 😞

৩)Panis অস্বাভাবিক মোটা/ চিকন হয়ে যাবে
Panis আর দাঁড়াবে না।

৪)Sparm একেবারে পাতলা হয়ে যাবে যার ফলে প্রসাবের আগে পরে Sparm বের হয়ে। 😞

5)panis লুজ হয়ে যাবে তার ফলে দৌড় দিলেও বের হয়ে যাবে।

৬) আর অতিরিক্ত করার কারণে সর্বশেষ যেটা হবে প্রসাব করতে গেলে প্রশাব আসবে না বরং রক্ত বের হবে।😞😞😞🙏😞😞
----------------------
মেয়েরা যে সমস্যার সম্মুখীন হবেন।
----------------------

১)বিয়ের পর স্বামী সন্দেহ করবে যে বিয়ের আগে অন্য পুরুষের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করেছে হয়তো। 😞

২) কেননা এর দ্বারা Virgan নষ্ট হয়ে যাবে 😞

৩)Period ও স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

৪) বন্ধ হয়ে যাবার সম্ভবনা রয়েছে। 😞😞🙏

৫)Glanc লুজ হয়ে যাবে যার ফলে স্বামীকে তৃপ্তি দিতে পারবে না।
-------
৬) আর ছেলে/মেয়ের উভয়ের যে সমস্যাগুলো হবে তা হল মাথ্যা এবং কোমরের ব্যথা করবে।
-------
৭) অল্প বয়সে যৌবন শেষ হয়ে যাবে😞😞🙏🙏

৮) চেহারার সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যাবে

৯)রক্ত উৎপাদনের যে মেশিন রয়েছে দুর্বল হয়ে যাবে। ফলে রক্ত উৎপাদন কমে যাবে। কিডনি দুর্বল হয়ে যাবে। প্রশ্রাবের সমস্যা হবে।
মোট কথা শরীরের প্রত্যেকটা অঙ্গ দুর্বল হয়ে পড়বে।

১০)Absence of s*x pawer (যৌন দুর্বলতা ) এই রোগে ভুকতে হবে। 🤦😫

#এই গুনাহ থেকে বাঁচার উপায়🤗

১) কোন পণ্য গ্রাফি- ব্লু ফিল্ম -দেখা যাবে না- এটা দেখা হারাম। 🙏🙏
২) কোন খারাপ চিন্তা মনে আসতে না দেওয়া🙏

৩) নিজেকে সবসময় কাজকর্মে ব্যস্ত রাখা🙏

৪) বাথরুম- টয়লেটে ঢোকার সময়- শয়তানের ধোকা থেকে বাঁচার জন্য দোয়া পাঠ করা। অর্থাৎ টয়লেটে ঢোকার সময় যে দোয়া পাঠ করতে হয় সেটা

৫) সব সময় ওজু অবস্থায় থাকা

৬) কোন খারাপ চিন্তা মাথায় আসলে সাথে সাথে
ইস্তেগফার পড়া।

৭) যখন বেশি উত্তেজনা সৃষ্টি হয় তখন আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করো ও দুই রাকাত নফল নামাজ পড়া এবং নির্জনতা পরিহার করা অর্থাৎ মানুষের সামনে থাকলে এ কাজ করার সাহস হবে না।

৮) আর যারা অসুস্থ হয়ে পড়বে তারা ডাক্তারের সু পরামর্শ নেওয়া। 😷

বিঃদ্রঃ-মুসলিম ভাই ও বোনদের মারাত্মক ক্ষতি থেকে বাঁচার জন্য এই লেখা টি আল্লাহর কাছে দোয়া করি সবাই যাতে এই গুনাহ থেকে বেঁচে থাকতে পারে।

আর যারা যুক্তি উপস্থাপন করে হস্তমৈথুন কে বৈধতা দিতে চায় বা বৈধ করতে চায় তাদের থেকে 100 হাত দূরত্ব বজায় রাখবেন। 🙏🙏
কারণ এরা নিজেরাও ক্ষতির মধ্যে নিমজ্জিত এবং আপনাকেও ক্ষতির সম্মুখীন করতে চায়। এরা নিজেরাও গোমরাহ। বিপদগ্রস্ত আপনাকেও করে ছাড়বে। কারণ এরা নিজেরাই হস্তমৈথুন করে বিধায় সমাজে লোকদের বলে বেড়ায় এটা বৈধ। আস্তাগফিরুল্লাহ।
তাই এ সমস্ত লোকদের সাথে চলাফেরা বা উঠাবসা করা যাবে না।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সকল মুসলিম ভাই ও বোনদেরকে ইসলামের সঠিক বুঝ দান করুন এবং এই গুনাহ থেকে বাঁচার তৌফিক দান করুন।
আমিন।

কপি পোস্ট

▌কিয়ামতের দিন শাফায়াত লাভের ৬টি গুরুত্বপূর্ণ আমল:______________________________________________হাদিসের আলোকে কিয়ামতের দি...
13/09/2020

▌কিয়ামতের দিন শাফায়াত লাভের ৬টি গুরুত্বপূর্ণ আমল:
______________________________________________
হাদিসের আলোকে কিয়ামতের দিন শাফায়াত লাভের ৬টি গুরুত্বপূর্ণ আমল তুলে ধরা হল:
◈ ১) একনিষ্ঠ ভাবে আল্লাহর ইবাদত করা ও তাওহিদ বাস্তবায়ন করা:

আবু হুরায়রা রা. হতে বর্ণিত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
« أَسْعَدُ النَّاسِ بِشَفَاعَتِى يَوْمَ الْقِيَامَةِ مَنْ قَالَ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ ، خَالِصًا مِنْ قَلْبِهِ أَوْ نَفْسِهِ »
”কিয়ামতের দিন আমার শাফায়াত লাভে সেই ব্যক্তি সৌভাগ্য মণ্ডিত হবে, যে আন্তরিকভাবে বলবে: `লাইলাহা ইল্লাল্লাহ' তথা আল্লাহ ছাড়া সত্য কোন উপাস্য নেই।"(সহীহ বুখারী, অনুচ্ছেদ,হাদীসের প্রতি আগ্রহ,হাদীস নং ৯৯,শামেলা)
◈ ২) কুরআন পাঠ করা:

