HujuRian - হুজুরিয়ান

HujuRian - হুজুরিয়ান ইসলামের দাওয়াহ এর এই ছোট্ট প্রয়াসে সা?

21/02/2025

আবু ত্বহা মুহাম্মাদ আদনান হাফিজাহুল্লাহ।
আল্লাহ তাআলা ভাইকে হেফাজত করুন!

28/10/2024

‘লোকে যদি তোমাতে মুগ্ধ হয়,
তাহলে ভেবো না তুমি মুগ্ধকর!

আসলে আল্লাহ যে তোমার পাপগুলোকে ঢেকে রেখেছেন,লোকে তোমার ওপর ঝুলানো আল্লাহর সেই পর্দাতে মুগ্ধ!

এটা আসলে তুমি না,এটা আল্লাহর দান করা আবরণ! তোমাকে আরও বেশি সতর্ক হতে হবে যাতে তুমি আরও ভালো কাজ করতে পারো এবং এইসব ধ্বংসাত্মক প্রশংসায় আত্মমুগ্ধ হয়ে না পড়ো!’

~ইবনুল জাওজি (রহ.)

ন্যায্য অধিকার চাইতে গিয়ে অথবা জালিমের হাতে মৃত্যু বরণকারী মুসলিম আখেরাতে শহীদের মর্যাদা পাবে। যারা নিজের জীবন, সম্পদ ও ...
17/07/2024

ন্যায্য অধিকার চাইতে গিয়ে অথবা জালিমের হাতে মৃত্যু বরণকারী মুসলিম আখেরাতে শহীদের মর্যাদা পাবে।

যারা নিজের জীবন, সম্পদ ও পরিবার রক্ষা করতে গিয়ে মারা যাবে, তাদের শহীদ বলেছেন প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। (সূত্র: তিরমিজি ১৪২১ নাসাঈ ৪০৯৪)

17/07/2024

আপনার যে সন্তান এখনো ছাত্রলীগ করছে, তাকে শাসন না করে বসে আছেন? তাকে এখনো নিজের সন্তান বলতে লজ্জা করছে না?

আপনার যে স্বামী এখনো সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর অত্যাচার চালাচ্ছে, সেই স্বামীর সাথে রাগ-ঝগড়ার জন্য এই টপিক বেছে নিতে পারছেন না?

আপনার যে ভাই-কাজিন এখনো কুত্তার মতো সাধারণের ওপর হামলে পড়ছে, তার সাথে ভাই/বোন/কাজিন হয়ে সতর্ক করতে পারছেন না? সম্পর্কচ্ছেদ করতে পারছেন না?

এই কুত্তাগুলো তো কারো সন্তান, কারো ভাই, কারো স্বামী।

তো, বাপ-মা, স্ত্রী-বোনরা কি তামাশা দেখছো?

তোমাদের পাগল সামলাইতে পারছো না???

07/06/2024

"উম্মত পাপের কারণে পরাজিত হয়। যে ব্যক্তি এমন সময়ে প্রকাশ্যে গুনাহ করে, যখন কিনা শত্রুর সাথে যুদ্ধের সময়, সে অনুভব না করলেও সে আসলে শত্রুদের কাতারেই অবস্থান করছে। আল্লাহর আনুগত্য হলো বিজয়ের তীর এবং পরাজয়ের তীর হলো গুনাহ।"

— শাইখ আব্দুল আযীয আত-তারিফী (হাফি.)

27/02/2024

জিজ্ঞাসাঃ

আমি জানতে আগ্রহী যে, শরী‘আতের দৃষ্টিতে গান বাদ্য শ্রবণ করা কতটুকু জায়িয ? অনেকে বলে থাকে বাদ্য ছাড়া গান শ্রবণ করা জায়িয আছে।



জবাবঃ

গান-বাজনা শরী‘আতের দৃষ্টিতে হারাম ও মহাপাপ। রাসুলে কারীম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, কিয়ামত সংঘঠিত হওয়ার পূর্বে পাপকার্য ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পাবে। নর্তকী এবং বাদ্যযন্ত্রের ব্যাপকতা এর অন্যতম। (তিরমিযী শরীফ) অন্য এক হাদীসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, আল্লাহ রাব্বুল ‘আলামীন আমাকে বাদ্যযন্ত্র ধ্বংস করার জন্য প্রেরণ করেছেন। [মুসনাদে আহমদ]

