আফিয়াহ_𝘼𝙛𝙞𝙮𝙖𝙝

আফিয়াহ_𝘼𝙛𝙞𝙮𝙖𝙝 Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from আফিয়াহ_𝘼𝙛𝙞𝙮𝙖𝙝, Religious Center, Sylhet.

25/05/2026

আমরা তো জানি আরাফার দিনের দু'আ সবচেয়ে উত্তম দু'আ, তাই না? আল্লাহ এ দিনের দু'আ পছন্দ করেন সেটাও তো জানি।
এটাও জানি আল্লাহ থেকে অধিক সংখ্যক মানুষকে এদিনে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিবেন। এই অধিক সংখ্যক বান্দাদের মধ্যে নিজেকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে না?

জিলহজের দশ দিনের আমল হোক কিংবা দু'আ সবকিছুর সওয়াবই অন্য দিনের থেকে অনেক বেশি। আরাফের দিনে তা আবার আরো পছন্দের। তাই আরাফার দিনে আমাদের মুখময় বেশি বেশি দু'আ থাকুক।

কিন্তু দু'আ করতে নিলেই তো সমস্যা শুরু?
দু'আ করতে গেলেই মাথা ব্ল্যাঙ্ক হয়ে যায় আমাদের অনেকের তাই না? কত দু'আ প্রয়োজন অথচ কিছুই মনে আসে না।
এমন ব্লাঙ্ক হলে গেলে এই পোস্ট টা দেখে ধরে ধরে দু'আ করবেন। আজ বলবো নিজের জন্য যেসব দু'আ চাইবেন সেগুলো। চলুন দেখি কী কী দু'আ করবো?

• আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালার প্রশংসা করে নিবেন। তারপর দুরুদ পড়বেন এবং তারপর দোয়া শুরু করবেন। প্রশংসার জন্য যত সুন্দর শব্দ ব্যবহার করা যায় করবেন। নিজের যতটুকু আবেগ আছে ততটুকু দিয়ে আল্লাহর প্রশংসা করবেন। তারপর নিজের দু'আ করবেন।

• নিজের জন্য দু'আর সময় প্রথমে গুনাহ দিয়ে শুরু করবেন। আপনি অনুতপ্ত, এই বিষয় টা আল্লাহ খুব পছন্দ করেন। গুনাহের কথা বলে-বলে, কেঁদে-কেঁদে আল্লাহর কাছে গুনাহের জন্য ক্ষমা চাইবেন। আল্লাহ তওবাকারীদের পছন্দ করেন। আল্লাহর গুণবাচক নাম গফুরুর রহিম ও আফুয়ুন গফুর ধরে বারংবার অনুতপ্ত হবেন। আরাফার সারাদিন তওবার উপরেই থাকবেন। কান্না যদি না আসে কান্নার অভিনয় করবেন। বারংবার তওবা আল্লাহ পছন্দ করেন তাই বারংবার তওবা করবেন। আল্লাহ অবশ্যই মাফ করবেন।

• আল্লাহর কাছে আল্লাহকে চাইবেন। আমরা যেন আল্লাহ ও তাঁর রসুল কে সবথেকে বেশি ভালবাসতে পারি সেই তৌফিক চাইবেন। একসাথেই আল্লাহর কাছে আল্লাহর ভালোবাসা চাইবেন। আল্লাহর ভালোবাসা পেয়ে গেলে আর কিছুর প্রয়োজন হবে না ইনশাআল্লাহ।

• আল্লাহর কাছে জান্নাত চাইবেন ও জাহান্নাম থেকে পানাহ চাইবেন, জাহান্নামের কাঠিন্যে বর্ণনা করে পানাহ চাইবেন। আপনি কমজোর, আপনি জাহান্নামের আগুন সহ্য করতে পারবেন না, জাহান্নামের শাস্তি সহ্য করতে পারবেন না আল্লাহ কে এসব বর্ণনা করবেন। আল্লাহকে বলবেন, "আল্লাহ আমি গুনাহ করেছি কিন্তু শাস্তি সহ্য করার মতো ক্ষমতা আমার নেই, তাই আপনার রহমতের ওসিলায় আপনাকে মাফ করে দিন।"

• আল্লাহর কাছে নিজের জন্য উত্তম আখলাক চাইবেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে সব থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ আখলাখ চাইবেন। আপনি যেন বিনয়ী, ভদ্র, নম্র হবান্দা হতে পারেন তাই গুণগুলো ধরে ধরে চাইবেন। সাথেই বদ গুণের উপর যেন আপনার নিয়ন্ত্রণ থাকে সেই তৌফিক চাইবেন। যেমন- যদি আপনার রাগ বেশি থাকে, তবে আল্লাহকে বলবেন, "ইয়া আল্লাহ, আমার রাগের উপর আমার কন্ট্রোল দিন এবং রাগকে কমিয়ে দিন। "

• আল্লাহর কাছে হিকমাহ বা প্রজ্ঞা চাইবেন। সঠিক সময়ে সঠিক কথা এবং সঠিক সময়ে সঠিক কাজ যেন করতে পারেন সেই তৌফিক চাইবেন।

