Message Of Islam

Message Of Islam ছড়িয়ে দিব ইসলামের বানী সবার তরে

06/10/2021
06/08/2020

জনৈক ব্যক্তি বিসিএস ক্যাডার (এএসপি) হয়েছিলেন। গ্যাজেটে নামও এসেছিল, কিন্তু চাকুরিতে জয়েন করার আগের রাতে হঠাৎ করে তিনি রক্তবমি করা শুরু করেন। আরো বেশ কিছু সমস্যা দেখা দেয় শরীরে। হাসপাতালে নেওয়ার আগেই বিদায়! (ঘটনা অনেক আগের; এই বছরের নয়)
এর পরের কাহিনীটাই আমাদের আলোচনার মূল পয়েন্ট। এই ঘটনায় এলাকার সবাই আফসোস করতে লাগলো, ‘ইশ! মাত্র একটা দিনের জন্য হলো না’, ‘আহা রে, কেমন সময়ে ছেলেটা মইরা গেল!’, ‘ভাগ্যটা কত খারাপ তার! ভোগ করে যেতে পারল না’ ইত্যাদি। তার মা কেঁদে কেঁদে বেহুঁশ! আত্মীয়-স্বজনের অবস্থাও একই।
এবার বলুন, এসব হিতাকাঙ্ক্ষী (?) লোকেরা কি একবারও তার জন্য এভাবে চিন্তা করেছে যে, ইশ! ছেলেটা একটু পরই সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে যাচ্ছে!? মুনকার-নাকির প্রশ্নের উত্তর নেওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়ে আছে!? কবরের নির্জনতা তার জন্য অপেক্ষায় রয়েছে!? একবারও কি তারা এই লোকটির চিরস্থায়ী আখিরাতের সুখ-শান্তির কথা চিন্তা করেছে? তারা শুধু ক্ষণিকের দুনিয়াবি ‘অপূর্ণতা’ নিয়েই হতাশায় কাতর হয়েছে। সে বিসিএস ক্যাডার হলে তারা হয়তো তাকে নিয়ে গর্ব করতে পারতো, বুক ফুলিয়ে চলতে পারতো, মাঝেমধ্যে বিভিন্নভাবে উপকৃত হতে পারতো। এই তো!
ব্যাপারটা তাহলে কী দাঁড়ালো? এককথায় বলতে গেলে—স্বার্থপরতা! হজম করতে কষ্ট হলেও ব্যাপারটা এমনই। এটাই বাস্তবতা। দুনিয়ায় চলার পথে আমাদের বাহ্যিক শুভাকাঙ্ক্ষীর অভাব নেই, কিন্তু চিরস্থায়ী আখিরাতে আমাদের ভালো-মন্দ নিয়ে কয়জন ভাবে? এটির গুরুত্ব কি কম?
দুনিয়াটা এমনই। প্রকৃতপক্ষে কেউ আপন নয়, এক আল্লাহ ছাড়া। তবে বাস্তবে আমাদের সবচেয়ে পর তিনিই! আমাদের হাবভাব এমনটাই বলে। একজন সালাফ (পূর্বসূরি নেককার ব্যক্তি) বলেছিলেন, ‘‘দুনিয়াকে ততটুকুই গুরুত্ব দাও, যতটুকু সময় তুমি এখানে কাটাতে চাও। আর আখিরাতকে ততটুকুই গুরুত্ব দাও, যতটুকু সময় তুমি সেখানে থাকতে চাও।’’
শিক্ষা নেওয়ার জন্য একটি উদাহরণই যথেষ্ট।

