একই তারিখে ও বারে সারা বিশ্বে জুমুয়াহ, সিয়াম রোজা এবং ঈদ

  • Home
  • United Kingdom
  • Birmingham
  • একই তারিখে ও বারে সারা বিশ্বে জুমুয়াহ, সিয়াম রোজা এবং ঈদ

একই তারিখে ও বারে সারা বিশ্বে জুমুয়াহ, সিয়াম রোজা এবং ঈদ আল-কুরআন ও আল-হাদীস (ক্বওলী ও ফে'লী) এর আলোকে একই তারিখে এবং একই বারে বা ২৪ ঘন্টায় সারা বিশ্বে ঈদ-সিয়াম পালনের পক্ষে-বিপক্ষে মত বিনিময়।

26/05/2026

تقبل الله منا و منكم صالح الأعمال.
عيد مبارك حبيبي.

25/05/2026

সহীহ হাদিস দ্বারা স্পষ্টত প্রমাণিত যে, আরাফার সিয়াম আরাফার স্থানের সাথে সম্পর্কিত। অর্থাৎ হাজীরা যেদিন লাব্বাইক ধ্বণিতে আরাফাতের ময়দানে সিয়ামহীন উপস্থিত থেকে হজ্ব পালন করবেন, সেদিন তামাম পৃথিবীর উম্মতে মোহাম্মাদী যারা আীাফাতের মাঠে উপস্থিত থাকবেন না, তারা আরাফার দিবসের সিয়াম রাখবেন। সুতরাং মানুষের মতামত কে উপেক্ষা করে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহীহ হাদিসের উপর আমল করাই প্রকৃত মুসলমানের বৈশিষ্ট্য বিধায়, আরাফার সিয়াম আরাফার দিবসেই রাখতে হবে, এ বিষয়ে কোনো মতানৈক্য এখতেলাফ গ্রহনযোগ্য হতে পারে না। এ বছর ২০২৬ খ্রীষ্টাব্দের আরাফার বা হজ্বের দিন ২৬ মে রোজ মঙ্গলবার। সেমতে আজ সোমবার দিবাগত রাতে সাহরী খেয়ে আগামীকাল মঙ্গলবার পৃথিবীর পূর্ব থেকে পশ্চিমে সারাবিশ্বে একই বারে আরাফার সিয়াম রাখতে হবে ইন শা আল্লাহ।

সারাবিশ্বের প্রিয় মুসলিম ভাইয়েরা শুক্রবার যেভাবে সারাবিশ্বে স্ব স্ব স্থানের স্থানীয় সময় মতো জুমুয়ার সালাত আদায় করেন, সেভাবেই আগামীকাল মঙ্গলবার সারাবিশ্বে আরাফার সিয়াম রাখুন। আল্লাহ এ সিয়ামের বদৌলতে সিয়ামকারীর দুই বছরের গুণাহ মাফ করবেন ইন শা আল্লাহ।

১০ই জিলহজ ১৪৪৭ হিজরী।২৭ মে ২০২৬ ইং; বুধবার!
24/05/2026

১০ই জিলহজ ১৪৪৭ হিজরী।
২৭ মে ২০২৬ ইং; বুধবার!

 #বাংলাদেশে দেওবন্দি মাসলাকের দায়িত্বশীল শ্রদ্ধেয় ওলামা-মাশায়েখ গণকে বিনয়ের সাথে অনুরোধ করছি, জাতীয় মসজিদ বায়তুল ম...
23/05/2026

#বাংলাদেশে দেওবন্দি মাসলাকের দায়িত্বশীল শ্রদ্ধেয় ওলামা-মাশায়েখ গণকে বিনয়ের সাথে অনুরোধ করছি, জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতীব, মুহতারাম মুফতী আবদুল মালেক সাহেব কে শরীয়তের বিধানের বিষয়ে জঘন্যতম মিথ্যাচার থেকে নিভৃত করুন। অন্যথায় তার এ মিথ্যাচারের খতিয়ান দিনকে দিন পুরো জাতির নিকট ছড়িয়ে পরবে। আখেরে সাধারণ মুসলিমগণ আলেম সমাজ থেকে মূখ ফিরিয়ে নিবে। এমনটার অনিবার্য ফল হবে-
"বাংলাদেশের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ইসলাম এবং আলেম-ওলামাদের থেকে মূখ ফিরিয়ে জাহেলিয়াতের দিকেই ধাবিত হতে প্রলুব্ধ হয়ে নাস্তিকতায় নিমজ্জিত হবে।"
--------------------------------------------------------------

