Wali Munshi jame mosjid ওয়ালী মুন্সী জামে মসজিদ

  • Home
  • Wali Munshi jame mosjid ওয়ালী মুন্সী জামে মসজিদ

Wali Munshi jame mosjid ওয়ালী মুন্সী জামে মসজিদ ১৯০৫ সাল

19/04/2026

জান্নাতে যাওয়ার পথ সুগম করার জন্য ইসলামে অনেক ছোট ছোট কিন্তু অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ আমলের বর্ণনা রয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "তোমরা নেক আমলকে তুচ্ছ জ্ঞান করো না।"
নিচে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ৪০টি ছোট আমল হাদিসের উদ্ধৃতিসহ (সংক্ষেপে) সাজিয়ে দেওয়া হলো:

১. প্রত্যেক ওযুর পর কালেমা শাহাদত পাঠ করুণ (আশহাদু আল্লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্দাহু লা-শারীকা লাহূ ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান ‘আবদুহূ ওয়া রাসূলুহূ)। ফজিলত: জান্নাতের ৮টি দরজার যে কোন দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন। হাদিস: সহিহ মুসলিম, হাদিস নং- ২৩৪।

২. প্রত্যেক ফরজ সলাত শেষে আয়াতুল কুরসি পাঠ করুণ। ফজিলত: মৃত্যুর সাথে সাথে জান্নাতে যেতে পারবেন। হাদিস: সহিহ নাসাই, সিলসিলাহ সহিহাহ, হাদিস নং- ৯৭২।

৩. প্রত্যেক ফরজ সলাত শেষে ৩৩ বার সুবহানাল্লাহ, ৩৩ বার আলহামদুলিল্লাহ্, ৩৩ বার আল্লাহু আকবার এবং ১ বার (লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন কাদীর) পাঠ করুণ। ফজিলত: অতীতের সব পাপ ক্ষমা হয়ে যাবে এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তি পেয়ে যাবেন। হাদিস: সহিহ মুসলিম, হাদিস নং- ১২২৮।

৪. প্রতিরাতে সূরা মুলক পাঠ করুণ। ফজিলত: কবরের শাস্তি থেকে মুক্তি পেয়ে যাবেন। হাদিস: সহিহ নাসাই, সহিহ তারগিব, হাকিম হাদিস নং- ৩৮৩৯।

৫. রাসুল (সাঃ)-এর উপর সকালে ১০ বার ও সন্ধ্যায় ১০ বার দরুদ পড়ুন। ফজিলত: নিশ্চিত রাসুল (সাঃ)-এর সুপারিশ পাবেন। হাদিস: তিবরানি, সহিহ তারগিব, হাদিস নং- ৬৫৬।

৬. সকালে ১০০ বার ও বিকালে ১০০ বার সুবহানাল্লাহিল আজিম ওয়া বিহামদিহি পড়লে। ফজিলত: সৃষ্টিকুলের সমস্ত মানুষ থেকে বেশী মর্যাদা দেওয়া হবে এবং জান্নাতে একটি খেজুরগাছ রোপণ করা হয়। হাদিস: সহিহ আবু দাউদ, হাদিস নং- ৫০৯১।

৭. সকালে ১০০ বার ও সন্ধ্যায় ১০০ বার সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি পাঠ করলে। ফজিলত: কিয়ামতের দিন তার চেয়ে বেশী সওয়াব আর কারো হবে না। হাদিস: সহিহ মুসলিম, হাদিস নং- ২৬৯২।

৮. সকালে ও বিকালে ১০০ বার সুবহানাল্লাহ, ১০০ বার আলহামদুলিল্লাহ্, ১০০ বার আল্লাহু আকবার এবং ১০০ বার লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন কাদীর পাঠ করলে। ফজিলত: অগণিত সওয়াব হবে। হাদিস: নাসাই, সহিহ তারগিব, হাদিস নং- ৬৫১।

৯. বাজারে প্রবেশ করে- (লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু য়্যুহয়ী ওয়া য়্যুমীতু ওয়া হুয়া হাইয়ুল লা য়্যামূত, বিয়াদিহিল খাইরু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন কাদীর)পাঠ করুণ। ফজিলত: ১০ লক্ষ পুণ্য হবে, ১০ লক্ষ পাপ মোচন হবে, ১০ লক্ষ মর্যাদা বৃদ্ধি হবে এবং জান্নাতে আপনার জন্য ১ টি গৃহ নির্মাণ করা হবে। হাদিস: তিরমিজি, হাদিস নং- ৩৪২৮,৩৪২৯।

১০. বাড়িতে সালাম দিয়ে প্রবেশ করুণ। ফজিলত: আল্লাহ তা’লা নিজ জিম্মাদারিতে আপনাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। হাদিস: ইবনু হিব্বান, হাদিস নং- ৪৯৯, সহিহ তারগিব, হাদিস নং- ৩১৬।

১১. জামাতে ইমামের প্রথম তাকবীরের সাথে ৪০ দিন সলাত আদায় করুন। ফজিলত: নিশ্চিত জাহান্নাম থেকে মুক্তি পেয়ে যাবেন। হাদিস: তিরমিজি, সিলসিলাহ সহিহাহ, হাদিস নং- ৭৪৭।

১২. প্রতিমাসের আয়ের একটা অংশ এতিমখানা বা মসজিদ মাদ্রাসা বা গরিব-দুখি, বিধবা ও দুস্থদের মাঝে দান করবেন। ফজিলত: আল্লাহ তা’লার কাছে জিহাদকারির সমতুল্য হবেন। হাদিস: সহিহ বুখারি, হাদিস নং- ৬০০৭।

১৩. মহিলারা ৪টি কাজ করবেন: ৫ ওয়াক্ত সলাত, রমজানের সিয়াম, লজ্জাস্থানের হেফাজত, স্বামীর আনুগত্য। ফজিলত: জান্নাতের যে কোন দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন। হাদিস: সহিহ ইবনু হিব্বান, হাদিস নং- ৪১৬৩।

১৪. মসজিদে ফজরের সলাত আদায় করে বসে দোয়া জিকির পাঠ করুণ এবং সূর্য উঠে গেলে ২ রাকাত চাস্তের সলাত আদায় করুণ। ফজিলত: প্রতিদিন নিশ্চিত কবুল ১ টি হজ্জ ও উমরার সওয়াব পাবেন। হাদিস: তিরমিজি, তারগিব হাদিস নং- ৪৬১।

