30/01/2022
সালাফি ভন্ড আবূ ত্বহা আদনানের সাফাই গেয়ে শয়তানের শিং ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব নজদীর অনন্য এক প্রেমিক, কুফরী আকীদা লালনকারী খন্দকার আবদুল্লাহ জাহাঙ্গীরের উত্তরসূরি- আহমদুল্লাহ সাহেবের রেফারেন্স দিয়ে প্রমাণ করতে চাইল, উক্ত ঘটনা সত্য। কেননা এই নজদীপ্রেমী আহমদুল্লাহ'র মতেও উক্ত ঘটনা সত্য।
এদেরকে নিয়ে কি আর বলব!! তবু আবারও বলি-
তাফসীর ইবনে কাসীরে সূরা মুনাফিকুনের ৪নং আয়াতঃ "তুমি যখন তাদের দিকে তাকাও, তখন তাদের দেহাকৃতি তোমাকে মুগ্ধ করে এবং তারা যখন কথা বলে, তখন তুমি সাগ্রহে তা শ্রবণ কর; তারা যেন দেওয়ালে ঠেকানো কাঠের খুঁটি, তারা যে কোন শোরগোলকে মনে করে তাদেরই বিরুদ্ধে। তারাই শত্রু অতএব তাদের সম্পর্কে সতর্ক হও, আল্লাহ তাদেরকে ধ্বংস করুন! বিভ্রান্ত হয়ে তারা কোথায় চলেছে?"-
এর ব্যাখ্যায় রয়েছে-
"তারা দেখতে আকর্ষণীয়, তাদের কথা ও ভাষা প্রশংসনীয়। যখন কোন শ্রোতা তাদের কথা শুনিবে তখন তাদের ভাষার চমৎকার আকর্ষণ ও বর্ণনার মোহনীয়তায় বিমুগ্ধ হবে। এত কিছু সত্ত্বেও তাদের ভিতর রয়েছে সংশয়, কুটিলতা, হতাশা, সন্দেহ প্রবণতা।" [তাফসীর ইবনে কাসীর, সূরা মুনাফিকুনঃ ৪]
ইমাম তিরমিজি রহঃ ফিতনা অধ্যায়ে মারিকা বা খারেজীদের বৈশিষ্ট্য পরিচ্ছেদে উল্লেখ করেন,
রসূলুল্লাহ ﷺ বলেনঃ শেষ যুগে আবির্ভাব ঘটবে এক সম্প্রদায়ের, যারা বয়সে হবে নবীন, বুদ্ধিতে অপরিপক্ক ও নির্বোধ হবে। তারা কুরআন তিলাওয়াত করবে কিন্তু তা তাদের গলার নীচের হাড়ও অতিক্রম করবে না। তারা সৃষ্টির সেরা মানুষের কথাই বলবে, কিন্তু তারা এমনভাবে ধর্ম হতে বেরিয়ে যাবে, যেমনভাবে তীর ধনুক হতে বেরিয়ে যায়। [সূনান আত তিরমিজী ২১৮৮, সুনান ইবনে মাজাহ ১৬৮]
এভাবে ইমাম বুখারী রহঃও বর্ণনা করেন-
হযরত আলী (রঃ) বলেনঃ আমি নবী ﷺ-কে বলতে শুনেছি যে, শেষ যামানায় এমন একদল মানুষের আবির্ভাব হবে, যারা হবে কমবয়স্ক এবং যাদের বুদ্ধি হবে স্বল্প। ভাল ভাল কথা বলবে, কিন্তু তারা ইসলাম থেকে এমনভাবে বের হয়ে যাবে যেমন তীর ধনুক থেকে বেরিয়ে যায়। তাদের ঈমান গলার নীচে পৌঁছবে না। [সহিহ বুখারী ৩৬১১, ৫০৫৭, ৬৯৩০]
রসূলুল্লাহ ﷺ বলেনঃ শেষ যুগে কিছু সংখ্যক প্রতারক ও মিথ্যাবাদী লোকের আবির্ভাব ঘটবে। তারা তোমাদের কাছে এমন সব কথা/বিষয় বর্ণনা করবে যা কখনো তোমরা এবং তোমাদের পূর্বপুরুষরা শোননি। সুতরাং তাদের থেকে সাবধান থাকবে এবং তাদেরকে তোমাদের থেকে দূরে রাখবে। তারা যেন তোমাদের বিভ্রান্ত না করতে পারে এবং তোমাদেরকে ফিতনায় না ফেলতে পারে। [সহিহ মুসলিম, মুকাদ্দামাহ ৭, মিশকাত ১৫৪]