Al Azhar Islamic Center

Al Azhar Islamic Center আল আযহার বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া এক ঝ?

22/06/2022
আপনি জানেন কি "গাজওয়াতুল হিন্দ" কি.?পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় যে ধর্মযুদ্ধ হবে সেটাই হল "গাজওয়ায়ে হিন্দ" বা হিন্দুস্থানে (ভারত...
16/06/2022

আপনি জানেন কি "গাজওয়াতুল হিন্দ" কি.?

পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় যে ধর্মযুদ্ধ হবে সেটাই হল "গাজওয়ায়ে হিন্দ" বা হিন্দুস্থানে (ভারত) মুশরিকদের সাথে মুসলমানদের যুদ্ধ। এ যুদ্ধে মুসলমানরা নিশ্চিত বিজয় লাভ করবেন ইনশাআল্লাহ। সুবহানআল্লাহ.!

তবে যুদ্ধে অংশ নেয়া এক-তৃতীয়াংশ মুসলমান শাহাদাৎ বরন করবেন এবং যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে বিজয় লাভ করবেন। সুবহানআল্লাহ.!

যারা এ যুদ্ধে শাহাদাত বরন করবেন তারা নিশ্চিত জান্নাতবাসী হবেন। সুবহানআল্লাহ.!

আর যারা যুদ্ধে বিজয়ী হয়ে গাজীরুপে ফিরবেন তারা ঈমানের সাথে মৃত্যুবরন করবেন এবং জান্নাতবাসী হবেন। সুবহানআল্লাহ.!

আবার এ যুদ্ধক্ষেত্র থেকে কতিপয় নামধারী মুসলমান পালিয়ে যাবে। ওরা বেইমান হয়ে মৃত্যুবরন করবে। নাউজুবিল্লাহ!

পবিত্র হাদিস শরীফে বর্ণিত আছে, পৃথিবীতে "গাজওয়াতুল হিন্দ" হবে কাফির-মুশরিকদের সাথে মুসলমানদের বৃহত্তম জিহাদ।

এ যুদ্ধে হিন্দুস্তানের মুসলমানদের এক তৃতীয়াংশই শহীদ হবে, একাংশ পালিয়ে যাবে আর শেষ অংশে
জিহ|দ চালিয়ে যাবে।

বৃহত্তম এ যুদ্ধে মুসলমানদের নিশ্চিত বিজয় হবে কিন্তু এটা এতোটাই ভয়াবহ হবে যে, হয়তো অল্প কিছু সংখ্যক মুসলমান বেঁচে থাকবেন বিজয়ের পতাকা উড়ানোর জন্য।

অন্য বর্ণনায় উল্লেখ আছে, "গাজওয়াতুল হিন্দ" হিন্দুস্তানের (চুড়ান্ত) যুদ্ধ। রাসুল (স.) একদিন পুর্বদিকে তাকিয়ে বড় বড় নিশ্বাস নিচ্ছিলেন, এমন সময় এক সাহাবি রাসুল (স.)-কে জিজ্ঞেস করলেন, "ইয়া রাসুলুল্লাহ, আপনি এমন করছেন কেন.!"

রাসুল (স.) বললেন, "আমি পুর্বদিকে বিজয়ের গন্ধ পাচ্ছি।" সাহাবায়ে কেরাম (রা.) জিজ্ঞেস করলেন ইয়া রাসুলুল্লাহ আপনি কিসের বিজয়ের গন্ধ পাচ্ছেন.?

রাসুল (স.) বললেন, পুর্বদিকে মুসলমান ও মুশরিকদের (যারা মুর্তিপুজা করে) সাথে যুদ্ধ শুরু হবে। যুদ্ধটা হবে অসম। মুসলমান সেনাবাহিনী থাকবে সংখ্যায় সীমিত, কিন্তু মুশরিকদের সেনাবিহিনী থাকবে সংখ্যায় অধিক।

ঐ যুদ্ধে মুসলিমরা এত বেশি মারা যাবে যে, রক্তে মুসলিমদের পায়ের টাকুনি পর্যন্ত ডুবে যাবে। ঐ যুদ্ধে মুসলিমরা তিনভাগে বিভক্ত থাকব। এদের মধ্য থেকে একভাগ মুশরিকদের বিশাল বাহিনী দেখে ভয়ে পালিয়ে যাবে, তারাই হলো জাহান্নামী! আরেক ভাগের সবাই যুদ্ধে শহীদ হবেন। অপরভাগ আল্লাহর উপর ভরসা করে যুদ্ধ চালিয়ে যাবে এবং শেষ পর্যন্ত জয়লাভ করবেন।

রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন, এ যুদ্ধ বদর যুদ্ধের সমতুল্য.!(সুবহানাল্লাহ)

তিনি আরও বলেছেন, ঐ সময় মুসলিমরা যে যেখানেই থাকুক না কেন তারা যেন সেই যুদ্ধে শরিক হন।

নাসায়ী খন্ড ০১, পৃষ্টা ১৫২
সুনানে আবু দাউদ খন্ড ০৬, পৃষ্টা ৪২।

নিজেকে চেনো   ইসলাম ও অন্যান্য দর্শনের মাঝে মৌলিক পার্থক্য হলো-ইসলাম যেটা বলে সেটার বাস্তবিক প্রয়োগ কেমন হবে সেটাও বাতলে...
15/06/2022

নিজেকে চেনো

ইসলাম ও অন্যান্য দর্শনের মাঝে মৌলিক পার্থক্য হলো-
ইসলাম যেটা বলে সেটার বাস্তবিক প্রয়োগ কেমন হবে সেটাও বাতলে দেয় সুনিপুণ ভাবে।
অন্যান্য দর্শন বা মতবাদ কখনোই এমন টা করতে পারে না।(কিছু কিছু ক্ষেত্রে হয়ত চেষ্টা করে)
যেমন ঃ
KNOW THYSELF
সক্রেটিসের বিখ্যাত উক্তি কিন্তু এটার প্রোপার ব্যাখ্যা তিনি দিয়ে যান নি।

প্রতিটি দর্শনই একটা গ্লাসের মত আপনার চোখে আপনি যে গ্লাস দিবেন বিশ্বকে আপনি সেরকমই দেখবেন।
কুরানিক গ্লাস নাকি অন্য গ্লাস সেটা আপনার স্বাধীনতা।
DR.RATIB AN NABLISI ❤️

মিশরের আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) এর সরকারী মুখপাত্র তার টুইটার বার্তায় রসূল মুহাম্মদ (সাঃ) এব...
06/06/2022

মিশরের আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) এর সরকারী মুখপাত্র তার টুইটার বার্তায় রসূল মুহাম্মদ (সাঃ) এবং তাঁর পবিত্র স্ত্রী উম্মুল মুমিনিন আয়েশা রাঃ সম্পর্কে যে নির্লজ্জ ও অশালীন মন্তব্য করেছে তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। তারা তাঁর বক্তব্যকে নবীদের ইতিহাস, তাদের জীবনী, এবং কীভাবে তারা নৈতিকতার সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছে ছিলেন, এবং মহান আল্লাহ তাদের যাবতীয় পাপ থেকে রক্ষা করেছেন এব্যাপারে স্পষ্ট অজ্ঞতা বলে অবিহিত করেছেন।

আল আজহার কর্তৃপক্ষ তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে এক প্রতিবাদলিপিতে আরও বলেনঃ এই অজ্ঞ ও বেপরোয়া লোকটি ইতিহাসের মহামানবদের নিয়ে যে মন্তব্য করেছে তা যুগেযুগে ইসলাম বিদ্বেষী শত্রুদের বক্তব্যেরই প্রতিধ্বনি। সেই সাথে আল আজহার দৃঢ়ভাবে মনে করে যে, এটাই হচ্ছে প্রকৃত "সন্ত্রাসবাদ" যা দীর্ঘমেয়াদী রক্তক্ষয়ী দাঙ্গা ও বিদ্রোহের সূচনা করতে পারে। তাই আন্তর্জাতিক মহলের উচিত, শক্ত হাতে এই দুষ্কৃতিকারীদের দমন করা।

আল আজহার কর্তৃপক্ষ আরও বলেনঃ সাম্প্রতিককালে বিভিন্ন দেশে নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধি ও ভোট লাভের আশায় যেভাবে ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, তা নিঃসন্দেহে ঘৃণ্য সাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মমতের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নষ্টের আহবান। কোন সভ্য সমাজ এই অবস্থাকে মেনে নিতে পারেনা।

তাই আল আজহার পূনরায় সকল মহলকে ধর্ম ও মানবতা নিয়ে ব্যবসাকারীদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানিয়েছে।
Copy&pest

