Hare Krishna

Directions

Hare Krishna এখানে সনাতন ধর্মীয় বিভিন্ন বিষয়ে পোস্ট করা হয়।

29/09/2026

বিশ্বে ২৫৬টির বেশি দেশে ইসকন কৃষ্ণভাবনামৃত প্রচার করছে।।

সাধারণ ভাষায় বলিয়া থাকি 'বাঁদরের গলায় মুক্তার মালা'। আমরা কলিহত জীবগণ সেই প্রকার বাঁদরের মত। আমাদিগকে কৃপা করিয়া ব্রহ্ম...
27/09/2026

সাধারণ ভাষায় বলিয়া থাকি 'বাঁদরের গলায় মুক্তার মালা'। আমরা কলিহত জীবগণ সেই প্রকার বাঁদরের মত। আমাদিগকে কৃপা করিয়া ব্রহ্মার দুর্লভ বস্তু কৃষ্ণতত্ত্ব-ভক্তিতত্ত্ব অতি সহজে বিলান হইয়াছে বলিয়া আমরা ভক্তিতত্ত্বেরও যথেষ্ট কদর্থ করিয়াছি। ইহাও আমাদের দুর্ভাগ্যের পরিচয়। যে নিকৃষ্ট ইন্দ্রিয়-ধর্ম হইতে পরিত্রাণ করিয়া আত্মধর্মে প্রতিষ্ঠিত করিবার জন্য স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ দুইবার চেষ্টা করিয়াছেন, আমরা দুর্ভাগ্যক্রমে সেই আত্মধর্মের কথা আবার ইন্দ্রিয়-ধর্মে পরিণত করিয়াছি।

~ কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি শ্রীল ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ
গৌড়ীয় পত্রিকায় প্রকাশিত “ভগবান শ্রীকৃষ্ণই পরমতত্ত্ব” প্রবন্ধ হতে।

এখানে শ্রীল প্রভুপাদ খুব গভীর একটি কথা সহজ উদাহরণে বুঝিয়েছেন।

“বাঁদরের গলায় মুক্তার মালা” — এই প্রবাদটির অর্থ হলো, কেউ মূল্যবান জিনিস পেলেও তার প্রকৃত মূল্য বুঝতে পারে না।
প্রভুপাদ বলছেন, আমরা কলিযুগের মানুষও অনেকটা তেমন। ভগবান ও গুরুজনেরা আমাদের অতি দুষ্প্রাপ্য জ্ঞান — কৃষ্ণতত্ত্ব ও ভক্তিতত্ত্ব — খুব সহজে দিয়েছেন, কিন্তু আমরা সেই জ্ঞানের প্রকৃত উদ্দেশ্য বুঝতে না পেরে কখনও অবহেলা করি, কখনও নিজের স্বার্থে ব্যবহার করি।

তিনি আরও বলছেন:

* মানুষের আসল ধর্ম হলো আত্মধর্ম — অর্থাৎ আত্মাকে জানা ও ভগবানের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করা।
* কিন্তু আমরা অধিকাংশ সময় ইন্দ্রিয়-ধর্মে ব্যস্ত থাকি — মানে খাওয়া, ঘুম, ভোগ, সম্মান, লোভ ইত্যাদির পিছনে ছুটি।
* ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বারবার মানুষকে এই ভোগকেন্দ্রিক জীবন থেকে উদ্ধার করতে এসেছেন।
* অথচ দুর্ভাগ্যবশত, আমরা সেই আধ্যাত্মিক শিক্ষাকেও অনেক সময় বাহ্যিকতা, গর্ব বা ভোগের বিষয় বানিয়ে ফেলি।

মূল বার্তা হলো:
ভক্তি শুধু বাহ্যিক আচার নয়; এটি হৃদয়ের পরিবর্তন। কৃষ্ণভক্তির উদ্দেশ্য হলো ইন্দ্রিয়সুখ থেকে উঠে আত্মার প্রকৃত কল্যাণের পথে যাওয়া।

26/09/2026

শ্রী শ্রী রাধামাধব, জগন্নাথ, বলদেব,সুভদ্রা মহারাণীর বৈকালীন দর্শন।

24/09/2026

সন্ধ্যা আরতি

23/09/2026

হরে কৃষ্ণ 🙏

আজ পরম পবিত্র শ্রী শ্রী পার্শ্ব একাদশীপার্শ্ব একাদশী ব্রত মাহাত্ম্যব্রহ্মবৈবর্তপুরাণে ভাদ্রমাসের শুক্লপক্ষের পার্শ্ব একা...
22/09/2026

আজ পরম পবিত্র শ্রী শ্রী পার্শ্ব একাদশী

পার্শ্ব একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য

ব্রহ্মবৈবর্তপুরাণে ভাদ্রমাসের শুক্লপক্ষের পার্শ্ব একাদশী মহাত্ম্য যুধিষ্ঠির-শ্রীকৃষ্ণ সংবাদে এইরকম বলা হয়েছে।

যুধিষ্ঠির মহারাজ জিজ্ঞাসা করলেন-হে কৃষ্ণ! ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের একাদশীর নাম কি? এই ব্রত পালনের বিধি কি এবং ব্রত পালনেই বা কি পুণ্য লাভ হয়?

