গৌর বাণী প্রচার

গৌর বাণী প্রচার নিতাইয়ের করুণা হবে। 🌸
ব্রজে রাধা কৃষ্ণ পাবে।। 💫💝

হরে কৃষ্ণ 🙏কেউ মারা গেলে শ্রাদ্ধে আমিষ করা উচিত না নিরামিষ করা উচিত শাস্ত্রে কি বলা হয়েছে জানুন।👉একজন সনাতন ধর্মের লোক ম...
15/06/2024

হরে কৃষ্ণ 🙏
কেউ মারা গেলে শ্রাদ্ধে আমিষ করা উচিত না নিরামিষ করা উচিত শাস্ত্রে কি বলা হয়েছে জানুন।

👉একজন সনাতন ধর্মের লোক মারা গেলে বলতে হয়,"দিব্যান লোকান্ স্ব গচ্ছতু" অর্থাৎ তিনি দিব্যধাম প্রাপ্ত হোক।

দিব্য মানে দেবতার স্থান যেখানে দেবতারা ভগবানের আরাধনায় মগ্ন থাকেন । অপরদিকে, মাছ মাংস মদ ইত্যাদি রাক্ষসদের খাবার ।
আমরা দেখি অধিকাংশ হিন্দু পরিবারে মানুষ মারাগেলে মৃত দেহের আত্মার শান্তির লক্ষ্যে এবং ভগবান কিংবা দেবধামে যাওয়ার লক্ষ্যে আত্মীয় স্বজনকে শ্রাদ্ধে মাছ খাওয়ান তাহলে কি বুঝলেন?

শাস্ত্রের নিয়মে আমরা একদিকে দিব্যধামে যাওয়ার জন্য ভগবানের কাছে প্রার্থনা করছি, অন্যদিকে ভূত পেতনীর খাবার মানুষকে খাইয়ে ভগবানের কাছে প্রার্থনা করছি যে তিনি দিব্যধামে প্রবেশ করুক । রাক্ষসদের খাবার যদি মানুষকে খাইয়ে শ্রাদ্ধে বিষ্ণুর নিয়ম অমান্য করে রাক্ষসদের উদ্দেশ্যে শাদ্ধ করি তাহলে মৃত ব্যক্তি কি স্বর্গে যাবে নাকি নরক লোকে যাবে সেটা নিশ্চয় সকলে বুঝতে পারছেন।

ন দদ্যাদামিষং শ্রাদ্ধে ন চাদ্যাদ ধর্মতত্ত্ববিৎ।
মনান্নৈ মৎপরা প্রীতির্যথা ন পশুহিংসয়া।।
নৈতাদৃশঃ পরো ধর্ম নৃণাৎ সদ্ধর্মমিচ্ছতাম্।
ন্যাসো দন্ডস্য ভূতেষু মনো বাক্কায়জস্য।।
(ভাগবত ৭।১৫।৭-৮)
--- ধর্মতত্বজ্ঞ ব্যক্তি পুরুষ শ্রাদ্ধকর্মে আমিষ(মাছ-মাংস) অর্পন করবেন না। এবং নিজেও ভোজন করবেন না। কারন পিতৃগণ মুনি ঋষিদের যোগ্য হবিষান্ন দ্বারা যেরুপ প্রসন্ন লাভ করেন, সেরূপ পশু হত্যার দ্বারা নয়। সৎ ধর্মপালনে অভিলাষী ব্যক্তির কাছে কোন জীবকে কায়মনোবাক্যে কোনরূপ কষ্ট না দেওয়ার মতো ধর্ম আর নেই।

শ্রীমদ্ভাগবতে (৫/২৬/৫-৩৬) বর্ণনা আছে ২৮টি নরক কুণ্ডের কথা তারমধ্যে ৩ নাম্বার নরক রৌরব, ৫নাম্বার নরক কুম্ভীপাক, ৯নাম্বার নরক অন্ধকূপ, ১৬নাম্বার নরক প্রাণরোধ, ১৭ নাম্বার নরক বিশসন, ২৩ নাম্বার নরক রক্ষোভোজন, ২৪নাম্বার নরক শূলপ্রোত । সবগুলো নরককুন্ড পশু হত্যাও, খাওয়া কিংবা অন্যকে খাওয়ানোর অপরাধে তৈরি অর্থাৎ ভাগবতের ২৮টি নরককুন্ডের মধ্যে এই কুণ্ডগুলোতে পাঠানো হবে যারা পশুকে বিভিন্নভাবে হত্যা করে, নিজে আহার করে কিংবা অন্যকে আহার করায় ।