১৫. প্রতিটি ভালো কাজ ডান দিক দিয়ে বিসমিল্লাহ বলে শুরু করা। ফজিলত: ভালো কাজের সওয়াব বৃদ্ধি এবং জান্নাতের পথ সহজ হয়। আয়াত: কুরআন, সূরা বাকারা, আয়াত ১৯৫।

১৬. ঘুম থেকে উঠে ঘুমের দুয়া পড়া। ফজিলত: পাপ মোচন এবং জান্নাতের দিকে অগ্রসর হওয়া। হাদিস: সহিহ বুখারি, হাদিস নং- ৬৩২৩।

১৭. বাথরুমে যেতে দুয়া পড়ে বাম পা দিয়ে প্রবেশ করা, বের হওয়ার সময় ডান পা দিয়ে বের হয়ে দুয়া পড়া। ফজিলত: শয়তান থেকে রক্ষা এবং নেকী অর্জন। হাদিস: সহিহ মুসলিম, হাদিস নং- ২৬২।

১৮. ওযুর পূর্বে মিসওয়াক করার অভ্যাস করা। ফজিলত: সলাতের সওয়াব ৭০ গুণ বৃদ্ধি। হাদিস: সহিহ বুখারি, হাদিস নং- ২০৬৬।

১৯. ঘর থেকে বের হওয়ার সময় ডান পা দিয়ে দুয়া পড়ে বের হওয়া। ফজিলত: রক্ষা এবং নেকী। হাদিস: সহিহ মুসলিম, হাদিস নং- ২০১৮।

২০. মসজিদে ডান পা দিয়ে দরুদ ও দুয়া পড়ে ঢুকা। ফজিলত: নেকী বৃদ্ধি এবং জান্নাতে পুরস্কার। হাদিস: সহিহ মুসলিম, হাদিস নং- ৭১৩।

২১. মসজিদ থেকে ময়লা আবর্জনা বা কষ্টদায়ক বস্তু দূর করা। ফজিলত: জান্নাতে একটি ঘর নির্মাণ। হাদিস: সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নং- ৭৫৭।

২২. সুরা ইখলাস ১০ বার পড়া। ফজিলত: জান্নাতে একটি প্রাসাদ নির্মাণ। হাদিস: দারিমি, হাদিস নং- ৩৪৯২।

২৩. জামাতে নামাজের খালি জায়গা ভরাট করা। ফজিলত: জান্নাতে গৃহ নির্মাণ এবং মর্যাদা বৃদ্ধি। হাদিস: সহিহ তারগিব, হাদিস নং- ৩৩৬।

২৪. ঝগড়া-বিবাদ থেকে বিরত থাকা। ফজিলত: জান্নাতে বিভিন্ন স্তরে বাড়ি। হাদিস: আবু দাউদ, হাদিস নং- ৪৮০০।

২৫. নেক আমল প্রচার করা। ফজিলত: অনুসরণকারীদের সমান সওয়াব। হাদিস: সহিহ মুসলিম, হাদিস নং- ২৬৭৪।

২৬. চোখকে পাপ থেকে হিফাযত করা। ফজিলত: জাহান্নাম থেকে ৭০ বছর দূরত্ব। হাদিস: সিলসিলাহ সহিহাহ, হাদিস নং- ১৪৭৭।

২৭. মাসিক আয়ের অংশ দান করা। ফজিলত: জিহাদের সমান মর্যাদা। হাদিস: সহিহ বুখারি, হাদিস নং- ৬০০৭।

২৮. বাজারে প্রবেশের দু’আ পড়া। ফজিলত: ১০ লক্ষ নেকী এবং জান্নাতে ঘর। হাদিস: তিরমিজি, হাদিস নং- ৩৪২৯।

২৯. রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরানো। ফজিলত: জান্নাত দান। হাদিস: ইবনে মাজাহ।

৩০. ঘুমানো পূর্বে ১০০০ বার দরুদ শরিফ পড়া। ফজিলত: জান্নাতে নাম লেখা পর্যন্ত মৃত্যু না হওয়া। হাদিস: সা’দাতুদ দারাইন, পৃ- ১১৫।

৩১. এতিমকে পিতা-মাতার সাথে আহারে বসানো। ফজিলত: জান্নাত ওয়াজিব। হাদিস: মুসনাদে আহমাদ, হাদিস: ১৮২৫২।

৩২. হালাল উপার্জন থেকে সদকা করা। ফজিলত: সদকা পাহাড়তুল্য হয়। হাদিস: বুখারী ও মুসলিম।

৩৩. সকালে ও সন্ধ্যায় ১০০ বার ‘সুবহানাল্লাহিল আজিম ওয়া বিহামদিহি’ পড়া। ফজিলত: সর্বোচ্চ সওয়াব এবং জান্নাতে গাছ। হাদিস: আবু দাউদ, হাদিস: ৫০৯১।

৩৪. ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু’ পড়া। ফজিলত: জান্নাত ওয়াজিব। হাদিস: মুসলিম, তিরমিজী।

৩৫. জিহ্বা এবং লজ্জাস্থান হিফাযত করা। ফজিলত: জান্নাতের গ্যারান্টি। হাদিস: সহিহ বুখারি।

৩৬. দানের মাধ্যমে কবরে নিরাপত্তা। ফজিলত: কবরের শাস্তি মিটিয়ে জান্নাতের পথ। হাদিস: সহিহ তারগিব।

৩৭. প্রতিদিন সুরা ইখলাস ৩ বার পড়া। ফজিলত: পুরো কুরআন খতমের সওয়াব। হাদিস: সহিহ বুখারি, হাদিস নং- ৫০১৩।

৩৮. প্রত্যেক সলাতের পর আয়াতুল কুরসি পড়া। ফজিলত: জান্নাতে প্রবেশের পথ। হাদিস: সহিহ নাসাই, হাদিস নং- ৯৯২।

৩৯. প্রতিদিন ১০ বার সুরা ইখলাস পড়া। ফজিলত: জান্নাতে বাড়ি। হাদিস: মুসনাদ আহমাদ, হাদিস নং- ১৫৬১০।

৪০. প্রতিদিন ১০০ বার সুবহানাল্লাহ পড়া।

ফজিলত: ১০০টি গোলাম আজাদের সওয়াব। হাদিস: সহিহ মুসলিম, হাদিস নং- ২৬৯১।জান্নাতে যাওয়ার পথ সুগম করার জন্য ইসলামে অনেক ছোট ছোট কিন্তু অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ আমলের বর্ণনা রয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "তোমরা নেক আমলকে তুচ্ছ জ্ঞান করো না।"
নিচে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ৪০টি ছোট আমল হাদিসের উদ্ধৃতিসহ (সংক্ষেপে) সাজিয়ে দেওয়া হলো:

