Fajr Prayer Campaign

Fajr Prayer Campaign � A page dedicated to reminding, motivating and encouraging Muslims to wake up for Fajr prayer.

24/05/2026

মাঝেমধ্যে কিছু শাইখদের এমন আলোচনা শুনি, পুরো জীবনটা এলোমেলো মনে হয়। ভাবি, করছিটা কী আসলে?
​আজকের শোনা একটি ছোট্ট বয়ান ঠিক তেমনই । শাইখ মা - হমু- দ হাসানাত বলেন -
​"জীবন আসলে বয়সের মাপকাঠিতে পরিমাপ করা হয় না, বরং পরিমাপ করা হয় আমাদের আমল বা কর্ম দিয়ে। ​এই যেমন সাহাবী হযরত সা'দ ইবনে মুয়ায (রা.)। তিনি ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন ৩০ বছর বয়সে। আর খন্দকের যুদ্ধে যখন তিনি শহীদ হন, তখন তাঁর বয়স মাত্র ৩৬ বছর। অর্থাৎ, মুসলিম হিসেবে তাঁর জীবনকাল ছিল মাত্র ৬ বছরের!
​অথচ এই ৬ বছরের আমল এতই ভারী ছিল যে, তাঁর চিরবিদায়ে আকাশ থেকে ৭০,০০০ ফেরেশতা নেমে এসেছিলেন!
এমনকি জিবরাঈল (আ.) স্বয়ং রাসূল (সা.)-এর কাছে এসে বলেছিলেন, 'হে মুহাম্মদ, আজ রাতে আপনার এমন এক সাহাবী ইন্তেকাল করেছেন, যাঁর মৃত্যুতে পরম করুণাময়ের আরশ কেঁপে উঠেছে!'
​মাত্র ৬ বছরের একটি জীবন... আর তাতেই রহমানের আরশ কেঁপে ওঠে!
আর আমরা যারা ২০, ৩০, ৪০, ৫০ কিংবা ৬০ বছর পার করে দিচ্ছি, আমরা এই দীর্ঘ জীবনে আল্লাহর জন্য আসলে কী করছি? কি আমল পাঠাচ্ছি ওপারে ?"
একটু নিজেকে নিয়ে ভাবা উচিত আমাদের। মহান আল্লাহ আমাদেরকে জীবনের প্রতিটি মুহুর্তকে ঈমান ও আমলের সাথে কাটানোর তাওফিক দিন।

21/05/2026

আজ যে নামাজটা ছেড়ে দিচ্ছেন, কাল সেটার জন্যই আফসোস করবেন!"

— এই চিরন্তন সত্যকে কেন্দ্র করে একটি শিক্ষণীয় গল্প নিচে তুলে ধরা হলো।

# # অবহেলা ও অনুতাপের গল্প: একটি হারানো সুযোগ

আরিফ একজন সফল সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। ব্যস্ততা, ক্যারিয়ার আর বন্ধুদের আড্ডায় তার দিনগুলো কেটে যেত ঝড়ের গতিতে। আজান হলে সে ভাবত, "কাজটা শেষ করে নিই, নামাজ পরে পড়া যাবে।" এভাবেই তার জীবনের বহু ওয়াক্তের ফরজ নামাজ অলসতা আর অবহেলায় ছুটে যেত।

একদিন আরিফের এক ধার্মিক বন্ধু তাকে মসজিদে যাওয়ার অনুরোধ করলে সে বিরক্ত হয়ে বলেছিল, "এখনও তো বয়স অনেক আছে, বুড়ো বয়সে তওবা করে নামাজ পড়া শুরু করব।" বন্ধুটি তখন দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলেছিল, "আরিফ, আজ যে নামাজটা অবহেলায় ছেড়ে দিচ্ছ, কাল হয়তো এই একটি সিজদার জন্যই তোমাকে চিরকাল আফসোস করতে হবে।" আরিফ হেসেই কথাটি উড়িয়ে দিল।

এর কিছুদিন পর, এক রাতে আকস্মিক এক সড়ক দুর্ঘটনায় আরিফ প্রাণ হারায়।

মৃত্যুর পর যখন আরিফের চোখ খুলল, সে নিজেকে আবিষ্কার করল এক বিশাল বিচারালয়ে। চারদিকের পরিবেশ ভীষণ থমথমে ও ভয়ংকর। তার সামনে তখন তার আমলনামা হাজির করা হলো। আরিফ দেখতে পেল, তার ক্যারিয়ারের সাফল্য, ব্যাংকের টাকা বা বিলাসবহুল গাড়ি—কোনো কিছুই আজ তাকে রক্ষা করতে পারছে না। তার আমলনামায় একের পর এক নামাজের ঘরগুলো শূন্য।

সেদিন ফেরেশতারা যখন তাকে অবাধ্যতার কারণে শাস্তির দিকে নিয়ে যাচ্ছিল, তখন আরিফ চিৎকার করে বলছিল, "আমাকে আর একটিমাত্র সুযোগ দেওয়া হোক! আমি পৃথিবীতে ফিরে গিয়ে মাত্র একটা সিজদা করতে চাই!" কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে। তার সেই আফসোস আর কান্নার কোনো মূল্যই রইল না।