25/06/2020

আলহামদুলিল্লাহ্! আল্লাহর ইচ্ছায় আজ থেকেই আমাদের আকিদা সিরিজ শুরু হতে যাচ্ছে!
▬▬▬▬▬▬▬◄❖►▬▬▬▬▬▬▬
সর্বশেষ জান্নাতি ব্যক্তিটি আনন্দে আত্মহারা হয়ে যাবে। কারণ ইতোমধ্যে সে আগুনে পুড়তে পুড়তে প্রায় কয়লা হয়ে যাবে। আল্লাহ্ তাকে ধুয়ে-মুছে সাফ করে দেবেন। সে ভাববে, তার চেয়ে বেশি নিয়ামত জান্নাতে আর কাউকে দেওয়া হয়নি। কারণ, যখন তাকে বলা হবে, দুনিয়ার সমান বিশাল জান্নাত তার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে, তখন সে আল্লাহকে বলবে, ‘আপনি বাদশাহ হয়ে আমার সাথে ঠাট্টা করছেন?’ এটি বলার সময় রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও সাহাবারা হাসতেন। সর্বশেষ তার জন্য এই দুনিয়া এবং আরো দশগুণ (দশ দুনিয়ার সমান) দেওয়া হবে। [সহিহ বুখারি: ৬৫৭৪, সহিহ মুসলিম: ৪৮০]
এটি হলো সর্বশেষ জান্নাতি ব্যক্তির ঘটনা। ঈমান এমনই মূল্যবান সম্পদ—যদি এটি কারও কাছে থাকে, তবে সে পাপের প্রায়শ্চিত্য ভোগ করে হলেও একদিন অনাবিল সুখের স্থান জান্নাতে যাবে। তবে, এই ঈমান বা বিশ্বাসটা হতে হবে নিখাদ—এতে কোনো ভেজাল থাকবে না; শির্ক থাকবে না; কুফর থাকবে না।
ঈমান তথা সঠিক ইসলামি আকিদা-বিশ্বাস মুমিন জীবনের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। কারণ এই ঈমানের চেতনা দিয়েই তার পুরো জীবন পরিচালিত হয় এবং এই ঈমান দিয়েই তার জান্নাত নির্ধারিত হয়। সুতরাং শির্কমুক্ত বিশুদ্ধ ঈমান সম্পর্কে জানা প্রত্যেকের উপর ফরজ। আমরা ধারাবাহিকভাবে আমাদের নতুন এই ‘ঈমান সিরিজ’ কন্টিনিউ করবো ইনশাআল্লাহ্।
বিষয়টি খুব বেশি চটকদার নয়, তাই অনেকে আগ্রহবোধ করেন না। অথচ এই ঈমানের বিশুদ্ধতা না থাকলে দুনিয়া এবং আখিরাত বরবাদ হয়ে যাবে। তাই, সবার প্রতি অনুরোধ থাকবে, আপনারা আমাদের ঈমান সিরিজের প্রতিটি লেখা শেয়ার করবেন অথবা কপি করবেন। অসংখ্য মানুষ নামেমাত্র মুসলিম হিসেবে জীবনযাপন করছে, অথচ তার ঈমান-আকিদা বিশুদ্ধ নয়। আপনার একটি শেয়ার বা কপির মাধ্যমে একজন মানুষও যদি সঠিক পথের দিশা পায়, তবে আপনি মহাসৌভাগ্যের অধিকারী হয়ে যাবেন।
আল্লাহ্ চাইলে সকল গুনাহ্ ক্ষমা করবেন, কিন্তু শির্কের গুনাহ্ ক্ষমা করবেন না। শির্ক হলো, আল্লাহ্ ব্যতীত অন্য কাউকে ইবাদতের যোগ্য মনে করা, অন্য কাউকে সৃষ্টিজগতের প্রতিপালনকারী মনে করা, অন্য কাউকে আল্লাহর সমকক্ষ স্থির করা।
শির্কের আরও অনেক ধরণ আছে, যা আমরা জানি না। কারণ শির্কের বিষয়গুলো খুবই সূক্ষ্ম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “এই উম্মতের শির্ক রাতের আঁধারে কালো পাথরের উপর কালো পিঁপড়ার পদচারণার চেয়েও সূক্ষ্ম বা গুপ্ত।” [সহিহুল জামি’: ৩/২৩৩, হাদিসটি সহিহ]
সুতরাং, শির্ক সম্পর্কে আমাদের জানতে হবে, যদি আমরা জাহান্নাম থেকে বাঁচতে চাই এবং জান্নাতে যেতে চাই। পাশাপাশি তাওহিদ তথা আল্লাহর বিশুদ্ধ একত্ববাদ সম্পর্কেও জানতে হবে। কারণ তাওহিদে বিশ্বাসী প্রতিটি ব্যক্তি জান্নাতে যাবে। সর্বশেষ জান্নাতি ব্যক্তি তাওহিদের কারণেই জান্নাতের অধিকারী হবে। সুতরাং এ বিষয়েও জানা জরুরি। আমরা ধীরে ধীরে সবই আলোচনা করবো ইনশাআল্লাহ্।
#সহিহ_আকিদা
#বিশুদ্ধ_ঈমান (প্রথম পর্ব)
বাকি পর্বগুলো পরবর্তীতে দেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ।

