সত্যের সন্দ্বানে

সত্যের সন্দ্বানে Islamic page

09/07/2024
08/06/2024

আমার মৃত্যু হলে আমার পরিবারের সকলের নিকট ও বন্ধুদের কাছে কয়েকটি দাবি।
আশা করি আমার কথা গুলো পড়বেন এবং আমার মৃত্যু পরবর্তি সময়ে কাজগুলো করবেন।

• আমার মৃত্যু সংবাদ গাড়ী, রিক্সা ইত্যাদি দিয়ে মাইকে প্রচার করবেন না।

• আমার মৃত্যুকে অকাল মৃত্যু বলবেন না, আমার মৃত্যু নির্ধারিত সময়েই হয়েছে।

• আমাকে নিয়ে বিলাপ-করে কান্না করবেন না । কারণ এটা সুন্নাহ বিরোধী নিষিদ্ধ কাজ।

• আমার মৃত্যুতে তিনদিনি, চল্লিশা, কুল-খানি, মিলাদ করবেন না। কারণ এটা স্পষ্ট বিদ'আত।

• আমার লাশের পাশে বসে কুরআন পাঠ করবেন না। এরকম করার কোন ভিত্তি ইসলামি শারিয়াতে নেই।

• আমার লাশকে সুন্দরভাবে গোসল করার ব্যবস্থা করবেন।

• জানাযা পড়াবেন সুন্নাহপন্থী বিজ্ঞ আলেম অথবা তালেবে ইলমকে দিয়ে। যিনি সূরা ফাতিহাসহ ধীরস্থির ভাবে সহীহ সুন্নাহমতে জানাযার সালাত আদায় করবেন।

• আমার জানাযার পরে বা দাফনের পরে কোন ধরনের সম্মিলিত দুআ বা মুনাজাত করবেন না। এটি স্পস্ট বিদআত।
অবশ্যই সুন্নাতী দুআ উপস্থিত সবাই পাঠ করবেন।

• যারা আমার মৃত্যুর খবর শুনবেন বা যারা আমার মৃত্যুর সময় থাকবেন তারা অবশ্যই আমার জানাজায় অংশগ্রহণের চেষ্টা করবেন।

• আমার লাশ মাহরাম ছাড়া অন্য কাউকে দেখাবেন না।

• লাশ দাফনে ইসলামিক রীতিনীতি অবলম্বন করবেন....
সমাজের নিয়মে নয়।

• আমাকে কবরস্থ করার পর কিছুক্ষণ সেখানে থাকবেন এবং পড়বেন
‎اللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ، اللَّهُمَّ ثَبِّتْهُ
আল্লা-হুম্মাগফির লাহু, আল্লা-হুম্মা সাববিতহু

• আমার হয়ে সাধ্যমত দান-সাদাকা করবেন।

• আমার সাদাকায়ে জারিয়া চালু থাকলে সেটার খবর নিবেন....
সে গুলোকে সমুন্নত করার চেষ্টা করবেন।

• আমার পরিবারের খবর নিবেন।

• আমার মৃত্যু থেকে এই শিক্ষা নিয়ে ফিরে যাবেন...
আপনার সময়ও অতি নিকটে..!!!

• আমার পাওনা আমার পরিবার কে ফিরিয়ে দিবেন, না পারলে সাদকাহ
জারিয়া করবেন আমার জন্য,
তাও না পারলে আজিবন আমার জন্য দুয়া করবেন ।
আমি ক্ষমা করে দিব ইন শা আল্লাহ।

• আপনি আমার কাছে পেয়ে থাকলে আমার জীবিত অবস্থায়ই চেয়ে নিবেন
আর যদি মরে যাই পরিবারের কাছে চাইবেন। তারা না দিলে ক্ষমা করে দিবেন আল্লাহর জন্য ।
আল্লাহ ও আপনাকে ক্ষমা করবেন।

