Guthia Mosque Barisal - গুঠিয়া মসজিদ, উজিরপুর, বরিশাল

  • Home
  • Bangladesh
  • Uzirpur
  • Guthia Mosque Barisal - গুঠিয়া মসজিদ, উজিরপুর, বরিশাল

Guthia Mosque Barisal - গুঠিয়া মসজিদ, উজিরপুর, বরিশাল The Baitul Aman Jame Masjid Complex, commonly known as Guthia Mosque of Barisal founded by Mr. Sharuddin Ahmed Shantu a businessman. The mosque faces a big lake.
(362)

বরিশাল শহর থেকে ২২ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে বানারীপাড়া সড়কসংলগ্ন উজিরপুর উপজেলায় এই গুঠিয়া গ্রামের অবস্থান। বরিশাল-বানারীপাড়া সড়ক ধরে এগুলেই উজিরপুর উপজেলা। সড়কের পাশে গুঠিয়ার চাংগুরিয়া গ্রাম। এ গ্রামেই আছে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের বৃহৎ গুঠিয়া মসজিদ। ২০০৩ সালের ১৬ ডিসেম্বর উজিরপুরের গুঠিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা শিক্ষানুরাগী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এস. সরফুদ্দিন আহম্মেদ সান্টু চাংগুরিয়ার নিজ বাড

়ির সামনে প্রায় ১৪ একর জমির উপর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনের মধ্য দিয়ে ব্যক্তিগতভাবে গুঠিয়া বাইতুল আমান জামে মসজিদ-ঈদগাহ্ কমপ্লেক্স এর নির্মাণ কার্যক্রম শুরু করেন। ৩ বছর মেয়াদের মধ্যে উক্ত নির্মাণকাজ বাস্তবায়নের দায়িত্বে ছিলেন এস. সরফুদ্দিনের ছোট ভাই মোঃ আমিনুল ইসলাম নিপু। তিনি ২০০৬ সালে উক্ত জামে মসজিদ-ঈদগাহ্ কমপ্লেক্সের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করেন। তার নির্মাণাধীন সময়কালের মধ্যে তিনি একটি বৃহৎ মসজিদ-মিনার, ২০ হাজার অধিক ধারণক্ষমতা সম্পন্ন ঈদগাহ্ ময়দান, এতিমখানা, একটি ডাকবাংলো নির্মাণ, গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থা, লেক-পুকুর খনন কাজ সহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপন-ফুল বাগান তৈরি ও লাইটিং ব্যবস্থা সম্পন্ন করেন। ওই নির্মাণ কাজে প্রায় ২ লাখ ১০ হাজার নির্মাণ শ্রমিক কাজ করেছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায়। পরে গুঠিয়ার নামেই মসজিদটি পরিচিতি লাভ করে। চাংগুরিয়া গ্রামের ব্যবসায়ী এস সরফুদ্দিন আহমেদ এটির নির্মাণ ব্যয় বহন করেন। কমপ্লেক্সের মূল প্রবেশপথের ডানে বড় পুকুর। পুকুরের পশ্চিম দিকে মসজিদ। মসজিদ লাগোয়া মিনারটির উচ্চতা ১৯৩ ফুট।

মসজিদের স্তম্ভটি বিশ্বের বিভিন্ন পবিত্র স্থানের মাটি ও জমজম এর পানি দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। যেসব স্থান থেকে মাটি সংগৃহীত হয়েছে সেগুলো হলো কাবা শরীফ, আরাফাহ এর ময়দান, মুযদালিফাহ, ময়দানে মিনা, জাবালে নূর পাহাড়, জাবালে সূর পাহাড়, জাবালে রহমত পাহাড়, নবীজীর জন্মস্থান, মা হাওয়া এর কবরস্থান, মসজিদে রহমত, মসজিদ এ কু’বা, ওহুদের যুদ্ধের ময়দান, হযরত হামজা (রাঃ) এর মাজার, মসজিদে আল কিবলাতাইন, মসজিদে হযরত আবু বক্কর (রাঃ), জান্নাতুল বাকী, মসজিদে নববী, জুলহুলাইফা-মিকাত, বড় পীর হযরত আব্দুল কাদের জিলানী (রহঃ) এর হাতের লেখা তাবিজ ও মাজারে পাওয়া দুটি পয়সা এবং হযরত খাজা মঈনুদ্দীন চিশতী (রহঃ) এর মাজারের মাটি।


