আফিয়াহ_𝘼𝙛𝙞𝙮𝙖𝙝

আফিয়াহ_𝘼𝙛𝙞𝙮𝙖𝙝 Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from আফিয়াহ_𝘼𝙛𝙞𝙮𝙖𝙝, Religious Center, Sylhet.

26/08/2026

উহুদ যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ ﷺ একজন সাহাবীকে পাঠালেন সা'দ ইবনুর রবী' (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু)-এর খোঁজ করার জন্যে। বললেন, সা’দকে পেলে তাঁকে সালাম দিয়ে বলবে—আল্লাহর রাসূল আপনাকে জিজ্ঞেস করছেন, আপনার অবস্থা এখন কেমন?
সা’দ ইবনুর রবী’ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) একজন আনসারী সাহাবী। তাঁকে খোঁজার জন্য পাঠানো হয়েছিল যাইদ বিন সাবিত (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু)-কে।
যাইদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) বলেছেন, নিহতদের মধ্যে ঘুরতে ঘুরতে তিনি সা’দকে পেলেন। তাঁর দেহে সত্তরটি আঘাতের চিহ্ন। তিনি তখন জীবনের একদম শেষ মুহূর্তে।
যাইদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) বললেন - সা'দ, আল্লাহর রাসূল আপনাকে সালাম দিয়েছেন, আর জানতে চেয়েছেন—আপনার অবস্থা এখন কেমন।
জবাবে সা’দ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) বললেন, “আল্লাহর রাসূল ও তোমার ওপর শান্তি বর্ষিত হোক! আল্লাহর রাসূলকে আমার সালাম জানিয়ে বলবে, আমি জান্নাতের খুশবু পাচ্ছি।
আর আমার গোত্র আনসারদেরকে বলবে—তোমাদের কারও চোখের পলক ফেলার মতো শক্তি থাকতে, আল্লাহর রাসূলের যদি কিছু হয়, তাহলে আল্লাহর দরবারে তোমাদের কোনো ওযর-আপত্তি কাজে আসবে না।”
জীবনের শেষ মুহূর্তে এসে একজন সাহাবী নিজের পরিবার, সম্পদ, গোত্র—সবকিছু ভুলে কেবল আল্লাহর রাসূল ﷺ-এর নিরাপত্তার কথা বললেন। নিজেদের গোত্রকে রাসূলের নিরাপত্তার দায়িত্ব স্মরণ করিয়ে দিলেন।
উহুদের এই দিনে সাহাবায়ে কেরাম (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম) আল্লাহর জন্য এবং আল্লাহর রাসূল ﷺ-এর প্রতি আনুগত্য ও ভালোবাসার অসাধারণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন।
কুরাইশদের তীর যখন রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর দিকে আসছিল, তখন আরেকজন আনসারী সাহাবী, আবু তালহা আল-আনসারি (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু), তাঁর ﷺ সামনে দাঁড়িয়ে ঢাল দিয়ে তাঁকে আড়াল করে রেখেছিলেন।
রাসূলুল্লাহ ﷺ যখন যুদ্ধের পরিস্থিতি বোঝার জন্য মাথা তুলে তাকাচ্ছিলেন, তখন আবু তালহা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) বলছিলেন, “আপনি মাথা ওঠাবেন না, শত্রুর কোনো তীর আপনার গায়ে লাগতে পারে। আমার গলায় তীর লাগুক, আপনার গলায় নয়!” আর বলছিলেন, “আল্লাহর নবি, আপনার জন্য আমার পিতা-মাতা কুরবান হোক!”
এই যুদ্ধের এক পর্যায়ে কুরাইশ বাহিনী চারদিক থেকে রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে ঘিরে ফেলে। রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর সঙ্গে তখন মাত্র সাতজন আনসার ও দুজন কুরাইশ সাহাবী ছিলেন। রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন—কে এদেরকে আমাদের কাছ থেকে হটিয়ে দেবে?
এ কথা শুনে আনসারদের একজন এগিয়ে গেলেন, এবং লড়াই করতে করতে শহীদ হলেন। তারপর আনসারদের আরেকজন এগিয়ে গেলেন, এবং লড়াই করতে করতে শহীদ হলেন। এভাবে একের পর এক সাতজন আনসারী সাহাবী শহীদ হয়ে গেলেন।
