21/01/2025
নমষ্কার 🙏
দয়াকরে পোষ্টটি পড়বেন 🙏
সিলেট জেলা কমিটির অর্ন্তভূক্ত কীর্ত্তনীয়া শ্রীযুক্ত দেবাশীষ দাসের আচরণ ও ব্যবহার সম্পর্কে বলছি।
বিগত ১৯/০১/২০২৫ইং রাত্রে উত্তর ফরিঙ্গা, বড়লেখা উপজেলা মিহারি গ্রামে অষ্টপ্রহরব্যাপী শ্রীশ্রী হরিনাম ও লীলা কীর্ত্তন হয়। তখন পশ্চিম গগড়া, বড়লেখা, মৌলভীবাজার জেলার বাসিন্দা অলক দাস কীর্তন শ্রবণ করতে সেখানে যান। যখন অলক দাস কীর্ত্তন আসরে প্রবেশ করে মহাপ্রভুকে প্রণাম করে বাহির হচ্ছিলো তখন দেবাশীষ দাস আসর থেকে নামতেছে এবং তাদের দু'জনের দেখা হয়, কিন্তু কেউ কারো সাথে কোন কথা বলেনি।তার কিচ্ছুক্ষণ অর্থাৎ ১৫/২০ মি: পর অলক দাসের ফোনে উক্ত 01888-403968 নাম্বার হইতে কল আসে। অলক দাস কল রিসিভ করার পর ওপর প্রান্ত হইতে অজ্ঞাত ব্যক্তি তাকে ভালোমন্দ জিজ্ঞেস করে এবং সে কোথায় আছে জানতে চায়, তখন অলক দাস বলে যে, সে কীর্ত্তন মন্ডপের পাশেই আছে। তখন অলক দাস উক্ত ব্যক্তির পরিচয় জানতে চাইলে অপর প্রান্ত থেকে সেই ব্যক্তি তাহার নাম পল্লব বলে জানায়। তখন উক্ত পল্লব নামের ব্যক্তি অলক দাসকে বলে যে, কীর্ত্তন মন্ডপের পাশে একটা স্কুল আছে সেই জায়গায় যাওয়ার জন্য। তখন অলক দাস সেই ব্যক্তিকে চিনতে পেরে সে উক্ত জায়গায় যায়। সেই জায়গায় গিয়ে দেখতে পায় যে, কীর্ত্তনি দেবাশীষ দাস তার মুখমন্ডল ভালো করে মাফলার দিয়ে ডেকে রাখে যাতে অলক দাস তাকে চিনতে না পারে।তখন পল্লব বাবু অলক দাসের সহিত দেবাশীষ দাসের পরিচয় করিয়ে দে এবং অলক দাস দেবাশীষকে নমস্কার জানায়। কিন্তু অলক দাসের নমস্কারের প্রতিউত্তর না দিয়ে দেবাশীষ দাস অকথ্য ভাষায় তাহাকে গালমন্দ করিতে থাকে।তখন দেবাশীষ বলে “আমি আসর থেকে নেমে বিরিয়ানি খাইমু না গরুর মাংস খাইমু তর সমস্যা কিতা”। তুই কিগু ফেসবুকে লেখালেখি করতে। সিলেট বিভাগীয় সংগঠন সনাতনী জাগ্রত যুব সংঘ ও সিলেট জেলা গৌর গোবিন্দ লীলা কীর্ত্তন সেবা সংঘ এবং কৃষ্ণ কর, এস.পাল, দাস সুমন, প্রিতম কুমার পাল সহ তর হক্কলটিয়ে আমার ...... ছিড়তে পারছেনা তুই আমার ..... ছিড়তেনি বলে বিভিন্ন কু-রুচিপূর্ণ মন্তব্য করিতে থাকে, যাহা ভাষায় প্রকাশ করার মত নয়। তখন অলক দাস প্রতিবাদ করিলে দেবাশীষ দাস তাহাকে খারাপ ভাষায় গালাগালি সহ প্রাণ নাশের হুমকী দেয়। অলক দাস শান্তভাবে দেবাশীষ দাসকে সনাতনী জাগ্রত যুব সংঘ সহ কীর্ত্তন কমিটিকে নিয়ে এমন মন্তব্য করছেন কেনো জানতে চাইলে দেবাশীষ দাস সহ তাহার সহিত ৩০/৪০ জন সন্ত্রাসী/দেবাশীষের সাঙ্গপাঙ্গরা তাহাকে মারার জন্য উদ্যোত্ত হয়। তখন অলক দাস তাহাদের সহিত কথা কাটাকাটিতে জড়িয়ে যায়। তাহাদের হট্টগুল শুনিয়া সেই জায়গার কীর্ত্তন কমিটির মুরব্বিয়ানগণ দৌড়ে আসিয়া দেবাশীষ দাস ও তাহার সন্ত্রাসী বাহিনীদের কবল হইতে অলক দাস-কে উদ্ধার করেন।(বিঃ দ্রঃ গত কয়েকদিন পূর্বে দেবাশীষ দাস তাহার ছবি সহ অন্যান্য কয়েকজনের ছবি দিয়ে ফেসবুকে একটি পোষ্ট করেন, সেখানে লিখেন যে, “আজ মৌলভীবাজার বারইকোনা কীর্ত্তন শেষে বিরানি হাউজ রেষ্টুরেন্ট চা আড্ডায়” কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে যে, সেখানে চায়ের আড্ডা লেখা থাকলেও, ছবিতে চায়ের কাপের বদলে বিরানি প্লেট ছিলো। এটা নিয়ে ফেসবুকে প্রতিবাদ করে অলক দাস।) সেই শত্রুতার বশবর্তী হইয়া গত ১৯/০১/২০২৫ইং তারিখে রাতে অলক দাসকে একা পেয়ে তাহার উপর আক্রমণ করে কীর্ত্তনি দেবাশীষ দাস ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীরা।
সাধুগুরু বৈষ্ণবগণ আপনারাই বলেন একজন কীর্ত্তনিয়ার কি এমন আচার-আরচণ হওয়া উচিৎ? আপনারাই বলুন🙏
সিলেট জেলা কীর্ত্তন কমিটি এবং সকল সনাতনীদের বিনীত অনুরোধ কীর্ত্তনিয়া দেবাশীষ দাস এর এরুপ আচরণের বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত অপুর্ব প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করুন। নতুবা সকল সনাতনীদের ক্ষতির স্থল বটে।
জয় শ্রী রাম 🏹