• কুরআনের প্রতি অঢেল মুহাব্বত চাইবেন। কুরআন যেন আমাদের জীবনের পাথেয় হয় তা চাইবেন। কুরআন যেন আমাদের হৃদয়ের বসন্ত হয় তা চাইবেন। কুরআনের সাথে যেন পথ চলা সহজ হয় সেটাও চেয়ে নিবেন।

• জীবনে সহজতা চাইবেন খুব করে। যে পরিস্থিতি ই আসুক আপনার জন্য যেন তা সহজ হয়ে যায়। কঠিন পরিস্থিতিও সহজ লাগে। সাথেই আফিয়াত চাইবেন, কল্যাণ চাইবেন।

• যারা অবিবাহিত তারা উত্তম স্বামী চাইবেন। আপনি একজন উত্তম স্বামীর মধ্যে গুণ কল্পনা করেন সে সকল গুন ধরে ধরে দু'আ করবেন। বিনয়ী, রাগ কম থাকা, ম্যাচিউর, দায়িত্বশীল আরও যেসব গুণ আপনি চান সব ধরে দু'আ করবেন। সাথেই দু'আ করবেন তিনি যেন রাসূলুল্লাহ ﷺ এর আদর্শের অনুসারী হন। মনে রাখবেন আপনার হাসবেন্ড শুধু আপনার হাসবেন্ড না বরং পরিবারের অংশ হবেন এবং আপনার সন্তানের পিতা হবেন। তিনি যদি উত্তম না হযন সন্তান উত্তম কামনা করা ও লালনপালন করা খুব কঠিন হয়ে যাবে। তাই দু'আতে কৃপণতা করবেন না। যেসব বোনেরা বিবাহিত তাদের বেশিরভাগ বোনেরাই বলেছেন তারা চাওয়ার থেকে অধিক পেয়েছেন, তাই ধরে ধরে চাইতে কৃপণতা করবেন না।

• নিরাপত্তা চাইবেন আল্লাহর কাছে। বর্তমানের যে পরিবেশ-পরিস্থিতি, সেই পরিবেশ- পরিস্থিতিতে নিরাপদ থাকা একটা নিয়ামত। আল্লাহর কাছে নিজের ও নিজের পরিবারের জন্য নিরাপত্তা চাইবেন। আল্লাহকে বলবেন, "আল্লাহ এমন কোন কিছু দ্বারা আমাদের পরীক্ষা করবেন না, যা আমরা সহ্য করতে পারবো না। সম্মানহানি থেকে আমাদের রক্ষা করুন এবং সব সময় যেন আমরা নিজের আব্রু রক্ষা করে চলতে পারি সেই তৌফিক দান করুন। "

• বিবাহিত হন কিংবা অবিবাহিত উত্তম সন্তান চাইবেন। প্রত্যেক নারী তার সন্তান নিয়ে কল্পনা করে তাই না? যে পর্যায়ে আপনি আপনার সন্তানকে দেখতে চান। সেই অনুযায়ী দু'আ করবেন। কী কী দু'আ করা যেতে পারে পরের পোস্ট এ বলবো ইনশাআল্লাহ।

• দ্বীন পালনের মতো শিথিল পরিবেশ চাইবেন রব্বানার কাছে। যে পরিবেশ আপনি থাকেন সে পরিবেশ যেন দ্বীন পালনের জন্য সহজ হয়। সাথেই ভবিষ্যতে যে পরিবেশগুলোতে আপনি যাবেন এই পরিবেশগুলো যেন দ্বীন পালনের জন্য উত্তম হয় সেই দু'আ করবেন।

• উত্তম সহবত চাইবেন, যত উত্তম মানুষদের সাথে মিশতে পারবেন তত বেশি ঈমান তাজা হবে এবং আমলে আগ্রহ আসবে। সাথেই দিন পালন সহজ হবে। তাই আজীবন উত্তম সহবতের মাঝে যেন থাকতে পারেন আল্লাহর কাছে তা চাইবেন অবশ্যই চাইবেন।

• আল্লাহর কাছে উত্তম জ্ঞান অর্জন করার তৌফিক চাইবেন। যদি আপনি হাফেজা হতে চান, হিফজ করার তৌফিক চাইবেন। আল্লাহ যেন স্মরণশক্তি মজবুত ও বৃদ্ধি করে দেন সেই দু'আ অবশ্যই চাইবেন। যেসব উত্তম জ্ঞান আমরা অর্জন করেছি সেই জ্ঞানগুলো যেন মনে থাকে এবং জ্ঞান অনুযায়ী আমল করা যায় সেই তৌফিক চাইবেন।