• আমার জীবিত অবস্থায় যারা আমার আচরনে কষ্ট পেয়েছেন তাদের কাছে আমার আচরনের জন্য ক্ষমাপ্রার্থী। আশা করি ক্ষমা করবেন।

মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা
আমাকে ক্ষমা করে দিন।
ঈমানের সাথে শাহাদাতের মৃত্যু দান করুন।

‎رَبَّنَآ اٰتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَّفِي الْاٰخِرَةِ حَسَـنَةً وَّقِنَا عَذَابَ النَّارِ

হে আমাদের রব্ব! আমাদেরকে দুনিয়াতে কল্যাণ দিন এবং আখেরাতেও কল্যাণ দিন এবং আমাদেরকে আগুনের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন।

রব্বানা আ-তিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানাতাওঁ ওয়াফিল আ-খিরাতি হাসানাতাওঁ ওয়াকিনা ‘আযা-বান্না-র।
আমিন!!!

# সংগৃহীত

24/11/2022
12/09/2022

ছেলের প্রতি হযরত লোকমান আ: এর উপদেশ।

♻️১। বেটা! কর্জ হইতে নিজেকে হেফাজাত রাখিও। কেননা ইহা দিনের বেলায় অপমান এবং রাত্রিতে দুশ্চিন্তা।
♻️২। বেটা ! তুমি মোরগের চাইতে বেশী অক্ষম হইও না। সে তো শেষ রাত্রিতে জাগিয়া চিৎকার শুরু করিয়া দেয়, আর তুমি নিজের বিছানায় পড়িয়া ঘুমাইতে থাকো।
♻️৩। বেটা! গুরুত্ব সহকারে জানাযায় শরীক হইও এবং অহেতুক অনুষ্ঠানাদি শরীক হওয়া হইতে বাঁচিয়া থাকিও।
♻️৪। বৎস আল্লাহর সান্নিদ্ধ অবলম্বন করবে।
♻️৫। অন্যকে উপদেশ দেওয়ার আগে নিজে আমল করার চেষ্টা কর।
♻️৬। নিজের মান মর্যাদা বজায় রেখে কথা বলবে।
♻️৭। ভাল মানুষ রূপে বিবেচিত হওয়ার চেষ্টা করবে।
♻️৮। স্বীয় অধিকারের প্রতি সচেতন থাকবে।
♻️৯। গোপন তথ্য কারো নিকট প্রকাশ করবে না।
♻️১০। বিপদে বন্ধুর পরীক্ষা নিবে।
♻️১১। বন্ধুদের ভাল মন্দ উভয়টাই পরীক্ষা করবে।
♻️১২। বিচক্ষণ এবং জ্ঞানী ব্যক্তিদের সাথে বন্ধুত্ব করবে।
♻️১৩। ভাল কাজে পুণঃপুণঃ অংশগ্রহণ করবে ।
♻️১৪। নিজের কথা প্রমাণ করে দিবে।
♻️১৫। বন্ধুদের সাধ্যমত ভালবাসবে।
♻️১৬। শত্রু মিত্র সকলের সাথে হাসিমুখে সাক্ষাৎ করবে।
