Baitul AMBIA Jamm-E Mosjeed

Baitul AMBIA Jamm-E Mosjeed The 1ST Mosque at Daushbhaiya Village within Terokhada Police Station of Khulna District, Bangladesh.

আল্লাহুম্মা হাযা মিনকা ওয়া লাকাঅর্থ: হে আল্লাহ এটা তোমার পক্ষ থেকেই এসেছে এবং তোমার জন্যই নিবেদিত।
27/05/2026

আল্লাহুম্মা হাযা মিনকা ওয়া লাকা
অর্থ: হে আল্লাহ এটা তোমার পক্ষ থেকেই এসেছে এবং তোমার জন্যই নিবেদিত।

27/06/2025

উৎখাত হওয়া ফ্যাসিস্ট সরকারের নিয়োগকৃত রাষ্ট্রপতির অধীনে হাসিনাবাদী চটি সংবিধান রক্ষায় শপথ নিয়ে সরকার গঠনের মধ্য দিয়ে আট'ই আগস্ট দুই হাজার চব্বিশ দিনটি এখন অভ্যুত্থান - বিপ্লব বেহাত দিবস।

আট আগস্ট দুই হাজার চব্বিশ দিনটি অভ্যুত্থানের - বিপ্লবের পরাজয় দিবসে পরিণত হয়েছে।

24/04/2025
24/04/2025

বাবা যেদিন বাজার থেকে আধা সের গরুর মাংস কিনে আনতেন সেদিন আমাদের ঘরে একটা বড় উৎসব আমেজ ভাব চলে আসত।
মা শাড়ির আচলকে কোমড়ে গুজে জিরা মসলা বাটতে বসে যেতেন। আমি কাচা মাংসগুলোকে নেড়ে চেড়ে দেখতাম,মুখের কাছে নিয়ে গেলেই মা দিত বকুনী।বলত "কাচা গিলে খাসনে,পেটে গরু হবে"।
আমি চোখ ড্যাব ড্যাব করে মা কে বলতাম "গরু হলে বেশ হবে মা, রোজ ই তো তাহলে মাংস খেতে পারব চিবিয়ে চিবিয়ে"।
মা আমার কপালে একটা চুমু খেয়ে হাসি মুখ করে বলত "আমার পাগল ছানা একটা"।
খানিকটা দূরে বসে মা ছেলের খুনসুটি দেখে বাবা ঠোটের মধ্যে লুকিয়ে লুকিয়ে হাসতেন।
একসময় নুনে,মরিচে মিশিয়ে মা ঝোল ঝোলকরা মাংস চুলা থেকে নামাতেন। আমি দৌড়ে হামলে পড়তাম।একটা চামচে এক টুকরো আমায় বাড়িয়ে দিয়ে মা বলতেন -"ধর খোকা, নুন হয়েছে কিনা দেখ"। আমি প্রথম টুকরো খেয়ে দুষ্ট গাল করে বলতাম -"এক টুকরোয় কি বুঝা যায়? আরেক টুকরো দাও না মা, খেয়ে ঝটপট বলে দিই। মা আরেক টুকরো দিত। আমিও খেতাম। স্বাদ করে খেতাম। আর মায়ের শাড়ির আচলে আয়েশ করে মুখ মুছতাম।
সেদিন বাবা এক পোয়া গোশত এনেছিল। এত কম এনেছে কেন জানতে চাইলে বাবা মুখ মলিন করে বলেছিল "আজকের গরুটা তোর মত বাচ্চা, তাই মাংস কম দিয়েছে"।
সবে এক দুই গুণতে শিখেছি। মা যখন মসলা বাটায় ব্যস্ত তখন মাংস গুলো ধরতে ধরতে আনমনে গুণে দেখলাম মোট পনের টুকরো মাংস আছে।
একসময় মা আলু মাখিয়ে ঝোল করে মাংস রাধে। তিন টুকরো আমায় দেয় নুন মরিচ পরখ করার জন্যে। আমি খেতে খেতে হিসেব রাখি আর বারো টুকরো আছে।
রাতে মা প্লেটে করে আরো পাঁচ টুকরো ভাত মাখিয়ে নলা করে আমায় খাওয়ায়। আমি খেতে খেতে হিসেব রাখি আর সাত টুকরো আছে।
এরপরের দিন সকালেও আমার প্লেটে মাংস আসে।দুপুরেও মাংস আসে।
খেতে খেতে হঠাত হিসেবে গন্ডগোল বেঁধে যায়। হিসেব করে দেখলাম বারো টুকরো মাংস ই আমার পেটে।
বাবা খায়নি, মা ও খায়নি।
অনেক বছর পর আমি যখন অংক করানো শিখলাম।হঠাত অংক করতে করতে একদিন একটা অংক মিলালাম-
এক পোয়া মাংসে যদি পনের টুকরো হয়। তবে আধা কেজি মাংসে তিরিশ টুকরো।
যদি পাচ টুকরো করে ভাগ করা হয় তবে তিনজনে দুই বেলা খেতে পারবে। কিন্তু যেবার বাবা আধা কেজি মাংস আনতেন প্রত্যেক বার ই আমার ভাগে পাঁচ টুকরো করে মোট ছয় বেলা মাংস জুটত।
পাঁচ টুকরো করে ছয় বেলা।
অংকটার উত্তর:-
"বাবা-মা কোনদিন ই গরুর মাংস খান নি"
অংকটার মন্তব্য:-
অথচ গরুর মাংস বাবার ভীষণ প্রিয় ছিল।
অথচ গরুর মাংস মায়ের ভীষণ প্রিয় ছিল।