১. প্রত্যেক ওযুর পর কালেমা শাহাদত পাঠ করুণ (আশহাদু আল্লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্দাহু লা-শারীকা লাহূ ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান ‘আবদুহূ ওয়া রাসূলুহূ)। ফজিলত: জান্নাতের ৮টি দরজার যে কোন দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন। হাদিস: সহিহ মুসলিম, হাদিস নং- ২৩৪।

২. প্রত্যেক ফরজ সলাত শেষে আয়াতুল কুরসি পাঠ করুণ। ফজিলত: মৃত্যুর সাথে সাথে জান্নাতে যেতে পারবেন। হাদিস: সহিহ নাসাই, সিলসিলাহ সহিহাহ, হাদিস নং- ৯৭২।

৩. প্রত্যেক ফরজ সলাত শেষে ৩৩ বার সুবহানাল্লাহ, ৩৩ বার আলহামদুলিল্লাহ্, ৩৩ বার আল্লাহু আকবার এবং ১ বার (লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন কাদীর) পাঠ করুণ। ফজিলত: অতীতের সব পাপ ক্ষমা হয়ে যাবে এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তি পেয়ে যাবেন। হাদিস: সহিহ মুসলিম, হাদিস নং- ১২২৮।

৪. প্রতিরাতে সূরা মুলক পাঠ করুণ। ফজিলত: কবরের শাস্তি থেকে মুক্তি পেয়ে যাবেন। হাদিস: সহিহ নাসাই, সহিহ তারগিব, হাকিম হাদিস নং- ৩৮৩৯।

৫. রাসুল (সাঃ)-এর উপর সকালে ১০ বার ও সন্ধ্যায় ১০ বার দরুদ পড়ুন। ফজিলত: নিশ্চিত রাসুল (সাঃ)-এর সুপারিশ পাবেন। হাদিস: তিবরানি, সহিহ তারগিব, হাদিস নং- ৬৫৬।

৬. সকালে ১০০ বার ও বিকালে ১০০ বার সুবহানাল্লাহিল আজিম ওয়া বিহামদিহি পড়লে। ফজিলত: সৃষ্টিকুলের সমস্ত মানুষ থেকে বেশী মর্যাদা দেওয়া হবে এবং জান্নাতে একটি খেজুরগাছ রোপণ করা হয়। হাদিস: সহিহ আবু দাউদ, হাদিস নং- ৫০৯১।

৭. সকালে ১০০ বার ও সন্ধ্যায় ১০০ বার সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি পাঠ করলে। ফজিলত: কিয়ামতের দিন তার চেয়ে বেশী সওয়াব আর কারো হবে না। হাদিস: সহিহ মুসলিম, হাদিস নং- ২৬৯২।

৮. সকালে ও বিকালে ১০০ বার সুবহানাল্লাহ, ১০০ বার আলহামদুলিল্লাহ্, ১০০ বার আল্লাহু আকবার এবং ১০০ বার লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন কাদীর পাঠ করলে। ফজিলত: অগণিত সওয়াব হবে। হাদিস: নাসাই, সহিহ তারগিব, হাদিস নং- ৬৫১।

৯. বাজারে প্রবেশ করে- (লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু য়্যুহয়ী ওয়া য়্যুমীতু ওয়া হুয়া হাইয়ুল লা য়্যামূত, বিয়াদিহিল খাইরু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন কাদীর)পাঠ করুণ। ফজিলত: ১০ লক্ষ পুণ্য হবে, ১০ লক্ষ পাপ মোচন হবে, ১০ লক্ষ মর্যাদা বৃদ্ধি হবে এবং জান্নাতে আপনার জন্য ১ টি গৃহ নির্মাণ করা হবে। হাদিস: তিরমিজি, হাদিস নং- ৩৪২৮,৩৪২৯।

১০. বাড়িতে সালাম দিয়ে প্রবেশ করুণ। ফজিলত: আল্লাহ তা’লা নিজ জিম্মাদারিতে আপনাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। হাদিস: ইবনু হিব্বান, হাদিস নং- ৪৯৯, সহিহ তারগিব, হাদিস নং- ৩১৬।

১১. জামাতে ইমামের প্রথম তাকবীরের সাথে ৪০ দিন সলাত আদায় করুন। ফজিলত: নিশ্চিত জাহান্নাম থেকে মুক্তি পেয়ে যাবেন। হাদিস: তিরমিজি, সিলসিলাহ সহিহাহ, হাদিস নং- ৭৪৭।

১২. প্রতিমাসের আয়ের একটা অংশ এতিমখানা বা মসজিদ মাদ্রাসা বা গরিব-দুখি, বিধবা ও দুস্থদের মাঝে দান করবেন। ফজিলত: আল্লাহ তা’লার কাছে জিহাদকারির সমতুল্য হবেন। হাদিস: সহিহ বুখারি, হাদিস নং- ৬০০৭।

১৩. মহিলারা ৪টি কাজ করবেন: ৫ ওয়াক্ত সলাত, রমজানের সিয়াম, লজ্জাস্থানের হেফাজত, স্বামীর আনুগত্য। ফজিলত: জান্নাতের যে কোন দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন। হাদিস: সহিহ ইবনু হিব্বান, হাদিস নং- ৪১৬৩।

১৪. মসজিদে ফজরের সলাত আদায় করে বসে দোয়া জিকির পাঠ করুণ এবং সূর্য উঠে গেলে ২ রাকাত চাস্তের সলাত আদায় করুণ। ফজিলত: প্রতিদিন নিশ্চিত কবুল ১ টি হজ্জ ও উমরার সওয়াব পাবেন। হাদিস: তিরমিজি, তারগিব হাদিস নং- ৪৬১।

১৫. প্রতিটি ভালো কাজ ডান দিক দিয়ে বিসমিল্লাহ বলে শুরু করা। ফজিলত: ভালো কাজের সওয়াব বৃদ্ধি এবং জান্নাতের পথ সহজ হয়। আয়াত: কুরআন, সূরা বাকারা, আয়াত ১৯৫।

১৬. ঘুম থেকে উঠে ঘুমের দুয়া পড়া। ফজিলত: পাপ মোচন এবং জান্নাতের দিকে অগ্রসর হওয়া। হাদিস: সহিহ বুখারি, হাদিস নং- ৬৩২৩।

১৭. বাথরুমে যেতে দুয়া পড়ে বাম পা দিয়ে প্রবেশ করা, বের হওয়ার সময় ডান পা দিয়ে বের হয়ে দুয়া পড়া। ফজিলত: শয়তান থেকে রক্ষা এবং নেকী অর্জন। হাদিস: সহিহ মুসলিম, হাদিস নং- ২৬২।