উহুদের ময়দানে সাহাবায়ে কেরামের ভালোবাসা শুধু আবেগের বিষয় ছিল না। রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর নিরাপত্তা, তাঁর আনুগত্য এবং তাঁর সঙ্গে দ্বীনের পথে দাঁড়ানো, এজন্য নিজের সবকিছু কুরবান করে দেওয়া—তাঁদের কাছে ভালোবাসার বাস্তব অর্থ এটাই ছিল।
ভালোবাসার কথা বলা সহজ। কিন্তু সাহাবায়ে কেরাম রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে ভালোবেসেছিলেন এমন সময়ে, যখন সেই ভালোবাসার অর্থ ছিল নিজের জীবনকে তাঁর সামনে পেশ করা, তাঁর আদেশ পালন করা এবং তাঁর জন্য ভয়, ক্ষুধা ও মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করা। তাঁরা এই দ্বীনের জন্য নিজেদের বাপ, চাচা, ভাইদের সঙ্গে লড়াই করেছিলেন। সব কিছু ত্যাগ করেছিলেন।
সাহাবায়ে কেরাম (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম আজমাইন), এই উম্মাহর মধ্যে এবং মানবজাতির জন্য শ্রেষ্ঠ প্রজন্ম। তাঁরা যেভাবে কুরআনকে বুঝেছেন, গুরুত্ব দিয়েছেন, দ্বীনকে আঁকড়ে ধরেছেন, দ্বীনের জন্য কুরবানী করেছেন—আর কোনো প্রজন্ম তা করতে পারেনি, পারবেও না।
তাঁরা যেভাবে আল্লাহর রাসূল ﷺ-কে সম্মান করেছেন, ভালোবেসেছেন—আর কোনো প্রজন্ম সেভাবে তাঁকে ﷺ ভালোবাসতে পারবে না।
আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জাম’আহর মানহাজ হলো সাহাবায়ে কেরাম (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম) এবং প্রথম তিন প্রজন্মের অনুকরণে দ্বীনকে বোঝা, দ্বীনকে ধারণ করার চেষ্টা করা। এবং আল্লাহর রাসূল ﷺ ও তাঁর পরিবারকে সম্মান করা ও ভালোবাসা।
আমরা গুনাহগার, নাফরমান মানুষ। কিন্তু শত দোষত্রুটি এবং কমতির পরও আমরা চেষ্টা করি সর্বশ্রেষ্ঠ প্রজন্মের আদলে আল্লাহর রাসূল ﷺ-এর আনুগত্য করতে এবং তাঁকে ভালোবাসতে।
যে কাজ সাহাবায়ে কেরাম করেননি, সালাফুস সালেহিন করেননি, আমাদের ইমামরা করেননি— রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর ওফাতের কয়েক শতাব্দী পর, নাসারাদের অনুকরণে এবং ফাতিমীদের আয়োজনে শুরু হওয়া সেই “মিলাদুন্নবী পালন”-এর মধ্য দিয়ে আমরা বছরে এক দিন রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর প্রতি ভালোবাসা দেখাই না।
আবেগ, তা যতো নিখুতই এই দ্বীনের মাপকাঠি না। বাপদাদা বা কওমের অন্ধ অনুসরণ আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল ﷺ-এর পছন্দনীয় বিষয় না।
আমরা রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে ভালোবাসতে চাই যেভাবে সাহাবায়ে কেরাম তাঁকে ভালোবেসেছেন ও সম্মান করেছেন, সেভাবে। তাঁর সুন্নাহকে ধারণ করার মাধ্যমে, তাঁর দিকনির্দেশনা পরিপূর্ণভাবে অনুকরণের চেষ্টার মাধ্যমে।
তিনি যে তাওহীদের দাওয়াহ নিয়ে এসেছেন, সেই দাওয়াহ প্রচারের মাধ্যমে। এবং যে দ্বীন তাঁর মাধ্যমে আল্লাহ আমাদের কাছে পাঠিয়েছেন, সেই দ্বীনকে দুনিয়াতে সামগ্রিকভাবে বাস্তবায়নের চেষ্টার মাধ্যমে। যদিও এই দাজ্জালি সভ্যতা এবং এর জাহেলি ব্যবস্থা এর বিরোধিতা করে।
আর সবকিছুর পর আমরা আল্লাহর কাছে দুআ করি—তাঁর প্রতি, তাঁর দ্বীনের প্রতি, তাঁর রাসূলের প্রতি আমাদের যে ভালোবাসা, তার কারণে তিনি হয়তো খুশি হয়ে তাঁর এই গুনাহগার বান্দাদের অগণিত দোষত্রুটি ক্ষমা করে দেবেন। তাঁদেরকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করবেন। তাঁর জান্নাতে তাঁর হাবীব মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর সাথে আমাদের দেখা করার, কথা বলার সুযোগ করে দেবেন।
إِنَّ الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ إِنَّا لَا نُضِيعُ أَجْرَ مَنْ أَحْسَنَ عَمَلًا