#খতীব সাহেবের মিথ্যাচার
---------------------------------------
জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতীব, সম্মানীয় মুফতী আবদুল মালেক সাহেব
حفظه الله تعالى من الكذب
গত ৯ মে ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউশন, রমনার সেমিনারে জাতির উদ্দেশ্যে যে বক্তব্য দিয়েছেন তার একটি ভিডিও আমাদের নজরে এসেছে। উক্ত ভিডিওতে তিনি বলেছেন "সারা পৃথিবীতে একক দিন-তারিখে রোজা, ঈদ, কুরবানী পালন করতে হবে এর কোনো দলীল ফিকহ, হাদীস , তাফসির কোথাও নেই।"
আপনারা তার ঐ ভিডিও বক্তব্যটি দেখতে ও শোনতে নিচে দেয়া লিংকে ক্লিক করুন।
https://www.facebook.com/share/p/1C1ET36xcR/

তার ঐ ভিডিওর বক্তব্য মুছাইলামাতুল কাজ্জাবের নবুয়াত দাবির মতোই চুড়ান্ত পর্যায়ের মিথ্যা বক্তব্য।"

এরকম মিথ্যা বক্তব্যের পর তিনি জাতীয় মসজিদের খতীব পদে থাকার নৈতিকতা হারিয়েছেন। কারণ, কোনো মিথ্যাবাদী ইমাম ও খতীব থাকার নৈতিক ও শরয়ী অধিকার রাখেন না।
যে কেউ চ্যালেঞ্জ করতে চাইলে যোগাযোগ করতে পারেন - ০১৮১৪৩৮৬৭৯৬ নম্বরে।
----------------------------------------------------------

#সারা পৃথিবীতে একক দিন-তারিখে চান্দ্রমাস শুরু করতে হবে। এবং রোজা , ঈদ, কুরবানী সহ চান্দ্রমাসের তারিখ ভিত্তিক সকল ইবাদাত সারা পৃথিবীতে একক দিন-তারিখে পালন করতে হবে তার দলীল:-

#পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা ঘোষণা করেছেন-
يسألونك عن الاهلة قل هى مواقيت للناس والحج
অর্থাৎ - (হে রসূল) তারা ( সাহাবায়ে কেরাম/ মানুষেরা) আপনার নিকট اهلة বা নতুন চাঁদ সমূহ (১২মাসের ১২টি নতুন) সম্পর্কে জানতে চাইছে। আপনি বলে দিন, এগুলো সমগ্র মানব জাতির জন্য চান্দ্র মাস শুরুর সীমানা। এবং হজ্বের সময় নির্ধারক।
সূরাহ বাক্বারাহ্ ১৮৯।

আল্লাহ তায়ালা বল্লেন- নতুন চাঁদ "বিশ্ব মানবের জন্য" চান্দ্র মাসের সীমা নির্ধারণ করবে। অর্থাৎ শনিবার মুহাররম মাসের ১ তারিখ হলে, সারা বিশ্বের মানুষের জন্যই শনিবার মুহাররম মাসের ১ তারিখ হবে। আবার রোববার মুহাররম মাসের ৩০ তারিখ হলে সারা বিশ্বের মানুষের জন্যই রোববার মুহাররম মাসের ৩০ তারিখ হবে।
অত্র আয়াতের
عبارة النص، اشارة النص، دلالة النص، اقتضاء النص
দ্বারা এটা দিবা সূর্যের মতো স্পষ্ট ভাবে প্রমানিত।

তাহলে কুরআনের নির্দেশনা মতো একক দিন-তারিখে চান্দ্রমাস শুরু করতে হবে। এবং প্রত্যেক চান্দ্র মাসের প্রতিটি তারিখও সারা পৃথিবীর মানুষের জন্য একক দিন-তারিখে হবে এবং চান্দ্র তারিখ ভিত্তিক প্রতিটি ইবাদতও সারা পৃথিবীর মানুষকে একক দিন-তারিখে পালন করতে হবে।

যদি কোনো মুহাককিক আলেম কুরআনের দলীলের ভিত্তিতে ভিন্ন রূপ কিছু বলার সাহস রাখেন তবে কমেন্টে কুরআনের দলীলসহ লিখতে পারেন। অথবা আমাদের সাথে যে কোনো মিডিয়ায় লাইভ আলোচনায় বসতে পারেন। বিনীত আহ্বান থাকলো।

অথচ মুফতী আবদুল মালেক সাহেব বললেন একক দিন-তারিখে রোজা ঈদ কুরবানীর দলীল কোথাও নেই!!!

