Dawat-e-Khalq Ilallah

Dawat-e-Khalq Ilallah আমাদের ডাক আল-কোরআনের দিকে, আমাদের ডাক রাসুলে পাক (সঃ) এর দেখানো সঠিক পথের দিকে।

হযরত ইমাম হাসান ইবনে আলী (রাঃ) হলেন জান্নাতের যুবকদের সর্দার, ইসলামের চতুর্থ খলিফা হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু (রাঃ...
12/08/2026

হযরত ইমাম হাসান ইবনে আলী (রাঃ) হলেন জান্নাতের যুবকদের সর্দার, ইসলামের চতুর্থ খলিফা হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু (রাঃ) ও সাইয়্যিদাতুন নিসা হযরত মা ফাতেমা (রাঃ) এর পুত্র ; এবং সাইয়্যিদুল মুরসালীন, রাহমাতুল্লিল আলামিন, রাসূলুল্লাহ ﷺ এর দৌহিত্র।

আনাস (রাঃ) বলেন, "রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর পরিবারে হাসান ইবনু ‘আলী (রাঃ)-এর চেয়ে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর সাথে বেশি সাদৃশ্যপূর্ণ আর কেউ ছিলেন না।"

সারওয়ারে কায়েনাত, রাসূলুল্লাহ ﷺ-সৈয়িদুনা ইমাম হাসান (রাঃ) কে উনার কাধে তুলে নিয়ে বলেছেন “হে আল্লাহ! একে আমি মুহাব্বাত করি, অতএব তাকে তুমিও মুহাব্বাত কর।"

আবূ হুরাইরা (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, "যে ব্যক্তি (হাসান-হুসাইন) এ দুজনকে ভালোবাসল, সে আসলে আমাকে ভালোবাসল। আর যে ব্যক্তি এ দুজনের সাথে শত্রুতা করল, সে আসলে আমার সাথে শত্রুতা করল।"

এক ওমরাহ হজের সফরের সময় ইমাম হাসান (রাঃ)-এর সঙ্গে ছিলো যুবাইর বিন আল আওয়ামের কোনো এক পুত্র। সফরের এক পর্যায়ে তারা একটি স্থানে থামেন। সেখানে কয়েকটি শুকিয়ে যাওয়া খেজুর গাছ ছিল। ওই ব্যক্তি বলল: "এই খেজুর গাছে যদি খেজুর থাকতো তাহলে তা পেড়ে খেতাম।"
ইমাম হাসান (রাঃ) বললেন: "তোমার কি খুরমা খেজুর খেতে ইচ্ছে হচ্ছে?"
লোকটি বলল:" হ্যাঁ "। ইমাম আকাশের দিকে হাত তুলে দোয়া করলেন। সঙ্গে সঙ্গে, ওই খেজুর গাছটি সবুজ হয়ে যায় এবং তাতে খেজুরও দেখা যায়। লোকটি গাছে উঠে খেজুর পেড়ে খায়। এ সময় তাদের সফরসঙ্গী এক উট-চালক বলে ওঠে: "এ তো দেখছি জাদু!"
ইমাম হাসান (রাঃ) বললেন: "তোমার প্রতি আক্ষেপ! এটা জাদু নয় বরং ইমামুল মুরসালিন, তাজদারে মদীনা, রাসূলুল্লাহ ﷺ সন্তানের দোয়া যা কবুল হয়। "

হযরত ইমাম হাসান ইবনে আলী (রাঃ) বলেছেন: "আমি ঐ সকল ব্যক্তিদের বিষয়ে আশ্চর্য হই যারা নিজেদের শরীরের খাদ্যের বিষয়ে চিন্তা করে কিন্তু আধ্যাত্মিক বিষয়াদি ও আত্মার খাদ্যের বিষয়ে চিন্তা করে না। তারা ক্ষতিকর খাদ্য থেকে নিজের পেটকে বাঁচিয়ে রাখে, কিন্তু যে সকল নোংরা চিন্তা তার অন্তরকে দূষিত করে তা হতে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখে না।"

আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলকে আহলে বায়াতের মোহাব্বত হাসিল করার তৌফিক দান করুক।

#ইমাম_হাসান #আহলে_বাইত

৬ই হিজরিতে হোদায়বিয়ার ময়দানে হুজুর আকরামﷺ সাহাবীগণকে নিয়ে ১৯ দিন অবস্থান করেছিলেন। শুষ্ক মরুভূমিতে এমনিতেই পানির অভাব। চ...
06/08/2026

