Joy Shree Radhe

Joy Shree Radhe " কৃষ্ণ এক সর্বাশ্রয়-কৃষ্ণসর্ব্বধাম।
কৃষ্ণের শরীরে সর্ব্ববিশ্বের বিশ্রাম।। "

বৈষ্ণবদের মধ্যে ভালোবাসার সম্পর্ক বিশ্বাসের সম্পর্ক শ্রদ্ধা সম্ভ্রমের সম্পর্ক। নববিধা ভক্তির মধ্যে যে বন্ধুত্ব ভাব সখ্য ...
18/06/2024

বৈষ্ণবদের মধ্যে ভালোবাসার সম্পর্ক বিশ্বাসের সম্পর্ক শ্রদ্ধা সম্ভ্রমের সম্পর্ক। নববিধা ভক্তির মধ্যে যে বন্ধুত্ব ভাব সখ্য ভাবের যিনি জলন্ত দৃষ্টান্ত ভগবানের সহিত তিনি হচ্ছেন মহাদেব।

মহাদেব সবসময় সেই সমস্ত ভক্তদেরকে সহযোগিতা করে, যারা নবদ্বীপ ধামে এসে মহাপ্রভুর শ্রীচরণ কমলে আত্মসমর্পণ করতে চায়। সেই সমস্ত ভক্তদের মহাদেব সরাসরি সাহায্য করেন।

নবদ্বীপ ধামে এসে ভক্তবৃন্দরা যখন ঐকান্তিকতার সহিত গৌরকথা শ্রবণ করেন তখন মহাদেব সাক্ষাৎ সেখানে আবির্ভূত হয়ে সরাসরি সেই সমস্ত ভক্তদেরকে বিশেষ আশীর্বাদ প্রদান করেন।


হরিবোল 🌷🌷🌷🙏🙏🙏🥰🥰🥰

"হরে" ছাড়া কি কৃষ্ণ আসেন ? "হরে" অর্থাৎ রাধারানী। ভগবানের হ্লাদিনী শক্তি,ভগবানের শ্রেষ্ঠ ভক্ত,"রাধা"অর্থাৎ ভক্তি। ভক্তি ...
15/06/2024

"হরে" ছাড়া কি কৃষ্ণ আসেন ? "হরে" অর্থাৎ রাধারানী। ভগবানের হ্লাদিনী শক্তি,ভগবানের শ্রেষ্ঠ ভক্ত,"রাধা"অর্থাৎ ভক্তি। ভক্তি থাকলে তবেই কৃষ্ণ থাকেন।
তাই তো "হরে কৃষ্ণ"। আগে ভক্তি তারপর কৃষ্ণপ্রাপ্তি।

রাধে রাধে🙏

🍁সাধু চেনার উপায়? 🍁🙏উত্তর: যিনি শুদ্ধভাবে কৃষ্ণভজনকারী এবং নিঃশর্তভাবে ঐকান্তিক কৃষ্ণানুশীলনে ব্রতী-তিনিই সাধু। শ্রীমদ্ভ...
14/06/2024

🍁সাধু চেনার উপায়? 🍁🙏

উত্তর: যিনি শুদ্ধভাবে কৃষ্ণভজনকারী এবং নিঃশর্তভাবে ঐকান্তিক কৃষ্ণানুশীলনে ব্রতী-তিনিই সাধু। শ্রীমদ্ভাগবতে একটি শ্লোকে বলা হয়েছে-

তিতিক্ষবঃ কারুণিকাঃ সুহৃদঃ সর্বদেহিনাম্।
অজাতশত্রবঃ শান্তাঃ সাধবঃ সাধুভূষণাঃ ॥

অর্থাৎ, "সাধুর লক্ষণ হচ্ছে তিনি সহনশীল, দয়ালু এবং সমস্ত জীবের সুহৃৎ। তিনি কারও প্রতি শত্রু-ভাবাপন্ন হন না, তিনি শান্ত, তিনি শাস্ত্রের নির্দেশ অনুসারে আচরণ করেন; এবং তিনি সমস্ত সদ্‌গুণের দ্বারা বিভূষিত।" (ভাঃ ৩/২৫/২১)