সুতরাং শ্রাদ্ধ মানে বিষ্ণুর_প্রীতির_উদ্দেশ্যে যা কিছু দান করা হবে তাই শ্রাদ্ধ আর,গীতা ও ভাগবতে যেহেতু নিরামিষ আহারের প্ররোক্ষ নির্দেশ দেওয়া আছে, তাই শ্রাদ্ধ হবে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের নিয়ম অনুসারে যেখানে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন-

"পত্রং পুষ্পং ফলং তোয়ং যো মে ভক্ত্যা প্রযচ্ছতি।
তদহং ভক্ত্যুপহৃতমশ্নামি প্রযতাত্ননঃ।।"( গীতা ৯/২৬)

অনুবাদঃ যে বিশুদ্ধ চিত্ত নিষ্কাম ভক্ত আমাকে ভক্তি সহকারে পত্র পুষ্প ফল ও জল অর্পণ করে, তার সেই ভক্তিপ্লুত উপহার আমি প্রীতিসহকারে গ্রহন করি।

14/06/2024

🍁সাধু চেনার উপায়? 🍁🙏

উত্তর: যিনি শুদ্ধভাবে কৃষ্ণভজনকারী এবং নিঃশর্তভাবে ঐকান্তিক কৃষ্ণানুশীলনে ব্রতী-তিনিই সাধু। শ্রীমদ্ভাগবতে একটি শ্লোকে বলা হয়েছে-

তিতিক্ষবঃ কারুণিকাঃ সুহৃদঃ সর্বদেহিনাম্।
অজাতশত্রবঃ শান্তাঃ সাধবঃ সাধুভূষণাঃ ॥

অর্থাৎ, "সাধুর লক্ষণ হচ্ছে তিনি সহনশীল, দয়ালু এবং সমস্ত জীবের সুহৃৎ। তিনি কারও প্রতি শত্রু-ভাবাপন্ন হন না, তিনি শান্ত, তিনি শাস্ত্রের নির্দেশ অনুসারে আচরণ করেন; এবং তিনি সমস্ত সদ্‌গুণের দ্বারা বিভূষিত।" (ভাঃ ৩/২৫/২১)

সহনশীলতা সাধুর ধর্ম। এই যুগে মানুষেরা আসুরিক মনোভাবাপন্ন হওয়ার ফলে, কেউ ভগবদ্ ভজন করা মাত্রই, বহু মানুষ তার শত্রুতে পরিণত হয়। এমন কি কারও পিতা পর্যন্তও শত্রুভাবাপন্ন হয়ে উঠতে পারে, যেমন প্রহ্লাদের পিতা হিরণ্যকশিপু প্রহ্লাদের প্রতি শত্রুভাবাপন্ন হয়েছিল। কিন্তু, শ্রীপ্রহ্লাদ শৈশব থেকেই পিতার অবাধ্য হয়েছিলেন, এবং জীবনে কখনো ভগবদ্ভজন থেকে বিচ্যুত হননি। এটাই যথার্থ সাধুর পরিচয়।

সাধু কৃপালু। জড় জগতে বদ্ধ জীবদের তিনি মুক্তির পথ প্রদর্শন করেন। অনেক ব্যক্তিকে দেখা যায়, যারা কনিষ্ঠ স্তরের ভক্তকে দেখে উপহাস করে-এ আবার কবে সাধু হল?' কিন্তু পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ সাধুর বৈশিষ্ট্য বুঝিয়েছেন এইভাবে-

অপি চেৎ সুদুরাচারো ভজতে মামনন্যভাক্।
সাধুরেব স মন্তব্যঃ সমাগ্যবসিতো হি সঃ ॥

অর্থাৎ, 'সর্বাপেক্ষা দুরাচারী ব্যক্তিও যদি আমার ভজনে একান্তভাবে ব্রতী হয়, তা হলে তাকে সাধু বলে গণ্য করতে হবে, কারণ তার স্বরূপে যে যথাযথভাবে অবস্থান করছে।
(গীতা ৯/৩০)