17/06/2020

জীবনের যেকোন একটি লগ্নে আপনাকে ইসলামের ছায়াতলে আসতে হবে, হবেই। হয়তো সেটি সময় হারিয়ে আর নয়তো সময় থাকতে। হয়তো সেটি জীবনের ছোট কিংবা বড় একটি ঝড় আসার আগে কিংবা পরে। হয়তো যৌবনে কিংবা বৃদ্ধের নরম শরীরে।
বিষয়টি সম্পুর্ন ডিপেন্ড করছে অন্তরের তাকওয়ার উপর, আজ উদাসীন আপনি, কাল আপনি হিদায়াত ও পেয়ে যেতে পারেন, যদি আল্লাহ চান।
"হে প্রশান্ত হৃদয় আত্মা, তোমার প্রতিপালকের কাছে ফিরে আসো, তুমি সন্তুষ্ট, তিনিও তোমার উপর সন্তুষ্ট। আমার বান্দাদের মাঝে চলে এসো। আমার জান্নাতে প্রবেশ করো।"
[সুরা ফাজরঃ ২৮-৩০]

17/06/2020

জীবনে অনেক মানুষকে ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় আপনার ক্ষমা করতেই হবে। সুতরাং ক্ষমা করার সুন্দর পদ্ধতিটি জানা থাকা জরুরি। প্রথমে নিচের হাদিসটি মনোযোগ দিয়ে পড়ি।
আয়িশা (রা.) বলেন, ‘নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কখনো মন্দের জবাব মন্দ দিয়ে দিতেন না, বরং ক্ষমা করে দিতেন। পরবর্তীতে তা কখনো আলোচনাও করতেন না।’ [আহমাদ: ২৫৪৫৬, সহিহ ইবনু হিব্বান: ৬৪৪৩]
এই হাদিসে কাউকে ক্ষমা করার কয়েকটি ধাপ বর্ণিত হয়েছে।
১. মন্দ আচরণের জবাবে মন্দ আচরণ না করা।
২. খারাপ কথার জবাবে খারাপ কিছু না বলা।
৩. মন্দ আচরণটির জবাব উত্তম কোনো উপায়ে দেওয়া।
৪. তাকে ক্ষমা করে দেওয়া।
৫. ক্ষমার কথাটি কখনো আলোচনাও না করা।
আমরা কী করি? প্রথমে একবার ঝগড়া করি। এরপর হয় বিরক্ত হয়ে, না হয় বাধ্য হয়ে তাকে ক্ষমা করি—তাও ভেতরে ক্ষোভের আগুন জ্বালিয়ে রেখে। আবার, তাকে ক্ষমা করার বিষয়টি মাথায় নিয়ে ভাবি—তার প্রতি বিরাট এহসান (অনুগ্রহ) করেছি। কারণে-অকারণে এই ব্যাপারটি নিয়ে কথাও বলি। অথচ নবীজির আচরণ ছিলো সম্পূর্ণ ভিন্ন।
আমাদের হজমশক্তি কম। আমরা সামান্য ভালো কিছু করলেও সেটিকে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে প্রচার করতে ভালবাসি—ইচ্ছায় হোক বা আনমনে। তবে, এটি ভালো কোনো স্বভাব নয়। ক্ষমাকারীদের ব্যাপারে কুরআন হাদিসে অসাধারণ মর্যাদার কথা এসেছে। সুতরাং আমরা কাউকে ক্ষমা করলে যেন নেকি পাওয়ার উদ্দেশ্যেই করি, এতে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনই যেন আমাদের একমাত্র উদ্দেশ্য হয়। আর সেটি দিয়ে ভবিষ্যতে তাকে যেন ছোট না করি, খোঁটা না দেই। কারণ খোঁটা দেওয়া মুমিনের সিফাত (গুণ) নয়।
আর আপনি যদি কাউকে উপরে উল্লিখিত নববী আদর্শের আলোকে ক্ষমা করতে পারেন, তবে সে যদি আপনার শত্রুও হয়ে থাকে, তবুও সে আপনার বন্ধুতে পরিণত হবে। যেমনটি কুরআনে এসেছে, “ভাল ও মন্দ সমান হতে পারে না। মন্দ ও যুলুমকে উৎকৃষ্ট পন্থায় প্রতিহত কর। (যুলুমের পরিবর্তে অনুগ্রহ কর)। এরূপ করলে যে ব্যক্তি ও তোমার মধ্যে শক্ৰতা আছে, সে তোমার অন্তরঙ্গ বন্ধু হয়ে যাবে।” [সূরা ফুসসিলাত, আয়াত: ৩৪]
আর হ্যাঁ, আমরা তাই দেখেছি নবীজির জীবনে। তাই, জীবনকে সুন্দর করতে উত্তম পদ্ধতিতে ক্ষমা করার প্র্যাকটিস করতে হবে।
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।