সহনশীলতা সাধুর ধর্ম। এই যুগে মানুষেরা আসুরিক মনোভাবাপন্ন হওয়ার ফলে, কেউ ভগবদ্ ভজন করা মাত্রই, বহু মানুষ তার শত্রুতে পরিণত হয়। এমন কি কারও পিতা পর্যন্তও শত্রুভাবাপন্ন হয়ে উঠতে পারে, যেমন প্রহ্লাদের পিতা হিরণ্যকশিপু প্রহ্লাদের প্রতি শত্রুভাবাপন্ন হয়েছিল। কিন্তু, শ্রীপ্রহ্লাদ শৈশব থেকেই পিতার অবাধ্য হয়েছিলেন, এবং জীবনে কখনো ভগবদ্ভজন থেকে বিচ্যুত হননি। এটাই যথার্থ সাধুর পরিচয়।

সাধু কৃপালু। জড় জগতে বদ্ধ জীবদের তিনি মুক্তির পথ প্রদর্শন করেন। অনেক ব্যক্তিকে দেখা যায়, যারা কনিষ্ঠ স্তরের ভক্তকে দেখে উপহাস করে-এ আবার কবে সাধু হল?' কিন্তু পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ সাধুর বৈশিষ্ট্য বুঝিয়েছেন এইভাবে-

অপি চেৎ সুদুরাচারো ভজতে মামনন্যভাক্।
সাধুরেব স মন্তব্যঃ সমাগ্যবসিতো হি সঃ ॥

অর্থাৎ, 'সর্বাপেক্ষা দুরাচারী ব্যক্তিও যদি আমার ভজনে একান্তভাবে ব্রতী হয়, তা হলে তাকে সাধু বলে গণ্য করতে হবে, কারণ তার স্বরূপে যে যথাযথভাবে অবস্থান করছে।
(গীতা ৯/৩০)

14/06/2024
✍🏾আপনি যখন আয়নায় নিজেকে দেখেন তখন আপনাকে সুন্দর লাগলে নিজের মনে কেমন একটা আনন্দ অনুভূতি হয়, তাইতো—        ঠিক তেমনি আপনি...
13/06/2024

✍🏾আপনি যখন আয়নায় নিজেকে দেখেন তখন আপনাকে সুন্দর লাগলে নিজের মনে কেমন একটা আনন্দ অনুভূতি হয়, তাইতো—

ঠিক তেমনি আপনি যখন আপনার চোখ দিয়ে কৃষ্ণের কোনো শ্রীবিগ্রহের দর্শন করেন দেখবেন আপনার মন অনেক আনন্দিত হয়ে যাচ্ছে, শরীরের মধ্যে এক প্রেম জাগ্রত হচ্ছে—

এটার কারন কি জানেন আপনার মধ্যে পরমাত্মা রুপে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বিরাজ করছেন।আর তিনি যখন আপনার চোখ দিয়ে তার শ্রীবিগ্রহ দর্শন করছেন, ওই যে আয়নায় আপনাকে দেখলে যেমন অনুভূতি আসে ঠিক তেমনিই তারও এমন আনন্দ অনূভব হয় আর সেটাই আপনি শরীরেও অনূভব করেন।

এটা থেকেই বুঝতে পারা যায় যে, ভগবান শ্রীকৃষ্ণ পরমাত্মা রুপে আমাদের সবার মধ্যেই বিরাজ করছেন।

✍🏾তাই আমাদের উচিত সর্বদাই এই আত্মাকে কৃষ্ণ-প্রেমে উচ্ছাসিত করা, জাগ্রত করা, এবং কৃষ্ণের সেবা আনন্দে প্রতিক্ষণ নিমগ্ন থাকা, যাতে করে আমরা ভগবৎ-ধামে ফিরে যেতে পারি,—


ভগবত ধামে যদি আমরা ফিরে যেতে পারি তাহলে আমরা শ্রীকৃষ্ণের সান্নিদ্ধ লাভ করতে পারব এবং দিব্য আনন্দে ভগবানের সঙ্গে বিহার করব।

রাধে রাধে...🌿🙌🏾🙏

কৃষ্ণময় 🙏🏻🙏🏻শুভ সকাল🩵🩵💙
12/06/2024

কৃষ্ণময় 🙏🏻🙏🏻
শুভ সকাল🩵🩵💙

মাঘ শুক্লাতিথি সপ্তমীতে অতিউথলয়ে মহা আনন্দ সিন্দুনাভাগর্ভ ধন্য করি অবতীর্নহৈল শুভক্ষণে অদ্বৈত-ইন্দুকুবের পন্ডিত হৈয়া হর...
16/02/2024

