একই তারিখে ও বারে সারা বিশ্বে জুমুয়াহ, সিয়াম রোজা এবং ঈদ

  • Home
  • United Kingdom
  • Birmingham
  • একই তারিখে ও বারে সারা বিশ্বে জুমুয়াহ, সিয়াম রোজা এবং ঈদ

একই তারিখে ও বারে সারা বিশ্বে জুমুয়াহ, সিয়াম রোজা এবং ঈদ আল-কুরআন ও আল-হাদীস (ক্বওলী ও ফে'লী) এর আলোকে একই তারিখে এবং একই বারে বা ২৪ ঘন্টায় সারা বিশ্বে ঈদ-সিয়াম পালনের পক্ষে-বিপক্ষে মত বিনিময়।

কেনো..??
28/08/2026

কেনো..??

🕌 নবীপ্রেমের প্রকৃত মাপকাঠি: সহীহ সুন্নাহর অনুসরণপ্রথমে কোনো সংখ্যা না বসিয়ে যতগুলো শূন্যই পাশাপাশি সাজানো হোক না কেন, ...
25/08/2026

🕌 নবীপ্রেমের প্রকৃত মাপকাঠি: সহীহ সুন্নাহর অনুসরণ

প্রথমে কোনো সংখ্যা না বসিয়ে যতগুলো শূন্যই পাশাপাশি সাজানো হোক না কেন, সংখ্যাটি যত বড়ই দেখাক তার প্রকৃত মান শূন্যই থাকে।

তদ্রূপ, কথিত ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে নবী ﷺ-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের নামে যত জশন-জুলুশ, মনগড়া আমল ও ইবাদতই করা হোক না কেন যদি তা সহীহ সুন্নাহ ও সালাফদের মানহাজের পরিপন্থী হয়, তবে তা আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতে এমন মনগড়া ইবাদত বিদ‘আত।
নবী ﷺ-কে ভালোবাসার জন্য কোনো নির্ধারিত দিবসের প্রয়োজন নেই। একজন মুমিনের জীবনের প্রতিটি মুহূর্তেই নবী ﷺ-এর প্রতি ভালোবাসা থাকা উচিত নিজের পিতা-মাতা, পরিবার এবং নিজের জীবনের চেয়েও অধিক।

আর সেই ভালোবাসার প্রকৃত প্রমাণ হলো নবী ﷺ-এর সহীহ সুন্নাহকে অনুসরণ করা, তাঁর আদর্শকে জীবনে বাস্তবায়ন করা এবং তাঁর নির্দেশিত পথেই চলা।

লোকদেখানো আয়োজন, মনগড়া দিবস নির্ধারণ কিংবা শরিয়তসম্মত প্রমাণবিহীন আমলকে নবীপ্রেমের মাপকাঠি বানানো প্রকৃত নবীপ্রেম নয়। বরং প্রকৃত নবীপ্রেম হলো তাঁর সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরা এবং তাঁর দেখানো পথ অনুসরণ করা।
সুতরাং, যে কোনো ইবাদত বা ধর্মীয় আমল কুরআন, সহীহ সুন্নাহ ও সালাফদের মানহাজের পরিপন্থী হলে তা থেকে বিরত থাকা প্রত্যেক মুমিনের কর্তব্য।

📌 বিশেষ দ্রষ্টব্য:
১২ রবিউল আউয়ালকে নবী ﷺ-এর জন্ম ও মৃত্যু উভয়ের নির্ধারিত তারিখ হিসেবে প্রচার করা ঐতিহাসিকভাবে বিতর্কিত। অধিকাংশ ঐতিহাসিকের মতে, নবী ﷺ সোমবার জন্মগ্রহণ করেন এবং সোমবারই ইন্তেকাল করেন; তবে নির্দিষ্ট তারিখ নিয়ে ঐতিহাসিকদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। তাই কোনো একটি তারিখকে অকাট্যভাবে নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।

25/08/2026

পর্ব ৪
(ক) হাদীসে নতুন চাঁদ (হেলাল) দেখতে বলা হয়েছে নাকি চাঁদ (ক্বমর) দেখতে বলা হয়েছে?

(খ) নতুন চাঁদ আর চাঁদের মধ্যে কোন পার্থক্য আছে কিনা?

