Bangladesh Agniveer, Sylhet Division

Bangladesh Agniveer, Sylhet Division A Humanitarian Vedic Approach

#বাংলাদেশ_অগ্নিবীরের_মূলনীতি _লক্ষ্য_ও_উদ্দেশ্য

বাংলাদেশ অগ্নিবীর বৈশ্বিক মানবতা ও ভ্রাতৃত্ববোধে বিশ্বাসী এবং জাতি-ধর্ম-বর্ণের ভিত্তিতে যেকোন ধরনের বৈষম্যকে প্রত্যাখ্যান করে। আমরা "বসুধৈব কুটুম্বকম" সভ্যতার গর্বিত উত্তরসূরি, আমরা এক জাতি, এক পরিবার ও এক মানবতার ধর্মে বিশ্বাসী এবং সেটি হল এক ও অদ্বিতীয় বৈদিক ধর্ম। যা সকল মানুষকে সমান দৃষ্টিতে দেখে, যার অনুপ্রেরণা এক ও অদ্বিতীয় নিরাকার সর্বব্য

াপক পরমেশ্বর।

→ মূলনীতি←

(১) বাংলাদেশ অগ্নিবীর বৈদিক মানবতার ধর্মে বিশ্বাসী যা পবিত্র বেদে বর্ণিত হয়েছে এবং যা শান্তি, সহিষ্ণুতা, একতা, সত্যবাদীতা ও সততাকে সমর্থন দেয়। কেউ যদি এর সাথে দ্বিমত হয় তবে তার সাথে আলোচনার ভিত্তিতে আমরা ঐকমত্যে আসতে বিশ্বাসী; অর্বাচীন বাক্যালাপ কিংবা ভয়ভীতি প্রদর্শনে নয়। যদিও আজ পর্যন্ত বৈদিক মানবতাবাদের ত্রুটি কেউ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়নি।

(২) অগ্নিবীর পবিত্র বেদে বিশ্বাসী যা মানবজাতির প্রথম ও একমাত্র গ্রন্থ যা ঈশ্বরের প্রেরণায় প্রাপ্ত। অগ্নিবীর অন্য কোন গ্রন্থকেই ঐশ্বরিক বলে বিশ্বাস করেনা এবং এর পেছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে বলেই তা করে না।

(৩) তবে অগ্নিবীর কাউকে অন্ধভাবে বেদ গ্রহণ করতে বাধ্য করেনা কেননা এটি বেদের মৌলিক নীতির বিরুদ্ধে। বেদকে ঐশ্বরিক গ্রন্থ হিসেবে মানা সিদ্ধান্ত হবে, পূর্বনির্ধারিত অন্ধ বিশ্বাস নয়; এটাই বেদের নীতি। তাই বেদকে ঐশ্বরিক হিসেবে বিশ্বাস করেনা এমন লোকদেরও আমরা সমানভাবে মহৎ ও পুণ্যবান মনে করি। যদি তারা সৎ ও চরিত্রবান হয় এবং শুধু "সত্যকে স্বীকার আর মিথ্যাকে প্রত্যাখ্যান" এই নীতিতে বিশ্বাসী হয়।

(৪) অগ্নিবীর ঈশ্বর উপাসনা ও আধ্যাত্মিক উন্নতির জন্য যোগের অষ্টনিয়মে বিশ্বাসী।
যেমন—
• যম- অহিংসা, সত্যবাদিতা, চুরি না করা, মজুদ না করা ,আত্মসংযম।
• নিয়ম - চিন্তা এবং মনের বিশুদ্ধতা, আত্মতৃপ্তি, 'আমি এই অহংকারকে' দ্রবীভূত করে ঈশ্বরে সবকিছু উৎসর্গ করা, পরিশ্রম, অন্তর্দর্শন এবং স্বশিক্ষা।
• আসন - দীর্ঘায়িত সময়ের জন্য ধীরভাবে মনঃসংযোগ ক্ষমতা।
• প্রাণায়াম- শ্বাস প্রক্রিয়ার উপর নিয়ন্ত্রণ আনা।
• প্রত্যাহার - বহিরাগত ব্যাঘাতের থেকে মনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা।
• ধারনা – ঈশ্বর ধারণায় মনোনিবেশ।
• ধ্যান- ধারাবাহিকভাবে নির্দিষ্ট কিছুতে মনোযোগী হওয়া।
• সমাধি – এমন বিশ্বাস অর্জন যে ঈশ্বর আমাদের মধ্যেই।

