Hilful Fujul L Official

Hilful Fujul L Official It is an islamic organization. please like this page.

 "মক্তব শিক্ষা ও কে.জি স্কুল: একটি পর্যালোচনা”-মাওলানা মো: ফরিদ উদ্দীনমহান আল্লাহপাক আমাদেরকে সতর্ক করে বলেছেন,إِنَّمَا ...
22/07/2026



"মক্তব শিক্ষা ও কে.জি স্কুল: একটি পর্যালোচনা”
-মাওলানা মো: ফরিদ উদ্দীন

মহান আল্লাহপাক আমাদেরকে সতর্ক করে বলেছেন,
إِنَّمَا أَمْوَالُكُمْ وَأَوْلَادُكُمْ فِتْنَةٌ وَاللَّهُ عِندَهُ أَجْرٌ عَظِيمٍ

"নিশ্চয় তোমাদের ধন সম্পদ এবং তোমাদের সন্তান-সন্ততি তোমাদের জন্য পরীক্ষা। তবে আল্লাহর নিকট তোমাদের জন্য রয়েছে মহান প্রতিদান"।

জগতের মানব শিক্ষক হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন-أدبوا أولادكم على ثلاث خصال حُبّ نبيكم وحبّ أهل بيته وقراءة القرآن

তোমাদের সন্তানদেরকে অভ্যস্ত করে গড়ে তোলো; তোমাদের নবী ও নবীর পরিবারের প্রতি ভালোবাসা এবং কোরআন তেলাওয়াত।"
আল্লাহপাক ও তাঁর রাসূলের এই দুটো বাণী মাথায় রেখে আমরা সামনে অগ্রসর হই।

একটি মুসলিম শিশুর জীবন গঠনের জন্য মক্তব শিক্ষা যেমন প্রয়োজন তেমনি বর্তমান বাস্তবতা বিবেচনায় কে.জি স্কুলের শিক্ষাও প্রয়োজন। যেকোনো একটি তার জীবনের জন্য কমপ্লিমেন্টারি নয় বরং পূর্ণতার জন্য উভয় শিক্ষাই তাকে গ্রহণ করতে হবে। কেন প্রয়োজন, কলেবর বৃদ্ধির আশংকায় সে তথ্যগত আলোচনা এখানে করছিনা। তবে সংক্ষেপে এটুকু বলে রাখছি, যারা নিজেদেরকে মুসলিম হিসেবে জিইয়ে রাখতে, সন্তানদের মুসলিম উত্তরাধিকার হিসেবে রেখে যেতে এবং পড়ন্ত বেলায় নিজের ও সমাজের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ পেতে চান তারা অবশ্যই মক্তব শিক্ষা চাইবেন। একই সাথে শিক্ষার্থীর জাগতিক শিক্ষার মানসম্মত ভিত গড়ার জন্যও কে.জি স্কুলের শিক্ষা চাইবেন। এ বাস্তবতা মুসলিম বিশ্বের সকল দেশ এবং সকল সমাজেই বিদ্যমান। যেহেতু একই সময়ে অর্থাৎ ভোর বেলা উভয় প্রতিষ্ঠান শুরু হয় এবং উভয় প্রতিষ্ঠানের শিক্ষাই আমরা শিশুদের জন্য চাই সেহেতু শিশুকে কোথায় পাঠাবো এর জবাব আমাদেরকে প্রস্তুত করতে হবে।

অন্যান্য দেশ ও মুসলিম সমাজ, বিশেষত: আরব দেশগুলো এর উত্তর খুঁজে বের করে নিয়েছে। পেছনে পড়ে রয়েছি আমরা। ফেইসবুক ও ইন্টারনেটের সুবাদে আমরা দেখতে পাচ্ছি যুদ্ধবিধ্বস্ত ও ক্ষুধাক্লিষ্ট ফিলিস্তিন-গাজার শিশুগুলো কিভাবে সুন্দর করে কোরআন শরীফ তেলাওয়াত করছে, নবীর বংশ পরম্পরা অনায়াসে বলে যাচ্ছে, সুন্দর সুন্দর দোয়া এবং কঠিন কঠিন প্রশ্নের উত্তর দিয়ে যাচ্ছে, বিশুদ্ধ ভাষায় সাহসী বক্তব্য রাখছে, আরবি ও ইংরেজিতে সাবলিল ইন্টারভিউ দিচ্ছে। এটা শুধু ঐ অঞ্চলে নয় বরং আরবের অন্যান্য দেশেও। ইউরোপ আমেরিকার প্রতিকূল পরিবেশেও মুসলিম পরিবারগুলো তাদের শিশুর জন্য শিক্ষার বিষয় ও সময় নির্ধারণ করে সমন্বয় করে নিয়েছেন। সে তুলনায় আমরা এখনো অনেক পেছনে পড়ে আছি, কালক্ষেপণ করছি, আর পর্যবেক্ষণ করছি-বিগত কয়েক দশক ধরে আমাদের বাচ্চাগুলো স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় হতে সনদ নিয়ে বের হচ্ছে, অথচ সালাম-কালাম, নামাজ-রোজা, ভদ্রতা, শালীনতা, মানবতা ও একজন মুসলিম যুবক হিসেবে কোন পরিচয় তার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছেনা। যে অল্প সংখ্যকের মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে তা তার পারিবারিক শিক্ষার কারণে অথবা ছোটবেলা মক্তবে কিছুদিন যাওয়ার কারণে। কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়াদের সুযোগ হচ্ছে না এমন ইসলামী অনুশাসন বা সংস্কৃতি চর্চার। এ জন্য দায়ী সে নয়, দায়ী আমরা অভিভাবকরা এবং এই দায়ভারের বোঝা দিন দিন বেড়েই চলছে আমাদের উপর। অথচ আমরা চাইলেই এগুলো সমন্বয় করে নিতে পারি। কারণ আমাদের সমাজ মুসলিম সমাজ। এখনো প্রায় সকলেই চান নিজের সন্তানটি একজন ভালো মুসলিম হওয়ার পাশাপাশি একজন উচ্চশিক্ষিত ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, পাইলট, ব্যবসায়ী, বিদেশগামী, নেতৃস্থানীয় লোক ইত্যাদি হোক। উচ্চশিক্ষিত হয়েও ধর্মীয় জ্ঞানে মূর্খ কিংবা চোর-ডাকাত বা বেহায়া-বেয়াদব হোক এটা আমরা কেউই চাইনা। উভয় শিক্ষা নেয়ার জন্য একই সকালে শিশুকে কোথায় আগে পাঠাব, কেন পাঠাব এবং শিশুর কি কি সমস্যা হচ্ছে-সে বিষয়ে কিছু অভিজ্ঞতা অনেকেরই হয়তো আছে এবং ইতোমধ্যে অনেক কিছু হয়তো ভাবছেন। এখানে আরো কিছু শেয়ার করা প্রয়োজন। আশা করি তা সকলের নতুন কিছু চিন্তাভাবনার দ্বার খুলবে এবং মতামত তৈরি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়ক হবে। লক্ষ্যণীয় বিষয়গুলোকে আমরা কয়েকটি পয়েন্টে ভাগ করছি।

