Maolar Abhishek

Maolar Abhishek সামনে সুন্দর সময় আসছে
মানুষ সত্য খুঁজবে''সত্য গ্রহণ
করবে পৃথিবীতে শান্তি আসবে !!! "মহান মাওলা সদর উদ্দিন আহমদ চিশতী (আঃ),,

29/05/2026

কোরান দার্শনিক"খাজা বাবা হযরত শাহ সুফি সদর উদ্দিন আহমদ চিশতী (আঃ)

কোরান বলিতেছেনঃ " #হজ্জুল_বাইতা" অর্থাৎ গৃহটির হজ্ব অর্থ অনু অনু করিয়া খুঁটিয়া খুঁটিয়া দেখা। আপন মানব দেহ ও মনকে অনু অনু...
25/05/2026

কোরান বলিতেছেনঃ " #হজ্জুল_বাইতা" অর্থাৎ গৃহটির হজ্ব অর্থ অনু অনু করিয়া খুঁটিয়া খুঁটিয়া দেখা। আপন মানব দেহ ও মনকে অনু অনু করিয়া দেখা। বিশ্ব মানব দেহের প্রতীকী জাহেরি ঘর হইল কাবা ঘর। নফস দর্শন তথা আত্মদর্শনকে সালাত বলে। ' ্শন' অর্থ অসারতা দর্শন, অনাত্মা দর্শন। সুতারাং #সালাত এবং #হজ্ব একই বিষয়ের দুইরূপ বা দুই পর্যায় মাত্র। হজ্ব আত্মদর্শনের তথা আত্মত্যাগের চরম পর্যায় এবং সালাত হইল উহার প্রাথমিক এবং মৌলিক পর্যায়। সালাত সংসার জীবনের মধ্যে থাকিয়া গৃহের সহায়ক পরিবেশের মধ্যে ধর্মসমূহের স্বরূপ দর্শন করা আর হজ্ব বিশ্ব নাগরিক হইয়া অসীম মহা প্রকৃতির মধ্যে গৃহহারা অবস্থায় আপন রূপ দর্শন করা। হজ্ব সমাপনের দ্বারা পরিপূর্ণ আত্মদর্শন লাভ করিয়া পরমের জ্ঞানে জ্ঞানী হইয়া মানব সেবায় আত্মনিয়োগ করার নাম #কোরবানি। সুতারং সালাতের অনুশীলন ব্যতীত কোরবানি করা অসম্ভব। এইরূপ দেখা যায় সালাত কোরবানির চাবিকাঠি। কোরানের কোরবানি বুঝাইতে যে শব্দ ব্যবহার করা হইয়াছে তাহা হইল #জবেহ। জবেহ অর্থ পবিত্র করা, শুদ্ধ করা। জিন এবং ইনসান জাতির মস্তিষ্কের অপবিত্রতা এবং কলুষ-কালিমা ধোলাই করিয়া শুদ্ধ ও পবিত্র করিয়া তোলার জন্যই কোরবানি। সমাজ শুদ্ধির জন্য প্রতিটি সমাজের দুই একজনকে কোরবানি হইতে হইবে। নতুবা প্রকৃত সমাজ কল্যাণ সুদূর পরাহত।"

____সত্যদ্রষ্টা মহান মাওলা শাহ্ সূফী সদর উদ্দিন আহমদ চিশতী (আঃ)

22/05/2026

জামাত শিবির, উগ্র, জঙ্গী, সন্ত্রাসী, ওহাবী/সালাফি মতাদর্শের লোকদের হামলার পরে হযরত শাহ আলী (রহ.) এর পবিত্র দরগাহতে শাহ আলী নামের স্লোগান।

সাবধান, নিশ্চয়ই আল্লাহ'র আউলিয়াদের কোন ভয় নাই, তারা চিন্তিতও হবে না। দুনিয়া ও আখিরাতে তার সাফল্য অর্জন করেছে।