In the world, most of the people like to go many historical and beautiful place. In the recent time, "Baitul Aman Jame Masjid & Idgah Complex", popularly known as "Guthia Masjid", a new grand mosque that may impress a tourist. Indeed, Guthia Masjid and the adjuncts to its complex will keep you captivated if you ever visit the spot. Located in Uzirpur Upazilla, which is only a 40-minute drive from Barisal town, the mosque is perhaps the best tourist attraction in Barisal from the architectural point of view. Everyday about 200 visitors -- and not less than 1,000 every Friday -- visit the complex not only to pray inside the palatial mosque but also to stroll around the adjacent compound of 14 acres of landscape. The mosque having 7,000 square feet floor area can accommodate up to 1,500 Muslim devotees at a time for any prayer. A beautifully designed flight of stairs, reinforced embankment with squares of tiles on the western side of the lake, open lounge around the lake with concrete benches, and other architectural features are enlaced by shading trees and conifers to offer a visitor a serene respite from the suffocating heat on a summer day. Mr. S. Sharfuddin Ahmed Shantu, aged 65, reportedly a businessman in export-import trades, had spent more than Taka 100 million (10 crore) from his personal fund and took almost three years to build the complex and made it open for public use in 2006. So, you can go there and can enjoy your visiting time very much. If you want to get more information then go there and share it.

26/12/2025

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

“যে ব্যক্তি জুম্মার দিনে গোসল করে, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মসজিদে যায়, ইমামের খুতবা নীরবে মনোযোগসহ শোনে—তার জন্য এক জুম্মা থেকে আরেক জুম্মা পর্যন্ত এবং অতিরিক্ত তিন দিনের গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়।”

সহিহ মুসলিম: ৮৫৭

11/07/2025
22/08/2024

দেশের এই সঙ্কট মুহূর্তে দোকানি ও ব্যবসায়ী দের কে অনুরোধ দয়া করে খাবার স্যালাইন, ঔষুধ, শুকনা খাবার সহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস অতি মুনাফার লোভে মজুত বা বেশি দাম এ বিক্রি করবেন না । আসুন সবাই যার যার জায়গা থেকে সহায়তায় এগিয়ে আসি ।

লাইলাতুল ক্বদর বা শবে ক্বদর। রমজানের শেষ দশকের একটি রাত। যে রাতের মর্যাদা ঘোষণায় বলা হয়েছে যে, হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ।...
31/03/2024

লাইলাতুল ক্বদর বা শবে ক্বদর। রমজানের শেষ দশকের একটি রাত। যে রাতের মর্যাদা ঘোষণায় বলা হয়েছে যে, হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ। যে কেউ এ রাতে একটি আমল করবে তা হাজার মাসের আমল হিসেবে পরিগণিত হবে।

শবে ক্বদর নিয়ে আমাদের একটি ভুল ধারণা ২৭ শে রমজানের রাতে আমরা শবে ক্বদরের রাত হিসেবে অনেক নফল ইবাদত করে থাকি। অথচ হাদিসে দেখুন নবীজি ﷺ বলেছেন
রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতে লাইলাতুল কদর অনুসন্ধান করতে।

সেই প্রেক্ষিতে মুসলিম উম্মাহর উচিত, রমজানের শেষ দশকের ২১, ২৩, ২৫, ২৭ ও ২৯ তারিখ রাতে লাইলাতুল কদর তালাশ করা। অর্থাৎ ২০,২২,২৪,২৬,২৮ এই দিনগুলোর রমজানের রাতে নফল ইবাদত করবেন। এই রাতগুলোতে কষ্ট হলে ও জেগে থেকে ইবাদত বাড়িয়ে করার চেষ্টা করুন। ইনশাআল্লাহ এর মাঝে ক্বদরের রাত পেয়ে যাবেন। যদি শেষ দশটি দিনই কোমড় বেঁধে লেগে যান তাহলে আরও ভালো।