৬ই হিজরিতে হোদায়বিয়ার ময়দানে হুজুর আকরামﷺ সাহাবীগণকে নিয়ে ১৯ দিন অবস্থান করেছিলেন। শুষ্ক মরুভূমিতে এমনিতেই পানির অভাব। চৌদ্দশত সাহাবীর সাথে রক্ষিত পানি অল্প সময়ের মধ্যেই ফুরিয়ে যায়। সাহাবীগণ পানির অভাবের কথা এবং তীব্র পিপাসার কথা রাহমাতুল্লিল আলামিনﷺ -এর খেদমতে পেশ করলেন।
নূর নবিﷺ এরশাদ করলেন, ❝কারও কাছে সামান্য কিছু পানি আছে কিনা?❞ সাহাবীগণ আরয করলেন, ❝আপনারﷺ লোটাতেই কেবল সামান্য পানি আছে❞।
হুযুর আকরাম ﷺ লোটার উপরে পবিত্র ডান হাত স্থাপন করলেন। অমনি পাঁচ আঙ্গুলের চারটি ফাঁক দিয়ে চারটি পানির ফোয়ারা প্রবাহিত হলো। পানি উপচে পড়তে লাগলো। সাহাবীগণকে তিনি আহবান করলেন- যার যার প্রয়োজন মতো পানি সংগ্রহ করার জন্য। চৌদ্দশত সাহাবী নিজেদের প্রয়োজনীয় পানি সংগ্রহ করে নিলেন। তারপর নবী করিম ﷺ হাত মোবারক তুলে নিলেন, পানিপ্রবাহ সাথে সাথে বন্ধ হয়ে গেল।
সুবহানাল্লাহ, সুবহানাল্লাহ!!

বর্ণনাকারী সাহাবী হযরত জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) উক্ত হাদীস বর্ণনাকালে উনাকে প্রশ্ন করা হলো, ❝আপনারা ঐ সফরে কতজন সাথী ছিলেন?❞ উত্তরে তিনি বললেন, ❝আল্লাহর শপথ। যদি আমরা একলক্ষ লোকও হতাম, তবুও ঐ পানি আমাদের প্রয়োজন মেটাতে পারতো। আমরা ছিলাম মাত্র চৌদ্দশত❞
সুবহানাল্লাহ, সুবহানাল্লাহ!!

আলা হযরত ইমাম আহমদ রেযা খান (রহঃ) উক্ত ঘটনাকে বর্ণনা করেছেন:
❝নূরেকে চশমে লেহরায়ে দরিয়া বহে
উংলিউ কি কারামত পে লাখো সালাম।❞
অর্থ: নূরের নহর নয়তো - যেন সাগর বহমান
আঙ্গুলেরই কারামাতে লাখো সালাম।

মসজিদে আল-আকসা—যা আউয়ালুল কিবলাতাইন (প্রথম কিবলা), মাসরা রাসূলিল্লাহ ﷺ (মি‘রাজের রজনীতে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর যাত্রার সূচনাস...
11/07/2026

মসজিদে আল-আকসা—যা আউয়ালুল কিবলাতাইন (প্রথম কিবলা), মাসরা রাসূলিল্লাহ ﷺ (মি‘রাজের রজনীতে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর যাত্রার সূচনাস্থল), ছালিছুল হারামাইন (তৃতীয় পবিত্র মসজিদ) এবং অসংখ্য নবী-রাসূল عَلَيْهِمُ السَّلَام-এর পদধূলিধন্য ও বরকতময় ভূমি।

এই পবিত্র মসজিদেই মি‘রাজের রজনীতে আকায়ে নামদার, তাজেদারে মাদীনা ﷺ সকল নবী-রাসূল عَلَيْهِمُ السَّلَام-এর ইমামতি করে সালাত আদায় করেছেন।

ইসলামের ইতিহাসে আল-আকসার সঙ্গে জড়িয়ে আছে অনন্য গৌরবের অধ্যায়। ৬৩৮ খ্রিস্টাব্দে আমীরুল মুমিনীন, দ্বিতীয় খলিফা হযরত উমর (রা.) শান্তিপূর্ণভাবে বায়তুল মুকাদ্দাস জয় করে শহরে প্রবেশের পর তিনি নিজ হাতে মসজিদে আল-আকসার প্রাঙ্গণ পরিষ্কার করেন এবং যোহরের সালাত আদায় করেন।

এরপর ১১৮৭ খ্রিস্টাব্দে হিট্টিনের ঐতিহাসিক বিজয়ের পর সুলতান সালাহউদ্দীন আইয়ূবী (রহ.) জেরুজালেম পুনরুদ্ধার করেন। তিনি মসজিদে আল-আকসাকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করেন এবং নূরুদ্দীন জঙ্গী رَحِمَهُ ٱللَّٰهُ প্রস্তুতকৃত ঐতিহাসিক মিম্বর সেখানে স্থাপন করেন। দীর্ঘ প্রায় ৯০ বছর পর আবার আল-আকসার আকাশে আজানের ধ্বনি প্রতিধ্বনিত হয়, মুসল্লিরা কাতারবদ্ধ হন, এবং সেখানে পুনরায় জামাতে সালাত আদায় করা হয়। এরপর প্রায় ৭০০ বছরের অধিক সময় মসজিদে আল-আকসা মুসলমানদের অধীনে ছিল।