পবিত্র কুরআনে সূরায়ে লুকমান আয়াত নং ৬ এবং সূরায়ে বনী ইস্রাইল আয়াত নং ৬৪, উক্ত আয়াতদ্বয়ে গান এবং বাদ্যযন্ত্র বাজানো হারাম। যারা পাপ কাজে জড়িত হবে তাদের জন্য কঠোর শাস্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কাজেই প্রত্যেক মুসলমানদের জন্য এই মহাপাপ থেকে বিরত থাকা ফরয। যেহেতু গান গাওয়া এবং বাদ্যযন্ত্র বাজানো ইত্যাদি শরী‘আতের দৃষ্টিতে হারাম ও মহাপাপ সুতরাং গান শোনা জায়িয হওয়ার কোন প্রশ্নই উঠে না। অবশ্য যদি বিষয়বস্তু সম্পূর্ণ ইসলামী হয় এবং তার সাথে কোন বাদ্যযন্ত্র না থাকে এবং কোন পুরুষ তা পড়ে, যাকে গযল বলা হয় এটা জায়িয আছে।

استماع الملاهي معصية والجلوس عليها فسق والتلذذ بها كفر. (نيل الاوتار:8/100)

وقال رسول الله صلى الله تعالى عليه وسلم الغناء ينبت النفاق كما منبت الماء الزرع. (مشكاة المصابيح:411)

[প্রমাণঃ সূরা লোকমান, ৬ # রূহুল মাআনী, ১১ : ৬৭-৬৮ # লিসানুল আরব ৪ : ২-৪ # দুররে মুখতার, ৫ : ২৪৫ # নাইলুল আওতার, ৮ : ১০০ # মিশকাত, ৪১১]

24/01/2024

আমাদের আশেপাশে থাকা কোনো শরিফ যদি নিজেকে শরিফা মনে করে, এবং কোনো শরিফা যদি নিজেকে শরিফ মনে করে, এতে কিন্তু আমাদের একবিন্দুও আপত্তি নেই এবং থাকার কথাও নয়।

কারণ, কোনো একজন মানসিক রোগি এসে যদি আমাদের কাছে কিছু বলে, আমরা কি তাতে আপত্তি করবো সাধারণত? শরিফ আর শরিফার ঘটনাটাও পুরোটাই মানসিক রোগ। এটা আমার কথা নয়, চিকিৎসাবিজ্ঞানের কথা।

শারীরিকভাবে একজন পুরুষ যখন নিজেকে নারী ভাবতে শুরু করে এবং একজন নারী যখন নিজেকে পুরুষ ভাবতে শুরু করে, মানসিক এই অবস্থাকে চিকিৎসাবিজ্ঞান চিহ্নিত করছে Gender Dysphoria নামে।

আমেরিকার DMS তথা Diagnostic and Statistical Manual of Mental Disorders এ এই জেণ্ডার ডিস্ফোরিয়াকে একটা মানসিক সমস্যা বলেই চিহ্নিত করা হচ্ছে। ইংল্যাণ্ডের স্বাস্থ্য গবেষণা ওয়েবসাইট NHS বলছে—‘Gender dysphoria is a term that describes a sense of unease that a person may have because of a mismatch between their biological s*x and their gender identity.’

একজন নারী কেনো নিজেকে পুরুষ ভাবে? বা, একজন পুরুষ কেনো নিজেকে নারী ভাবে? মোদ্দাকথা, মানুষ Gender Dysphoria তে আক্রান্ত হওয়ার নেপথ্য কারণ কী?

অধিকাংশের মতামত হচ্ছে এর নেপথ্য সঠিক কারণ জানা যায় না স্পষ্টভাবে। কেউ কেউ হরমোনগত সমস্যার কথা বলেন। অনেকে বাচ্চাদের Social Upbringing Environment তথা বেড়ে উঠার পরিবেশটাকেও দায়ী করেন। হরমোনজনিত সমস্যাটাও একটা কারণ হতে পারে, তবে আমার ধারণা দ্বিতীয় কারণটাই এখানে মুখ্য ভূমিকা পালন করে থাকতে পারে।