• উত্তম আমল করার তৌফিক চাইবেন বেশি বেশি। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার তৌফিক ছাড়া কিছুই হয় না। তাই আমলের ক্ষেত্রে তৌফিক চাইবেন। যখন চাইলেও আমল করতে পারবেন না তখন আল্লাহর কাছে নিজের কমজোরি দেখাবেন, আপনি পারছেন না প্রকাশ করবেন। আল্লাহ যেন সেই শক্তি ও মনোবল দিয়ে দেন তা চাইবেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে ফরজ নামাজের পর সুন্দর একটি দু'আ শিখিয়ে গেছেন।
দু'আটি হলো-
اللَّهُمَّ أَعِنِّي عَلَى ذِكْرِكَ، وَشُكْرِكَ، وَحُسْنِ عِبَادَتِكَ
অর্থ:হে আল্লাহ! আপনার জিকির (স্মরণ) করতে, আপনার শুকরিয়া (কৃতজ্ঞতা) আদায় করতে এবং সুন্দরভাবে আপনার ইবাদত করতে আমাকে সাহায্য করুন।

• শোকরগুজার বান্দা হওয়ার তৌফিক চাইবেন। সূরা ইবরাহীমে আল্লাহ বলেছেন শোকোরগুজার বান্দাদের নিয়ামত আল্লাহ বাড়িয়ে দেন। তাই এমন বান্দা হতে যে শোকোরগোজার। যদি পরিপূর্ণভাবে শোকরগুজার বান্দা হতে পারেন তবে আপনার নিয়ামত আপনি গণনা করে শেষ করতে পারবেন না ইন শা আল্লাহ। তাই অধিক পরিমাণে শুকরিয়া আদায় করতে থাকুন। যখন আলহামদুলিল্লাহ পড়বেন অন্তর থেকে সন্তুষ্টি চিত্রে পড়বেন। বারংবার পড়বেন।

• আল্লাহর কাছে সবরকারী বান্দা হতে চাইবেন না। একজন আলেমের পোস্ট দেখেছিলাম যিনি বলেছিলেন, যে বান্দা যত বেশি সবরকারি তার জন্য পরীক্ষাও তত বেশি। তাই সবরকারী হতে চাইবেন না। তবে আল্লাহকে বলবেন," প্রতিটা পরিক্ষায় যেন আমি সবরকারী বান্দা হতে পারি। সেই তৌফিক দিন আল্লাহ। প্রতিটা পরীক্ষায় যেন আমি আপনার উপর ভরসা করতে পারি, তাওয়াককুল করতে পারি এবং কষ্ট হলেও সবর করতে পারি। "

• সুস্থতা আল্লাহর অনেক বড় নিয়ামত যে নিয়ামতের বিষয়ে আমরা সবথেকে বেশি গাফেল থাকি। তাই সুস্থ সময় অসুস্থতা থেকে পানাহ চাইবেন। হর হামেশাই আল্লাহর কাছে শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা চাইবেন। সুস্থ না থাকলে কোন আমলই উত্তমভাবে করতে পারবেন না। সাথেই আল্লাহর কাছে অন্তরের প্রশান্তিও চাইবেন।

• সঠিক পথ জানা ও বোঝাই যথেষ্ট না। আমৃত্যু তাতে অটল থাকাই সাফল্য, অন্যথায় ধ্বংস। তাই সঠিক পথের উপরে অটল থাকার দু'আ করবেন। আল্লাহর রাসূল ﷺ নিজে এ বিষয়ে দু'আ করেছেন ও আমাদের শিখিয়ে গেছেন। দু'আটি হলো- يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَى دِينِكَ
অর্থ- হে অন্তরসমূহের পরিবর্তনকারী! আপনি আমার অন্তরকে আপনার দ্বীনের ওপর অবিচল রাখুন।"

• বাইতুল্লাহ সফর করার তৌফিক চাইবেন। সামর্থ্য থাক না থাক অবশ্যই চাইবেন! বারংবার উমরাহ করার তৌফিক চাইবেন।

• বেশি বেশি নিয়ামত চাইবেন আল্লাহর কাছে। জামার প্রয়োজন হোক, জুতার হোক, সাজসজ্জার জিনিসপাতির হোক সব আল্লাহর কাছেই চাইবেন। দেখবেন মিরাকালি সেসব পেয়ে গেছেন।

• আপনার সকল আকাঙ্ক্ষা সব আল্লাহর কাছে পেশ করবেন। আল্লাহ সকল কিছু শুনেন এবং আল্লাহর ভান্ডারে কোন কিছুর কমতি নেই, তাই নিজের জন্য যা যা প্রয়োজন আল্লাহর কাছে চাইবেন।

• অধিক পরিমাণ আল্লাহর রাস্তায় বিনিয়োগ যেন করতে পারেন সেই তৌফিক চাইবেন। অন্তরে যেন কৃপণতা না আসে। মুক্ত হস্ত যেন বিনিয়োগ করা সহজ হয় তা চাইবেন।

• সবশেষে উত্তমভাবে যেন আপনি শা/হা/দাত পান সেই দু'আ অবশ্যই অবশ্যই চাইবেন। চলে তো যেতেই হবে তাহলে সব থেকে উত্তম পন্থায় না কেন?

