"সব সমস্যার সমাধান, দিতে পারে আল-কোরআন"

  • Home
  • Bangladesh
  • Sylhet
  • "সব সমস্যার সমাধান, দিতে পারে আল-কোরআন"

"সব সমস্যার সমাধান, দিতে পারে আল-কোরআন" And who is better in speech than him who invites towards Allah and does righteousness and says, 'I am muslim'.

05/12/2024

𝗣𝗿𝗼𝗺𝗼𝘁𝗶𝗻𝗴 𝗥𝗲𝗹𝗶𝗴𝗶𝗼𝘂𝘀 𝗛𝗮𝗿𝗺𝗼𝗻𝘆 𝗶𝗻 𝗕𝗮𝗻𝗴𝗹𝗮𝗱𝗲𝘀𝗵: 𝗔 𝗛𝗶𝗻𝗱𝘂 𝗟𝗲𝗮𝗱𝗲𝗿 𝗦𝗽𝗲𝗮𝗸𝘀 𝗢𝘂𝘁 𝗔𝗴𝗮𝗶𝗻𝘀𝘁 𝗣𝗿𝗼𝗽𝗮𝗴𝗮𝗻𝗱𝗮

𝑰𝒏 𝒕𝒉𝒊𝒔 𝒑𝒐𝒘𝒆𝒓𝒇𝒖𝒍 𝒂𝒏𝒅 𝒊𝒏𝒔𝒊𝒈𝒉𝒕𝒇𝒖𝒍 𝒔𝒑𝒆𝒆𝒄𝒉, 𝒂 𝒑𝒓𝒐𝒎𝒊𝒏𝒆𝒏𝒕 𝑯𝒊𝒏𝒅𝒖 𝒍𝒆𝒂𝒅𝒆𝒓 𝒇𝒓𝒐𝒎 𝑩𝒂𝒏𝒈𝒍𝒂𝒅𝒆𝒔𝒉 𝒅𝒊𝒔𝒄𝒖𝒔𝒔𝒆𝒔 𝒕𝒉𝒆 𝒊𝒎𝒑𝒐𝒓𝒕𝒂𝒏𝒄𝒆 𝒐𝒇 𝒎𝒂𝒊𝒏𝒕𝒂𝒊𝒏𝒊𝒏𝒈 𝒓𝒆𝒍𝒊𝒈𝒊𝒐𝒖𝒔 𝒉𝒂𝒓𝒎𝒐𝒏𝒚 𝒂𝒎𝒐𝒏𝒈 𝒅𝒊𝒇𝒇𝒆𝒓𝒆𝒏𝒕 𝒇𝒂𝒊𝒕𝒉𝒔 𝒊𝒏 𝒐𝒖𝒓 𝒏𝒂𝒕𝒊𝒐𝒏. 𝑯𝒆 𝒉𝒊𝒈𝒉𝒍𝒊𝒈𝒉𝒕𝒔 𝒉𝒐𝒘 𝒏𝒆𝒊𝒈𝒉𝒃𝒐𝒓𝒊𝒏𝒈 𝒄𝒐𝒖𝒏𝒕𝒓𝒊𝒆𝒔 𝒖𝒔𝒆 𝒕𝒉𝒆𝒊𝒓 𝒎𝒆𝒅𝒊𝒂 𝒕𝒐 𝒔𝒑𝒓𝒆𝒂𝒅 𝒇𝒂𝒍𝒔𝒆 𝒑𝒓𝒐𝒑𝒂𝒈𝒂𝒏𝒅𝒂 𝒂𝒃𝒐𝒖𝒕 𝑩𝒂𝒏𝒈𝒍𝒂𝒅𝒆𝒔𝒉’𝒔 𝒊𝒏𝒕𝒆𝒓𝒇𝒂𝒊𝒕𝒉 𝒓𝒆𝒍𝒂𝒕𝒊𝒐𝒏𝒔𝒉𝒊𝒑𝒔 𝒂𝒏𝒅 𝒔𝒐𝒄𝒊𝒂𝒍 𝒖𝒏𝒊𝒕𝒚. 𝑻𝒉𝒊𝒔 𝒎𝒆𝒔𝒔𝒂𝒈𝒆 𝒊𝒔 𝒂 𝒄𝒂𝒍𝒍 𝒇𝒐𝒓 𝒖𝒏𝒊𝒕𝒚 𝒂𝒏𝒅 𝒕𝒓𝒖𝒕𝒉 𝒊𝒏 𝒕𝒉𝒆 𝒇𝒂𝒄𝒆 𝒐𝒇 𝒎𝒊𝒔𝒍𝒆𝒂𝒅𝒊𝒏𝒈 𝒏𝒂𝒓𝒓𝒂𝒕𝒊𝒗𝒆𝒔.

𝙅𝙤𝙞𝙣 𝙪𝙨 in spreading this message of peace and solidarity. Share this video to showcase how Bangladesh stands strong in its cultural diversity and harmony.𝙘𝙪𝙡𝙩𝙪𝙧𝙖𝙡 𝙙𝙞𝙫𝙚𝙧𝙨𝙞𝙩𝙮 𝙖𝙣𝙙 𝙝𝙖𝙧𝙢𝙤𝙣𝙮.

