আহলে বায়েত

আহলে বায়েত Ahlee Bayat, the leaders of Muslims after the prophet Muhammad (SA).

31/01/2024

“The sooner you step away from your comfort zone you’ll realize that it really wasn’t all that comfortable.” — Eddie Harris, Jr.

24/01/2024

হিজরা বা তৃতীয় লিংগ বলাটাই একটা অন্যায়, হয় সে পুরুষ নয়তো নারী

তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের নিয়ে ইসলামে যা বলা হয়েছে -
তৃতীয় লিঙ্গের মানুষেরা আল্লাহ তায়ালার সৃষ্টির সেরা জীবের মধ্যে অন্তর্ভূক্ত। মূলত নারী-পুরুষের বাইরে আল্লাহর সৃষ্টি আরেকটি লিঙ্গ বৈচিত্রের মানবধারা এই তৃতীয় লিঙ্গের লোকজন।

আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআন মাজিদে বলেন, তিনি (আল্লাহ) মাতৃগর্ভে তোমাদেরকে যেমন ইচ্ছা তেমন রূপ দেন... (আল ইমরান-৬)।

তাই তাদের অবহেলা করার কোনও সুযোগ নেই ইসলামে। বাংলাদেশের সমাজে তাদের হিজড়া বলার প্রচলন রয়েছে।

বাংলা একাডেমীর সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধান বলছে, ‘হিজড়া’ শব্দটি হিন্দি ভাষা থেকে এসেছে। হিজড়া বিষয়ক একজন গবেষক বলেন, হিজড়া শব্দটি এসেছে ফার্সি থেকে। ফার্সি ভাষায় হিজড়া অর্থ হল ‘সম্মানিত ব্যক্তি’।

সৃষ্টিগতভাবে সব মানুষই নিখুঁত নয়। কারো হাত নেই, কারো পা নেই, কেউ চোখে কম দেখে, কেউ কানে কম শোনে, কেউ কথা বলতে পারে না, কারো বুদ্ধি কম, তবু এরা সবাই এক আল্লাহর সৃষ্টি।

ইসলাম হিজড়াদেরকে গুরুত্বহীন মনে করে না বিধায় ইসলামী শরীয়ত মিরাছ তথা সম্পদ বন্টনের ক্ষেত্রে তাদের জন্য পরিস্কার নীতিমালা প্রণয়ন করেছে।

ইসলামী শরীয়া অনুযায়ী হিজড়া সন্তান তারা মা- বাবার সম্পত্তির ভাগ পাবে। এবং উত্তরাধিকার সম্পদে তারা নারী হিসেবে পাবে নাকি পুরুষ হিসেবে পাবে সেটা ইসলামী শরীয়াত নিশ্চিত করেছে।যে হিজড়া নারী বা পুরুষ প্রকৃতির সে নারী বা পুরুষের মানদণ্ডে উত্তরাধিকার সম্পদ পাবে। আর যে নারী নাকি পুরুষ এর কোনটিই চিহ্নিত করা যায়না সে তার প্রসাবের পথের অবস্থা অনুযায়ী ভাগ পাবে। (সূত্র সুনানে বায়হাকী, হাদিস নং ১২৯৪)।

ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতে হিজড়া বা তৃতীয় লিঙ্গের মানুষরাও মুকাল্লাফ বা আল্লাহর বিধান পরিপালনে আদিষ্ট। সাধারণ মানুষের মতো তাদেরও নামাজ, রোজা, হজ ও জাকাত আদায় করতে হবে। এ জন্য পরকালে তাদের জবাবদিহি করতে হবে। যার ভেতর নারীর স্বভাব ও বৈশিষ্ট্য প্রবল সে নারী হিসেবে এবং যার ভেতর পুরুষের স্বভাব ও বৈশিষ্ট্য প্রবল, সে পুরুষ হিসেবে ইসলামের বিধান মান্য করবে। আর যার মধ্যে কোনো বৈশিষ্ট্যই প্রবল নয়, সে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নারী বা পুরুষ হিসেবে ইসলামের বিধান মান্য করবে। (বিস্তারিত দেখুন ইসলামকিউএডটইনফো, ফাতাওয়া : ২২১৯১৯ ও ২১৮১০৮)

ইসলামি স্কলাররা মত দিয়েছেন, হিজড়াদের অবহেলা করা যাবে না। তাদের গালি দেওয়া যাবে না। তাদেরকে নিয়ে উপহাস করা যাবে না। তারা সম্পত্তির উত্তরাধিকার লাভ করবে। তাদের ওপর ইসলামের বিধান কার্যকর হবে। যার মধ্যে মেয়েলি ভাব বেশি তার ওপর নারীদের বিধান এবং যার মধ্যে পুরুষের স্বভাব বেশি বিদ্যমান, তার ওপর পুরুষদের বিধান কার্যকর হবে।