একজন পুরুষ কেনো নিজেকে নারী ভাবতে ভালোবাসবে? অনেকগুলো কারণে হতে পারে, যেমন—

(১) খুব ছোটবেলায় সমলিঙ্গের কারো দ্বারা যৌন হয়রানির শিকার হওয়া। যৌন হয়রানির এই ঘটনা হয়তো তার মস্তিষ্ক থেকে মুছে যায়, কিন্তু সে=ক্সু-য়াল এক্সপেরিয়েন্সটা তার মস্তিষ্ক জমা করে রাখে এবং তার সে-ক্সু*য়াল ওরিয়েন্টেশান সেভাবেই সেট হতে শুরু করে। এই অভিজ্ঞতা নিয়ে বড় হতে থাকায়, সে পছন্দ করতে শুরু করে তার সমলিঙ্গের মানুষকেই এবং সেক্ষেত্রে নিজেকে সে ‘নারী’ ভাবতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে।

(২) অনেক বাবা-মা ছোটবেলায় ছেলে বাবুকে মেয়ের বাবুর মতো করে সাজায়। মেয়েদের পোশাক পরায়। মেয়ে বাবুদের ছেলেদের পোশাক পরায়। এ-ধরণের কাজগুলো জেণ্ডার ডিস্ফোরিয়া তৈরিতে বেশ ভূমিকা রাখে বলেও বিশেষজ্ঞরা মতামত দেন।

সামাজিক আরো অনেক কারণ থাকতে পারে, তবে এই দুটো কারণকে সামনে রাখলে, এই জেণ্ডার ডিস্ফোরিয়া রোগের কারণ কী হতে পারে তার প্রাথমিক ধারণা পেতে আমাদের জন্য সহজ হয়।

জেণ্ডার ডিস্ফোরিয়া যেহেতু একটা স্বীকৃত মানসিক রোগ, তাই কোন শরিফ আর শরিফাকে নিয়ে আমাদের সমস্যা নেই। আমাদের সমস্যা হলো—তাদের এই মানসিক বিকৃতিকে চিকিৎসা দেওয়ার বদলে ‘স্বাভাবিক’ বানানোর অপচেষ্টা নিয়ে।

উন্নতমানের সেবা নিশ্চিত করে যেখানে এই রোগের চিকিৎসা নিশ্চিত করা জরুরি, যেখানে এই মানসিক অবস্থা নিয়ে আসা মানুষগুলোকে সঠিক কাউন্সেলিং, সঠিক গাইডলাইন দিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা দরকারি, সেখানে এই মানসিক রোগটাকে ‘স্বাভাবিক’ হিশেবে তুলে ধরে, এটাকে ছোট ছোট বাচ্চাদের পাঠ্যবইতে তুলে দেওয়া হচ্ছে।

এই কাজের ফলাফল হবে ভয়াবহ৷ সমাজে মানসিক বিকৃতি এমনভাবে ছড়িয়ে পড়বে, সুস্থ মানুষেরাও তাদের অসাধু উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্যে এই উপায়ের আশ্রয় নিবে৷ অসৎ উদ্দেশ্য পূরণে শরিফ নিজেকে দাবি করবে শরিফা, শরিফা নিজেকে দাবি করবে শরিফ৷ সমাজে তৈরি হবে এক ভয়াবহ বিশৃঙখলা। জঘন্য পাপাচারে ভরে যাবে আমাদের চারপাশ।

তাই, পাঠ্যবই থেকে এই মানসিক রোগটাকে স্বাভাবিকীকরণের প্রচেষ্টা বাদ দেওয়াতে আমাদের কন্ঠকে সরব রাখতে হবে।

© আরিফ আজাদ

25/12/2023

ভাই কয়েকদিন পর পর শয়তান ধরে। ভালো থাকতে পারি না। কি করা যায়?
নামাজ পড়ি, আবার পাপও করি। মনটা বিষিয়ে আছে। ভাইরা কি করা যেতে পারে?
কোন আমলই কন্টিনিউ করতে পারছি না, একদিন-দুদিন তারপর ইন্টারেস্ট কমে যায়। বুঝতেছি না কেন এমন হচ্ছে?