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন,
اقْرَءُوا الْقُرْآنَ فَإِنَّهُ يَأْتِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ شَفِيعًا لِأَصْحَابِهِ
"তোমরা কুরআন পাঠ কর। কেননা,কুরআন কিয়ামতের দিন তার পাঠকদের জন্য সুপারিশ কারী হবে।" (সহীহ মুসলিম)
◈ ৩) রোযা রাখা:

আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রা. হতে বর্ণিত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই হওয়া সাল্লাম বলেছেন:
« الصِّيَامُ وَالْقُرْآنُ يَشْفَعَانِ لِلْعَبْدِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ يَقُولُ الصِّيَامُ أَىْ رَبِّ مَنَعْتُهُ الطَّعَامَ وَالشَّهَوَاتِ بِالنَّهَارِ فَشَفِّعْنِى فِيهِ. وَيَقُولُ الْقُرْآنُ مَنَعْتُهُ النَّوْمَ بِاللَّيْلِ فَشَفِّعْنِى فِيهِ. قَالَ فَيُشَفَّعَانِ
”রোযা এবং কুরআন কিয়ামতের দিন বান্দার জন্য সুপারিশ করবে। রোযা বলবে, হে প্রভু, আমি তাকে দিনের বেলায় খাদ্য ও প্রবৃত্তির চাহিদা পূরণে বাধা দিয়েছিলাম। অত:এব আপনি তার ব্যাপারে আমার শাফায়ত কবুল করুন। আর কুরআন বলবে, আমি তাকে রাতের বেলায় ঘুম থেকে বাধা দিয়েছিলাম। অতএব,তার ব্যাপারে আমার শাফায়ত কবুল করুন। অত:পর তাদের শাফায়াত কবুল করা হবে।” (মুসনাদ আহমদ, মুসনাদ আব্দুল্লাহ ইবনে আমর হাদীস নং ৬৭৮৫, শামেলা, সনদ সহীহ).
◈ ৪) আযানের দুয়া পাঠ করা:

আলী ইবনু আইয়াশ (রহঃ) জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রা:) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি আজান শোনার পর এ দোয়া পড়বে:
«اللَّهُمَّ رَبَّ هَذِهِ الدَّعْوَةِ التَّامَّةِ وَالصَّلاَةِ الْقَائِمَةِ،آتِ مُحَمَّدًا الْوَسِيلَةَ وَالْفَضِيلَةَ ، وَابْعَثْهُ مَقَامًا مَحْمُودًا الَّذِى وَعَدْتَهُ، حَلَّتْ لَهُ شَفَاعَتِى يَوْمَ الْقِيَامَةِ»
"হে আল্লাহ,এ পরিপূর্ণ আহবান এবং প্রতিষ্ঠিত সালাত এর প্রতিপালক, মুহাম্মদ কে ওসিলা ও শ্রেষ্ঠত্ব দান কর। প্রতিষ্ঠিত কর তাকে মাকামে মাহমুদে, যার ওয়াদা তাঁকে তুমি দিয়েছ।"
কিয়ামতের দিন তার জন্য আমার শাফায়াত অনিবার্য হয়ে যাবে।
এ হাদিসটি হামযা ইবনু আবদুল্লাহ তার পিতা থেকে,তিনি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন) (সহীহ বুখারি (ইফা),অধ্যায়: ৫২/ তাফসীর, হাদীস নাম্বার: 4360)
◈ ৫) মদীনা মুনাওয়ারার কষ্টে ধৈর্য ধারণ করা ও সেখানে মৃত্যু বরণ করা:

হাদিসে বর্ণিত হয়েছে,
عَنْ أَبِى سَعِيدٍ مَوْلَى الْمَهْرِىِّ أَنَّهُ جَاءَ أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِىَّ لَيَالِىَ الْحَرَّةِ فَاسْتَشَارَهُ فِى الْجَلاَءِ مِنَ الْمَدِينَةِ وَشَكَا إِلَيْهِ أَسْعَارَهَا وَكَثْرَةَ عِيَالِهِ وَأَخْبَرَهُ أَنْ لاَ صَبْرَ لَهُ عَلَى جَهْدِ الْمَدِينَةِ وَلأْوَائِهَا. فَقَالَ لَهُ وَيْحَكَ لاَ آمُرُكَ بِذَلِكَ إِنِّى سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- يَقُولُ « لاَ يَصْبِرُ أَحَدٌ عَلَى لأْوَائِهَا فَيَمُوتَ إِلاَّ كُنْتُ لَهُ شَفِيعًا أَوْ شَهِيدًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ إِذَا كَانَ مُسْلِمًا ».
ঐতিহাসিক হাররার ঘটনার সময় আবু সাঈদ মাওলা আল মাহরী আবু সাঈদ খুদরীর রা. এর নিকট এসে মদীনা থেকে অন্যত্র চলে যাওয়ার জন্য পরামর্শ চাইলেন। তিনি অভিযোগ করলেন, মদীনার আসবাব-পত্র ও পণ্যের দাম বেশি এবং তার সন্তান-সন্ততির সংখ্যাও প্রচুর।
এও বললেন, মদীনার এই দু:খ ও কষ্টে ধৈর্য ধারণ করার ক্ষমতা তার নেই। আবু সাঈদ খুদরী তাকে বললেন,আফসোস! তোমাকে এ পরামর্শ দিতে পারি না। কারণ, আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি:
"যে ব্যক্তি মদীনার দু:খ-কষ্টে ধৈর্য ধারণ করে এবং সেখানেই মৃত্যু বরণ করে কিয়ামতের দিন আমি তার জন্য শুপারিশকারী বা সাক্ষী হব যদি সে মুসলিম হয়।"
(সহীহ মুসলিম,অনুচ্ছেদ: মদীনায় বসবাস করা ও সেখানকার দু:খ কষ্টে ধৈর্য ধারণ করার ব্যাপারে উৎসাহ দান,হাদীস নং ৩৪০৫,শামেলা)
◈ ৬) অধিক পরিমাণে সেজদা দেয়া তথা নফল সালাত আদায় করা:

হাদিসে বর্ণিত হয়েছে,
كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِمَّا يَقُولُ لِلْخَادِمِ : أَلَكَ حَاجَةٌ ؟ قَالَ : حَتَّى كَانَ ذَاتَ يَوْمٍ فَقَالَ : يَا رَسُولَ اللهِ ، حَاجَتِي قَالَ : وَمَا حَاجَتُكَ ؟ قَالَ : حَاجَتِي أَنْ تَشْفَعَ لِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ ، قَالَ : وَمَنْ دَلَّكَ عَلَى هَذَا ؟ قَالَ : رَبِّي قَالَ : إِمَّا لاَ ، فَأَعِنِّي بِكَثْرَةِ السُّجُودِ
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার খাদেমকে লক্ষ্য করে যে সব কথা বলতেন সেগুলোর মধ্যে একটি কথা হল, “তোমার কি কোন দরকার আছে?”
একদিন তিনি তার খাদেমকে এ কথাটি বললে-
খাদেম: হে আল্লাহর রাসূল,আমার একটি জিনিস দরকার।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম: "তোমার কী জিনিস দরকার?"
খাদেম: আপনি কিয়ামতের দিন আমার জন্য সুপারিশ করবেন।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম: "কে তোমাকে এ বিষয়টির সন্ধান দিলো?"
খাদেম: আমার প্রতিপালক।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম: "এটাই যদি তোমার চাওয়া হয় তবে অধিক পরিমাণ সেজদা করা তথা বেশি বেশি নফল সালাত আদায়ের মাধ্যমে আমাকে (এ ব্যাপারে) সাহায্য করো।" (মুসনাদ আহমদ,হাদীস নং ১৬৫০২,শামেলা)
এ প্রসঙ্গে আরেকটি হাদীস:
عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ كَعْبٍ الْأَسْلَمِيِّ -رضي الله عنه- قَالَ: كُنْتُ أَبِيتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ -صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ- فَأَتَيْتُهُ بِوَضُوئِهِ وَحَاجَتِهِ فَقَالَ لِي: (سَلْ) فَقُلْتُ: أَسْأَلُكَ مُرَافَقَتَكَ فِي الْجَنَّةِ، قَالَ: (أَوْ غَيْرَ ذَلِكَ؟) قُلْتُ: هُوَ ذَاكَ، قَالَ: (فَأَعِنِّي عَلَى نَفْسِكَ بِكَثْرَةِ السُّجُودِ)
রাবীয়া বিন কা'ব আসলামী রা. হতে বর্ণিত। তিনি বলেন,আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের (খেদমতের উদ্দেশ্যে) তাঁর সাথেই রাতে থাকতাম। (একদিন) আমি তার জন্য ওযুর পানি ও তার প্রয়োজনীয় কিছু জিনিস নিয়ে তার নিকট হাজির হলে তিনি আমাকে লক্ষ্য করে বললেন: চাও।
আমি: আমি জান্নাতে আপনার সাথে থাকতে চাই।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম: এটা ছাড়া অন্য কিছু?
আমি: এটাই।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম: "তোমার এ বিষয়ে আমাকে সাহায্য করো অধিক পরিমাণে সেজদা করার মাধ্যমে অর্থাৎ বেশি বেশি নফল সালাত আদায় করার মাধ্যমে।
(সহীহ মুসলিম, অনুচ্ছেদ: সেজদা করার মর্যাদা ও তাতে উদ্বুদ্ধ করণ, হাদীস নং ১১২২)
আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে কিয়ামতের দিন প্রিয় নবীর শাফাআত লাভে ধন্য করুন। আমিন।
_____________________________________
উত্তর প্রদানে: আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সৌদি আরব।
আইডি লিংক: https://www.facebook.com/AbdullaahilHadi
______________
#জান্নাহ্

অনলাইন থেকে সংগ্রহ করা।▌আমাদের সমাজে প্রচলিত ২৪৪ টি কুসংস্কার! ____________________________________________প্রিয় ভাই ও ...
09/09/2020

অনলাইন থেকে সংগ্রহ করা।
▌আমাদের সমাজে প্রচলিত ২৪৪ টি কুসংস্কার!
____________________________________________
প্রিয় ভাই ও বন্ধুগণ, আমাদের দেশে বিভিন্ন অঞ্চলে এধরনের বহু কুসংস্কার প্রচলিত রয়েছে। যা প্রতিনিয়ত মানুষ কথায় ও কাজে ব্যবহার করে থাকে। এগুলোর প্রতি বিশ্বাস করা ঈমানের জন্য মারাত্মক হুমকী। কিছু কিছু হল শিরক এবং স্পষ্ট জাহেলিয়াত। কিছু কিছু সাধারণ বিবেক বিরোধী এবং রীতিমত হাস্যকরও বটে।
মূলত: বাজারে ‘কি করিলে কি হয়’ মার্কা কিছু বই এসবের সরবরাহকারী। অশিক্ষিত কিছু মানুষ অন্ধবিশ্বাসে এগুলোকে লালন করে। তাই এ ব্যাপারে সচেতন হওয়া জরুরী। মানুষের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে সমাজে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা অসংখ্য কুসংস্কার থেকে এখানে কয়েকটি মাত্র উল্লেখ করা হয়েছে। আপনাদের নিকট যদি কিছু জানা থাকে তবে মন্তবের ঘরে সংযোগ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছি।
-------------------------------------------------------------------
১) বাচ্চাদের দাঁত পড়লে ইঁদুরের গর্তে দাঁত ফেললে সুন্দর দাত উঠে।