♻️১৭। মাতা পিতাকে সর্বাধিক সম্মান করবে।
♻️১৮। শিষ্যকে সর্বাধিক মর্যাদার দৃষ্টিতে দেখবে।
♻️১৯। আয়ের প্রতি লক্ষ্য রেখে ব্যয় করবে।
♻️২০। কথা বলার সময় মুখ আয়ত্বের মধ্যে রাখবে।
♻️২১। বীরত্ব কে নীতি হিসাবে গ্রহণ করবে।
♻️২২। শরীর এবং পোষাক পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখবে।
♻️২৩। ঐক্যবদ্ধ হয়ে থাকবে।
♻️২৪। প্রচলিত অস্ত্র সস্ত্র ও যানবাহন পরিচালনা শিখে নিবে।
♻️২৫। প্রত্যেক ব্যক্তিকে তার যোগ্যতা অনুযায়ী দায়িত্ব প্রদান করবে।
♻️২৬। রাতের বেলায় যদি কথা বলার প্রয়োজন হয় তাহলে আস্তে এবং নরম স্বরে কথা বলবে।
♻️২৭। দিনের বেলায় কথা বলার সময় চতুর্দিকে লক্ষ্য করে কথা বলবে।
♻️২৮। কম কথা বলা কম খাওয়া এবং কম ঘুমানোর অভ্যাস করবে।
♻️২৯। নিজের জন্য যা পচন্দ করো না তা অন্যের জন্য পচন্দ করবে না।
♻️৩০। বিচক্ষণতা ও কৌশল অবলম্বন করে কাজ করবে।
♻️৩১। উপযুক্ত শিক্ষিত না হয়ে অন্যকে শিখাতে যেও না।
♻️৩২। অন্যের ধন সম্পদের প্রতি লক্ষ্য করবে না।
♻️৩৩। নীতিহীনদের কাছ থেকে কৃতজ্ঞতা আশা করবে না।
♻️৩৪। কোনো কাজেই চিন্তামুক্ত হইও না।
♻️৩৫। যে কাজ তুমি করনি এরূপ কাজ করেছ বলে মনে করো না।
♻️৩৬। আজকের কাজ আগামীকালের জন্য ফেলে রাখবে না।
♻️৩৭। বড়দের সাথে হাসি ঠাট্টা করতে যেও না।
♻️৩৮। আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করিও না।
♻️৩৯। তোমার প্রতি যারা আশা রাখে তাদের নিরাশ করো না।
♻️৪০। বড়দের সামনে কথা দীর্ঘায়িত করবে না।
♻️৪১। অতীতের তিক্ততা মনে রেখো না ।
♻️৪২। নিজের ধন সম্পদের কথা অন্যের নিকট প্রকাশ করবে না।
♻️৪৩। সৎ লোকদের নিন্দা করবে না ।
♻️৪৪। আপনজনদের কাছ থেকে কখনও বিচ্ছিন্ন হইও না।
♻️৪৫। অহংকার করবে না।
♻️৪৬। মানুষের সামনে দাঁত খেলাল করবে না।
♻️৪৭। মানুষের সামনে মুখে বা নাকে অঙ্গুল প্রবেশ করবে না।
♻️৪৮। শব্দ করে থুতু ফেলবে না।