১৮. ওযুর পূর্বে মিসওয়াক করার অভ্যাস করা। ফজিলত: সলাতের সওয়াব ৭০ গুণ বৃদ্ধি। হাদিস: সহিহ বুখারি, হাদিস নং- ২০৬৬।

১৯. ঘর থেকে বের হওয়ার সময় ডান পা দিয়ে দুয়া পড়ে বের হওয়া। ফজিলত: রক্ষা এবং নেকী। হাদিস: সহিহ মুসলিম, হাদিস নং- ২০১৮।

২০. মসজিদে ডান পা দিয়ে দরুদ ও দুয়া পড়ে ঢুকা। ফজিলত: নেকী বৃদ্ধি এবং জান্নাতে পুরস্কার। হাদিস: সহিহ মুসলিম, হাদিস নং- ৭১৩।

২১. মসজিদ থেকে ময়লা আবর্জনা বা কষ্টদায়ক বস্তু দূর করা। ফজিলত: জান্নাতে একটি ঘর নির্মাণ। হাদিস: সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নং- ৭৫৭।

২২. সুরা ইখলাস ১০ বার পড়া। ফজিলত: জান্নাতে একটি প্রাসাদ নির্মাণ। হাদিস: দারিমি, হাদিস নং- ৩৪৯২।

২৩. জামাতে নামাজের খালি জায়গা ভরাট করা। ফজিলত: জান্নাতে গৃহ নির্মাণ এবং মর্যাদা বৃদ্ধি। হাদিস: সহিহ তারগিব, হাদিস নং- ৩৩৬।

২৪. ঝগড়া-বিবাদ থেকে বিরত থাকা। ফজিলত: জান্নাতে বিভিন্ন স্তরে বাড়ি। হাদিস: আবু দাউদ, হাদিস নং- ৪৮০০।

২৫. নেক আমল প্রচার করা। ফজিলত: অনুসরণকারীদের সমান সওয়াব। হাদিস: সহিহ মুসলিম, হাদিস নং- ২৬৭৪।

২৬. চোখকে পাপ থেকে হিফাযত করা। ফজিলত: জাহান্নাম থেকে ৭০ বছর দূরত্ব। হাদিস: সিলসিলাহ সহিহাহ, হাদিস নং- ১৪৭৭।

২৭. মাসিক আয়ের অংশ দান করা। ফজিলত: জিহাদের সমান মর্যাদা। হাদিস: সহিহ বুখারি, হাদিস নং- ৬০০৭।

২৮. বাজারে প্রবেশের দু’আ পড়া। ফজিলত: ১০ লক্ষ নেকী এবং জান্নাতে ঘর। হাদিস: তিরমিজি, হাদিস নং- ৩৪২৯।

২৯. রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরানো। ফজিলত: জান্নাত দান। হাদিস: ইবনে মাজাহ।

৩০. ঘুমানো পূর্বে ১০০০ বার দরুদ শরিফ পড়া। ফজিলত: জান্নাতে নাম লেখা পর্যন্ত মৃত্যু না হওয়া। হাদিস: সা’দাতুদ দারাইন, পৃ- ১১৫।

৩১. এতিমকে পিতা-মাতার সাথে আহারে বসানো। ফজিলত: জান্নাত ওয়াজিব। হাদিস: মুসনাদে আহমাদ, হাদিস: ১৮২৫২।

৩২. হালাল উপার্জন থেকে সদকা করা। ফজিলত: সদকা পাহাড়তুল্য হয়। হাদিস: বুখারী ও মুসলিম।

৩৩. সকালে ও সন্ধ্যায় ১০০ বার ‘সুবহানাল্লাহিল আজিম ওয়া বিহামদিহি’ পড়া। ফজিলত: সর্বোচ্চ সওয়াব এবং জান্নাতে গাছ। হাদিস: আবু দাউদ, হাদিস: ৫০৯১।

৩৪. ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু’ পড়া। ফজিলত: জান্নাত ওয়াজিব। হাদিস: মুসলিম, তিরমিজী।

৩৫. জিহ্বা এবং লজ্জাস্থান হিফাযত করা। ফজিলত: জান্নাতের গ্যারান্টি। হাদিস: সহিহ বুখারি।

৩৬. দানের মাধ্যমে কবরে নিরাপত্তা। ফজিলত: কবরের শাস্তি মিটিয়ে জান্নাতের পথ। হাদিস: সহিহ তারগিব।

৩৭. প্রতিদিন সুরা ইখলাস ৩ বার পড়া। ফজিলত: পুরো কুরআন খতমের সওয়াব। হাদিস: সহিহ বুখারি, হাদিস নং- ৫০১৩।

৩৮. প্রত্যেক সলাতের পর আয়াতুল কুরসি পড়া। ফজিলত: জান্নাতে প্রবেশের পথ। হাদিস: সহিহ নাসাই, হাদিস নং- ৯৯২।

৩৯. প্রতিদিন ১০ বার সুরা ইখলাস পড়া। ফজিলত: জান্নাতে বাড়ি। হাদিস: মুসনাদ আহমাদ, হাদিস নং- ১৫৬১০।

৪০. প্রতিদিন ১০০ বার সুবহানাল্লাহ পড়া।

ফজিলত: ১০০টি গোলাম আজাদের সওয়াব। হাদিস: সহিহ মুসলিম, হাদিস নং- ২৬৯১।

🔘ইস্তেগফার কিভাবে করতে হয়?🔲ইস্তেগফার এর ফজিলত এবং ৫টি ইস্তেগফারের দোয়া ও সর্বশ্রেষ্ট ইস্তেগফার জেনে নেওয়ার চেষ্টা করি। 🔲...
08/03/2026

🔘ইস্তেগফার কিভাবে করতে হয়?