24/12/2023

মাওলা আলী (আঃ) বলেন:
আমিরুল মোমেনিন তাঁর পুত্র হাসানকে বলেছিলেন, “হে পুত্র, তোমার পরে এ পৃথিবীতে কোন কিছু জমিয়ে রেখে যেয়ো না। কারণ তোমার জমানো জিনিস দুধরনের লোক ভোগ করতে পারে

(১) আল্লাহকে মান্যকারী কেউ তা ভোগ করতে পারে এবং তাতে ধার্মিকতা অজর্ন করতে পারে, যদিও সম্পদ তোমার জন্য মন্দ ছিল; অথবা
(২) আল্লাহকে অমান্যকারী কেউ তা ভোগ করতে পারে; সেক্ষেত্রে পাপ অর্জন করবে এবং তুমি তাতে সহায়তা করেছে বলে ধরা হবে। সুতরাং আল্লাহর রেজেক কামনা কর।”

সুত্রঃ নাহাজ আল বালাঘা। উক্তি, উপদেশ নং-৪২৫।

সকলের সচেতনতাই পারে এই সকল প্রতারক চক্রকে রুখে দিতে।
07/12/2023

সকলের সচেতনতাই পারে এই সকল প্রতারক চক্রকে রুখে দিতে।






07/10/2023

আল-বিরুনি: ভুলে যাওয়া প্রতিভা যিনি পৃথিবীকে পরিমাপ করেছিলেন
আল-বিরুনি (প্রায় 1,000 বছর আগে) আজকের স্বীকৃত মানের তুলনায় 99.7% নির্ভুলতার সাথে পৃথিবীর🌍 পরিধি পরিমাপ📏📐 করেছিলেন।
আল-বিরুনি ছিলেন একজন পারস্য পলিম্যাথ যিনি ৯৭৩ থেকে ১০৪৮ সাল পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন। তিনি জ্যোতির্বিজ্ঞান, গণিত, ভূগোল, পদার্থবিজ্ঞান এবং ইতিহাস সহ অনেক ক্ষেত্রের পণ্ডিত ছিলেন।
১০৩০ সালে আল-বিরুনি পৃথিবীর পরিধি পরিমাপের জন্য ত্রিকোণমিতি ব্যবহার করেন। তার অনুমান ছিল 6339.6 কিলোমিটার, যা 6378.1 কিলোমিটারের আধুনিক স্বীকৃত মূল্যের 0.3% এর মধ্যে।
আল-বিরুনির পদ্ধতিটি এই নীতির উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল যে পৃথিবীর বক্রতার কারণে দিগন্তটি সমুদ্রপৃষ্ঠের চেয়ে পাহাড়ের চূড়া থেকে নীচে প্রদর্শিত হয়। তিনি দিগন্ত এবং একটি প্লাম্ব লাইনের মধ্যবর্তী কোণটি দুটি ভিন্ন স্থানে পরিমাপ করেছিলেন এবং এই তথ্যটি পৃথিবীর ব্যাসার্ধ গণনা করতে ব্যবহার করেছিলেন।
আল-বিরুনির পৃথিবীর পরিধি পরিমাপ ছিল তার সময়ের অন্যতম সঠিক পরিমাপ।

24/09/2023

🌹আঁশবিহীন মাছ খাওয়া কেন জায়েজ না?🌹

ভাত ও মাছ আমাদের প্রধান খাদ্য। আমরা মাছে ভাতে বাঙ্গালি। মাছ খুবই সুস্বাদু। আমিষ,তেল, ভিটামিন ও খনিজ লবণের একটি গুরুত্বপূর্ন উৎস হচ্ছে মাছ। মাছের প্রায় ২০ শতাংশই আমিষ। প্রথম শ্রেণীর আমিষ । এতে অত্যাবশকীও অ্যামাইনো এসিডের সবগুলোই উপস্থিত । মাছের আমিষের সবটুকুই হজম হয় ,প্রায় ৮৫-৯৫ ভাগ । আমিষ আমাদের শরীর গঠন, শরীরের ক্ষয় পূরণ এবং রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে ।
মাছে আমিষের পরিমাণ বেশি , আর তেল তুলনামুলকভাবে কম । আবার তেল যা আছে তার বেশিরভাগই পলি আন্স্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিড, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয় । বরং উপকারি । তবে কিছু মাছ রয়েছে যার উপকারিতার চেয়ে অপকারিতায় বেশি। আসুন জেনে নেই কেন শিয়ারা আঁশ বিহিন মাছ খায় না?