- আল কোরআন।

21/05/2026

-ঈদে_গাদীর:
মুসলমানের জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ “ঈদ দিবস” অর্থাৎ “আনন্দ দিবস” হইল গাদীরের অভিষেক দিবস। রসুল (আঃ) তাঁহার আধ্যাত্মিক শক্তির বুনিয়াদ উম্মতগণকে দান করিয়া গেলেন।আল্লাহর সমগ্র জ্ঞানের অধিকারী রসুলাল্লাহ (আঃ) তাঁহার জ্ঞানের দ্বার খোলা রাখিয়া গেলেন। মৃত্যুর পরশ লাগিয়া উহা অন্তর্ধান হইল না। যাহাতে সাধারণ মানুষও সেই দ্বার হইতে জীবন দর্শন এবং জ্ঞান আহরণ করিতে পারে সেই ব্যবস্থাই তিনি করিয়া গেলেন যোগ্য প্রতিনিধি নিয়োগ করিয়া।

ইরানে ইহাকে ‘নওরোজ’ বলা হয়, কারণ নবী অন্তরালে চলিয়া গেলেও জ্ঞানের নব দিগন্ত উন্মোচনের সকল এন্তেজাম মওজুদ রহিল। ইহা রসুলাল্লাহর (আঃ) জ্ঞানরাজ্যের “প্রবেশ দ্বার”-এর উদ্ঘাটন দিবস। অতএব, ইহা পরবর্তী সমগ্র মানবজাতির জন্য নবুয়তের জ্ঞান লাভের পথ দ্বার উদ্ঘাটন দিবস। স্বর্গীয় জ্ঞান আহরণ ইচ্ছুক প্রতিটি মানবের জন্য ইহা একটি আশীর্বাদ।

রসুলাল্লাহ (আঃ) আল্লাহর সমগ্র জ্ঞানের অধিকারী। সমগ্র জ্ঞানের কোন একদিকেও যদি তিনি অসম্পূর্ণ থাকেন তাহা হইলে সেই বিষয়ে কোন প্রশ্ন যদি কেহ করে এবং নবী যদি উত্তরে বলেন : “আমি ইহা জানি না” তাহা হইলে তিনি আল্লাহর রসুল হইতে পারেন না। এইজন্য দেখিতে পাই নবীর (আঃ)জ্ঞানের যিনি দ্বার তিনিও বলিয়াছেন, “যাহা কিছু জানিতে চাও আমি বাঁচিয়া থাকিতে জিজ্ঞাসা করিয়া জানিয়া লইতে পার” (হাদিস)। এদিক হইতে বিচার করিলেও দেখা যায় মানুষের নিকট জ্ঞানের ভাণ্ডার আগমনের মহান আনন্দ দিবস হিসাবে ঈদে গাদির হইল অতুলনীয়।

____মহান মাওলা শাহ্ সূফী সদর উদ্দিন আহ্‌মদ চিশ্‌তী (আঃ)
[ বিস্তারিত জানার জন্য “মাওলার অভিষেক” বইটি সংগ্রহ করুন ]
প্রাপ্তিস্থানঃ- ইমামীয়া চিশতীয়া পাবলিশার। ৩৬/৫, বাংলাবাজার, ঢাকা - ১১০০।
প্রয়োজনেঃ- ০১৬৩৩-৬৯০৪৭৩

18/05/2026

০১ জিলহজ্জ্ব, ১৪৪৭ | মহাপবিত্র বিবাহ বার্ষিকী

বেলায়াতের সম্রাট, শেরে খোদা, মুশকিল কুশা আমিরুল মোমেনিন, মাওলা আলী ইবনে আবি তালিব (আঃ) এবং জগত জননী মা ফাতেমা (সাঃ আ:)-এঁর মহাপবিত্র বিবাহ বার্ষিকী উপলক্ষে--

জাতি, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে প্রানভরা ভক্তি, ভালোবাসা ও শু‌ভেচ্ছা।❤️

15/05/2026

#কবর :- জ্যান্ত দেহকেই কবর বলা হইয়াছে। কেয়ামতের পূর্ব পর্যন্ত নফস ইহাতেই আশ্রয় লইয়া থাকে। কবরের জ্বালা-যন্ত্রণা হইতে অধিক জ্বালা-যন্ত্রণা আর কোথাও নাই। (আসলে সালাতের গভীর অবস্থাটাই কবর।)
-----প্রভুগুরু মাওলা শাহ্‌ সূফী সদর উদ্দিন আহ্‌মদ চিশ্‌তী (আঃ)

12/05/2026

#আলে-মোহাম্মদকে যাহারা গুরুরূপে মানে তাহারাই #ইনসান। বাকি সবাই #জিন। আলে- #মোহাম্মদ সার্বজনীন এবং সর্বকালিন #মহান সত্তা।