উত্তরঃ (ক) পর্ব-৩এ প্রদত্ত উভয় হাদীসেই নতুন চাঁদ (হেলাল) দেখার কথা। বলা হয়েছে, কোথাও চাঁদ (ক্বমর) দেখার কথা বলা হয় নি।

প্রথম হাদীসে বলা আরবী- "লাতাছুমু হাত্তা তারাউল হিলালা" বাক্যে হেলাল দিয়ে নতুন চাঁদ দেখতে বলা হয়েছে। বাকী অংশের শেষে "হু" অক্ষর দিয়ে হেলাল বা নতুন চাঁদ দেখার কথাই বুঝানো হয়েছে।

দ্বিতীয় হাদীসে প্রথম কথার শেষে "হি" এবং দ্বিতীয় কথার শেষে "হি" এই দুই

"হি" দিয়ে হেলাল বা নতুন চাঁদ দেখার কথাই বলা হয়েছে। তাই উপরোক্ত দুই হাদীসেই নতুন চাঁদ দেখতে বলা হয়েছে, চাঁদ দেখতে বলা হয়নি। রাসুল (সাঃ) এক হাদীসে নতুন চাঁদ আর অন্য হাদীসে চাঁদ দেখার কথা বলতে পারেন না। প্রকৃতপক্ষে তিনি কোন হাদীসেই ক্বমার অর্থ চাঁদ দেখতে বলেননি। কারন নতুন চাঁদ আর চাঁদ সম্পূর্ন ভাবেই আলাদা বিষয়। এর পার্থক্য যারা বুঝেন না তারাই শুধু এই ভুলটা করে থাকেন। হাদীসের অনুবাদকগন ভুল করে নতুন চাঁদের পরিবর্তে চাঁদ কথাটা লিখে ফেলেছেন। এতে করে রাসুল (সাঃ) এর হাদীস বিকৃত হয়ে গেছে। পরবর্তীতে সবাই এটাকেই সঠিক বলে ধরে নিয়েছেন। তাইবলে রাসুলের নামে এমন মিথ্যাকে কখনো সত্য বলে মেনে নেওয়া যায় না। এই ভাবে নবচন্দ্র দর্শনের কথা সন্দেহাতীত ভাবে উভয় হাদীসেই পাওয়া গেল। অতএব চাঁদ দেখে রোজা/ঈদ পালন করার কথা রাসুল (সাঃ) কোন হাদীসেই বলেননি। তবে নতুন চাঁদ দেখার ব্যপারে যদি কোন স্বাক্ষ্য না পাওয়া যায় তখন ওজরের কারনে আসবাকুর রুইয়া অর্থাৎ প্রথম দেখাকে নতুন চাঁদ গন্যকরে অতীতে রোজা/ঈদ পালন করতে হয়েছে। বর্তমানে সেই ওজর নেই বিধায় আগের মত আসবাকুর রুইয়া কোনক্রমেই গ্রহনযোগ্য হতে পারে না।

© ইঞ্জিনিয়ার মোঃ এনামুল হক

25/08/2026

রা*গে গেলো কেনো..??

23/07/2026

পর্ব - ৩

সওম/ঈদ সম্পর্কে বিভিন্ন কিতাবে বর্নিত দুটো গুরুত্বপূর্ন হাদীস ও তার সঠিক ব্যাখ্যা কি?

প্রথম হাদীস হচ্ছে-

" لا تَصُومُوا حَتَّى تَرَوُا الهلال ولا تُفْطِرُوا حَتَّى تَرَوْهُ فَإِنْ أُعْمِيَ عَلَيْكُمْ فَاقْدِرُو

বাংলা উচ্চারনঃ “লাতাছুমু হাত্তা তারাউল হিলালা ওয়া লাতুফতিরু হাত্তা তারাওহু, ফাইন গুম্মা আলাইকুম ফাকুদিরুলাহু”।

সকল সহীহ হাদীসঃ বুখারী-১৯০৬ (আহা), মুসলিম-২৩৮৮ (আহা), সুনানে আবু দাউদ-২৩২০ (আহা), মুয়াত্তা ইমাম মালিক-৬১৭ (আহা), জামে আততিরমিজী-৬৮৮ (আহা)