২) খাওয়ার সময় সালাম দেয়া-নেয়া যাবে না।

৩) কাউকে দেখে বলা- আপনার কথা হচ্ছিল আপনার হায়াত আছে।

৪) কোন বিশেষ পাখি দেখলে বা ডাকলে আত্মীয় আসবে মনে করা।

৫) বাড়ি থেকে বাহির হওয়ার সময় খালি কলস ,কালো বিড়াল, ঝাড়ু দেখলে যাত্রা অশুভ।

৬) খাওয়ার পর যদি কেউ গা মোচড় দেয়, তবে খানা কুকুরের পেটে চলে যায়।

৭) ঘর থেকে বের হয়ে পিছন দিকে ফিরে তাকানো বা ডাকা অশুভ ।

৮) খানার সময় হেচকি উঠলে কেউ স্মরণ করছে মনে করা।

৯) বৃষ্টির সময় রোদ দেখা দিলে শিয়ালের বিয়ে হয়। ব্যাঙ ডাকলে বৃষ্টি হবে।

১০) ভাই-বোন মিলে মুরগী জবেহ করা যাবে না।

১১) ঘরের ময়লা পানি রাতে বাইরে ফেলা যাবে না।

১২) বাসর ঘরে স্ত্রী নিকট দেন মোহর মাপ চেয়ে নিলেই চলে, দিতে হয় না।

১৩) খালি মুখে মেহমান ফেরত গেলে অমংগল হয়। কাউকে শুধু পানি দেয়া উচিত না।

১৪) কুরআন মাজীদ হাত থেকে পড়ে গেলে আড়াই কেজি চাল/লবন দিতে হয়।

১৫) পরীক্ষা পূর্বে ডিম খাওয়া যাবে না। খেলে পরীক্ষায় ডিম (শুন্য) পায়।

১৬) মুরগীর মাথা খেলে মা-বাবার মৃত্যু দেখবে না।

১৭) জোড়া কলা খেলে জোড়া সন্তান জন্ম নিবে।

১৮) রোদে অর্ধেক শরীর রেখে বসলে জ্বর হবে।

১৯) রাতে বাঁশ কাটা যাবে না। রাতে গাছ থেকে ফল পাড়া উচিত না ।

২০) রাতে গাছের পাতা ছিঁড়া যাবে না।

২১) ঘর থেকে বের হয়ে বিধবা নারী চোখে পড়লে যাত্রা অশুভ হবে।

২২) ঘরের চৌকাঠে বসা যাবে না।

২৩) মহিলাদের বিশেষ দিন গুলোতে সবুজ কাপড় পড়তে হয়,তার হাতের কিছু খাওয়া যাবে না।

২৪) বিধবা নারীকে সাদা কাপড় পরিধান করতে হয়।

২৫) ভাঙ্গা আয়না দিয়ে চেহারা দেখা যাবে না।

২৬) ডান হাতের তালু চুলকালে টাকা আসবে। আর বাম হাতের তালু চুলকালে বিপদ আসবে।

২৭) নতুন কাপড় পরিধান করার পূর্বে আগুনে ছেক দিয়ে পড়তে হবে।

২৮) নতুন কাপড় পরিধান করার পর পিছনে তাকাইতে নাই।

২৯) চোখে গোটা হলে ছোট বাচ্চাদের নুনু ছোয়ালে সুস্থ হয়ে যায়।

৩০) আশ্বিন মাসে নারী বিধবা হলে আর কোন দিন বিবাহ হবে না।

৩১) ঔষধ খাওয়ার সময় ‘বিসমিল্লাহ বললে’ রোগ বেড়ে যাবে।

৩২) রাতের বেলা কাউকে সুই-সূতা দিতে নাই।

৩৩) গেঞ্জি ও গামছা ছিঁড়ে গেলে সেলাই করতে নাই।

৩৪) খালি ঘরে সন্ধ্যার সময় বাতি দিতে হয়। না হলে ঘরে বিপদ আসে।

৩৫) গোছলের পর শরীরে তেল মাখার পূর্বে কোন কিছু খেতে নেই।

৩৬) মহিলার পেটে বাচ্চা থাকলে কিছু কাটা-কাটি বা জবেহ করা যাবে না।

৩৭) পাতিলের মধ্যে খানা থাকা অবস্থায় তা খেলে পেট বড় হয়ে যাবে।

৩৮) বিড়াল মারলে আড়াই কেজি লবণ দিতে হবে।

৩৯) বাচ্চাদের শরিরে লোহা বা তাবিজ থাকতে হবে।

৪০) রুমাল দিলে ঝগড়া হয়।ছাতা, হাত ঘড়ি ইত্যাদি ধার দেয়া যাবে না।

৪১) হোঁচট খেলে মনে করা ভাগ্যে দুর্ভোগ আছে।

৪২) হাত থেকে প্লেট পড়ে গেলে মেহমান আসবে।

৪৩) নতুন স্ত্রী কোন ভাল কাজ করলে শুভ লক্ষণ।

৪৪) নতুন স্ত্রীকে নরম স্থানে বসতে দিলে মেজাজ নরম থাকবে।

৪৫) কাচা মরিচ হাতে দিতে নাই।

৪৬) তিন রাস্তার মোড়ে বসতে নাই।

৪৭) রাতে নখ, চুল ইত্যাদি কাটতে নাই।

৪৮) রাতে কাক বা কুকুর ডাকলে বিপদ আসবে।

৪৯) শকুন ডাকলে, বিড়াল কাদলে মানুষ মারা যাবে। পেঁচা ডাকলে বিপদ আসবে।

৫০) কাউকে ধর্মের ভাই-বোন, বাবা-মা ডাকলেই আপন হয়ে যায়, পর্দা লাগে না।
৫১) তিনজন একই সাথে চলা যাবে না।