এই রাতে কি কি ইবাদত করবেন বা কি আমল করা যায়ঃ-
১) কুরআন তিলাওয়াত করাঃ আপনার সাধ্য অনুযায়ী যতটুকু তিলাওয়াত করতে পারেন।

২) নফল নামাযঃ নফল নামায আদায় করুন। আপনার সাধ্য অনুযায়ী।

৩) ইস্তেগফার ও দরুদপাঠঃ বেশি বেশি ইস্তেগফার ও দরুদপাঠ করুন। দরুদে ইব্রাহীম না হয় ছোট কোন দরুদ পাঠ করুন।

৪) যিকির করাঃ যিকিরগুলো সম্পর্কে আমরা অনেকে অবগত। তাই যিকিরগুলো আপনার সাধ্য অনুযায়ী করুন।

৫) দু'আ করাঃ দু'আ কবুলের একটি বিশেষ রাত। হৃদয় উজার করে আপনার রবের কাছে যা চাওয়ার (অবশ্যই বৈধ চাওয়া) চেয়ে নিন। দু'আয় সকল মুসলিম উম্মাহ ভাই বোন মাযলুম ভাই বোনদের স্মরণ করতে ভুলবেন না।

সেই সাথে অল্প হলেও সাদকার করুন, দৈনিন্দন আমলগুলো ও করতে ভুলবেন না।

লাইলাতুল ক্বদরের রাতটিকে চিনবেন কি করে? এই রাতটি চেনার কিছু আলামত হাদীসে পাওয়া যায়। তা নিন্মরুপঃ

(১) রাতটি গভীর অন্ধকারে ছেয়ে যাবে না।
(২) নাতিশীতোষ্ণ হবে। অর্থাৎ গরম বা শীতের তীব্রতা থাকবে না।
(৩) মৃদুমন্দ বাতাস প্রবাহিত হতে থাকবে।
(৪) সে রাতে ইবাদত করে মানুষ অপেক্ষাকৃত অধিক তৃপ্তিবোধ করবে।
(৫) কোন ঈমানদার ব্যক্তিকে আল্লাহ স্বপ্নে হয়তো তা জানিয়েও দিতে পারেন।
(৬) ঐ রাতে বৃষ্টি বর্ষণ হতে পারে।
(৭) সকালে হালকা আলোকরশ্মিসহ সূর্যোদয় হবে। যা হবে পূর্ণিমার চাঁদের মত।
[সহীহ ইবনু খুযাইমাহঃ ২১৯০, সহীহ বুখারীঃ ২০২১, সহীহ মুসলিমঃ ৭৬২]

শবে ক্বদরের দু'আঃ-
উম্মুল মুমিনীন আয়িশাহ (রদ্বিয়াল্লাহু আনহা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ ﷺ , আমি যদি জানতে পারি যে, কোন রাতটি লাইলাতুল ক্বদর তাহলে তখন কোন দুআ করবো? তখন তিনি বললেন, তুমি বলবেঃ

اللَّهُمَّ إِنَّكَ عُفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي

অর্থঃ “হে আল্লাহ, তুমি ক্ষমাশীল, ক্ষমা করতে তুমি ভালোবাসো, সুতরাং আমাকে ক্ষমা করে দাও।”

সুনানে তিরমিযী, হাঃ ৩৭৬০ ; সুনানে ইবন মাজাহ, হাঃ ৩৬৫০। হাদীসটি সহীহ।
এই দু'আটি বেশি বেশি পড়বেন।

এই শেষ দশটি দিনের অর্জন যাতে আমাদের জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জন যেন হয়।

লেখা: সংগৃহীত

আবদুল্লাহ ইবনু ইউসুফ (রহঃ) ..... বুসর ইবনু সা’ঈদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, যায়েদ ইবনু খালিদ (রাঃ) তাঁকে আবূ জুহায়ম (রাঃ) এর ...
24/03/2024