অর্থ- তোমরা (সকল উম্মাত / মুসলিম উম্মাহ) সওম রাখবে না যে পর্যন্ত নতুন চাঁদ না দেখ এবং ইফতার (ঈদ পালন) করবে না যে পর্যন্ত তা না দেখ, আর যদি (নতুন চাঁদ) কোন কারনে তোমাদের কাছে অদৃশ্য হয় (অদেখা হয়) তবে তার জন্য (পূর্ন মাসের) হিসাব কর।

ব্যাখ্যাঃ এই হাদিসে সওম/ঈদের জন্য নতুন চাঁদ খালি চোখে দেখা প্রত্যেকের জন্য বাধ্যতামূলক বলা হয়েছে। কিন্তু সকলকেই দেখতে হবে এমন কথা বলা যেমন প্রশ্নের উদ্রেক করে, অন্ধ লোকে দেখতে পাবে না তাই সওম/ঈদে সে কি করবে তা নিয়েও তেমন প্রশ্ন থেকে যায়। দেখাযাক এর সমাধান দ্বিতীয় হাদীসে পাওয়া যায় কিনা।

দ্বিতীয় হাদীস হচ্ছে- صُومُوا لِرُؤْيَتِهِ وَأَفْطِرُوا لِرُؤْيَتِهِ فَإِنْ غُبِّيَ عَلَيْكُمْ فَأَكْمِلُوا عِدَّةَ شَعْبَانَ

ثَلاثِينَ" বাংলা উচ্চারনঃ "চুমু লিরুইয়াতিহী ওয়াআফতিবু লিরুইয়াতিহী, ফাইন উগমিয়া আলাইকুম ফাআকমিলু ঈদ্দাতা শাবানা সালাসিন"।

সকল সহীহ হাদীসঃ- বুখারী-১৭৮৩ (ইফা), মুসলিম-২৩৬৫ (ইফা), আবু দাউদ-২৩১৪ (ইফা), নাসাঈ-২১২২ (ইফা), তিরমিযী-৬৮৫ (ইফা), বুখারী- ১৯০৯ (আহা) এবং সুনান আননাসাঈ-২১১৭ হতে ২১২০ (আহা)।

অর্থ- তোমরা (সকল উম্মাত / মুসলিম উম্মাহ) সওম রাখ নতুন চাঁদ দেখার মাধ্যমে / ভিত্তিতে এবং ইফতার (ঈদ পালন) কর নতুন চাঁদ দেখার মাধ্যমে / ভিত্তিতে। আর যদি (নতুন চাঁদ) কোন কারনে তোমাদের কাছে অদৃশ্য হয় (অদেখা হয়) তবে শাবানের ত্রিশ দিন পূর্ন কর।

ব্যাখ্যাঃ এই হাদীসে 'লিরুইয়াতিহি' কথাটা দুই বার এসেছে। এখানে 'লি' অর্থ হচ্ছে জন্য/মাধ্যমে/ভিত্তিতে; 'রুইয়াত' অর্থ হচ্ছে দেখা আর 'হি' অর্থ হচ্ছে নতুন চাঁদ। পুরো অর্থ দাড়াল- নতুন চাঁদ দেখার মাধ্যমে বা ভিত্তিতে। এখানে মাধ্যমে কথাটা দিয়ে নতুন চাঁদ দেখা অথবা দেখার স্বাক্ষ্য পাওয়াকে বুঝানো হয়েছে। যারা দেখবে না তারা স্বাক্ষ্য পেয়েই সওম রাখবে। একইভাবে অন্ধরাও স্বাক্ষ্য পেয়েই সওম রাখবে।

মন্তব্য-১ঃ উভয় হাদীসের শেষাংশের বক্তব্য হচ্ছে- যদি (২৯ তারিখে) কোন কারনে (যেমন মেঘ, ঘন কুয়াশা অথবা ধুলি ঝড়) নতুন চাঁদ দেখা না যায় তবে মাস পূর্ন করতে হবে। এই বিষয়টা মদীনায় অথবা তৎপরবর্তী যুগে বিভিন্ন দেশে কিম্বা এলাকার ভিত্তিতে নতুন চাঁদ দেখার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ছিল। যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকার কারনে এই শর্ত অবশ্যই গ্রহনযোগ্য ছিল। তবে বিশ্বব্যাপী আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপিত হবার পর এই শর্ত আর কার্যকরী নেই। তাইবলে হাদীসের এই অংশকে বাতিল বলা যাবে না।

✍🏻 Engr Mohammad Enamul Huq

23/07/2026

পর্ব ২

সকল হাদীস রাসুল (সাঃ) কাদেরকে উদ্দেশ্য করে বলে গেছেন? আর হাদীসে বলা 'তোমরা' শব্দের অর্থ কি?