বেশ অনেকগুলো দোয়া দিয়ে ফেললাম, আমার দৃষ্টিতে এ প্রত্যেকটা দেওয়াই অনেক বেশি জরুরী। আরাফার দিনে যেন কোন দু'আই মিস না যায়। বেশি বেশি দু'আ করে আল্লাহর প্রিয় হয়ে যাই চলুন?

_Tasnime Momo
#আফিয়াহ_𝘼𝙛𝙞𝙮𝙖𝙝

23/05/2026

"বান্দার প্রতি আল্লাহর একটি দয়া হলো– তিনি তাকে এমন কিছু পরীক্ষায় ফেলেন যা সে না পারে কাউকে বলতে, আর না পারে কাউকে নিজের কষ্টটা বোঝাতে। আল্লাহ এটা এই জন্যই করেন, যাতে বান্দার মন অন্য সবার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে কেবল আল্লাহর দিকেই নিবিষ্ট হয় এবং সে যেন নিজের সবটুকু দুঃখ নিয়ে একমাত্র তাঁর কাছেই হাজির হয়।"

_ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.)
[আল-ওয়াবিলুস সায়্যিব, ৩৫]
#আফিয়াহ_𝘼𝙛𝙞𝙮𝙖𝙝

21/05/2026

জিলহজ্জের দশকে জুমার দিন অন্য সময়ের জুমার চাইতে উত্তম; কারণ এতে দুই ফজিলত একত্র হয়।

_ইমাম ইবনু হাজার (রহ.)
[সূত্র : ফাতহুল বারী, ২/৪৬০]

▪দুই ফজিলত বলতে, জু'মার দিনের ফজিলত এবং জিলহজ্জ প্রথম দশকের ফজিলত।
#আফিয়াহ_𝘼𝙛𝙞𝙮𝙖𝙝

21/05/2026

একটা ভিডিও দেখলাম। এক্স্যাক্টলি জানি না কোথাকার। রেপিস্টকে ঘিরে গোল করে দাঁড়িয়েছে স্থানীয় মানুষ। সবার হাতে কয়েকটা করে পাথর। ঘোষণা হলো, সবাই একসাথে পাথর ছুঁড়লো গায়ের শক্তি দিয়ে।

মাথা কপাল ফাটতে লাগলো রেপিস্টের। বুক, পিঠ, চেহারা, হাত পা - সবকিছু থেঁতলে যেতে লাগলো। কিছুক্ষণের মধ্যে মারা গেল, নেতিয়ে পড়লো রেপিস্টের দেহটা।

-----

দৃশ্যটা কল্পনা করুন। এবার বলুন, এরকম একটা দৃশ্য যদি দেখার পর ওই এলাকার পটেনশিয়াল রেপিস্ট যখন কাউকে রেইপ করতে যাবে, তার ব্রেইন তখন তাকে কী পরিমাণ বাধা দেবে?

চারপাশ থেকে পাথর ছুটে আসছে - এই ভয়ানক দৃশ্য মাথায় আসলে শরীরের বিকৃত উত্তেজনা স্তিমিত হয়ে যাবার জন্য তা যথেষ্ট। এবং এটাই হয়ে থাকে।

পক্ষান্তরে, আপনি সেকুলার রাষ্ট্রের বিচার ব্যবস্থার দিকে তাকান। ২০০৯ সালের এক কুখ্যাত রেপিস্ট আজও কারাগারে বসে ট্যাক্সের টাকায় খাচ্ছে। আরও অনেকদিন খেয়ে যাবে।

যখন সেকুলার রাষ্ট্রে কোনো পিশাচ রেইপ করতে যায়, তখন তার ব্রেইনে ওই 'ভয়ানক' সিগন্যালটা দেয় না। তার সামনে তো কোনো উদাহরণ নেই। সে জানে সর্বোচ্চ তার জেল হবে।

উল্টো তাকে যে ভয়ানক সাজা দেয়া হবে না, এটাও সে নিশ্চিত থাকে। কারণ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আজকে প্রেসে বলেছেন, "ভয়াবহ শাস্তি দেয়া যাবে না— ওগুলো মধ্যযুগীয়।"

-----

দুইটা সমাজের মধ্যে কোনটাতে রেইপ কম হবে? কোন সমাজে মেয়ের বাবারা এই নিশ্চয়তা নিয়ে ঘুমাতে যাবে যে, আমার মেয়ের সাথে খারাপ হলে আমি বিচার পাব? কোন সমাজে রামিসার বাবা আফসোস করে বলবে না— "আপনারা বিচার করতে পারবেন না?"

দেখেন এমন কিন্তু না যে, একটাতে রেইপ বন্ধ হয়ে যাবে একেবারে৷ এটা সম্ভব না। কিন্তু কম হবে, অপরাধী ভয়ে থাকবে, মেয়ের বাবা রাতে ঘুমাতে পারবে - কোন সমাজে?