উত্তরে শ্রীকৃষ্ণ বললেন- হে ধর্মরাজ! মহাপুণ্যপ্রদা, সমস্ত পাপহারিনী এবং মুক্তিদায়িনী এই একাদশী বাজপেয় যজ্ঞ থেকেও বেশি ফল দান করে। যে ব্যক্তি এই তিথিতে ভক্তি সহকারে ভগবান শ্রীবামনদেবের পূজা করেন, তিনি ত্রিলোকে পূজিত হন।

পদ্মফুলে পদ্মলোচন শ্রীবিষ্ণুর অর্চনকারী বিষ্ণুলোক প্রাপ্ত হন। শায়িত ভগবান এই তিথিতে পার্শ্ব পরিবর্তন করেন। তাই এর নাম পার্শ্ব একাদশী বা পরিবর্তিনী একাদশী।

যুধিষ্ঠির মহারাজ বললেন- হে জনার্দন! আপনার এসকল কথা শুনেও আমার সন্দেহ পূর্ণরূপে দুর হয়নি। হে দেব! আপনি কিভাবে শয়ন করেন, কিভাবেই বা পার্শ্ব পরিবর্তন করেন, আর চার্তুমাস্য ব্রত পালনকারীর কি কর্তব্য এবং আপনার শয়নকালে লোকের কি করণীয়?

এসব বিষয়ে বিস্তারিতভাবে আমাকে বলুন। আর কেনই বা দৈত্যরাজ বলিকে বেঁধে রাথা হয়েছিল, তা বর্ণনা করে আমার সকল সন্দেহ দূর করুন।

শ্রীকৃষ্ণ বললেন- হে রাজন! দৈত্যকুলে আবির্ভূত প্রহ্লাদ মহারাজের পৌত্র ‘বলি’ আমার অতি প্রিয় ভক্ত ছিল। সে আমার সন্তুষ্টি বিধানের জন্য গো-ব্রাহ্মণ পূজা ও যজ্ঞাদি ব্রত সম্পাদন করত।

কিন্তু ইন্দ্রের প্রতি বিদ্বেষবশত সকল দেবলোক সে জয় করে নেয়। তখন দেবতাগণসহ ইন্দ্র আমার শরণাপন্ন হয়েছিল। তাদের প্রার্থনায় আমি বাহ্মণবালক বেশে বামনরূপে বলি মহারাজের যজ্ঞস্থলে উপস্থিত হলাম।

তার কাছে আমি ত্রিপাদভূমিমাত্র প্রার্থনা করেছিলাম। সেই তুচ্ছবস্তু থেকে আরও শ্রেষ্ঠ কিছু সে আমাকে দিতে চাইলেও আমি কেবল ত্রিপাদ ভূমি প্রহণেই স্থির থাকলাম। দৈত্যগুরু শুক্রাচার্য আমাকে ভগবানরূপে জানতে পেরে বলিমহারাজকে ঐ দান দিতে নিষেধ করল।

কিন্তু সত্যাশ্রয়ী বলি গুরুর নির্দেশ অমান্য করে আমাকে দান দিতে সংকল্প করল। তখন আমি এক পদে নীচের সপ্তলোক, আরেক পদে উপরের সপ্তভুবন অধিকার করে নিলাম।

পুনরায় তৃতীয় পদের স্থান চাইলে সে তার মাথা পেতে দিল। আমি তার মস্তকে তৃতীয় পদ স্থাপন করলাম। তার আচরণে সন্তুষ্ট হয়ে আমি সর্বদা তার কাছে বাস করার প্রতিশ্রুতি দিলাম।

ভাদ্র শুক্লপক্ষীয়া একাদশীতে ভগবান শ্রীবামনদেবের এক মূর্তি বলি মহারাজের আশ্রমে স্থাপিত হয়। দ্বিতীয় মূর্তি ক্ষীর সাগরে অনন্তদেবের কোলে শয়ন একাদশী থেকে উত্থান একাদশী পর্যন্ত চারমাস শয়ন অবস্থায় থাকেন। এই চারমাস যে ব্যক্তি নির্দিষ্ট নিয়ম, ব্রত বা জপ তপ ব্যতীত দিনযাপন করে, সেই মহামূর্খ জীবিত থাকলেও তাকে মৃত বলে জানবে।

শ্রাবণ মাসে শাক, ভাদ্র মাসে দই, আশ্বিনে দুধ, কার্তিক মাসে মাসকলাই বর্জন করে এই চারমাস শ্রীকৃষ্ণের আরাধনা করতে হয়। প্রতিটি একাদশী ব্রত যথাযথ পালন করতে হয়। শায়িত ভগবান পার্শ্ব পরিবর্তন করেন বলে এই একাদশী মহাপূণ্য ও সকল অভীষ্ট প্রদাতা। এই একাদশী ব্রত পালনে এক সহস্র অশ্বমেধ যজ্ঞের ফল পাওয়া যায়।

Address

Bandhorghat, Shibbari
Sylhet

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hare Krishna posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share