♻️৪৯। হাই তোলার সময় মুখে হাত রাখবে।
♻️৫০। কাউকে জনসম্মুখে লজ্জা দিবে না।
♻️৫১। চোখ দিয়ে ইঙ্গিত করবে না।
♻️৫২। এক কথা বারবার বলবে না।
♻️৫৩। তামাশা মূলক অবাস্তব কথা বলবে না।
♻️৫৪। ঠাট্টা বিদ্রুপ থেকে বিরত থাকবে।
♻️৫৫। অন্যের সামনে নিজের প্রশংসা করবে না।
♻️৫৬। মেয়েদের ন্যায় সাজসজ্জা করবে না।
♻️৫৭। কথা বলার সময় হাত নাড়াচাড়া করবে না।
♻️৫৮। আপনজনদের শত্রুর সাথে উঠাবসা করবে না।
♻️৫৯। কারো মৃত্যুর পর তার সম্পর্কে খারাপ মন্তব্য করবে না।
♻️৬০। যথাসম্ভব ঝগড়া বিবাদ থেকে বিরত থাকবে।
♻️৬১। সৎলোকের প্রতি সুধারণা রাখবে।
♻️৬২। নিজের খানা অন্যের দস্তারখানায় নিয়ে যাবে না।
♻️৬৩। কোনো কাজেই তাড়াহুড়ো করবে না ।
♻️৬৪। পার্থিব স্বার্থের মোহে নিজেকে দুঃখ কষ্টে ফেল না।
♻️৬৫। রাগান্বিত অবস্থায়ও ধীর শান্ত ভাবে কথা বলবে।
♻️৬৬।জামার আস্তিন দ্বারা নাক পরিস্কার করবে না।
♻️৬৭। সূর্য উদয়ের পূর্বেই শয্যা ত্যাগ করবে।
♻️৬৮। পথ চলার সময় বড়দের আগে চলবে না।
♻️৬৯। এদিক সেদিক উকি মেরে দেখবে না ।
♻️৭০। অন্যের কথার মধ্যে বাধা দিয়ে কথা বলবে না।
♻️৭১। মেহমানের সামনে কারো প্রতি রাগান্বিত হইও না।
♻️৭২। সন্দেহ প্রবণতা ত্যাগ করতে না পারলে দুনিয়ায় তুমি কোনো বন্ধু খুঁজে পাবে না।
♻️৭৩। বেটা ! তুমি এত মিষ্ট হইও না যে, মানুষ তোমাকে গিলিয়া ফেলে। আরএত তিক্ত হইও না যে মানুষ তোমাকে থুথুর মতো ফেলিয়া দেয়।
♻️৭৪। বেটা! নিজের খানা আল্লাহভীরু লোকদের ব্যতীত কাহাকেও খাওয়াইও না। আর নিজের কাজে আলেমগনের নিকট হইতে পরামর্শ লইতে থাকিও।
♻️৭৫। বেটা! মূর্খের সহিত বন্ধুত্ব করিও না। এমন না হয় তাহার মূর্খতা সুলভ কথাবার্তা তোমার ভালো লাগিত আরম্ভ করে। আর জ্ঞানী লোকের সহিত শত্রুতা করিও না। এমন না হয় যে, সে তোমার দিক হইতে মুখ ফিরাইয়া রাখে।
♻️৭৬। বেটা ! তুমি যেদিন হইতে দুনিয়াতে আসিয়াছ, প্রতিদিন আখেরাতের নিকটবর্তী হইতেছে।