উত্তরঃ এক কথায় উভয় প্রশ্নের জবাব হল- যারা রাসুল (সাঃ) কে অনুসরণ করেণ তাদেরকে উদ্দেশ্য করেই সকল হাদীস বলা হয়েছে। এক কথায় তাদের পরিচয় হচ্ছে উম্মাতে মোহাম্মাদী। তারা এক সময়ে শুধু মদীনায় বাস করত। তারপর ক্রমান্বয়ে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে। বর্তমানে তারা সারাবিশ্বেই বসবাস করছে। ফলে তাদের এখনকার পরিচয় হচ্ছে মুসলিম উম্মাহ। এরা সবাই শুধু কোরআন এবং হাদীস মেনে চলে। অতএব যেই হাদীস এক সময়ে মদীনার মুসলমানরাই অনুসরন করত সেই হাদীস বর্তমানে বিশ্বমুসলিম উম্মাহ মেনে চলবে এতে দ্বিমত করার কোনই সুযোগ নেই।

তাই 'তোমরা' কথা দিয়ে এখন গোটা মুসলিম উম্মাহকেই বুঝতে হবে, কোন দেশ বা দেশের মানুষকে বুঝা যাবে না। কারন কোন দেশ বা মহাদেশের মুসলমানদের জন্য আলাদা করে রাসুল (সাঃ) একটা হাদীসও বলে যাননি। অতএব উম্মতে মুহাম্মদী হিসেবে মুসলিম জাতি বলতে মুসলিম উম্মাহকেই বুঝায়। তাই মুসলিম উম্মাহকে আল্লাহর নির্দেশ মোতাবেক একতাবদ্ধ থাকতে হবে বিভেদ করা যাবে না (৩ঃ১০৩)। একতাবদ্ধ থাকা সবার জন্য ফরজে কেফায়া মনে করতে হবে।

আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআন কাদের জন্য পাঠিয়েছেন?উত্তরঃ এই প্রশ্নের উত্তর সুরা বাকারার ১৮৫ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তায়ালা সরাস...
22/07/2026

আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআন কাদের জন্য পাঠিয়েছেন?

উত্তরঃ এই প্রশ্নের উত্তর সুরা বাকারার ১৮৫ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তায়ালা সরাসরি বলে দিয়েছেন। এরশাদ হচ্ছে- "শাহরু রামাদানাল্লাজি উনজিলা ফীহিল কোরআনা হুদাল্লিন্নাস"। এর অর্থ হল- রামাদান মাস সেই মাস যেই মাসে নাজিল হয়েছে এই কোরআন মানবজাতির পথনির্দেশনা হিসেবে। অতএব পবিত্র কোরআন মানবজাতিকে পথ দেখাবে অনাগত ভবিষ্যতের জন্য। আর যেহেতু মানবজাতি তথা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীস্টান সবার জন্যই কোরআন পাঠানো হয়েছে, সেহেতু তারা সবাই তা পড়বে, বুঝবে এবং মানবে অর্থাৎ আল্লাহর প্রতি ঈমান আনবে। এভাবে বিশ্বব্যাপী ইসলাম ছড়িয়ে পড়বে। এখানে অজু বা গোসলের পূর্বশর্ত শতভাগ অবান্তর কথা।