(৫) অগ্নিবীর জ্ঞানভিত্তিক বিবর্তন পদ্ধতিতে বিশ্বাস করে এবং জোরপূর্বক বিশ্বাস ও অন্ধবিশ্বাস এর পরিণতি সর্বদা বিপরীত ও অনাকাঙ্ক্ষিতই হয় বলে মনে করে। সেহেতু অগ্নিবীর এর পদ্ধতি হল সবচেয়ে সৎ এবং শান্তিপূর্ণ উপায়ে জ্ঞান এবং মানসিক সচেতনতা ছড়িয়ে দেয়া।

(৬) অগ্নিবীর বিশ্বাস করে যে "নারীরা পুরুষদের চেয়ে তুলনামূলক অযোগ্য এবং নারীদের পুরুষদের তুলনায় স্বল্প অধিকার প্রাপ্য" এরূপ যারা বিবেচনা করে তারা বেদ বিরুদ্ধ মানসিকতা লালন করে এবং তারা মানবতার সর্ববৃহৎ শত্রু।

(৭) অগ্নিবীর সম্পূর্ণরূপে সেইসব বিকৃতমস্তিস্কদের বিরুদ্ধে যারা জন্মভিত্তিক বর্ণপ্রথা এবং যোগ্যতাবিহীন বংশপরম্পরার ভিত্তিতে নির্ধারিত গুরুবাদে বিশ্বাস করে এবং এর মাধ্যমে বৈষম্যের সৃষ্টি করে। অগ্নিবীর পবিত্র বেদ বর্ণিত কর্ম ও গুণভিত্তিক শ্রমবিভাজন তথা বর্ণাশ্রম ধর্মে বিশ্বাসী, মানবসৃষ্ট ভ্রান্ত অমানবিক জন্মভিত্তিক বর্ণপ্রথায় নয়।

(৮) অগ্নিবীর দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে 'মাতৃবৎ পরদারেসু' অর্থাৎ শুধুমাত্র নিজ স্ত্রী (একজন) ছাড়া সকল নারী মাতৃস্বরুপ। যে সকল প্রতিষ্ঠান বা অনুষ্ঠান নারীদের ভোগপণ্য হিসেবে উপস্থাপন করে আমরা তাদের দৃঢ়ভাবে বিরোধিতা করি।

(৯) আমরা দুরভিসন্ধিযুক্ত অপপ্রচারকারীদের করা বেদের অশুদ্ধ অনুবাদকে অগ্রহণযোগ্য মনে করি এবং মহর্ষিগণ কর্তৃক অনুবাদিত এবং ভাষ্যকৃত বেদাঙ্গ,নিরুক্তসহ বৈদিক প্রমাণ আশ্রিত বেদ অনুবাদ অনুসরণ করি।

(১০) অগ্নিবীর বদ্ধ মানসিকতায় বিশ্বাসী নয় এবং নিজেদের মতকেই চূড়ান্ত মত বলে দাবী করেনা। আমরা যৌক্তিক আলোচনায় বিশ্বাসী এবং যেকোন প্রমাণিত সত্যকে গ্রহণ করতে প্রস্তুত। সনাতন সম্প্রদায়ের সকল মার্গকেই অগ্নিবীর নিজের ভ্রাতৃসুলভ মনে করে এবং সমগ্র মানবজাতিকে অমৃতের সন্তান হিসেবে শ্রদ্ধা করে।

(১১) সমালোচনা অর্থই ঘৃণা নয়। আমরা এমনকি আমাদের পিতা-মতার সাথেও কোন বিষয়ে বিতর্ক করতে পারি কিন্তু তার মানে এই নয় যে আমরা তাঁদের ঘৃণা করি। তাই প্রচলিত কুসংস্কারের বিরুদ্ধে আমাদের বেদের আদর্শভিত্তিক বক্তব্যসমূহকে নিন্দা বা ঘৃণার চোখে না দেখে যৌক্তিকতার চোখে দেখার আহ্বান জানাই। বৈদিক সত্যের শুভ্র সৈনিক অগ্নিবীরেরা কোনপ্রকারেই কারো সাথে অশালীন তর্ক,অযৌক্তিক বাক্যালাপ,কারো মতকে কুৎসিতভাবে আঘাত করতে পারেনা; বরং শান্তিপূর্ণ সুন্দর আলোচনা করতে পারে মাত্র।

(১২) সর্বশেষে অগ্নিবীর কোন বদ্ধ সংগঠন নয় বরং এটি একটি উন্মুক্ত ধারণা। আপনি যদি বৈদিক যৌক্তিকতার মতে বিশ্বাসী হন ও বাংলাদেশ অগ্নিবীর এর মূলনীতির অনুসারী হন তবে আপনিও একজন অগ্নিবীর! আমরা সকলে অহিংস হই, আমরা একে অপরের শত্রুভাবাপন্ন না হই, আমরা সকলের কল্যাণ কামনা করি, আমরা সকলকে নিজ পরিবারের সদস্য মনে করি। শান্তি, সহিষ্ণুতা এবং পারস্পরিক সহযোগিতা হোক আমাদের অস্ত্র।

→ লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যঃ ←

(১) সনাতন ধর্ম বেদমূলক । "বেদ অখিলো ধর্মমূলম্" - তাই সকল শাস্ত্র বৈদিক সিদ্ধান্তের অনুকুল ভাবেই মান্য করা বিহিত । বর্তমানে বৈদিক সিদ্ধান্তের নামে এবং আড়ালে অনেক সংস্কার ও বিচারধারা প্রবর্তিত হয়েছে যা কুসংস্কার ও সম্প্রদায়গত মতভেদের জন্ম দিয়েছে । তাই বেদের সর্ব প্রামাণ্যতা কথায় নয় বরং কাজে প্রতিষ্ঠা করাই আমাদের সর্বপ্রথম লক্ষ্য ।

(২) "পূর্বেষামপি গুরুঃ কালেনানবচ্ছেদাৎ।
(যোগদর্শন ১/২৬)
অর্থ = সেই ঈশ্বরই সকল গুরুরও গুরু, কেননা কালের দ্বারা তার অবচ্ছেদ নেই।
বর্তমানে অন্ধবিশ্বাসী গুরুবাদের বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টি করা । যোগী, তপস্বী, বেদজ্ঞ গুরুদেব বা আচার্য শিষ্যকে পরমাত্মা প্রাপ্তির পথ দেখাতে পারেন, ভগবদ্ভক্ত করার ক্ষেত্রে সাহায্য করতে পারেন, বেদানুকূলভাবে পঞ্চমহাযজ্ঞ সম্বলিত জীবন পরিচালনার ক্ষেত্রে পরামর্শ দিতে পারেন কিন্তু তাঁর বক্তব্যই শেষ কথা নয় সাথে যুক্তি ও শাস্ত্রীয় প্রামাণ্যতাও আবশ্যক । বর্তমানে অনেক নিজস্ব মতবাদপুষ্ট, বেদবিরোধী­ গুরুবাদের উদ্ভব হয়েছে এবং গুরুকে ঈশ্বর হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে বৈদিক সনাতন সিদ্ধান্তে অনৈক্যের সৃষ্টি হয়েছে যা দূর করা অত্যন্ত অত্যাবশ্যক ও দূরীকরণ করা আমাদের লক্ষ্য ।

(৩) বেদবিরুদ্ধ পশুবলি প্রথার বিলোপ এবং বেদানুকূল সাত্ত্বিক খাদ্য গ্রহণে উৎসাহীকরণ । খাদ্য বিচার নিয়ে সম্প্রদায়গত মতভেদ নির্মূলীকরণ ।

(৪) "জন্ম নয় বরং কর্ম ও গুণে ই বর্ণ" - এই মূলনীতিকে সামনে রেখে কর্ম ও গুণের ক্রমবিকাশের ওপর ভিত্তি করে উপনয়ন, বিবাহ সংস্কারাদি পরিচালনা করা এবং পর্যায়ক্রমে সকল সনাতনীকে ষোড়শ সংস্কারের আওতায় আনা।

(৫) সর্বস্তরে বেদ ও তদানুকূল শাস্ত্রের প্রচার -প্রসার এবং সংস্কৃত শিক্ষা প্রদান, তার জন্য প্রতিষ্ঠান স্থাপন ও কর্মসূত্রানুযায়ী পাঠদান। বর্তমান শাস্ত্রবিমুখদের মধ্যে শাস্ত্র সম্পর্কে আগ্রহ সৃষ্টি করা। পারিবারিকভাবে সন্তানদের শাস্ত্রশিক্ষার জন্য উদ্বুদ্ধ করা।

(৬) সামাজিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে অর্থনৈতিক ও কর্মক্ষেত্রে মৌলিক অধিকার প্রাপ্তির সুযোগ নিশ্চিত করা ।

(৭) নারী পুরুষের সমান মৌলিক অধিকার -যজ্ঞ,পেশা,সংস্কার থেকে শুরু করে সম্পত্তির উত্তরাধিকারীকরণ পর্যন্ত নিশ্চিত করা । বিশেষতঃ সম্পত্তির উত্তরাধিকার সনাতন ধর্মালম্বনকারী সন্তানই হবে, ব্যতিক্রমীরা নয় তা নিশ্চিতকরণ ।