17/06/2020

আমরা দুনিয়া নিয়ে খুব চমৎকার সব পরিকল্পনা করি। গ্র্যাজুয়েশন শেষ করে চাকরী করবো, বিয়ে করবো, ভালোভাবে জীবন যাপন করবো। কিছু টাকা জমলে একটা ব্যবসা শুরু করবো, সন্তানদের মানুষ করবো ইত্যাদি। দুনিয়া নিয়ে আমাদের বিভিন্ন প্ল্যান। আচ্ছা দুনিয়া নিয়ে আমরা যেমনটা ভাবি আখিরাত নিয়ে কি ততটা ভাবি? আপনাকে যদি জিজ্ঞেস করা হয় আখিরাত নিয়ে আপনার প্ল্যান কী? বলতে পারবেন? মনে হয়না পারবেন। এমনকি আমরা যারা নিজেদের প্র্যাকটিসিং মুসলিম বলে দাবি করি তাদের বেশিরভাগের পরিকল্পনাই দুনিয়া কেন্দ্রিক। হ্যাঁ, আমরা দ্বীনটাকেও পাশে রাখি তবে তা দুনিয়াকে সিকিউর করার পর। যে দ্বীন পালনে আমাদের দুনিয়াবি কোনো ঝামেলা হয়না আমরা সেই দ্বীনটাই পালন করতে চাই। অথচ হওয়ার কথা ছিলো উল্টো।

আমাদের এই দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টানো উচিত। আমাদের প্রায়োরিটি লিস্টে সবার আগে থাকবে আখিরাত। আখিরাতের সাথে দুনিয়াবি কোনো কিছু সাংঘর্ষিক হলে দুনিয়াকে বাদ দিতে হবে। এই দ্বীন কোনো হেলাফেলা করার দ্বীন নয়। বহুকষ্টে আমরা এই দ্বীন পেয়েছি। সামান্য দুনিয়ার জন্য যেন আমরা দ্বীনকে বিক্রি করে না দেই!

15/06/2020

স্কুল ফ্রেন্ড আর ছোটবেলার খেলার সাথীদের কথা যদি চিন্তা করি, মান্থলি ইনকাম আমার সবচেয়ে কম। এতই কম যে, তাদের সাথে তুলনাও করা চলে না। মাঝে মাঝে নিজেকে প্রশ্ন করি, সানিন! তোমার মন খারাপ হয়? সামান্য দেরি না করেই উত্তর আসে, হয় না।
সমবয়সী কেউ যখন চোখের সামনে দিয়ে এলিয়েন, প্রিমিও হাঁকায়, আল্লাহ সাক্ষী কখনই মনে হয় না, আমার যদি একটি থাকতো। এ প্রতিযোগিতায় আমি আগেই হার স্বীকার করে নিয়েছি, খারাপ লাগার কথাও না।
তবে আমার নিজেকে অনেক ছোট মনে হয়, আমি আমার থেকে বয়সে ছোট কাউকে যখন দেখি, দ্বীনি ইলমে সে আমার থেকে অনেক অগ্রসর। যখন কারো ব্যপারে শুনি, গত ছয় মাসে তার কখনো তাহাজ্জুদ ছুটে নি, বড় ছোট লাগে নিজেকে।
আমার এক সহকর্মী। এক সময়ের হিফযের সাথী। তাকে দেখিয়ে, ছোট বেলা থেকেই আব্বা বলতো, ওর মত কেন হতে পারিস না। যতক্ষন জেগে থাকতো, অনবরত তার ঠোট নড়তো। হাফিয এই বন্ধুর তিলাওয়াত ছাড়া অবসর সময় কেটেছে, এরকম দেখা যেতো না খুব সহজে।
ঈর্ষা হিংসা হিনমন্যতা আমাদের সবার মাঝেই আছে। ক্ষেত্রগুলোতে কেবল পার্থক্য। দুনিয়ার ব্যপারে ঈর্ষা আমাকে আপনাকে না পাওয়া আর অতৃপ্তদের দলেই রাখবে আজীবন। নদীর এ-কুল আজীবন ও-কুলের কথা ভেবে আফসোসই করবে। এটাই বাস্তবতা।
তবে আখিরাতের ব্যপারে যদি ঈর্ষা হয়, এ ঈর্ষারও মুলযায়ন করা হবে। যদি নাও হতে পারি তাদের মত, অন্তত কিয়ামতের দিন আল্লাহর সামনে দাড়িয়ে এতটুকু তো বলা যাবে,
আল্লাহ! তোমার প্রিয় বান্দাদের মত হতে পারি নি। তবে তাদের ভালবাসতাম। তাদের মত হতে চাইতাম। আমাকে তাদের সাথেই রাখুন।
▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂
লিখেছেনঃ রিযওয়ানুল কবির সানিন ( আল্লাহ্ তাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন, আ-মীন)