নিশ্চয় যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে--- আমরা তো তার শ্রমফল নষ্ট করি না- যে উত্তমরূপে কাজ সম্পাদন করেছে। [সূরা আল-কাহফ, ৩০]

_আসিফ আদনান
#আফিয়াহ_𝘼𝙛𝙞𝙮𝙖𝙝

25/08/2026

ইসলামের লেন্স দিয়ে যখন দুনিয়াকে দেখতে শুরু করবেন, তখনই বুঝতে পারবেন—আসলে হারানোর কিছুই নেই। আপনি চেষ্টা করবেন নিরন্তর; যেটাতে আল্লাহ কল্যাণ রেখেছেন, সেটাই হবে। আর আল্লাহর পরিকল্পনা অনুযায়ী তা হবে ঠিক সর্বোত্তম সময়েই, ইনশাআল্লাহ।

এই দুনিয়া তো বেশিদিনের নয়—এর চাওয়া-পাওয়ার হিসেবও বেশি দিনের নয়। দুনিয়ার এচিভমেন্টও টেকে না সারাজীবন। এমন কি কষ্টও থাকে না সারাজীবন। তাই সত্যিই হারানোর কিছু নেই।

তাওয়াক্কুল, সবর আর ঈমান—এই তিনটা একসাথে মিললে শুধু পাওয়াই পাওয়া! দু'হাত ভরে পাওয়া যায় আল্লাহর রহমত, বরকত আর তাঁর সিকিউরিটি। আর পাওয়া যায় নিজের আত্মাকে মুক্ত করে দেওয়ার মতো এক অদ্ভুত, গভীর শান্তি।

#রাইটিং_থেরাপি

_শারিন সফি অদ্রিতা
#আফিয়াহ_𝘼𝙛𝙞𝙮𝙖𝙝

14/08/2026

“আমাকে যুক্তি দিতে হবে না। যুক্তিগুলো বরং ইয়াওমাল ক্বিয়ামাহতে আল্লাহ (সুব’হানাহু ওয়া তা’আলা) এঁর সামনে উপস্থাপন করার জন্য জমা করে রাখুন।”
_____________
#অনেক_সময়েই_অনেককে_যা_বলতে_পারি_না

_মুহাম্মদ জাভেদ কায়সার রহিমাহুল্লাহ
#আফিয়াহ_𝘼𝙛𝙞𝙮𝙖𝙝

14/08/2026

"একজন নারী যতই নামাজ, রোজা, তাসবিহ ও নফল ইবাদত করুক, যদি স্বামীকে সম্মান না করে তাহলে জান্নাতে যাওয়া অত্যন্ত কঠিন হয়ে যাবে।"

_শায়েখ আহমাদুল্লাহ হাফিযাহুল্লাহ
#আফিয়াহ_𝘼𝙛𝙞𝙮𝙖𝙝

14/08/2026

এক উস্তাযাহ বলেছিলেন, “যারা আমাকে পছন্দ করে না আমি যাই না তাদেরকে কেন পছন্দ করে না জিজ্ঞেস করতে। আমাকে পছন্দ করার জন্য তাদেরকে উদ্দেশ্য করে কোনো আয়োজনও আমার কাছে নাই।

যে আমার গিবত করে আমি যাই না কারন জিজ্ঞেস করতে। সে তো তার হাতের কামাই করেই নিলো। আমার গুনাহভার কমিয়ে দিলো।

আমি দূরে চলে আসি, দূরে দূরে থাকি। তারা কেউই আর আমাকে তাদের নাগালে পায় না।
এভাবেই আমি শান্তিতে থাকি।”

কথাগুলো ভালো লেগেছিল এবং জীবনে এপ্লাই করে আসলেই শান্তিতে আছি। আলহামদুলিল্লাহ! আলহামদুলিল্লাহ!!