(৮) বাল্যবিবাহ বিলোপ,সমাজ শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে নারীদের নিজ সুরক্ষায় নিজেদেরই সমর্থ করা এবং সামাজিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠাকরণ

(৯) ভিন্ন উগ্রবাদী মতবাদ কর্তৃক প্রচারিত অপপ্রচার ও চেতনা পরিবর্তনের মাধ্যমে ধর্মান্তরকরণ [পড়ুন মতবাদের অনুসারীকরণ; কারণ মানবধর্ম একমাত্র বৈদিক সনাতন ধর্ম,অন্য সকল "ধর্ম" মতবাদ মাত্র] রোধ ও সত্য প্রতিষ্ঠা ।

(১০) সদ গ্রন্থ পাঠ ও বিবেকীপুরুষের মাধ্যমে অতীতে "ধর্মান্তরিত" বা নতুন শুভাগতদের শুদ্ধি যজ্ঞের মাধ্যামে আইনি ব্যবস্থা ও ধর্মীয়ভাবে মানসিক পরিশুদ্ধিকরণ বাস্তবায়ন করে সামাজিক ভাবে গ্রহণ ।

(১১) পরমেশ্বর ও বেদমাতার বাক্য শিরোধার্য করে "এক মত, এক চিত্ত,এক আহার,এক লক্ষ্য ও এক মিলন ভূমি " প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সনাতনের ঐক্য সাধন৷

(১২) পরমেশ্বরের শ্রেষ্ঠ নাম - ও৩ম
এক মহামন্ত্র - গায়ত্রী এই লক্ষ্যদ্বয় বাস্তবায়ন করে ঐক্য সাধন।

সবাইকে নমস্কার।

বাংলাদেশ অগ্নিবীর
সত্য প্রকাশে নির্ভীক সৈনিক

দেখুন, পশু অসার তৃণ, লতা, পাতা, ফল, ফুলাদি ভক্ষণ করে কিন্তু সার দুগ্ধাদি অমৃতরূপী রত্ন দান করে। লাঙ্গল চালাইয়া ও গাড়ী ...
27/05/2026

দেখুন, পশু অসার তৃণ, লতা, পাতা, ফল, ফুলাদি ভক্ষণ করে কিন্তু সার দুগ্ধাদি অমৃতরূপী রত্ন দান করে। লাঙ্গল চালাইয়া ও গাড়ী বহন করিয়া বহুবিধ খাদ্য পদার্থ উৎপন্ন করে এবং সে সকলের বুদ্ধি, বল, পরাক্রম বৃদ্ধি করিয়া আরোগ্য দান করে। সে পুত্র, কন্যা, মিত্রগণের ন্যায় মানুষের সহিত বিশ্বাস ও প্রেমপূর্ণ ব্যবহার করে। তাহাকে যেখানে বাঁধ সে সেখানেই বাঁধা থাকিবে, যেদিকে চালাও সেদিকেই চলিবে, যেখান হইতে সরাইবে সেখান হইতেই সরিয়া যাইবে, দেখিলে বা ডাকিলে নিকটে চলিয়া আসে। যখন সে ব্যাঘ্রাদি পশু বা ঘাতককে দেখে, আত্মরক্ষার জন্য সে নিজের প্রতিপালকের নিকট দৌড়াইয়া আসে, কেন না সে তাহার রক্ষা করিবে।
​যাহার মৃত্যুর পর চর্ম ও কণ্টকাদি হইতে রক্ষা করে, জঙ্গলে চরিয়া নিজের বৎস ও প্রভুকে দুগ্ধ দানের জন্য যথাস্থানে যথাসময়ে চলিয়া আসে, নিজের প্রভুর রক্ষার জন্য শরীর ও মন লাগাইয়া দেয়, যাহার যথাসর্বস্ব রাজা-প্রজা সকল মনুষ্যের জন্যই অর্পিত, এইরূপ শুভগুণযুক্ত, সুখকারী পশুর গলায় ছুরি দিয়া যাহারা নিজের উদর পূরণ করে ও সংসারের ক্ষতি করে, সংসারে তাহাদের অপেক্ষা অধিক বিশ্বাসঘাতক, অপকারী, দুঃখদায়ী ও পাপী আর কে আছে? এই জন্য যজুর্বেদের প্রথম মন্ত্রেই পরমাত্মা আদেশ করিতেছেন “অঘ্ন্যাঃ + যজমানস্য পশূন্ পাহি” হে পুরুষ! তুমি এই সব পশুকে কখনও হত্যা করিবে না এবং যজমানের অর্থাৎ সকলের সুখদাতা মনুষ্যদের পশুগণকে রক্ষা করিও। ইহাতে তুমিও পূর্ণরূপে রক্ষা পাইবে। এই জন্যই ব্রহ্মা হইতে আজ পর্যন্ত আর্যগণ পশু হিংসাকে পাপ ও অধর্ম মনে করে।