🔲ইস্তেগফার এর ফজিলত এবং ৫টি ইস্তেগফারের দোয়া ও সর্বশ্রেষ্ট ইস্তেগফার জেনে নেওয়ার চেষ্টা করি।

🔲ইস্তেগফার শব্দের অর্থ ক্ষমা চাওয়া। আর তাওবা হলো আল্লাহর পথে ফিরে আসা। ২ টি শব্দের অর্থ প্রায় কাছাকাছি।

ইস্তেগফারের ফজিলত ও ইস্তেগফার সম্পর্কে

💠আল্লাহর নির্দেশঃ

ইস্তিগফার সম্বন্ধে কোরআনে আছে, ‘তোমরা তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো, নিশ্চয়ই তিনি মহাক্ষমাশীল।’

(সুরা-৭১ নূহ, আয়াত: ১০)

💠 ‘অতঃপর তোমার রবের প্রশংসাসহ পবিত্রতা বর্ণনা করো এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো।’

(সুরা-১১০ নাসর, আয়াত: ৩)

💠‘আর আল্লাহ তাআলা আজাব দেবেন না তাদের, আপনি তাদের মাঝে থাকা অবস্থায়; আর আল্লাহ তাদের আজাব দেবেন না, যখন তারা ইস্তিগফার করে।’

(সুরা-৮ আনফাল, আয়াত: ৩৩)

🔲তওবাঃ

তওবা অর্থ হলো ফিরে আসা। মানুষ যখন ভুল পথে যায় বা বিপথগামী হয়, তখন সেখান থেকে সঠিক পথে বা ভালো পথে ফিরে আসাকে তওবা বলা হয়।

তওবার পারিভাষিক অর্থ হলো লজ্জিত হওয়া। অর্থাৎ স্বীয় কৃতকর্মে লজ্জিত হয়ে সঠিক পথে ফিরে আসা। তওবার জন্য করণীয় হলো, স্বীয় কৃতকর্মের প্রতি লজ্জিত ও অনুতপ্ত হওয়া, সেই অপরাধ আর না করার দৃঢ় প্রত্যয় ও সংকল্প গ্রহণ করা এবং নেক আমলের প্রতি বেশিমাত্রায় মনোযোগী হওয়া।

💠তওবা সম্পর্কে কোরআনে রয়েছে,

‘হে ইমানদারেরা, তোমরা আল্লাহর কাছে খাঁটি তওবা করো, আশা করা যায় তোমাদের রব তোমাদের পাপসমূহ মোচন করবেন এবং তোমাদের এমন জান্নাতসমূহে প্রবেশ করাবেন, যার তলদেশে ঝরনাসমূহ প্রবহমান।’

(সুরা-৬৬ তাহরিম, আয়াত: ৮)

💠'নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা তওবাকারীদের ও পবিত্রতা অর্জনকারীদের ভালোবাসেন।’

(সুরা-২ বাকারা, আয়াত: ২২২)

💠রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘হে মানব সকল! তোমরা আল্লাহর দিকে ফিরে আসো, নিশ্চয় আমি প্রতিদিন ১০০ বার তওবা করি।’ (মুসলিম)

🔲কিভাবে ইস্তেগফার করবেন?

ইস্তেগফার করার বা ক্ষমা চাওয়ার দোয়া সমূহ।

সব চেয়ে ছোট ইস্তেগফার হলো :

💠*দোয়া-১:*

أَستَغْفِرُ اللهَ

উচ্চারণঃ আস্তাগফিরুল্লা-হ।

অনুবাদঃ আমি আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

প্রতি ওয়াক্তের ফরয সালাতে সালাম ফিরানোর পর রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এই দোয়া ৩ বার পড়তেন। [মিশকাত-৯৬১]

এছাড়াও সারাক্ষণ টয়লেট বাথরুম ছাড়া এই ইস্তেগফার টি পড়ে জিহবা ভিজিয়ে রাখুন এর ফজিলত অনেক বেশি।

💠*দোয়া-২:*

মূল আরবীঃ أَسْتَغْفِرُ اللهَ وَأَتُوْبُ إِلَيْهِ

উচ্চারণঃ আস্তাগফিরুল্লা-হা ওয়া আতূবু ইলাইহি।

অনুবাদঃ আমি আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করছি ও তাঁর দিকে ফিরে আসছি।

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) প্রতিদিন ৭০ বারের অধিক তাওবা ও ইসতিগফার করতেন। [বুখারী-৬৩০৭]

💠 *দোয়া-৩:*

মূল আরবীঃ أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ الَّذِي لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ الْحَىُّ الْقَيُّومُ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ

উচ্চারণঃ আস্‌তাগফিরুল্লা-হাল্লাযী লা- ইলা-হা ইল্লা- হুওয়াল হাইয়্যুল কইয়্যূম ওয়া আতূবু ইলায়হি।

🔲অনুবাদঃ আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই, তিনি ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন মা‘বূদ নেই, তিনি চিরঞ্জীব, চিরস্থায়ী এবং তাঁর কাছে তাওবাহ্ করি।

এই দোয়া পড়লে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দিবেন-যদিও সে যুদ্ধক্ষেত্র হতে পলায়নকারী হয়। [আবু দাউদ-১৫১৭, তিরমিযী-৩৫৭৭, মিশকাত-২৩৫৩]

💠*দোয়া-৪:*

মূল আরবীঃ رَبِّ اغْفِرْ لِيْ وَتُبْ عَلَيَّ إِنَّكَ (أنْتَ) التَّوَّابُ الرَّحِيْمُ / الغَفُوْرُ

🔘উচ্চারণঃ রাব্বিগ্ ফিরলী, ওয়া তুব ‘আলাইয়্যা, ইন্নাকা আনতাত তাওয়া-বুর রাহীম। দ্বিতীয় বর্ণনয় “রাহীম”-এর বদলে: ‘গাফূর’।

🔘অনুবাদঃ হে আমার প্রভু, আপনি আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমার তাওবা কবুল করুন। নিশ্চয় আপনি মহান তাওবা কবুলকারী করুণাময়। দ্বিতীয় বর্ণনায়: তাওবা কবুলকারী ও ক্ষমাকারী।

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) মসজিদে বসে এক বৈঠকেই এই দোয়া ১০০ বার পড়েছেন।



[আবূ দাঊদ-১৫১৬, ইবনু মাজাহ-৩৮১৪, তিরমিযী-৩৪৩৪, মিশকাত-২৩৫৩]

💠*দোয়া-৫: (সাইয়েদুল ইস্তিগফার-বা আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাওয়ার শ্রেষ্ঠ দুআ:*

সায়্যিদুল ইস্তেগফার সব চেয়ে শ্রেষ্ট ইস্তেগফার। এবং এটি সকাল সন্ধ্যার জিকির।

🔘মূল আরবীঃ اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ وَأَبُوءُ لَكَ بِذَنْبِي فَاغْفِرْ لِي فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ

🔘উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা আনতা রব্বী লা-ইলাহা ইল্লা আনতা খালাক্কতানী ওয়া আনা আ'বদুকা ওয়া আনা আ'লা আহ্দিকা ওয়া ও’য়াদিকা মাসতাত’তু আ'উযুবিকা মিন শার্রি মা ছা’নাতু আবূউলাকা বিনি'মাতিকা আ'লাইয়্যা ওয়া আবূউলাকা বিযানবী ফাগ্ফির্লী ফাইন্নাহু লা-ইয়াগফিরুয্যুনূবা ইল্লা আনতা