-------------------------------------------------------------
#রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেন-
الصوم يوم تصومون والفطر يوم تفطرون والاضحى يوم تضحون
রোজা, তোমরা গোটা উম্মাহ রোজা রাখবে এক দিনে। ঈদুল ফিতর, তোমরা গোটা উম্মাহ ঈদুল ফিতর পালন করবে এক দিনে। কুরবানী, তোমরা গোটা উম্মাহ কুরবানী করবে এক দিনে।
বুখারী শরীফ -১৯০৯, মুসলিম শরীফ -১০৮১, তিরমিজী শরীফ - ৬৯৭, আবু দাউদ শরীফ - ২৩২৪।
--------------------------------------------------------------
#হাম্মলী মাযহাবের বিশ্ববিখ্যাত মুজাহিদ আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনু কুদামাহ আর মাকদিসী আদ-দিমিশকী , ইন্তেকাল ৬২০ হিজরী তার প্রণীত কাফী গ্রন্থের ২ খন্ডের ৩৪৮ পৃষ্ঠায় কুরআন ও সুন্নাহর উপরুল্লেখিত আয়াত এবং হাদীসের ভিত্তিতে লেখেছেন
فصل: واذا رأي الهلال اهل بلد لزم الناس كلهم الصوم ، لانه ثبت ذللك من رمضان ، وصومه واجب بالنص والاجماع _
অর্থ্যাৎ - কোনো দেশবাসী রমাদানের নতুন চাঁদ দেখলে সমস্ত মানুষের উপর রোজা রাখা আবশ্যক হবে। কেননা উক্ত নতুন চাঁদ দেখার দ্বারা ঐ দিনটি রমাদানের অন্তর্ভুক্ত বলে প্রমাণিত হল। আর রমদান মাস প্রমাণিত হলে সেদিনে রোজা রাখা কুরআন, সুন্নাহ এবং এজমায়ে উম্মাহ দ্বারা ফরজ।

#মালেকী মাযহাবের বিশ্ববিখ্যাত আরব জাহানের আলেম ইমাম শিহাব উদ্দিন আবুল আব্বাস আহমাদুবনু ইদ্রিস ইবনি আবদির রহমান আছ ছিনহাজী আল মিশরী ইন্তেকাল ৬৮৪ হিজরী তার প্রণীত
الذخيرة في فروع المالكية
নামক গ্রন্থের ২য় খন্ডের ৩১১ পৃষ্ঠায় লেখেছন
اذا ثبت رمضان في بلد من البلدان ، لزم الصوم لكل بلد نقل اليهم
কোনো এক দেশে রমাদ্বান সাব্যস্ত হলে, যে সব দেশে উক্ত সংবাদ পৌঁছাবে এমন সকল দেশে রোজা রাখা লাযেম অত্যাবশ্যক হবে।

#হানাফী ফিকহের মূল স্তম্ভ কিতাব, ইমাম মুহাম্মাদ ইবনু হাসান আশ শায়বানী রহঃ ইন্তেকাল ১৮৯ হিজরী এর প্রণীত
المبسوط
এর ২ খন্ডের ২৪৯ পৃষ্ঠায় কুরআন, সুন্নাহর উক্ত আয়াত ও হাদীসের ভিত্তিতে লেখা হয়েছে -
او جاء من مكان آخر فاخبره بذالك وهو ثقة ، فينبغي للمسلمين ان يصوموا بشهادته
অর্থাৎ - অন্য যেকোনো দেশ হতে নতুন চাঁদ প্রমাণিত হওয়ার ( চান্দ্র মাস শুরু হওয়ার) সংবাদ আসল এবং ঐ সংবাদ নির্ভরযোগ্য বলে প্রমাণিত হল, তা হলে সকল মুসলিমের ওপর ঐ সংবাদের ভিত্তিতে ঐ দিন হতেই রোজা রাখা ফরজ হবে।