🎥 Watch the full speech to understand how we can counter misinformation with truth and foster respect among all communities.




















02/09/2024

আল্লাহকে যারা বেসেছে ভালো, দুঃখকি আর তাদের থাকতে পারে?
হতাশা কি আর তাদের থাকতে পারে?

04/04/2022
10/02/2022
20/09/2021

যে মানুষটা নিজের কাজে খুব ধীরস্থির, খুব ভেবেচিন্তে, গুছিয়ে কাজ করতে ভালােবাসে, মসজিদে এলে সেই মানুষটাও কেমন যেন তাড়াহুড়াে শুরু করে। দুনিয়ার কাজকর্মে যিনি ‘মান ধরে রাখতে খুবই তৎপর, মসজিদে এলে তাকেও খুব অগােছালাে পাওয়া যায়। খুব অদ্ভুত আমাদের আচরণ! আমরা আমাদের ব্যবসায়ে বারাকাহ চাই, আমাদের হায়াত বৃদ্ধি হােক চাই, আমাদের বিপদ দূর হােক চাই, আমরা চাই যে, আমাদের ধনসম্পদ উত্তরােত্তর বৃদ্ধি পাক। কিন্তু, এই যে ব্যবসায়ে বারাকাহ, হায়াত বৃদ্ধি, বিপদ দূরীকরণ কিংবা ধনসম্পদের উপর্যুপরি বৃদ্ধি পাওয়া—এসবকিছুই যার হাতে, যার নিয়ন্ত্রণে এবং যার অধীন—সেই মহান রবের সান্নিধ্য পাবার সবচেয়ে কার্যকরী মূহূর্ত হচ্ছে সালাত। অথচ, সেই সালাতেই আমাদের রাজ্যের উদাসীনতা। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়, সালাত জিনিসটা যেন আমাদের ওপর খুব জোর করে চাপিয়ে দেওয়া কোনাে বস্তু। কোনাে রকমে দুটো সিজদা দিয়ে কাজ সারতে পারলেই যেন আমরা দিব্যি বেঁচে যাই।

দুনিয়ায় খ্যাতি লাভ করেছে এমন কিছু মানুষের সান্নিধ্যে যাওয়ার অল্প কিছু সুযােগ আমার হয়েছে। দেখেছি, তারা যখন কথা বলেন তখন তাদের আশপাশে থাকা মানুষগুলাে গভীর মনােযােগ আর স্থিরতা নিয়েই তাদের কথা শুনতে থাকে। কোনাে অক্ষর, কোনাে শব্দ, কোনাে বাক্য তারা বাদ দিতে চায় না। হৃদয়-মননে যেন। সবটুকু গেঁথে নিতে পারলেই ভক্তকুল ধন্য হয়। দুনিয়ার সেলিব্রিটিদের সান্নিধ্য আর
তাদের কথা শােনার জন্য আমাদের ব্যাকুলতার কমতি নেই। অথচ, যিনি রাল। অনীহা, অনিচ্ছা, অনাগ্রহ। সালাতে দাঁড়ালেই আমাদের মন উথালপাথাল করে। ওঠে। অফিসে রেখে আসা আমার অর্ধসমাপ্ত হিশেব, মিস করে যাওয়া বিকেলের । অ্যাপয়েন্টমেন্ট, রাতের খােশগল্পের আড়া—সবকিছুই আমাদের হৃদয়পটে ভেসে। উঠতে থাকে। বিক্ষিপ্ত মন নিয়ে আমরা তখন যন্ত্রের মতন উঠবস করি মাত্র। এই অনীহা, অনাগ্রহের কারণ হলাে, আমরা সালাতকে কেবল আনুষ্ঠানিক “ইবাদত মনে করি। চাপিয়ে দেওয়া কোনাে বােঝা মনে করি বলেই সালাতে আমাদের মন বিক্ষিপ্ত হয়ে পড়ে। যখনই আমরা সালাতকে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার সাথে যােগাযােগের মাধ্যম মনে করতে পারব, যখনই আমরা বুঝতে পারব যে, সালাতই আল্লাহর নৈকট্য লাভের সবচেয়ে কার্যকরী মাধ্যম। যখন মনের মধ্যে আল্লাহর জন্য অপরিসীম ভালােবাসা জমা করতে পারব, তখনই আমাদের সালাতগুলাে মধুময় হয়ে উঠবে।

আরিফ আজাদ

14/05/2021

ঈদ মোবারক।
সবাইকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা।
আল্লাহ আপনাদের এবং আমাদের সব নেক আমল কবুল করুন।
আমীন।।

06/12/2020

#পরকীয়া_ঠেকাতে_১০_নির্দেশনা

বর্তমান সময়ে এক মহামারির নাম পরকীয়া। বিবাহবহির্ভূত এমন অবৈধ সম্পর্কের কারণে সংসারে অশান্তি-ভাঙন সৃষ্টি হচ্ছে। এমনকি জঘন্য হত্যাকাণ্ডও সংঘটিত হচ্ছে। পুরুষ-নারী উভয়কেই পরকীয়ায় জড়িত থাকতে দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে জীবন-জীবিকার তাগিদে অনেক মানুষ স্ত্রী-সন্তান ও স্বজনদের জন্য পরিবার থেকে দূরে থাকে। ফলে অনেক সময় তাদের স্ত্রী পরকীয়া, অবৈধ সম্পর্ক ও যেনা-ব্যভিচারে জড়িত হয়ে পড়ে।