আবদুল্লাহ ইবনু ইউসুফ (রহঃ) ..... বুসর ইবনু সা’ঈদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, যায়েদ ইবনু খালিদ (রাঃ) তাঁকে আবূ জুহায়ম (রাঃ) এর কাছে পাঠালেন, যেন তিনি তাঁকে জিজ্ঞাসা করেন যে, মুসল্লীর সামনে দিয়ে অতিক্রমকারী সম্পর্কে তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে কি শুনেছেন।

তখন আবূ জুহায়ম (রাঃ) বললেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ

"যদি মুসল্লীর সামনে অতিক্রমকারী জানতো এটা তার কত বড় অপরাধ, তাহলে সে মুসল্লীর সামনে দিয়ে অতিক্রম করার চাইতে চল্লিশ দিন/মাস/বছর দাঁড়িয়ে থাকা উত্তম মনে করতো। আবূন-নাযর (রহঃ) বলেনঃ আমার জানানেই তিনি কি চল্লিশ দিন বা চল্লিশ মাস বা চল্লিশ বছর বলেছেন।"

🆂🅰🅷🅸🅷 🅱🆄🅺🅷🅰🆁🅸 - 𝐂𝐡𝐚𝐩𝐭𝐞𝐫 𝟖/𝟓𝟏𝟎

ঐতিহাসিক মসজিদে জুমা। যেখানে হজরত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আদায় করেছিলেন সর্বপ্রথম জুমার নামাজ। মসজিদট...
26/12/2023

ঐতিহাসিক মসজিদে জুমা। যেখানে হজরত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আদায় করেছিলেন সর্বপ্রথম জুমার নামাজ। মসজিদটি মদিনায় অবস্থিত।

নবী করিম (সা.) কুবা থেকে যেদিন মদিনার উদ্দেশে রওয়ানা হন, সেদিন ছিলো- জুমাবার। নবী করিম (সা.) মদিনার পথে কিছুদূর যাওয়ার পর বনি সালেম বিন আউফ মহল্লায় পৌঁছলে জোহরের ওয়াক্ত হয়, তখন তিনি সেখানে সাহাবাদের সঙ্গে নিয়ে জুমার নামাজ আদায় করেন। যাতে ১০০ জন মুসল্লি শরিক হন। এটাই ইতিহাসের প্রথম জুমার নামাজ।

পরবর্তীতে সেখানে একটি মসজিদ নির্মাণ করা হয় এবং তার নাম রাখা হয় মসজিদে জুমা। নবী করিম (সা.)-এর স্মৃতিধন্য এই মসজিদের আরেক নাম হলো- ‘মসজিদে আতিকা।’ মসজিদটি কুবা মসজি থেকে ৯০০ মিটার উত্তরে এবং মসজিদে নববীর ৬ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত।

হিজরতের সময় মদিনার পথে বনি সালেম গোত্রে আদায় করা জুমাই ইসলামের ইতিহাসে প্রথম জুমা। এই জুমায় নবী করিম (সা.) বেশ লম্বা খুৎবা দেন। এটাই ছিল ইসলামের ইতিহাসে সর্বপ্রথম জুমা ও সর্বপ্রথম জুমার খুৎবা।

মসজিদটি সর্বপ্রথম পাথুরে শিলা দ্বারা নির্মাণ করা হয়। পরে বেশ কয়েকবার সংস্কার করা হয়। সংস্কারের পূর্বে মসজিদটির দৈর্ঘ্য ছিল ৮ মিটার, প্রস্থে সাড়ে চার মিটার এবং লম্বায় ৫.৫ মিটার। এবং একমাত্র গম্বুজটি ছিল লাল ইট দ্বারা নির্মিত। পূর্ব অংশের সাথে ৮ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ৬ মিটার প্রস্থসহ একটি উঠান ছিল।

মসজিদের দ্বিতীয় সংস্কার উমাইয়া খলিফা দ্বিতীয় উমর। তৃতীয়বার সংস্কার করা হয় আব্বাসীয় খিলাফতের সময়ে ৭৩৪ থেকে ৭৪৮ সালের মধ্যে। চতুর্থ সংস্কার করেন চৌদ্দ শতকের সময় সায়ামসুদ্দিন কাওয়ান।