_Tahmina Islam
#আফিয়াহ_𝘼𝙛𝙞𝙮𝙖𝙝

25/07/2026

একটি ভিডিওতে একজন শেখাচ্ছেন সত্যিকারের ইংরেজি উচ্চারণ কিভাবে করতে হয়। অন্যরা মুগ্ধ হয়ে শুনছেন। কথা সত্য। আমরা বেশিরভাগই এগুলো জানিনা। এক প্রকার আনস্মার্ট বলা যায় নিজেদের।

তবে আমরা অবশ্য আরবি উচ্চারণও জানিনা। না, ভাষার কথা আর নাইই বলি। কুরআন সঠিক উচ্চারণে পড়তে জানিনা। এই নিয়ে অবশ্য কেউ বললে নিজেদেরকে "আনস্মার্ট" মুসলিম ভাবি না আমরা। ভাবি না যে "ছিঃ, আমি মুসলিম হয়ে কুরআন পড়তে পারিনা ভালো করে!" বরং কেউ যদি আরবির জন্য এমন ভিডিও একটা করে, that would be sooooooo hujur type! তাই না?

ইংরেজি উচ্চারণ, যেটা ছাড়াও আমাদের চলে যাবে, সেটা আমাদের কাছে বেশি প্রাধান্য পায় আমাদের রব এর কালামের চেয়ে। ঈমানের এই অবস্থা নিয়ে 'পরিবর্তন', 'মুসলিম সমাজ', হেন-তেন নিয়ে বড় বড় কথা আমরা নাহয় আর নাইই বলি।

আগে নিজেদের ভিতরে ইসলামকে সম্মান করতে শিখি। প্রাধান্য দিতে শিখি। এরপর নাহয় বাকিটা ভাববো!

ভালো কিছুর প্রতি মুগ্ধতা কিন্তু খারাপ না। খারাপ হলো তার চেয়েও ভালো যেটা, যেটা ছাড়া আমাদের চলতে পারার কথা ভাবাও উচিৎ ছিল না- সেটা নিয়ে নিজেদের অজান্তেই অবজ্ঞা রাখা।

ইংরেজিটা শেখা জরুরী লাগে।
আরবি- হবেনে কখনো!- এটাই অবজ্ঞা!