# # মহাগ্রন্থ আল-কোরআনের রেফারেন্স

পবিত্র কোরআনে কেয়ামতের দিন বেনামাজিদের এই চরম আফসোস এবং জাহান্নামীদের কথোপকথন স্পষ্টভাবে বর্ণনা করা হয়েছে:

১. জাহান্নামে যাওয়ার মূল কারণ:

"তারা জাহান্নামীদের জিজ্ঞেস করবে, ‘কোন বিষয়টি তোমাদের সাকার (জাহান্নামে) প্রবেশ করালো?’ তারা বলবে, ‘আমরা নামাজ পড়তাম না।’"
— [সূরা আল-মুদ্দাসসির, আয়াত: ৪২-৪৩

১. সিজদা করতে না পারার আফসোস:

"স্মরণ করো সেই দিনের কথা, যেদিন (কেয়ামতের কঠিন পরিস্থিতিতে) পায়ের গোছা উন্মুক্ত করা হবে এবং মানুষকে সিজদা করার জন্য আহ্বান জানানো হবে, কিন্তু তারা (সিজদা করতে) পারবে না। তাদের দৃষ্টি অবনত থাকবে, হীনতা তাদেরকে গ্রাস করবে; অথচ যখন তারা সুস্থ ও নিরাপদ ছিল, তখনো তাদেরকে সিজদা করার আহ্বান জানানো হতো (কিন্তু তারা তা করেনি)।"
— [সূরা আল-কালাম, আয়াত: ৪২-৪৩](

# # সহীহ হাদিসের রেফারেন্স

নামাজ ত্যাগ করার ভয়াবহতা এবং পরকালে এর জবাবদিহিতা নিয়ে আল্লাহর রাসুল (সা.) কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন:

১. প্রথম হিসাব হবে নামাজের:

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "কেয়ামতের দিন বান্দার আমলসমূহের মধ্যে সবচেয়ে প্রথমে নামাজের হিসাব নেওয়া হবে। যদি নামাজ ঠিক হয়, তবে সে সফল ও সার্থক হলো। আর যদি নামাজ বিনষ্ট হয়, তবে সে ক্ষতিগ্রস্ত ও ধ্বংস হলো।"
— [সুনানে তিরমিযী, হাদিস নং: ৪১৩, সহীহ

১. কুফর ও ইসলামের ব্যবধান:

আল্লাহর রাসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন, "নিশ্চয়ই কোনো ব্যক্তি এবং কুফর ও শিরকের মধ্যে ব্যবধান হলো নামাজ ছেড়ে দেওয়া।"
— [সহীহ মুসলিম, হাদিস নং: ৮২

১. আমল বরবাদ হওয়ার ভয়:

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "যে ব্যক্তি (ইচ্ছাকৃতভাবে) আসরের নামাজ ছেড়ে দিল, তার সমস্ত আমল বরবাদ হয়ে গেল।"
— সহীহ বুখারী, হাদিস নং: ৫৫৩

শিক্ষা: সময় চলে গেলে আর আফসোস করে কোনো লাভ হবে না। তাই পরকালের চিরস্থায়ী জীবনের কঠিন আফসোস থেকে বাঁচতে আজই, এই মুহূর্ত থেকেই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সময়মতো আদায় করার দৃঢ় সংকল্প করা উচিত।

পরিশেষে, অলসতার স্বপ্নে ঘুমন্ত হে মুমিন,
ভোগ-বিলাস বাড়িয়ে কী উপকারে আসবে?

চোখ মেলো,
উঠো—প্রিয় রবকে স্মরণ করো।
চোখ মেলো,
শোন প্রিয় রবের যিকির।
চোখ মেলো,
চলো সত্য পথে।

এমন জীবন অতিবাহিত করে
কী উপকারে আসবে?

অলসতার স্বপ্নে ঘুমন্ত হে মুমিন,
যৌবনকালে ভুলে গিয়েছ তোমার রবকে!
ক্ষমতার বলে দেখিয়েছ দাপট!
যৌবন ঢলে পড়লে তখন আফসোস করবে—
সেই মুহূর্তে কেঁদে কী উপকারে আসবে?

চোখ মেলো,
উঠো—প্রিয় রবকে স্মরণ করো।

— আল্লামা ইকবাল (র.)

19/05/2026

মিউজিক অন্তরের মদ,
মিউজিক অন্তরে নিফাকের সৃষ্টি করে,
মিউজিক শয়তানের আকর্ষণীয় অস্ত্র!
ধোকায় পড়বেননা!

--প্রফেসর মোখতার আহমদ

06/05/2026

দিনের প্রথম সিদ্ধান্ত যদি ফজর কে ঘিরে না হয়, তাহলে দিনের বাকি সিদ্ধান্তগুলো প্রায় মূল্যহীন। শুরুতেই ব্যর্থ হয়ে বসে আছি।

- শায়খ আতিক উল্লাহ (হাফি.)