#দয়াল আর-রহমান কামেল মোর্শেদ রূপে
#কোরান শিক্ষা দিয়া ইনসান হইতে নিম্নমানের জীবগণকে অর্থাৎ জিন প্রকৃতির জীবগণকে গুণগত ভাবে রূপান্তর করিয়া
#ইনসানিয়াত দান করেন।
জীব-সকলের মধ্যে ইনসান সর্বোচ্চ মানের জীব। ইনসান ব্যতীত নিম্নমানের জীব জীবন ব্যাখ্যা অথবা কোরান ব্যাখ্যা বুঝিতে অক্ষম।

নিম্নমানের জীবকে ইনসান রূপান্তর করিয়া অর্থাৎ উন্নীত করিয়া তাহাদিগকে জীবন ব্যাখ্যা তথা জীবন দর্শন জ্ঞান দান করেন। সম্যক গুরু হইতে এবং তাঁহার সালাত প্রক্রিয়া হইতে এই জ্ঞান অর্জ্জন করিতে হয়।

[দ্র. সূরা আর-রহমান]
#কোরান_দর্শন
-মহান মাওলা
শাহ্ সূফী সদর উদ্দিন আহ্‌মদ চিশতী (আঃ)

10/05/2026

#আল্লাহ্‌কে যাহারা শুধুই নিরাকার রূপে কল্পনা করিয়া সপ্ত আকাশের উপর মহাশূন্যে স্থাপন করিয়া থাকে তাহারাই প্রকৃতই মোশরেক এবং অজ্ঞান। আল্লাহর আহাদ রূপের তৌহিদ জ্ঞান তাহাদের ভাগ্যে কখনও জুটিবনা, যতকাল বহুর মধ্যে একের প্রকাশ তাহারা সজ্ঞানে গ্রহণ না করিবে।আল্লাহ্‌র স্বরূপকে একক মনে না করিয়া তাঁহাকে এক মানিলেই তৌহিদ হয়না।তৌহিদ জ্ঞান অর্থাৎ অদ্বৈত জ্ঞান এত সহজ বিষয় নয়।

#এক নিরাকার আল্লাহ্‌ মানিলেই তৌহিদ জ্ঞান হইত তবে এদেশের "আহলে হাদিসগণ" সবাই মহা জ্ঞানের অধিকারী হইত। অথচ দেখা যায় ধর্ম জ্ঞানে তাহারা একেবারেই হীন পর্যায়ভুক্ত। তাহারা শক্ত দ্বৈতবাদী।

#স্রষ্টা ও সৃষ্টি বলিয়া আলাদা কিছু নাই। সকলই এক অখণ্ড অস্তিত্বের বিকাশ। দ্বৈতবাদ বা দ্বৈত অস্তিত্ব মিথ্যা হইলেও আপাত ভাবে ইহাকে স্বীকার করিয়া লইতে হয় সংকীর্ণ অবোধ মনের অবস্থার কারণে।শের্ক বলিতে কিছুই নাই। ইহা জিন এবং মনুষ্য মনের ভ্রান্ত একটি দ্বৈতবাদী ধারণা মাত্র। 'সৃষ্টি ও স্রষ্টা' এইরূপ দ্বৈত ভাব সকল অপরাধের মূল। সৃষ্টি এবং স্রষ্টাকে আলাদা করিয়া ভাবিলে বা দেখিলে তাহাকে দ্বৈত দৃষ্টি বলে। মন সেই অবস্থায় সৃষ্টির একজন অদৃশ্য স্রষ্টা কল্পনা করিয়া দুইয়ের স্বতন্ত্র অস্তিত্বের ধারণা গ্রহণ করে ইহাই মনের সকল শেরেকের মূল।

#মনের এই দ্বৈতভাবকে একাঙ্গীভূতকরণকেই তৌহিদ বলে দতৌহিদের স্বরূপকে আহাদ বলে।
তৌহিদ জ্ঞান পরিস্ফুট হইলে "আমি তুমি" বা "স্রষ্টা সৃষ্টি" আলাদা আর থাকে না। সালাত ব্যতীত এই জ্ঞান রাজ্যে যাওয়া যায়না। এই কারণেই কোরানে বলিয়াছেনঃ"তোমরা আল্লাহর জন্য (সালাতে) দাড়াও প্রথমত জোড়ায় জোড়ায় তারপর একা একা (৩৪:৪৬)