_নায়লা নুযহাত
#আফিয়াহ_𝘼𝙛𝙞𝙮𝙖𝙝

24/07/2026

গত বছরের কথা। জুলাই মাসের ২৪ তারিখ। জুমার রাত।
অফিস থেকে ফিরে মাত্র বিছানায় পিঠ লাগিয়েছি। পাশের রুমে ছোট ভাই আব্বাকে ড্রেসিং করাচ্ছে। আম্মা রান্না ঘরে কাজ করছেন।
এই দিকে বৃহস্পতিবার মানেই আমার কাছে যুদ্ধের দিন। প্রচণ্ড যানজট পেরিয়ে পুরাণ ঢাকায় যাওয়া কোনো অংশেই যুদ্ধের চেয়ে কম না। তাই বিছানায় শুয়ে একটু জিরাচ্ছি।
এমন সময় হঠাৎ ছোট ভাই দৌড়ে এসে বলল, "আব্বার রুমে আয় তো! আব্বা হঠাৎ চোখ বন্ধ করে ফেলছে।"
এরকম চোখ বন্ধ আগেও কয়েকবার করেছেন তিনি। বাসার সবাই এটার সাথে ইউজ টু। কিন্তু এবার আমার মনটা কেন যেন তারপরেও আতকে উঠল।
দৌড়ে গেলাম আব্বার রুমে। স্বাধীনতার আগে দাদার রেখে যাওয়া চৌকিতে তিনি সোজা হয়ে শুয়ে আছেন। কোনো নড়াচড়া নেই। নিথর দেহ।
আমি হাত ধরলাম, হার্ট বিট নেই। বুকে মাথা রাখলাম, হার্ট বিট নেই। চোখের মনিতে ফোনের আলো দিলাম। কিন্তু চোখনের মনিও সাড়া দিচ্ছে না।
ছোট ভাইয়ের বউ ডাক্তার। তাই কিছুটা মেডিকেল নলেজ আছে ওর। আমাকে বলল, "তুই উঠ, আমি দেখতেছি।"
এই বলে সে আব্বাকে সিপিআর দিতে লাগল। জোরে জোরে। যাতে হাড় ভাঙলেও সিপিআর কার্যকরী হয়।
কিন্তু না। আব্বার কোনো সাড়া নেই। আমাদের আর বুঝতে আর বাকি রইল না। তারপরও শেষ চেষ্টা হিসেবে মিডফোর্ডে নিয়েছিলাম। কিন্তু কোনো ফায়দা হলো না। আল্লাহর দেওয়া সম্পদ আল্লাহই নিয়ে গেলেন...
দেখতে দেখতে একটা বছর কেটে গেল, আব্বা নেই। কিন্তু সেদিনের রাতটা এখনো ভুলতে পারিনি।
আম্মা আজ ফোন দিয়ে সেদিনের রাতটা আবার স্মরণ করিয়ে দিলেন। বললেন, কিছু টাকা দান করে দিও। মনে করিয়ে দিলো, সামনের আগস্টের প্রথম সপ্তাহেই আবার আমার মামা এবং নানার মৃত্যুবার্ষিকী।
এখনো বৃষ্টি হলে কিছুটা আনমনে হয়ে যাই। মনে হয়, আব্বা কবরের ভিতরে ভিজে যাচ্ছে। কড়া রোদ উঠলে মনে হয়, আব্বার গরম লাগছে।
যখন নিজের দুইটা বাচ্চাকে দৌড়াতে দেখি, নিজের শৈশবের কথা মনে পড়ে যায়। আব্বার হাত ছেড়ে দুই ভাই তো এভাবেই দৌড় প্রতিযোগিতা করতাম!
আজ আব্বা নেই। তবে আব্বার স্মৃতিগুলো এখনো কথা বলছে।
رَّبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِي صَغِيرًا

_মহিউদ্দিন রূপম
#আফিয়াহ_𝘼𝙛𝙞𝙮𝙖𝙝

23/07/2026

ভার‌তে জেন‌জি আন্দোলন ক‌য়েক‌দি‌নে গড়ি‌য়ে‌ছে। কিন্তু এখ‌নো পর্যন্ত কো‌নো‌ নিহি‌তের সংবাদ পাওয়া যায়‌নি। য‌দিও পু‌লি‌শি নির্যাত‌নের কিছু ফু‌টেজ সাম‌নে এসে‌ছে। আগামী দিনগু‌লো‌তে কি হ‌বে জানা নেই। অথচ এই সমান সম‌য়ে ২৪জুলাই আন্দোল‌নে বহু ছাত্রের লাশ প‌ড়ে‌ গি‌য়ে‌ছিল, যা আরও প‌রে গণহত‌্যায় রূপ পরিগ্রহ ক‌রে‌ছিল। এসব হ‌য়ে‌ছিল এই ইণ্ডিয়া সরকা‌রের ইন্ধ‌নে ও প্রত‌্যক্ষ-প‌রোক্ষ মদ‌দে।

এতে দু‌টি বিষয় প্রমাণিত হ‌য়ে‌ছে।

এক. ভারত সরকার তার নিজ দে‌শের নাগ‌রিক‌দের ব‌্যাপা‌রে যতটা আন্ত‌রিক ও সহনশীল, ঠিত ততটা বা তার‌চে বে‌শি আমাদের ব‌্যাপা‌রে নিষ্ঠুর ও অমানবিক। ‌দোসর‌দের দি‌য়ে তারা আমা‌দের ছে‌লে‌দের পা‌খির মত শিকার ক‌রি‌য়েছে, কিন্তু নিজে‌দের ছে‌লে‌দের সব‌কিছুই তারা হজম ক‌রে যা‌চ্ছে।

দুই. আমা‌দের সরকারগু‌লো বি‌দেশী‌ প্রভূ‌দের খুশি করার জ‌ন্যে যা ইচ্ছে তাই কর‌তে পা‌রে, যেটা প্রভূরা ‌নি‌জে‌দের নাগরিক‌দের বেলায়ও ক‌রে না। বি‌শেষত বিতা‌ড়িত সরকার এদে‌শের মানু‌ষের ন‌্যূনতম অ‌ধিকার ও সম্মান স্বীকার করে‌নি। প্রতিপ‌ক্ষ ও ভিন্নম‌তের লোক‌দের দাসের চে‌য়েও নিকৃষ্ট জ্ঞান করত। স‌তের বছর এভা‌বেই তারা আচরণ ক‌রে‌ছিল। ২৪-এ গণ‌বিস্ফোরণ ছিল সেই অমান‌বিকতার বিরু‌দ্ধে রক্তাক্ত জবাব।