আজ আমার ৪ তলা ফ্লাটে থাকি তিনজন। আমি, আমার স্ত্রী ও ছেলে। প্রতিদিনই প্রায় মাংস কেনা হয়। আগের মত আধা কেজি না। ২ কেজি, ৩ কেজি। কিন্তু আগের মত সেই উচ্ছাস আর নেই, নেই মায়ের হাতের রান্নার সেই স্বাদ, নেই বাবার মুচকি হাসির মাঝে অফুরন্ত ভালবাসা❤️
মা বাবা দুজনেই আজ পরপারে
ভালো থাকুক সবার মা সবার বাবা🤲

“রব্বির হাম-হুমা কামা রব্বা ইয়ানি সগিরা ।” رَّبِّ ارْحَــمْــهُـمَا كَـمَا رَبَّـيَـانِـي صَـغِـيـرًا "হে আমার প্রতিপালক! আমার পিতা-মাতার প্রতি দয়া করো, যেমন তারা দয়া, মায়া, মমতা সহকারে শৈশবে আমাকে প্রতিপালন করেছিলেন।”

©©

আদালতের আদেশ ব্যতিত দুদক কোন ব্যক্তিকে বিদেশ যাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা দিতে পারবেন না।পিটিশনারের পরিচয়:রিট পিটিশনার তাফসির মোহাম...
24/04/2025

আদালতের আদেশ ব্যতিত দুদক কোন ব্যক্তিকে বিদেশ যাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা দিতে পারবেন না।
পিটিশনারের পরিচয়:
রিট পিটিশনার তাফসির মোহাম্মদ আওয়াল জন্মসূত্রে বাংলাদেশের নাগরিক ও বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী।এছাড়াও তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব লাভ করেছেন। তাহার একমাত্র কন্যা যুক্তরাজ্যে বসবাস করেন। পিটিশনার বিগত ২৪/০১/২০২১ ইং তারিখে বাংলাদেশ বিমানে যুক্তরাজ্যে যাওয়ার জন্য হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে হাজির হলে তাকে বিদেশ যেতে বিমান কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বাধা দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ দূর্নীতি দমন কমিশন Memo.০০.০১.০০০০.৫০২.০১.০৩৭.২০.২১৪৭৯ Date. ০৪.১০.২০২০ এর মাধ্যমে কোন ধরণের মামলা মোকদ্দমা ছাড়াই পিটিশননারকে বিদেশ যাওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।

রিট দায়েরের কারণ:

রিট পিটিশনার সংশ্লিষ্ট রেসপন্ডডেন্টদের বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ প্রদানের মাধ্যমে উক্ত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন।

রেসপন্ডডেন্টগন লিগ্যাল নোটিশের উত্তর না দেওয়ায় পিটিশনার বাংলাদেশ সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীনে হাইকোর্ট বিভাগে অত্র রিটটি দাখিল করেন।

রিট পিটিশনার আইনজীবী মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান খান আদালতকে বলেন যে, পিটিশনারের বিরুদ্ধে কোন ফৌজদারী মামলা নেই ও তার বিরুদ্ধে কোন ওয়ারেন্ট নেই। তা সত্ত্বেও বাংলাদেশ দূনীতি দমন কমিশন উপরোক্ত আদেশের মাধ্যমে পিটিশনারের বিরুদ্ধে বিদেশ গমনের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন যাহা বে-আইনী ও বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৬ অনুচ্ছেদের লঙ্ঘন।