🔘অনুবাদঃ হে আল্লাহ তুমিই আমার প্রতিপালক। তুমি ছাড়া কোন ইলাহ নেই। তুমিই আমাকে সৃষ্টি করেছ। আমি তোমারই গোলাম। আমি যথাসাধ্য তোমার সঙ্গে প্রতিজ্ঞা ও অঙ্গীকারের উপর আছি। আমি আমার সব কৃতকর্মের কুফল থেকে তোমার কাছে পানাহ চাচ্ছি। তুমি আমার প্রতি তোমার যে নিয়ামত দিয়েছ তা স্বীকার করছি। আর আমার কৃত গুনাহের কথাও স্বীকার করছি। তুমি আমাকে মাফ করে দাও। কারন তুমি ছাড়া কেউ গুনাহ ক্ষমা করতে পারবে না।

এই দোয়া সকালে পড়ে রাতের আগে মারা গেলে অথবা রাতে পড়ে সকালের আগে মারা গেলে সে জান্নাতে যাবে। [বুখারী-৬৩০৬]

🔲এই দোয়াগুলো পড়ার মাধ্যমে আমরা ইস্তেগফার করার চেষ্টা করবো, ইনশাআল্লাহ! তবে সব চেয়ে উত্তম হলো সায়্যিদুল ইস্তেগফার।

🔲মহান আল্লাহ্ আমাদের সবাইকে বেশি বেশি তওবা ও ইস্তেগফার করার তৌফিক দান করুন।

জাজাকাল্লাহ খইরন।

"বিঃদ্রঃ- আরবি উচ্চারণ বাংলায় সঠিকভাবে উচ্চারিত হয় নাহ।

"তাই নিজে আরবি না জানলে উত্তমরূপে আরবি পড়তে জানে এমন একজন এর নিকট থেকে দোয়াগুলির উচ্চারণ শিখে নেওয়া আবশ্যক।

💠আল্লাহ আমাদের সবাইকে উপরোক্ত ইস্তেগফারের দোয়া এবং আমলগুলো সঠিক ভাবে বুঝা এবং সেই অনুযায়ী আমল করার তৌফিক দান করুন, আমিন।

#ইস্তেগফার

17/02/2026

🌙 রমজানের “Power Routine” — জীবনের পরিবর্তনকারী দৈনিক রুটিন
(যে রুটিন সত্যিই জীবন বদলে দিতে পারে ইনশা আল্লাহ)

১) শেষ রাত — তাহাজ্জুদের সময় (সবচেয়ে শক্তিশালী মুহূর্ত)
_____________________________________________________

🔥 এই সময় আল্লাহর দরজা সর্বদা খোলা থাকে। যে খালি হাতে চাইবে, ফিরবে না ইনশা আল্লাহ।
✅ তাহাজ্জুদ ২ / ৪ / ৮ রাকাত
✅ লম্বা সিজদায় কান্না করে দোয়া (দোয়া কবুলের সবচেয়ে নিশ্চিত সময়)
✅ ১০০ বার ইস্তিগফার
✅ ৫০ বার দরুদ শরীফ
💫 সিক্রেট: এই সময়ের দোয়া, কান্না ও তাওবা—মন ও হৃদয় দুটোকে পরিশুদ্ধ করে।

🌅 ২) ফজরের পর — দিনের সেরা শুরু
____________________________________________________

☀️ ফজরের পরে আল্লাহর বারাকাহ নেমে আসে।
✅ ফজর নামাজ
✅ ৩০–৪৫ মিনিট কুরআন তিলাওয়াত
✅ সূরা ইয়াসিন / সূরা মুলক (যেকোনো ১টি)
✅ সকালবেলার যিকির
💡 টিপস: সকালটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারলেই পুরো দিনের আমল শক্তিশালী হয়

🌄 ৩) সকাল — কম কাজ, বেশি সওয়াব
_______________________________________________________

✅ ১৫ মিনিট → যিকির + দরুদ
✅ ১৫ মিনিট → কুরআনের অর্থ/তাফসির (১ পৃষ্ঠা)
✅ ৫ মিনিট → দোয়া লিস্ট পড়া
✨ মহৎ সত্য: ছোট ছোট এই আমলই জীবনের বড় পরিবর্তনের শুরু।

🕛 ৪) যোহরের পর — শক্তি বাঁচিয়ে ইবাদত
________________________________________________________
✅ যোহর নামাজ
✅ ২০ মিনিট → সুন্নাহ ঘুম
✅ ১৫ মিনিট → ইস্তিগফার + তাসবিহ
🌿 সিক্রেট: রমজানে শক্তি সংরক্ষণ করলে—রাতের ইবাদতও অসাধারণ হয়।

🌇 ৫) আসরের পর — দোয়ার “Golden Time”
_________________________________________________________
✅ আসর নামাজ
✅ ১ পারা কুরআন (যদি না হয়, ১/২ পারা)
✅ ১০০ বার “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ”
✅ ইফতারের আগে ২০ মিনিট → শুধু দোয়া
🔥 জানুন: ইফতারের আগে করা দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না। কান্না করে দোয়া বলুন—আল্লাহ শুনছেন।

🍽 ৬) ইফতার + মাগরিব
__________________________________________________________
✅ খেজুর ও পানি দিয়ে ইফতার
✅ ইফতারের দোয়া:
“আল্লাহুম্মা ইন্নী লাকা সুমতু, ওয়া বিকা আমান্তু, ওয়া ‘ালাইকা তাওয়াক্কাল্তু, ওয়া ‘আলা রিজকিকা আফতার্তু”
✅ মাগরিব নামাজ
✅ খাবার কম, ইবাদত বেশি
🌙 মহৎ সত্য: পেট ভরা হলে ইবাদত দুর্বল হয়—এটা রমজানের গোপন রহস্য।

🌃 ৭) এশা + তারাবি
___________________________________________________________
✅ এশা নামাজ
✅ তারাবি নামাজ
✅ ১৫ মিনিট → কুরআন/যিকির
✅ ১০ মিনিট → দিনের গুনাহের জন্য কান্না ও দোয়া
🔥 সত্যি কথা: যে রমজানে কাঁদতে পারে, আল্লাহ তাকে বদলে দেন।
💎 ৭টি “মারাত্মক” দৈনিক আমল (যা রোজ করা প্রয়োজন!)