আপনি উত্তর জানেন। শুধুমাত্র রেপিস্টের ক্ষেত্রে এই শাস্তি - এটুকু নিলে হবে না। আপনাকে সামগ্রিক প্যাকেজটাই নেয়া লাগবে। সেই প্যাকেজটার নামই শরীয়াহ।

_Asif Muhammad
#আফিয়াহ_𝘼𝙛𝙞𝙮𝙖𝙝

21/05/2026

কি-সাস আর শারী-য়াহ ছাড়া এই সমাজ কোনোদিনই নিরাপদ হবে না। আল্লাহর আইন থাকলে এই ধর্ষক-খুনিদের বিচারে বিলম্ব হতো না, ওদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হতো সবার সামনে।

যতদিন মানব রচিত আইন আর গণতন্ত্রের দাসত্ব চলবে, ততদিন এমন ধর্ষণ-খুন চলতেই থাকবে। আর এ জাতি লাশ গুনে গুনে শুধু বিবৃতি আর প্রতিবাদই দেখে যাবে।

_শাবীব তাশফী
#আফিয়াহ_𝘼𝙛𝙞𝙮𝙖𝙝

21/05/2026

৮ বছরের রামিশাকে ধ*র্ষনের চেষ্টা করে, সফল না হয়ে নিষ্ঠুর ভাবে হ*ত্যা করে ফেলে। কেবল এই একটি ঘটানাই নয়, সাম্প্রতিক সময়ের কিছু পরিসংখ্যান দেখা যাক—

ঠাকুরগাঁওয়ে ধ*র্ষণের পর ৪ বছর বয়সী শিশুকে হ*ত্যা, প্রতিবেশী কিশোর আটক। (১৪ মে, ২০২৬ Daily Sun বাংলা)

মুন্সীগঞ্জে শিশুকে ধ*র্ষণের পর হ*ত্যার অভিযোগ, আটক ১। (১৬ মে, ২০২৬ - The Daily Star বাংলা)

দুর্গাপুরে অপহরণের পর শিশুকে হ*ত্যা, লা*শ নিয়ে স্থানীয়দের সড়ক অবরোধ। (১৭ মে, ২০২৬ কালের কণ্ঠ)

মিরপুরে শিশুকে ধ*র্ষণের পর গলা কেটে হ*ত্যা। (১৯ মে, ২০২৬ - যুগান্তর)

৬ দিনের ব্যবধানে ৪ জন শিশু ধ*র্ষনের পরে হ*ত্যা! এই পরিসংখ্যান আমাদের কি বলে? এই পরিসংখ্যান যা বলে তা মূলত রামিশার বাবা বলে দিয়েছেন— “আমি বিচার চাইনা, কারণ আপনারা বিচার করতে পারবেন না। আপনাদের বিচার করার কোন রেকর্ড নাই, এটা বড় জোর ১৫ দিন চলবে, এরপরে অন্য ঘটনা ঘটবে। এটা ধামাচাপা পড়ে যাবে।”

রামিশার বাবার এই কথাই আমাদের দেশের বাস্তবতা। খুব সম্ভবত ‘বিচার’ শব্দটি এ দেশে ভিক্টিমের জন্য সবচেয়ে নিষ্ঠুর পরিহাস! ধ*র্ষনের আ/সামী জামিনে বেরিয়ে আবার ধ*র্ষন এবং খু*ন করে ফেলে and then that says a lot about the ‘system’!

আমরা চ্যালেঞ্জ দিচ্ছি এবং যে কেউ লিখে নিতে পারেন, এ দেশের বিদ্যমান কাঠামোতে এই জু*লুমের কোন স্থায়ী সমাধান হবেনা, সম্ভব না।

কিছুদিন পূর্বে আমরা দেখেছিলাম যখন ‘ইসলামী শরিয়াহ’ অনুযায়ী ধ*র্ষকের যথাযথ শাস্তি নিশ্চিত করা হয়, তখন এদেশের সুশীল এবং কথিত কাল্টচাঁড়াল শ্রেনী ঘেউ ঘেউ শুরু করে!

এমন অবস্থায় আমরা আপনাদের কাছে উন্মুক্ত প্রশ্ন রেখে যাচ্ছি–

বলুন, আমাদের সমাজে যখন আমাদের নিষ্পাপ সন্তানদের ধ*র্ষন করে মাথা কে/টে হ*ত্যা করা হয়- তখন আপনি ধ*র্ষকের বিচারের জন্য কোন মডেল বেছে নিবেন?

আরো লক্ষ্য করুন– বিদ্যমান কাঠামো বিক্রমপুরীদের মত নিরীহ আলিমদের বিনা বিচারে আটকে রাখতে পারে, কিন্তু ধ*র্ষকদের জামিনে ছেড়ে দেয় যারা বেরিয়ে এসে শুধু ধ*র্ষন নয় বরং মাথা কে/টে হ*ত্যা করে ফেলে!