উসমানীয় সাম্রাজ্যের সময়ও একবার মসজিদটি সংস্কার করা হয়। এর নেতৃত্ব দেন সুলতান বায়েজিদ। আর ঊনিশ শতকের মাঝামাঝি সংস্কার করেন সাইয়্যেদ হাসান আসি সিয়ারবাটলি।

সর্বশেষ ১৯৮৮ সালে বাদশাহ ফাহাদ বিন আবদুল আজিজের নেতৃত্বে সৌদি সরকারের আওকাফ মন্ত্রণালয়ের পুরাতন মসজিদ ভেঙে নতুন নকশায় মসজিদটি নির্মাণ করেন।

নতুন নির্মাণে ইমাম এবং মোয়াজ্জিনের থাকার বাসভবন, একটি গ্রন্থাগার, একটি হিফজুল কোরআন মাদরাসা, নারীদের আলাদা নামাজের জায়গা এবং প্রয়োজনীয় বাথরুম ও অজুর ব্যবস্থা করা হয়।

মসজিদটিতে একসঙ্গে ৬৫০ জন মুসল্লি নামাজ আদায়া করতে পারেন। একটি উঁচু মিনার ও একটি প্রধান গম্বুজ এবং চারটি ছোট গম্বুজ নিয়ে নির্মিত মসজিদটি ১৯৯১ সালে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।

10/04/2023

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত,

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সিয়াম ঢাল স্বরূপ। সুতরাং অশ্লীলতা করবে না এবং মুর্খের মত কাজ করবে না। যদি কেউ তাঁর সাথে ঝগড়া করতে চায়, তাঁকে গালি দেয়, তবে সে যেন দুই বার বলে, আমি সাওম (রোযা/রোজা/সিয়াম/ছিয়াম) পালন করছি। ঐ সত্তার শপথ, যার হাতে আমার প্রাণ, অবশ্যই সাওম পালনকারীর মুখের গন্ধ আল্লাহর নিকট মিসকের গন্ধের চাইতেও উৎকৃষ্ট, সে আমার জন্য আহার, পান ও কামাচার পরিত্যাগ করে। সিয়াম আমারই জন্য। তাই এর পুরষ্কার আমি নিজেই দান করব। আর প্রত্যেক নেক কাজের বিনিময় দশ গুন।

- Sahih al-Bukhari 1894

যেমন ছিলেন প্রিয় নবী মুহাম্মাদ (সা.)১| তিনি দীর্ঘ সময় নীরব থাকতেন। ২| তিনি কম হাসতেন। ৩| তিনি মুচকি হাসতেন, হাসি ওনার ঠো...
11/05/2022

যেমন ছিলেন প্রিয় নবী মুহাম্মাদ (সা.)