স্ত্রী থেকে দূরে থাকা স্বামীর বিরুদ্ধেও একইরকম অভিযোগ আছে। এমনকি স্বামী-স্ত্রী দু’জনে কাছাকাছি থেকেও তাদের ‘মনের দূরত্ব’ এমন অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে। মানুষ কীভাবে যেনা-ব্যভিচার ও পাপাচার থেকে নিজেকে রক্ষা করবে? এ থেকে বেঁচে থাকতে পুরুষ-নারীদের করণীয়ই বা কী?

ইসলামের দৃষ্টিতে নারী-পুরুষ সবার জন্য পরকীয়া ও যেনা-ব্যভিচার অত্যন্ত জঘন্য গোনাহের কাজ। এটি কবিরা গোনাহ, মারাত্মক দণ্ডনীয় অপরাধ এবং ঘৃণিত কাজ। ইসলামে দণ্ডনীয় যত শাস্তি আছে, এরমধ্যে যেনা-ব্যভিচার তথা পরকীয়ার শাস্তিই সবচেয়ে কঠিন ও মারাত্মক।

সাক্ষ্যপ্রমাণ সাপেক্ষে এ অপরাধের দুটি শাস্তি। একটি হলো- অবিবাহিত অপরাধীর জন্য সর্বশক্তি প্রয়োগে ১০০ বেত্রাঘাত ও এক বছরের জন্য নির্বাসন তথা জেল। আর বিবাহিত অপরাধীর জন্য পাথর নিক্ষেপে মৃত্যু নিশ্চিত করা।

সুতরাং পুরুষ-নারী যেই পরকীয়ায় লিপ্ত হবে সে গোনাহগার হওয়ার পাশাপাশি শাস্তিযোগ্য অপরাধে অপরাধী বলে গণ্য হবে।

পরকীয়া থেকে বিরত রাখতে ১০ দিকনির্দেশনা

শরিয়তের দৃষ্টিকোণ থেকে ইসলামিক স্কলারদের মতামতের ভিত্তিতে মারাত্মক অপরাধ পরকীয়া, যেনা-ব্যভিচার থেকে নিজেদের রক্ষা করতে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা।

>>স্বামীর সঙ্গে থাকা

স্ত্রী যদি প্রবল আশঙ্কা করে যে, স্বামীর অনুপস্থিতিতে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হবে না বা যেনা-ব্যভিচার ও পাপাচারে জড়িয়ে পড়বে; তাহলে শরিয়তের দৃষ্টিতে স্বামীর কাছে তার এ দাবি করার অধিকার আছে যে-

-হয় সে (স্বামী) তাকে (স্ত্রীকে) সঙ্গে করে বিদেশে নিয়ে যাবে। অথবা

-স্বামী তাকে রেখে একাকী বিদেশ বা দূরের সফর থেকে বিরত থাকবে।

কারণ বিয়ের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো নিজের ইজ্জত-সম্ভ্রম হেফাজত করা এবং গোনাহের কাজ থেকে নিজেকে রক্ষা করা।

>>খোলা তালাক নেয়া

স্বামী যদি স্ত্রীর দাবি, একসঙ্গে থাকার পরামর্শ বা নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে অর্থ উপার্জনের উদ্দেশ্যে দূরে কোথাও গমন করে তাহলে স্ত্রীর জন্য ‘খোলা তালাক’ নেয়া জায়েজ আছে। এতে স্বামীর দূরে অবস্থানের কারণে বিয়ের অন্যতম মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হয় এবং নারীর ঈমান ও চরিত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয় কিংবা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনার আশঙ্কাই বেশি।

-খোলা তালাক : কোনো কিছুর বিনিময়ে স্ত্রী নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে নেয়াই হলো খোলা তালাক। এক্ষেত্রে স্বামী সে বিনিময়টি গ্রহণ করে স্ত্রীকে বিচ্ছিন্ন করে (তালাক) দেবে। এ বিনিময় হতে পারে স্বামীর দেয়া মোহরানার টাকা কিংবা এর চেয়ে বেশি সম্পদ কিংবা কম।

>>আমল করা

যাদের স্বামী দূরে থাকে তাদের জন্য যদি উল্লিখিত কোনোটিই সম্ভব না হয় তবে-

- ধৈর্যধারণ করবে,

- নিয়মিত নফল রোজা রাখবে; বিশেষ করে সোম ও বৃহস্পতিবার এবং আরবি মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখের আইয়্যামে বিজের রোজা রাখা। এবং

- কুরআন তেলাওয়াত ও অধ্যয়ন, ইসলামিক জ্ঞানার্জন, সাংসারিক ও অন্যান্য উপকারী কাজকর্মসহ নিজেকে ইবাদত বন্দেগি ব্যস্ত রাখার চেষ্টা করা।