লিখে নিন– বিদ্যমান কাঠামো, আইন ব্যবস্থা কোনদিন ও এই সমস্যার সমাধান করতে পারবেনা! এরপরে সিদ্ধান্ত আপনার।

_RealityCheck BD
#আফিয়াহ_𝘼𝙛𝙞𝙮𝙖𝙝

20/05/2026

ছোট্ট রামিসা। পড়ে দ্বিতীয় শ্রেণীতে। তার বড় বোন পড়ে নবম শ্রেণীতে। প্রতিদিনই বোনের সাথে স্কুলে যায় সে। গতকালকেও যাওয়ার কথা ছিল।

কিন্তু, স্কুল টাইমের আগে আগে রামিসাকে বাসার কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। সারা বাসা খুঁজে কোথাও না পেয়ে, রামিসার মা ঘরের দরোজা খুলে দেখেন, তাদের ঠিক অপোজিট ফ্ল্যাটের দরোজার কাছে রামিসার একটা জুতো পড়ে আছে। মা ভাবলেন, হয়তো প্রতিবেশিদের বাসায় গিয়েছে ছোট্ট মেয়েটা।

তিনি দরোজায় নক করলেন। একবার, দুইবার, তিনবার। কিন্তু কোনো সাড়াশব্দ পেলেন না। আরও জোরে নক করলেন, ধাক্কা দিলেন দরোজায়। কিন্তু না, কোনো আওয়াজ পাওয়া যায় না।

মায়ের মনে সন্দেহ দানা বাঁধতে শুরু করে৷ মেয়ের জুতো পড়ে আছে একটা৷ আরেকটা তাহলে কোথায় গেল? আর, এই বাসা তো তালাবদ্ধও না। তাহলে কেউ সাড়াশব্দ করছে না কেন?

রামিসার মা জোরে জোরে ধাক্কা দিতে থাকেন দরোজায়। চিৎকার করতে শুরু করেন। আশেপাশের সকলে এসে জড়ো হয়। তারপরও কেউ দরোজা খুলে না৷ ৯৯৯ এ কল করে পুলিশ ডেকে আনা হয়৷ তারা দরোজা কেটে ভেতরে ঢুকে যা দেখে, তা যেকোনো বাবা-মায়ের জন্য এক জীবনের ট্রমা।

ভেতরে, খাটের তলায় পাওয়া যায় রামিসার মস্তকবিহীন শরীর। আর, কর্তিত মস্তক পাওয়া গেল ওয়াশরুমের মধ্যে।

মনে হচ্ছে সিনেম্যাটিক কোনো ক্রাইম স্টোরির স্ক্রিপ্ট, তাই না? জি না। এই ঘটনা গতকালকের। ঢাকার মিরপুরের।

ছোট্ট মেয়েটার সাথে JOUNO নির্যাতনের ঘটনার আলামত পাওয়া গেছে। যে নৃশংস, নরাধম এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তার নাকি এধরণের বিকৃত চাহিদা রয়েছে৷

সবচেয়ে বেদনাদায়ক ব্যাপার কী জানেন? এই ঘটনাটায় ওই নরাধমকে সহায়তা করেছে তার নিজের বউ।

একটা মেয়ে মানুষ, কীভাবে হতে দিলো একটা বাচ্চা মেয়ের সাথে এই কাজ? এই ঘটনা কী ব্যাখ্যা আপনি দাঁড় করাবেন?

আইয়্যামে জাহিলিয়াতের যুগে বাচ্চা মেয়েদের জীবন্ত পুঁতে ফেলা হতো। এখন, এই আইয়্যামে জাহিলিয়াত থেকে বাঁচতে, আমরা যারা মেয়েদের বাবা-মা আছি, মেয়ে সন্তানদের আমরা কি আবারও জীবন্ত পুঁতে ফেলা শুরু করব?

কী নৃশংস! কী নৃশংস!

_আরিফ আজাদ
#আফিয়াহ_𝘼𝙛𝙞𝙮𝙖𝙝

19/05/2026

রহমতের মৌসুমগুলোতে গুনাহ থেকে বেঁচে থাকো। কেননা, তা ক্ষমা থেকে বঞ্চিত করে।

_ইবনু রজব রহিমাহুল্লাহ
[লাতায়িফুল মা‘আরিফ, ৩৭৯]
#আফিয়াহ_𝘼𝙛𝙞𝙮𝙖𝙝

18/05/2026

সবচেয়ে সম্মানিত এবং গুরুত্বপূর্ণ চারটি মাসের একটি মাস হলো জিলহজ্জ মাস।
সূরা ফাজরে আল্লাহ তা'লা যে দশটি রাতের শপথ করেছেন, তা হচ্ছে জিলহজ্জের এই প্রথম দশ রাতের (তাফসিরে ইবনে কাসির মুতাবেক)।
আর এই দশদিন পৃথিবীতে শ্রেষ্ঠতম দিন। আল্লাহর তা'লার কাছে এই দশদিনের আমলের চেয়ে প্রিয় আর কোনো আমল নেই।

🔳 জিলহজ্জের এই দশদিন যে আমলগুলো করতে পারি :-

১. বেশি বেশি তাহলিল, তাহমিদ, তাকবির ও তাসবীহ পাঠ করা।

তাহলিল অর্থ্যাৎ .“লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” (لأ إله إلا الله)
তাহমিদ অর্থ্যাৎ "আলহামদুলিল্লাহ” (الحمد لله)
তাকবীর অর্থ্যাৎ .“আল্লাহু আকবার” (الله اكبر)
তাসবীহ অর্থাৎ "সুবহানাল্লাহ” (سبحان الله‌)

