02/04/2025
নিউইয়র্ক টাইমস দাদাদেশে মুসলিম নির্যাতন এবং রাষ্ট্রীয় মদদে গেরুয়া সন্ত্রাসের তান্ডব নিয়ে কোন আর্টিকেল ছেপেছে?
গাযায় জায়োতান্ডবের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে? না, বরং তারা জায়োদের পক্ষে বহু ন্যারেটিভ তৈরি করেছে।
পশ্চিমা মিডিয়া সাম্রাজ্যবাদি সন্ত্রাসীদের হত্যার জাস্টিফিকেশান দিতে ন্যারেটিভ তৈরি করে৷ এই নিউইয়র্ক টাইমস ইরাক যুদ্ধের সময়ও গনহত্যার পক্ষে ন্যারেটিভ তৈরি করেছিলো।
বহু গনহত্যার পক্ষে ন্যারেটিভ তৈরি করা নিউইয়র্ক টাইমসের একটা নিউজ নিয়ে বাঙ্গুল্যান্ডে এতো হইচই কেন?
হইচই হচ্ছে, কারণ জিল্লু, সায়ের, শাহেদ, জাহেদদের মতো বাঙ্গু সাংবাদিক ও সেকুলার এলিট মহল ইসলামপন্থীদের উত্থান সহ্য করতে পারছে না। তারা চায়, ইসলামপন্থীরা যতটুকু কথা বলবে যতটুকু তাদের স্ট্যান্ডার্ডে মারমিসিবল। কিন্তু, কথা এর বাইরেও হচ্ছে। গনতন্ত্রের সমালোচনা যারা করে তাদের একটা ন্যারেটিভ দাঁড়িয়ে যাচ্ছে। ইসলামপন্থীদের কাছে কালচারাল জমিদারদের কালচারাল প্রজেক্টগুলো মাইর খেয়ে যাচ্ছে। প্রবল প্রতাপশালী শাহাবাগ ৫আগস্টের পর অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। ৫আগস্টের আগের মতো সানন্দে ইসলামোফোবিয়ার চাষাবাদ করা যাচ্ছে না- প্রতিবাদ হচ্ছে।
এসব থেকে উত্তরণের উপায় কী?
একটায় পথ। ধর্মীয় উগ্রবাদের জুজু ক্রিয়েট করা। এজন্য কয়েকটা আন্তর্জাতিক মিডিয়া দিয়ে নিউজ করানো।
বাস্তবতা কী?
গত ৯মাসে আইনশৃংখলা পরিস্থতি সবচেয়ে নাজুক ছিলো। কোন গঙগি হামলা হয়েছে? না।
ধর্মের দোহাই দিয়ে কাউকে হত্যা করা হয়েছে? না।
অর্ণবকে ফুল দেয়াকে আর্টিকেলে অনেক হাইলাইট করে কাভার করা হয়েছে - এই ফুলদেবার প্রতিবাদতো আমরাই সবার আগে করেছি৷
আর টুকটাক যে বিষয়গুলোর কথা এসেছে, সেগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা। এরচেয়ে একশোগুন বেশি দাদাদেশে ঘটছে প্রতিনিয়ত - কিন্তু সেগুলো নিয়ে নিউইয়র্ক টাইমসের কোন মাথাব্যথা নেই৷
তাদের মূল সমস্যা ইসলাম নিয়ে৷ সেই ইসলাম যা তাদের লিবারেল ডেমোক্রেটিক ফ্রেমওয়ার্ককে প্রশ্নবিদ্ধ করার হিম্মত রাখে, ভেঙে দেবার বিভব শক্তি ধারণ করে।
©Mehidy Hasan