হরে কৃষ্ণ  রাস্তার ধুলিকণা যখন বায়ুর সঙ্গ লাভ করে, তখন সে বায়ুর সাথে উর্ধ্বগামী হয়। আবার যখন সে বৃষ্টির জলের সঙ্গ পায় তখ...
13/06/2024

হরে কৃষ্ণ

রাস্তার ধুলিকণা যখন বায়ুর সঙ্গ লাভ করে,
তখন সে বায়ুর সাথে উর্ধ্বগামী হয়।

আবার যখন সে বৃষ্টির জলের সঙ্গ পায় তখন
সে নর্দমার কাঁদায় পরিণত হয়।

সুতরাং সঙ্গ খুবই গুরুত্ত্বপূর্ণ একটি বিষয়।প্রকৃতপক্ষে একজন মানুষকে তার সঙ্গের মাধ্যমেই চেনা যায়, সে কোন প্রকৃতির।

যদি আমাদের ভগবানে প্রতি ভক্তিভাব ও ভালোবাসা জাগ্রত করতে হয়,তাহলে
অবশ্যই ভক্ত সঙ্গ করতে হবে।

কারণ শাস্ত্রে আছে,

"ভক্তি প্রজায়তে সাধু সঙ্গে",
অর্থাৎ ভক্তির জন্ম হয় সাধু সঙ্গের ফলেই।
সৎ সঙ্গে স্বর্গ বাস 🪷
অসৎ সঙ্গে নরগে বাস
সাধু ও বৈষ্ণব সঙ্গ সিদ্ধি লাভ

শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য প্রভু দয়া করো মোরে🙏❣️🙏তোমা বিনা কে দয়ালু, এ জগৎ -সংসারে🙏❣️🙏পতিত পাবন হেতু তব অবতার🙏❣️🙏মো সম পতিত প্রভু ...
13/06/2024

শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য প্রভু দয়া করো মোরে🙏❣️🙏
তোমা বিনা কে দয়ালু, এ জগৎ -সংসারে🙏❣️🙏

পতিত পাবন হেতু তব অবতার🙏❣️🙏
মো সম পতিত প্রভু না পাইবে আর ❣️🙏❣️🙏

🕉️সৎসঙ্গের_গুণঃ সৎসঙ্গ সম্পর্কে বৈষ্ণব পদকর্তা লিখেছেন —(ওহে) বৈষ্ণব ঠাকুর      দয়ার সাগর          এ দাসে করুণা করি ।দিয়...
12/06/2024

🕉️সৎসঙ্গের_গুণঃ

সৎসঙ্গ সম্পর্কে বৈষ্ণব পদকর্তা লিখেছেন —

(ওহে) বৈষ্ণব ঠাকুর দয়ার সাগর
এ দাসে করুণা করি ।
দিয়া পদছায়া শোধহে আমারে
তোমার চরণ ধরি ॥
ছয় বেগ দমি' ছয় দোষ শোধি
ছয় গুণ দেহ দাসে ।
ছয় সৎসঙ্গ দেহ হে আমারে
বসেছি সঙ্গের আশে ॥*
একাকী আমার নাহি পায় বল
হরিনাম সংকীর্ত্তনে ।
তুমি কৃপা করি শ্রদ্ধাবিন্দু দিয়া
দেহ কৃষ্ণ নাম ধনে ॥
কৃষ্ণ সে তোমার কৃষ্ণ দিতে পার
তোমার শকতি আছে ।
আমি ত কাঙ্গাল 'কৃষ্ণ কৃষ্ণ' বলি
ধাই তব পাছে পাছে ॥