১| তিনি দীর্ঘ সময় নীরব থাকতেন।
২| তিনি কম হাসতেন।
৩| তিনি মুচকি হাসতেন, হাসি ওনার ঠোঁটে লেগে থাকতো।
৪| তিনি অট্টহাসি হাসতেন না।
৫| তিনি তাহাজ্জুদ নামাজ ত্যাগ করতেন না।
৬| তিনি দৈনিক শতবার ক্ষমা প্রার্থনা করতেন।
৭| তিনি কখনোই প্রতিশোধ নিতেন না।
৮| তিনি যুদ্ধক্ষেত্র ছাড়া কাউকেই আঘাত করেননি।
৯| তিনি বিপদে পড়লে তাৎক্ষনিক নামাজে দাঁড়িয়ে পড়তেন।
১০| তিনি অসুস্থ হলে বসে নামাজ পড়তেন।
১১| তিনি শিশুদের সালাম দিতেন।
১২| তিনি সমাবেত মহিলাদের সালাম দিতেন।
১৩| তিনি শিশুদের পরম স্নেহ করতেন।
১৪| তিনি পরিবারের সদস্যদের সাথে কোমল আচরণ করতেন।
১৫| তিনি সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখতেন।
১৬| তিনি ঘুম থেকে জেগে মেসওয়াক করতেন।
১৭| তিনি মিথ্যাকে সার্বাধিক ঘৃণা করতেন।
১৮| তিনি উপহার গ্রহণ করতেন।
১৯| তিনি সাদকাহ (দান) করতেন।
২০| তিনি সব সময় আল্লাহকে স্মরণ করতেন।
২১| তিনি আল্লাহকে সব সময় ভয় করতেন
২২| হাতে যা আসতো তা আল্লাহর রাস্তায় দান করে দিতেন।
২৩| কেউ কথা বলতে বসলে সে ব্যক্তি উঠা না পর্যন্ত তিনি উঠতেন না।
২৪| বিনা প্রয়োজনে কথা বলতেন না।
২৫| কথা বলার সময় সুস্পষ্টভাবে বলতেন যাতে শ্রবণকারী সহজেই বুঝে নিতে পারে।
২৬| কথা, কাজ ও লেন-দেনে কঠোরতা অবলম্বন করতেন না।
২৭| নম্রতাকে পছন্দ করতেন।
২৮| তাঁর নিকট আগত ব্যক্তিদের অবহেলা করতেন না।
২৯| কারো সাথে বিঘ্নতা সৃষ্টি করতেন না।
৩০| শরীয়তবিরোধী কথা হলে তা থেকে বিরত থাকতেন বা সেখান থেকে উঠে যেতেন।
৩১| আল্লাহ তায়ালার প্রতিটি নিয়ামতকে কদর করতেন।
৩২| খাদ্যদ্রব্যের দোষ ধরতেন না। মন চাইলে খেতেন না হয় বাদ দিতেন।
৩৩| ক্ষমাকে পছন্দ করতেন।
৩৪| সর্বদা ধৈর্য্য ধারণ করতেন।

রাসুল (সা.) এর গুণাবলি বর্ণনা করে শেষ করা যাবে না। আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে নবী (সা.) এর চরিত্রে চরিত্রবান হওয়ার তাওফীক দান করুন।

হযরত ইবনে সা’দ (রা:) বণনা করেছেন –রাসুলুল্লাহ (সাঃ)ইরশাদ করেছেন – যে-ব্যক্তি কোন আত্নীয় – অনাত্নীয় ইয়াতিম-দের ভরণ-পোষন দ...
23/04/2022

হযরত ইবনে সা’দ (রা:) বণনা করেছেন –রাসুলুল্লাহ (সাঃ)ইরশাদ করেছেন – যে-ব্যক্তি কোন আত্নীয় – অনাত্নীয় ইয়াতিম-দের ভরণ-পোষন দেয়, সে ও আমি জান্নাতে ঠিক-এভাবে থাকবো । এই-কথা বলে তিনি তজনি ও মধ্যমা আঙ্গুল ২ টি পাশা-পাশি রেখে দেখান এবং ২টি-আঙ্গুলের মধ্যে সামান্য ফাক রাখেন । সহীহ- বুখারী ।

পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ পাক এরশাদ করেন – এই সদকা (যাকাত ) গুলো-তো আসলে ফকির (অভাবী), মিসকিন ( নিঃস্ব ) দের জন্য [আত-তাওবা-৬০]

17/04/2021

★.
যেদিন আল্লাহর সঙ্গে মিলিত হবে; সেদিন তাদের অভিবাদন হবে সালাম। তিনি তাদের জন্য সম্মানজনক পুরস্কার প্রস্তুত রেখেছেন।’
ডূরা আহজাবঃ ৪৪.
★.

Address

Uzirpur, Barishal
Uzirpur
8220

Opening Hours

Monday 05:00 - 21:30
Tuesday 05:00 - 21:30
Wednesday 05:00 - 21:30
Thursday 05:00 - 21:30
Friday 05:00 - 21:30
Saturday 05:00 - 21:30
Sunday 05:00 - 21:30

Telephone

+6531637196

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Guthia Mosque Barisal - গুঠিয়া মসজিদ, উজিরপুর, বরিশাল posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Guthia Mosque Barisal - গুঠিয়া মসজিদ, উজিরপুর, বরিশাল:

Share

Category