04/06/2022
পুরুষের বীর্য থেকে ছেলে সন্তান.!নারীর বীর্য থেকে কন্যা সন্তান।**বিজ্ঞান যদিও বহু বছর পর এর সমাধান বের করেছে, কিন্তু রাসূ...
29/05/2022

পুরুষের বীর্য থেকে ছেলে সন্তান.!
নারীর বীর্য থেকে কন্যা সন্তান।
**
বিজ্ঞান যদিও বহু বছর পর এর সমাধান বের করেছে, কিন্তু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সমাধান দিয়ে গেছেন।
যেমন আল্লাহর বাণীতে বলা হয়েছে
لِّلَّهِ مُلْكُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِۚ يَخْلُقُ مَا يَشَآءُۚ يَهَبُ لِمَن يَشَآءُ إِنَٰثًا وَيَهَبُ لِمَن يَشَآءُ ٱلذُّكُورَ
আসমান ও জমিনের রাজত্ব একমাত্র আল্লাহর। তিনি যা চান তাই সৃষ্টি করেন। যাকে ইচ্ছা কন্যাসন্তান দান করেন এবং যাকে ইচ্ছা পুত্রসন্তান দান করেন।
أَوْ يُزَوِّجُهُمْ ذُكْرَانًا وَإِنَٰثًاۖ وَيَجْعَلُ مَن يَشَآءُ عَقِيمًاۚ إِنَّهُۥ عَلِيمٌ قَدِيرٌ
অথবা তাদেরকে পুত্র ও কন্যা উভয়ই দান করেন। আবার যাকে ইচ্ছা নিঃসন্তান রাখেন। নিশ্চয়ই তিনি মহাজ্ঞানী, সর্বশক্তিমান। (আশ-শূরা :৪৯-৫০)
فَقَالَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ نَعَمْ فَمِنْ أَيْنَ يَكُونُ الشَّبَهُ إِنَّ مَاءَ الرَّجُلِ غَلِيظٌ أَبْيَضُ وَمَاءَ الْمَرْأَةِ رَقِيقٌ أَصْفَرُ فَمِنْ أَيِّهِمَا عَلاَ أَوْ سَبَقَ يَكُونُ مِنْهُ الشَّبَهُ ‏"‏ ‏.‏
রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ পুরুষের বীর্য সাদা আর মহিলাদের বীর্য হলুদ। যখন উভয়ের বীর্য একত্রিত হয় এবং পুরুষের বীর্য মহিলাদের বীর্যের উপর প্রাধান্য লাভ করে, তখন আল্লাহর হুকুমে পুত্র সন্তান ভূমিষ্ঠ হয়। আর যখন মহিলাদের বীর্য পুরুষের বীর্যের উপর প্রাধান্য লাভ করে, তখন আল্লাহর হুকুমে কন্যা সন্তান ভূমিষ্ঠ হয়।(সহীহ মুসলিম ৫৯৭)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، وَعَبْدُ الأَعْلَى، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي عَرُوبَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ أُمَّ سُلَيْمٍ، سَأَلَتْ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ عَنِ الْمَرْأَةِ تَرَى فِي مَنَامِهَا مَا يَرَى الرَّجُلُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ إِذَا رَأَتْ ذَلِكَ فَأَنْزَلَتْ فَعَلَيْهَا الْغُسْلُ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَتْ أُمُّ سَلَمَةَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَيَكُونُ هَذَا قَالَ ‏"‏ نَعَمْ مَاءُ الرَّجُلِ غَلِيظٌ أَبْيَضُ وَمَاءُ الْمَرْأَةِ رَقِيقٌ أَصْفَرُ فَأَيُّهُمَا سَبَقَ أَوْ عَلاَ أَشْبَهَهُ الْوَلَدُ ‏"‏ ‏.‏
ইবনে মাজাহ পৃষ্ঠা নং হাদিস নং২/৬০১। আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। উম্মু সুলাইম রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট জিজ্ঞেস করেন, পুরুষের ন্যায় কোন নারীর স্বপ্নদোষ হলে সে কী করবে? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যদি তার স্বপ্নদোষ হয় এবং তার বীর্যপাত হয়, তবে তাকে গোসল করতে হবে। উম্মু সালামাহ (রাঃ) বলেন, হে আললাহর রাসূল! তাই কি হয়? তিনি বলেনঃ হ্যাঁ। পুরুষের বীর্য গাঢ় সাদা এবং স্ত্রীলোকের বীর্য পাতলা হলদে রংবিশিষ্ট। সুতরাং এদের মধ্যে যার বীর্য আগে স্খলিত হয়, সন্তান তার সদৃশ হয়।
তাখরীজ কুতুবুত সিত্তাহ: মুসলিম ৩১০-১১, নাসায়ী ১৯৫, ২০০; আহমাদ ১২৬৪২, ১৩৬৯৮; দারিমী ৭৬৪। তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ। তাখরীজ আলবানী: সহীহাহ ১৩৪২
وَعَنْ أُمِّ سَلَمَةَ قَالَتْ قَالَتْ أُمُّ سُلَيْمٍ: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ اللَّهَ لَا يَسْتَحْيِي مِنَ الْحَقِّ فَهَلْ عَلَى الْمَرْأَةِ من غسل إِذا احْتَلَمت قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ «إِذَا رَأَتِ الْمَاءَ» فَغَطَّتْ أُمُّ سَلَمَةَ وَجْهَهَا وَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَوَتَحْتَلِمُ الْمَرْأَةُ قَالَ: «نعم تربت يَمِينك فَبِمَ يشبهها وَلَدهَا؟»
মিশকাতুল মাসাবিহ পৃষ্ঠা নং হাদিস নং৪৩৩-[৪] উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন (আনাস (রাঃ)-এর মা) উম্মু সুলায়ম (রাঃ)বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহ তা‘আলা হক কথা বলতে লজ্জাবোধ করেন না। স্ত্রীলোকের স্বপ্নদোষের কারণে তার ওপর কি গোসল ফরয হয়? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উত্তরে বললেনঃ হাঁ, যদি (ঘুম থেকে জেগে উঠে) বীর্য দেখে। এ উত্তর শুনে উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) (লজ্জায়) স্বীয় মুখ ঢেকে ফেললেন এবং বললেন, হে আল্লাহর রসূল! স্ত্রীলোকেরও আবার স্বপ্নদোষ হয় (পুরুষের ন্যায় বীর্যপাত হয়)। উত্তরে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, হ্যাঁ। কি আশ্চর্য! (তা না হলে) তার সন্তান তার সদৃশ হয় কীভাবে? ] সহীহ : বুখারী ১৩০, মুসলিম ৩১৩।
وَزَادَ مُسْلِمٌ بِرِوَايَةِ أُمِّ سُلَيْمٍ: «أَنَّ مَاءَ الرَّجُلِ غَلِيظٌ أَبْيَضُ وَمَاءَ الْمَرْأَةِ رَقِيقٌ أَصْفَرُ فَم أَيِّهِمَا عَلَا أَوْ سَبَقَ يَكُونُ مِنْهُ الشَّبَهُ»
মিশকাতুল মাসাবিহ পৃষ্ঠা নং হাদিস নং৪৩৪-[৫] কিন্তু ইমাম মুসলিম (রহঃ) উম্মু সুলায়ম (রাঃ)-এর বর্ণনায় এ কথাগুলো বেশী বলেছেন, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এ কথাও বলেছেন যে, সাধারণত পুরুষের বীর্য গাঢ় ও সাদা। স্ত্রীলোকের বীর্য পাতলা ও হলদে। উভয়ের বীর্যের মধ্যে যেটিই জয়ী হয়, অর্থাৎ- যে বীর্য আগে গর্ভাশয়ে প্রবেশ করে সন্তান তার সাদৃশ্য হয়।[1][1] সহীহ : মুসলিম ৫৯৭
وَعَن أنس قا ل سَمِعَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلَامٍ بِمَقْدَمِ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ فِي أَرْضٍ يَخْتَرِفُ فَأَتَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ إِنِّي سَائِلُكَ عَنْ ثَلَاثٍ لَا يَعْلَمُهُنَّ إِلَّا نَبِيٌّ: فَمَا أَوَّلُ أَشْرَاطِ السَّاعَةِ وَمَا أَوَّلُ طَعَامِ أَهْلِ الْجَنَّةِ؟ وَمَا يَنْزِعُ الولدُ إِلَى أبيهِ أَو إِلَى أمه؟ قا ل: «أَخْبرنِي بهنَّ جِبْرِيلُ آنِفًا أَمَّا أَوَّلُ أَشْرَاطِ السَّاعَةِ فَنَارٌ تَحْشُرُ النَّاسَ مِنَ الْمَشْرِقِ إِلَى الْمَغْرِبِ وَأَمَّا أَوَّلُ طَعَامٍ يَأْكُلُهُ أَهْلُ الْجَنَّةِ فَزِيَادَةُ كَبِدِ الْحُوت وَإِذَا سَبَقَ مَاءُ الرَّجُلِ مَاءَ الْمَرْأَةِ نَزْعَ الْوَلَدَ وَإِذَا سَبَقَ مَاءُ الْمَرْأَةِ نَزَعَتْ» . قَالَ: أشهد أَن لاإله إِلَّا اللَّهُ وَأَنَّكَ رَسُولُ اللَّهِ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ الْيَهُودَ قَوْمٌ بُهْتٌ وَإِنَّهُمْ إِنْ يعلمُوا بِإِسْلَامِي من قبل أَن تَسْأَلهُمْ يبهتوني فَجَاءَتِ الْيَهُودُ فَقَالَ: «أَيُّ رَجُلٍ عَبْدُ اللَّهِ فِيكُمْ؟» قَالُوا: خَيْرُنَا وَابْنُ خَيْرِنَا وَسَيِّدُنَا وَابْنُ سيدِنا فَقَالَ: «أرأَيتم إِنْ أَسْلَمَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلَامٍ؟» قَالُوا أَعَاذَهُ اللَّهُ مِنْ ذَلِكَ. فَخَرَجَ عَبْدُ اللَّهِ فَقَالَ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ فَقَالُوا: شَرُّنَا وَابْنُ شَرِّنَا فَانْتَقَصُوهُ قَالَ: هَذَا الَّذِي كُنْتُ أَخَافُ يَا رسولَ الله رَوَاهُ البُخَارِيّ رواہ البخاری (4480) ۔ (صَحِيح)