যেমনঃ এক. শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যগত বিষয়: প্রায়শই মা-বাবা ও অভিভাবক কে.জি স্কুলে অধ্যয়নরত তার শিশুর স্বাস্থ্যহানি, ক্ষুধামন্দা, অমনযোগিতা ইত্যাদির অভিযোগ করে থাকেন। একই সাথে পাশের ঘরের যে শিশুটি কে.জি স্কুলে যাচ্ছেনা তার স্বাস্থ্যের প্রশংসা করেন। এর কারণ হিসেবে বলছেন-স্কুলে সময় মতো উপস্থিতির তাড়া থাকার কারণে ঘুম পূর্ণ হওয়ার আগেই অতি ভোরে ঘুম থেকে ওঠা, একসাথে বহু জাতীয় বই খাতা ও সরঞ্জামসহ ব্যাগ গোছানো এবং নির্ধারিত ড্রেস পরিধান ইত্যাদির চাপ থাকায় বাচ্চার প্রসাব-পায়খানা বা বাথরুমের কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়না। ফলে সে মুখে কিছু নিতে চায় না। মায়েরা জোর করে কিছু গিলাতে চাইলেও তার বদহজম হয়। দীর্ঘদিন এ অবস্থা চলতে থাকায় ক্রমান্বয়ে বাচ্চাদের বদ হজম, পুষ্টিহীনতা ও চোখের সমস্যাও দেখা দিচ্ছে। বিষয়টি ভেবে দেখা দরকার। অপরদিকে আমরা যদি দেখি, মক্তবে বাচ্চারা সকাল বেলা উঠে কোনরূপ বাড়তি চাপ না নিয়েই খালি হাতে অথবা একটিমাত্র বই বা কায়দা হাতে নিয়ে চলে যেতে পারে। নাস্তার জন্য অপেক্ষা করছেনা। কারণ সে মক্তব শেষে বাড়িতে গিয়ে নাস্তা করার সুযোগ পাচ্ছে। এখানে দলবল বেঁধে অলস বদনে বা কম মনোযোগ খাটিয়েও অনেক কিছু মুখস্ত করে ফেলতে পারে। কারণ মক্তবের পড়া অনেকটাই মুখস্থ নির্ভর। এখানে গণিতের হিসাব-নিকাশ মিলানো, বিভিন্ন সূত্র অনুধাবন ও ব্যবহার, বাংলা ইংরেজি বাক্য গঠনের কাঠিন্য কিংবা এক সাবজেক্ট থেকে অন্য সাবজেক্টে মনযোগ পরিবর্তন করার প্রযোজন হয়না। বই-খাতা, জামা-কাপড়, কাগজ-কলম ইত্যাদি গোছানো ও বহন করতে হয় না। বরং অনেকটা রিল্যাক্স মোডেই অনেক কিছু শিখে নেয়া যায়। বিবেচ্য বিষয় হচ্ছে, এ সময়ে ছোট বড় সকলেই অলস বদন থাকেন। তাই চোখ মেলেই বহুমুখী বিষয়ের চাপ নেয়া অস্বস্তিকর। এর বিপরীতে কোন হালকা বিষয় শেখা বা মুখস্ত করা খুবই সহজ। তাতে শরীর ও মন ভারমুক্ত থাকে। বেলা বাড়ার সাথে সাথে বাচ্চাদের প্রস্রাব পায়খানার বিষয়টি ও ক্লিয়ার হয়ে যায়, মক্তবে হোক কিংবা বাড়িতেই হোক।তখন সে কিছুটা ক্ষুধা অনুভব করে, নাস্তা-পানি খাওয়ার চাহিদা তৈরি হয়, মা-বাবাও কোন কিছু তৈরি করার সুযোগ পান। তাই বাচ্চারা মক্তব থেকে বাড়ি গিয়ে গোসল করে নাস্তা-পানি সেরে ঝরঝরে শরীরে কে.জি. স্কুল, সাধারণ স্কুল বা মাদ্রাসায় যাবে। এতে তার কোন ক্লান্তি আসবেনা। অভিজ্ঞজনদের বক্তব্য হচ্ছে-এজন্যই আগের যুগের মানুষের লেখাপড়ার চাপে ক্ষুধা-মন্দা, চোখের সমস্যা, মাথাব্যথা, স্বাস্থ্যহীনতা ইত্যাদি ছিল না। বিষয়গুলো নিজেদের অভিজ্ঞতা ও যুক্তির সাথে মিলিয়ে নিতে পারেন।