#জ্ঞাতব্য: ইমাম আবু হানিফা রহঃ এই ফাতাওয়া প্রদানের সময়ে আব্বাসীয় ২য় খলিফা আল-মনসুর এর শাসনামলে মুসলিম বিশ্বের বিস্তৃতি ছিল "১কোটি ১১ লক্ষ বর্গকিলোমিটার। সেই বিশাল বিস্তৃত মুসলিম সাম্রাজ্যের বিষয়ে ইমাম আবু হানিফা রহঃ এর এই ফাতাওয়ার পরে আর এ কথা বলার কোনো সুযোগ নেই যে, নিকটবর্তী এলাকার নতুন চাঁদ সনাক্ত হওয়ার সংবাদ গ্রহণ করা হবে। কিন্তু দূরবর্তী এলাকার নতুন চাঁদ সনাক্ত হওয়ার সংবাদ গ্রহণ করা হবে না। সর্বোপরি বর্তমান বিশ্বের উন্নত তড়িৎ যোগাযোগ ব্যবস্থা সকলের হাতে হাতে সহজ লভ্য হওয়ায় বর্তমানে দূরের দেশ বলতে কিছু নেই।

#হানাফী মাজহাবের বিশ্ব নন্দিত মুজতাহিদ ও ফকীহগণের অন্যতম আবুল লাইছ নহর ইবনু মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে ইব্রাহিম আস্ সমরকান্দি ইন্তেকাল ৩৭৩/৩৭৫ হিজরী তার প্রণীত
عيون المساءل للسمرقندى الحنفى
এর ১ম খন্ডের ৫২ পৃষ্ঠায় লেখেছেন -

ولو ان اهل بلد صاموا للرؤية تسعة و عشرين يوما ، واهل بلد ثلاثين يوما للرؤية فعلى من صام تسعة و عشرين يوما قضاء يوم -
অর্থাৎ এক দেশের অধিবাসীগণ তাদের নতুন চাঁদ সনাক্ত অনুযায়ী রোজা রাখলো ২৯ টি, আবার অন্য দেশের মানুষেরা তাদের নতুন চাঁদ সনাক্ত অনুযায়ী রোজা রাখলো ৩০ টি, তাহলে ২৯ রোজা আদায়কারীগণ একটি রোজা কাজা করবেন।
জ্ঞাতব্য: সারা পৃথিবীতে এক দিন-তারিখে রোজা শুরু ও শেষ করতে হবে বলেই ইমাম আবুল লাইস রহঃ প্রথমের রোজাটি কাজা করার ফাতাওয়া দিয়েছেন।

#হানাফী মাযহাবের বিশ্ববিখ্যাত মুজতাহিদ ইমাম বুরহান উদ্দীন মাহমুদ ইবনু আহমদ আল বুখারী রহঃ ইন্তেকাল ৬১৬ হিজরী তার প্রণীত বিশ্ব বিখ্যাত ফিকহ গ্রন্থ
المحيط البرهاني في الفقه النعمانى
এর ২খন্ডের ৫৪৯ পৃষ্ঠায় লেখেছেন -
اهل بلدة رأوا الهلال هل يلزم ذلك في حق اهل البلدة ؟ روي عن محمد انه قال: يعتمدون على قول تلك البلدة ، ويأخذون بقولهم ، ويصومون بصومهم ، وينظرون كذلك -
অর্থাৎ এক দেশের মানুষ নতুন চাঁদ দেখল, তাহলে উক্ত নতুন চাঁদের হুকুম অন্য দেশের মানুষের ওপর সাব্যস্ত হবে কী?
এর উত্তরে ইমাম মুহাম্মাদ ইবনে হাসান আশ শায়বানী রহঃ এর থেকে বর্ণিত আছে, তিনি বলেছেন যারা নতুন চাঁদ দেখেনি, তাঁরা নতুন চাঁদ দেখার দেশের উপর নির্ভর করবে, তাঁরা তাঁদের কথা গ্রহণ করবে, তাঁরা তাঁদের সাথে একই দিনে রোজা রাখবে, এরূপ চাঁদের তারিখ নির্ভর সকল ইবাদাতে তারা নতুন চাঁদ দেখা দেশটির অনুসরণ করবে।

