সমস্ত প্রশংসা মহান আল্লাহর জন্যই,
শান্তি বর্ষিত হোক নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর সঙ্গী সাথীদের প্রতি-সমস্ত মুমিন-মুসলিম জীবিত-মৃত,নর-নারীর প্রতি.....
আমাদের দেখা জেনারেজ শিক্ষিত তরুণ নির্ভীক-খতীব,বক্তা ও লেখক, যিনি শাইখ মতিউর রহমান মাদানী (হাফেজাহুল্লাহ)-র ছাত্র হিসেবেই পরিচয় দেন।।
মুম্বাই এ পিসটিভি বাংলায় তিনি ছিলেন বিগত ২০১১-১২ ইংরেজি সাল পর্যন্ত।
সেখানে শাইখ মতিউর রহমান
মাদানী-র কাছ থেকেই তিনি আক্বিদা ও মানহাজ শিক্ষা নেন,সেখানে শাইখ বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক বক্তব্যের ক্যাসেট,সিডি,ডিভিডি সহ ইসলামিক বই চর্চা করতে দেন,তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য 'জাদুর চিকিৎসা নামক একটি বই'-সে থেকেই প্রিয় 'আবু হাফিজা মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ' দ্বীন ইসলামের পথে চলা।
তিনি বলেন তার পূর্বে তিনি তাবলীগ জামাতের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন,তাবলীগে বিভিন্ন প্রশ্ন করে উত্তর না পাওয়ায়,পড়াশুনা স্টাডিজ শুরু করার সিদ্ধান্ত নেন,আর্থিকভাবে দরিদ্র হওয়ায়,ধৈর্য ধরে থাকতে হয়, ফল হিসেবে আমাদের পরিচিত মুখ আব্দুল কাইয়ুম ভায়ের সঙ্গে পিস লাইব্রেরীর সূচনা কালে সাক্ষাৎ হয়,আর পড়াশুনার চরম আগ্রহ।।
এক সময় প্রায় ১০২ খানা চটি বই শেষ করেন,শাহবাজপুর মাদ্রাসার একজন শিক্ষক তাঁর মসজিদে খুৎবা দিতে উঠান,তখন বয়স মাত্র খুব বেশি হতে ১২-১৩, সেই থেকে খুৎবা প্রদানের যাত্রা শুরু,তারও কিছুদিন আগে শাইখ আবু তাহের সালাফী ও ভাই আব্দুল কাইয়ুম ও মুক্তাদির-ইমাম মৌলবী আনেশুর রহমান ভাইএর অনুরোধে ধূলিয়ান কমাতে প্রকাশ্য বক্তব্য রাখেন প্রায় ১৩-মিনিট,সেই থেকে ধারা অব্যাহত রয়েছে আজও, ফালিল্লাহিল হামদ।।
তিনি জানান : তাঁর মাদ্রাসা শিক্ষা গ্রহন করার খুবই প্রচেষ্টা করেছেন,পারিবারিক অবহেলা, আর্থিক সংকট,সামাজিক ষড়যন্ত্র তা হয়ে উঠতে দেয়নি।।
এর পরেও আল্লাহর পাওয়া রহমতে,নিজ মায়ের পূর্ন সাপোর্ট ও দুআয় দ্বীন ইসলামের দাওয়াহ ও ইসলাহী কাজ চালিয়ে যান।।
তাঁর প্রচার পবিত্র কুরআন-সহীহ্ সুন্নাহ ভিত্তিক হওয়ার ফলে বেশিরভাগ কথা সমাজ বিরোধী হয়ে যেত,সেই সূত্রেই তাবলীগীদের ছেলেদের হাতে মার খেতে হয় তাকে।।
তাতেও পথচলা থামেনি,আস্তে থাকে বিভিন্ন প্রানের হুমকি,চলতে থাকে অমানবিক নির্যাতন, এক পর্যায়ে তাকে মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়, হানি করা হয় মান সম্মান,এক ষড়যন্ত্র কারী ইমামের জালে পরে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌছিয়ে যান তিনি,অতঃপর এক পর্যায়ে দ্বীন ইসলাম থেকে অনেক পিছিয়ে পড়েন।।
পরিশেষে তার মা-(রহঃ) ভেঙে পড়েন ছেলের শোকে,অসুস্থ হয়ে পড়েন তাঁর মা-কান্নাকাটি করে আল্লাহর কাছে দুআ করেন দীর্ঘ কয়েকমাস,তাঁর জাদুর চিকিৎসা করা হয়।।
পরিশেষে তাঁর মা রহঃ ফিরিয়ে পেলেন নিজ সন্তান আবু হাফিজা মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ কে আরও সম্মানিত করে।
তার পর থেকে মহান আল্লাহর রহমতে,তার মায়ের নেই দুআর বদৌলতে তিনি ধর্মীয় পথে আরও এগিয়ে যান।।
এর তিনি কাজ করতেন জমিয়তে আহলে হাদীস সংগঠনের সাথে বিভিন্ন ব্যাক্তিগত কারণে তিনি সংগঠন ছেড়ে চলে আসেন-কিন্তু কাজ চালিয়ে যান জমিয়তে আহলে হাদীস এর সঙ্গে তাল মিলিয়ে Ail-Dawah Center এর মাধ্যমে পবিত্র কুরআন ও সহীহ্ সুন্নাহর বিশুদ্ধ বাণী প্রচার।।
তবে তিনি বলেন তাঁর জীবনে দ্বীনের অবদান রয়েছে নিজ মায়ের (রহঃ)-সাপোর্ট ও নেক দুআ,দ্বীনি ভাই আব্দুল কাইয়ুম এর সাহায্য ও শাইখ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ হাফেজাহুল্লাহর বক্তব্যের বিশাল প্রভাব,শাইখ আনওয়ারুল হক ফাইজী ও জালালুদ্দিন কাসেমি (হাফেজাহুল্লাহ)-র উৎসাহ এবং শাইখ আবু তাহের সালাফি (হাফেজাহুল্লাহ)-র মাসলা মাসায়েল পূর্ন সাহায্য।।
এই ভাবেই জীবন যাত্রা চলতে চলতে এক পর্যায়ে তাঁর মা' দুনিয়া ছেড়ে চলে যান।