দুই. যে শিক্ষার্থী মক্তবে সকাল বেলা যাবে তাকে কে.জি স্কুল বা মাদ্রাসায় পুনরায় আরবি শিক্ষা দানের প্রয়োজন হবে না। তাতে কঠিন একটি সাবজেক্টের চাপ থেকে স্কুলের ছাত্র ও শিক্ষক উভয়ই বেঁচে যাবেন। এ সময়টা তারা অন্যান্য বিষয়ের কাজে লাগাতে পারবেন।

তিন. কে.জি. স্কুলে অনেক শিক্ষক আছেন যারা ডাবল ডিউটি করেন। তারা হয়তো চাইবেন সকাল বেলা দশটা পর্যন্ত শিশুদের পাঠদান করে পরে অন্য কোন রেগুলার স্কুল বা মাদ্রাসায় পাঠদান করাতে যাবেন। এতে ব্যক্তিগতভাবে তিনি উপকৃত হলেও উভয় প্রতিষ্ঠানের বাচ্চারা তার কাছ থেকে সাবলীল মনোযোগ সম্বলিত ক্লাস পাওয়া থেকে বঞ্চিত হবে। বিশেষ করে পরবর্তী প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বেশি বঞ্চিত হবে। এছাড়া তিনি বাচ্চাদের টিউটোরিয়াল, কো-কারিকুলাম অ্যাক্টিভিটিস ও বাচ্চাদের মনোভাব রিডিং করার জন্য পর্যাপ্ত সময় ও মনোযোগ দিতে ব্যর্থ হবেন। কেননা প্রত্যেকেরই লোড নেয়ার একটা সীমাবদ্ধতা আছে। এজন্য কে.জি স্কুলগুলোতে একমুখী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া উচিত বলে অভিজ্ঞজনেরা মনে করেন। তবে একজন শিক্ষক সকালের মক্তব পড়িয়েও অন্য প্রতিষ্ঠানের ক্লাসে গেলে তার তেমন কোন মানসিক ক্লান্তি থাকবে বলে মনে হয় না। কারণ মক্তব শিক্ষায় সেরকম কো-কারিকুলাম, টিউটোরিয়েল, ক্লাসটেস্ট সহ বাড়তি কোনো ঝামেলা নেই। উভয় ক্ষেত্রেই ব্যক্তি বিশেষের শারীরিক ও মানসিক সামর্থ্যের কারণে ভিন্নরূপ হতে পারে।

চার. তুলনা করে দেখা গিয়েছে পবিত্র কুরআনের সুরা কেরাত মুখস্ত করলে বাচ্চাদের মুখস্ত শক্তি অনেকগুণ বেড়ে যায়। হাফিজি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ কুরআন চর্চাকারী অনেক পরিবারের শিক্ষার্থীদের সাথে তুলনা করে প্রমাণিত হয়েছে। অধিকাংশ শিক্ষার্থীর জবাব হলো-আমি বড় বড় প্রশ্নোত্তর বা রচনাগুলোকে একটি সূরার দৈর্ঘের সাথে তুলনা করে যখন দেখি সেটা অনেক ছোট তখন মনে অনেক সাহস হয় এবং তা অনায়াসেই মুখস্ত করে ফেলি।

পাঁচ. মোবাইল, টিভি ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করে বাচ্চাদের রাতের বেলা আগেভাগে ঘুম পাড়াতে পারলে তার ঘুমের চাহিদা পূর্ণ হবে। সকাল বেলা ঝরঝরে শরীরে হাসিমুখে সে উঠবে। আনন্দ নিয়ে মক্তবে যাবে। কারণ তার বাড়তি কোন চাপ নেই এবং সে শারীরিকভাবে সতেজ। প্রথম প্রথম হয়তো স্বাদ পেতে একটু দেরি হওয়ার কারণে গড়িমসি করতে পারে। কিছু দিনের মধ্যে তা আনন্দে রূপ নেবে। তবে শিক্ষক মক্তব শিক্ষাকে আনন্দদায়ক করে তুলতে হবে এবং অভিভাবকদের রুটিনের মধ্যে কিছু কারেকশন আনতে হবে। সিদ্ধান্তে অটল থাকতে পারলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অবশ্যই ভালো কিছু হবে ইনশাআল্লাহ।

ছয়. মক্তবের শিক্ষালয় যেমন মসজিদ তেমনি-কে.জি স্কুলেরও নিজস্ব ক্যাম্পাস ও ভবন থাকতে হবে। কারণ নিজস্ব ক্যাম্পাস না থাকলে তারা স্বাধীনভাবে পাঠদান ও কো-কারিকুলাম একটিভিটিস এর সময় নির্ধারণ করতে পারবেন না। এতে শিক্ষার পরিবেশ ও মান ক্ষুন্ন হবে।