#এরকম গত ৬০/৭০ বছর পূর্ব হতে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর জমানা পর্যন্ত কুরআন, সুন্নাহ এবং ফিকহের অগ্রগণ্য সিদ্ধান্ত সম্বলিত প্রায় ১০০ শত নির্ভরযোগ্য গ্রন্থের ২১৪ পৃষ্ঠার একটি ফাতাওয়া সংকলন আমার থেকে মুহতারাম আব্দুল মালেক সাহেব
حفظه الله تعالى من الكذب
নিজে হোয়াটসঅ্যাপে চেয়ে নিয়েছিলেন। ভিডিওতে বক্তব্যের সময় তার ডান পাশে তার সহযোগীর হাতে নড়াচড়া করানো কপিটি আমাদের ফাতাওয়া সংকলন। অথচ তিনি উক্ত ফাতাওয়া সংকলনের একটি ফাতাওয়াকেও ভুল বলে প্রমাণ করতে পারেননি। না তার ১ঘন্টা ১৮ মিনিটের বক্তব্যে, না তার ২৯০ পৃষ্ঠার এসংক্রান্ত ঐ সেমিনারে বিলিকৃত গ্রন্থে।
তিনি যে আমার থেকে "চান্দ্র মাসের সঠিক তারিখ বাস্তবায়ন কমিটি" এর সম্পাদনা পরিষদের ২১৪ পৃষ্ঠার ফতোয়ার কপিটি হোয়াটসঅ্যাপে চেয়ে নিয়েছিলেন তার স্ক্রীন সর্ট প্রমাণ হিসেবে নিচে দেয়া আছে।
------------------------------------------------------------
#এবার আপনারাই বিচার করুন, মুফতী আবদুল মালেক সাহেবের বক্তব্য কতটা মিথ্যায় ভরপুর!

চাঁদ বিভক্তকারীরা উত্তর দাও? ভারত পাকিস্তান সহ প্রায় সকল দেশে কুরবানির ঈদ ২৭ মে কিন্তু বাঙ্গুল্যান্ডে ২৮ মে!! 1947 ও 197...
20/05/2026

চাঁদ বিভক্তকারীরা উত্তর দাও?
ভারত পাকিস্তান সহ প্রায় সকল দেশে কুরবানির ঈদ ২৭ মে কিন্তু বাঙ্গুল্যান্ডে ২৮ মে!!

1947 ও 1971 এ বৃটিশ খ্রিস্টান রেডক্লীফের তৈরি হারাম জাতীয়তাবাদী সীমান্ত দিয়ে কি আরাফার দিন, ঈদ আলাদা হয়ে গেল?

অথচ ৭১ এর আগে পাকিস্তানের চাঁদ দর্শনে এই ভুখন্ডে ঈদ পালন করেছে।

20/05/2026

চাঁদের রাস্তা
আমরা অনেকেই চাঁদ কোন পথে হাটে এটা বুঝি না। এটা বোঝানোর জন্য একটা উধাহরন দিয়ে বুঝাই।

ধরুন একটা প্লেন ওড়া শুরু করলো জাপান থেকে। গন্তব্য আমেরিকা। প্লেনটি পূর্ব থেকে পশ্চিমে যেতে পারে, পশ্চিম থেকে পূর্বে যেতে পারে না।

যাইহোক, প্লেনটি উড়া শুরু করে চলতে আরম্ভ করলো। চলতে চলতে জাপানের পূর্বের দেশ কোরিয়ার এয়ারপোর্টে থামলো। কিছু লোক নামলো আর কিছু লোক উঠলো। কোরিয়ার এয়ারপোর্টের প্রধান ঘোষণা দিয়ে দেশবাসীকে জানিয়ে দিলো, প্লেন নিরাপদে ল্যান্ড করেছে এবং নিরাপদে উড্ডয়ন করেছে।

এভাবে প্লেনটি গেলো ইন্দোনেশিয়ায়, মালোয়সিয়া, চীন।

কিন্তু প্লেনটি যখন বাংলাদেশে আসল তখন দুইজন যাত্রীর প্লেনে উঠার কথা। কিন্তু এয়ারপোর্টের প্রধান ঘুমিয়ে পড়ার কারনে যাত্রীরা প্লেনে উঠতে পারলো না। প্লেনটি সময়মত চলেগেল।

এভাবে প্লেনটি ভারত, পাকিস্থান, আফগানিস্থান, আরব, ইউরোপ হয়ে আমেরিকা চলেগেল।

এদিকে বাংলাদেশের এয়ারপোর্ট প্রধান চাকরী বাঁচানোর জন্য বলল, প্লেনটি গতকাল বাংলাদেশে আসেনি, তবে আগামীকাল আসবে।

একবার ভাবুনতো, চাঁদের চলা কি বন্ধ আছে? চাঁদ কি প্রতিটাদিন আমাদের মাথার উপর দিয়ে যায় না?