1️⃣ ১ পারা কুরআন / ২০ মিনিট কুরআন তিলাওয়াত
2️⃣ ১০০ বার ইস্তিগফার
3️⃣ ১০০ বার দরুদ শরীফ
4️⃣ ১০০ বার “সুবহানাল্লাহ”
5️⃣ ১০০ বার “আলহামদুলিল্লাহ”
6️⃣ ১০০ বার “আল্লাহু আকবার”
7️⃣ সকাল ও সন্ধ্যার যিকির

⭐ গ্যারান্টি: এই ৭টি আমল মেনে চললে—রমজান শেষে আগের আপনি থাকবেন না ইনশা আল্লাহ।

🌌 লাইলাতুল কদরের স্পেশাল রুটিন (শেষ ১০ দিন)
✅ ২ রাকাত নফল → ২ রাকাত নফল
✅ কুরআন → দোয়া → কান্না
✅ বারবার বলুন:
“আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন তুহিব্বুল আফওয়া فاعفُ عَنّي”
💫 সিক্রেট: এই রাত হাজার মাসের চেয়ে উত্তম। এটি শুধু রাত নয়—জীবনের মোড় ঘুরানোর সুযোগ।

🌹 রমজানের আসল রহস্য
রমজান শুধু রোজা নয়—রমজান হলো নিজেকে বদলে ফেলার মাস।
যে মাসে আপনি সত্যিই বদলাতে পারেন,
তার জীবনও বদলে যাবে—ইনশা আল্লাহ। 🤍🌙
(ফাতেমা আলী)

সাওয়াবের নিয়তে পৌঁছে দিন সবার কাছে

#রমজান

17/02/2026

প্রিয় দ্বীনি ভাই ও বোনেরা,
আমাদের প্রত্যেকের জীবনেই এমন কিছু চাওয়া থাকে যা পূরণ হওয়া যেন অলৌকিক কিছু। কখনো কি এমন হয়েছে—গভীর রাতে জায়নামাজে বসে অঝোরে কাঁদছেন, মনের কোনো এক অপূর্ণ আকাঙ্ক্ষা আপনাকে ঘুমাতে দিচ্ছে না, অথচ সমাধান খুঁজে পাচ্ছেন না?
যদি আপনার কোনো দোয়া দীর্ঘকাল অপূর্ণ থেকে থাকে, তবে আজই পূর্ণ বিশ্বাস নিয়ে এই "পরীক্ষিত আমলটি" করে দেখুন। রাসুলুল্লাহ (সা.) এই যিকিরকে 'জান্নাতের গুপ্তধন' হিসেবে অভিহিত করেছেন। এর বরকতে বহু মানুষের অসম্ভব হাজত আল্লাহ তাআলা মুহূর্তেই পূরণ করে দিয়েছেন।

আমলটি করার সঠিক নিয়ম (ধাপে ধাপে):
এটি মূলত একাগ্রতা এবং বিশ্বাসের আমল। তাহাজ্জুদের সময়, নিরিবিলি পরিবেশে এটি করা সবচেয়ে বেশি কার্যকরী।
১. ইশার নামাজের পর বা শেষ রাতে তাহাজ্জুদের সময় উত্তমরূপে ওযু করে দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করুন।
২. নামাজের পর মনোযোগ সহকারে ১০০ বার যেকোনো দরূদ শরীফ পড়ুন।
৩. এরপর ৪৯৯ বার পাঠ করুন
لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّٰهِ
(লা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ)

৪. ৫০০তম বার পাঠ করার সময় নিচের দোয়াটি যুক্ত করে পড়ুন
لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّٰهِ الْعَلِيِّ الْعَظِيمِ
(লা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যিল আজীম)
৫. এরপর পুনরায় ১০০ বার দরূদ শরীফ পাঠ করুন।
৬. পরিশেষে দুহাত তুলে আল্লাহর দরবারে নিজের হাজতের জন্য কায়মনোবাক্যে প্রার্থনা করুন।

কেন এই আমলটি করবেন?
হাদীস শরীফে এসেছে, প্রিয় নবীজি (সা.) বলেছেন "লা হাওলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ" হলো জান্নাতের রত্নভাণ্ডার সমূহের একটি। এটি ৯৯টি রোগের মহৌষধ, যার মধ্যে সর্বনিম্ন হলো 'দুশ্চিন্তা'। (বুখারী ও মুসলিম)
যখন বান্দা তার সমস্ত শক্তি ত্যাগ করে মহান আল্লাহর শক্তির কাছে নিজেকে সঁপে দেয়, তখনই আসমানের দরজাগুলো খুলে যায়। ইনশাআল্লাহ, আপনার চোখের পানি বিফলে যাবে না।
বি.দ্র: আমলটির মূল শক্তি হলো 'একাগ্রতা' এবং 'হালাল রিযিক'। পূর্ণ বিশ্বাস নিয়ে করুন।

সবাই এই পোস্টটি শেয়ার করে অন্য ভাই-বোনদের জানার সুযোগ করে দিন। হয়তো আপনার একটি শেয়ারে কারো জীবনের বড় কোনো মুশকিল আসান হয়ে যাবে।
আল্লাহুম্মা আমীন। আমার জন্য দোয়া করবেন। 🌸

আপনি কি আজ থেকেই এই বিশেষ আমলটি শুরু করতে চান? কমেন্টে 'ইনশাআল্লাহ' লিখে আপনার উপস্থিতি জানান। 😊

#ইসলামিকআমল #দোয়া_কবুল #যিকির #লা_হাওলা #জান্নাতের_গুপ্তধন #হাজত_পূরণ #আল্লাহর_রহমত #শান্তি #ইস্তেগফার #দোয়া_কবুলের_আমল #পরীক্ষিত_আমল

সূরা: আল বাকারা :আয়াত:২৭৪ اَلَّذِیۡنَ یُنۡفِقُوۡنَ اَمۡوَالَهُمۡ بِالَّیۡلِ وَ النَّهَارِ سِرًّا وَّ عَلَانِیَۃً    فَلَ...
02/01/2026

সূরা: আল বাকারা :আয়াত:২৭৪
اَلَّذِیۡنَ یُنۡفِقُوۡنَ اَمۡوَالَهُمۡ بِالَّیۡلِ وَ النَّهَارِ سِرًّا وَّ عَلَانِیَۃً فَلَهُمۡ اَجۡرُهُمۡ عِنۡدَ رَبِّهِمۡ ۚ وَ لَا خَوۡفٌ عَلَیۡهِمۡ وَ لَا هُمۡ یَحۡزَنُوۡنَ
যে সকল লোক দিবারাত্রে গোপনে ও প্রকাশ্যে তাদের ধন দান করে, তাদের জন্য তাদের প্রতিপালকের কাছে পুরস্কার রয়েছে। সুতরাং তাদের কোন ভয় নেই এবং তারা দুশ্চিন্তাগ্রস্তও হবে না।
#ওয়ালি মুন্সি জামে মসজিদের ডিসেম্বর মাসের আয় এবং ব্যয়