সাত. শিক্ষকদের কাছ থেকে দায়িত্বশীল ও নিরবিচ্ছিন্ন পাঠদান আশা করলে অবশ্যই তাদেরকে আর্থিক দুশ্চিন্তা ও পিছুটান থেকে মুক্ত রাখতে হবে। মূল কারিগরই যদি কাজে শক্তি না পান তাহলে সকল কাজ ব্যর্থ হবে। তাই প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষক উভয়ে উভয়ের সক্ষমতা-অক্ষমতা মাথায় রেখে সন্তোষজনক বেতন নির্ধারণ করতে হবে। তাহলে তিনি অর্থ উপার্জনের জন্য যে সময় ও মেধা অন্যত্র ব্যয় করতে চান সেটুকু তিনি এ প্রতিষ্ঠানেই ব্যয় করবেন।

আট. সর্বোপরি উভয় প্রকার প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, অভিভাবক ও প্রতিষ্ঠান পরিচালক সবার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য থাকতে হবে শিক্ষার্থীকে শারীরিক ও মানসিক সুস্থতাসহ মান সম্মত শিক্ষাদান। এক পক্ষের ব্যবসা এবং অন্য পক্ষের শুধু ভালো ফলাফলের অহংকার শিক্ষার্থীকে নিষ্পেষিত করবে। শিক্ষার্থীর মধ্যে ভাল ফলাফলের প্রতিযোগিতা থাকবে এটা তার কর্মের উৎসাহ। কিন্তু অভিভাবক যদি এ প্রতিযোগিতায় লেগে বাচ্চার শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার কথা ভুলে যান তবে এ ফলাফল কিছুদিনের মধ্যেই ম্লান হয়ে যাবে। সবার উদ্দেশ্য পরিস্কার থাকলে ইনশাআল্লাহ বাচ্চাগুলো তাদের স্ব-স্ব পছন্দের ক্ষেত্রে সফলতার স্বাক্ষর রাখবে।

লেখক: অধ্যক্ষ, ফেঞ্চুগঞ্জ মোহাম্মদিয়া কামিল মাদরাসা, সিলেট।

চলবে...

পূর্বের পর্বগুলো যথাক্রমে-
১-https://www.facebook.com/share/p/18tMoDkkHk/
২-https://www.facebook.com/share/p/19EC21Lwez/
৩-https://www.facebook.com/share/p/1CmyYoM8sd/
৪-https://www.facebook.com/share/p/14hZFxkGeXe/

 কতিপয় প্রচলিত কুসংস্কার-শায়খুল হাদিস মাওলানা মো. ছালিক আহমদ (রহ.)ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা। (Islam is the Comp...
18/07/2026



কতিপয় প্রচলিত কুসংস্কার
-শায়খুল হাদিস মাওলানা মো. ছালিক আহমদ (রহ.)

ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা। (Islam is the Complete Code of life) মানুষের ব্যক্তিগত জীবন, পারিবারিক জীবন, সামাজিক জীবন, অর্থনৈতিক জীবন, আন্তর্জাতিক জীবন ও পারলৌকিক জীবন সহ সবকিছুর পরিপূর্ণ ব্যবস্থা ও দিক নির্দেশনা রয়েছে ইসলামে। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মাধ্যমে এ ধর্ম পরিপূর্ণতায় পৌঁছেছে। মানব জাতির জীবন পরিচালনার সার্বিক দিক রয়েছে তাঁর উপর নাযিলকৃত পবিত্র ধর্মগ্রন্থ আল-কোরআন ও তাঁর মুখনিঃসৃত বাণী আল-হাদিসে। ইসলামে এমন কোন অসম্পূর্ণ দিক নেই যে, তা অন্য কোন ধর্ম বা অন্যকোন জাতির সংস্কৃতির অনুসরণে তা পূর্ণ করতে হবে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হচ্ছে আমাদের এ মুসলিম সমাজে এমন কিছু কুপ্রথা ও কুসংস্কার প্রচলিত রয়েছে, যেগুলোর কোন প্রমাণ বা অস্তিত্ব আদৌ ইসলামে নেই। এগুলো অপরাপর ধর্ম ও বিজাতীয় অপসংস্কৃতি থেকে এমন ভাবে আমাদের মুসলিম সমাজে ঢুকে পড়েছে যে, সাধারণ লোক এগুলোকে ধর্মীয় কাজের ন্যায় অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পালন করে থাকে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এগুলো একজন মুসলমানকে নিঃসন্দেহে শিরক ও কুফর পর্যন্ত পৌঁছে দিতে পারে। তাই এ সমস্থ কুসংস্কারের মূলোৎপাটনে উলামায়ে কেরাম ও ইসলামি পন্ডিতগণের সক্রিয় ভূমিকা সময়ের দাবী। এগুলোর সঠিক পরিসংখ্যান পেশ করা সত্যিই অসম্ভব। কেননা আমাদের দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভিন্ন ভিন্ন কুসংস্কার প্রচলিত রয়েছে। তাছাড়া সাম্প্রতিককালে আধুনিকতার নামে কতিপয় জঘন্যতম কুসংস্কারের অনুপ্রবেশ ঘটেছে। আমাদের মুসলিম সমাজে যে গুলোর দাপটে প্রাচীনকাল থেকে প্রচলিত কুসংস্কার সমূহের কোন কোনটি চির বিদায় নিতে বাধ্য হচ্ছে। আমার এ ক্ষুদ্র নিবন্ধে আমাদের সিলেটে প্রচলিত প্রাচীন যুগের কয়েকটি কুসংস্কারের বর্ণনা পাঠক সমক্ষে পেশ করলাম।
১. পেঁচার ডাককে অশুভ মনে করা এবং রাত্রে ডাকলে লোহা চুলায় দেয়া।
২. কোথাও রওয়ানা হওয়ার প্রাক্কালে খালি কলস দেখা অশুভ মনে করা এবং যাত্রা থেকে বিরত থাকা।
৩. শনিবারে কোথাও যাওয়া এবং গুরুত্বপূর্ণ কোন কাজকে অশুভ মনে করা।
৪. জন্মদিনে কোথাও বের হওয়া অশুভ মনে করা।
৫. নতুন কবরের পাশ দিয়ে গমন করা কিংবা করবস্থানকে বিপদের কারণ মনে করা।
৬. অমাবস্যা ও পূর্ণিমার সাথে কোন কাজ হওয়া না হওয়াকে শর্তারোপ করা।
৭. দশই মুহররম তথা আশুরার দিনে জারিপেটা ও মর্সিয়া গাওয়া।
৮. অনাবৃষ্টির সময় পানিতে ভিজে কাদার মধ্যে গড়াগড়ি করে 'ছে-গো মেগো, নুন পানি দেগো' বলে বৃষ্টি চাওয়া।
৯. বিবাহের দিন পুরুষের মেহেদী পরা ও হলুদ মিশ্রিত পানি দিয়ে গোসল করা।
১০. বরকে তার দুলাভাই কর্তৃক ছাতা ধরা জরুরী মনে করা।
১১. বর যাত্রার প্রাক্কালে বরের ছোট বোনকে 'মাইয়ে যেনে কইছলা মন আছেনি' বলে ধান ও পানি ছিটিয়ে দেয়া।
১২. বিবাহের দিন বর কনেকে নিয়ে 'আন্দর' নামক অনুষ্ঠান করা, অশ্লিল আমোদ-প্রমোদ করা এবং বরের মাথায় দাদী শাশুড়ী কর্তৃক দুবরা ঘাস ও ধান প্রভৃতি দেওয়া।
১৩. বিবাহের পর কনেকে নিয়ে বিবি ডাকানো অনুষ্ঠান করা। সকলকে পাইকারী হারে দেখানো, কদমবুছি করানো এবং সেলামী হিসেবে টাকা কিংবা অন্যান্য দ্রব্যাদি দেয়া ও গ্রহণ করা।
১৪. বিবাহের ওকীল ব্যক্তিকে বর ও কনে উভয়ে পিতা মনে করে আব্বা বলে সম্বোধন করা এবং কনে অবাধে তার সম্মুখে বের হওয়া তার বাড়ীতে নিজ আত্মীয় স্বজনের বাড়ীর ন্যায় বেড়াতে যাওয়া।
১৫. বিবাহ উপলক্ষ্যে গেইট বেঁধে টাকার বিনিময়ে বরকে প্রবেশের অনুমতি দেয়া।
১৬. বিবাহের পর বর অবশ্যই আড়াই দিনের জন্য শশুড়ালয়ে যেতে হবে এবং অবশ্যই আড়াইদিন থাকতে হবে।
১৭. বিবাহের পরের দিন বরকে অবশ্যই বাজারে যেতে হবে, গনিয়া মাছ কিংবা এ জাতীয় কোন প্রকার মাছ অবশ্যই বাজার থেকে আনতে হবে এবং নতুন বধূকে তা কুটতে হবে।
১৮. বিবাহের পর কনের বাড়ী থেকে কলস ভরে ধান দেয়া।
১৯. শশুড় বাড়ীতে জামাতা মাছ ততক্ষণ পর্যন্ত খেতে পারবেন না, যতক্ষণ না মাছ নিয়ে শশুড়ালয়ে গমন করবেন।
২০. জীবনে চুন না খেলে লাইলী-মজনুর বিবাহ (পরকালে) দেখা যাবে বিশ্বাস করা।
২১. ছারপোঁকা (উলস) নবীজীর দাঁড়ি মোবারকে ছিল বলে তাকে পা দিয়ে মারা ঠিক নয়। এবং তা মেরে নাকে শুঁকতে হয়।