পিটিশনার আইনজীবী আরো বলেন যে, 𝐀𝐧𝐭𝐢-𝐂𝐨𝐫𝐫𝐮𝐩𝐭𝐢𝐨𝐧 𝐂𝐨𝐦𝐦𝐢𝐬𝐬𝐢𝐨𝐧 𝐀𝐜𝐭, 𝟐𝟎𝟎𝟒 𝐚𝐧𝐝 𝐞𝐯𝐞𝐧 𝐭𝐡𝐞 𝐀𝐧𝐭𝐢-𝐂𝐨𝐫𝐫𝐮𝐩𝐭𝐢𝐨𝐧 𝐂𝐨𝐦𝐦𝐢𝐬𝐬𝐢𝐨𝐧 𝐑𝐮𝐥𝐞𝐬, 𝟐𝟎𝟎𝟕 𝐝𝐨𝐞𝐬 𝐧𝐨𝐭 𝐩𝐫𝐨𝐯𝐢𝐝𝐞 𝐚𝐧𝐲 𝐧𝐨 𝐞𝐱𝐩𝐫𝐞𝐬𝐬 𝐨𝐫 𝐢𝐦𝐩𝐥𝐢𝐞𝐝 𝐚𝐮𝐭𝐡𝐨𝐫𝐢𝐭𝐲 𝐭𝐨 𝐩𝐫𝐞𝐯𝐞𝐧𝐭 𝐚𝐧𝐲 𝐩𝐞𝐫𝐬𝐨𝐧 𝐟𝐫𝐨 𝐠𝐨𝐢𝐧𝐠 𝐨𝐮𝐭𝐬𝐢𝐝𝐞 𝐨𝐟 𝐁𝐚𝐧𝐠𝐥𝐚𝐝𝐞𝐬𝐡.

তিনি আরো বলেন যে, পিটিশনারের বিরুদ্ধে দেওয়া নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ ছয় মাস আগেই শেষ হওয়া সত্ত্বেও তাকে বিদেশ যাওয়ায় বাধা দেওয়া বে-আইনী।

পিটিশনার আইনজীবী আরো যোগকরেন যে, Article 36 of the Constitution should be considered in line with Article 13 of the Universal Declaration of Human Rights, which states that any citizen of the country has the right to leave his country and return to it; the action of the Respondents is a violation of the petitioner’s right under the said Article of the UDHR.

পিটিশনার আইনজীবী বলেন, 𝒘𝒊𝒕𝒉𝒐𝒖𝒕 𝒊𝒏𝒊𝒕𝒊𝒂𝒕𝒊𝒏𝒈 𝒂 𝒔𝒑𝒆𝒄𝒊𝒇𝒊𝒄 𝒄𝒓𝒊𝒎𝒊𝒏𝒂𝒍 𝒄𝒂𝒔𝒆 𝒕𝒉𝒆𝒓𝒆 𝒊𝒔 𝒏𝒐 𝒔𝒄𝒐𝒑𝒆 𝒇𝒐𝒓 𝒂 𝒑𝒆𝒓𝒔𝒐𝒏 𝒕𝒐 𝒃𝒆 𝒃𝒂𝒓𝒓𝒆𝒅 𝒇𝒓𝒐𝒎 𝒈𝒐𝒊𝒏𝒈 𝒂𝒃𝒓𝒐𝒂𝒅 𝒆𝒗𝒆𝒏 𝒊𝒇 𝒉𝒆 𝒎𝒂𝒚 𝒃𝒆 𝒓𝒆𝒒𝒖𝒊𝒓𝒆𝒅 𝒕𝒐 𝒔𝒕𝒂𝒏𝒅 𝒕𝒓𝒊𝒂𝒍 𝒂𝒕 𝒂 𝒇𝒖𝒕𝒖𝒓𝒆 𝒅𝒂𝒕𝒆.

পিটিশনার আইনজীবী তার মামলার সাপোর্টে বিজ্ঞ আদালতে নিন্মোক্ত কেস রেফারেন্স দাখিল করেন, In the case of H.M Ershad vs Bangladesh reported in 7 BLC(AD)67, it has been held that “... the universal norms of freedom respecting rights of leaving the country and returning have been recognized in Article36 of our Constitution. Therefore, there is full application of Article 13 of the Universal Declaration of Human Rights to the facts ...”