15/06/2020

সবচেয়ে বড় রিমাইন্ডার কি?? দুনিয়ায় হাজারো রিমাইন্ডার দেয় মানুষ কেউ সালাতের, কেউ পড়াশোনার, কেউ আমল করার, কেউ ভালো কাজ করার। কিন্তু এই রিমাইন্ডার গুলো একটা আসল সত্যের কাছে ম্লান হয়ে যায়। কি সেই সত্য, কি সেই রিমাইন্ডার??
কেউ যদি হৃদয়ের গহীন থেকে এই রিমাইন্ডার গ্রহণ করে তাহলে দুনিয়ার সকল ছোট রিমাইন্ডার গুলোকে তুচ্ছ মনে হবে, ব্যক্তি এভাবেই সত্যের পথে ফিরে আসবে, তখন আর দুনিয়ায় পিছু পিছু ছুটবে না। হারামের পথে দেখেও সুখ খুঁজে বেড়াবে না।
সেই রিমাইন্ডার আর কিছু নয়, তাহলো মৃত্যু। এই মৃত্যুর চিন্তাই পারে ব্যক্তিকে ভালো কাজে উদ্ভুত করতে, দুনিয়াবিমুখ হয়ে আখিরাতের আমলে নিজেকে এগিয়ে নিতে।

14/04/2020

ঈর্ষণীয় বেতন, তার উপরে নিরাপদ চাকুরী, তবুও জামিল সাহেবের দিনকাল ভালো কাটেনা। এতো এতো টাকা উপার্জন করেও মাসের অর্ধেক গেলে অন্যের কাছে হাত পাততে হয়। ঋণের পরিমাণ বাড়তে থাকে প্রতিনিয়ত। কখনও আবার অসুস্থতা, কখনও বা পারিবারিক কলহ লেগেই আছে তার। ব্যাংকের এই উচ্চপদ কখনই তাকে মানসিকভাবে তৃপ্ত করতে পারেনি বরং দিনকে দিন কষ্টই বাড়িয়েছে। ওদিকে ডাক্তার বলে দিয়েছে তার রক্তে সুগার বেড়েছে, হার্টের অবস্থাও খুব একটা ভালো নয়। খাওয়া-দাওয়া কমিয়ে দিতে হবে। সব মিলিয়ে তার আর দুধেভাতে থাকা হচ্ছেনা।
ইদানিং তাকে দুই এক ওয়াক্ত নামাজ পড়তে দেখা যায়। নামাজের পর তার ভিতরে এক অজানা প্রশান্তি কাজ করে। সে ধীরে ধীরে পাক্কা নামাজী হয়ে ওঠে। ফজর ওয়াক্তেও তাকে মাসজিদে পাওয়া যায়। নামাজ শেষে মাসজিদের পাঠাগার থেকে সে এখন বিভিন্ন বইপত্র পড়ে। একদিন সূদ বিষয়ক একটি বইয়ের কয়েকটি পাতা উল্টিয়ে বিভিন্ন দলিলাদি দেখে তার চোখ ইয়া বড় হয়ে উঠে। নিজেকে সে ধিক্কার দিয়ে বলতে থাকে, "এ আমি কি করছি! আপন মায়ের সাথে জ্বিনা? আল্লাহ ও তার রাসূল (সাঃ) - এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ? - আস্তাগফিরুল্লাহ! হাশরের মাঠে আমি আল্লাহকে কি জবাব দিব?

সে দেরী না করে এই চাকুরী থেকে অব্যহতি নিয়ে নিল। তার চেহারার ভাষা বলে দিল, তার মাথা থেকে কয়েক টন বোঝা হাল্কা হয়ে গেছে। এখন তার বেশ ফুরফুরে লাগে। একটা ব্যবসায় পুঁজি খাটিয়ে মাসে যা আসে তাতেই পরিবারের সবার দেখভাল আরামসে হয়ে যায়।
মাঝে মাঝে সে লুকিয়ে লুকিয়ে কাঁদে। শতশত মানুষের ভীড়ে মহান আল্লাহ তাকে বাছাই করে হালাল পথে এনেছেন, শুধুমাত্র এই খুশিতে।।

Address

Ghatail
Tangail
001

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Message Of Islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share