৫২) নতুন স্ত্রীকে দুলা ভাই কোলে করে ঘরে আনতে হবে।

৫৩) একবার মাথায় টাক খেলে দ্বিতীয় বার টাক দিতে হবে, নতুবা সিং উঠবে।

৫৪) খানা একবার নেওয়া যাবে না, দুই-তিন বার নিতে হবে।

৫৫) নতুন জামাই বাজার না করা পর্যন্ত একই খানা খাওয়াতে হবে।

৫৬) নতুন স্ত্রীকে স্বামীর বাড়িতে প্রথম পর্যায়ে আড়াই দিন অবস্থান করতে হবে।

৫৭) পাতিলের মধ্যে খানা খেলে মেয়ে সন্তান হয়, পেট বড় হয়।

৫৮) পোড়া খানা খেলে সাতার শিখবে।

৫৯) পিপড়া বা জল পোকা খেলে সাতার শিখবে।

৬০) দাঁত উঠতে বিলম্ব হলে সাত ঘরের চাউল উঠিয়ে রান্না করে কাককে খাওয়াতে হবে এবং নিজেকেও খেতে হবে।

৬১) সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠেই ঘর ঝাড়– দেয়ার পূর্বে কাউকে কোন কিছু দেয়া যাবে না।

৬২) রাতের বেলা কোন কিছু লেন-দেন করা যাবে না।

৬৩) সকাল বেলা দোকান খুলে বনি না করে কাউকে বাকী দেয়া যাবে না।

৬৪) দাঁড়ী-পাল্লা পায়ে লাগলে বা হাত থেকে নিচে পড়ে গেলে চুমা করতে হয়, দোকানের টাকার বাক্স সকালে চুমা করতে হয়। গাড়ি/রিক্সা সালাম করে চালান শুরু করতে হয়।

৬৫) শুকরের নাম মুখে নিলে ৪০দিন মুখ নাপাক থাকে।

৬৬) রাতের বেলা কাউকে চুন ধার দিলে চুন না বলে দই বলতে হয়।

৬৭) বাড়ি থেকে বের হলে রাস্তায় যদি হোঁচট খেয়ে পড়ে যায় তাহলে যাত্রা অশুভ হবে।

৬৮) ফসলের জমিতে মাটির পাতিল সাদা-কালো রং করে ঝুলিয়ে রাখতে হবে।

৬৯) বিনা ওযুতে বড় পীর আবদুল কাদের জিলানীর নাম নিলে আড়াইটা পশম পড়ে যায়।

৭০) নখ চুল কেটে মাটিতে দাফন করতে হয়।

৭২) মহিলারা হাতে বালা বা চুড়ি না পড়লে স্বামীর অমঙ্গল হয়।

৭৩) স্ত্রী নাকে নাক ফুল না রাখলে স্বামী বাচে না।

৭৪) দা, কাচি বা ছুরি ডিঙ্গিয়ে গেলে হাত-পা কেটে যাবে। ছোট বাচ্চা ডিঙ্গিয়ে গেলে লম্বা হয় না।

৭৫) গলায় কাটা বিঁধলে বিড়ালের পা ধরে মাপ চাইতে হয়।

৭৬) লেন দেনের জোড় সংখ্যা রাখা যাবে না। এক লক্ষ হলে একলক্ষ-এক টাকা ধার্য করা।

৭৭) দোকানের প্রথম কাস্টমার ফেরত দিতে নাই।

৭৮) পুরুষ ছেলের রাগ দমন করার জন্য কান ছিদ্র করা।

৭৯) পায়ে মেহেদি ব্যবহার করা উচিত না।

৮০) হজ্ব থেকে ফেরত আসলে ৪০ দিন ঘরে বসে থাকতে হয়।

৮১) আকিকার গোস্ত বাবা-মা খেতে পারবে না

৮২) সমাজের বেশি ভাগ মানুষ যা করে তাই সঠিক মনে করা।

৮৩) পীর না ধরলে মুক্তি পাওয়া যাবে না। যার পীর নাই তার পীর শয়তান মনে করা ।

৮৪) নতুন ঘর, ব্যবসা শুরু করতে মিলাদ দিতে হয়।

৮৫) খাতনা করলে, কলেমা পড়লেই মুসলান হয়, প্রতিদিন নামাজ লাগে না।

৮৬) শুক্রবার জুমার নামাজ পড়লেই চলে প্রতি দিন নামাজ লাগেনা।

৮৭) যুবক বয়সে নামাজ লাগে না, নামাজ বুড়াদের জন্য ।

৮৮) মৃত ব্যক্তির জন্য চল্লিশা, মৃত্যু বার্ষিকী না করলে মৃতের আত্বা কষ্ট পায়।

৮৯) মৃত ব্যাক্তির কবরে জিয়ারতের সময় মোমবাতি, আগরবাতি, ফুল দিতে হয়।

৯০) নামাজ পড়তে টুপি লাগে, বিয়ে করতে টুপি পরতে হয়।

৯১) বিয়ের পর মুরব্বিদের দাড়িয়ে সালাম করতে হয়, পায়ে হাত দিয়ে সালাম করতে হয়।

৯২) ঈদের রাতে, সবেবরাতের রাতে মৃত আপন জনের আত্বা ঘরে আসে।

৯৩) স্বামীর নাম , শশুরের নাম উচ্চারন করা যাবে না।

৯৪) মন ভাংগা ও মসজিদ ভাংগা সমান।

৯৫) তিন শুক্রবার জুমা না পড়লে স্ত্রী তালাক হয়ে যায়, মুসলমান থাকে না।

৯৬) হরলিকস খেলে বাচ্চারা ‘লম্বা-শক্তিশালী-বুদ্ধিমান’ হয়।

৯৭) মেয়ে সন্তান হয় স্ত্রীর দোষে।

৯৮) জন্মের পর বার বার সন্তান মারা গেলে অরুচিকর নাম রাখলে সন্তান বেঁচে যায়।

৯৯) বুড়া হলে হজ্ব করা উচিত, যুবক বয়সে হজ্ব “রাখা(!)” যায় না

১০০) একটি দাড়িতে সত্তরটি ফিরিশতা থাকে

১০১) একটি ভাতের দানা বানাতে সত্তরজন ফিরিশতা লাগে

১০২) চন্দ্র ও সূর্যগ্রহণের সময় গর্ভবতী মহিলা কিছু কাটলে গর্ভের সন্তানের ক্ষতি হয়