এবং In the case of 𝐁𝐚𝐧𝐠𝐥𝐚𝐝𝐞𝐬𝐡 𝐯𝐬 𝐀𝐥𝐥𝐚𝐦𝐚 𝐃𝐞𝐥𝐰𝐚𝐫 𝐇𝐨𝐬𝐬𝐞𝐧 𝐒𝐚𝐲𝐞𝐞𝐝𝐢 𝐫𝐞𝐩𝐨𝐫𝐭𝐞𝐝 𝐢𝐧 𝟏𝟔 𝐁𝐋𝐂(𝐀𝐃) 𝟓𝟏, is has been decided that “if the Government wants to stop the petitioner from leaving the country then it must start a specific criminal case against him and get a custodial order by a court of law under the laws of the land. If the Government is allowed to restrict a person from going abroad at its discretion simply because he is going to make propaganda against Government policy or because he may be required to stand trial at a future date, then Article 36 will become nugatory. This court being the Guardian of the Constitution cannot condone such practice.”

অপরদিকে, বাংলাদেশ দূর্নীতি দমন কমিশনের বিজ্ঞ আইনজীবী জনাব খুরশিদ আলম খান আদালতকে বলেন যে, রিট পিটিশনার দ্বৈত নাগরিক এবং আইন আদালতের সম্মুখীন হওয়ার ভয়ে তড়িঘড়ি করে দেশ ছাড়তে উদ্যত হয়েছেন।

জনাব খান আরো বলেন যে, in the case of Durnity Daman Commission vs GB Hossain and others reported in 74 DLR(AD (2022)1, submits that the fundamental right guaranteed under Article 36 of the Constitution is non-absolute right; the right to leave one’s country has therefore never been considered an absolute right; the right may be restricted in certain circumstances; restriction may be imposed on travel in order to prevent exit from the country by persons who leave quickly to avoid due process of law and as such, the Rule is liable to be discharged.

মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগ উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনে নিন্মোক্ত Chintanmon Rao V. State of Madhya Pradesh reported in AIR 1951 SC 118 মামলার রায়ের আলেকে বলেন যে, Despite the long standing ideal of free movement, it has in practice always been subject to State restrictions. The right to leave one’s country has never been considered as absolute right. The requirement of restriction to be reasonable means that the High Court Division has the power to Judge the reasonableness of restrictions in question. The reasonableness demands proper balancing of the fundamental rights of the people. It is the judiciary which has to finally judge the reasonableness of restriction. The restriction can be imposed by law only, not by an executive order.

বিজ্ঞ আদালত এই সংক্রান্ত বিষয়ে আরো বলেন যে, It is axiomatic that there is no provision in the ACC Act, 2004 and the Rule in the ACC Rules, 2007, by which the ACC is authorized or empowered to pass any order putting any embargo upon the petitioner to leave and re-enter in Bangladesh.

Having considered all the facts and circumstances of the case, the submissions and the propositions of law settled by Appellate Division, the Rule may be disposed of in the light of judgment and order passed in the case reported in 74DLR(AD)1.

এবং মহামন্য হাইকোর্ট বিভাগ বলেন যে, respondents were directed to allow the petitioner to leave and re-enter in Bangladesh for a period of 3(three) months from date, if no order of restraint or warrant of arrest in pending against illegal

W.P. No. 4437/2021




সাদ্দাম হোসাইন আবির
অ্যাডভোকেট
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট।

20/03/2025

জুলাই গন অভ্যুত্থানের অঙ্গীকার বাস্তবায়ন ও নতুন বাংলাদেশ গড়তে সুবিধাবঞ্চিত শিশু এবং তরুণদের অধিকার বিষয়ে সচেতন...

20/03/2025
20/03/2025
20/03/2025

মন্দ না। কী বলেন?

20/03/2025

একজন জেলের হাত। মুঠ করে ভাতও খেতে পারে না। এই ঘাম-রক্তে ধরা মাছের সঠিক দাম না পেলে কেমন লাগে? এই হাতে ধরা মাছগুলো যদি জলদস্যুরা কেড়ে নেয়? যদি ধরে নিয়ে যায়, মুক্তিপণ নেয়?

প্রিয় দায়িত্বশীলরা, সুন্দরবনের দিকে একটু তাকাবেন?

With Mohsin ul Hakim – I just got recognised as one of their top fans! 🎉
20/03/2025

With Mohsin ul Hakim – I just got recognised as one of their top fans! 🎉

Address

Daushbhaiya
Terokhada
9300

Telephone

+8801971834120

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Baitul AMBIA Jamm-E Mosjeed posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Baitul AMBIA Jamm-E Mosjeed:

Share

Category