গোকরুণানিধিঃ
🖋️মহর্ষি দয়ানন্দ সরস্বতী

বাংলা সাহিত্যের অমিত প্রতিভা, বিদেশী সংস্কৃতির অন্ধ অনুকরণ করে নিজ সংস্কৃতিকে যিনি ভুলে যান নি, নিজ সংস্কৃতিকে গর্বের সা...
25/05/2026

বাংলা সাহিত্যের অমিত প্রতিভা, বিদেশী সংস্কৃতির অন্ধ অনুকরণ করে নিজ সংস্কৃতিকে যিনি ভুলে যান নি, নিজ সংস্কৃতিকে গর্বের সাথে ধারণ করা ধূমকেতু কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭ তম জন্মবার্ষিকীতে তাঁকে জানাই প্রণাম ও শ্রদ্ধা। কাজী নজরুল ইসলাম বলেই তিনি শ্রীকৃষ্ণকে সবচেয়ে প্রিয়, নয়নের মণি ভাবতে পেরেছিলেন -

মেরে শ্রীকৃষ্ণ ধরম শ্রীকৃষ্ণ করম শ্রীকৃষ্ণহি তন-মন-প্রাণ।
সব্‌সে নিয়ারে পিয়ারে শ্রীকৃষ্ণজী নয়নুকে তারে সমান॥

বেঁচে থাকুন সকলের অন্তরে হে কবি...

জাগো অমৃতের সন্তান, জাগোবেদ-ভাষিণীর দল!বিশ্বে ভোগের মন্থনে আজউঠিয়াছে হলাহল।অসুর-শক্তি শ্রান্ত হইয়াআজিকে আপন বিষেঊর্ধ্বে ...
25/05/2026

জাগো অমৃতের সন্তান, জাগো
বেদ-ভাষিণীর দল!
বিশ্বে ভোগের মন্থনে আজ
উঠিয়াছে হলাহল।
অসুর-শক্তি শ্রান্ত হইয়া
আজিকে আপন বিষে
ঊর্ধ্বে চাহিছে দেবতার পানে,
জ্বালা জুড়াইবে কীসে।
আমি দেখিয়াছি, তোমাদের শুচি
ক্ষুদ্র তনুর মাঝে
সেই ঊর্ধ্বের দিব্য শক্তি
শান্তি অমৃত রাজে।
খোল গুন্ঠন, ভোলো বন্ধন,
ভাঙো ভবনের কারা,
বাহির ভুবনে আসিয়া দাঁড়াও,
বাধাহীন ভয়হারা।

​– কাজী নজরুল ইসলাম
কবিতা: অমৃতের সন্তান
কাব্যগ্রন্থ: শেষ সওগাত

✅ঈশ্বরের অভিপ্রায়: পশুদের হত্যা নয়, বরং পশু রক্ষা। “ ঈশ্বর মনুষ্যের খাদ্য পানীয় পদার্থ অপেক্ষাও পশু-পক্ষীদের খাদ্য পান...
24/05/2026

✅ঈশ্বরের অভিপ্রায়: পশুদের হত্যা নয়, বরং পশু রক্ষা।

“ ঈশ্বর মনুষ্যের খাদ্য পানীয় পদার্থ অপেক্ষাও পশু-পক্ষীদের খাদ্য পানীয় পদার্থ বৃক্ষ, তৃণ, পুষ্প, ফলাদি অধিক সৃষ্টি করিয়াছেন। ঐসব পদার্থকে কেহ বপনও করে না তাহাতে কেহ জল সিঞ্চনও করে না, উহা স্বভাবত ওই পৃথিবীর উপর উৎপন্ন হয় এবং সেখানে বৃষ্টিও হয়। অতএব মনে করিতে হইবে ঈশ্বরের অভিপ্রায় পশুদের হত্যা নহে, বরং তাহাদের রক্ষা করা।”

—শ্রীমৎ মহর্ষি স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতী
পুস্তক: “গোকরুণানিধিঃ”।

কারে ভক্তি করতাম?যেইন মহাবিশ্বর ঈশ্বর, বানাইলা সারা জগত।যাঁর গেছে মাথা নুয়াইন, আছইন যত মহারথ॥যাঁর গুণ কীর্তন গাইন আমরার ...
23/05/2026

কারে ভক্তি করতাম?