তথ্যঃ সংগৃহীত

11/09/2022

উপার্জন/বেতন (টাকা) কে মাসের শেষ পর্যন্ত অবশিষ্ট রাখার
কৌশল

ঘটনাটি এক সৌদি-যুবকের। সে তার জীবনের প্রতি মোটেও সন্তুষ্ট ছিল না। তার বেতন ছিল মাত্র চার হাজার রিয়াল। বিবাহিত হওয়ায় তার সাংসারিক খরচ বেতনের চেয়ে অনেক বেশি ছিল। মাস শেষ হওয়ার আগেই তার বেতনের টাকা শেষ হয়ে যেত, তাই প্রয়োজনের তাগিদে তাকে ঋণ নিতে হত। এভাবে সে আস্তে আস্তে ঋণের কাদায় ডুবে যাচ্ছিল। আর তার বেতনে এমন বিশ্বাস জন্ম নিচ্ছিল যে, তার জীবন এই অভাবেই কাটবে। অবশ্য তার স্ত্রী তার এ-অবস্থার প্রতি খেয়াল রাখত। কিন্তু ঋণের বোঝা এত ভারী হয়েছিল, যেন নিশ্বাস নেওয়াও দুষ্কর।
একদিন সে তার বন্ধুদের এক মজলিসে গেল। সেদিন এমন একজন বন্ধু সেখানে উপস্থিত ছিল, যে অত্যন্ত বুদ্ধিমান এবং বিচক্ষণ ব্যক্তি। যুবকের বক্তব্য এমন ছিল যে, আমার ওই বন্ধুর সকল পরামর্শকে আমি খুব গুরুত্ব দিতাম।
কথায় কথায় যুবক তার সকল অবস্থা বন্ধুকে বলল। বিশেষত আর্থিক সমস্যাটা তার সামনে তুলে ধরল। তার বন্ধু মনোযোগ সহকারে কথাগুলো শুনল এবং বলল, আমার পরামর্শ হল- তুমি তোমার বেতন থেকে কিছু টাকা ছদকার জন্য নির্ধারণ কর। যুবক আশ্চর্য হয়ে বলল, জনাব! সাংসারিক প্রয়োজন পুরনেই ঋণ নিতে হয়; আর আপনি আমাকে ছদকার জন্য টাকা নির্ধারণ করতে বলেছেন? যাইহোক, যুবক বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি স্ত্রীকে জানাল। তার স্ত্রী বলল, পরিক্ষা করতে সমস্যা কী? হতে পারে আল্লাহ্ তা’আলা তোমার জন্য রিযিকের দরজা খুলে দিবেন। যুবক বেতনের চার হাজার রিয়াল থেকে ত্রিশ রিয়াল ছদকার জন্য নির্ধারণের ইচ্ছা করল এবং মাসশেষে তা আদায় করতে শুরু করল। সুবহানাল্লাহ! কসম করে বললে মোটেও ভুল হবে না, তার (আর্থিক) অবস্থা সম্পূর্ণ বদলে গেল। সে তো সবসময় টাকা-পয়সার চিন্তা টেনশনেই পড়ে থাকত; আর এখন তার জীবন যেন ফুলের মতো হয়ে গেছে। এত ঋণ থাকা সত্ত্বেও নিজেকে স্বাধীন মনে হত। মনের মধ্যে এমন এক অনাবিল শান্তি হচ্ছিল, যা বলে বুঝানো সম্ভব নয়।
কয়েক মাস পর থেকে সে নিজের জীবনকে সাজাতে শুরু করল। নিজের আয়কৃত টাকা কয়েক ভাগে ভাগ করল, আর তাতে এমন বরকত হল, যা পূর্বে কখনও হয়নি। সে হিসাব করে একটা আন্দাজ করল, কত দিনে ঋণের বোঝাটা মাথা থেকে নামাতে পারবে ইনশাআল্লাহ। কিছুদিন পর আল্লাহ তা’লা তার সামনে আরও একটি পথ খুলে দিলেন। সে তার এক বন্ধুর সাথে প্রপাটি-ডিলিং এর কাজে অংশ নিতে শুরু করে। সে বন্ধুকে গ্রাহক/ক্রেতা এনে দিত, তাতে ন্যায্য প্রফিট পেত।
আলহামদুলিল্লাহ! সে যখনই কোনো গ্রাহকের কাছে যেত, গ্রাহক অবশ্যই তাকে অন্য গ্রাহক পর্যন্ত পৌঁছনোর রাস্তা দেখিয়ে দিত। এখানেও সে ঐ আমলের পুনরাবৃত্তি করত। অর্থাৎ প্রফিটের টাকা হাতে আসলে (আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য) অবশ্যই তা থেকে ছদকা নির্ধারণ করত।
আল্লাহর কসম! ‘ছদকা কী’ তা কেউ জানে না; ঐ ব্যক্তি ব্যতিত যে তা পরিক্ষা করেছে। ছদকা কর এবং ছবরের সাথে চল- আল্লাহর ফযলে খায়ের বরকত নাযিল হবে, যা নিজ চোখে দেখতে পাবে।
নোট:- যদি আপনি কোনো মুসলমানকে তার উপার্জনের একটি অংশ ছদকার জন্য নির্ধারণ করতে বলেন এবং এর উপর আমল করে, আপনিও ঐ পরিমাণ ছওয়াব পাবেন যে পরিমাণ ছদকাকারী পেয়েছে। আর ছদকাকারীর ছওয়াবে কোনো কমতি আসবে না।

আপনি দুনিয়া থেকে চলে যাবেন আর আপনার অবর্তমানে কেউ আপনার কারণে ছদকা করতে থাকবে। আপনি ছওয়াব পেতে থাকবেন।