মাঘ শুক্লাতিথি সপ্তমীতে অতি
উথলয়ে মহা আনন্দ সিন্দু
নাভাগর্ভ ধন্য করি অবতীর্ন
হৈল শুভক্ষণে অদ্বৈত-ইন্দু
কুবের পন্ডিত হৈয়া হরষিত
নানা দান দ্বিজ দরিদ্রে দিয়া
সূতিকা মন্দিরে গিয়া ধীরে ধিরে
দেখি পুএ মুখ জুড়ায় হিয়া

 #পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কেন অপ্রাকৃত লীলা করেছেন!!! #ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এই পৃথিবীতে প্রকটকালে যে সমস্ত লীলাবিলাস করেছিলে...
29/01/2024

#পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কেন অপ্রাকৃত লীলা করেছেন!!!
#ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এই পৃথিবীতে প্রকটকালে যে সমস্ত লীলাবিলাস করেছিলেন,তা মানব সমাজের জন্য হিতকর।ভগবানের দিব্য লীলা তিন ভাগে বিভক্ত-
১।ব্রজলীলা,
২।মথুরালীলা ও
৩।দ্বারকালীলা।

#মানুষ যদি কেবল ভগবান শ্রীকৃষ্ণের এই অপ্রাকৃত লীলা শ্রবণ করেন,তাহলে তারা জড়বন্ধন থেকে মুক্ত হয়ে যাবেন।শাস্ত্রে উল্লেখ আছে যে,কৃষ্ণকথা দুই প্রকার-স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণের মুখনিঃসৃত ভগবদ্গীতা এবং শ্রীল শুকদেব গোস্বামী বর্ণিত শ্রীকৃষ্ণের মহিমা বর্ণনাকারী শ্রীমদ্ভাগবত।কেউ যদি কৃষ্ণ কথার প্রতি অল্প একটুও আগ্রহী হন,তাহলে তিনি মুক্তি লাভ করেন।

" #কীর্তনাদেব কৃষ্ণস্য মুক্তসঙ্গঃ পরং ব্রজেৎ।"
অর্থাৎ,কেবল কৃষ্ণকথা কীর্তনের ফলে কলিযুগের কলুষ থেকে মুক্ত হওয়া যায়।

#শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু তাই উপদেশ দিয়েছেন-
"যারে দেখ,তারে কহ কৃষ্ণ-উপদেশ,
আমার আজ্ঞায় গুরু হয়া তার এ দ্বেষ।"

#মানুষের উদ্দেশ্য হওয়া উচিৎ-কৃষ্ণকথা শ্রবণ করে ভব বন্ধন থেকে মুক্ত হওয়া।

#শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব ও যদুবংশ সোম বা চন্দ্রবংশের অন্তর্ভুক্ত।যদিও গ্রহগুলির আয়োজন এমনভাবে করা হয়েছে যে,সূর্য চন্দ্রের পূর্বে আসে।তবুও পরীক্ষিৎ মহারাজ চন্দ্রবংশকে অধিক সম্মান প্রদর্শন করেছেন।কারণ চন্দ্রবংশের অন্তর্ভুক্ত যদুবংশে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ আবির্ভূত হয়েছেন।

#দুটি ক্ষত্রিয় বংশ রয়েছে-চন্দ্রবংশ ও সূর্যবংশ।ভগবান যখন অবতরণ করেন,তখন তিনি সাধারণত ক্ষত্রিয় বংশে আবির্ভূত হন।কারণ তিনি ধর্ম-সংস্থাপন এবং সৎ জীবন যাপন করার শিক্ষা দেওয়ার জন্য অবতীর্ণ হন।বৈদিক প্রথা অনুসারে ক্ষত্রিয়রা হচ্ছেন মানব সমাজের রক্ষক।

#ভগবান যখন শ্রীরামচন্দ্র রূপে অবতীর্ণ হয়েছিলেন,তখন তিনি সূর্যবংশে অবতীর্ণ হয়েছিলেন এবং যখন তিনি শ্রীকৃষ্ণ রূপে অবতীর্ণ হন,তখন তিনি চন্দ্রবংশের অন্তর্ভুক্ত যদুবংশে জন্মগ্রহণ করেন।