২২. ছাগল নবীজী (সা.)'র টুপি খেয়ে ফেলেছে এবং নবীজী (সা.) তাকে বদদোয়া দিয়েছেন তাই ছাগলে কোন তরুলতা খেলে তা আর জীবিত থাকে না। এমনি ছাগল জবাই করলে সে টুপি পাওয়া যায়।
২৩. শ্যালিকা দুলা ভাই'র সম্মুখে বের হওয়া, আমোদ-প্রমোদ করা এবং দেবর ভাবীর সংগে আমোদ-প্রমোদকে বৈধ মনে করা।
২৪. অনাত্মীয়কে ধর্মের মেয়ে, ধর্মের বোন, ধর্মের বাপ ইত্যাদি ডেকে আত্মীয়তার মত সম্পর্ক স্থাপন করা। অবাধে চলাফেরা করা, নিকটাত্মীয়দেকে অবহেলা করা এবং একথা বলে দলীল দেওয়া 'জন্মের লয় তনে ধর্মের লয় বড়'।
২৫. রবিবার ও বৃহস্পতিবারে ঝাড়ের বাঁশ কাটা যাবে না।
২৬. বাড়ীর ভিতর দিয়ে ছাতা টানিয়ে যাওয়া ঠিক নয় মনে করা।
২৭. ঘরের ভিত্তি প্রস্তরের দিন সোনা-রূপার পানি ও অন্যান্য কিছু বস্তু খুদাইকৃত গর্তে ছাড়া জরুরী মনে করা।
২৮. আধা পয়সার ঋণের জন্য চন্দ্র ও সূর্যগ্রহণ ঘটে মনে করা।
২৯. কোন নতুন আত্মীয়ের বাড়ীতে যেতে কোন হাদিয়া (মিষ্টি দ্রব্য বা অন্য কিছু) ক্রয় করে নিজের বহন করার সামর্থ থাকা সত্ত্বেও সম্মানের হানি মনে করে নিজে কিংবা নিজের কোন আত্মীয় স্বজনের মাধ্যমে বহন না করানো এবং নিম্ন শ্রেণির লোকের মাধ্যমে তা বহন করানো জরুরী মনে করা।
৩০. রাত্রে কাউকে কোন কিছু দেয়া ঠিক নয় মনে করা।
৩১. চন্দ্র বা সূর্যগ্রহণের সময় গর্ভবতী মহিলাদেরকে হাঁটানো অর্থাৎ বসতে কিংবা শুইতে নিষেধ করা এবং মাছ কিংবা অন্য কিছু কাটতে না দেয়া।
৩২. গর্ভবতী মহিলার স্বামীকে গরু, বকরী ও মোরগ প্রভৃতি প্রাণী জবাই করতে নিষেধ করা।
৩৩. গর্ভবতী মহিলার স্বামীকে সাপ-বিচ্ছু ইত্যাদি মারতে নিষেধ করা।
৩৪. ফরায়েজের সম্পদ নেয়া উচিত নয় মনে করা।
৩৫. ছেলে সন্তানকে সু-সন্তান এবং মেয়ে সন্তানকে কু-সন্তান বলে আখ্যায়িত করা।
৩৬. বিড়ালকে এক আঘাতে মারলে ছাওয়াব পাওয়া যায় মনে করা।
৩৭. খাওয়ার সময় ভিক্ষুক আসলে তাকে ভিক্ষা দেয়া ঠিক নয় মনে করা।
৩৮. আশ্বিন মাসের শেষ তারিখে রাত্রে ভাত পানিতে ভিজিয়ে রাখা এবং পর দিন অর্থাৎ কার্তিক মাসের প্রথম তারিখে তা খাওয়া এবং সকল উদ্দেশ্য হাসিল হয়ে যাবে বিশ্বাস করা আর একথা বলে দলীল দেয়া যে, "আশ্বিনের ভাত কার্তিকে খাও যেতা মাংগ অতা পাও”।
৩৯. শবে বরাতে আতশবাজিকে পূণ্যের কাজ মনে করে যেখানে সেখানে বাতি জ্বালিয়ে রাখা এবং এ রাতকে বাত্তির রাত বলা।
৪০. কোন কোন চন্দ্র মাসকে শুভ এবং কোনোটিকে অশুভমনে করা, আবার কোনোটিকে খালি মাস ও কোনোটিকে ভরা মাস বলা এবং বিশ্বাস করা।
৪১. কোন আলোচনার সময় টিকটিকি ডাকলে কার্য হাসিল হবে বিশ্বাস করা।
৪২. অগ্রহায়ণ মাসের প্রথম তারিখকে ভোলার দিন বলা এবং তা পালন করা।
৪৩. বাজনা বাজিয়ে ঝাড় ফুঁক করা।
৪৪. পড়া মাটি (সিকড) ভক্ষণ করা এবং এ ধারণা পোষণ করা যে, এক কবরের সমপরিমাণ মাটি খেতে পারলে কবরের আযাব থেকে রেহাই পাওয়া যাবে এবং বেহেস্তের পথ সুগম হবে।
৪৫. কবরের কোন অস্তিত্ব নেই এমন জায়গায় টাকা পয়সা আদায়ের হীন উদ্দেশ্যে মাজার তৈরী করা ও মাজার ব্যবসা করা।
৪৬. ওরসের নামে পুরষ মহিলা একত্রিত হয়ে মাজারের পাশে গান বাজনা করা ও গাঁজার আসর বসানো।
৪৭. লাল কাপড় পরে লম্বা ও ঝটা বাঁধা চুল রেখে লাউয়াশাহ, চিলিমশাহ, কুদালী শাহ ও কাঁথা শাহ প্রভৃতি নাম ধারণ করে ভন্ডফকীর সাজা এবং ওদেরকে পীর বলে সম্বোধন করা।
৪৮. জিয়ারতের সুবিধার জন্য কোনো কাজ করার প্রয়োজন ব্যতিত মাজারের নামে টাকা দেয়া এবং গ্রহণ করা।
৪৯. বৈদ্যুতিক বাতি থাকা সত্ত্বেও মাজারে লাইন ধরে মোমবাতি জালানো। তবে বৈদ্যুতিক বাতির অভাবে রাতের বেলায় জিয়ারতের সুবিধার জন্য দু'একটি জ্বালিয়ে রাখা স্বতন্ত্র কথা।
৫০. জন্মের পর এক গুচ্ছ চুল রেখে দেয়া, দশটি ঘরে ভিক্ষা করে চাউল সংগ্রহ করা, তা বিক্রি করে মাজারে গিয়ে শিরনী আদায় করা এবং এ চুলগুচ্ছ মুন্ডায়ে ফেলাকে একটি পুণ্যের কাজ মনে করা।
৫১. যে মহিলার সন্তান প্রায়ই মারা যায় তার পরবর্তী সন্তানের নাম অবহেলা স্বরূপ ফকির, বাদা, গেদা, মখা, পুঁটি প্রভৃতি রাখা এবং এ নাম রাখাই তার জীবিত থাকার কারণ মনে করা। তাছাড়া শুক্রবারে জন্ম হলে শুক্রবি এবং মঙ্গলবারে জন্ম হলে মঙ্গলবি প্রভৃতি নাম রাখা।
৫২. ঘোড়া মরলে জবাই করে ফেলতে হবে, জবাই ছাড়া ফেলে দিলে পরবর্তীতে তা "ঘোড়াখানিদেও” হয়ে ফিরে আসে ধারণা করা।
৫৩. মোরগ-হাস জবাই করে তিনবার সুরায়ে এখলাছ পড়ে পানিতে ফুঁক দিয়ে তা ছিটিয়ে দেয়া।