>>স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখা

নিয়মিত স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে একে অপরের প্রতি সুসম্পর্ক ও ভালোবাসা অটুট রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত রাখা।

>>অশ্লীল বিনোদন পরিহার করা

নাটক, সিনেমা, গান-বাজনা, অশ্লীলতা ও অসৎসঙ্গ তথা যৌন উত্তেজক সব মাধ্যম থেকে নিজেকে দূরে রাখা। কারণ যৌন উত্তেজক এসব বিষয়গুলো মানুষের মনে কু-প্রবৃত্তি ও কামনা-বাসনার আকাঙ্ক্ষাকে বাড়িয়ে দেয়। সুতরাং তা থেকে বিরত থাকা খুবই জরুরি।

>>গায়রে মাহরাম থেকে দূরে থাকা

মাহরাম নয়, এমন পরপুরুষের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ ও যোগাযোগ না রাখা। কেননা চারিত্রিক নির্মলতা ও মানসিক পবিত্রতা রক্ষায় এটি খুবই জরুরি।

বিশেষ করে স্বামীর অনুপস্থিতিতে-

স্বামীর বা নিজের নিকটাত্মীয় তথা- দেবর, ভাসুর, চাচাতো ভাই, ফুফাতো ভাই, মামাতো ভাই, খালাতো ভাই, ভগ্নিপতি (দুলাভাই) বেয়াই ইত্যাদি ব্যক্তিকে নিজ ঘরে প্রবেশের সুযোগ না দেয়া। প্রয়োজন না থাকলে যোগাযোগ তথা দেখা-সাক্ষাৎ না করাই উত্তম।

একান্তই প্রয়োজন হলে, পরিপূর্ণ পর্দার সঙ্গে সামনে না এসে পেছন থেকে কথা বলা। কথা বলার ক্ষেত্রে হাসাহাসি, আবেগ ও কোমল কণ্ঠ পরিহার করাও আবশ্যক।

>>ফেতনা থেকে দূরে থাকা

গায়রে মাহরাম তথা যাদের সঙ্গে দেখা করা হারাম, সেসব পুরুষের সঙ্গে হাসি, দুষ্টুমি, হাতাহাতি, সামনা-সামনি খেলাধুলা, স্পর্শ এবং বিনা প্রয়োজনে দৃষ্টিপাত, কথাবার্তা, ফোনালাপ, মেসেজিং, ভিডিও চ্যাটিংসহ কোনো জিনিস-পত্র আদান প্রদান থেকে দূরে থাকা আবশ্যক।

কেননা এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ফেতনা সংঘটিত হয়। আর এর মাধ্যমেই পরকীয়া, যেনা-ব্যভিচার ও পাপাচারের মতো মারাত্মক অপরাধের বীজ অঙ্কুরিত হয়।

>>বিশ্বস্ত নারীর সঙ্গে থাকা

শয়তানের কুমন্ত্রণা ও কু-প্রবৃত্তির তাড়না থেকে বাঁচতে যেসব স্ত্রীর স্বামীরা পরিবার হতে দূরে অবস্থান করে তাদের একাকী কোথাও বসবাস না করাই ভালো। যাদের সন্তান আছে, তারা সন্তানদের সঙ্গে রাখবে। সন্তান না থাকলে সম্ভব হলে মা, বোন, বোনের মেয়ে, ভাইয়ের মেয়ে, ননদ, শাশুড়ি, মা, বাবা কিংবা আপনসহ নিকটাত্মীয় নারীদের সঙ্গে থাকা উত্তম।

>>অযথা বাইরে না যাওয়া

ঘর কিংবা বাসার বাইরে না যাওয়া। একান্ত প্রয়োজনে কাছাকাছি বাইরে যাওয়ার দরকার হলে, পূর্ণাঙ্গ পর্দার সঙ্গে বের হওয়া এবং যথাযথ দায়িত্ব পালন করা। বাইরে বের হওয়ার ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো বেশি খেয়াল রাখা জরুরি। তা হলো-

-কোনোভাবেই সুগন্ধি ব্যবহার না করা। যা মানুষকে আকর্ষণ করে।

-এমন সাজসজ্জা গ্রহণ না করা যাতে পরপুরুষের দৃষ্টি আকর্ষণ হয়।

-হাত, মুখমণ্ডল ও পা ঢেকে রাখা।

-বোরকা ও হিজাব চাকচিক্যপূর্ণ না হওয়া।

>>আল্লাহকে ভয় করা

সর্বোপরি মহান আল্লাহকে বেশি বেশি ভয় করা। যেনা-ব্যভিচার, পাপাচার ও পরকীয়ার জন্য দুনিয়ার শাস্তির পাশাপাশি পরকালের জাহান্নামের শাস্তির কথা অন্তরে জাগ্রত রাখা। স্ত্রী অথবা স্বামীর আবেগ ও ভালোবাসাপূর্ণ কথাগুলো বেশি বেশি স্মরণ করা এবং প্রিয় মানুষটি ও নিজের জন্য আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করা।