✳১- বার ইমামীয়া শীয়াদের পবিত্র বারজন ইমাম (আঃ) গনের পরিস্কার নির্দেশ আছে যে, আঁশবিহীন মাছ সম্পূর্নরুপে পরিহার করতে হবে। কিছুতেই আঁশবিহীন যে কোন মাছ খাওয়া একদম চলবে না ।
যেহেতু পবিত্র ইমাম (আঃ) গনের সুস্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা রয়েছে সেহেতু বার ইমামীয়া শীয়াগন আঁশবিহীন যে কোন মাছ সম্পূর্নরুপে পরিহার করে থাকেন ।
পঞ্চম ইমাম মোহাম্মাদ বাকের (আঃ) বলেন যে ,
” — আঁশওয়ালা যে কোন মাছ খাও এবং আঁশবিহীন যে কোন মাছ খেও না — ” । (আল কোলাইনী , আল কাফি , খন্ড – ৬ , পৃ – ২১৯)

💐আঁশবিহীন মাছ নিষিদ্বের বৈজ্ঞানিক কারন সমূহ:💐

✳১) – আঁশ মাছের শরীরের ফিজিওলজিকাল ব্যারিয়ার হিসেবে কাজ করে , যা পানিতে থাকা নানারকম ব্যাক্টেরিয়া আর অনুজীবকে মাছের শরীরে ঢুকতে বাধা দেয় ।
তাই, স্বাভাবিকভাবেই যে মাছের আঁশ নেই তার শরীরে নানা রকম ক্ষতিকর অনুজীব থাকে।
উদাহরণস্বরুপ , Diphyllobothrium নামক ফিতা ক্রিমির কথা বলা যায়, যেটা কেবল আঁশবিহীন মাছেই পাওয়া যায়।
বলা বাহুল্য, শুকরের মাংসেও কিন্ত মানব শরীরের জন্য ক্ষতিকর নানারকম জীবাণু আর tapeworm থাকে ।

✳২) – আঁশবিহীন মাছ কিন্ত প্রচুর বাজে জিনিষ খায় ।
শুকর যেমন মল খায়, আঁশবিহীন মাছ যেমন পাংগাস, আইর, বোয়াল, টেংরা, পাবদা, মাগুর, শিং ইত্যাদি আঁশবিহীন মাছ দেদারসে মল খেয়ে থাকে।
সচেতন বুদ্বিমান মানুষ যে কিভাবে এসব মাছ খায় !!!

✳৩) -সমুদ্র কিংবা নদীতে মিশে যাওয়া কারখানার বর্জ্য কিন্ত আঁশবিহীন মাছেরাই বেশি খেয়ে থাকে । সুতারাং আঁশবিহীন মাছ খেলে আপনি বিনামূল্যে কলকারখানার রাসায়ানিক বিষাক্ত ভিটামিন পাচ্ছেন !!!

✳৪) – সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে , আঁশবিহীন মাছের শরীরে মারকারি (পারদ) এর মাত্রা অনেক বেশী , যা মানুষের শরীরে ঢুকলে মারাত্বক স্বাস্থ্যঝুকি তৈরি হতে পারে । পশ্চিমা বিশ্বের লোকেরা ইতিমধ্যেই আঁশবিহীন মাছ খাওয়ার ব্যাপারে জনসচেতনতা গড়ে তুলতে শুরু করেছে ।

✳৫) – এছাড়াও সম্প্রতি একজন প্রাণী বিজ্ঞানী পরীক্ষা করে দেখেছেন যে , আঁশওয়ালা মাছের পাকস্থলীর সাথে আঁশবিহীন মাছের পাকস্থলীর অনেক পার্থক্য রয়েছে ।
আঁশওয়ালা মাছ যদি কোন প্রকার নাপাক বা ক্ষতিকর কিছু খেয়ে থাকে তাহলে তাদের পাকস্থলী হজমের সময় এসব বস্তুকে পরিপূর্ণভাবে ভিন্ন বস্তুতে রূপান্তরিত করে এর থেকে খাদ্য উপাদান সমূহকে আলাদা আলাদা করতে সক্ষম , যার ফলে এ ধরনের মাছের রক্ত ও মাংসে এসব নাপাক বা ক্ষতিকর বস্তু মেশে না ।
পক্ষান্তরে আঁশবিহীন মাছ নাপাক ও ক্ষতিকর কোন কিছু খেলে তাদের পাকস্থলী এসব নাপাক ও ক্ষতিকর বস্তুগুলোকে অনেকটা অপরিবর্তিত অবস্থায় এদের রক্ত ও মাংসে মিশিয়ে দেয় , যার ফলে মানুষ এসব মাছ খেলে মানুষের শরীরে সরাসরি এসব নাপাক ও ক্ষতিকর বস্তুগুলো ঢুকে যায় ।

✳৬)- মাছে বিশেষ করে সামুদ্রিক মাছে থাকা বিভিন্ন খনিজ উপাদান গর্ভাবস্থায় ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, হাঙ্গর, সোর্ডফিশ, টুনাসহ বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছে অতিরিক্ত মাত্রায় পারদসহ অন্যান্য খনিজ উপাদান থাকে, যা দেহের জন্য ক্ষতিকর।