এসকল ভাইদের জন্য কিছু নাসীহাহঃ

**১-২ দিনেই দুনিয়া উল্টানোর দরকার নেই। ধীরস্থির হোন। আপাতত ৩টা সহজ কাজ করুন। বেশি প্রেশার নিবেন না। ইনশা আল্লাহ ফ্রাষ্টেইশান কমে যাবে। মাত্র এই ৩টা কাজ কয়েক সপ্তাহ নিয়মিত করলে এটা আপনার অভ্যাসে পরিণত হবে। আর ইসলামের বাকি সকল আহকাম মেনে চলাও তখন সহজ হয়ে যাবে। ইনশা আল্লাহ।

***১- বন্ধু পরিবর্তন করুন। দ্বীনদার আলিম, ইমাম, মুয়াজ্জিন বা এলাকার সুপরিচিত দ্বীনি বড় ভাইয়ের সাথে মিশুন। একসাথে সময় কাটান। গল্প করুন। বিভিন্ন মাসায়ালা জিজ্ঞেস করুন। নবী-রাসূলদের আঃ বিভিন্ন ঘটনা শুনুন। ভালো সময় কাটবে। আর বন্ধু সার্কেলে যারা দ্বীনহীন, গান-বাদ্যতে মশগুল, অশ্লীল আড্ডাবাজ এদের থেকে দূরে থাকুন। একদিনে হবে না। ধীরে ধীরে দূরে চলে যান। কম সাক্ষাৎ করুন। ওরাও দূরে সরে যাবে। আখিরাতে হাশরে তাদের সাথেই দাঁড়াবেন যাদের সাথে দুনিয়াতে সময় কাটাতেন। এখন তারা কি সুদখোর, ঘুষখোর, মদখোর, জুয়াখোর, অশ্লীল ব্যক্তি, দাজ্জাল, ফিরাউন, নমরুদরা হবে নাকি নবী-রাসুল আঃ, সাহাবা রাঃ, সিদ্দীক, সালিহীন, ইমাম, মুয়াজ্জিনরা হবেন তা এখনি ভেবে দেখুন।

** ২- নিয়মিত মসজিদমুখী হোন। চেষ্টা করুন প্রত্যেক ওয়াক্তে মসজিদে আসার। কখনো মিস হয়ে গেলে হতাশ হবেন না। পরের ওয়াক্তে আসুন। এভাবে অন্তত ১ মাস। মনের উপর জোর দিয়ে হলেও আসুন। আল্লাহর ঘরের মেহমান হতে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও আসুন। আল্লাহর কাছে সাহায্য চান। ভাবুন আপনার মালিক আপনাকে ভালোবাসেন। আপনাকে ডাকছেন- 'এই আমার বান্দা এখনো কি সময় হয় নি?' বলে। তিনি বলছেন- শরীর ও মন থেকে পবিত্র হতে। নিজের গুনাহ থেকে মুক্ত হতে। অন্তরকে শীতল করতে। কবরের আগুন থেকে বাঁচতে। অতএব আসুন। মসজিদের দুয়ার আপনার জন্য উন্মুক্ত। এতে প্রবেশ করুন। সিজদাহ দিন। অনুভব করুন আপনার সৃষ্টিকর্তাকে। তিনি আপনার সাথেই রয়েছেন। অতএব কোন ভয় নেই। তিনি ক্ষমাশীল। আর শয়তানই আপনাকে তাঁর থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে চায়। অতএব সিজদাহ দিন। শয়তান এতে কষ্ট পায়। শয়তানকে কষ্ট দিন। শয়তানের উপর প্রতিশোধ নিন। মসজিদের ছায়াতলে আসুন। আপনার রবের ক্ষমার দিকে দৌঁড়ান।