বিবাহিত ও অবিবাহিত সব মুমিন-মুমিনা পুরুষ-নারীদের উচিত কুরআন সুন্নাহ নির্দেশিত শৃঙ্খলিত জীবন যাপন করা। আল্লাহর সাহায্য কামনা করা।

আল্লাহ তা’আলা মুসলিম উম্মাহর সব বিবাহিত ও অবিবাহিত পুরুষ-নারীর পরকীয়া, যেনা-ব্যভিচার ও পাপাচার থেকে হেফাজত থাকতে ইসলামি দিকনির্দেশনা মেনে চলার তাওফিক দান করুন। দুনিয়া ও পরকালের কল্যাণে নিজেদের ইসলামি জীবন-যাপনে অভ্যস্ত হওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

27/03/2020

মুসলিমাহ নারীদের কাজ "বাচ্চা জন্ম দেওয়া" এবং "স্বামীকে খুশি করা"?

আউযুবিল্লাহি মিনাশ শায়তানির রজিম। বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম

মুসলিমাহ নারীদের কাজ "বাচ্চা জন্ম দেওয়া" এবং "স্বামীকে খুশি করা" বলতে শুনলেই আমাদের মুসলিমদের গায়ে যেন দাউদাউ করে আগুন জ্বলে যায়! কেন, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা কি এটাই আমাদের প্রধান দায়িত্ব করে দেন নি? আল্লাহর তা'আলার ইবাদতের জন্য আমাদেরকে সৃষ্টি করা হয়েছে। সত্যি কথা। কিন্তু একজন নারীর প্রধান দায়িত্ব কি??

যেই চারজন নারী জান্নাতের সর্বশ্রেষ্ঠ আসনে থাকবেন, যারা দুনিয়া ও আখিরাতে সবচেয়ে সম্মানিত, যাদের মর্যাদা পুরো পৃথিবীর সব নারীর মধ্যে সবচাইতে বেশি; তাঁরা এই অবস্থানে কেন আছেন??

কি করেছিলেন তাঁরা? কীভাবে আল্লাহর ইবাদত করেছেন যে তাদের মর্যাদা আল্লাহর কাছে এতোটা বেড়ে গেছে??

এই চারজনের প্রত্যেকেই তাদের মা এবং স্ত্রী হবার কর্তব্য পালনের মধ্য দিয়েই এই মর্যাদার উপযোগী হয়েছেন।

মারইয়াম (রা) হলেন সেরাদের সেরা। তিনি সমগ্র বিশ্বের নারীদের মাঝে সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী। তাকে নিয়ে কুর'আনে বলা হয়েছে -

"হে মারইয়াম, আল্লাহ তোমাকে পছন্দ করেছেন এবং তোমাকে পবিত্র পরিচ্ছন্ন করে দিয়েছেন। আর তোমাকে বিশ্ব নারী সমাজের ঊর্ধ্বে মনোনীত করেছেন।" [সূরা আলে ইমরান: আয়াত ৪২]

এই মারইয়াম, আল্লাহর কাছে তাঁর সম্মান পেয়েছেন ঈসা (আ) এর মা হবার কারণে। একজন মা হওয়া অনেক বড়ো ব্যাপার। মা হবার কষ্ট, ধৈর্য্য, সন্তান লালন-পালন এবং সুসন্তান গড়ে তোলা বিশাল ব্যাপার, বিশাল! এই প্রতিটা কাজ আল্লাহর ইবাদতের অংশ। আর এভাবে ইবাদত করেই তিনি অর্জন করেছেন সর্বশ্রেষ্ঠ অবস্থান।

দ্বিতীয় খাদিজা (রা)। নবীজি (সা) এর জন্য তিনি কতো ত্যাগস্বীকার করেছেন, পড়তে পড়তে চোখ দিয়ে পানি আসে। সত্যি বলবো, আমি জানি, আমি কোনদিন এতোটা করতে পারবো না নিজের স্বামীর জন্য। বরং আমরা তো অতি তুচ্ছ ব্যাপারেও ধৈর্য্যহারা হয়ে পড়ি।

তৃতীয় এবং চতুর্থ স্থানে আছেন আসিয়া ও ফাতিমা (রা)। দুজনের একজন মা এবং একজন স্ত্রী হিসেবে নিজের দায়িত্ব অত্যন্ত সুষ্ঠুরূপে পালন করেছেন।

এই চারজন নারীর কেউ-ই বাইরে পড়াশোনা করতে যান নি। ঘরের বাইরে গিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য-চাকরিবাকরি করতে যান নি। হ্যাঁ, আপনি বলবেন - ওগুলো তো হাজার বছর আগের কথা ছিল। এখন সময় বদলেছে, এখন নারী-পুরুষ সব সমান। সবাই ঘরের বাইরে যাওয়াই এখন স্বাভাবিক। কিন্তু আমাদেরকে বুঝতে হবে, দ্বীনের কিছু কন্সট্যান্ট বিষয় আছে। দ্বীনের এই ভিতগুলো যুগের সাথে সাথে পরিবর্তিত হয়ে যায় না। আল্লাহ তা'আলা ইসলামকে সব যুগের উপযোগী করেই প্রেরণ করেছেন। এতে হেরফের করার কোন প্রয়োজন নেই।