20/05/2026

কুরাইব ও ইবনে আব্বাস রঃ এর হাদিস দিয়ে যারা অপব্যাখ্যা করে তাঁদের কাছে প্রশ্ন, পারলে যথাযথ উত্তর দেন?
১.
নিজ এলাকা/অঞ্চল আর দেশের সীমানা বর্ডার কি এক জিনিস??
ইবনে আব্বাস ও মুয়াবিয়া ২ ভিন্ন দেশের বাসিন্দা ছিলেন না বরং একই দেশেই ছিলেন। কিন্তু অঞ্চল ভিন্ন ছিল।
২.
উক্ত হাদিসের শাম ও মদিনা দীর্ঘ কয়েক যুগ ধরে একইদিনেই ঈদ ছিয়াম পালন করতেছে। সুতরাং এই হাদিসের বাস্তবতা এখন নাই!! তখন তাৎক্ষণিক সংবাদ পায় নাই বরং প্রায় এক মাস পরে সংবাদ পাইছে, তাই ইবনে আব্বাস মানে নাই।
৩.
আবার কুরাইব ছিলো ১ জন স্বাক্ষী কিন্তু দরকার মিনিমাম ২জন স্বাক্ষী।
৪.
হাদিসের ব্যাখ্যায় বলছেন অঞ্চলের কথা কিন্তু বাস্তবে আমল করতেছেন জাতীয়তাবাদী বর্ডার দিয়ে? এমন দ্বীমুখিতা কেন?
৫.
অঞ্চল ভিত্তিক ঈদ পালন করলে এই ছোট বাংলাদেশের একইদিনে ঈদ পালন সম্ভব না। জেলাভিত্তিক অথবা বিভাগ ভিত্তিক চন্দ্র দেখে ঈদ পালন করতে হবে। কিন্তু আপনারা সেটা করছেন না কেন???
৬.
সব হিসাব বাদ দিলেও উক্ত হাদিস ছিলো, ইবনে আব্বাসের নিজস্ব মত। কিন্তু এর বিপরীতে স্বয়ং রসুল সঃ এর হাদিস আছে সংবাদ শুনে ঈদ পালন করার।
এখন, রসুল সঃ এর সরাসরি আমলের চেয়ে কি কোনো একক সাহাবির আমল/মত বেশি গ্রহণযোগ্য???
৭.
১৯৭১ সালের আগে পাকিস্তানের চাঁদ দর্শনের ঈদ পালন করতে পারলে এখন সম্ভব নয় কেন??
৮.
এছাড়াও আরও অনেক যুক্তি, দলিল প্রামাণ উপস্থাপন করতে পারবো ইংশাআল্লাহ। কিন্তু কোনো পয়েন্টেরই যথাযথ উত্তর জাতীয়তাবাদী বর্ডার আমলকারীরা দিতে পারবে না।

20/05/2026

আল্লাহ বলেন নতুন চাঁদ "মানবজাতির" নতুন মাস নির্দেশক। বাংলাদেশ ছাড়া গোটা পৃথিবী 18মে মাস শুরু করল। বাংলাদেশ কি মানবজাতির বাইরে?

18/05/2026

যে যা চায় তাকে আল্লাহ তায়ালা তাই দান করেন।
সুনির্দষ্টভাবে নতুন চাঁদের আরবি হলো هلال , যেকোনো চাঁদের আরবি হলো قمر, সুনির্দিষ্টভাবে চান্দ্র মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতে ১০০% আলোকিত চাঁদের আরবি হলো بدر

চান্দ্র মাস শুরুর খোদায়ী চিহ্ন হিসেবে আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে هلال শব্দের উল্লেখ করেছেন।

একই বিষয়ে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদীস শরীফে هلال শব্দের উল্লেখ করেছেন।
কিন্তু খুবই পরিতাপের বিষয় এশিয়া মহাদেশের শ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিস খ্যাতিতে আমাদের আত্মতৃপ্তির মহান ব্যক্তিত্ব জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম এর মুহতারাম খতীব হযরত মাওলানা মুফতী মোহাম্মদ আবদুল মালেক সাহেবের অংশগ্রহণে ও উপস্থিতিতে বাইতুল মোকাররম মসজিদের সভাকক্ষে বসে বাংলাদেশের জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি " قمر চাঁদ দেখে চান্দ্র মাসের শুরু সনাক্ত করেছেন। খুবই চমৎকার। কারণ, আল্লাহ তায়ালা এবং তার রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম هلال নতুন চাঁদ সনাক্ত সাপেক্ষে চান্দ্র মাসের শুরু নির্ধারণের নির্দেশ দিয়েছেন। আর আমাদের গৌরব, আমাদের মাথার তাজ, বাংলাদেশের মুসলিম জাতির মুকুট মনি, বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের মুসলিমকে তুলে ধরার কান্ডারী কিনা কুরআন ও সুন্নাহর নির্দেশের বাহিরে অবস্থান নিয়ে قمر চাঁদ দেখে বাংলাদেশে আলাদা দিন-তারিখে চান্দ্র মাস শুরু করলেন!