*** ৩- কুরআনের সাথে নিয়মিত সময় কাটান। প্রতিদিন মাত্র কয়েকটা আয়াত তিলাওয়াত করুন। যতক্ষণ মনে চায়। সুরা নাবা থেকে সূরা নাস। যাকে আমরা আম পারা বা শেষ পারা বলি। ছোট ছোট সুরা। অর্থবহ, ভয়াবহ। যেগুলো সহজে হৃদয়ে দাগ কাটে। অন্তর পরিবর্তন করে দেয়। আরবী তাজওয়ীদ বা কুরআন পড়ার নিয়মাবলী না জানলে শিখে নিন। মাত্র ১-২ মাস লাগবে। যদি সপ্তাহে নূন্যতম ২-৩ দিন করে সময় দেন এক থেকে দেড় ঘন্টা। ইনশা আল্লাহ। আপনি যখন কুরআন তিলাওয়াতে ডুব দেবেন অস্বাভাবিক একটা আনন্দ পাবেন। বুঝে পড়ুন বা না বুঝে। কিন্তু পড়ুন। পড়তে থাকলেই জানার একটা অস্থিরতা কাজ করবে। আর অস্থিরতা দূর হবে যখন এর অর্থ নিয়ে পড়া শুরু করবেন। অনেক কিছুই প্রথমে বুঝবেন না। নিকটস্থ আলিম বা উস্তাদ থেকে ব্যাপারটা জেনে নিন। কিন্তু থামবেন না। চালিয়ে যান। এভাবে একটা সময় টের পাবেন কিভাবে আল্লাহ জ্ঞ্যনের এক একটা সমুদ্র আপনার সামনে তুলে ধরছেন। কিভাবে আপনার সাথে তিনি কুরআনের মাধ্যমে কথা বলছেন। কিভাবে কুরআনের বিভিন্ন জায়গায় সরাসরি নিজেকে আবিষ্কৃত করছেন।
স্তব্ধ হয়ে যাবার মত ব্যাপার। ১৪০০ বছর আগের কুরআনে নিজের কথা জানতে হলেও পড়ুন। অলস হবেন না। অন্তত পৃথিবীতে কেন আসলেন সেই উত্তর পাবার আগ পর্যন্ত কুরআনের পেছনে লেগে থাকুন। ছাড়বেন না।

রাসূলুল্লাহ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন-

নিশ্চয়ই যখন কোন বান্দা পাপ করে, অতঃপর বলে,
“হে আমার প্রতিপালক! আমি পাপ করেছি, আমাকে ক্ষমা করুন।”
তখন তার রব বলেন, “আমার বান্দা কি জানে যে, তার এরূপ একজন প্রতিপালক আছেন, যিনি ক্ষমা করেন এবং তার ডাকে সাড়া দেন?” তিনি (আরো) বলেন, “আমি আমার বান্দাকে ক্ষমা করে দিলাম।”

তারপর যতদিন আল্লাহ চান ততদিন সে পাপ করা থেকে নিবৃত থাকে। তারপর সে আবারও পাপ করে। আর বলে,
“হে আমার রব! আমি আরও একটি পাপ করে ফেলেছি, আমায় আপনি ক্ষমা করুন।”
তখন তার রব বলেন, “আমার বান্দা কি জানে যে, তার এরূপ একজন প্রতিপালক আছেন যিনি পাপ মার্জনা করেন এবং তার ডাকে সাড়া দেন? সুতরাং নিশ্চয়ই আমি তাকে ক্ষমা করে দেই। অতঃপর সে তার ইচ্ছেমত আমল করতে থাকুক।”

(আবু হুরাইরা রাঃ থেকে বর্ণিত- মুসনাদে আহমাদ, সহীহাইন)

তাই প্রতিদিন হালকা যিকর করুন। ইস্তিগফার করুন। তাওবাহ হল বৃষ্টির মত। তাই তাওবাহ করে নিজের পাপগুলো ধুয়ে নিন। মৃত্যুর আগেই।

অন্তরগুলো শীতল হোক। আমীন।

24/12/2023

"জেনে রাখুন, কেবল স্ত্রীকে কষ্ট থেকে বাঁচানোর নামই উত্তম চরিত্র নয়; বরং স্ত্রীর দেয়া কষ্টকে সহ্য করা এবং স্ত্রীর অমনোযোগিতা-অস্থিরতা ও তার রাগের সময় রাসূলুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অনুসরণে সহনশীল হওয়াকে উত্তম চরিত্র বলে। তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্ত্রীরা তাঁর কথার পিঠে কথা বলতেন এবং তাঁদের একজন তো সারাদিন তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে দূরে ছিলেন।"
~ ইমাম আবু হামিদ গাযালী [রাহ.]
[ ইহইয়াউ উলূমিদ্দীন: ২/৪৩; দারুল মা'রিফাহ, বৈরুত]

23/12/2023

Adresse

Frankfurt
21126

Benachrichtigungen

Lassen Sie sich von uns eine E-Mail senden und seien Sie der erste der Neuigkeiten und Aktionen von HujuRian - হুজুরিয়ান erfährt. Ihre E-Mail-Adresse wird nicht für andere Zwecke verwendet und Sie können sich jederzeit abmelden.

Teilen