মিশকাতুল মাসাবিহ পৃষ্ঠা নং হাদিস নং৫৮৭০-[৩] আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, 'আবদুল্লাহ ইবনু সালাম রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম.) -এর মদীনায় আগমনের সংবাদ শুনতে পেলেন। এ সময় তিনি নিজের এক বাগানে খেজুর পাড়ছিলেন। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর কাছে এসে বললেন, আমি আপনাকে এমন তিনটি প্রশ্ন করব, যা নবী ছাড়া আর কেউই জানে না।
১. কিয়ামতের সর্বপ্রথম আলামত কি?
২. জান্নাতবাসীদের সর্বপ্রথম খাদ্য কি?
৩. কিসের কারণে সন্তান (আকৃতিতে) কখনো তার পিতার মতো হয়, আবার কখনো তার মায়ের মতো হয়?
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম.) বললেন, এ বিষয়গুলো সম্পর্কে জিবরীল আলায়হিস সালাম এইমাত্র আমাকে অবহিত করে গেলেন। কিয়ামতের সর্বপ্রথম আলামাত হলো একটি আগুন, যা লোকেদেরকে পূর্ব দিকে হতে পশ্চিম দিকে সমবেত করে নিয়ে যাবে। আর জান্নাতবাসীগণ সর্বপ্রথম যে খাদ্য খাবে, তা হলো মাছের কলিজার অতিরিক্ত টুকরা আর (সন্তানাদির বিষয়টি) যদি নারীর বীর্যের উপর পুরুষের বীর্যের প্রাধান্য ঘটে, তবে সন্তান বাপের মতো হয়। আর যদি নারীর বীর্যের প্রাধান্য ঘটে, তবে সন্তান মায়ের রূপ ধারণ করে। তখন ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম বলে উঠলেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ তা'আলা ছাড়া ইবাদাত পাওয়ার যোগ্য কেউ নেই এবং নিশ্চয় আপনি আল্লাহর রাসূল।
(অতঃপর তিনি বললেন) হে আল্লাহর রাসূল! ইয়াহূদীরা এমন একটি জাতি, যারা অপবাদ আনবে। অতঃপর ইয়াহুদীগণ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর কাছে আসলে তিনি তাদেরকে প্রশ্ন করলেন, তোমাদের মাঝে আবদুল্লাহ কে? তার উত্তরে বলেন, আমাদের মধ্যে সর্বোত্তম লোক এবং সর্বোত্তম ব্যক্তির সন্তান। তিনি আমাদের নেতা এবং আমাদের নেতার সন্তান। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম.) বললেন, আচ্ছা বল তো, আবদুল্লাহ ইবনু সালাম যদি ইসালাম গ্রহণ করে, তখন তারা বলে উঠল, আল্লাহ তা'আলা তাকে তা হতে রক্ষা করুন। এমন সময় ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (আড়াল হতে) বের হয়ে এসে কালিমাহ্ উচ্চারণ করে বললেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া আর কোন উপাসনার যোগ্য কেউ নেই এবং নিশ্চয় মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম.) আল্লাহর রাসূল। তখন তারা (ইয়াহূদীরা) বলতে লাগল, (এ লোকটি) আমাদের মধ্যে সর্বনিকৃষ্ট ব্যক্তির সন্তান। অতঃপর তারা তাকে খুব তাচ্ছিল্যভাবে তুচ্ছ প্রতিপন্ন করল। তখন ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! (এদের ব্যাপারে) আমি এটাই আশঙ্কা করেছিলাম।)
সহীহ: বুখারী ৪৪৮০, মুসনাদে আহমাদ ১২৯৯৩, মুসনাদে আবদ ইবনু হুমায়দ ১৩৮৯, আবূ ইয়া'লা ৩৪১৪, সহীহ ইবনু হিব্বান ৭৪২৩, আস্ সুনানুল কুবরা লিন্ নাসায়ী ৯০৭৪।
عَن عبد الله بن مَسْعُود قَالَ: حَدَّثَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ الصَّادِق المصدوق: «إِن أحدكُم يجمع خلقه فِي بطن أمه أَرْبَعِينَ يَوْمًا ثمَّ يكون فِي ذَلِك علقَة مثل ذَلِك ثمَّ يكون فِي ذَلِك مُضْغَة مثل ذَلِك ثمَّ يُرْسل الْملك فينفخ فِيهِ الرّوح وَيُؤمر بِأَرْبَع كَلِمَات بكتب رزقه وأجله وَعَمله وشقي أَو سعيد فوالذي لَا إِلَه غَيره إِن أحدكُم لَيَعْمَلُ بِعَمَلِ أَهْلِ الْجَنَّةِ حَتَّى مَا يَكُونُ بَيْنَهُ وَبَيْنَهَا إِلَّا ذِرَاعٌ فَيَسْبِقُ عَلَيْهِ الْكِتَابُ فَيَعْمَلُ بِعَمَلِ أَهْلِ النَّارِ فَيَدْخُلُهَا وَإِنَّ أَحَدَكُمْ لَيَعْمَلُ بِعَمَلِ أَهْلِ النَّارِ حَتَّى مَا يَكُونُ بَيْنَهُ وَبَيْنَهَا إِلَّا ذِرَاعٌ فَيَسْبِقُ عَلَيْهِ الْكِتَابُ فَيَعْمَلُ بِعَمَلِ أَهْلِ الْجَنَّةِ فَيَدْخُلُهَا»
মিশকাতুল মাসাবিহ পৃষ্ঠা নং হাদিস নং৮২-[৪] ইবনু মাস্‘ঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সত্যবাদী ও সত্যবাদী বলে স্বীকৃত আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের প্রত্যেকেরই জন্ম হয় এভাবে যে, তার মায়ের পেটে (প্রথমে তার মূল উপাদান) শুক্ররূপে চল্লিশ দিন পর্যন্ত থাকে। অতঃপর তা চল্লিশ দিন পর্যন্ত লাল জমাট রক্তপিন্ডরূপ ধারণ করে। তারপর পরবর্তী চল্লিশ দিনে মাংসপিন্ডর রূপ ধারণ করে। অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা একজন মালাককে চারটি বিষয় লিখে দেয়ার জন্য পাঠন। সে মালাক লিখেন তার- (১) ‘আমল [সে কি কি ‘আমল করবে], (২) তার মৃত্যু, (৩) তার রিয্‌ক্ব (রিজিক/রিযিক) ও (৪) তার নেককার বা দুর্ভাগা হওয়ার বিষয় আল্লাহর হুকুমে তার তাক্বদীরে লিখে দেন, তারপর তন্মধ্যে রূহ্ প্রবেশ করান। অতঃপর সে সত্তার কসম, যিনি ব্যতীত প্রকৃত আর কোন ইলাহ নেই! তোমাদের মধ্যে কেউ জান্নাতবাসীদের ‘আমল করতে থাকে, এমনকি তার ও জান্নাতের মধ্যে মাত্র এক হাত দূরত্ব থাকে, এমন সময় তার প্রতি তাক্বদীরের লিখা তার সামনে আসে। আর তখন সে জাহান্নামীদের কাজ করতে থাকে এবং জাহান্নামে প্রবেশ করে। তোমাদের কোন ব্যক্তি জাহান্নামীদের মতো ‘আমল করতে শুরু করে, এমনকি তার ও জাহান্নামের মধ্যে এক হাত দূরত্ব অবশিষ্ট থাকে। এমন সময় তার প্রতি সে লেখা (তাক্বদীর) সামনে আসে, তখন সে জান্নাতীদের কাজ করতে শুরু করে, ফলে সে জান্নাতে প্রবেশ করে। (
[1] সহীহ : বুখারী ৩২০৮, মুসলিম ২৬৪৩, আবূ দাঊদ ৪৭০৮, ইবনু মাজাহ ৭৬, তিরমিযী ২১৩৭, সহীহ ইবনু হিব্বান ৬১৭৪, আহমাদ ৩৯৩৪।
سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ عَنْ عُبَيْدِ اللهِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَنَسٍ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ وَكَّلَ اللهُ بِالرَّحِمِ مَلَكًا فَيَقُولُ أَيْ رَبِّ نُطْفَةٌ أَيْ رَبِّ عَلَقَةٌ أَيْ رَبِّ مُضْغَةٌ فَإِذَا أَرَادَ اللهُ أَنْ يَقْضِيَ خَلْقَهَا قَالَ أَيْ رَبِّ أَذَكَرٌ أَمْ أُنْثَى أَشَقِيٌّ أَمْ سَعِيدٌ فَمَا الرِّزْقُ فَمَا الأَجَلُ فَيُكْتَبُ كَذَلِكَ فِي بَطْنِ أُمِّهِ