আমরা সঠিক ইসলামের অনুসারী হলে জেনে থাকবো, আমাদের দুনিয়া ও আখিরাতের চূড়ান্ত সাফল্য কখোনোই এইসব দুনিয়াবি পড়াশোনা কিংবা ক্যারিয়ারের ওপর নির্ভর করে না। রিকশাওয়ালার গরিব বউটা, যে বাচ্চা আর সংসার ছাড়া কিছুই জানে না, সেও জান্নাতে এই লন্ডনে পড়া আমার চাইতে উপরে অবস্থান করতে পারে, শুধুমাত্র তার ঈমান, আমল, ও ইবাদতের জোরে। আমাদের শুনতে খারাপ লাগতে পারে, কিন্তু সত্য শ্রুতিমধুর না হলেও বদলে যায় না।

বর্তমান সমাজে সম-অধিকারের জোয়ার এসেছে। মেয়েদেরকে পড়াশোনা করতে হবে। শুধু তাই নয়, আমাদেরকে ক্যারিয়ারিস্ট ও অ্যাম্বিশাস হতে হবে। এই ডিগ্রি নেওয়ার কারণই হলো যেন আমরা আমাদের ক্যারিয়ার নিশ্চিত করতে পারি। যেন দুনিয়াবি একটা পদমর্যাদা প্রতিষ্ঠিত করতে পারি। সমাজ বেধেই দিয়েছে মেয়েদের কাজগুলো কী কী। মেয়েদেরকে পুরুষের মত ঘর থেকে বের হয়ে অবশ্যই চাকরি-বাকরি করতে হবে। কোন নারী যদি নিজের ইচ্ছায় ঘরে বসে থাকে, যদি সে ভাবে "আমি এতো কষ্ট করে চাকরি করতে চাই না, শুধু সন্তানকে সময় দিতে চাই," তাহলে তাকে বাঁকা চোখে দেখা হবে। লোকের নজরে, সমাজের নজরে সে নিশ্চিতভাবেই নিচু বলে গণ্য হবে। আপনি এটাকে "অধিকার" বলেন? আমি বলবো, চাপিয়ে দেওয়া বোঝা। অত্যাচার। জুলুম। এভাবে নারীদেরকে এমন কিছু কাজ করতে বাধ্য করা হচ্ছে যা তার স্বাভাবিক প্রকৃতির সাথেও সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। কিন্তু সমাজের বেধে দেওয়া স্ট্যান্ডার্ড বলে কথা! এবার পালাবি কোথায়? না চাইলেও এই বোঝা বয়ে বেড়াও। তা নাহলে "সম্মান" থাকবে না।

দুঃখজনক হলেও সত্যি, সম্মান আসলেই থাকে না। সম-অধিকারের কথা বলে ফেনা তোলা বুদ্ধিজীবিরা এমনভাবেই আমাদের জীবনের লক্ষ ও উদ্দেশ্যকে মেপে দিয়েছে। এই মাপের চুল পরিমাণ বাইরে গেলেই আমি গোঁড়া, অশিক্ষিত, গোয়ার, মূর্খ, সস্তা হাউজওয়াইফ। আমার চাইতে বাইরে সেজেগুজে কাজ করতে যাওয়া একজন নারীর সম্মান ও মর্যাদা সমাজের চোখে অনেক বেশি। কিন্তু আল্লাহর চোখেও কি তাই? ওয়াল্লাহি, আল্লাহর চোখে যদি তা হতো, তবে কখনোই ঐ চারজন নারী জান্নাতের সর্বোচ্চ আসনের অধিকারী হতেন না।

এবার একটু চিন্তা করে দেখি, কাদের থেকে এই বিকৃত চিন্তার সূচনা?? কারা আমাদেরকে এমন বিকৃত মানসিকতা উপহার(!) দিচ্ছে?

নিঃসন্দেহে ইসলামের বিপরীতে অবস্থিত কিছু মানুষের মগজ থেকে এসবের আগমন। যেই মগজে শয়তান দখল বসিয়ে ভিত্তিহীন কথা বের করে। আমি একবার এখানে এক feminist activist এর সাথে কথা বলেছিলাম। অমুসলিম এক মেয়ে। তাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, তোমরা অধিকার চাও ঠিক আছে। কার সমান অধিকার চাও? পুরুষের সমান??

হাস্যকর, একজন নারী হয়ে, নারীত্বকে বিলীন করে দিয়ে "পুরুষ জাত"এর সমান হওয়াটাই নাকি আমাদের জীবনের মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত!

তাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, তোমাদের গন্তব্য কী? ওদের গন্তব্য শেষ পর্যন্ত feminist কাউকে সরকারের উঁচু পদে বসানো। আমি বললাম, তাহলে সেটা কি একজন পুরুষের জন্য unfair হয়ে যায় না? আমরা নিশ্চয়ই জানি, নারী ও পুরুষ এক ধাচে চিন্তাভাবনা বা কাজকর্ম করে না। শারীরিক, মানসিক সবখানেই আমাদের কিছু পার্থক্য স্বাভাবিক ভাবেই আছে। তাহলে একজন ফেমিনিস্ট যখন আইন তৈরি করবে, স্বভাবতই তা হবে নারীদের পক্ষে এবং পুরুষের প্রকৃতি ও স্বভাবের বিপক্ষে। কারণ একজন মানুষের পক্ষে বিপরীত লিঙ্গকে ঠিক বিপরীত লিঙ্গের মত করে বোঝা সম্ভব নয়। ঠিক একই কারণে পুরুষদের তৈরি আইনও নারীদের জন্য যথাযথ হয় না। মেয়েটা একমত হয়েছিল।

কিন্তু তার কাছে কোন সমাধান ছিল না। আল্লাহর পরিচয় নিয়ে গাফেল কারো কাছ থেকে আমি সমাধান পাবার আশাও করি না। কিন্তু সুবহান আল্লাহ! আল্লাহ আমাদেরকে ইসলাম দিয়েছেন। প্রতিটা সমস্যার সমাধান দিয়েছেন। আমাদের জন্য সর্বোৎকৃষ্ট আইন তৈরি করে দিয়েছেন। নারীবাদ বা পুরুষতান্ত্রিক একপেশে আইন নয়, মহান রবের পক্ষ থেকে আগত আইন, যিনি আমাদের সৃষ্টিকর্তা এবং আমাদের সম্পর্কে সর্বাধিক অবগত। এই মহান আল্লাহ তা'আলা আমাদেরকে আমাদের দায়িত্ব শিখিয়ে দিয়েছেন। তাই আল্লাহপ্রদত্ত দায়িত্বগুলো কখনোই আমাদের ওপর জুলুম, অন্যায়, unfair নয়। হতে পারে না। আল্লাহ তা'আলা নারীকে মাতৃত্ব ও স্ত্রীত্বের দায়িত্ব দিয়ে অসম্মানিত বা জুলুম করেন নি, বরং এই সমাজের নিয়মগুলোই জুলুম। আপনি বুঝতে পারছেন না, আপনার কাছে ইসলামের সমাধানটা যুগের অনুপযোগী মনে হচ্ছে, আপনার চিন্তার সীমাবদ্ধতার কারণে। খোলা মনে আলোচনায় বসুন, জ্ঞানী ব্যক্তিদের সাথে কথা বলুন, আপনার সংশয়-সন্দেহ দূর হবে ইনশাআল্লাহ।

আমরা আজকে ইসলামের আদর্শ থেকে হয়ত কয়েক আলোকবর্ষ দূরে পড়ে আছি। আমরা পড়াশুনা কমপ্লিট করার জন্য বিবাহের মত প্রয়োজনীয় ইবাদত পালন করতে দেরী করি, চাকরি করার জন্য জন্ম-নিয়ন্ত্রণ পিল ব্যবহার করি! সুবহান আল্লাহ! মা হবার মর্যাদাকে আমরা এতো সহজে উপেক্ষা করে ফেলছি। ক্যারিয়ার নিশ্চিত করতে আজ আমরা স্বামীকে সময় দেওয়ার ফুসরত পাই না। হায়! কোথায় মারইয়াম, খাদিজা, ফাতিমা, কোথায় আমরা! অথচ আমরাই "নারীদের পড়াশুনার বিপরীতে" কেউ কিছু বললে ধেয়ে যাই। তাকে পারলে সেখানেই ক্ষত-বিক্ষত করে ফেলি। তাকে বুঝাতে যাই, খাদিজাও তো ব্যবসা করেছিল, হুম! অথচ আমরা ভুলে যাই, খাদিজা ব্যবসা করার জন্য্যে বাড়ির বাইরে পা রাখেন নি। আমরা মনে রাখতে চাই না, খাদিজা, মারইমায়, আসিয়া, ফাতিমাদের জীবনের অন্যান্য দিকগুলো! আমরা এভাবে ভাবি না যে, উনারা তো সেক্যুলার পড়াশুনাও করেন নি, তবে আমরা কেন ফিতনা মাথায় নিয়েও সেক্যুলার পড়াশোনা ও চাকরি-বাকরি করবো?

এবার একটু চিন্তা করে দেখুন, কেন আমরা "সেক্যুলার শিক্ষা"র বিপরীতে যুক্তি শুনলে এতো খেপা? কেন স্ত্রী হবার কথা, বাচ্চা নেবার কথা আসলেই আমাদের মুখ চুপসে যায়? কেন আল্লাহর দেওয়া নারীদের ঘরের ভেতরে থাকার নির্দেশটা আমাদের চোখে পড়ে না?