২. প্রথম ৯দিন রোজা রাখা (৯দিন না পারলেও নিজের সাধ্যনুযায়ী রোজা রাখা)।

৩. তাহাজ্জুদ পড়া।

৪. কোরআন তেলাওয়াত করা।

৫. বেশি বেশি দোয়া করা।

৬. মিসওয়াক করা।

৭. সকাল-সন্ধ্যার মাসনুন আমল করা।

৮. বেশি বেশি দুরূদ ও ইস্তিগফার পাঠ করা।

৯. দান- সাদকাহ করা।

১০. জিলহজ্জের চাঁদ দেখা যাওয়ার পর থেকে কুরবানী করার আগ পর্যন্ত নখ, চুল না কাটা।

১১. সামর্থ্য থাকলে হজ্ব ও কুরবানি করা।

১২. আরাফার দিনে রোজা রাখা।

রাসূল (ﷺ) বলেছেন,
আরাফার দিনের রোজার বিষয়ে আমি আল্লাহর নিকট আশা করি যে, তিনি এর দ্বারা বিগত বছর ও আগামী এক বছরের গুনাহ মাফ করে দেবেন।
[সহীহ মুসলিম : ১১৬২]

১৩. আরাফার দিনে এই দোয়া বেশি বেশি করে পাঠ করা।

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

উচ্চারণ : "লা ইলাহা ইল্লাল্লহু ওয়াহ'দাহু লা শারীকা লাহ, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হা'মদু ওয়া হুওয়া আ'লা কুল্লি শাইয়্যিন ক্বদীর।"

১৪. তাকবিরে তাশরিক পাঠ করা। ৯জিলহজ্ব ফজরের পর থেকে ১৩জিলহজ্ব আছরের ওয়াক্ত পর্যন্ত প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর একবার তাকবীর পড়া ওয়াজিব। পুরুষরা আওয়াজ করে আর মহিলারা নীরবে তাকবীর পড়বেন।

اَللهُ أَكْبَرُ، اَللهُ أكْبَرُ،
لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ،
وَاللهُ أَكْبَرُ، اَللهُ أَكْبَرُ
ﻭ ﻟِﻠّﻪ الحَمْدُ
উচ্চারণ : "আল্লহু আকবার, আল্লহু আকবার, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লহু আকবার ওয়ালিল্লাহিল হামদ।"

১৫. ঈদের রাতে ইবাদত করা। ঈদের রাতও কিন্তু দোয়া কবুলের রাত। এই রাত অনেকে অবহেলায় কাটিয়ে দেন। তাই যথাসম্ভব এই রাতে নিজেকে ইবাদাতে মশগুল রাখতে হবে।

জিলহজ্জের প্রথম দশদিনের ইবাদত আল্লাহ তা'লার কাছে অত্যন্ত প্রিয়। আর এই বিশেষ দিনগুলোর ইবাদতের সওয়াবও অনেক বেশি। ইবাদতের পাশাপাশি অবশ্যই গুনাহ থেকে বেঁচে থাকবো।

বেশি বেশি দোয়া করবো। দোয়াতে ফিলিস্তিন, কাশ্মীর, ইয়েমেন, উইঘুরসহ সকল মাজলুমদেরকে সামিল রাখবো। নিজের পরিবার-পরিজনসহ, মৃতদের জন্যও দোয়া করবো।

_Sheikh Nadia Lina
#আফিয়াহ_𝘼𝙛𝙞𝙮𝙖𝙝

প্রতি আরবি মাসের শুরুতে প্রথম সুন্নাহ কোনটি জানেন কি?নতুন চাঁদ দেখে দুআ পড়া — প্রতি আরবি মাসের শুরুর প্রথম সুন্নাহ.. #প...
18/05/2026

প্রতি আরবি মাসের শুরুতে প্রথম সুন্নাহ কোনটি জানেন কি?

নতুন চাঁদ দেখে দুআ পড়া — প্রতি আরবি মাসের শুরুর প্রথম সুন্নাহ..

#প্রতি_আরবি_মাসের_প্রথম_সুন্নাহ

আজ ২৯ জিলক্বদ, আজ সূর্যাস্তের পর জিলহজ মাস শুরুর সম্ভাব্য দিন। তাই নতুন চাঁদ দেখার মাধ্যমে পবিত্র জিলহজ মাসে প্রবেশের নিয়ত করে নিন। এবং চাঁদ দেখা মাত্রই চাঁদ দেখার দুআ পাঠ করুন।

এটি রাসূল ﷺ এর একটি হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহ।

আসুন, আমরা নিজেরা এই সুন্নাহ জীবিত করি এবং অন্যদের মাঝেও ছড়িয়ে দিই। কারণ একটি সুন্নাহ পুনর্জীবিত করার সাওয়াব অপরিসীম।

──────────────
➤বিঃদ্রঃ

❖ নতুন চাঁদ খুব দ্রুত মিলিয়ে যায়। তাই সূর্যাস্তের কিছু সময় পূর্ব থেকেই চাঁদ দেখার নিয়তে আকাশের দিকে খেয়াল রাখুন।