_সাইফুদ্দীন গাযাী



20/07/2026

আন্দালুস (الأندلس) বলতে মূলত বর্তমান স্পেন ও পর্তুগালের সেই অঞ্চলকে বোঝায়, যেখানে প্রায় ৭৮১ বছর মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠিত ছিল।

ইসলামের ইতিহাসে এটি জ্ঞান, বিজ্ঞান, স্থাপত্য, সাহিত্য ও সভ্যতার অন্যতম স্বর্ণযুগ হিসেবে পরিচিত।

৭১১ সালে উত্তর আফ্রিকার মুসলিম সেনাপতি তারিক ইবন জিয়াদ (রা.) প্রায় ৭,০০০ সৈন্য নিয়ে জিব্রাল্টার প্রণালী অতিক্রম করেন। সে এক গৌরবময় যুদ্ধ, বিশ্বের ইতিহাসে এতটা গৌরবময় যুদ্ধ খুব কমই হয়েছে।

তারপর কর্ডবা যখন রাজধানী ছিল তখন আবদুর রহমান তৃতীয় ৯২৯ সালে নিজেকে খলিফা ঘোষণা করেন। এ সময় আন্দালুস বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত হয়।

জ্ঞান বিজ্ঞানে আমরা তখন বিশ্বের পরাশক্তি হয়ে উঠে ছিলাম।

তবে এই গৌরবময় ভূমির পতন হয় ১৪৯২ সালে। রাজা ফার্নিনান্দ এর হাতে, পতন এর পর খ্রিস্টানরা মসজিদগুলো গির্জা বানায়, অত্যাচার, ধর্ষণ করে মুসলিমদের তাদেরই ভূখন্ড থেকে বের করে দেয়। অনেক মুসলিমকে জোর করে ধর্মান্তরিত করা হয়।

এই ইতিহাস কষ্টের, অনেক কষ্টের।

_Muhammad Mu'tasim
#আফিয়াহ_𝘼𝙛𝙞𝙮𝙖𝙝

17/07/2026

এখানে একটি প্রোগ্রামে শুনছিলাম যে এক ব্যক্তি একজন আলীমকে বলেছিলেন "আমি গুনাহ করার পরও আল্লাহ আমাকে সবই দিয়েছেন, যখন যা চেয়েছি। বরং অন্যরা যারা অনেক ভালো কাজ করে তাদের চেয়েও বেশী।" সেই আলীম তখন প্রশ্ন করেছেন, "আপনি তাহাজ্জুদের নামাজ পড়েন?" তিনি উত্তর দিলেন, "না!" তখন আলীম বললেন, "এটাই আপনার জন্য যথেষ্ট শাস্তি যে তিনি আপনাকে তাহাজ্জুদ পড়ার তৌফিক দিচ্ছেন না!"

"যা চেয়েছি তাই পাচ্ছি"র মাঝে সফলতা খুঁজলে আমাদের চলবে না। অনেক খারাপ মানুষই এই জীবনে যা চায় তাই পেয়ে থাকে। মুসলিম হিসেবে আমরা আখিরাত ছাড়া জীবন কল্পনাও করতে পারি না, সেই বিশ্বাস না থাকলে "আমি মুসলিম" কথাটারই কোন মূল্য নেই। তাই পাওয়া না পাওয়ার হিসাবটাও ভিন্ন। আমি কী চেয়েছিলাম আর কী পেলাম সেটা সাফল্যের মাপকাঠি না। আল্লাহ আমাদেরকে কেমন দেখতে চান আর তেমন হয়ে উঠার তৌফিক তাঁর কাছ থেকে পেয়েছি কিনা আর তা ঠিক কাজে লাগাচ্ছি কিনা-- সাফল্য সেখানে!

_নায়লা নুযহাত
#আফিয়াহ_𝘼𝙛𝙞𝙮𝙖𝙝

Address

Sylhet

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আফিয়াহ_𝘼𝙛𝙞𝙮𝙖𝙝 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share