02/05/2026

আপনি যখন সফর বা ভ্রমণের উদ্দেশ্যে বের হবেন তখন আপনার সফরসঙ্গী এই তিনটি জিনিস যেনো সঙ্গে থাকে...
১. পকেট জায়নামাজ।
২. পকেট কুরআন।
৩. গণনা তাসবীহ।
ব্যস্ততা বা দূরত্ব যেন ইবাদতে বাধা না হয়।
যেখানেই থাকুন, আল্লাহর স্মরণে থাকুন।



30/04/2026

একজন মুসলিমের জন্য দুটি দিকের ভারসাম্য রক্ষা করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
১. দুনিয়ায় সঠিকভাবে জীবনযাপন করার ভারসাম্য।
২. পরকালে সফল হওয়ার জন্য আমলের ভারসাম্য।

বই: ব্যালেন্স ইউর লাইফ...

28/04/2026

সেই প্রকৃত শক্তিশালী যে রেগে গেলেও রাগ নিয়ন্ত্রণে নিজেকে সামলাতে পারে

27/04/2026

-গায়রত মুমিনের হারানো অলংকার...

27/04/2026

যারা জীবনের সবচেয়ে ভয়াবহ ঝড়ের মধ্য দিয়ে গিয়েও নম্র, ধৈর্যশীল, দয়ালু ও বিনয়ী থাকতে পছন্দ করেন, তাদের হৃদয় কতই না সুন্দর। তারা ইহকাল ও পরকালে দ্বিগুণ বিজয়ী।

26/04/2026

প্রতিটি গুনাহের বিপরীতে আমাদের অজান্তেই একেকটি রিজিক থেকে আমরা বঞ্চিত হই।

-মাওলানা আব্দুল্লাহ আল-মানসুর হাফি.

26/04/2026

সবাই বলে—একজন ভালো স্ত্রী অমূল্য সম্পদ। জগতের শ্রেষ্ঠ নিয়ামত; কথা ঠিক। কিন্তু একজন ভালো স্বামীও যে কত বড় নিয়ামত—তা খুব একটা শোনা যায় না।

স্ত্রী বুঝবান ও দ্বীনদার না হলে ছেলেদের কতটা কষ্ট হয় সেটা অনেকেই জানি। কিন্তু এটাও কি ভেবেছি যে, স্বামী যদি বুঝবান ও দ্বীনদার না হয় তাহলে সেটা মেয়েদের জন্য কতটা কষ্টকর হয়?

স্বামী চাইলে (বর্তমানে একটু জটিল হলেও) কষ্টদায়ক স্ত্রীকে বিদায় দিয়ে অন্যকাউকের গ্রহণ করতে পারে। কিন্তু একজন দ্বীনদার স্ত্রী? সে কি চাইলেই অন্য স্বামী গ্রহণ করতে পারে?

তার সন্তান, ভগ্নদেহ, সামর্থ্য, সবকিছু যেন একেকটি পাহাড় হয়ে দাঁড়ায়। আর তার পরিবার ও সমাজ এক্ষেত্রে তার জন্য The great wall of China এর ভূমিকা পালন করে।

জীবনের শেষ সময়টুকু পর্যন্ত মেয়েটিকে একই চুলোর অদৃশ্য অনলে থেকেথেকে জ্বলতে হয়। পুড়ে ভস্ম হতে হয় অবিরত। আর নিশিত তিমিরে নিজের কলিজা পোড়া ভ্যাপসা গন্ধে যেন চৈতন্য হারায় মেয়েটির ভেতর-বাহির।

এর মধ্যদিয়েই আবার স্বামী, সন্তান ও শ্বশুরালয়ের চাহিদাও মিটিয়ে যেতে হয়।

দিনশেষে মেয়েটি একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত সমরক্ষেত্রের মৃতপ্রায় সৈনিক হয়ে কখনো বিনা চিকিৎসায় কোঁকাতে থাকে। কিন্তু আফসোস! মেয়েটির এই কোঁকানো আওয়াজ, ছেলের গাড়ি-বাড়ি-টাকা দেখে বিয়ে দেয়া লোভী ও অচেতন মা-বাবার কান অবধি পৌঁছে না।

আর মেয়েটিও অভিমান, লজ্জা কিংবা ভয়ে কাউকে কিছু বলে না...

একজন ভালো দ্বীনদার স্বামীর প্রয়োজনীয়তা, মর্ম ও মর্যাদা এই ভুক্তভোগী মেয়েটি ছাড়া অন্যদের জন্য বুঝতে পারাটা বেশ কষ্টকর।
আল্লাহ সবাইকে বুঝার তাওফিক দান করুন আমীন।

~Nurullah mahmud

Adresse

Nantes
44000

Site Web

Notifications

Soyez le premier à savoir et laissez-nous vous envoyer un courriel lorsque Fajr Prayer Campaign publie des nouvelles et des promotions. Votre adresse e-mail ne sera pas utilisée à d'autres fins, et vous pouvez vous désabonner à tout moment.

Partager