যেইন মহাবিশ্বর ঈশ্বর, বানাইলা সারা জগত।
যাঁর গেছে মাথা নুয়াইন, আছইন যত মহারথ॥

যাঁর গুণ কীর্তন গাইন আমরার অউ চতুর্বেদে।
যার তত্ত্ব ব্যাখ্যা করইন বেদান্ত আর উপনিষদে॥

তপোবনও মহা ঋষিগণে যাঁরে করতা অন্বেষণ।
কোটি আত্মা মুক্ত অইছইন যাঁরে করিয়া চিন্তন॥

শ্রীরাম শ্রীকৃষ্ণ ভক্ত যার, করতা ধ্যানে-অনুরক্তি।
তুমিও অউ পরমেশ্বর রে সর্বদা করিও ভক্‌তি॥

#ঋতকাব্য
সিলেটি ভাষায়
© Bangladesh Agniveer, Sylhet Division

জীবেম্ শরদঃ শতম্হে অমর শিবতর প্রভু চাহি না অকালে মরিতে।তব রচিত সুন্দর ভুবনেঅভিলাষি শতবর্ষ রহিতেবিরাট এই ধরণী তোমার কিবা ...
23/05/2026

জীবেম্ শরদঃ শতম্

হে অমর শিবতর প্রভু
চাহি না অকালে মরিতে।
তব রচিত সুন্দর ভুবনে
অভিলাষি শতবর্ষ রহিতে

বিরাট এই ধরণী তোমার
কিবা দেখেছি চক্ষু মেলে?
কতখানি বা ভ্রমেছি তব
শোভিত নন্দিত ভুবনতলে?

কয়টি শুনেছি মধুর গান?
কত মন্ত্র-স্তোত্র অশ্রুত
যত শুনেছি তোমার গীত
হয়েছি শুনিতে তৃষিত!

কত জ্ঞান রয়ে গেল প্রভু
অজ্ঞ এ আমার অজানা
যা পড়েছি যা জেনেছি
অনায়াসে তা যায় গোণা।

কত কথা বলা হলো না,
জানিল না সে প্রিয়জনে।
আশা আশাতেই রহিল
মনেতে পড়িয়া গোপনে।

কত উপলব্ধি, অনুভব
আছে অদ্য বহু দূরে।
বাচিলে তা পাইতে পারি
মরিলে হারাব সবেরে।

তাই,

পুনশ্চঃ, বলি বাঁচিতে চাই
বলিতে চাই, চাই শুনিতে।
তব শাশ্বত আনন্দ-বিভব
দেখিতে, বুঝিতে, ধ্যানিতে।

জগতে বিপদ প্রতি পদে
মরণ সে, অতি সম্ভাবিত।
মরণের দ্বার রুদ্ধ করো
নাথ, রক্ষা কোরো সতত।

হায়,

সংসারানলে দহি যে নারী
মানুষ করি গড়িল মোরে
পুত্রশোকে ঘোর মহাদুখে
অশ্রু যেন তার নাহি ঝরে

তবু হে নাথ দাড়ায়ে আমি
বিশ্বাসে তব ন্যায়-সভায়
যে বিধান ভালো তাই হোক
জগদীশ, তোমার ইচ্ছায়।

তোমার বিধানে এ ক্ষুদের
আর কিবা হবে অভিযোগ
ন্যায়কর্তা তুমি, স্নেহময়ও
স্নেহেতে রেখেছ যুগযুগ।

আর,

মৃত্যুই যদি হয় শিবতর
নাথ, আত্মা করিও হরণ।
বিধান যদি হয় রাখিবার
তবে দিও শতবর্ষ-জীবন।

দেবগণ যত তোমার দাস
বিরাজেন যারা অখিলে
দিও মোরে শ্রেষ্ঠ জীবন
রাখিও সবের অনুকূলে

শতবর্ষ রহিব নতমস্তকে
প্রেমে করি তোমার পূজা
সত্যধর্ম প্রচারিব তব; গেয়ে
গান, উড়াব জয়-ধ্বজা

ও৩ম্ ইন্দ্র জীব সূর্য জীব দেবা জীবা জীব্যাসমহম্। সর্বমায়ুর্জীব্যাসম্॥ (অথর্ব০১৯। ৭০। ১)।

হে পরমৈশ্বর্যসম্পন্ন জগদীশ্বর, আপনি মহতী কৃপায় আমাকে শ্রেষ্ঠ এবং সর্বাঙ্গীণ সুন্দর জীবন প্রদান করুন। হে প্রকাশস্বরূপ সূর্যদেব, হে দিব্যগুণসম্পন্ন দেবগণ, আপনাদিগের পরম অনুকূল আশ্রয়ে অবস্থান করিয়া আমি যেন ইহজগতে সুদীর্ঘকাল জীবন ধারণ করিতে সমর্থ হই।