বুখারী শরীফ খন্ড নং পৃষ্ঠা নং হাদিস নং৬৫৯৫. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আল্লাহ্ রেহেমে (মাতৃগর্ভে) একজন ফেরেশতা নিযুক্ত করেছেন। তিনি বলেন, হে প্রতিপালক! এটি বীর্য। হে প্রতিপালক! এটি রক্তপিন্ড। হে প্রতিপালক! এটি গোশতপিন্ড। আল্লাহ্ যখন তার সৃষ্টি পূর্ণ করতে চান, তখন ফেরেশতা বলে, হে প্রতিপালক! এটি নর হবে, না নারী? এটি দুর্ভাগা হবে, না ভাগ্যবান? তার রিযক্ কী পরিমাণ হবে? তার জীবনকাল কী হবে? তখন (আল্লাহর নির্দেশমত) তার মায়ের পেটে থাকাকালে ঐ রকমই লিখে দেয়া হয়। [৩১৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৪৩)
Al-Hajj 22:5
يَٰٓأَيُّهَا ٱلنَّاسُ إِن كُنتُمْ فِى رَيْبٍ مِّنَ ٱلْبَعْثِ فَإِنَّا خَلَقْنَٰكُم مِّن تُرَابٍ ثُمَّ مِن نُّطْفَةٍ ثُمَّ مِنْ عَلَقَةٍ ثُمَّ مِن مُّضْغَةٍ مُّخَلَّقَةٍ وَغَيْرِ مُخَلَّقَةٍ لِّنُبَيِّنَ لَكُمْۚ وَنُقِرُّ فِى ٱلْأَرْحَامِ مَا نَشَآءُ إِلَىٰٓ أَجَلٍ مُّسَمًّى ثُمَّ نُخْرِجُكُمْ طِفْلًا ثُمَّ لِتَبْلُغُوٓا۟ أَشُدَّكُمْۖ وَمِنكُم مَّن يُتَوَفَّىٰ وَمِنكُم مَّن يُرَدُّ إِلَىٰٓ أَرْذَلِ ٱلْعُمُرِ لِكَيْلَا يَعْلَمَ مِنۢ بَعْدِ عِلْمٍ شَيْـًٔاۚ وَتَرَى ٱلْأَرْضَ هَامِدَةً فَإِذَآ أَنزَلْنَا عَلَيْهَا ٱلْمَآءَ ٱهْتَزَّتْ وَرَبَتْ وَأَنۢبَتَتْ مِن كُلِّ زَوْجٍۭ بَهِيجٍ
হে মানুষ! পুনরুত্থান সম্বন্ধে তোমাদের যদি কোন সন্দেহ থাকে তাহলে (ভেবে দেখ,) আমিই তো তোমাদেরকে (প্রথম মানুষ আদমকে) মাটি থেকে, তারপর (অন্যান্যদেরকে) বীর্য থেকে, তারপর জমাট রক্তপিণ্ড থেকে, তারপর সুগঠিত ও সুগঠিত নয় এমন মাংসখণ্ড থেকে সৃষ্টি করেছি; তোমাদের কাছে (আমার ক্ষমতা) প্রকাশ করার জন্য। আমি যা (সৃষ্টি করতে) চাই তা একটি নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত মাতৃগর্ভে রেখে দেই; তারপর তোমাদেরকে শিশু অবস্থায় বের করে আনি; পরে যাতে তোমরা পূর্ণ শক্তির বয়সে উপনীত হও। তোমাদের মধ্যে কতক (অল্প বয়সে) মারা যায়, আবার তোমাদের মধ্যে কতককে নিকৃষ্টতম বয়সে (জরাজীর্ণ বার্ধক্যে) উপনীত করা হয়, যাতে তারা জানার পরে আবার কিছুই না জানে (সবকিছু ভুলে যায়)। আর তুমি জমিনকে দেখতে পাও মৃত, তারপর আমি যখন তাতে পানি (বৃষ্টি) বর্ষণ করি তখন তা নড়ে (জীবিত হয়ে) ওঠে, বেড়ে ওঠে আর সবরকম সুন্দর উদ্ভিদ উদ্‌গত করে।
ثُمَّ خَلَقْنَا ٱلنُّطْفَةَ عَلَقَةً فَخَلَقْنَا ٱلْعَلَقَةَ مُضْغَةً فَخَلَقْنَا ٱلْمُضْغَةَ عِظَٰمًا فَكَسَوْنَا ٱلْعِظَٰمَ لَحْمًا ثُمَّ أَنشَأْنَٰهُ خَلْقًا ءَاخَرَۚ فَتَبَارَكَ ٱللَّهُ أَحْسَنُ ٱلْخَٰلِقِينَ
তারপর শুক্রবিন্দুকে জমাটবদ্ধ রক্তে এবং জমাটবদ্ধ রক্তকে মাংসপিণ্ডে পরিণত করেছি। তারপর মাংসপিণ্ড থেকে হাড় সৃষ্টি করেছি এবং হাড়গুলোকে আবার মাংস দ্বারা আচ্ছাদিত করেছি। অবশেষে তাকে অন্য এক সৃষ্টিরূপে তৈরী করেছি। অতএব, সর্বোত্তম সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ কত মহান! (সূরা মু'মিনুন :১৪)
وَٱللَّهُ خَلَقَكُم مِّن تُرَابٍ ثُمَّ مِن نُّطْفَةٍ ثُمَّ جَعَلَكُمْ أَزْوَٰجًاۚ وَمَا تَحْمِلُ مِنْ أُنثَىٰ وَلَا تَضَعُ إِلَّا بِعِلْمِهِۦۚ وَمَا يُعَمَّرُ مِن مُّعَمَّرٍ وَلَا يُنقَصُ مِنْ عُمُرِهِۦٓ إِلَّا فِى كِتَٰبٍۚ إِنَّ ذَٰلِكَ عَلَى ٱللَّهِ يَسِيرٌ
আল্লাহ তোমাদেরকে মাটি ও বীর্য থেকে সৃষ্টি করেছেন (প্রথম মানুষকে মাটি থেকে ও তার বংশধরদেরকে বীর্য থেকে সৃষ্টি করেছেন), তারপর তোমাদেরকে (নারী-পুরুষের) জোড়া বানিয়েছেন। নারী যে গর্ভধারণ করে ও সন্তান প্রসব করে তা আল্লাহর জ্ঞাতসারেই হয়। বয়স্ক ব্যক্তি যে অধিক বয়স পায় কিংবা তার বয়স থেকে যা হ্রাস করা হয় তাও কিতাবে (লাওহে মাহ্‌ফূযে) লিখিত আছে। নিশ্চয়ই এটা আল্লাহর পক্ষে সহজ। ( সূরা ফাতির : ১১)
أَوَلَمْ يَرَ ٱلْإِنسَٰنُ أَنَّا خَلَقْنَٰهُ مِن نُّطْفَةٍ فَإِذَا هُوَ خَصِيمٌ مُّبِينٌ
মানুষ কি দেখে না যে, আমি তাকে (নাপাক) বীর্য থেকে সৃষ্টি করেছি? আর সে কিনা হয়ে যায় প্রকাশ্য ঝগড়াটে। (সূরা ইয়াছিন: ৭৭)
ٱللَّهُ ٱلَّذِى جَعَلَ لَكُمُ ٱلْأَرْضَ قَرَارًا وَٱلسَّمَآءَ بِنَآءً وَصَوَّرَكُمْ فَأَحْسَنَ صُوَرَكُمْ وَرَزَقَكُم مِّنَ ٱلطَّيِّبَٰتِۚ ذَٰلِكُمُ ٱللَّهُ رَبُّكُمْۖ فَتَبَارَكَ ٱللَّهُ رَبُّ ٱلْعَٰلَمِينَ
আল্লাহ তো সেই মহান সত্তা, যিনি পৃথিবীকে তোমাদের বাসস্থান করেছেন, আকাশকে ছাদ বানিয়েছেন, তোমাদের আকার গড়েছেন, তোমাদের আকারকে সুন্দর করেছেন এবং তোমাদেরকে উৎকৃষ্ট জীবিকা দান করেছেন। ইনিই আল্লাহ, তোমাদের প্রভু। বিশ্বজগতের প্রভু এই আল্লাহ কত মহান! ( সূরা গাফির :৬৪)
خَلَقَ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ بِٱلْحَقِّ وَصَوَّرَكُمْ فَأَحْسَنَ صُوَرَكُمْۖ وَإِلَيْهِ ٱلْمَصِيرُ
তিনি যথাযথভাবে আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন, তোমাদের আকৃতি দিয়েছেন এবং তোমাদের আকৃতি সুন্দর করেছেন। তাঁর কাছেই (সবার) প্রত্যাবর্তন। (সূরা তাগাবুন : ৩)
هُوَ ٱلَّذِى خَلَقَكُم مِّن تُرَابٍ ثُمَّ مِن نُّطْفَةٍ ثُمَّ مِنْ عَلَقَةٍ ثُمَّ يُخْرِجُكُمْ طِفْلًا ثُمَّ لِتَبْلُغُوٓا۟ أَشُدَّكُمْ ثُمَّ لِتَكُونُوا۟ شُيُوخًاۚ وَمِنكُم مَّن يُتَوَفَّىٰ مِن قَبْلُۖ وَلِتَبْلُغُوٓا۟ أَجَلًا مُّسَمًّى وَلَعَلَّكُمْ تَعْقِلُونَ
তিনিই তোমাদেরকে (আদমকে) মাটি দ্বারা, তারপর (আদমের সন্তানদেরকে) শুক্রবিন্দু দ্বারা ও তারপর জমাট রক্ত দ্বারা সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তোমাদেরকে (মায়ের পেট থেকে) শিশুরূপে বের করেন। তারপর (বড় করে তোলেন) যাতে পূর্ণ শক্তির বয়সে (যৌবনে) উপনীত হও, তারপর বৃদ্ধ হও— যদিও তোমাদের কেউ কেউ তার আগেই মারা যায়— আর যাতে একটি নির্ধারিত সময়কালে পৌঁছাতে পার, এবং যাতে তোমরা (সবকিছু ভালভাবে) বুঝতে পার। ( সূরা গাফির : ৬৭)
خَلَقَ ٱلْإِنسَٰنَ مِن نُّطْفَةٍ فَإِذَا هُوَ خَصِيمٌ مُّبِينٌ
তিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন এক ফোঁটা শুক্র থেকে। অথচ এই মানুষই প্রকাশ্য বিরোধী হয়ে যায়। (সূরা নাহল : ৪)
Al-Insan 76:2
إِنَّا خَلَقْنَا ٱلْإِنسَٰنَ مِن نُّطْفَةٍ أَمْشَاجٍ نَّبْتَلِيهِ فَجَعَلْنَٰهُ سَمِيعًۢا بَصِيرًا
আমি তো মিশ্র বীর্যের একটি ফোঁটা থেকে মানুষ সৃষ্টি করেছি, তাকে পরীক্ষা করব বলে; তাই তাকে শ্রবণশক্তিসম্পন্ন ও দৃষ্টিশক্তিসম্পন্ন করেছি। (সূরা ইনসান : ২
خَلَقَ ٱلْإِنسَٰنَ مِنْ عَلَقٍ
তিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন জমাটবদ্ধ রক্ত থেকে। (সূরা আলাক্ব : ২)
ٱلَّذِىٓ أَحْسَنَ كُلَّ شَىْءٍ خَلَقَهُۥۖ وَبَدَأَ خَلْقَ ٱلْإِنسَٰنِ مِن طِينٍ
যিনি প্রত্যেকটি জিনিস সুন্দর করে সৃষ্টি করেছেন এবং মাটি থেকে মানুষ সৃষ্টি শুরু করেছেন (প্রথম মানুষ আদমকে সৃষ্টি করেছেন)। (সূরা আস-সাজদাহ : ৭)
لَقَدْ خَلَقْنَا ٱلْإِنسَٰنَ فِىٓ أَحْسَنِ تَقْوِيمٍ
অবশ্যই আমি মানুষকে সবচেয়ে সুন্দর গঠনে সৃষ্টি করেছি। (সূরা ত্বীন : ৪)
# মিনহাজুস সুন্নাহ হতে কপিকৃত পোষ্ট।