🙏ছয় বেগ:
(১) বাক্যবেগ—ভূতোদ্বেগকারী বচনপ্রয়োগ ।
(২) মনবেগ—নানাবিধ মনোরথ ।
(৩) ক্রোধবেগ—রূঢ়বাক্যাদি-প্রয়োগ ।
(৪) জিহ্বাবেগ—মধুর-অম্ল-কটু-লবণ-কষায়-তিক্তভেদে ষড়বিধ রস-লালসা ।
(৫) উদরবেগ—অত্যন্ত ভোজন-প্রয়াস ।
(৬) উপস্থবেগ—স্ত্রী-পুরুষ-সংযোগ-লালসা ।

🙏ছয় দোষ:
(১) অত্যাহার—অধিক আহরণ বা সংগ্রহ বা সঞ্চয়চেষ্টা ।
(২) প্রয়াস—ভক্তি-বিরোধিচেষ্টা বা বিষয়োদ্যম ।
(৩) প্রজল্প—কালহরণকারী অনাবশ্যক গ্রাম্যকথা ।
(৪) নিয়মাগ্রহ—উচ্চাধিকার-প্রাপ্ত-সময়ে নিম্নাধিকারগত নিয়মে আগ্রহ এবং ভক্তিপোষক নিয়মের অগ্রহণ ।
(৫) জনসঙ্গ—শুদ্ধভক্ত-জনসঙ্গ ব্যতীত অন্যজনসঙ্গ ।
(৬) লৌল্য—নানামতবাদি-সঙ্গে অস্থির-সিদ্ধান্ত অর্থাৎ চাঞ্চল্য এবং তুচ্ছ বিষয়ে আকৃষ্ট হওয়া ।

🙏ছয় সৎসঙ্গ:
(১) তাঁকে প্রীতির বস্তু দান করিতে হইবে আর
(২) তিনিও স্নেহ পরবশ হইয়া তাঁর আশীর্বাদ স্বরূপ যে বস্তু দিবেন তাহা আদরের সহিত গ্রহণ করিতে হইবে ।
(৩) ভজন রাজ্যে অগ্রসর হইতে যাইয়া পরিপ্রশ্ন দ্বারা ভজন রহস্য জানিয়া লইতে হইবে ।
(৪) তাঁর চরণ প্রান্তে বসিয়া তাঁর জীবনের ভজন রহস্য সুযোগ মত জিজ্ঞাসাবাদের দ্বারা জানিয়া লইবার চাতুর্য্য রাখিতে হইবে ।
(৫) ভক্ত আদরের সহিত যে ভগবৎ প্রসাদ করেন, তাহা কালাকাল বিচার না করিয়া অত্যন্ত প্রীতির সহিত সম্মান বা ভোজন করিবে ।
(৬) অনুরূপ ভগবদ্ভক্তকে অত্যন্ত শ্রদ্ধা ভক্তির দ্বারা ভোজন বা সেবা করিতে হইবে । এই ভাবেই ভক্তের স্নেহ ভাজন হইতে পারিলে "বৈষ্ণবের আবেদনে কৃষ্ণ দয়াময় । এ হেন পামর প্রতি হবেন সদয় ॥"

🙏❣️🙏হরে কষ্ণ হরে কষ্ণ কষ্ণ কষ্ণ হরে হরে হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে🙏❣️🙏

শ্রী শ্রী নিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান স্থান- একচক্রা, রামপুরহাট, বীরভূম জেলা, ভারত!
08/06/2024

শ্রী শ্রী নিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান

স্থান- একচক্রা, রামপুরহাট, বীরভূম জেলা, ভারত!

পারবো না বলে কিছুই নেই  - উঠে দাঁড়ান..!! 🌸 হরে কৃষ্ণ বলে শুরু করুন ❤️༅༎•ঠিক একদিন ভগবান আপনাকে আপনার  গন্তব্যে পৌঁছিয়ে...
05/06/2024

পারবো না বলে কিছুই নেই - উঠে দাঁড়ান..!!
🌸 হরে কৃষ্ণ বলে শুরু করুন ❤️

༅༎•ঠিক একদিন ভগবান আপনাকে আপনার গন্তব্যে পৌঁছিয়ে দিবেন 😊🌸

🙏 🌼 হরে কৃষ্ণ 🌼🙏
🙏 🌼 🌼🙏

Address

Sylhet
3000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when গৌর বাণী প্রচার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to গৌর বাণী প্রচার:

Share