✳৭)- নতুন এক গবেষণায় বলা হয়েছে, সামুদ্রিক ও স্বাদুপানির মাছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড থাকে। এই ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড বেশি খেলে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়তে পারেন। এ বিষয়ে গবেষক নরম্যান হর্ড জানান, এই বিশেষ ফ্যাটি অ্যাসিডের প্রদাহবিরোধী ধর্ম রয়েছে। আর এ কারণে হার্টের স্বাস্থ্য ও প্রদাহজনিত সমস্যায় ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড উপকারী। কিন্তু তা সত্ত্বেও এটি অতিরিক্ত খেলে শরীরের প্রতিরোধব্যবস্থা পাল্টে যেতে পারে। এর ফলে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমে গিয়ে শরীর ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্ত হতে পারে, হতে পারে রোগ সংক্রমণ। ওই গবেষক বলেন, অতিরিক্ত ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের কারণে রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা পাল্টে যায়, যা জীবাণুর সঙ্গে শরীরের লড়াই করার ক্ষমতার ওপরও বিরূপ প্রভাব ফেলে।

১৪০০ বছর পূর্বে আঁশবিহীন মাছ খাওয়ার ব্যাপারে এই জাতীয় নিষেধাজ্ঞা থাকার পরেও আমরা বনু সকীফার মুসলমানগন অবলীলাক্রমে আঁশবিহীন মাছ বেশ মজা করে ভক্ষন করে চলেছি ।
রাসুল (সাঃ) এর পবিত্র আহলে বায়েতের বারজন ইমাম (আঃ) গন ১৪০০ বছর আগে নিষেধ করার পরও মানব শরীরের জন্য ক্ষতিকর আঁশবিহীন মাছ খাওয়ার লোভ সংবরন করতে পারছি না ।

পাঠক,
🌷এবারে আরও দেখে নিন , খ্রীষ্টানদের বাইবেল কি বলে –🌷
” — সমুদ্রে বা নদীর জলের অভ্যন্তরে বিচরনশীল যে কোন মাছ , যে মাছগুলোর আঁশ আছে , সে মাছগুলো তুমি ভক্ষন করতে পার । কিন্ত সমুদ্রে ও নদীর জলের অভ্যন্তরে থাকা পরীক্ষার অনুপযোগী যে মাছগুলোর আঁশ নেই সে মাছগুলো তুমি কখনই খাবে না । আঁশবিহীন মাছ যে মাছগুলি পরীক্ষার অনুপযোগী ও অস্বাস্থ্যকর সে মাছগুলি তোমার খাওয়া ঠিক নয় এবং আঁশবিহীন সে সমস্ত মাছের মাংস খাওয়া ঠিক নয় — “।(১১ঃ ৯ – ১২ , বাইবেল)
এ ছাড়া বিশ্বের অনেক দেশেই প্রক্রিয়াজাত মাছ বিক্রি করা হয়। এই প্রক্রিয়াজাতকরণের কোনো ক্রুটির কারণে মাছ খাওয়া দেহের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
নতুন এক গবেষণায় বলা হয়েছে, সামুদ্রিক ও স্বাদুপানির মাছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড থাকে। এই ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড বেশি খেলে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়তে পারেন। এ বিষয়ে গবেষক নরম্যান হর্ড জানান, এই বিশেষ ফ্যাটি অ্যাসিডের প্রদাহবিরোধী ধর্ম রয়েছে। আর এ কারণে হার্টের স্বাস্থ্য ও প্রদাহজনিত সমস্যায় ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড উপকারী। কিন্তু তা সত্ত্বেও এটি অতিরিক্ত খেলে শরীরের প্রতিরোধব্যবস্থা পাল্টে যেতে পারে। এর ফলে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমে গিয়ে শরীর ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্ত হতে পারে, হতে পারে রোগ সংক্রমণ। ওই গবেষক বলেন, অতিরিক্ত ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের কারণে রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা পাল্টে যায়, যা জীবাণুর সঙ্গে শরীরের লড়াই করার ক্ষমতার ওপরও বিরূপ প্রভাব ফেলে।
সুতরাং আসুন যে প্রকারের মাছগুলোকে ইসলাম ধর্মে খেতে নিষেধ করা হয়েছে সেগুলো খাওয়া থেকে আমরা নিজেদেরকে বিরত রাখি। কেননা ইসলাম হচ্ছে একটি ঐশি ও আদর্শ ধর্ম।

এস, এ, এ

সংগৃহীত (কপি-পেস্ট)

Address

Tongi

Telephone

+8801720106432

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আহলে বায়েত posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to আহলে বায়েত:

Share