এর কারণ আমরা আসলে ইসলামকে দেখি কাফেরদের লেন্স থেকে। তারা যেভাবে দেখাতে চায়, সেভাবে। কাফের ভার্সনের একটা মডারেট ইসলাম তৈরি হয়েছে। সেখানে ইসলামের লেবাস জড়িয়ে জাহেলিয়াত পালন করা যায়। আমরা জেনে না জেনে সেটাই করি। কাফেররা আমাদেরকে ফেমিনিজম শেখাতে চেয়েছে, তারা সফল। আমাদেরকে ক্যারিয়ারিস্ট করতে চেয়েছে, সেখানেও আমরা ধোঁকা খেয়ে বসে আছি।

আজকে সমাজে সম-অধিকারের জয়জয়কার। নারীবাদের দাপটে টেকা দায়! তাই আমি অবশ্যই মনে করি, নারীদের ব্যাপারে ইসলামের সঠিক শিক্ষা, সাহাবীদের ঐতিহ্য ও জান্নাতী রমণীদের জীবন থেকে মানুষকে বোঝানো দরকার খুবই বেশি। এই দায়িত্ব শুধু আলেমদের নয়, এই দায়িত্ব আপনার-আমার-সবার। এই পুরো পোস্টটি লেখার কারণ একজন মাওলানার ভিডিও। যিনি উত্তম ভাষাশৈলী ব্যবহার না করলেও মূলত উপরের বক্তব্যই দিতে চেয়েছেন। এই আলেমকে আমি চিনি না, কোনদিন নামটাও শুনি নি, আর আমি তার অনুসারীও নই। কিন্তু আল্লাহর শপথ, আমি এই আলেমের চাইতে তাদেরকে অনেক বেশি ভয়াবহ ও ইসলামের শত্রু মনে করি, যারা ইসলামের সত্যিকার শিক্ষাকেই বদলে দিচ্ছে। যারা ক্রমাগত কাফেরদের চিন্তাচেতনায় প্রভাবিত হচ্ছে। যারা সমাজের বুদ্ধিজীবিদের এজেন্ডা পালনের জন্যই ইসলামকে ব্যবহার করে চলেছে, জেনে কিংবা না-জেনে।

কই আমরা তো তাদের দিকে তেড়ে যাচ্ছি না। আসলে তারা এতোটাই সূক্ষ্মভাবে আমাদের মন ও মগজকে কব্জা করে ফেলেছে যে, আমরা তাদের চালগুলো ধরতেই পারিনা। কিন্তু প্রভাবিত আমরা নিঃসন্দেহে হয়েছি। আর তাই তো, সেক্যুলার লেখাপড়া বাদ দেবার কথা শুনলে আমাদের মাথা গরম হয়ে যায়। কিন্তু ঘরে বসে স্ত্রীর দায়িত্ব পালন করার কথায় আমরা ইতস্তত করি। তখন আর একমত হতে পারি না যে ইসলাম নারীদের বাইরে যাওয়া অপছন্দ করে। তখন আমাদের চুলকানি শুরু হয়। বাচ্চা পেছানোর কথা উঠলে আমরা তো নির্বিকার। এগুলো যেন কোন সমস্যাই না! নিকাব পরে অনেকের মুখেই শুনি - তুমি কেন নিকাব পরো, এটা কি ফরয? অথচ সেক্যুলার পড়াশোনা একটা মুবাহ বা ঐচ্ছিক কাজ। সেটা নিয়ে কিন্তু আমাদের মনে এতো প্রশ্ন নেই। আমরা আসলে কোন বিষয়টাকে সবচেয়ে গুরুত্ব দিচ্ছি? আল্লাহর ইবাদত, নাকি সমাজের রীতিনীতি? শেষ পর্যন্ত, আমরা আসলে ঐ ইসলামের নামে দুই নৌকায় পা দিয়েই চলছি। জাহেলিয়াতের বীজ এখনো আমাদের মাথায় গেঁড়ে আছে বলেই ইসলামের শিক্ষা মেনে নিতে আমাদের গা কুটকুট করে।

আল্লাহ আমাদেরকে হিদায়াত দিক! আমাদেরকে জাহেলিয়াত থেকে মুক্তি দিক, আমীন।

আমি নিজে সেক্যুলার এডুকেশন নিয়ে পড়ে আছি। আমি হয়ত স্বামীর মন জয় করতে পারছি না, কিন্তু তারপরেও আজ এই বড় বড় কথাগুলো বললাম। নিজের দুর্বলতার কারণে যেন সত্য প্রকাশে আমরা কুণ্ঠিত না হই। সবার কাছে দু'আ চাই যেন সমাজের বেড়াজাল থেকে নিজের চিন্তাচেতনাকে মুক্ত করতে পারি, যেন ইসলামের আলোয় নিজেকে আলোকিত করতে পারি। আমি একজন বিবাহিত নারী। সুতরাং স্ত্রী এবং মা হিসেবে আমার সাফল্যেই আমার দুনিয়া ও আখিরাতের সাফল্য নিহিত। এই কথাটা আমরা সব মুসলিমাহ যত তাড়াতাড়ি বুঝবো, ততোই মঙ্গল।

সবাই আমার জন্য দু'আ করবেন যেন নেক স্ত্রী ও নেক সন্তানদের মা হতে পারি। জাযাকুমুল্লাহু খাইর।

Collected From
Anika Tuba
November 30, 2014
From: Collected notes and discussion

মুখস্ত রাখুন আর শেয়ার করে সবাইকে পৌঁছে দিন।
17/04/2019

মুখস্ত রাখুন আর শেয়ার করে সবাইকে পৌঁছে দিন।

Address

Sylhet

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when "সব সমস্যার সমাধান, দিতে পারে আল-কোরআন" posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share