❖ যদি চাঁদ দেখা না যায়, তবুও আকাশের দিকে তাকিয়ে চাঁদ দেখার দুআ পড়ে নিন ইন শা আল্লাহ।
──────────────

● নতুন চাঁদ দেখে পড়ার দু'আ:

اللَّهُمَّ أَهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالْأَمْنِ وَالْإِيْمَانِ وَالسَّلَامَةِ
وَالْإِسْلَامِ رَبِّي وَرَبُّكَ اللَّهُ

অর্থ: হে আল্লাহ, এই চাঁদকে আমাদের উপর বরকত, ইমান, শান্তি ও ইসলামের সহিত উদিত করুন, হে চাঁদ, আমার ও তোমার রব আল্লাহ তা'আলা।
—[সুনানে তিরমিযী, হাদীস নং: ৩৪৫১]

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে রমাদানের প্রতিটি মুহূর্ত সুন্নাহ অনুযায়ী কাটানোর তাওফিক দান করুন। আমীন।

_Hazera Farhad Sayma
#আফিয়াহ_𝘼𝙛𝙞𝙮𝙖𝙝

18/05/2026

আল্লাহ তায়ালা কুরআনে হাকীমে যিলহজ্বের প্রথম দশরাত নিয়ে ক্বসম করেছেন। এমন ক্বসম আল্লাহ তায়ালা আরো অনেক সৃষ্টি নিয়ে করেছেন। সেগুলো আল্লাহ তায়ালার জাতে পাক ও কুদরত নিয়ে। সেইসব ক্বসমের বিষয়বস্তু এবং ক্বসমের পর আল্লাহ জাল্লা শানুহু এমনসব বক্তব্য দিয়েছেন যেগুলো আমাদের বোধের বাইরে। সৃষ্টিগুলোর বড়ত্বের পরিমাণ এতবেশি যে যা আমাদের যাপিত জীবনের সাথে মেলানোর সাধ্য আমাদের নাই। চাঁদ-সূর্য ও দিন-রাতের ক্বসমের মাহাত্ম্য আমরা বুঝি কিন্তু এগুলো আমাদের নিয়ন্ত্রণাধীন নয়।

কিন্তু রমাদ্বান মাস ও যিলহজ্বের দশদিন এগুলো আমাদের যাপিত জীবনের অংশ ও ঈমান আমলের মৌসুম। তথাপি আল্লাহ তায়ালা রমাদ্বান মাস নিয়ে শপথ করেননি। করেছেন যিলহজ্বের দশরাত নিয়ে।

পানির ফিল্টারে পানি দিলেই সাথে সাথে ময়লা পানি পরিষ্কার হয়ে যায় না। অনেকগুলো ধাপ পার হয়। প্রথমে বালি তারপর নুড়িপাথর পেরিয়ে ছাঁকনিতে ছেঁকে এরপর পরিষ্কার পানি বেরিয়ে আসে। এই যে ধাপে ধাপে বিশুদ্ধকরণ প্রক্রিয়া এটা আল্লাহ তায়ালার নিযাম। শুধু বস্তুতেই নয় বরং ঈমান আমলেও।

এই উদাহরণের সাথে যিলহজ্বের দশদিনকে মেলানো যায়। যিলহজ্ব মাসে ফরজ ওয়াজিব অনেকগুলো ইবাদাত। হজ্ব ও কুরবানি। সাথে অনেকগুলো সুন্নাহ আমল। হজ্ব ও কুরবানি অনেক বড় আমল। আল্লাহ তায়ালার জন্য জান ও মাল কুরবানি করার জন্য দীলের হালত এতটা কামালিয়াতে পৌঁছা দরকার যেন এই আমলগুলো আল্লাহ তায়ালার কাছে কবুল না হওয়ার কোনো পথই বাকী না থাকে। এইজন্য নয়দিনের ফিল্টারিং দরকার। এই নয়দিনের ঈমান আমলের মাধ্যমে অন্তরের বিশুদ্ধিকরণ সম্পন্ন হবার পর হজ্ব ও কুরবানি যে করবে নিশ্চিত সে জিতে যাবে!

এইজন্য নয়দিন ও দশরাতের ক্বসম করেছেন। উপরন্তু রমাদ্বান মাস পুরোটাই ছিলো প্রশিক্ষণ। যেখানে বান্দার সারামাসের প্রশিক্ষণ তাকে সারাবছরের জন্য তৈরী করবে। হজ্ব ও কুরবানির জন্যও তৈরি করবে।

এই দশদিন বহুত দামী। বহুত মানে বহুদ দামী। কাজে লাগাতে না পারলে এরচে হতভাগা আর কে হতে পারে!
~ Ammarul Hoque (Hafi.)
#আফিয়াহ_𝘼𝙛𝙞𝙮𝙖𝙝

Address

Sylhet

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আফিয়াহ_𝘼𝙛𝙞𝙮𝙖𝙝 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share