যদি আপনি তালিবে ইলমও হন এবং আপনার আয় একেবারে সীমিত ও নির্ধরিতও হয়। তবুও কম-বেশি, যতদূর সম্ভব (সামান্য কিছু হলেও) ছদকার জন্য নির্ধারণ করুন।
যদি ছদকাকারী জানতে ও বুঝতে পারে যে, তার ছদকা ফকিরের হাতে যাওয়ার আগে আল্লাহর হাতে যায়। তাহলে অবশ্যই ছদকা গ্রহণকারীর তুলনায় ছদকাদানকারী অনেক গুণ বেশি আত্মিক প্রশান্তি লাভ করবে।

ছদকা দানের উপকারিতা:-

ছদকা দানকারী এবং যে তার কারণ হবে সেও এ সকল ফায়েদার অন্তর্ভুক্ত।

১. ছদকা জান্নাতের দরজাসমূহের একটি।
২. সদ আমলের মধ্যে উত্তম আমল।
৩. ছদকা কেয়ামতের দিন ছাঁয়া হবে এবং ছদকা-আদায়কারীকে জাহান্নাম থেকে মুক্ত করবে।
৪. ছদকা আল্লাহ তা‘লার ক্রোধকে ঠান্ডা করে এবং কবরের উত্তপ্ততায় শীতলতার উপকরণ হবে।
৫. মৃতব্যক্তির জন্য উত্তম বদলা এবং সবচে’ উপকারী বস্তু হল সদকা। আর ছদকার ছওয়াবকে আল্লাহ তা‘আলা ক্রমাগত বৃদ্ধি করতে থাকেন।
৬. ছদকা পবিত্রতার আসবাব, আত্মশুদ্ধির মাধ্যম ও সৎকাজের প্রবর্ধক।
৭. ছদকা কেয়ামতের দিন ছদকাকারীর চেহারার আনন্দ ও প্রফুল্লতার কারণ হবে।
৮. ছদকা কেয়ামতের ভয়াবহ অবস্থ্ায় নিরাপত্তা হবে। অতীতের জন্য আফসোস করা থেকে বিরত রাখে।
৯. ছদকা গুনাহের ক্ষমা এবং খারাপ কাজের কাফফারা।
১০. ছদকা উত্তম মৃত্যুর সুসংবাদ এবং ফেরেস্তাদের দোয়ার কারণ।
১১. ছদকা দানকারী সর্বোত্তম বান্দাগণের অন্তর্ভুক্ত এবং ছদকার ছওয়াব প্রত্যেক ঐ ব্যক্তি পায় যে কোনো না কোনোভাবে অংশিদার হয়।
১২. ছদকা দানকারীর সঙ্গে সীমাহীন কল্যাণ ও বিরাট প্রতিদানের ওয়াদা রয়েছে।
১৩. খরচ করা মানুষকে মুত্তাকীদের কাতারে শামিল করে। ছদকাকারীকে সৃষ্টিকূল মুহাব্বত করে।
১৪. ছদকা দয়া-মায়া ও দানশীলতার আলামত।
১৫. ছদকা দোয়া কবুল এবং জটিল সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার মাধ্যম।
১৬. ছদকা বালা মসিবত দূর করে দুনিয়াতে সততরটা খারাপির দরজা বন্ধ করে।
১৭. ছদকা হায়াত ও মাল বৃদ্ধির মাধ্যম। সফলতা এবং রিজিকের প্রশস্ততার মাধ্যম।
১৮. ছদকা চিকিৎসা, ঔষধ ও সুস্থতা।
১৯. ছদকা আগুনে পোড়া, পানিতে ডোবা ও অপহরণসহ (সকল) অপমৃত্যুর প্রতিবন্ধক।
২০. ছদকার প্রতিদান পাওয়া যায় চাই তা পশু-পাখিকেই দেওয়া হোক না কেন।

শেষকথা:- এই মুহূর্তে আপনার জন্য সর্বোত্তম ছদকা হল, কথাগুলো ছদকার নিয়তে প্রচার করা।
Fb হতে সংগৃহীত

24/05/2022

যেমন ছিলেন প্রিয় নবী মুহাম্মাদ (সা.)