#শ্রীমদ্ভাগবতে উল্লেখ আছে,সোমবংশ এবং সূর্যবংশ উভয় বংশেরই সমস্ত রাজারা ছিলেন অত্যন্ত মহান ও শক্তিশালী এবং মহারাজ পরীক্ষিৎ তাদের প্রভূত প্রশংসা করেছেন।কিন্তু তা সত্ত্বেও তিনি সোমবংশ সম্বন্ধে আরও শুনতে চেয়েছিলেন।কারণ,ভগবান শ্রীকৃষ্ণ সেই বংশে অবতীর্ণ হয়েছিলেন।

#ভগবান শ্রীকৃষ্ণ যেখানে লীলা করেন,সেই পরম ধামকে চিন্তামণি বলা হয়।মূলতঃ এই পৃথিবীর বৃন্দাবন ধাম সেই ধামেরই প্রতিফলন রূপ।

🤔❤️কলিযুগের যুগধর্ম কি?কলিযুগে জীবের মুক্তির উপায় কি?🌹🙏👇👇💥 সনাতনী হিসেবে আমাদের প্রধান ধর্মগ্রন্থ হল বেদ।বেদ শব্দের অর্থ...
29/01/2024

🤔❤️কলিযুগের যুগধর্ম কি?কলিযুগে জীবের মুক্তির উপায় কি?🌹🙏👇👇

💥 সনাতনী হিসেবে আমাদের প্রধান ধর্মগ্রন্থ হল বেদ।বেদ শব্দের অর্থ জ্ঞান।বেদ চারটি ভাগে বিভক্ত।যথা-সংহিতা,ব্রাহ্মন,আরন্যক এবং উপনিষদ।সংহিতা চার প্রকার-ঋক,সাম, যজু এবং অথর্ব । এরপর রয়েছে ব্রাহ্মন এবং আরন্যক।সর্বশেষ বেদের বিভাগ হল উপনিষদ।তাই উপনিষদকে বেদান্ত বা বেদের অন্তভাগও বলা হয়।

মুক্তিকোপনিষদে ১০৮ টি উপনিষদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।সে উপনিষদের ৩৬ তম মন্ত্রে ১০৩ তম রুপে স্পষ্টভাবে কলির্সন্তরন উপনিষদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে("সাট্যয়নী হয়গ্রীব দত্তাত্রেয় চ গারুড়ম।কলি জাবালি সৌভাগ্য রহস্য ঋচ মুক্তিকা)।কৃষ্ণ যজুর্বেদের অন্তর্গত কলির্সন্তরন উপনিষদে সরাসরি কলিযুগের যুগধর্ম ও মুক্তির পথ হিসেবে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্রটি নিদিষ্ট হয়েছে।সেখানে বলা হয়েছে...

💚 " হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।
ইতি ষোড়শকং নাম্নাং কলির্কল্মষ নাশনং।
নাতঃ পরতরোপায় সর্ব বেদেষু দৃশ্যতে।।"

অনুবাদঃ ষোলটি নাম সমন্বিত হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কলির সমস্ত পাপ বিনষ্ট করে।এর থেকে শ্রেষ্ঠ পথ বেদের আর কোথাও খুঁজে পাওয়া যাবে না।

-কলির্সন্তরন উপনিষদ ২ ( কৃষ্ণ যজুর্বেদ)

উপরোক্ত হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্রের কথা যেমন কৃষ্ণ যজুর্বেদের অন্তর্গত কলির্সন্তরন উপনিষদে বর্ণিত আছে, ঠিক তেমনই ব্রহ্মান্ড পুরান,রাধাতন্ত্র এবং সনৎ সংহিতা শাস্ত্রেও বর্ণিত আছে।সে সমস্ত শাস্ত্রে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্রকে কলিজীবের মুক্তির পথ বলা হয়েছে...