সুরা তাওবায় আল্লাহ তায়ালা বলেছেন- "ইয়া আইউহাল্লাজিনা আমানু ইন্নামাল শরিকুনা নাজাসুন" (৯:২৮)। অর্থঃ ওহে যারা ইমান এনেছ (শোন) নিশ্চয়ই সকল মুশরিকরা অপবিত্র। অপবিত্র মুশরিকরা যদি নিঃশর্ত ভাবে পবিত্র কোরআন পড়তে পারে তাহলে পবিত্র ইমানদার মুসলমানদের ক্ষেত্রে ওয়াজুর পূর্বশর্তের কথা শতভাগ অবান্তর কথা তথাপি বাংলাদেশের আলেমগন কোরআন তেলাওয়াতের পূর্বে ওয়াজু করা জরুরী বলে মনে করে থাকেন। এই প্রসঙ্গে আমার ছোটবেলার হুজুরের কথা না বলে পারলাম না। কোরআন তিলাওয়াতের আগে ওয়াজুর গুরুত্বের কথা বুঝাতে গিয়ে তিনি আমাকে বলে ফেললেন- শুন, পবিত্র কোরআন হচ্ছে ঘুমন্ত বাঘের সমান। যদি ওয়াজু ছাড়া কেউ একে স্পর্শ করে তবে তার আর রক্ষা নেই। এবার বুঝুন আমার অবস্থা। বিষয়টা ভাল ভাবে জানতে গিয়ে জীবনের অর্ধেকটা সময় চলে গেছে। কারন হচ্ছে ওয়াজু। আল্লাহ্ প্রদত্ত জীবনবিধান আমার জীবন থেকে বহু দূরে সরে গেছে। তথাপি জাহান্নামের ভয়ে তাকে ছাড়তে পারিনি।

সুরা ওয়াকীয়ার ৭৯ নম্বর আয়াতের প্রকৃত অর্থ হচ্ছে-'পবিত্ররা (ফেরেশতাগন) ছাড়া কেউ একে (লাউহে মাহফুজে রাখা এই কোরআনকে) স্পর্শ করতে পারে না' (৫৬:৭৯)। বাংলাদেশে এই আয়াতের তাফসী করা হয়েছে- 'পবিত্র (মানুষ) ব্যতীত কেউ ইহাকে (কোরআনকে) স্পর্শ করবে না'। মক্কার মুশরিকগন এক সময়ে বলা শুরু করল যে, মোহাম্মদের কাছে এই সকল আয়াত অপবিত্র শয়তান এবং জ্বীনরা আসমান থেকে নিয়ে আসে। প্রত্যুত্তরে আল্লাহ তায়ালা এই আয়াত সহ মোট আটটা আয়াত নাজিল করেন। তখনতো কোরআন নাজিলের প্রাথমিক স্তর। এই দেশের আলেমগন সেই অবস্থায় বর্তমান কিতাব মানুষ কর্তৃক স্পর্শের কথা পেলেন কোথা থেকে? শানেনুজুল না জানার কারনেই তাঁরা এই ভুলটা করে থাকেন।

অথচ সুরা নাহালে পরিষ্কার ভাবে বলা আছে- 'অনন্তর আপনি যখন কোরআন পাঠ করতে চান, তখন বিতাড়িত শয়তান হতে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রর্থনা করে নেবেন' ১৬৪৯৮)। অর্থাৎ আউজু বিল্লাহি মিনাশশাইতা নির্রাজীমল বলতে হবে। এখানে ওয়াজু করার কথাতো বলা হয়নি। হুজুরগন সেটা পেলেন কোথা থেকে? তাহলে কি এমনটা বলা যাবে যে, আল্লাহ্ তায়ালা স্বলাতের আগে ওয়াজু করার কথা (৫:৬) বলেছেন ঠিকই; কিন্তু তিলাওয়াতের আগে ওয়াজুর কথা বলতে ভুলে গেছেন। নাউজুবিল্লাহ।