আমরা বাংলাদেশের আলেম সমাজ এবং সাধারণ মুসলিমগণ যাকে নিয়ে গর্ব করি, যার সম্মানে আমরা সম্মানিত হতে চাই, তিনি কেন নিজেই নিজের এমন নক্ষত্র পতন করেছেন?

জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতীব সাহেব মুহতারাম মুফতী আবদুল মালেক সাহেবের এরূপ সিদ্ধান্তের ফল বাংলাদেশের মুসলিমগণের জন্য শরীয়তের বিধানে যা ঘটবে--
১)
عن علي قال قال رسول الله صلى الله عليه و سلم يا علي كبر في دبر صلاة الفجر من يوم عرفة الي آخر أيام التشريق صلاة العصر (الديلمي _833)
অর্থাৎ - হযরত আলী রাঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেছেন - হে আলী, আরাফার দিন ফজরের নামাজের পিছন হতে তাকবীর বলা শুরু করবে এবং আইয়ামে তাশরীকের শেষ দিন আসরের নামাজের পর পর্যন্ত তাকবীর বলবে।

জ্ঞাতব্য:- এই তাকবীর বলা প্রত্যেক প্রাপ্ত বয়স্ক মুসলিম নর-নারীর ওপর ওয়াজিব।

বাংলাদেশের মুসলিমগণ কে জাতীয় মসজিদের খতিব সাহেব যে ক্ষতির মধ্যে ফেলে দিয়েছেন:-
হাদীসে বর্ণিত ইয়াওমে আরাফা ২০২৬ সনে " ২৬ মে মঙ্গলবার" মক্কা মদীনা সহ জাপান, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, কিরিবাতি ও নিউজিল্যান্ড হতে শুরু করে ওয়ালেছ-আলাস্কা-আমেরিকা পর্যন্ত সারা পৃথিবীর মুসলিমগণ ইয়াওমু আরাফা পালন করবেন ২৬ মে ২০২৬ মঙ্গলবার। এবং বিশ্ব মুসলিম তাকবীরে তাশরীক বলা শুরু করবেন "ইয়াওমু আরাফা" তথা উপরুক্ত প্রত্যেক দেশের ২৬ মে ২০২৬ তারিখ মঙ্গলবার যার যার দেশের/ অঞ্চলের ফজরের নামাজের সালাম ফিরানোর পর হতে।

# # # # জরুরী জ্ঞাতব্য বিষয়:-
কুরআন সুন্নাহ মতে 'ইয়াওমু আরাফা' বা আরাফার মাঠে হাজিগণের অবস্থানের দিন হলো "
১) মাঠটি হবে কাবা শরীফের ৯/১০ কিমি পূর্ব দিকে সামান্য কিছু দক্ষিণে অবস্থিত"আরাফার মাঠ"

২) হাজিগণ উক্ত মাঠে অবস্থান নিয়ে ইমামের সাথে জুহরের ওয়াক্তে জুহর ও আচরের নামাজ আদায় করবেন।
৩) তারিখটি হবে জুলহিজ্জা মাসের ৯ তারিখ।
এই ৩টি বৈশিষ্ট্যের কোনো একটি বাদ পরলে সে দিনটি 'ইয়াওমু আরাফা' নয়।

# অপর দিকে বাংলাদেশের হতভাগা মুসলিমগণ জাতীয় মসজিদের খতীবের কুরআন-সুন্নাহ বিরোধী মনগড়া ফতাওয়ার জাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে "তাকবীরে তাশরীক বলা শুরু করবেন একদিন পরে বাংলাদেশের স্থায়ীন ৯ জিলহাজ্জ তারিখে ২৭ মে ২০২৬ বুধবার ফজরের নামাজের সালাম ফিরানোর পর থেকে!" যে দিনটি কোনো অবস্থাতেই "ইয়াওমু আরাফা" নয় বরং তার পরের দিন। কারন, ২৭ মে বুধবার সকল হাজিগণ মিনায় থাকবেন, পাথর নিক্ষেপ করবেন এবং কুরবানী দিবেন।
হ্যাঁ এই দিন সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা আরাফার ময়দানে হাজিগণের ফেলে যাওয়া মল-মূত্র, ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করবেন। এই জন্য এই দিনটিকে "ইয়াওমু নাজিফাহ্" বা পরিচ্ছন্নতা দিবস বলা যেতে পারে।
তবে শরীয়াতে দিনটিকে "ইয়াওমুন নহর" বা কুরবানীর দিন বলা হয়েছে।