উপরোক্ত সংক্ষিপ্ত আলোচনা থেকে পরিশেষে এ কথাই বলতে হয় যে, সমাজে প্রচলিত এ সকল কুসংস্কারের অধিকাংশই মানুষ ধর্মীয় কিংবা পুণ্যের কাজ মনে করে পালন করে থাকে, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এগুলো ইসলামি শরীয়তের দৃষ্টিতে অত্যন্ত গর্হিত ও নিন্দনীয় কাজ, এমন কি কোন কোন ক্ষেত্রে তা কুফরী। তাই মুসলমান হিসেবে আমাদেরকে এ সকল কুসংস্কার সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে এবং অবশ্যই বর্জন করতে হবে।

চলবে...

পর্ব-১ 👇
https://www.facebook.com/share/p/1GCLmQq3Aj/

পর্ব-২ 👇
https://www.facebook.com/share/p/1E6MwVsGLJ/

খানেকা-ই লতিফিয়া পরিষদ লাকেশ্বর কর্তৃক আয়োজিত মাসিক খানকাহ মাহফিলের উদ্বোধন করেন মুফতিয়ে আজম হযরত আল্লামা গিয়াস উদ্দীন চ...
17/07/2026

খানেকা-ই লতিফিয়া পরিষদ লাকেশ্বর কর্তৃক আয়োজিত মাসিক খানকাহ মাহফিলের উদ্বোধন করেন মুফতিয়ে আজম হযরত আল্লামা গিয়াস উদ্দীন চৌধুরী ছাহেব জাদায়ে ফুলতলী।

১৭ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার
লাকেশ্বর, ছাতক।

অর্থ সম্পাদক মো. ছাদিকুর রহমানের মমতাময়ী আম্মা ও এলাকার মুর্দেগানের ঈসালে সাওয়াব মাহফিল সম্পন্নসুদীর্ঘ ১ যুগেরও বেশি সময়...
07/07/2026

অর্থ সম্পাদক মো. ছাদিকুর রহমানের মমতাময়ী আম্মা ও এলাকার মুর্দেগানের ঈসালে সাওয়াব মাহফিল সম্পন্ন

সুদীর্ঘ ১ যুগেরও বেশি সময় ধরে অত্যান্ত সুনামের সাথে ধর্মীয় ও সামাজিক অঙ্গনে কার্যক্রম চালিয়ে আসা ছাতক উপজেলার লাকেশ্বরের ঐতিহ্যবাহী হিলফুল ফুজুল লতিফিয়া ছাত্র সংস্থা আয়োজিত সংস্থার অর্থ সম্পাদক মো. ছাদিকুর রহমানের মমতাময়ী আম্মা ও বৃহত্তর লাকেশ্বর এলাকার সমস্থ মুর্দেগানের স্মরণে ঈসালে সাওয়াব মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সংস্থার নিজ কার্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. জয়নুল হকের সভাপতিত্বে ও মো. হেলাল আহমদ মাহিনের সঞ্চালনায় সূচিত মাহফিলে সম্মানিত অতিথির বক্তব্য রাখেন লাকেশ্বর আলিম মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা আজিজুর রহমান ও গোয়াহরি লতিফিয়া ইরশাদিয়া আলিম মাদ্রাসা আরবি প্রভাষক মাওলানা আব্দুল গফুর।

সদস্য মো. ইসলামুল হকের স্বাগত বক্তব্য এবং ছাদিকুর রহমান ও নেছার আহমদের স্মৃতিচারণ মূলক বক্তব্যের পাশাপাশি উক্ত মাহফিলে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন লাকেশ্বর পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদের সম্মানিত ইমাম জনাব ক্বারী জিল্লুর রহমান, লাকেশ্বর লতিফিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক হাফিজ আতিকুর রহমান, লাকেশ্বর পূর্বপাড়া-মাঝপাড়া জামে মসজিদের ছানী ইমাম জনাব ক্বারী আব্দুর রহমান ছুরত ও জনাব আতিকুর রহমান প্রমূখ।

পরিশেষে প্রিন্সিপাল মাওলানা আজিজুর রহমান সাহেবের দোয়া মোনাজাত ও শিরণি বিতরণের মধ্যদিয়ে ঈসালে সাওয়াব মাহফিলের কার্যক্রম সমাপ্ত হয়।

সংস্থার অর্থ সম্পাদক, লাকেশ্বর পশ্চিমপাড়া নিবাসী মো. ছাদিকুর রহমানের মমতাময়ী আম্মা গতকাল সকাল ০৬:৩০ ঘটিকার সময় ইন্তেকাল ...
24/06/2026

সংস্থার অর্থ সম্পাদক, লাকেশ্বর পশ্চিমপাড়া নিবাসী মো. ছাদিকুর রহমানের মমতাময়ী আম্মা গতকাল সকাল ০৬:৩০ ঘটিকার সময় ইন্তেকাল করিয়াছেন।
ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাযিঊন

মারহুমার জানাযার নামাজ আজ বিকাল ০২:০০ ঘটিকার সময় লাকেশ্বর পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদের মাঠে অনুষ্ঠিত হইবে।

এতে আপনাদের উপস্থিতি ও দোয়া কামনা করি।

[আল্লাহপাক আমাদের এই মাকে জান্নাতের সুউচ্চ মাকাম নসীব করুন। প্রিয় ছাদিক দেশে ফিসেছে, সে সহ তার পরিবারের সবাইকে মাতৃবিয়োগের এই শোক সইবার তাওফিক দান করুন।]

একটি শোক সংবাদ!হিলফুল ফুজুল লতিফিয়া ছাত্র সংস্থার অর্থ সম্পাদক মো. ছাদিকুর রহমানের মমতাময়ী আম্মা দুনিয়ার সফর শেষ করেছেনই...
23/06/2026

একটি শোক সংবাদ!
হিলফুল ফুজুল লতিফিয়া ছাত্র সংস্থার অর্থ সম্পাদক মো. ছাদিকুর রহমানের মমতাময়ী আম্মা দুনিয়ার সফর শেষ করেছেন

ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাযিঊন।

মারহুমার জানাযার নামাজের সময় পরবর্তীতে জানানো হইবে।

[আজ আমরা আমাদের এক মা-কে হারালাম। আমরা দোয়া করি নবিজীর কলিজারটুকরা সায়্যিদুনা হযরত ইমাম হোসাইন (রা.) ওছিলায় আল্লাহপাক উনাকে জান্নাতের সুউচ্চ মাকাম দান করুন। আমীন।]

22/06/2026

হিলফুল ফুজুল লতিফিয়া ছাত্র সংস্থার অর্থ সম্পাদক মো. ছাদিকুর রহমানের মমতাময়ী আম্মা সিলেট রাগীব আলী মেডিকেলের ICU তে ভর্তি রয়েছেন।
দোয়া চাই, আল্লাহপাক উনাকে সুস্থ্যতার সহীত নেক হায়াত দান করুন।

হিলফুল ফুজুল লতিফিয়া ছাত্র সংস্থার ঐতিহ্য, গৌরব ও সাফল্যের এক যুগ পূর্তি উপলক্ষ্যে প্রকাশিত বিশেষ স্মারক আল-ইমদাদ পৌঁছে ...
06/06/2026

হিলফুল ফুজুল লতিফিয়া ছাত্র সংস্থার ঐতিহ্য, গৌরব ও সাফল্যের এক যুগ পূর্তি উপলক্ষ্যে প্রকাশিত বিশেষ স্মারক আল-ইমদাদ পৌঁছে দেয়া হয়েছে ইয়াকুবিয়াহ হিফজুল কুরআন বোর্ডের সম্মানিত প্রশিক্ষক মাওলানা হাফিজ আব্দুল মুক্তাদির আল-আযহারী, হাফিজ আব্দুল আজিজ, হাফিজ মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম এবং হাফিজ মাওলানা আশফাকুজ্জামান আদনান সাহেব এবং বোর্ডের ওয়ার্কিং কমিটির সম্মানিত অফিস সম্পাদক মাওলানা সাইদুর রহমান সাহেব সহ সম্মানিত ব্যক্তিবর্গের হাতে।

আল-ইমদাদের জয় জয়কার চলছেই #আলহামদুলিল্লাহ। সকলের দোয়া ও ভালোবাসা কামনা করি।

০৫ জুন ২০২৬, ঈসায়ী
সোবহানিঘাট, সিলেট।

ঐতিহ্য, গৌরব ও সাফল্যের এক যুগ পূর্তি উপলক্ষ্যে প্রকাশিত বিশেষ স্মারক আল-ইমদাদ আজ পৌঁছে গেল সাফল্যের আরেক অনন্য উচ্চতায়।...
04/06/2026

ঐতিহ্য, গৌরব ও সাফল্যের এক যুগ পূর্তি উপলক্ষ্যে প্রকাশিত বিশেষ স্মারক আল-ইমদাদ আজ পৌঁছে গেল সাফল্যের আরেক অনন্য উচ্চতায়। লতিফি হ্যান্ডসের জেনারেল সেক্রেটারি ও ইয়াকুবিয়া হিফজুল কুরআন বোর্ডের সম্মানিত জয়েন্ট সেক্রেটারি মাওলানা গুফরান আহমদ চৌধুরী ফুলতলীর হাতে শোভা পাচ্ছে আমাদের স্মারক আল-ইমদাদ। শ্রদ্ধেয় বড়ভাইয়ার হাতে স্মারক পৌঁছে দিতে পেরে আমরাও ভীষণ আনন্দিত। তিনিও খুশি হয়েছেন এবং সংস্থার জন্য দোয়া করেছেন আলহামদুলিল্লাহ।

৪ঠা জুন ২০২৬, ঈসায়ী
সোবহানিঘাট, সিলেট।

দেশ ও প্রবাসে অবস্থানরত ধর্মপ্রাণ সকল মুসলমানদের জানাই পবিত্র ঈদুল আদ্বহার আন্তরিক শুভেচ্ছা
27/05/2026

দেশ ও প্রবাসে অবস্থানরত ধর্মপ্রাণ সকল মুসলমানদের জানাই পবিত্র ঈদুল আদ্বহার আন্তরিক শুভেচ্ছা

Address

Sylhet

Telephone

+8801712980134

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hilful Fujul L Official posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share