১। পরিপূর্ন পর্দা করবেন।২। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়বেন।৩। প্রতি সোমবার & বৃহস্পতিবার রোজা রাখবেন।৪। প্রতিদিন তাহাজ্জুদ এর না...
27/05/2022

১। পরিপূর্ন পর্দা করবেন।
২। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়বেন।
৩। প্রতি সোমবার & বৃহস্পতিবার রোজা রাখবেন।
৪। প্রতিদিন তাহাজ্জুদ এর নামাজ পড়বেন।
৫।সবসময় অযুর সহিত থাকতে চেষ্টা করবেন।
৬।মা-বাবা ভাই-বোনের সাথে সুন্দর আচোরন করবেন।
৭।স্বামী থাকলে স্বামীর আদেশ মেনে চলবেন।
৮।শশুর-শাশুড়ী থাকলে তাদের খেদমত ও কথামত চলবেন।
৯। রাগ যখন হবে সাথে জিকির শুরু করে দিবেন।অথবা যে বিষয়ে আলাপ করলে আপনার রাগ বৃদ্ধি হওয়ার আশংকা দেখবেন।ঐ বিষয়ে আর কথা বাড়াবেন না।মনে রাখবেন রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন।
১০। শয়তান যখন আপনাকে ভাল চিন্তা থেকে দুরে রাখতে চাই সাথে সাথে "আউজুবিল্লাহি" পুরাটা পড়বেন।
১১। রাতের বেলায় সূরা--- ফাতিহা-৪ বার সূরা--- এখলাস ৩ বার দুরুদ শরীফ ১১বার আস্তাগফিরুল্লাহ ১১ বার যতক্ষণ ঘুম আসবে না ততক্ষণ কালেমা শরীফ পড়বেন।
১২। মুসলমান নারীদের নিজ দায়িত্বে পর্দা পালন করা ফরজ খেয়াল রাখবেন পারিবারিক কোন কারনে যাতে আপনার পর্দা করা থেকে আপনাকে কেউ বিরত রাখতে না পারে।যদি দেখেন আপনার পর্দা করতে অসুবিধা হচ্ছে সাথে সাথে স্বামীর বাড়ীর সবাইকে বলুন লজ্জা পাবেন না কারন কবরে আপনার সাথে কেউ যাবে না।তাই এই দুনিয়াতে আপনাকে কে কি বললো তা না দেখে আখিরাতের কথা চিন্তা করুন।একটি কথা মনে রাখবেন পরিপূর্ন মুসলমান হয়ে এই পৃথিবীতে বাঁচতে হলে অনেক বাঁধা আসবে অনেক এ অনেক কিছু বলবে তাতে আপনি নজর দিতে পারবেন না।সব কথা শেষে হল সকল বাঁধা অপেক্ষা করে আপনাকে পর্দা করতে হবে।কাউকে দোষারপ করলে কবরে আপনাকে মাফ করা হবে না।
১৩। যখন কাজ করতে করতে আপনি ক্লান্ত হয়ে যান তখন সুবহানাল্লাহ -৩৩ বার আলহামদুলিল্লাহ -৩৩বার আল্লাহু আকবার ৩৪ বার পড়ুন নিয়মিত আল্লাহ আপনার কাজ সহজ করে দিবেন। ইনশাআল্লাহ
১৪। যে কোন কাজ সফল হওয়ার জন্য প্রথমত, সহীহ নিয়ত করুন তারপর আল্লাহর উপর ভরসা রেখে চেষ্টা করুন সফল হবেন। ইনশাআল্লাহ।।।
১৫। সব সময় গুন গুন করে কালেমা পাঠ করতে থাকুন এতে আপনার ঈমান বৃদ্ধি ও আচার-আচোরন সুন্দর হবে ইনশাআল্লাহ।

!!এক চমকপ্রদ ইতিহাস!!হজ্জ কিংবা উমরাহ করতে যাঁরা মক্কায় হারাম শরীফে গিয়েছেন, তাঁরা সবাই নিশ্চয়ই একটা ব্যাপার লক্ষ্য করে...
25/05/2022

!!এক চমকপ্রদ ইতিহাস!!