১০৩) ১৩ সংখ্যা অশুভ আর ৭ শুভ ।

১০৪) প্লেট চেটে খেলে কন্যা সন্তান হয়

১০৫) শবে বরাতের রাতের গোসল করলে গুনা মাফ হয়

১০৬) শবে বরাতে হালুয়া-রুটি বানালে আরশের নিচে ছায়া হবে

১০৭) রোযাদারের খাবারের হিসাব হবে না

১০৮) তালিবুল ইলমের জন্য সত্তর হাজার ফিরিশতা ডানা বিছিয়ে দেন

১০৯) দোকান ঝাড়ু দেয়ার আগে ভিক্ষা দেয়া বা বেচা-কেনা করা যাবে না

১১০) কলা হাত দিয়ে ভেঙে ভেঙে খাওয়া সুন্নত

১১১) প্রজাপতিকে পানি পান করালে মৃত ব্যক্তিকে পান করানো হয়

১১২) মসজিদে লাল বাতি জ্বলা অবস্থায় নামায পড়া নিষেধ

১১৩) মসজিদে দুনিয়াবী কথা বলা হারাম

১১৪) বিদ্যানের কলমের কালি শহীদের রক্তের চেয়ে মূল্যবান

১১৫) স্বামীর পায়ের নিচে স্ত্রীর জান্নাত।

১১৬) যে ঘরে সন্তান ভূমিষ্ঠ হয় সে ঘর কি চল্লিশ দিন নাপাক থাকে

১১৭) আগের উম্মত নবীর মাধ্যম ছাড়া দুআ করতে পারত না

১১৮) আশুরার রোযা: ষাট বছর ইবাদতের সওয়াব

১১৯) আল্লাহকে পাইতে মাধ্যাম লাগে, পীর হইল মাধ্যম

১২০) মুহাররম মাসে বিবাহ করা অশুভ

১২১) ফিরিশতারা গুনাহ মাথায় নিয়ে মসজিদের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকেন

১২২) কবরের চার কোণে চার কুল (অর্থাৎ সূরা কাফিরুন, ইখলাস, ফালাক, নাস) পাঠ করা

১২৩) কোন বস্তু/ ব্যক্তি কে লক্ষ্মী বা শুভ মনে করা

১২৪) ডানে শুভলক্ষণ বামে কুলক্ষণ নির্ধারনে পাখিকে ঢিল মারা

১২৫) মাগরীবের আযান দিলে দোকান পাট বা গাড়িতে ‘সন্ধ্যার বাতি’ জালানো

১২৬) রোজা- নামাজের নিয়ত (আরবীতে বা মাতৃভাষায়)মুখে উচ্চারন করা

১২৭) জিবরীলের চার প্রশ্ন ... আপনি বড় না দ্বীন বড়?

১২৮) শয়তান ঈদের দিন রোজা রাখে

১২৯) দোকানে বরকতের জন্য সকালে গোলাপজল সন্ধ্যায় আগরবাতি জ্বালাতে হয়

১৩০) গোঁফ স্পর্শ করা পানি পান করা হারাম

১৩১) খোদার পর বাবা-মা তারপর নবীজী

১৩২) মৃতের রূহ চল্লিশ দিন বাড়িতে আসা যাওয়া করে

১৩৩) আল্লাহ কোনো বান্দার দিকে ১০ বার রহমতের নজরে তাকালে সে নিয়মিত জামাতে নামাজ পড়তে পারে। আর ৪০ বার তাকালে হজ্ব করতে পারে। আর ৭০ বার তাকালে আল্লাহর রাস্তায় বের হতে পারে।’

১৩৪) দোয়ার শেষে হাতে চুমু খেতে হয়

১৩৫) বদ নযর থেকে হেফাযতের জন্য শিশুর কপালে টিপ দিতে হয়।
১৩৬) মেয়ে সন্তান হলে আযান দিতে হয় না।

১৩৭) যাকাত শুধু রমযান মাসে আদায় করতে হয়

১৩৮) গায়রে মাহরামের সাথে কথা বললে অযু নষ্ট হয়ে যায়

১৩৯) ছেলের পিতা ও বন্ধুরা পাত্রী দেখবে ও যাচাই করবে

১৪০) টাখনুর উপর কাপড় শুধু নামাযের সময় উঠাতে হয়

১৪১) বাচ্চাদের বদনজর থেকে রক্ষার জন্য -,‘ষাট ষাট বালাই ষাট’ বলতে হয়।

১৪২) কিয়ামতের আলামত : বেগুন গাছ তলায় হাট বসবে।

১৪৩) নাম বদলালে আকীকা দিতে হয়।

১৪৪) কিয়ামতের দিন নবীজী তিন স্থানে বেহুশ হবেন(নাউযুবিল্লাহ)।

১৪৫) ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন শুধু মৃত্যু সংবাদ শুনে বলতে হয়।

১৪৬) হাঁটু খুলে গেলে অযু ভেঙ্গে যায়।

১৪৭) জুমার রাত কদরের রাত থেকেও উত্তম।

১৪৮) সুরমা তুর পর্বত এর তাজাল্লী থেকে সৃষ্টি।

১৪৯) কবরের দিকে আঙ্গুল দিয়ে ইশারা করা নিষেধ।

১৫০) মেরাজে নবীজীর সাতাশ বছর সময় লেগেছিল।

১৫১) তওবার জন্য অযু জরুরি।

১৫২) শ্বশুর বাড়ি প্রবেশের আগে নববধুর পা ধোয়াতে হয়।

১৫৩) খাওয়ার পর প্লেট ধোয়া পানি পান করা সুন্নত।

১৫৪) আজানের জবাবে পুরুষ পাবে এক লক্ষ নেকী, মহিলা দুই লক্ষ নেকী।

১৫৫) হযরত ওমরের ইসলাম গ্রহণের দিন কাবা শরীফে আযান শুরু হয়।

১৫৬) দিনের প্রথম উপার্জন হাতে পাওয়ার পর তাতে চুমো দেয়া, গাড়ির স্টিয়ারিং, হাতল বা কোনো অংশে ছোঁয়ানোর পরে বুকে ও চোখে লাগানো।