ও৩ম্ তচ্চক্ষুদেবহিতং পুরস্তাচ্ছ্বক্রমুচ্চরৎ। পশ্যেম শরদঃ শতং জীবেম শরদঃ শতং শৃণুয়াম শরদঃ শতং প্র ব্রবাম শরদঃ শতমদীনাঃ স্যাম শরদঃ শতং ভূয়শ্চ শরদঃ শতাৎ ॥ (যজুর্বেদ ৩৬। ২৪)।

সেই নিখিল ব্রহ্মাণ্ডের সর্বদ্রষ্টা, ধার্মিক ও বিদ্বদ্বর্গের পরম কল্যাণসাধনকারী, সর্বব্যাপক রূপে অনাদিকাল যাবৎ দেদীপ্যমান পরমাত্মার অসীম অনুকম্পায় আমরা যেন শতবর্ষকাল দর্শনেন্দ্রিয়ের শক্তি অক্ষুণ্ণ রাখিতে পারি, শতবর্ষকাল সগৌরবে জীবিত থাকিয়া কর্ম সাধন করিতে পারি, শতবর্ষকাল শ্রবণেন্দ্রিয়ের মাধ্যমে সদ্বাক্য শ্রবণ করিতে পারি, শতবর্ষকাল জ্ঞানগর্ভ বাণী প্রচার করিতে পারি, শতবর্ষকাল দীনতাহীন ও সম্পূর্ণ আত্মনির্ভরশীল অবস্থায় অতিবাহিত করিতে পারি এবং তাঁহারই পরম আজ্ঞা পালনে সতত সচেষ্ট থাকিতে পারি, বিধাতার নিকটে আমাদের এইমাত্র বিনীত প্রার্থনা।

#ঋতকাব্য

নিবেদক
তথ্য ও প্রযুক্তি সমন্বয়ক
বাংলাদেশ অগ্নিবীর, সিলেট বিভাগীয় শাখা

শোক সংবাদদুপুরে সিলেটের কিনব্রিজ এলাকায় কয়েকজন বসে মাদক সেবন ও বিক্রি করছিল। পুলিশ তাদের দেখামাত্রই ধাওয়া করে। পুলিশ দেখ...
22/05/2026

শোক সংবাদ

দুপুরে সিলেটের কিনব্রিজ এলাকায় কয়েকজন বসে মাদক সেবন ও বিক্রি করছিল। পুলিশ তাদের দেখামাত্রই ধাওয়া করে। পুলিশ দেখে মাদক ব্যবসায়ীরাও দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। সেই সময় বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে দায়িত্ব পালন করছিলেন র‍্যাব-৯ এর সদস্য ইমন আচার্য্য। তিনি একজন মাদক ব্যবসায়ীকে জাপটে ধরে ফেলেন। ঠিক তখনই ওই ব্যক্তি তাঁকে আচমকা ছু’রিকাঘাত করে। ছুরি’র আ’ঘাতে গুরুতর আ’হত ইমনকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃ’ত ঘোষণা করেন। নিজের পবিত্র দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বীরত্বপূর্ণ আত্মত্যাগ করা এই রাষ্ট্রীয় বীর যোদ্ধার আত্মার সদ্গতি কামনা করি।

ও৩ম্‌ প্রেহি প্রেহি পথিভিঃ পূর্ব্যেভির্যত্রা নঃ পূর্বে পিতরঃ পরেয়ুঃ ।
উভা রাজানা স্বধয়া মদন্তা যমং পশ্যাসি বরুণং চ দেবম্ ॥
(ঋগ্০ ১০। ১৪। ৭)।
ভাবার্থ: হে জীবাত্মা! যে পথে আমাদের পূজ্য পিতৃপুরুষগণ [বিদ্বান মানবগণ] গিয়েছেন, তুমিও সেই পথে গমন করো এবং গমন করে প্রসন্নভাবে মুক্ত জীবাত্মা ও ঈশ্বর উভয়কে তত্ত্বতঃ উপলব্ধি করো।
ও৩ম্ শান্তিঃ শান্তিঃ শান্তিঃ

একই সাথে, হ*ত্যাকারীর কঠোরতম শাস্তি নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। যে র‍্যাবের ভয়ে অপরাধীরা তটস্থ থাকে, সেই বাহিনীর সদস্যদেরই যখন মাদক ব্যবসায়ীরা অবলীলায় হ*ত্যা করে, তখন সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর শঙ্কা জাগে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে বিনীত আহ্বান, আপনারা এই অপরাধীদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। আমাদের এই শান্ত শহরটিকে অপরাধের অভয়ারণ্যে পরিণত করার আগেই এদের শক্ত হাতে দমন করা একান্ত প্রয়োজন।