হজ্জ কিংবা উমরাহ করতে যাঁরা মক্কায় হারাম শরীফে গিয়েছেন, তাঁরা সবাই নিশ্চয়ই একটা ব্যাপার লক্ষ্য করেছেন- চামড়া পোড়ানো প্রখর রোদে খোলা আকাশের নিচে কাবার চারপাশে তাওয়াফ করার সময় পায়ের তলাটা পুড়ে যায় না, বরং বেশ ঠান্ডা অনুভূত হয়।

কারণ, এর নেপথ্যে রয়েছে এক চমকপ্রদ ইতিহাস।

ড. মোহাম্মাদ কামাল ইসমাইল (১৯০৮-২০০৮) একজন মিশরীয় প্রকৌশলী ও স্থপতি; লোকচক্ষুর অন্তরালে থাকতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন। মিশরের ইতিহাসে তিনিই ছিলেন প্রথম সর্বকনিষ্ঠ শিক্ষার্থী- যিনি হাইস্কুল শেষে ‘রয়েল স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং’-এ ভর্তি হয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন। ইউরোপে পাঠানো ছাত্রদের ভেতরেও তিনি ছিলেন সর্বকনিষ্ঠ, ইসলামি আর্কিটেকচার-এর ওপর তিনটি ডক্টরেট ডিগ্রিপ্রাপ্ত প্রথম মিশরীয় প্রকৌশলী।

ড. মোহাম্মাদ কামাল ইসমাইল প্রথম প্রকৌশলী- যিনি হারামাইন (মক্কা-মদিনা) সম্প্রসারণ প্রকল্পের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের ভার নিজের কাঁধে তুলে নেন। এই সুবিশাল কর্মযজ্ঞ তত্ত্বাবধান করার জন্য সৌদি বাদশাহ ফাহাদ এবং বিন লাদেন গ্রুপের সুপারিশ থাকা সত্ত্বেও তিনি কোনো পারিশ্রমিক গ্রহণ করেননি; মোটা অংকের চেক উনি ফিরিয়ে দেন! তাঁর সততা ও কাজের প্রতি আন্তরিকতা তাঁকে বাদশাহ ফাহাদ, বাদশাহ আব্দুল্লাহসহ সকলের প্রিয়পাত্র ও বিশেষ আস্থাভাজন করে তোলে।

তিনি বাকার বিন লাদেনকে বলেছিলেন, এই দু’টি পবিত্র মসজিদের কাজের জন্য পারিশ্রমিক নিলে শেষ বিচারের দিনে আমি কোন মুখে আল্লাহর সামনে গিয়ে দাঁড়াবো?

ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ৪৪ বছর বয়সে বিয়ে করেন। তাঁর স্ত্রী সন্তান জন্ম দিয়ে মারা যান। এরপর তিনি আর বিয়ে করেননি। মৃত্যু পর্যন্ত তাঁর পুরোটা জীবন আল্লাহর ঘর রক্ষণাবেক্ষণে উৎসর্গ করেন। অর্থ-বিত্ত, খ্যাতি-যশ, মিডিয়ার লাইম লাইট থেকে দূরে সরে থেকে তিনি তাঁর ১০০ বছরের জীবনের পুরোটা সময় মক্কা ও মদীনার দুই মসজিদের সেবায় বিনিয়োগ করে গেছেন।

মক্কা-মদিনার হারাম শরীফের মার্বেলের কাজের সঙ্গে উনার জীবনের একটি বিস্ময়কর ঘটনা রয়েছে। উনি চেয়েছিলেন- মাসজিদুল হারামের মেঝে তাওয়াফকারীদের জন্য এমন মার্বেল দিয়ে আচ্ছাদিত করে দিতে- যার বিশেষ তাপ শোষণ ক্ষমতা রয়েছে। এই বিশেষ ধরনের মার্বেল সহজলভ্য ছিল না। এই ধরনের মার্বেল ছিল পুরো পৃথিবীতে কেবলমাত্র গ্রিসের ছোট্ট একটি পাহাড়ে।

ড. মোহাম্মাদ কামাল ইসমাইল গ্রিসে গিয়ে পর্যাপ্ত পরিমাণে মার্বেল কেনার চুক্তিস্বাক্ষর করে মক্কায় ফিরে এলেন এবং সাদা মার্বেলের মজুদও চলে এলো। যথাসময়ে বিশেষ নকশায় মাসজিদুল হারামের মেঝের সাদা মার্বেলের কাজ সম্পন্ন হলো।

এর ঠিক ১৫ বছর পরে সৌদি সরকার তাঁকে মাসজিদুন নব্বীর চারদিকের চত্বরও একইভাবে সাদা মার্বেল দিয়ে ঢেকে দিতে বললেন। কিন্তু ড. মোহাম্মাদ কামাল ইসমাইল দিশেহারা বোধ করলেন! কেননা ওই বিশেষ ধরনের মার্বেল কেবলমাত্র গ্রিসের ওই ছোট্ট জায়গা বাদে গোটা পৃথিবীর কোথাও পাওয়া যায় না এবং সেখানে যতটুকু ছিল, তার অর্ধেক ইতোমধ্যেই কিনে মক্কার হারাম শরীফে কাজে লাগানো হয়ে গেছে। যেটুকু মার্বেল অবশিষ্ট ছিল- সেটা মাসজিদুন নব্বীর প্রশস্ত চত্বরের তুলনায় সামান্য!

ড. মোহাম্মাদ কামাল ইসমাইল আবার গ্রিসে গেলেন। সেই কোম্পানির সি.ই.ও-র সঙ্গে দেখা করে জানতে চাইলেন, ওই পাহাড় আর কতটুকু অবশিষ্ট আছে? সি.ই.ও জানালেন, ১৫ বছর আগে উনি কেনার পরপরই পাহাড়ের বাকি অংশটুকুও বিক্রি হয়ে যায়! এই কথা শুনে তিনি এতটাই বিমর্ষ হলেন যে, তাঁর কফি পর্যন্ত শেষ করতে পারলেন না! সিদ্ধান্ত নিলেন- পরের ফ্লাইটেই মক্কায় ফিরে যাবেন। অফিস ছেড়ে বেরিয়ে আসার আগে কী মনে করে যেন অফিস সেক্রেটারির কাছে গিয়ে সেই ক্রেতার নাম-ঠিকানা জানতে চাইলেন- যিনি বাকি মার্বেল কিনেছিলেন।

যদিও এটা অনেক দুরূহ কাজ, তবু কামালের পুনঃপুন অনুরোধে সে পুরোনো রেকর্ড চেক করে জানাবে বলে কথা দিলো। নিজের নাম এবং ফোন নম্বর রেখে বেরিয়ে আসার সময় কামাল মনে মনে ভাবলেন- কে কিনেছে, ১৫ বছর পরে তা জেনেই-বা আর লাভ কী?

পরদিন এয়ারপোর্টের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার আগে অফিস সেক্রেটারি ফোনে জানাল, সেই ক্রেতার নাম-ঠিকানা খুঁজে পাওয়া গেছে! কামাল ধীর গতিতে অফিসের দিকে যেতে যেতে ভাবলেন- ঠিকানা পেয়েই-বা লাভ কী? মাঝে তো অনেকগুলো বছর পেরিয়ে গেছে...।

অফিসে পৌঁছলে সেক্রেটারি তাঁকে ওই ক্রেতার নাম-ঠিকানা দিলেন। ঠিকানা হাতে নিয়ে ড. মোহাম্মাদ কামাল ইসমাইলের হৃদ্স্পন্দন বেড়ে গেল, যখন তিনি দেখলেন- বাকি মার্বেলের ক্রেতা একটি সৌদি কোম্পানি!

কামাল সেদিনই সৌদি আরব ফিরে গেলেন। সেখানে পৌঁছে তিনি কোম্পানির ডিরেক্টর এডমিন-এর সঙ্গে দেখা করে জানতে চাইলেন- মার্বেলগুলো দিয়ে তাঁরা কী করেছেন, যা অনেক বছর আগে গ্রিস থেকে কিনেছিলেন?