রাসূলুল্লাহ ﷺ মসজিদে আল-আকসার মর্যাদা ও ফযীলত সম্পর্কে বহু হাদিসে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। বর্ণিত হয়েছে, যে ব্যক্তি একমাত্র সালাতের উদ্দেশ্যে এই পবিত্র মসজিদে আসে, আল্লাহ তাআলা তাকে এমনভাবে গুনাহ থেকে পবিত্র করে দেন, যেন সে নবজাতকের মতো নিষ্পাপ হয়ে ফিরে আসে। এছাড়াও দাজ্জাল সমগ্র পৃথিবীতে বিচরণ করলেও চারটি পবিত্র মসজিদে প্রবেশ করতে পারবে না—মসজিদুল হারাম, মসজিদে নববী, মসজিদে আল-আকসা এবং তূর পর্বতের মসজিদ।

মসজিদে আল-আকসা আমাদের ঈমান, ইতিহাস ও ভালোবাসার অবিচ্ছেদ্য অংশ। আল্লাহ তাআলা আমাদের অন্তরে মসজিদে আল-আকসার প্রতি মহব্বত বৃদ্ধি করুন, সেখানে উপস্থিত হয়ে সালাত আদায়ের তাওফিক দান করুন এবং মুসলিম উম্মাহকে এই বরকতময় মসজিদের সম্মান ও পবিত্রতা রক্ষার তাওফিক দান করুন। আমীন।

শোহাদায়ে কারবালার স্মরণে মিলাদ-মাহফিল।🗓️  ১০ই মুহাররম, ১৪৪৮ হিজরি
29/06/2026

শোহাদায়ে কারবালার স্মরণে মিলাদ-মাহফিল।
🗓️ ১০ই মুহাররম, ১৪৪৮ হিজরি

" আসসালাম ইয়া হোসাইন, আসসালাম ইয়া হোসাইনAssalam Ya Hussain Assalam Ya Hussain "
25/06/2026

" আসসালাম ইয়া হোসাইন, আসসালাম ইয়া হোসাইন
Assalam Ya Hussain Assalam Ya Hussain "

24/06/2026

Mere Hussain Apko Salam

সৈয়্যিদুনা ইমাম হোসাইন رَضِيَ ٱللَّٰهُ عَنْهُ—যিনি ছিলেন রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর কলিজার টুকরা, মা ফাতিমাতুয যাহরা رَضِيَ ٱللَّ...
20/06/2026

সৈয়্যিদুনা ইমাম হোসাইন رَضِيَ ٱللَّٰهُ عَنْهُ—যিনি ছিলেন রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর কলিজার টুকরা, মা ফাতিমাতুয যাহরা رَضِيَ ٱللَّٰهُ عَنْهَا-এর নয়নের মণি, শেরে খোদা হযরত আলী আল-মুরতাযা (কররামাল্লাহু ওয়াজহাহুল কারীম)-এর প্রিয় পুত্র, জান্নাতি যুবকদের সর্দার, এবং আহলে বাইতের উজ্জ্বল নক্ষত্র।

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: "হোসাইন আমার থেকে এবং আমি হোসাইন থেকে। যে ব্যক্তি হোসাইনকে ভালোবাসে, আল্লাহ তাকে ভালোবাসেন। হোসাইন হলো আমার বংশধরদের মধ্যে অন্যতম একজন।"

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, "আল হাসান ওয়াল হোসেইনু সাইয়্যেদা শাবাবি আহলিল জান্নাহ"—অর্থাৎ হাসান ও হোসাইন জান্নাতের যুবকদের সর্দার।

সাইয়্যিদিল মুরসালীন, রাসূলুল্লাহ ﷺ আরও এরশাদ করেছেন যে, হাসান এবং হোসাইন হলেন জান্নাতের দুটি সুগন্ধি ফুল।

একবার মদীনার গলিতে তাজদারে মদীনা, রাসূলুল্লাহ ﷺ দুই শাহজাদাকে (হাসান এবং হোসাইন) দুই কাঁধে বসিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। এক সাহাবী তা দেখে বললেন, "হে শাহজাদা! কতই না উত্তম সওয়ারি আপনারা পেয়েছেন!" তখন সারকারে কায়েনাত, নুরে মুজাসসাম ﷺ মুচকি হেসে বললেন, "শুধু সওয়ারি দেখছো কেন? এটাও তো দেখো যে সওয়াররা কত উত্তম!"

হুজুর-এ-পুরনূর, রাসূলুল্লাহ ﷺ এরশাদ করেছেন, "আমার আহলে বাইত হলো নূহ আলাইহিস সালামের কিশতির মতো। যে এতে আরোহণ করবে সে নাজাত পাবে, আর যে দূরে থাকবে সে ধ্বংস হয়ে যাবে।"

19/06/2026

Address

House 313, Road 12, West Nakhalpara
Tejgaon
1215

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dawat-e-Khalq Ilallah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share