১৫৭) মাদরাসা রাসূলের ঘর।

১৫৮) ধর্ম যার যার, উৎসব সবার।

১৫৯) কারো অকাল (অসময়ে) মৃত্যু হয়েছে মনে করা ।

১৬০) প্রবল ঝড়-বৃষ্টি বন্ধের জন্য আযান দেয়া।

১৬১) বৃষ্টির জন্য ব্যাঙের বিয়ের আয়োজন করতে হয়

১৬২) জ্ঞান অর্জনের জন্য প্রয়োজনে চীন দেশে যাও- হাদিস মনে করা

১৬৩) মসজিদে নববীতে চল্লিশ ওয়াক্ত নামায জরুরি মনে করা

১৬৪) বিয়েতে ‘কালেমা’ পড়তে হয়, মৃতের লাশ নেয়ার সময় কলেমা পড়তে হয়।

১৬৫) বিশেষ দিনে/ শ্রদ্ধা জানাতে ছবি, মুর্তি বা কবরে ফুল দিতে হয়।

১৬৬) আল্লাহ্ তালার আঠারো হাজার মাখলুকাত

১৬৭) কাফের মারা গেলে ‘ফী নারি জাহান্নামা’ বলতে হয়

১৬৮) বিধবার অন্যত্র বিবাহ হলে সে পূর্বের স্বামীর সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হয়

১৬৯) আসরের সালাতের পর কিছু খাওয়া উচিত না

১৭০) ভাত পড়লে, তুলে না খেলে তা কবরে সাপ-বিচ্ছু হয়ে কামড়াবে

১৭১) কেউ হঠাৎ ভয় পেলে বুকে থুথু দিতে হয়।

১৭২) বাচ্চা বিছানায় পেশাপ করলে তাবিজ দিতে হয়।

১৭৩) শালি–দুলাভাই আপন ভাই বোনের মত, পর্দা লাগে না।

১৭৪) ভালো মানুষের নামাজ লাগে না।
১৭৫) পীর-দরবেশদের হিসাব আলাদা, তাদের সাধারন মানুষদের মত নামাজ- রোজা লাগেনা।

১৭৬) স্ত্রী স্বামীকে তালাক নিলে দেন মোহর দিতে হয় না।

১৭৭) গোসল করে ফল খেতে হয় না।

১৭৮) গর্ভবতী মহিলা সর্বদা লোহা, ম্যাচের কাঠি, রশুন সাথে রাখবে, নতুবা অমংগল হয়।

১৭৯) জবাইকৃত মুরগির পেটের ডিম, বাড়িতে তৈরি প্রথম পিঠা অবিবাহীত মেয়েরা খাবে না

১৮০) মৃতের বাড়িতে তিন দিন চুলা জ্বালাতে হয় না

১৮১) আযান শুনলে মেয়েরা মাথায় কাপড় দিবে, অন্য সময় না দিলেও চলে।

১৮২) বিশ্বাসে মিলায় বস্তু, তর্কে বহু দুর

১৮৩) দুধ ও আনারস এক সাথে খেলে বিষ হয়ে যায়

১৮৪) রত্ন-পাথর ব্যবহারে ভাগ্য পরিবর্তন হয়, নীলা সবার সহ্য হয় না, ভাগ্যে শনির প্রভাব পড়ে, হাতে ভাগ্য লিখা থাকে, পাথর ব্যবহার করা সুন্নত।

১৮৫) খাবার পর মিষ্টি খাওয়া সুন্নত।

১৮৬) দোয়া করতে হুজুর ডাকতে হয়, নিজে না করাই ভাল।

১৮৭) পীর-ফকির তাদের মুরিদদের হিসাব ছাড়া বেহেস্তে নিয়ে যাবে।

১৮৮) বিড়াল মারলে লবন ও গামছা সদগা দিতে হয়।

১৮৯) মাজারে সিন্নি দিতে হয়, মুরগি-খাসি দান করতে হয়।

১৯০) রাস্তার পাশে কবর-মাজার দেখলে ভক্তি সহকারে দূর থেকে চুমা করতে হয়।

১৯১) পীর বাবা সন্তান দিতে পারে

১৯২) গাছের ফল চুরি হলে গাছে আর ফল ধরে না।

১৯৩) রান্না করার জন্য হলুদ ধার দেয়া যাবে না।

১৯৪) জামা গায়ে থাকা অবস্থায় সেলাই করলে অসুখ হয়।

১৯৫) মাথায় হাত দিয়ে বসে থাকলে অসুখ হয়।

১৯৬) অষ্ট ধাতুর আংটি, বালা ব্যবহার করলে বাত/বাতজ্বর/রক্ত চাপ ইত্যাদি অসুখ ভাল হয়।

১৯৭) পিতা-মাতা, সন্তান, নেতা-নেত্রী, পীরের ছবি ঘরে রাখলে বরকত হয়।

১৯৮) ফরজ গোসল না করলে ঘরের কাজ করা যায় না।

১৯৯) মেয়ে সন্তানদের সম্পদের হিস্যা দেয়া জরুরী না, বিনা হিসাবে কিছু একটা দিলেই চলে।

২০০) আল্লাহ তালা নবী কে সৃষ্টি না করলে কোন মানুষ সৃষ্টি করতেন না।
২০০) আল্লাহ তালা নবী কে সৃষ্টি না করলে কোন মানুষ সৃষ্টি করতেন না।