ডিরেক্টর এডমিন প্রথমে কিছুই মনে করতে পারলেন না। কোম্পানির স্টক রুমে যোগাযোগ করে জানতে চাইলেন- ১৫ বছর আগে গ্রিস থেকে আনা সাদা মার্বেলগুলো দিয়ে কী করা হয়েছিল? তারা খোঁজ করে জানাল- সেই সাদা মার্বেল পুরোটাই স্টকে পড়ে আছে, কোথাও ব্যবহার করা হয়নি!

এই কথা শুনে কামাল শিশুর মতো ফোঁপাতে শুরু করলেন। কান্নার কারণ জানতে চাইলে তিনি পুরো ঘটনা কোম্পানির মালিককে খুলে বললেন। ড. কামাল ওই কোম্পানিকে সৌদি সরকারের পক্ষে একটি ব্লাংক চেক দিয়ে ইচ্ছেমতো অংক বসিয়ে নিতে বললেন। কিন্তু কোম্পানির মালিক যখন জানতে পারলেন- এই সাদা মার্বেলে রাসূল (সা.)-এর মসজিদ চত্বর বাঁধানোর জন্য ব্যবহৃত হবে, তৎক্ষণাৎ তিনি এর বিনিময় মূল্য নিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বললেন, আল্লাহ্ সুবহানুতায়ালা আমাকে দিয়ে এটা কিনিয়েছিলেন আবার তিনিই আমাকে এর কথা ভুলিয়ে দিয়েছেন; কেননা এই মার্বেল রাসূল (সা.)-এর মসজিদের উদ্দেশ্যেই এসেছে…!

সংগৃহীত

💎জনৈক লোক হাসান আল বসরী (র.) এর কাছে এসে জিজ্ঞাসা করলেন, "কিসে আপনাকে দুনিয়া বিমুখ করেছে?"√তিনি বললেন, "চারটি জিনিষ আমা...
12/05/2022

💎জনৈক লোক হাসান আল বসরী (র.) এর কাছে এসে জিজ্ঞাসা করলেন,
"কিসে আপনাকে দুনিয়া বিমুখ করেছে?"

√তিনি বললেন, "চারটি জিনিষ আমাকে দুনিয়ার
ভোগ-বিলাসের পিছনে ছুটা থেকে বিরত রেখেছে।"

১.
আমি জানতে পেরেছি যে, আমার রিযিক অন্য কেউ ছিনিয়ে নিতে পারবে না। তাই আমার অন্তরে রিযিকের টেনশন নেই।

২.
আমি জানতে পেরেছি যে, আমার আমল অন্য কেউ করবে না। তাই আমি আমার আমল নিয়ে ব্যস্ত আছি।

৩.
আমি জানতে পেরেছি যে, আল্লাহ তাআলা আমার সবকিছু অবগত আছেন। তাই তিনি আমাকে গুনাহর কাজে দেখবেন, এতে আমি লজ্জাবোধ করি।

৪.
আমি জানতে পেরেছি যে, মাওত আমার অপেক্ষায় আছে। তাই আমি আমার রবের সাথে সাক্ষাত করার জন্য পাথেয় তৈরী করেছি।

প্রশ্ন:টাকা দিয়ে সদকাতুল ফিতির আদায় করা যাবে কি? দয়া করে দলীলসহ জানালে কৃতজ্ঞ হবো।উত্তর: (১-) যদি গম, কিসমিস, পনীর ইত্যা...
21/04/2022

প্রশ্ন:

টাকা দিয়ে সদকাতুল ফিতির আদায় করা যাবে কি? দয়া করে দলীলসহ জানালে কৃতজ্ঞ হবো।

উত্তর:

(১-) যদি গম, কিসমিস, পনীর ইত্যাদি খাদ্য দ্রব্য দিয়ে ফিতরা আদায় করে, তাহলে আদায় হয়ে যাবে। দলীল:-,

1503 – حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ السَّكَنِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَهْضَمٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ عُمَرَ بْنِ نَافِعٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، قَالَ: «فَرَضَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ زَكَاةَ الفِطْرِ صَاعًا مِنْ تَمْرٍ، أَوْ صَاعًا مِنْ شَعِيرٍ عَلَى العَبْدِ وَالحُرِّ، وَالذَّكَرِ وَالأُنْثَى، وَالصَّغِيرِ وَالكَبِيرِ مِنَ المُسْلِمِينَ، وَأَمَرَ بِهَا أَنْ تُؤَدَّى قَبْلَ خُرُوجِ النَّاسِ إِلَى الصَّلاَةِ»
صحيح البخاري (2/130)

অর্থ : হযরত ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, প্রত্যেক গোলাম, আযাদ, পুরুষ, নারী, প্রাপ্ত বয়স্ক, অপ্রাপ্ত বয়স্ক মুসলিমের উপর রাসূলুল্লাহ (সা.) زَكَاةَ الفِطْرِ সাদকাতুল ফিতর হিসাবে খেজুর হোক অথবা যব হোক এক সা’ পরিমাণ আদায় করা আবশ্যক করেছেন এবং লোকজনের ঈদের সালাতে বের হওয়ার পূর্বেই তা আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন। বুখারী-২/১৩১, হাদীস-১৫০৬।

1506 – حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ عِيَاضِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَعْدِ بْنِ أَبِي سَرْحٍ العَامِرِيِّ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا سَعِيدٍ الخُدْرِيَّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، يَقُولُ: «كُنَّا نُخْرِجُ زَكَاةَ الفِطْرِ صَاعًا مِنْ طَعَامٍ، أَوْ صَاعًا مِنْ شَعِيرٍ، أَوْ صَاعًا مِنْ تَمْرٍ، أَوْ صَاعًا مِنْ أَقِطٍ، أَوْ صَاعًا مِنْ زَبِيبٍ»
صحيح البخاري(2/131)
অর্থ : হযরত আবূ সাঈদ খুদরী(রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা এক সা’ পরিমাণ খাদ্য অথবা এক সা’ পরিমাণ যব অথবা এক সা’ পরিমাণ খেজুর অথবা এক সা’ পরিমাণ পনির অথবা এক সা’ পরিমাণ কিসমিস দিয়ে زَكَاةَ الفِطْرِ সাদাকাতুল ফিতর আদায় করতাম। বুখারী-২/১৩১, হাদীস-১৫০৬।

উল্লেখ্য যে, উক্ত দুটি হাদীস দ্বারা একথা স্পষ্ট যে, কোন ব্যক্তি চাইলে মাল দ্বারা সাদাকাতুল ফিতর আদায় করতে পারবে। কিন্তু টাকা দ্বারা আদায় করা ভুল এধরনের কোন আলোচনা নেই।

এবার আসুন,

(২-) ‘‘ফিতরা’’ টাকা দ্বারা আদায় করলেও আদায় হয়ে যাবে। দলীল:-

10371 – حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ زُهَيْرٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا إِسْحَاقَ، يَقُولُ: «أَدْرَكْتُهُمْ وَهُمْ يُعْطُونَ فِي صَدَقَةِ رَمَضَانَ الدَّرَاهِمَ بِقِيمَةِ الطَّعَامِ»
مصنف ابن أبي سيئة (2/398)
অর্থ : হযরত যুহাইর (রহ.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ ইসহাক (রহ.) থেকে শুনেছি যে, তিনি বলেছেন, আমি সাহাবায়ে কেরাম (রা.) কে এই অবস্থায় পেয়েছি যে, তারা রমজানে সাদাকায়ে ফিতর খাবারের বিনিময়ে টাকা দ্বারা আদায় করতেন। ইবনে আবি শায়বা-২/৩৯৮, হাদীস-১০৩৭১। এটির সনদ সম্পূর্ণ সহীহ তথা প্রমাণযোগ্য।

তেমনি ভাবে ইবনে আবী শায়বার মাঝে টাকা দ্বারা সাদাকায়ে ফিতর আদায় করার ব্যাপারে রয়েছে হযরত হাসান বসরী (রহ.) এর আসার-

10370 – حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ هِشَامٍ، عَنِ الْحَسَنِ، قَالَ: «لَا بَأْسَ أَنْ تُعْطِيَ الدَّرَاهِمَ فِي صَدَقَةِ الْفِطْرِ»
مصنف ابن أبي سيئة (2/398)
অর্থ : হযরত হাসান বসরী (রহ.) বলেন, টাকা দ্বারা সাদাকায়ে ফিতর আদায় করার দ্বারা কোন সমস্যা নেই। ইবনে আবি শায়বা-২/৩৯৮, হাদীস-১০৩৭০।