১/ তিনি দীর্ঘ সময় নীরব থাকতেন।
২/ তিনি কম হাসতেন।
৩/ তিনি মুচকি হাসতেন, হাসি ওনার ঠোঁটে লেগে থাকতো।
৪/ তিনি অট্টহাসি হাসতেন না।
৫/ তিনি তাহাজ্জুদ নামাজ ত্যাগ করতেন না।
৬/ তিনি দৈনিক শতবার ক্ষমা প্রার্থনা করতেন।
৭/ তিনি কখনোই প্রতিশোধ নিতেন না।
৮/ তিনি যুদ্ধক্ষেত্র ছাড়া কাউকেই আঘাত করেননি।
৯/ তিনি বিপদে পড়লে তাৎক্ষনিক নামাজে দাঁড়িয়ে পড়তেন।
১০/ তিনি অসুস্থ হলে বসে নামাজ পড়তেন।
১১/ তিনি শিশুদের সালাম দিতেন।
১২/ তিনি সমাবেত মহিলাদের সালাম দিতেন।
১৩/ তিনি শিশুদের পরম স্নেহ করতেন।
১৪/ তিনি পরিবারের সদস্যদের সাথে কোমল আচরণ করতেন।
১৫/ তিনি সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখতেন।
১৬/ তিনি ঘুম থেকে জেগে মেসওয়াক করতেন।
১৭/ তিনি মিথ্যাকে সার্বাধিক ঘৃণা করতেন।
১৮/ তিনি উপহার গ্রহণ করতেন।
১৯/ তিনি সাদকাহ (দান) করতেন।
২০/ তিনি সব সময় আল্লাহকে স্মরণ করতেন।
২১/ তিনি আল্লাহকে সব সময় ভয় করতেন
২২/ হাতে যা আসতো তা আল্লাহর রাস্তায় দান করে দিতেন।
২৩/ কেউ কথা বলতে বসলে সে ব্যক্তি উঠা না পর্যন্ত তিনি উঠতেন না।
২৪/ বিনা প্রয়োজনে কথা বলতেন না।
২৫/ কথা বলার সময় সুস্পষ্টভাবে বলতেন যাতে শ্রবণকারী সহজেই বুঝে নিতে পারে।
২৬/ কথা, কাজ ও লেন-দেনে কঠোরতা অবলম্বন করতেন না।
২৭/ নম্রতাকে পছন্দ করতেন।
২৮/ তাঁর নিকট আগত ব্যক্তিদের অবহেলা করতেন না।
২৯/ কারো সাথে বিঘ্নতা সৃষ্টি করতেন না।
৩০/ শরীয়তবিরোধী কথা হলে তা থেকে বিরত থাকতেন বা সেখান থেকে উঠে যেতেন।
৩১/ আল্লাহ তায়ালার প্রতিটি নিয়ামতকে কদর করতেন।
৩২/ খাদ্যদ্রব্যের দোষ ধরতেন না। মন চাইলে খেতেন না হয় বাদ দিতেন।
৩৩/ ক্ষমাকে পছন্দ করতেন।
৩৪/ সর্বদা ধৈর্য্য ধারণ করতেন।
রাসুল (সা.) এর গুণাবলি বর্ণনা করে শেষ করা যাবে না। আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে নবী (সা.) এর চরিত্রে চরিত্রবান হওয়ার তাওফীক দান করুন।

আমিন..
Collected

Address

1509 Pershore Road
Birmingham
B302JL

Telephone

+447305802674

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সত্যের সন্দ্বানে posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to সত্যের সন্দ্বানে:

Share

Category