27/07/2026
বহু দিন আগে মালিকের কাছে ছেয়ে ছিলাম, মালিক অনেকটাই পূরণ করসে.... ❤️
বেলা পুরাবার আগেই... 🥰
আজ এই ছোট্ট ছোট্ট নূরানী ফুলগুলোর দিকে তাকালে হৃদয় ভরে যায়। একদিন এই জায়গা ছিল প্রায় ফাঁকা। হাতে ছিল না তেমন কোনো ব্যবস্থা, ছিল শুধু আল্লাহর উপর ভরসা আর একটি স্বপ্ন—এই কোমলমতি শিশুদের কুরআনের আলোয় গড়ে তোলার।
আলহামদুলিল্লাহ! মহান আল্লাহ রব্বুল আলামীন তাঁর অশেষ রহমতে সেই স্বপ্নের অনেকটাই বাস্তব করে দিয়েছেন। আজ এই ছোট্ট মজলিসে বসে আছে ভবিষ্যতের হাফেজ, আলেম, ইমাম ও দ্বীনের খাদেমরা। তাদের নিষ্পাপ মুখের দিকে তাকালে মনে হয়—এই শিশুরাই একদিন সমাজকে আলোকিত করবে, ইনশাআল্লাহ।
কিন্তু এই পথচলা এখানেই শেষ নয়। এখনও অনেক এতিম ও অসহায় শিশু আছে, যারা কুরআনের ছায়া খুঁজছে, একটি নিরাপদ আশ্রয় খুঁজছে, একজন স্নেহময় উস্তাদের হাত খুঁজছে।
হাজী আব্দুল মিয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার স্বনামধন্য উস্তাদগণ দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে এই শিশুদের শুধু কুরআনই শেখাচ্ছেন না; বরং আদব, আখলাক, নামাজ, চরিত্র ও সুন্দর জীবন গড়ার শিক্ষা দিচ্ছেন। এখানে প্রতিটি শিশুকে নিজের সন্তানের মতো ভালোবাসা ও যত্নে লালন করা হয়।
প্রিয় অভিভাবক, যদি আপনার ঘরে এমন কোনো সন্তান থাকে, যাকে আপনি কুরআনের আলোয় আলোকিত দেখতে চান, তবে তাকে এই নূরানী পরিবেশে পাঠানোর কথা একবার অন্তত ভাবুন। দুনিয়ার শিক্ষার পাশাপাশি আখিরাতের সফলতার ভিত্তিও গড়ে উঠুক কুরআনের সান্নিধ্যে।
একজন সন্তানের ইলম ও আমল শুধু তার নিজের নয়, বরং তার মা-বাবার জন্যও সদকায়ে জারিয়ার কারণ হতে পারে। আসুন, আমরা আমাদের সন্তানদের এমন একটি পরিবেশ উপহার দিই, যেখানে তারা মানুষ হওয়ার পাশাপাশি আল্লাহর প্রিয় বান্দা হওয়ার শিক্ষাও অর্জন করবে।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে দ্বীনের খেদমত করার তাওফীক দান করুন এবং এই নূরানী শিশুদের কবুল করে তাঁদের মাধ্যমে উম্মাহর কল্যাণের ব্যবস্থা করে দিন। আমীন। 🤲