পরিণতি হলো- বাংলাদেশের হতভাগা মুসলিমগণ ১ দিনের ৫ ওয়ায়াক্ত ফরজ নামাজের পরের ৫ টি ওয়াজিব তাকবীরে তাশরীক পরিত্যাগের গুনাহগার হলেন!!!!

২)
و سأل رسول الله صلى الله عليه و سلم عن صوم يوم عرفة فقال يكفر سنة الماضية و الباقية ( مسلم)
অর্থাৎ- এবং রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নিকট আরাফার দিনের রোজা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলো।
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করলেন- "আরাফার দিন রোজা পালনকারীর পিছনের এক বছরের গুনাহ এবং সামনের এক বছরের গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়।" - (মুসলিম শরীফ)

# # দুই বছরের গুনাহ মাফের বুকভরা আশা নিয়ে বাংলাদেশের হতভাগা মুসলিমগণ এই ফজিলত পূর্ণ রোজাটি মুহতারাম মুফতী আবদুল মালেক সাহেবের কুরআন - সুন্নাহ বিরোধী ফাতাওয়া অনুযায়ী এবং তার বসংবদ খতীবদের আগামী ২২মে তারিখে জুমুয়ার মেম্বারে বসে সুললিত কন্ঠে চিল্লাচিল্লিতে বাংলাদেশের স্থানীয় ৯ জিলহাজ্জ হিসাব করে ২৭ মে ২০২৬ বুধবার পালন করবেন। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো বাংলাদেশে কোনো আরাফার ময়দান না থাকায় মুলত বাংলাদেশের মুসলিমগণের এই রোজাটি পালিত হবে "ইয়াওমু আরাফার পরের দিন ইয়ামু নহর বা কুরবানীর দিনে" কুরবানীর দিন রোজা রাখা সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে হারাম, হারাম, হারাম।
পরিনতি হলো, মুহতারাম খতীব সাহেবের ভুল ফাতাওয়া মেনে ইয়াওমু আরাফার রোজা পর দিন ইয়াওমু নহরে পালন করে বাংলাদেশের হতভাগা মুসলিমগণ ২ দুই বছরের গুনাহ ক্ষমা পাওয়ার পরিবর্তে কুরবানীর দিন রোজা রেখে হারাম আমলের করীরাহ গুনাহ আমল নামায় যুক্ত করতে বাধ্য হলেন।

৩) ইয়াওমু আরাফার পরের দিন শরীয়াতে ইয়াওমু নহর বা কুরবানীর দিন এবং ঈদুল আদ্বহার দিন। শরীয়তের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আরব বিশ্ব সহ সারা পৃথিবীতে ২৭ মে ২০২৬ বুধবার ঈদুল আদ্বহার দিন পালিত হবে এবং ঈদুল আদ্বহার ওয়াজিব নামাজ আদায় করা হবে।
অপর দিকে বাংলাদেশের জাতীয় মসজিদের খতীবের কুরআন-সুন্নাহ বিরোধী ফাতাওয়ার কারণে বাংলাদেশের হতভাগা মুসলিমগণ একদিন পরে ২৮ মে ২০২৬ বাংলাদেশে ঈদুল আদ্বহার ওয়াজিব নামাজ পড়ার কারণে, ওয়াজিব তরকের গুণাহগার হবেন।
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে বিবেক বুদ্ধি দিয়ে ভাববার তৌফিক দান করুন, আমীন।

18/05/2026

ভারত পাকিস্তান ঈদ করবে ২৭ মে বাংলাদেশে ঈদ হবে ২৮ মে!

Just বলে রাখলাম মাঝখানে শুধু কাটা তারের বেড়া।

Address

Birmingham

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when একই তারিখে ও বারে সারা বিশ্বে জুমুয়াহ, সিয়াম রোজা এবং ঈদ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share