• আগামীকালের মাহফিলে সকলে যোগ দিন "দ্বীনি মজলিসকে সফল করুন", এবং বক্তা মুফতি মুহাম্মদ আলী সাহেবের মাহফিলে যোগ দিন সফল কর...
28/12/2025

• আগামীকালের মাহফিলে সকলে যোগ দিন "দ্বীনি মজলিসকে সফল করুন", এবং বক্তা মুফতি মুহাম্মদ আলী সাহেবের মাহফিলে যোগ দিন সফল করুন!
আল্লাহর সান্নিধ্য পেতে, দ্বীনি জ্ঞান অর্জন করতে, আসুন আগামীকালের মাহফিলে
সামান্য সময়ের জন্য হলেও, মাহফিলের পরিবেশকে সুন্দর করতে এবং দ্বীনি দাওয়াতের অংশ হতে সকলে এগিয়ে আসুন।"

19/12/2025

আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু,
মহান আল্লাহর অশেষ মেহেরবানি ও রহমতে আপনাকে জানাচ্ছি যে, আগামী ২৯ডিসেম্বর, রোজঃ সোমবার, ওয়ালী মুন্সি জামে মসজিদ ও এলাকা বাসীর উদ্যোগে আয়োজন করা তাফসীরুল কুরআন মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। ইসলামী জ্ঞান চর্চা, ঈমানের সতেজতা এবং নেক আমলের তাগিদে আয়োজিত এই মাহফিলে আপনার উপস্থিতি আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দ, অনুপ্রেরণা ও বরকতের কারন হবে ইনশাআল্লাহ। সুন্দর ও ঈমানি পরিবেশে আপনাকে আমন্ত্রন জানাচ্ছি। অন্তর থেকে প্রত্যাশা, আপনার মূল্যবান উপস্থিতি আমাদের অনুপ্রাণিত করবে।
⭐সার্বিক তত্ত্বাবধানে
▶ওয়ালী মুন্সি রোড সমাজ কল্যান কমিটি ও ওয়ালী মুন্সি জামে মসজিদ কমিটি
স্থান: ওয়ালী মুন্সি জামে মসজিদ সংলগ্ন মাঠ, ওয়ালী মুন্সি রোড, সেবারহাট, সেনবাগ, নোয়াখালী।
সালামান্তে
মাহফিল কমিটি

30/11/2025

মসজিদে দান করার ফজিলত অনেক, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
আল্লাহ জান্নাতে দানকারীর জন্য ঘর তৈরি করে দেন, এবং যতদিন মসজিদটি ব্যবহার হবে ততদিন দানকারী সওয়াব পেতে থাকবেন (সদকায়ে জারিয়া)। এছাড়া, দানের পরিমাণ এবং আন্তরিকতার উপর ভিত্তি করে সওয়াব ৭০০ গুণ বা তার বেশিও হতে পারে।
মসজিদে দান করার প্রধান ফজিলতগুলো হলো:
জান্নাতে ঘর লাভ: যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য মসজিদ নির্মাণ করে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে অনুরূপ একটি ঘর তৈরি করে দেন।
চলমান সওয়াব (সদকায়ে জারিয়া): মসজিদ নির্মাণের পাশাপাশি তাতে লাইট, ফ্যান বা এসি লাগানোর মতো কাজের জন্যও দান করলে, যতদিন সেই মসজিদে কেউ ইবাদত করবে, ততদিন দানকারী কবরে বসেই সওয়াব পেতে থাকবে।
অগণিত সওয়াব প্রাপ্তি: দানের পরিমাণ এবং আন্তরিকতা অনুযায়ী সওয়াব অনেক গুণ বৃদ্ধি পেতে পারে, এমনকি ৭০০ গুণ পর্যন্তও হতে পারে।
আল্লাহর নৈকট্য লাভ: মসজিদ নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণকারীদের আল্লাহ ভীষণ পছন্দ করেন এবং এটি মুসলমানদের জন্য একটি অপরিহার্য কেন্দ্র।
দুঃখ-কষ্ট থেকে মুক্তি: যারা আল্লাহর জন্য দান করে, তাদের কোনো ভয় থাকে না এবং তারা কোনো দুঃখ-কষ্টে পতিত হবে না।

আসসালামু আলাইকুম ! ⭐ওয়ালী মুন্সী জামে মসজিদের অক্টোবর মাসের আয় ও ব্যয়ের হিসাব ❗
27/11/2025

আসসালামু আলাইকুম !
⭐ওয়ালী মুন্সী জামে মসজিদের অক্টোবর মাসের আয় ও ব্যয়ের হিসাব ❗

আলহামদুলিল্লাহওয়ালী মুন্সী জামে মসজিদে আজকে পানির ফিল্টার স্থাপন  করা হয়েছেওয়ালী মুন্সী জামে মসজিদ কোষাধ্যক্ষ জনাব মোঃ...
04/11/2025

আলহামদুলিল্লাহ
ওয়ালী মুন্সী জামে মসজিদে আজকে পানির ফিল্টার স্থাপন করা হয়েছে
ওয়ালী মুন্সী জামে মসজিদ কোষাধ্যক্ষ জনাব মোঃ বাবর উদ্দিন নিজ অর্থায়নে ফিল্টার স্থাপন করেন আল্লাহ ওনার দান কে কবুল করুক🤲

ওয়ালী মুন্সি জামে মসজিদ ও সমাজের উদ্যোগে মাহফিলের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২৯ডিসেম্বর ❗👉 নভেম্বর মাস স্কুল ছাত্র- ছাএী...
14/10/2025

ওয়ালী মুন্সি জামে মসজিদ ও সমাজের উদ্যোগে মাহফিলের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২৯ডিসেম্বর ❗
👉 নভেম্বর মাস স্কুল ছাত্র- ছাএী পরিহ্মা তাই প্রধান মুফাসসির এবং মাহফিল কমিটির সমন্বয়ে ২৬ নভেম্বর পরিবর্তন করে ২৯ ডিসেম্বর মাহাফিল অনুষ্ঠিত হবে #ইনশাআল্লাহ

Address


Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Wali Munshi jame mosjid ওয়ালী মুন্সী জামে মসজিদ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your place of worship to be the top-listed Place Of Worship?

Share