সাদাকায়ে ফিতর টাকা দ্বারা আদায় করা যাবে এটি ইমাম বুখারী (রহ.) এরও উক্তি-

(قَوْلُهُ بَابُ الْعَرْضِ فِي الزَّكَاةِ)
أَيْ جَوَازُ أَخْذِ الْعَرْضِ وَهُوَ بِفَتْحِ الْمُهْمَلَةِ وَسُكُونِ الرَّاءِ بَعْدَهَا مُعْجَمَةٌ وَالْمُرَادُ بِهِ مَا عَدَا النَّقْدَيْنِ قَالَ بن رَشِيدٍ وَافَقَ الْبُخَارِيُّ فِي هَذِهِ الْمَسْأَلَةِ الْحَنَفِيَّةَ مَعَ كَثْرَةِ مُخَالَفَتِهِ لَهُمْ لَكِنْ قَادَهُ إِلَى ذَلِكَ الدَّلِيلُ ……الخ
فتح الباري لابن حجر (3/312)
আল্লামা ইবনু রাশীদ (রহ.) বলেন, উক্ত মাসয়ালাটির মাঝে ইমাম বুখারী (রহ.) হানাফীদের সহমত পোষন করেছেন….। ফাতহুল বারী লি ইবনে হাজার-৩/৩১২।

***এ বিষয়ে আহমদ আল গুমারী (রহ.) এর আরবী ভাষায় ১৫০ পৃষ্ঠায় ‘‘تحقيق الامال فى فى اخراج زكوة الفطر بالمال’’ নামে একটি গুরুত্বপূর্ণ পুস্তিকা রচনা করেছেন। যা সকলকে পড়ে রাখা আবশ্যক। (আমার কাছে পুস্তিকাটি রয়েছে কারো প্রয়োজন হলে বলবেন)।
এ বিষয়ে আরো দেখুন- বাদায়েউস সানায়ে-২/৯৬৯, আল মাবসুত লিসসারাখসী-৩/১১৩ ইত্যাদি।



حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ هِشَامٍ، عَنِ الْحَسَنِ، قَالَ: «لَا بَأْسَ أَنْ تُعْطِيَ الدَّرَاهِمَ فِي صَدَقَةِ الْفِطْرِ»

হযরত হাসান বসরী রহঃ থেকে বর্ণিত। টাকার মাধ্যমে সদকায়ে ফিতির আদায় করাতে কোন সমস্যা নেই। [মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা-৬/৫০৮, বর্ণনা নং-১০৪৭১, ১০৩৭০]



حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ زُهَيْرٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا إِسْحَاقَ، يَقُولُ: «أَدْرَكْتُهُمْ وَهُمْ يُعْطُونَ فِي صَدَقَةِ رَمَضَانَ الدَّرَاهِمَ بِقِيمَةِ الطَّعَامِ»

তাবেয়ী ইমাম আবু ইসহাক রহঃ বলেন, আমি সাহাবায়ে কেরাম রাঃ কে পেয়েছি যে, তারা রমজানের সদকায়ে ফিতির খাদ্যের মূল্য দ্বারা পরিশোধ করতেন। [মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা-৬/৫০৮, বর্ণনা নং-১০৪৭২, ১০৩৭১]



ইমাম সুফিয়ান সাওরী রহঃ বলেন,

لا يشترط إخراج التمر أو الشعير أو البر في زكاة الفطر بل لو أخرج قيمتها مما هو أنفع للفقير جاز لأن المقصد منها إغناء الفقراء عن المسألة وسد حاجتهم في هذا اليوم

খেজুর, গম বা যব দিয়ে সদকায়ে ফিতির আদায় করা আবশ্যক নয়। বরং যদি এর মূল্য দ্বারা আদায় করা হয়, যা গরীবদের জন্য অধিক উপকারী, তবে তা জায়েজ আছে। কেননা, সদকার দ্বারা মূল মাকসাদ হল, গরীবদের দারিদ্রতা দূর করা এবং তার সেদিনের প্রয়োজন পূর্ণ করা। [মাউসূআতু ফিক্বহি সুফিয়ান সাওরী-৪৭৩]



টাকা দ্বারা সদকায়ে ফিতির আদায়ের মত ব্যক্ত করেছেন, ইমাম আবূ হানীফা রহঃ, ইমাম সুফিয়ান সাওরী রহঃ, উমর বিন আব্দুল আজীজ রহঃ, হযরত হাসান বসরী রহঃ, ইমাম আবু ইউসুফ রহঃ, ইমাম তাহাবী রহঃ, ইমাম ইসহাক বিন রাহুয়াই রহঃ, ইমাম আবু সাউর রহঃ। [যাকাতুল ফিতরি আহকামূহা ওয়া নাওয়াজিলুহা, মুহাম্মদ বিন আব্দুল গাফফার শরীফকৃত-১২৫]



قَالَ بن رَشِيدٍ وَافَقَ الْبُخَارِيُّ فِي هَذِهِ الْمَسْأَلَةِ الْحَنَفِيَّةَ

ইবনে রশীদ বলেন, ইমাম বুখারী রহঃ এ মাসআলায় [টাকা দিয়ে সদকায়ে ফিতির আদায় করা] হানাফীদের সাথে সহমত পোষণ করেছেন। [ফাতহুল বারী-৩/৪৯৭]

আরো কিছু দলীল

১-

عَنْ أَسْمَاءَ بِنْتِ أَبِي بَكْرٍ، قَالَتْ: «كُنَّا نُؤَدِّي زَكَاةَ الْفِطْرِ عَلَى [ص:12] عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُدَّيْنِ مِنَ الْقَمْحِ،

হযরত আসমা বিন আবু বকর রাঃ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জমানায় দুই মুদ গমের ছাতু দ্বারা সদকায়ে ফিতির আদায় করতাম। [আল মু’জামুল আওসাত লিততাবারানী,হাদীস নং-৮৯৭২]

অথচ ছাতু দ্বারা সদকায়ে ফিতির আদায়ের কথা হাদীসে বর্ণিত হয়নি। সাহাবায়ে কেরামগণের ছাতু দ্বারা ফিতরা আদায় করা প্রমাণ করে, হাদীসে বর্ণিত খাদ্যই নির্দিষ্ট নয়, বরং সমমূল্যের অন্য কিছু দ্বারাও ফিতরা আদায়ের সুযোগ রয়েছে।

২-হযরত আবূ সাঈদ খুদরী রাঃ থেকে বর্ণিত।

হজরত মুয়াবিয়া রাঃ হজ্ব বা উমরার সময় খুতবায় সদকায়ে ফিতির সম্পর্কে ইরশাদ করেনঃ

قَدِمَ عَلَيْنَا مُعَاوِيَةُ الْمَدِينَةَ حَاجًّا أَوْ مُعْتَمِرًا، فَقَالَ: «إِنِّي أَرَى مُدَّيْنِ مِنْ سَمْرَاءِ الشَّامِ يَعْدِلُ صَاعًا مِنَ التَّمْرِ

এক সা’ খেজুর ও শামের ভূসি মিশ্রিত দুই মুদ আটা সমান। [সুনানে দারেমী-১/৪৩৬-৪৩৭, হাদীস নং-১৬৬৩]

হযরত মুয়াবিয়া রাঃ এক সা’ খেজুরের বদলে শামের ভূসি মিশ্রিত দুই মুদ আটার সমমান সাব্যস্ত করেছেন। যা দ্বারা পরিস্কার বুঝা যায়,হাদীসে বর্ণিত বস্তুর সমমূল্যমানের বস্তু দ্বারাও ফিতরা আদায় করা যাবে।

৩-সদকা দ্বারা মূল মাকসাদ হল, গরীবদের উপকার করা। আর টাকা পয়সা প্রদান করলে গরীব তার ইচ্ছেমত প্রয়োজন অনুপাতে তা ব্যবহার করতে পারে। শুধু খাদ্য দিয়ে আদায় করলে যা সম্ভব নয়।

উপরোক্ত আলোচনার আলোকে আশা করি বিষয়টি দীবালোকের ন্যয় পরিস্কার যে, টাকার মাধ্যমে সদকায়ে ফিতির আদায় করা সম্পূর্ণ শরীয়ত সম্মত। এতে সন্দেহ করার কোন সুযোগ নেই।

***এতদসত্ত্বেও টাকা দিয়ে সাদকাতুল ফিতর আদায় করা বৈধ ,এ বিষয়ে আরবের বড় বড় স্কলারদের ফতোয়া পিকচারসহ উল্লেখ করা হলো।

Address

Ferdaus Street, Islamic Misson City
Cairo
11381

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al Azhar Islamic Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Al Azhar Islamic Center:

Share