২০১) হরিন ও নবীর কাহিনী, বরই কাটা বিছানো বুড়ি ও নবীর কাহিনী সত্য মনে করা।

২০২) নবী নূরে তৈরি, মাটির নয়।

২০৩) মানুষ মারা গেলে আকাশের তারা হয়ে যায়।

২০৪) মানুষ মরে ভুত হয়।

২০৫) কুকুর কামড়ে মানুষের পেটে কুকুরের বাচ্চা হয়।

২০৬) পেশাপ করে কুলুপ/টিসু ব্যবহা করতে হবে, শুধু পানি ব্যবহার চলবে না।

২০৭) পেশাপের পর কুলুপ ধরে চল্লিশ কদম না চললে নাপাকি যায় না।

২০৮) যাকাত হিসাব করা জরুরি না, বিনা হিসাবে দিলেও চলে।

২০৯) আপন বাপ জীবিত থাকলেও বিয়েতে অন্য মুরব্বিকে উকিল বাপ বানানো।

২১০) বিয়েতে গায়ে হলুদের আয়োজন করা।

২১১) সালাতে ইমামের ভুল হলে “সুবাহান্নাহ” না বলে “আল্লাহু আকবার” বলা।

২১২) ছোটরাই শুধু বড়দের সালাম দিবে, বড়রা দিবে না।

২১৩) পশ্চিম দিকে পা দিয়ে বসলে বা শুলে গুনা/বেয়াদবী হয় বা কবিরা গুনা হয়।

২১৪) মাজহাব মানা ফরজ।

২১৫) কদম বুসি বা পায়ে ধরে চুমা বা সালাম ইসলামী বিধান মনে করা।

২১৬) যৌতুক হালাল মনে করা।

২১৭) আবদুল কাদের জিলনী মায়ের পেটে ১৮ পাড়া কোরান মূখস্ত করেছেন।

২১৮) আইযুব নবীকে ১৮ বছর শরীরে পোকা কামড়িয়েছে।

২১৯) ইউসুফ নবী জুলেখার সাথে প্রেম করেছেন ও বিয়ে করেছেন।

২২০) নুহ নবীর নৌকায় মানুষ পায়খানা করেছে, এক বুড়ি সেখানে পড়ে বয়স কমেছে।

২২১) রাবেয়া বাসরী হজ্ব করছে মক্কা যেতে হয় নাই, কাবা তার সামনে হাজির হয়েছে।

২২২) গাউসে পাকের নাম জপিলে আল্লাহ পাওয়া যায়।(আসতাগফিরুল্লাহ)

২২৩) পীরের মুরিদ হলে নামাজ-রোজা লাগে না।ফানা ফিল্লাহ-এ পৌছে গেলে কিছু লাগে না।

২২৪) বড় পীর(!)আব্দুল কাদের জিলানী, মুসা নবীর ভুল ধরেছেন।

২২৫) পীর দেওয়ান বাগীর স্ত্রী হচ্ছেন নবীর মেয়ে ফাতেমা।

২২৬) পীরের তরিকায়-চোখের জলে অজু করি মনের কাবায় নামাজ পড়ি- সঠিক মনে করা

২২৭) পীরেরা কবরে জীবিত, তারা মুরিদদের বিপদে সাহায্য করে- বিশ্বাস করা।

২২৮) শরীর কেটে রক্ত পড়লে ওজু ভেঙ্গে যায়।

২২৯) বমি হলে অজু ভেঙ্গে যায়।

২৩০) ওজু থাকা অবস্থায় অজু করলে দশ গুন নেকী।

২৩১) মুসল্লির ওজুতে ক্রুটির কারনে ইমামের কেরাত ভুল হয়।

২৩২) মাথা নেড়া বা চুল খুব ছোট রাখা নেকির কাজ মনে করা।

২৩৩) মৃত স্বামীকে স্ত্রী বা স্ত্রীকে স্বামী দেখতে/ধরতে/গোসল দিতে পারবে না মনে করা।

২৩৪) মৃতের নখ, শরিরের বিভিন্ন স্থানের চুল পরিষ্কার করে দিতে হয়।

২৩৫) বিদ্যা অর্জনের জন্য প্রয়োজনে চীন দেশে যাও।

২৩৬) কারো মৃত্যুর পরে তার কাছের কারো বাচ্চা হলে মনে করা- মৃত ব্যাক্তি ফিরে এসেছে

২৩৭) বড় বিপদ থেকে ফিরে আসলে সোনা-রুপা ভেজান পানি দিয়ে গোসল করতে হয়।

২৩৮) মোমিন ব্যাক্তির অন্তর আল্লাহর আরস

২৩৯) প্রেম-ভালোবাসায় কোন পাপ নেই।

২৪০) সকালে গাড়ী চালানো শুরুর পূর্বে ড্রাইভারকে গাড়ীর স্টেয়ারিং হুইলে চুমা করতে হয়।

২৪১) পীরের নাম মনে করে গাড়ী চালালে বিপদ হয় না।

২৪২) হাশরের দিন পীরগন মুরিদের জন্য সাফায়াত করবে।

২৪৩) প্রত্যেক মুসলমানের জীবনে একবার চিল্লা দিতে হয়।

২৪৪) পীর-আউলিয়াগন মারেফত জানে।

* কুসংস্কার মানা, অপরকে মানতে বলা, মুরব্বিরা করেছেন তাই মানা – শিরক

ইসলামে কুসংস্কারের কোনো স্থান নেই। এই কুসংস্কারের জন্যই আল্লাহর ওপর আস্থা ও ধর্মবিশ্বাস এবং আল্লাহর প্রতি পরম নির্ভরতা বা তাওয়াক্কুল বহুলাংশে লোপ পায়।

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন (অর্থ) রোগ লেগে যাওয়া, কুলক্ষণ, প্যাঁচা ও সফর-সবের কোনো বাস্তবতা নেই।
(বুখারি : ৫৭৫৭; মুসলিম : ৫৭৪৩)।

* কেউ যদি কোন আমল করে যার আদেশ রাসূল (সা:) করেননি, তা বাতিল।
(সহিহ মুসলিম ২য় খন্ড পৃ-৭৭)

আল্লাহ'তায়াল আমাদের যাবতীয় কুসংস্কার থেকে হেফাজতে রাখুন। আমীন
__________________________________________
লাইক দিয়ে পেজের পাশেই থাকুন ইনশাআল্লাহ👇
Voice of Quran Sunnah

Address

London

Telephone

+18356298359

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আল-কোরআন ও সহীহ হাদিস posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to আল-কোরআন ও সহীহ হাদিস:

Share