Bangladesh Agniveer, Sylhet Division

বাংলাদেশ অগ্নিবীর, সিলেট বিভাগীয় শাখার আয়োজনে আজ পৃথিবীর সকলের মঙ্গলার্থে, শান্তি যজ্ঞ এবং সহ সংগঠন ও মাঠকার্য সমন্বয়ক প...
22/05/2026

বাংলাদেশ অগ্নিবীর, সিলেট বিভাগীয় শাখার আয়োজনে আজ পৃথিবীর সকলের মঙ্গলার্থে, শান্তি যজ্ঞ এবং সহ সংগঠন ও মাঠকার্য সমন্বয়ক প্রয়াত "শ্রীমান শান্ত বণিক" এর স্মরণে স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উক্ত স্মরণ সভায় সকলের আন্তরিক উপস্থিতিতে সদস্যগণ "শ্রীমান শান্ত বণিক" এর ধার্মিক কর্ম,গুণ ও স্বভাবসমূহ স্মরণপূর্বক আলোচনা করেন এবং তাঁর আত্মার সদগতির জন্য প্রার্থনা করেন।

সেইসাথে মৃত্যু পরবর্তী জীবাত্মার অবস্থা, গতি এবং মহাত্মা "রাজা রামমোহন রায়ের" জীবনী সংক্রান্ত সাপ্তাহিক স্বাধ্যায়, সন্ধ্যোপাসনাবিধি, প্রশ্নোত্তর পর্ব এবং যজ্ঞাবশিষ্ট অন্ন গ্রহণও যথাবিধি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজকের এই আয়োজন সমূহে উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এবং আগামী সাপ্তাহিক স্বাধ্যায়ে সরব উপস্থিতির জন্য আমন্ত্রণ জানাই।

পৌরাণিক পাখণ্ডিদের প্রবর্তিত সতীদাহ প্রথার উচ্ছেদক, আধুনিক শিক্ষা ও নারীশিক্ষার বলিষ্ঠ প্রসারক, সমাজ-সংস্কারক, সাকারবাদ ...
22/05/2026

পৌরাণিক পাখণ্ডিদের প্রবর্তিত সতীদাহ প্রথার উচ্ছেদক, আধুনিক শিক্ষা ও নারীশিক্ষার বলিষ্ঠ প্রসারক, সমাজ-সংস্কারক, সাকারবাদ ও পৌত্তলিকতার প্রবল খণ্ডনকারী, বঙ্গে ব্রহ্মবাদের পুনর্জাগরণকারী, বঙ্গীয় নবজাগরণের প্রাণপুরুষ, ব্রাহ্মসমাজের প্রতিষ্ঠাতা এবং ভারতীয় উপমহাদেশে আধুনিক যুগের অন্যতম রূপকার প্রবাদ-পুরুষ রাজা রামমোহন রায়ের জন্মতিথিতে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি।

Bangladesh Agniveer, Sylhet Division

 #শ্রীমন্মহর্ষি_উবাচ
22/05/2026

#শ্রীমন্মহর্ষি_উবাচ

বাংলাদেশ অগ্নিবীর, সিলেট-এর সহ-মাঠকর্ম বিষয়ক সমন্বয়ক শান্তরঞ্জন বণিক (শান্ত বণিক)-এর অকাল প্রয়াণে বিধাতার নিকট তাঁর বিদে...
21/05/2026

বাংলাদেশ অগ্নিবীর, সিলেট-এর সহ-মাঠকর্ম বিষয়ক সমন্বয়ক শান্তরঞ্জন বণিক (শান্ত বণিক)-এর অকাল প্রয়াণে বিধাতার নিকট তাঁর বিদেহী আত্মার সদ্গতি প্রার্থনা করে এবং বিশ্ব শান্তির উদ্দেশ্যে একটি বিশেষ অগ্নিহোত্র যজ্ঞের আয়োজন করা হয়েছে। একই সাথে তাঁর স্মৃতিচারণে একটি স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হবে। শাখার সাপ্তাহিক স্বাধ্যায় কার্যক্রম ও উপাসনা ইত্যাদিও যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে।

​সময়: বিকাল ৪:০০ ঘটিকা
​স্থান: দশনামী আখড়া লামাবাজার, সিলেট।

​উক্ত অনুষ্ঠানে আপনার উপস্থিতি ও আন্তরিক অংশগ্রহণ কাম্য।

বিনীত,
Bangladesh Agniveer, Sylhet Division

Address

Sylhet

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangladesh Agniveer, Sylhet Division posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share