#ফারদানিয়াতের মঞ্জিলে অর্থাৎ মনের তৌহিদ মঞ্জিলে না পৌছা পর্যন্ত আপন গুরুকে ক্বেবলা করিয়া তাহাকে হাজির নাজির জানিয়া সালাত পালন করিতে হয়। গুরু ভজনের ফলশ্রুতি হিসাবে পরবর্তী পর্যায়ে গুরু নিজে সরিয়া যাইয়া শিষ্যকে "ফারদানিয়াতের" মঞ্জিলে একাকীত্বের মধ্যে তৌহিদ ভাবের চরম সত্য দৃষ্টি দান করেন।তখন শিষ্য নিতান্তই একাকী হইয়া যান। এখানে তাঁহার তৌহিদ। এখানে গুরু শিষ্য একাকার। #দ্বৈত ভাবের মধ্যে ধর্ম। ধর্মজগতেই মতভেদের গোলযোগ। ধর্মজগত মোমিনের নিয়ন্ত্রণে থাকিলে সমাজ জীবনে প্রকৃত শান্তি ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়। অদ্বৈতে কোন ধর্ম নাই আছে আহাদ অবস্থা, আছে তৌহিদ অবস্থা বা লা-অবস্থা।

#কোরান_বলিতেছেনঃ "হজ্জুল বাইতা" অর্থাৎ গৃহটির হজ্ব অর্থ অনু অনু করিয়া খুঁটিয়া খুঁটিয়া দেখা। আপন মানব দেহ ও মনকে অনু অনু করিয়া দেখা। বিশ্ব মানব দেহের প্রতীকী জাহেরি ঘর হইল কাবা ঘর।নফস দর্শন তথা আত্মদর্শনকে সালাত বলে।'নফস দর্শন'অর্থ অসারতা দর্শন, অনাত্মা দর্শন। সুতারাং সালাত এবং হজ্ব একই বিষয়ের দুইরূপ বা দুই পর্যায় মাত্র।

#হজ্ব আত্মদর্শনের তথা আত্মত্যাগের চরম পর্যায় এবং সালাত হইল উহার প্রাথমিক এবং মৌলিক পর্যায়। সালাত সংসার জীবনের মধ্যে থাকিয়া গৃহের সহায়ক পরিবেশের মধ্যে ধর্মসমূহের স্বরূপ দর্শন করা আর হজ্ব বিশ্ব নাগরিক হইয়া অসীম মহা প্রকৃতির মধ্যে গৃহহারা অবস্থায় আপন রূপ দর্শন করা।
#হজ্ব সমাপনের দ্বারা পরিপূর্ণ আত্মদর্শন লাভ করিয়া পরমের জ্ঞানে জ্ঞানী হইয়া মানব সেবায় আত্মনিয়োগ করার নাম কোরবানি। সুতারং সালাতের অনুশীলন ব্যতীত কোরবানি করা অসম্ভব। এইরূপ দেখা যায় সালাত কোরবানির চাবিকাঠি। কোরানের কোরবানি বুঝাইতে যে শব্দ ব্যবহার করা হইয়াছে তাহা হইল জবেহ। #জবেহ অর্থ পবিত্র করা, শুদ্ধ করা। জিন এবং ইনসান জাতির মস্তিষ্কের অপবিত্রতা এবং কলুষ-কালিমা ধোলাই করিয়া শুদ্ধ ও পবিত্র করিয়া তোলার জন্যই কোরবানি। সমাজ শুদ্ধির জন্য প্রতিটি সমাজের দুই একজনকে কোরবানি হইতে হইবে। নতুবা প্রকৃত সমাজ কল্যাণ সুদূর পরাহত।
______মহাপ্রঁভু মাওলা শাহ্‌ সূফী সদর উদ্দিন আহ্‌মদ চিশ্‌তী (আঃ)