তাছাড়া বর্তমান কোরআন কম্পিউটার করা, প্রুফ দেখা, ছাপানো, বাধাই করা, স্টোরে রাখা, সরবরাহ করা, বিক্রি করা ইত্যাদি কাজ ওয়াজু সহ করা কখনো সম্ভব হতে পারে না। এমন অযৌক্তিক শর্তের কারনে মানুষ কোরআন থেকে অনেক দূরে সরে গেছে। বর্তমান ধর্মহীনতার জন্য এটাও অনেকাংশে দ্বায়ী। এমন দুর্ভাগ্যজনক কথাকে আলাহ তায়ালার বিরুদ্ধাচরণ ছাড়া আর কি বলা যেতে পারে? তাই সবার উদ্দেশ্যে বলব কোরআনকে সাথে রাখুন এবং জীবনের সকল পর্যায়ে এর নির্দশনাসমূহ মেনে চলুন।
দুঃখজনক হলেও আরেকটা সত্যকথা বলতে হয়। খোদ আমেরিকার ঘটনা। ইসলাম গ্রহন করা এক মুসলিম বলেন যে, ক্রেতার অমুসলিম পরিচয় জানার পর মুসলিম বিক্রেতা পবিত্র কোরআন বিক্রি করতে অস্বিকৃতি জানায়। এই ঘটনা তিনি স্বচক্ষে দেখেছেন এবং নিজ কানে শুনেছেন। এটা শুনার পর মনের দুঃখে তিনি অনেকক্ষন আফসোস করেছেন। এইভাবে প্রকৃত জ্ঞানের অভাবে মানুষ কোরআনের শিক্ষা গ্রহন এবং প্রদান থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অথচ বেতন করা পাদ্রীগন খ্রীস্টান ধর্মকে জীবন বাজি রেখে অজপাড়াগাঁয়ে পৌঁছে দিতে কোন রকম কার্পন্য করছে না। কিন্তু মূলধারার খ্রীস্টানগন ধর্ম কি জিনিষ তা জানেই না। দাওয়াত পৌঁছানো গেলে মুসলিম হতে তাদের দেরী করার কথা নয়। বিশ্বমিডিয়ায় বিরূপ প্রপাগান্ডার কারনে বর্তমানে তারা কিছুটা ইসলামোফবিয়ায় আক্রান্ত। মুসলিম বিশ্বের এই ব্যাপারে আনেক কিছুই করার আছে।

✍🏻 ইন্জিঃ মোহাম্মদ এনামুল হক।
কোরআন, হাদিস ও জ‍্যোতির্বিজ্ঞানের ছাত্র।
প্রাক্তন মহাপরিচালকঃ টেলিকম স্টাফ কলেজ, টিএন্ডটি বোর্ড।
মহাসচিবঃ হিজরী ক্যালেন্ডার বাস্তবায়ন পরিষদ, বাংলাদেশ।

26/05/2026

تقبل الله منا و منكم صالح الأعمال.
عيد مبارك حبيبي.

25/05/2026

সহীহ হাদিস দ্বারা স্পষ্টত প্রমাণিত যে, আরাফার সিয়াম আরাফার স্থানের সাথে সম্পর্কিত। অর্থাৎ হাজীরা যেদিন লাব্বাইক ধ্বণিতে আরাফাতের ময়দানে সিয়ামহীন উপস্থিত থেকে হজ্ব পালন করবেন, সেদিন তামাম পৃথিবীর উম্মতে মোহাম্মাদী যারা আীাফাতের মাঠে উপস্থিত থাকবেন না, তারা আরাফার দিবসের সিয়াম রাখবেন। সুতরাং মানুষের মতামত কে উপেক্ষা করে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহীহ হাদিসের উপর আমল করাই প্রকৃত মুসলমানের বৈশিষ্ট্য বিধায়, আরাফার সিয়াম আরাফার দিবসেই রাখতে হবে, এ বিষয়ে কোনো মতানৈক্য এখতেলাফ গ্রহনযোগ্য হতে পারে না। এ বছর ২০২৬ খ্রীষ্টাব্দের আরাফার বা হজ্বের দিন ২৬ মে রোজ মঙ্গলবার। সেমতে আজ সোমবার দিবাগত রাতে সাহরী খেয়ে আগামীকাল মঙ্গলবার পৃথিবীর পূর্ব থেকে পশ্চিমে সারাবিশ্বে একই বারে আরাফার সিয়াম রাখতে হবে ইন শা আল্লাহ।

সারাবিশ্বের প্রিয় মুসলিম ভাইয়েরা শুক্রবার যেভাবে সারাবিশ্বে স্ব স্ব স্থানের স্থানীয় সময় মতো জুমুয়ার সালাত আদায় করেন, সেভাবেই আগামীকাল মঙ্গলবার সারাবিশ্বে আরাফার সিয়াম রাখুন। আল্লাহ এ সিয়ামের বদৌলতে সিয়ামকারীর দুই বছরের গুণাহ মাফ করবেন ইন শা আল্লাহ।

১০ই জিলহজ ১৪৪৭ হিজরী।২৭ মে ২০২৬ ইং; বুধবার!
24/05/2026

১০ই জিলহজ ১৪৪৭ হিজরী।
২৭ মে ২০২৬ ইং; বুধবার!

Address

Birmingham

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when একই তারিখে ও বারে সারা বিশ্বে জুমুয়াহ, সিয়াম রোজা এবং ঈদ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share