💝 "হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।
ইতি ষোড়শকং নাম্নাং কলির্কল্মষ নাশনং।
নাতঃ পরতরোপায় সর্ব বেদেষু দৃষ্টতে।।"

অনুবাদঃ ষোলটি নাম সমন্বিত হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কলির সমস্ত পাপ বিনষ্ট করে।এর থেকে শ্রেষ্ঠ পথ বেদের আর কোথাও দেখা যাবে না।

- ব্রহ্মান্ড পুরানঃ রাধাহৃদয়,৬/৫৫-৫৬


💙"হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে ।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ।।
দ্বাত্রিংশ দক্ষরাণ্যেব কলৌ নামানি সর্বদা ।
শৃণুচ্ছন্দঃ সুত শ্রেষ্ঠ হরিনামঃ সদৈবহি ।।
ছন্দোহি পরমং গুহ্যং মহুৎপদ মনব্যয়ং।
সর্বশক্তিময়ং মন্ত্রং হরিনাম তপোধন ৷৷"

অনুবাদ: 'হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে। হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।। '- এই দ্বাত্রিংশদক্ষর হরিনামই কলিযুগে ত্রাণ করে । হে সুতশ্রেষ্ঠ ! এই মন্ত্রের ছন্দ অতি সুগোপ্য। হে তপোধন ! এই হরিনামাত্মক মন্ত্র সৰ্ব্ব শক্তিময়। এই মন্ত্রের চিন্তনে সর্ব্বশক্তির চিন্তা করা হয় এবং মহৎপদ প্রাপ্ত হয়।

-রাধাতন্ত্র, ২য় পটল, শ্লোক ২৯-৩১

🧡 "হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।
ষোড়শৈতানি নামানি দ্বাত্রিংশদ বর্ণকানি হি।
কলৌযুগে মহামন্ত্রঃ সম্মতো জীবতারণে।।

অনুবাদঃ "হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে। হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে। এই ষোলনাম বত্রিশ অক্ষর কলিযুগের মহামন্ত্র এবং জীব উদ্ধারের অভিমত।

- সনৎকুমার সংহিতা
(শ্রী ধ্যানচন্দ্র গোস্বামী তাঁর 'গৌরগোবিন্দরচন স্মরণপদ্ধতি' গ্রন্থের ১৩২-১৩৩ নং শ্লোকে 'সনৎ-কুমার সংহিতা' হতে উদ্ধৃতি করেছেন)

এছাড়াও বৃহন্নারদীয় পুরান এবং শ্রীমদ্ভাগবত পুরান শাস্ত্রসহ অষ্টাদশ পুরান, মহাভারত শাস্ত্রেও হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্ররুপ হরিনাম বা কৃষ্ণনামকে কলিযুগের একমাত্র ধর্ম ও মুক্তির পথ বলা হয়েছে...

💚 " হরের্নাম হর্রেনাম হরের্নামৈব কেবলম।
কলৌ নাস্ত্যেব নাস্ত্যেব নাস্ত্যেব গতিরন্যথা।।"

অনুবাদঃ এই কলিযুগে হরিনাম ব্যতীত অন্য কোন গতি নেই, গতি নেই, গতি নেই।

- বৃহন্নারদীয় পুরান ৩/৮/১২৬

💝 " কৃতে যদধ্যায়তো বিষ্ণুং ত্রেতায়াং যজতো মখৈঃ।।দ্বাপরে পরিচর্যায়াং কলৌ তদ্ধরিকীর্তানাৎ।। "

অনুবাদঃযুগধর্ম ও মুক্তির পথ হিসেবে সত্যযুগে শ্রীবিষ্ণুর ধ্যান,ত্রেতাতে যজ্ঞ,দ্বাপরে অর্চন,এবং কলিযুগে হরিনাম সংকীর্তন নিধার্রিত হয়েছে।

-শ্রীমদ্ভাগবত পুরান ১২/৩/৫২

💙 "কলে দোষ নিধে রাজন অস্তি এক মহান গুন। কীর্তনাৎ এব কৃষ্ণস্য মুক্তসঙ্গ পরং ব্রজেৎ।।"

অনুবাদঃকলি যুগ পাপের সমুদ্র।কিন্তু তার এক মহান গুন আছে।সেটি হচ্ছে,শ্রীকৃষ্ণের নামকীর্তন। যদি কেউ তা করে তাহলে অনায়াসে এই জড় জগৎ থেকে মুক্ত হয়ে চিন্ময় জগৎ শ্রীকৃষ্ণের ধামে প্রবেশ করতে পারে।

- শ্রীমদ্ভাগবত পুরান ১২/৩/৫১

Address

Sylhet

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Joy Shree Radhe posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Joy Shree Radhe:

Share