03/10/2025

যাকাত: মানবীয় আমিত্বের উৎসর্গের নামই যাকাত৷

25/09/2025

কোরানের অর্থপ্রকাশ করিবার অধিকার, রাসুল এবং তাহার মনোনীত ব্যক্তি ব্যতীত আর কাহারও নাই। তাঁহারা ব্যতীত অন্যলোকে কোরানের দর্শন প্রকাশ করিলেই ভুল হইবে। রাসুল বংশীয় ১২ জন ইমাম হইলেন রাসুলের প্রতিনিধি এবং মানুষের মাওলা। যাহারা রাসুলাল্লাহ অথবা কোন একজন ইমাম হইতে শিক্ষাদীক্ষা লাভ করিয়াছেন, কোরানের অর্থ প্রকাশের অধিকার সত্যিকারভাবে কেবল তাহাদিগের জন্যই রক্ষিত রাখা উচিত ছিল। এই শ্রেণীর ব্যাখ্যাকারগণ ব্যাখ্যার বিস্তার অবশ্যই দান করিতে পারিবেন, কিন্তু ইমামগণের দ্বারা প্রকাশিত মূল ভিত্তির উপর তাহাদের ব্যাখ্যার বিস্তারকে আবদ্ধ রাখিত বাধ্য থাকিতে হইবে। ভিত্তি বদলাইয়া ব্যাখ্যা করিলে ভুল হইবে।
আফসোস, আমরা রাসুলের অথবা তাহার মনোনীত আলীর এবং তাহার বংশধরগণের ব্যাখ্যা প্রত্যাখ্যান করিয়াছি। শাসকবর্গের নির্দেশানুযায়ী আমরা সুন্নিগণ, পরবর্তী ইমামগণের প্রকাশিত ব্যাখ্যার বিরোধিতা করিয়াছি। তাঁহাদের দুশমন রাজশক্তি দ্বারা প্রণীত তফসির যাহা আমাদের উপর চাপাইয়া দেওয়া হইয়াছে,উহারই অনুসরণ করিয়া আজও চলিতেছি। ইহার ফলে মিথ্যা এমনইভাবে শিকড় গড়িয়াছে যে, সত্য উদ্ধার করা এখন একেবারেই কঠিন হইয়া রহিয়াছে। আলেম সমাজ প্রায় সবাই মিথ্যাকেই সত্য মনে করিয়া কোরানের আলেম সাজিয়া আছেন।
ধর্মদ্রোহী আব্বাসী রাজাগণ এই বিষয়ে সম্পূর্ণ সজাগ ছিলেন বলিয়াই তাহারা মোহাদ্দেস নিয়োগ করিয়া তাহাদের দ্বারা মিথ্যা হাদিস, রাসুলের নামে রচনা করাইয়া কোরানের বিশেষ বিশেষ অংশগুলির ব্যাখ্যা, রাজাদের মনমত ধারায় বানাইয়া লইয়াছেন এবং সেই ধারার উপর কোরানের তফসির সমাজে প্রতিষ্ঠিত করিয়া গিয়াছেন।
_____মাওলা শাহ্ সুফী সদর উদ্দিন আহমদ চিশতী (আঃ)।
গ্রন্থ মাওলার অভিষেক ও মতভেদের কারণ।

"নিজের মধ্যেই আল্লাহ্‌সত্তা বিদ্যমান কিন্ত বিষয়মোহ তাঁহাকে নিজের মধ্যে ঢাকিয়া রাখে। সুতরাং নিজের সঙ্গে বা নিজের মধ্যে আল...
24/04/2025

"নিজের মধ্যেই আল্লাহ্‌সত্তা বিদ্যমান কিন্ত বিষয়মোহ তাঁহাকে নিজের মধ্যে ঢাকিয়া রাখে। সুতরাং নিজের সঙ্গে বা নিজের মধ্যে আল্লাহ ব্যতীত অন্য সত্তার কর্মকাণ্ডের প্রশ্রয় দিলে উহাই #শেরেক। শেরেকের প্রভাবে নিজের মধ্যে আল্লাহ জাগ্রত হইয়া উঠিতে পারে না।" (তৃতীয় খণ্ড, সূরা রাদ, পৃ-৫২)
__ কোরান দর্শন - মাওলা সদর উদ্দিন আহ্‌মদ চিশতী (আ.)

Adresse

Mymensingh
Democratic Republic Of The

Téléphone

+8801941794790

Site Web

Notifications

Soyez le premier à savoir et laissez-nous vous envoyer un courriel lorsque Maolar Abhishek publie des nouvelles et des promotions. Votre adresse e-mail ne sera pas utilisée à d'autres fins, et vous pouvez vous désabonner à tout moment.

Contacter Le Lieu De Culte

Envoyer un message à Maolar Abhishek:

Partager